সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরার সুন্দরবন রেঞ্জের ৬৮টি খালে বিভিন্ন মাত্রায় বিষ প্রয়োগের তথ্য গবেষণায় উঠে এসেছেসাংবাদিক হাফিজুর রহমানের মায়ের ইন্তেকাল,প্রেসক্লাবের শোকঅসুস্থ ওয়ার্ড বিএনপি সভাপতি আমিরুল ইসলামকে হাসপাতালে দেখতে গেলেন জেলা কৃষক দল নেতা রবিতালার ধানদিয়ায় ত্রাস সৃষ্টি করে ২লক্ষ টাকা মূল্যের গাছ কাটার অভিযোগসাতক্ষীরা জেলা জাসদের আলোচনাসভা ও সম্মেলনসাতক্ষীরায় একই পরিবারের চার সদস্যকে অজ্ঞান করে সোনার গহনাসহ সাত লাখ টাকার মালামাল চুরিজাকারিয়া হত্যার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন: এক সপ্তাহের আলটিমেটামশনিবার নিউমার্কেট চত্বরে মানববন্ধন : জাকারিয়া হত্যার বিচার বাস্তবায়ন কমিটির সভাসব ইউনিয়নে খেলার মাঠ তৈরির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীরসাতক্ষীরায় কলেজ ছাত্র জাকারিয়া হত্যায় গ্রেপ্তারকৃত নাহিদ ও শিপন ৫ দিনের রিমাণ্ডে

দেবহাটা টাউনশ্রীপুর হাইস্কুলের ম্যানেজিং কমিটি গঠনে তথ্য গোপনের অভিযোগ

দেবহাটা ব্যুরো : দেবহাটার উপজেলার স্বনামধন্য ও ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ টাউনশ্রীপুর শরচ্চন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি গঠনে স্কুলের প্রধান শিক্ষক আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে তথ্য গোপনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। আর এঘটনায় স্কুলের এক শিক্ষকও জড়িত আছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

যার কারনে স্কুলের অন্যান্য ম্যানেজিং কমিটির সদস্য, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তার পুনরায় শিক্ষা বোর্ড ও মন্ত্রনালয়ের নির্দেশনা মেনে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নির্বাচনের দাবী জানিয়েছেন।
জানা গেছে, স্কুলটির পূর্বের সভাপতি বিশিষ্ট সমাজসেবক ও শিক্ষানুরাগী আলহাজ¦ আবুল কাশেম সভাপতি থাকাকালীন সময়ে নিজস্ব অর্থায়নে স্কুলের অবকাঠামোগত উন্নয়নসহ শিক্ষার উন্নয়নে বিভিন্ন কাজ করেছেন। স্কুলটির প্রধান শিক্ষক আবুল কালামকে দূর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগে আবুল কাশেম প্রধান শিক্ষককে ১ বছরের মতো সাসপেন্ড করে রাখেন। পরে প্রধান শিক্ষক অন্যায় করার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করলে সভাপতি তাকে মাফ করে দেন। গত বছর ম্যানেজিং কমিটির মেয়াদ শেষ হলে আবুল কাশেমের সহধর্মীনি মনিরা বেগম মুন্নীকে এডহক কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব দেয়া হয়। পরে এডহক কমিটির মেয়াদ শেষ হলে করোনাকালীন সময়ের পরে শিক্ষা বোর্ড থেকে পূর্নাঙ্গ কমিটি গঠনের নির্দেশনা দেয়া হয়। তখন প্রধান শিক্ষক আবুল কালাম যাতে আবুল কাশেম পুনরায় সভাপতি হতে না পারে সেজন্য বিভিন্ন জায়গায় এক সভাপতি ২ বারের বেশী হতে পারবেনা

এমন নির্দেশনা বোর্ড দিয়েছে বলে অপপ্রচার দিতে থাকেন। আর প্রধান শিক্ষকের সাথে এই অপপ্রচারে স্কুলের আরেক সহকারী শিক্ষক সঞ্জীব ব্যানার্জী যোগ দেন। সঞ্জীব ব্যানার্জীও একই কথা প্রচার দেন। তাদের এই কথায় বিশ^াস করে ম্যানেজিং কমিটির সদস্যরা ভুল বুঝে গত ১ সপ্তাহ আগে নির্বাচনের প্রিজাইডিং অফিসারের দায়িত্বে থাকা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের একাডেমিক সুপারভাইজার মিজানুর রহমানের অফিস কক্ষে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নির্বাচন করেন। নির্বাচন পরবর্তী প্রধান শিক্ষকের কারসাজি প্রচার হলে তখন সবার মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। প্রধান শিক্ষক আবুল কালাম তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, কোন সদস্য নির্বাচনের বিষয়ে বা সভাপতি কাকে করবেন না করবেন সে বিষয়ে কোন কথা বলেননি তাই তিনিও কাউকে এবিষয়ে কিছু বলেননি।
সহকারী শিক্ষক সঞ্জীব ব্যানার্জী বলেন, পূর্বের ম্যানেজিং কমিটির মেয়াদ শেষ হলে এডহক কমিটির সভাপতি সভাপতি হিসেবে আবুল কাশেমের নাম বোর্ডে পাঠানো হলে বোর্ড সেটা গ্রহন না করলে আবুল কাশেমের সহধর্মীনি মুনিরা বেগমকে এডহক কমিটির সভাপতি করা হয় তিনি শুধু এটুকুই বলেছেন।

প্রিজাইডিং অফিসার ও মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের একাডেমক সুপারভাইজার মিজানুর রহমান বলেন, প্রধান শিক্ষক নির্বাচনের প্রক্রিয়া যেভাবে করেছেন সেভাবেই ম্যানেজিং কমিটির সকল সদস্যদের উপস্থিতিতে ভোটের মাধ্যমে সভাপতি নির্বাচন করা হয়েছে। একটানা দুইবারের বেশী সভাপতি হতে পারবেন কিনা সেবিষয়ে তার কাছে কেউ কিছু শোনেননি তাই এবিষয়ে কোন আলোচনাও হয়নি। বর্তমানে স্কুলটির উন্নয়ন ও পরিবেশ স্বাভাবিক করতে সরকারী বিধিমালা মেনে যাতে পুনরায় আবুল কাশেমকে সভাপতি করা হয় সেজন্য সকল অভিভাবক ও এলাকাবাসী কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাংবাদিক রামকৃষ্ণ এর মায়ের মৃত্যুতে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের শোক

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সদস্য ও আরটিভির সাতক্ষীরা প্রতিনিধি বিশিষ্ট সাংবাদিক রামকৃষ্ণ চক্রবর্তীর মাতা শোভারানী চক্রবর্তী রবিবার বিকাল তিনটায় ইহলোক ত্যাগ করে পরলোকে গমন করেছেন। সাতক্ষীরার তালা উপজেলার তেতুলিয়া ইউনিয়নের কলাপাতা গ্রামের নিজের বাড়িতে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল প্রায় একশত বছর। বার্ধক্যজনিত কারণে তিনি গত এক সপ্তাহ যাবত অসুস্থ হয়ে নিজের বাড়িতে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
মৃত্যুকালে তিনি দুই পুত্র সন্তান, ৫ কন্যা সন্তানসহ অসংখ্য আত্মীয় স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। শোভারানী চক্রবর্তী দীর্ঘদিন তার জ্যেষ্ঠ পুত্র রামকৃষ্ণ চক্রবর্তীর সাতক্ষীরা শহরের রসুলপুর মেহেদীবাগের বাড়িতে বসবাস করতেন। এক বছর আগে তিনি স্বামীর পৈতৃক ভিটায় ফিরে গিয়ে কনিষ্ঠ পুত্র লক্ষণ চক্রবর্তীর সংসারে বসবাস করতেন। বার্ধক্যজনিত কারণে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন।

কপোতাক্ষ নদের তীরবর্তী বাহাদুরপুর শশান ঘাটে শোভারানী চক্রবর্তীর অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন হয়।
তার মৃত্যুতে গভীর শোক ও শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন-সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি মমতাজ আহমেদ বাপী, সহ-সভাপতি হাবিবুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মাদ আলী সুজন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল জলিল, সাংগঠনিক সম্পাদক এম ঈদুজ্জামান ইদ্রিস, সাহিত্য, সংস্কৃতি ও ক্রীড়া সম্পাদক শহিদুল ইসলাম, অর্থ সম্পাদক শেখ মাসুদ হোসেন, দপ্তর সম্পাদক শেখ ফরিদ আহমেদ ময়না, নির্বাহী সদস্য মকসুমুল হাকিম, সেলিম রেজা মুকুল, আব্দুল গফুর সরদার, মাছুদুর জামান সুমন, এম শাহীন গোলদারসহ প্রেসক্লাবের সকল সদস্যবৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় স্বামীকে হত্যার অভিযোগ : স্ত্রী ও পরোকীয়া প্রেমিকের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরায় পরোকীয়া প্রেমের জের ধরে স্বামী গোলাম মোড়লকে হত্যার অভিযোগে স্ত্রী রেহেনা ও পরোকীয়া প্রেমিকসহ জড়িতদের ফাঁসির দাবীতে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার সকাল ১০টায় নিহতের পরিবার ও এলাকাবাসীর আয়োজনে তালা উপজেলার ত্রিশ মাইল নামক স্থানে খুলনা-সাতক্ষীরা সড়কে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। নগরঘাটা ইউপি সাবেক সদস্য আবুল কালাম মোড়ল’র সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন ইউপি সদস্য ফারুক হোসেন,

অটো রাইস মিল মালিক আবুল কালাম আজাদ, নিহতের ভাইজি বৃষ্টি আক্তার, নিহতের বোন খাদিজা সুলতানা প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, গত ০১ মার্চ মঙ্গলবার দিবাগত রাতে পরোকীয়া প্রেমের জেরে স্বামী গোলাম মোড়লকে শ্বাসরোঁধ করে হত্যা করা হয়। পুলিশ ঘটনার দিন নিহতের স্ত্রী ও প্রেমিক গোলাম রাব্বিকে আটক করে।
স্ত্রী রেহেনা ও পরোকীয়া প্রেমিকসহ জড়িতদের ফাঁসির দাবীতে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন কর্মসূচিতে নিহতের পরিবার ও এলাকাবাসীসহ সর্বস্থরের মানুষ অংশ গ্রহণ করেন।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, “এক দফা এক দাবী হত্যাকারী স্ত্রী রেহেনা ও পরোকীয়া প্রেমিকসহ জড়িতদের ফাঁসি। খুনীদের ফাঁসি না হওয়া পর্যন্ত তারা ঘরে ফিরবেনা বলে মানববন্ধন থেকে হুশিয়ারী দেওয়া হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ইউক্রেনে পুতিনের সাময়িক যুদ্ধবিরতির ঘোষণা

বিশেষ ডেস্ক: ইউক্রেনে সাময়িক যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দিল রাশিয়া। শনিবার (৫ মার্চ) সকাল ১০টা থেকে এ বিরতি কার্যকর হবে।

রাশিয়ার রাষ্ট্র নিয়ন্ত্রিত গণমাধ্যম আরটি এবং স্পুটনিক বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র সাংবাদিকদের বলেন, মস্কোর স্থানীয় সময় শনিবার সকাল ১০টা থেকে খণ্ডকালীন যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেছে রাশিয়া। ইউক্রেনের মারিউপুল ও ভোলনোভখার বাসিন্দারা যেন নিরাপদ স্থানে সরে যেতে পারেন, সে জন্যেই এ যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেওয়া হলো।

এর আগে বৃহস্পতিবার (৩ মার্চ) প্রতিবেশী দেশ বেলারুশের গোমেল অঞ্চলের অজ্ঞাত এক স্থানে তিন ঘণ্টা ধরে চলে বৈঠক। আলোচনায় রাশিয়াকে মানবিক করিডোর প্রতিষ্ঠায় রাজি করানো হয়, যেন বেসামরিক মানুষজন গোলযোগপূর্ণ এলাকা ছেড়ে চলে যেতে পারে এবং তুমুল লড়াইয়ের জায়গাগুলোতে মানুষকে চিকিৎসা ও খাদ্য সাহায্য পৌঁছে দেওয়া যায়।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের উপদেষ্টা মিখাইলও পোডোলিয়াক জানান, দ্রুত যুদ্ধবিরতি এবং যুদ্ধবিরতি চুক্তির বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। আলোচনায় ক্রিমিয়া ও দোনবাসকে স্বীকৃতি দেওয়ার রুশ দাবি ইউক্রেন মানতে পারেনি বলেও জানানো হয়।

শুক্রবার (৪ মার্চ) ইউক্রেনের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা মিখাইলও পোডোলিয়াক টুইট বার্তায় বলেন, দ্বিতীয় দফার আলোচনা শেষ হয়েছে। কিন্তু ইউক্রেনের জন্য যে ধরনের সফলতা দরকার ছিল; তা আসেনি। কেবল মানবিক সংস্থাগুলোর জন্য একটি সফলতা আছে।

তিনি বলেন, বেসামরিক নাগরিকদের শান্তিপূর্ণভাবে সরিয়ে নিতে আমরা যৌথভাবে একটি নিরাপদ মানবিক করিডোর স্থাপনে একমত হয়েছি। যাতে তীব্র লড়াই চলা অঞ্চলগুলোতে তাদের খাদ্য ও ওষুধ সরবরাহ সহজ হয়।

ইউক্রেনের এ কর্মকর্তা বলেন, কোনো কোনো স্থানে লোকজনকে সরিয়ে নেওয়ার স্বার্থে অস্থায়ী অস্ত্রবিরত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

তবে ভবিষ্যতে দুপক্ষ আলোচনা চালিয়ে যেতে একমত হয়েছেন। এদিকে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে সরাসরি আলাপ করতে চেয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।

তিনি বলেন, আমরা রাশিয়ায় হামলা চালাচ্ছি না, তেমন কোনো পরিকল্পনাও নেই। আপনারা আমাদের কাছে কী চাচ্ছেন? পুতিনকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, আমার সঙ্গে বসুন।

গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরুর পর দেশটির একের পর এক শহর দখলে নেয় রাশিয়া। ইউক্রেনের বিভিন্ন সরকারি স্থাপনা লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেছে পুতিন বাহিনী। তবে এতে রাশিয়ার ক্ষয়ক্ষতিও কম নয়।

ইউক্রেনে চলমান বিশেষ সামরিক অভিযানে এখন পর্যন্ত কতজন রুশ সেনা হতাহত হয়েছেন, প্রথমবারের মতো তার হিসাব প্রকাশ করে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। তাদের দাবি, ইউক্রেন অভিযানে ৪৯৮ রুশ সেনা নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ১ হাজার ৫৯৭ জন। একই সঙ্গে ইউক্রেনের দুই শতাধিক যুদ্ধবিমান ধ্বংসের দাবি করেছে মস্কো।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

দেশের খবর: সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা সম্পদ অর্জন বা বিক্রি করলে সে তথ্য জানাতে হবে। সেই সঙ্গে সম্পদের হিসেব বিবরণীও পেশ করতে হবে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে। সরকারের এ নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করার জন্য সম্প্রতি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সিনিয়র সচিব ও সচিবদের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়সহ একাধিক মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব নাফিসা আরেফীন স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮’ এর আওতাভুক্ত সব সরকারি কর্মকর্তা তাদের নিয়ন্ত্রণকারী প্রশাসনিক মন্ত্রণালয়ে সম্পদ বিবরণী দাখিল, উক্ত সম্পদ বিবরণী ডাটাবেজ তৈরি ও নিয়ন্ত্রণকারী সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক মন্ত্রণালয় থেকে স্থাবর সম্পত্তি অর্জন বা বিক্রির বিষয়ে ‘সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা, ১৯৭৯’ এর ১১, ১২ ও ১৩ বিধি প্রতিপালন পূর্বক এ মন্ত্রণালয়কে অবহিত করার জন্য নির্দেশক্রমে পুনরায় অনুরোধ করা হলো।’

চিঠির বিষয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা, ১৯৭৯ অনুযায়ী সরকারি চাকরিজীবীদের পাঁচ বছর পর পর সম্পদ বিবরণী পেশ ও স্থাবর সম্পত্তি অর্জন বা বিক্রির অনুমতি নেওয়ার নিয়ম রয়েছে। কিন্তু সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা এ নিয়ম মানছেন না। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অনুশাসনের পরিপ্রেক্ষিতে বিধিমালাটি বাস্তবায়নের মাধ্যমে সম্পদ বিবরণী দাখিল ও স্থাবর সম্পত্তি অর্জন বা বিক্রির নিয়ম মানতে সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সিনিয়র সচিব ও সচিবদের কাছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এর আগে চিঠি দেওয়া হয়েছিল।

গত বছরের ২৪ জুন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের শৃঙ্খলা-৪ শাখার চিঠিতে বলা হয়, ‘সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা, ১৯৭৯’ এর বিধি ১১, ১২ ও ১৩-তে সরকারি কর্মচারীদের স্থাবর সম্পত্তি অর্জন, বিক্রয় ও সম্পদ বিবরণী দাখিলের বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সুশাসন নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রী উল্লিখিত বিধিসমূহ কার্যকরভাবে কর্মকর্তাদের অনুসরণের বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা দিয়েছে। ওই সময় সরকারি কর্মচারীর জমি, বাড়ি, ফ্ল্যাট ও সম্পত্তি ক্রয় বা অর্জন ও বিক্রির অনুমতির জন্য আবেদনপত্রের নমুনা ফরম ও বিদ্যমান সম্পদ বিবরণী দাখিলের ছকও চিঠির সঙ্গে পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু সম্পদের হিসাব দেওয়ার বিষয়ে কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মাঝে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। এরই প্রেক্ষিতে নতুন করে আবার চিঠি দেওয়া হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাই-সাইকেল চড়ে সাতক্ষীরা থেকে রাজশাহীর উদ্দেশ্যে রওনা হলেন ৮৪ বছরের বৃদ্ধ জয়নাল

আসাদুজ্জামান : আবারও দুই চাকার বাই-সাইকেলে চেপে সাতক্ষীরা থেকে রাজশাহীর উদ্দেশ্যে রওনা হলেন ৮৪ বছরের বৃদ্ধ জয়নাল আবেদিন। চোখেমুখে এখনও তারুন্যের দীপ্তি, দেহে এখনও শক্তি রয়েছে গর্ব করার মতো।

বয়সের ভারে তবু ন্যুজ হয়ে পড়া মানুষটির অদম্য ইচ্ছাশক্তি তাকে টেনে নিয়ে চলেছে রাজশাহীর নওদাপাড়ায়। সেখানে আহলে হাদিসের এজতেমায় যোগ দেওয়ার পণ করেছেন তিনি।
সাতক্ষীরা সদর উপজেলার কাওনডাঙ্গা গ্রামের বৃদ্ধ জয়নাল আবেদিন একটি অতি সাধারন কৃষক পরিবারের মানুষ হিসেবে বড় হয়েছেন। বিপতœীক বৃদ্ধ জয়নাল ইলামী বিধি বিধান ও অনুশাসন মেনে চলেন।
জয়নাল আবেদিন এবার নিয়ে ১৮ বার সাইকেলে চেপে আজ শনিবার সকালে সাতক্ষীরা থেকে রওনা হয়েছেন রাজশাহীর উদ্দেশ্যে। নিজের ব্যবহৃত সাইকেল চড়ে আহলে হাদিসের এজতেমায় যাওয়া জয়নাল আবেদিন বলেন

‘আমি কোনো কষ্ট বোধ করিনা। যাতায়াতের পথে দুই এক স্থানে যাত্রা বিরতি করে থাকি। হয়তো কোনো মসজিদে রাত কাটাই। নিজের কাছে থাকে শুকনো খাবার, থাকে কয়েকটি ট্যাবলেট। গ্যাস হলে কিংবা হজমে সমস্যা হলে তা খেয়ে নেই’। তিনি বলেন রাজশাহী পৌছাতে তার সময় লাগে দুই দিন ও এক রাত। এজতেমা শেষে একইভাবে বাই সাইকেলে চেপে আবারও ফিরে আসি বাড়িতে। তিনি আরো বলেন,

রাতে সাইকেল চালাই না। তবে, সাতক্ষীরার তালা উপজেলা থেকে আবদুল বারী নামের আরও একজন সাইকেলে চড়ে রাজশাহী যান এজতেমার মাঠে। তার বয়স ৫৮ বলে জানান তিনি। আগামিতেও একইভাবে সাইকেল চড়ে রাজশাহী যেতে চাই উল্লেখ করে তিনি বলেন আমার দেহে বল, শক্তি ও দৃষ্টি ঠিক থাকলে কোনো সমস্যা হবে না।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিএনপি জামায়াতের দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সাতক্ষীরায় যুবলীগের প্রতিবাদ মিছিল

আসাদুজ্জামান : বিএনপি জামায়াতের দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র, নৈরাজ্য ও অপতৎপরতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ মিছিল ও সমাবেশ করেছে সাতক্ষীরা জেলা যুবলীগ। শনিবার বেলা ১২ টায় শহরের মিনি মার্কেট এলাকা থেকে মিছিলটি বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন শেষে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সামনে এসে তারা প্রতিবাদ সমাবেশ করে।
সমাবেশে যুবলীগ নেতা মীর মোহিতুল আলম মাহির সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, জেলা যুবলীগ নেতা ও সাতক্ষীরা জজ কোর্টের এপিপি এ্যাডভোকেট তামিম আহম্মেদ সোহাগ,

তালা উপজেলা যুবলীগ নেতা মাহবুব হোসেন মিন্টু, কলারোয়া উপজেলা যুবলীগ নেতা ইয়াসিন, মুস্তাকিন, সাতক্ষীরা পৌর যুবলীগের তাইজুল ইসলাম প্রমূখ।
সমাবেশে বক্তরা বলেন, বিএনপি-জামায়াত বিদেশে লবিষ্ট নিয়োগ করে সরকারের বিরুদ্ধে অপতৎপরতা চালাচ্ছে।

তাদের সেই সরকার পতনের সপ্ন কখনো পুরুন হবে না। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। বিএনপি-জামায়াতের যে কোন ষড়যন্ত্র যুবলীগ রাজপথে থেকে জনগনকে সাথে নিয়ে প্রতিহত করবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নলতায় ঝাড়ুদারকে এক বছর ধরে ধর্ষনের অভিযোগ ইজারাদারের বিরুদ্ধে

তরিকুল ইসলাম : শারীরিক সম্পর্ক না করলে করা হচ্ছে মারপিট। হুমকি দেওয়া হচ্ছে ঝাড়ুদারের কাজ থেকে বের করে দেওয়ার। এভাবে ভয় দেখিয়ে সাতক্ষীরার নলতায় এক সন্তানের জননী বিধবাকে এক বছর ধরে ধর্ষণ করছেন বাজারের ইজারাদার।

অভিযুক্ত ওয়াহেদ আলী সরদার কালিগঞ্জ উপজেলার নলতা কাঁচা বাজারের ইজারাদার । ভুক্তভোগী নারী নলতা কাঁচা বাজারের ঝাড়ুদার।

নিরুপায় হয়ে ওই নারী নলতা দোকান মালিক সমিতির সভাপতি ও নলতা ইউপি চেয়ারম্যান আজিজুল ইসলামের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন।

ধর্ষণের শিকার নারী জানান, স্বামী মারা যাওয়ার পর ৮ বছরের মেয়েকে নিয়ে আমি একাই বসবাস করি। সংসারের খরচ আমাকে চালাতে হয়। গত বছর থেকে আমি কাঁচাবাজারে ঝাড়ুদারের কাজ করি। এজন্য আমি কাঁচাবাজের পাশে ভাড়া বাসায় থাকি। বাজারের ইজারাদার ওয়াহেদ আলী সরদার বিভিন্ন সময়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে ও কাজ থেকে বের করে দেওয়ার হুমকি দিয়ে আমার সাথে শারিরীক সম্পর্ক করতে থাকে। এক পর্যায়ে সে আমার বাসায় যাতায়াত শুরু করে ও নিয়মিত শারিরীক সম্পর্কে লিপ্ত হয়।

তিন বলেন, আমার গর্ভে যাতে বাচ্চা না আসে ওয়াহেদ নলতা বাজারের চিকিৎসক জাহাঙ্গীর আলম কে দিয়ে ইনজেকশন পুষ করতো।

তিনি আরও বলেন আমি শারিরক ভাবে অসুস্থ থাকায় ২৩ ফেব্রুয়ারি থেকে তার তার সাথে শারীরিক সম্পর্ক করতে পারছিনা। এ কারণে বৃহস্পতিবার (৩ মার্চ) সকাল ৮ তার কর্মচারি মোনাজাতকে দিয়ে আমাকে মারধর করায় । এ ব্যাপারে আমি চেয়ারম্যানের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছি। যে কারণে আজ শুক্রবার (৪মার্চ) আমাকে কাজ থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে।

ভুক্তভোগী বিধবা ওই নারী পুনরায় কাজ ফিরে পাওয়াসহ এ ঘটনার বিচার দাবি করেছেন।

ঘটনার বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত ওয়াহেদ আলী সরদার নাম্বারে একাধিক বার কল দিলেও ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

কালীগঞ্জ থানার ওসি গোলাম মোস্তফা বলেন এ ব্যাপারে থানা পুলিশ এখনো পর্যন্ত কোনো অভিযোগ পায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest