সর্বশেষ সংবাদ-
আশাশুনির কুল্যায় মাদক কারবারী ও অনলাইন জুয়াড়ীদের গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধনসাতক্ষীরা জেলা ছাত্রদলের নবগঠিত কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে আনন্দ মিছিলসম্মিলিত সাংবাদিক এ্যাসোসিয়েশনের কার্যনির্বাহী কমিটি গঠনগাজীপুরে ৫ খুন: পদ্মা সেতু থেকে লাফ দি‌য়ে অভিযুক্তের আত্মহত্যাষড়যন্ত্রের হাত থেকে বাঁচতে চায় আশাশুনির মাছ ব্যবসায়ী জুলফিকরদেবহাটায় পুলিশের অভিযানে আটক ভারতীয় রেনু খালে অবমুক্তপ্রেস ব্রিফিংয়ের আমন্ত্রণ জানিয়ে সাংবাদিকদের সাথে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের অসৌজন্যমুলক আচরণ:প্রতিবাদে প্রেস ব্রিফিং বর্জনআট বছর পর সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রদলের আংশিক কমিটি ঘোষণা সভাপতি রায়হান: সম্পাদক অর্ঘ্যWarum das Cleobetra Casino bei erfahrenen Spielern so beliebt istআশাশুনি উপজেলায় জলাবদ্ধতা সংকট নিরসনে গণতান্ত্রিক সংলাপ  

বাংলাদেশ ইউনানী ডক্টর’স সোসাইটির সাতক্ষীরা জেলা শাখার কমিটি গঠন

নিজস্ব প্রতিনিধি :
বাংলাদেশ ইউনানী ডক্টরস সোসাইটির সাতক্ষীরা জেলা শাখার কমিটি গঠন করা হয়েছে।
২০ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার সাতক্ষীরা মোজাফফার গার্ডেনে মধ্যহ্ন ভোজের পর সাতক্ষীরার বিভিন্ন এলাকা হতে আগত ইউনানী ডক্টরসদের উপস্থিতিতে উক্ত কমিটি গঠন করা হয়।
অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি হাকীম মো: আশরাফুল ইসলাম লিটনের উপস্থিতিতে ১৫ সদস্য বিশিষ্ট সাতক্ষীরা জেলা কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির নেতৃবৃন্দ হলেন, সভাপতি অধ্যাপক হাকীম মো: গোলাম হাসান,

সহ-সভাপতি হাকীম জি এম মফিজুর রহমান সিদ্দিকী, সাধারণ সম্পাদক হাকীম এম আমিরুল ইসলাম, যুগ্ম সম্পাদক হাকীম মো: জাহাঙ্গীর আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক হাকীম ফিরোজ কবীর খোকন, কোষাধ্যক্ষ হাকীম হাসানুজ্জামান, দপ্তর সম্পাদক হাকীম আব্দুল জলিল লিটন, প্রচার সম্পাদক হাকীম খোরশেদ আলম মাহমুদ, শিক্ষা ও গবেষনা সম্পাদক হাকীম এ কে এম আব্দুর রাজ্জাক, ক্রীড়া সম্পাদক হাকীম মুজিবর রহমান, নির্বাহী সদস্য হাকীম জুলফিকার আলী জুলু, হাকীম মো: আনারুল ইসলাম, হাকীম নাজমুল হুদা, হাকীম অরবিন্দু সেন, হাকীম, আব্দুল আওয়াল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় প্রাণবৈচিত্র্য সুরক্ষায় হাঁস ও মুরগীর ভ্যাকসিনেশন ক্যাম্প

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরায় প্রাণবৈচিত্র্য সুরক্ষায় হাঁস ও মুরগীর ভ্যাকসিনেশন ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২০ জানুয়ারি) সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়নের মাছখোলা গ্রামে বেসরকারি উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান বারসিকের উদ্যোগে এই ভ্যাকসিনেশন ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়।

ক্যাম্পে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর কর্তৃক প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত ভ্যাকসিনেটর আশুরা বেগম মাছখোলা গ্রামের ২৫টি পরিবারের ১৩৯টি হাঁসকে ডাকপ্লেন ও ১০২টি মুরগীকে রানীক্ষেত রোগের ভ্যাকসিন প্রদান করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন বারসিকের গবেষণা সহকারী গাজী মাহিদা মিজান ও যুব সংগঠক জাহাঙ্গীর আলম।

এসময় বারসিকের গবেষণা সহকারী গাজী মাহিদা মিজান বলেন, হাঁস মুরগি পালনের মাধ্যমে পারিবারিক আমিষের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি বাড়তি আয় করা সম্ভব। এর মাধ্যমে যেমন পরিবারের স্বচ্ছলতা আসে, তেমনি নারীরা অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হয়।

বারসিকের যুব সংগঠক জাহাঙ্গীর আলম বলেন, শীতকালে গবাদি পশুর রোগবালাই বেশি ছড়ায়। এজন্য সতর্ক থেকে হাঁস মুরগির যতœ নেওয়া উচিত।

মাছখোলা গ্রামের পান্না বেগম বলেন, বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে আমাদের গ্রামের অনেক হাঁস-মুরগী মারা গেছে। এই ভ্যাকসিনেশন ক্যাম্পের কারণে আমাদের হাঁস-মুরগীগুলো রক্ষা পাবে বলে আমরা আশা করছি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা দিবা-নৈশ কলেজের শিক্ষক কর্মচারী কল্যাণ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভা

নিজস্ব প্রতিনিধি :

সাতক্ষীরা দিবা-নৈশ কলেজের শিক্ষক কর্মচারী কল্যাণ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বেলা ১২টায় কলেজের শিক্ষক মিলনায়তনে কলেজের অধ্যক্ষ ও সমিতির সভাপতি এ,কে,এম সফিকুজ্জামান এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।

বক্তব্য রাখেন কলেজের উপাধ্যক্ষ ময়নুল হাসান, শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক মোস্তাক আহমেদ।

কলেজের শিক্ষক তৈয়ব হাসান শামসুজ্জামান এর সঞ্চালনায় হিসাব প্রকাশ করেন সমিতির কোষাধ্যক্ষ মোঃ শামসুজ্জোহা। প্রতিবেদন প্রকাশ করেন সমিতির সাধারণ সম্পাদক প্রদ্যু্ৎ কুমার বিশ্বাস। এ সময় সমিতির সদস্যবৃন্দ উপস্থিতে বিগত সাধারণ সভার কার্যবিবরণী, আয়-ব্যয়ের হিসাব বিবরণী পাঠ, অনুমোদন এবং কমিটি নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটার ‘খলিশাখালী’ নিয়ে আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভায় তোলপাড় !
কে এম রেজাউল করিম দেবহাটা ব্যুরো: দেবহাটার খলিশাখালীতে অবস্থানরত অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী বাহিনী ও ভূমিদস্যুদের উচ্ছেদ ইস্যু নিয়ে উপজেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভায় তোলপাড় হয়েছে। বুধবার বেলা ১২টায় উপজেলা পরিষদ হলরুমে অনুষ্ঠিত উপজেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভায় জবরদখলকৃত খলিশাখালীর ৪৩৯.২০ একর জমি ভূমিদস্যুদের কবল থেকে দখলমুক্ত করণের বিষয়ে ব্যাপক আলোচনা করা হয়। এসময় দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবিএম খালিদ হোসেন সিদ্দিকী বলেন,
খলিশাখালী নামীয় ১৩২০ বিঘা ব্যাক্তি মালিকানাধীন জমির মৎস্য ঘের গেল বছরের ১০ সেপ্টেম্বর ভোররাতে জবরদখল করে নেয় অস্ত্রধারী ভূমিদস্যুরা। দখল পরবর্তী ঘেরগুলো থেকে মাছ সহ অন্যান্য সম্পদ লুট করে ভূমিদস্যুরা। বর্তমানে জবরদখলকৃত প্রায় ৩শ মালিকের গোটা সম্পত্তি বেআইনীভাবে ভূমিদস্যুরা তাদের পৈত্রিক জমির মতো ভাগ বাটোয়ারা এবং বিক্রয় করে চলেছে।
সাম্প্রতিক সময়ে পত্রিকায় প্রকাশিত খবরের আলোকে তিনি বলেন,
খলিশাখালীতে অবস্থানরত ভূমিদস্যুরা অধিকাংশই বহিরাগত। সেখানে বর্তমানে বেশ কয়েকটি অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী বাহিনী অবস্থান নিয়েছে। অস্ত্রবাজি, চাঁদাবাজি, মাদক বেচাকেনা, জুয়ার আসরসহ সব ধরনের অপকর্ম বর্তমানে খলিশাখালীতে সংঘটিত হচ্ছে। যেকোন মুহুর্তে সেখানে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটতে পারে। খলিশাখালীতে অবস্থানরত ভূমিদস্যু ও সন্ত্রাসী বাহিনী গুলো ক্রমশ উপজেলা জুড়ে নৈরাজ্য সৃষ্টির মাধ্যমে দেবহাটাকে অস্থিতিশীল করে তুলতে পারে। সেজন্য প্রতিদিন খলিশাখালীতে পুলিশের টহল অব্যহত থাকবে। নির্বাহী অফিসার এবিএম খালিদ হোসেন সিদ্দিকী আরোও বলেন, ভূমিদস্যুরা দিনদিন যেন খলিশাখালীকে দেবহাটা থেকে বিচ্ছিন্ন আরেকটি আজব রাজ্য বানিয়ে ফেলছে। সেখানে আইনের শাসন কমে যাচ্ছে এবং দিনদিন প্রশাসনের নিয়ন্ত্রনের বাইরে চলে যাওয়ার চেষ্টা করছে সন্ত্রাসী বাহিনী ও ভূমিদস্যুরা। ইতোমধ্যেই খলিশাখালী থেকে ভূমিদস্যুদের চলে যাওয়ার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। আইন অমান্য করলে তাদেরকে কঠোর শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে। তিনি বলেন,
খলিশাখালীর ভূমিদস্যু ও সন্ত্রাসী বাহিনী গুলোর মদদদাতাদের চিহ্নিত করা হচ্ছে, প্রয়োজনে তাদের বিরুদ্ধেও আইনানুগ ব্যবস্থা নিবে প্রশাসন। সভায় বক্তৃতাকালে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনি বলেন, খলিশাখালীর ভূমিদস্যু ও সন্ত্রাসীরা যেকোন মুহুর্তে দেবহাটা উপজেলাতে ২০১৩ সালের মতো নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে পারে। সেজন্য তাদের উচ্ছেদে সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব মুজিবর রহমান বলেন, খলিশাখালী জনপদ দিনদিন সন্ত্রাসী, ভূমিদস্যু ও দাগী অপরাধীদের নিরাপদ আস্তানায় পরিনত হচ্ছে। অপ্রতিরোধ্য হয়ে ওঠার আগেই তাদেরকে সমুলে উপড়ে ফেলতে হবে। ইতোমধ্যেই খলিশাখালীর ভূমিদস্যুরা পাশ্ববর্তী রাঙাশিষাসহ আরোও কয়েকটি এলাকা দখলে নেয়ার পরিকল্পনা করছে। উপজেলার আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখতে এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় অবিলম্বে খলিশাখালী থেকে এসব ভূমিদস্যু ও সন্ত্রাসীদের উচ্ছেদ করে গোটা সম্পত্তি প্রকৃত মালিকদের অনুকূলে ফিরিয়ে দেয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। সভায় খলিশাখালীর দখলদারিত্বের মুল হোতা ও বহু মামলার আসামী ভূমিদস্যু আনারুল, রবিউল সহ অন্যান্য সন্ত্রাসীদের পর্যায়ক্রমে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় নেয়ার বিষয়ে সুপারিশ করেন বক্তারা।
আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভায় খলিশাখালী ছাড়াও সাম্প্রতিক সময়ে সীমান্ত দিয়ে ফেনসিডিল, গাঁজা, ভায়াগ্রা ট্যাবলেটসহ অন্যান্য মাদকদ্রব্য ও চোরাচালানী পন্য পারাপার বৃদ্ধি পাওয়ায় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবির ভূমিকা নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করে বিজিবির টহল জোরদারের অনুরোধ জানান নেতৃবৃন্দরা। পাশাপাশি বছরের বিভিন্ন সময়ে সরকারিভাবে ইজারাকৃত কুলিয়া রেণু ও মৎস্য সেড থেকে বিক্রয়কৃত বিভিন্ন নদ-নদীর গলদা ও বাগদা চিংড়ির রেণু পোনা পরীক্ষা নীরিক্ষা কিংবা কোন সুনির্দিষ্ট প্রমান ছাড়াই ‘ভারতীয়’ আখ্যা দিয়ে বিজিবি কর্তৃক জব্দ ও বিনষ্টের মধ্যদিয়ে বাজারের ইজারাদার, ব্যবসায়ী ও ঘের মালিকদের আর্থিক ক্ষতিসাধনের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা ও সিদ্ধান্তের রেজুলেশন করা হয়।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় ঈগল পরিবহনের হেলপারের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিনিধি: ঈগল পরিবহন পরিষ্কার করার সময় একই গাড়ির পিছনে চাপ খেয়ে ওই পরিবহনের হেলপারের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। বৃহষ্পতিবার সকাল সাড়ে সাতটার দিকে সাতক্ষীরা শহরের রাধানগরের ঈগল পরিবহন কাউন্টারের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত হেলপারের নাম তানভির হোসেন(২৬)। তার বাড়ি খুলনা শহরের সোনাডাঙায়।

ঈগল পরিবহনের সাতক্ষীরার রাধানগর কাউন্টারের ব্যবস্থাপক মঞ্জুরুল ইসলাম জানান, বৃহষ্পতিবার সকালে ঈগল পরিবহনের ঢাকা মেট্রো -ব-১৪-৩০৩৫ নং কোচটি পানি দিয়ে পরিষ্কার করছিলেন ওই গাড়িরই হেলপার তানভির হোসেন।

পিছনের চাকা ধোঁয়ার সময় চালক রতন গাড়ি নিউট্রাল করতে গেলে গাড়িটি পিছনের দিকে গড়িয়ে গেলে দেয়ালে সঙ্গে মাথায় চাপ খেয়ে ঘটনাস্থ’লেই মারা যায় তানভির।
সাতক্ষীরা সদর থানার কর্তব্যরত অফিসার উপপরিদর্শক অহিদুল ইসলাম জানান, লাশ উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে। দুর্ঘনা কবলিত পরিবহনটি জব্দ করা হয়েছে। চালক পালিয়ে গেছে। লাশ ময়না তদন্তের জন্য সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে।#

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জাবির মেয়েদের সহজে কেউ বউ হিসেবে নিতে চায় না: ভিসির মন্তব্য ভাইরাল

অনলাইন ডেস্ক : জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের মেয়েদের সহজে কেউ বউ হিসেবে নিতে চায় না, এমন একটি মন্তব্য সামনে আসায় নতুন করে বিতর্কে জড়িয়েছেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) উপাচার্য ফরিদ উদ্দিন আহমেদ। বর্তমানে তার পদত্যাগের দাবিতে উত্তাল শাবিপ্রবি ক্যাম্পাসের চলমান পরিস্থিতির মধ্যেই গত মঙ্গলবার (১৮ জানুয়ারি) ইন্টারনেটে ভাইরাল হয়েছে বিতর্কিত মন্তব্যটি।

ফেসবুকে ছড়িয়ে যাওয়া সেই অডিও ক্লিপের সত্যতা নিশ্চিত করেন শাবিপ্রবির শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকরা। উপাচার্যের সাথে ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন এমন তিন শিক্ষার্থীও অডিওর সত্যতা নিশ্চিত করেন। শাবিপ্রবির শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকরা জানান, গত বছর শাবিপ্রবির সমাবর্তন উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের হল বন্ধের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানান শিক্ষার্থীরা। তারা বিভিন্ন কর্মসূচি পালনের অংশ হিসেবে উপাচার্যের সাথে সাক্ষাৎও করেন। তখন তাদের দাবি ছিল ৩৬৫ দিন হল খোলা রাখা, ছেলে ও মেয়েদের ক্ষেত্রে হলে প্রবেশের সময়সীমা চাপিয়ে না দেয়া। এ প্রেক্ষিতে এক ছাত্রলীগ নেতার বরাত দিয়ে উক্ত মন্তব্য করেন উপাচার্য ফরিদ উদ্দিন আহমেদ।

ওই অডিওতে উপাচার্যকে বলতে শোনা যায়, যারা এই ধরনের দাবি তুলেছে যে, বিশ্ববিদ্যালয় সারা রাত খোলা রাখতে হবে, অবশ্যই এই দাবিটা এসেছে এবং এইটা একটা জঘন্য রকম দাবি। আমরা মুখ দেখাইতে পারতাম না। এখানে আমাদের ছাত্রনেতারা বলছেন যে জাহাঙ্গীরনগরের মেয়েদের কেউ সহজে বউ হিসেবে নিতে চায় না। কারণ, সারা রাত এরা ঘুরাফিরা করে। বাট আমি চাই না যে আমাদের যারা এত ভালো ভালো স্টুডেন্ট, তারা এখানকার সুন্দর সুন্দর ডিপার্টমেন্টগুলো থেকে পড়ে বিখ্যাত শিক্ষকদের সাহচর্য পেয়ে গ্র্যাজুয়েট হয়, তাদের ওপর এ রকম একটা কালিমা লেপুক।

শাবিপ্রবি উপাচার্য আরও বলেন, ওই জায়গাটা কেউ চায় না, কোনো গার্জিয়ান চায় না কিন্তু। এখন, আমরা যদি কাউকে বলি তোমার বাবা-মা কাউকে ফোন করবো। তখন তোমরাই তো এটা বাধা দিয়ে বলবা, না না না এইটা হবে না, দেখ হয়রানি করতেছে। এটা তো প্রত্যেকের নৈতিক দায়িত্ব, তোমাদেরও নৈতিক দায়িত্ব যে এই মেয়ে কেন রাতের বেলা সোয়া দশটা পর্যন্ত স্যাররে সময় দিছে।

অডিও ক্লিপটিতে উপাচার্যকে আরও বলতে শোনা যায়, কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশে সোয়া দশটা পর্যন্ত মেয়েরা অফিসে থাকতে পারে না। তারপরেও আমরা সুযোগ দিয়েছি। কিন্তু তোমরা কেন বল না যে…কী তুমি একদিন রাস্তায় বের হও..তোমরা, এটা বল যে তুমি বারোটা-একটায় কী করতেছ? দুইটার সময় কী করতেছ? আমি মাঝে মাঝে ঢাকা থেকে যখন আসি রাতে বারোটা-একটা বেজে যায়। আমি দেখি যে আমাদের ওয়ান কিলোমিটার রাস্তা দিয়া ছেলেমেয়ে হাত ধরাধরি করে কনসালটিং করতেছে। একটা অঘটন ঘটলে কিন্তু দায়দায়িত্ব ভাইস চ্যান্সেলরকে নিতে হবে। যত দোষ, নন্দ ঘোষ। ভাইস চ্যান্সেলর দায়ী সে জন্য।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জনগণের টাকায় সংসার চলার কথা ডিসিদের মনে রাখতে বললেন রাষ্ট্রপতি

অনলাইন ডেস্ক: মাঠ প্রশাসনের প্রতিটি স্তরে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির সংস্কৃতি গড়ে তোলার জন্য বিভাগীয় কমিশনার এবং জেলা প্রশাসকদেরকে নির্দেশ দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বহুল প্রতীক্ষিত তিন দিনব্যাপী বার্ষিক ডিসি সম্মেলন-২০২২ অনুষ্ঠানে বঙ্গভবন থেকে ভার্চুয়ালি যোগ দিয়ে তিনি এ নির্দেশ দেন।

রাষ্ট্রপতি হামিদ বলেন, ‘দুর্নীতি উন্নয়নের সবচেয়ে বড় অন্তরায়। দুর্নীতির কারণে টেকসই উন্নয়ন বাধাগ্রস্থ হচ্ছে। তাই মাঠ প্রশাসনের প্রতিটি স্তরে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে।’

প্রাণঘাতী কোভিড-১৯ ভাইরাসের কারণে গত দুই বছরে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ‘ডিসি সম্মেলন’ আয়োজন করেনি।

আমলাতন্ত্র এবং রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রতিটি স্তরে দায়িত্ব ও ক্ষমতা অর্পণ করা হয় উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, দায়িত্ব সঠিক ও সুষ্ঠুভাবে পালনের জন্য ক্ষমতা প্রয়োগ অত্যাবশ্যক। কিন্তু ক্ষমতার যাতে অপপ্রয়োগ না হয় তা নিশ্চিত করা আরও বেশি জরুরি।

রাষ্ট্রপ্রধান কর্মক্ষেত্রে দায়িত্ব ও ক্ষমতার পার্থক্য সচেতনভাবে বজায় রাখারও তাগিদ দেন।

ডিসিদের উদ্দেশে আবদুল হামিদ বলেন, মাঠপর্যায়ে প্রশাসনে বিরাজমান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং নাগরিক সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে গৃহীত কার্যক্রম সম্পর্কে আলোচনার জন্য জেলা প্রশাসক সম্মেলন একটি গুরুত্বপূর্ণ ফোরাম।

তিনি বলেন, ‘আপনারা মাঠপর্যায়ে সরকারের বিভিন্নমুখী কার্যক্রমের সমন্বয় ও তত্ত্বাবধানকারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন, যা সামগ্রিকভাবে দেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।’

রাষ্ট্রপতি জনগণের সেবক হিসেবে দেশ ও জনগণের স্বার্থকে সবার ঊর্ধ্বে স্থান দেওয়ার উপদেশ দিয়ে ডিসিদের উদ্দেশে বলেন, ‘আমরা ও আপনারা জনগণের সেবক। তাই জনগণের সেবক হিসেবে নিজেদের দায়িত্ব পালন করবেন। জনগণের দোরগোড়ায় সরকারি সেবা পৌঁছে দেবেন।’

জনগণকে সেবাদান কোনো দয়া-দাক্ষিণ্য বা বদান্যতার বিষয় নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘মনে রাখতে হবে জনগণের টাকায়ই আমাদের সংসার চলে। তাই সেবা পাওয়াটা জনগণের অধিকার।’

তিনি উল্লেখ করেন, দারিদ্র্য বিমোচন ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি একটি কার্যকর মাধ্যম। এসব কর্মসূচির মাধ্যমে দেশের দরিদ্র মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণ, সামাজিক সুরক্ষা এবং জনগণের বিশেষ করে নারীর ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে ডিসিদেরকে কার্যকর নেতৃত্ব প্রদান করতে হবে।

রাষ্ট্রপতি বলেন, প্রকৃত দরিদ্ররা যেন এই কর্মসূচির সুফল ভোগ করতে পারে সে বিষয়ে জেলা প্রশাসকদেরকে সচেষ্ট হতে হবে।

তিনি বলেন, পরিবেশবান্ধব গ্রামোন্নয়নের দিকে সরকার বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে, যা বিগত বছরগুলো থেকে আলাদা। শহরের ন্যায় গ্রামগুলোতে সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে। মফস্বল এলাকাগুলোতে নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি ডিসিদেরকে আবাসন, শিক্ষা, কৃষিনির্ভর শিল্পের প্রসার, চিকিৎসা সেবা, বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানীয় জল ও পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থার মাধ্যমে উপজেলা সদর ও বর্ধিষ্ণু শিল্পকেন্দ্রগুলোকে আধুনিক শহর-উপশহর হিসেবে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে বিশেষ উদ্যোগী হওয়ার তাগিদ দেন।

ভূমি ব্যবস্থাপনার সঙ্গে জনগণের সম্পৃক্ততা খুব বেশি ও সরাসরি যা গ্রামীণ বিরোধ ও মামলা মোকদ্দমার অধিকাংশ জমিজমা সংক্রান্ত উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘সরকার দক্ষ, আধুনিক, জনকল্যাণমুখী ও টেকসই ভূমি ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ভূমির সর্বোত্তম ব্যবহার এবং ভূমি সংক্রান্ত জনবান্ধব সেবা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে জনগণকে ভূমি বিষয়ক সেবা প্রদানের জন্য ডিজিটালি কাজ করে যাচ্ছে। কিন্তু ভূমি রেকর্ডের সময় এক শ্রেণির অসাধু কর্মচারী স্থানীয় প্রভাবশালী দালাল চক্রের সহযোগিতায় অনেক অনিয়ম করছে এবং অবৈধ সুযোগ সুবিধা হাতিয়ে নিচ্ছে। এতে জনভোগান্তি বেড়েছে। তাই তিনি এসব ব্যাপারে ডিসিদের কঠোর হতে আদেশ দেন এবং যে কোনো অনিয়ম বন্ধ করতে শক্ত পদক্ষেপ নিতে নির্দেশনা দেন।

রাষ্ট্রপতি সম্পৃক্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে শাস্তি নিশ্চিত করার আদেশ দেন। তিনি বলেন, সরকার তথ্য অধিকার আইনের কার্যকর প্রয়োগ নিশ্চিত করতে, সরকারি তথ্য ও সেবা নাগরিকের জন্য সহজলভ্য করার লক্ষ্যে জেলা ই-সার্ভিস সেন্টার, পৌর ডিজিটাল সেন্টার ও ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার স্থাপন করেছে।

এ সেবা কেন্দ্রগুলোর সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার ব্যাপারে ডিসিদেরকে জোরালো ভূমিকা রাখার এবং তথ্যপ্রযুক্তি সেবাকে তৃণমূল পর্যায়ে পৌঁছে দেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে সামাজিক বনায়ন, বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও নিষ্কাশন, জলাভূমির উন্নয়ন এবং জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণে প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাস ও দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকারের চলমান কর্মসূচির বাস্তবায়নে তাদেরকে আরও সক্রিয় হওয়ার পরামর্শ দেন।

রাষ্ট্রপ্রধান দেশের উন্নয়ন সুষম ও জনমুখী করতে জেলা ও উপজেলা সদরে অবৈধ দখলদারদের হাত থেকে বন, নদী ও পাহাড় রক্ষা করতে কঠোর হওয়ার আদেশ দেন।

মাদকের ব্যাপারে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে আবদুল হামিদ বলেন, মাদকদ্রব্য যাতে দেশের প্রাণশক্তি যুব সমাজকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে না দেয় সেদিকেও ডিসিদের সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে এবং মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে একটি সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে।

রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘আমার বিশ্বাস, আপনাদের মেধা ও দক্ষতা জনকল্যাণের লক্ষ্যে গৃহীত বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়নে যথাযথ অবদান রাখবে। আপনারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার আলোকে দেশাত্মবোধ ও একাগ্রতার সঙ্গে অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করে যাবেন।’

তিনি বলেন, নবতর উদ্ভাবনী চর্চা ও সেবামূলক কর্মপ্রয়াসের দ্বারা আপনারা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে আন্তরিকভাবে কাজ করে যাবেন- এটাই সবার প্রত্যাশা।

রাষ্ট্রপতি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আজীবন লালিত স্বপ্ন ‘সোনার বাংলা’ গড়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকার ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত একটি প্রগতিশীল, গণতান্ত্রিক, আধুনিক ও অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশ ইতোমধ্যে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হয়েছে।

আবদুল হামিদ বলেন, আমার দৃঢ় বিশ্বাস, ২০৩০ সালের মধ্যেই বাংলাদেশ এসডিজির সব লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সক্ষম হবে এবং ২০৪১ সালে উন্নত অর্থনীতির দেশে পরিণত হবে।

তিনি শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, বাংলাদেশের মহান স্থপতি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর সব বীর মুক্তিযোদ্ধা, জাতীয় চার নেতা এবং অমর শহিদদেরকে, যাদের বীরত্ব ও আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
লেখক কাজী আনোয়ার হোসেন আর নেই

দেশের খবর: জনপ্রিয় সিরিজ মাসুদ রানার স্রষ্টা, লেখক, অনুবাদক ও প্রকাশক কাজী আনোয়ার হোসেন আর নেই। বুধবার (১৯ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে রাজধানীর বারডেম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

কাজী আনোয়ার হোসেনের পুত্রবধূ মাসুমা মায়মুর এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ব্রেইন স্ট্রোক ও হার্ট এটাকের পর গত ১০ জানুয়ারি থেকে তিনি লাইফ সাপোর্টে ছিলেন।

এর আগে, গত ৩১ অক্টোবর তার প্রোস্টেট ক্যান্সার ধরা পড়ে।

কাজী আনোয়ার হোসেনের চাচাত ভাই কাজী রওনাক হোসেন জানান, মরদেহ বুধবার বারডেমের হিমঘরে থাকবে। বৃহস্পতিবার সকালে সেগুনবাগিচার বাসায় মরদেহ নেওয়া হবে। শ্রদ্ধা নিবেদনের পর বাদ আসর বনানী কবরাস্থানে মায়ের কবরের পাশে তাকে দাফন করা হবে।

কাজী আনোয়ার হোসেন একাধারে ছিলেন অনুবাদক, প্রকাশক, চিত্রনাট্যকার। গানও গেয়েছেন তিনি। তবে সব কিছু ছাপিয়ে তার পরিচয় ছিল সেবা প্রকাশনীর প্রকাশক এবং এই প্রকাশনার সিরিজ মাসুদ রানার লেখক।

১৯৩৬ খ্রিষ্টাব্দের ১৯ জুলাই ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন কাজী আনোয়ার হোসেন। তার পুরো নাম কাজী শামসুদ্দিন আনোয়ার হোসেন। ডাক নাম ‘নবাব’। তার বাবা প্রখ্যাত বিজ্ঞানী, গণিতবিদ ও সাহিত্যিক কাজী মোতাহার হোসেন, মা সাজেদা খাতুন। সেবা প্রকাশনীর মাধ্যমে বাংলাদেশে পাঠক তৈরি অনন্য ভূমিকা পালন করে গেছেন কাজী আনোয়ার হোসেন। ষাটের দশকে তার তৈরি মাসুদ রানা ও কুয়াশা নামের দুটি চরিত্র আজও জনপ্রিয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest