সর্বশেষ সংবাদ-
শ্যামনগরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে নৃশংসভাবে চাচিকে হ#ত্যা: ঘাতক আটকভিডিএফের খুলনা বিভাগীয় সভাপতি বাগেরহাটের শুভ্র, সম্পাদক সাতক্ষীরার হোসেনসাতক্ষীরা সদরে ইউনিটি গ্রুপের ‘বিজনেস অপরচুনিটি’ সম্মেলন অনুষ্ঠিতসাংবাদিক সুজন ওসুজয়ের মায়ের ইন্তেকাল:প্রেসক্লাবের শোকশ্যামনগরে প্রতিপক্ষের দায়ের কোপে আহতের একদিন পর এক ব্যক্তির মৃত্যুকপ৩১-কে সামনে রেখে সাতক্ষীরায় জলবায়ু পদযাত্রা: ন্যায্য ক্ষতিপূরণ নিশ্চিতের দাবিসাতক্ষীরার সুন্দরবন রেঞ্জের ৬৮টি খালে বিভিন্ন মাত্রায় বিষ প্রয়োগের তথ্য গবেষণায় উঠে এসেছেসাংবাদিক হাফিজুর রহমানের মায়ের ইন্তেকাল,প্রেসক্লাবের শোকঅসুস্থ ওয়ার্ড বিএনপি সভাপতি আমিরুল ইসলামকে হাসপাতালে দেখতে গেলেন জেলা কৃষক দল নেতা রবিতালার ধানদিয়ায় ত্রাস সৃষ্টি করে ২লক্ষ টাকা মূল্যের গাছ কাটার অভিযোগ

ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে সংঘর্ষ, জয়-লেখক আহত

অনলাইন ডেস্ক: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের ৭৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ছাত্রলীগের দুই ইউনিটের সংঘর্ষে সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য ও সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় আহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার দুপুর ২টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, ঢাবির অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে জনসভার আয়োজন করা হয়। সমাবেশ শুরু হতেই সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কবি জসীমউদদীন হল ও ঢাকা কলেজ শাখা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এক পর্যায়ে তাঁরা পাল্টাপাল্টি ইটপাটকেল ছুড়তে থাকেন। এ সময় কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য সংঘর্ষের মীমাংসা করতে মঞ্চ থেকে নেমে গেলে তাঁকে ধাওয়া দেন ছাত্রলীগের ঢাকা কলেজ শাখার নেতাকর্মীরা। সংঘর্ষে ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়ও সামান্য আঘাত পান।

পরে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের অন্য নেতাকর্মীরা লেখক ভট্টাচার্যকে হেলমেট পরিয়ে তাঁর গাড়িতে করে স্থান ত্যাগে সাহায্য করেন। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে মাথায় ব্যান্ডেজ নিয়ে পৌনে ৪টায় অনুষ্ঠানস্থলে আসেন তিনি।

ছাত্রলীগের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন বলেন, অনুষ্ঠানে কেউ বিশৃঙ্খলা করলে তাকে এই দায় নিতে হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিদ্যা সিনহা মিমের বিয়ে সম্পন্ন

বিনোদন সংবাদ: মঙ্গলবার দুপুরে বিয়ের পিঁড়িতে বসেছিলেন ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা ও মডেল বিদ্যা সিনহা মিম।

রাজধানীর একটি পাঁচতারকা হোটেলে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সেরেছেন মিম। সেই আনুষ্ঠানিকতার একাধিক ছবি এসেছে কাছে, যেখানে নবদম্পতিকে বেশ হাস্যোজ্জ্বল দেখাচ্ছে।

বিয়েতে শোবিজের একাধিক পরিচালক, শিল্পী ও তাঁর ঘনিষ্ঠজন উপস্থিত ছিলেন বলে জানা গেছে।

গেল বছর জন্মদিনের সন্ধ্যায় (১০ নভেম্বর) বাগদানের খবর দিয়ে বিদ্যা সিনহা মিম জানান, তাঁর হবু স্বামীর নাম সনি পোদ্দার। বাড়ি কুমিল্লা; পেশায় তিনি ব্যাংকার। বর্তমানে সিটি ব্যাংকে কর্মরত। ছয় বছর আগে এক বান্ধবীর মাধ্যমে সনি ও মিমের পরিচয়। তার পর প্রেম।

সবশেষ বিদ্যা সিনহা মিম অভিনীত মুক্তি পাওয়া সিনেমা ‘সাপলুডু’। মুক্তির অপেক্ষায় আছে ‘পরাণ’ শিরোনামের একটি সিনেমা। এ ছাড়া ‘অন্তর্জাল’ ও ‘দামাল’ সিনেমার শুট করেছেন তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলারোয়ায় পুলিশ পরিচয়ে গলায় চাকু চালিয়ে ব্যবসায়ীর ২ লাখ টাকা ছিনতাই

কলারোয়া প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার কলারোয়ায় পুলিশ পরিচয়ে চাকু চালিয়ে সর্বস্ব লুট করেছে নিয়েছে মুদি ও ফ্লাক্সি লোড ব্যবসায়ীর। ঘটনাটি ঘটেছে-সোমবার রাত ৯টার দিকে উপজেলার হেলাতলা মোড়ে।
খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে আহত ব্যবসায়ীকে উদ্ধার করে কলারোয়া সরকারী হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করেন। মঙ্গলবার (৪জানুয়ারী) সকালে ক্ষতিগ্রস্ত আহত ব্যবসায়ী উপজেলার হেলাতলা গ্রামের সামসুর সরদারের ছেলে বাবলুর রহমান (৪০) জানান-তিনি প্রতিদিনের ন্যায় হেলাতলা বাজার থেকে দোকান বন্ধ করে বাড়িতে আসার পথে পথিমধ্যে হেলাতলা মোড়ে পৌছালে পূর্ব থেকে ওৎ পেতে থাকা ২টি মোটরসাইকেলে ৩জন মানকি টুপি পরা ব্যক্তি নিজেদের পুলিশ পরিচয় দিয়ে থামতে বলে। এসময় তিনি পুলিশ পরিচয় পেয়ে তার মোটরসাইকেল থামানোর চেষ্টাকালে ওই তিন ব্যক্তি কাছে এসে কোন কারণ ছাড়াই চাকু বের করে গলায় ধরে। এসময় তারা কাছে টাকা ও মোবাইলফোন বের করে দিতে বলে। এতে তিনি রাজি না হওয়াতে ছিন্তাইকারীরা চাকু দিয়ে গলায় আঘাত করে। এসময় তিনি রাস্তার মধ্যে পড়ে গেলে ছিন্তাইকারীরা ব্যাগে থাকা ২লাখ টাকা ও ৬টি মোবাইলফোন ছিনিয়ে নিয়ে চলে যায়। পরে তার ডাকচিৎকারে পাশ্ববর্তী লোকজন এসে থানা পুলিশকে খবর দেয়।
এঘটনায় মঙ্গলবার সকালে আহত ব্যবসায়ী বাদি হয়ে কলারোয়া থানায় একটি অভিযোগ দিয়েছেন। থানার অফিসার ইনচার্জ নাছির উদ্দীন জানান-খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনা স্থান পরিদর্শন করেন এবং ছিন্তাইকারীদের ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সুবাহর টাকা গয়না সব নিয়ে ইলিয়াস চলে গেছে!

বিনোদন ডেস্ক: বহুল আলোচিত মডেল ও হালের চলচ্চিত্র নায়িকা সুবাহ শাহ হুমায়রা দাবি করেছেন, সঙ্গীতশিল্পী ইলিয়াস তাকে প্রতারণা করে বিয়ে করে এবং পরে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে টাকা-পয়সা-গয়না হাতিয়ে নিয়ে চলে যায়।

রাজধানীর একটি হাসপাতালে চারদিন ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরে এসে মঙ্গলবার (৪ জানুয়ারি) সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

সুবাহ বলেন, আমি ইলিয়াসকে ফাঁসিয়ে বিয়ে করিনি। সে একটা এডাল্ট ছেলে। মিডিয়ার সাথে জড়িত। তাকে ফাঁসিয়ে কি বিয়ে করা সম্ভব? অনেক কল রেকর্ড ফাঁস হয়েছে। সেসব শুনলেই তো বোঝা যায় আমি তাকে ফাঁসিয়ে বিয়ে করিনি? তার আর আমার কি সম্পর্ক ছিল, অডিও কলগুলো শুনলেই তা পরিষ্কার হয়ে যাবে।

সুবাহ শাহ হুমায়রা আরও বলেন, ইলিয়াস বিয়ের আগ থেকেই আমার বাসায় আসতো। দিন রাত ২৪ ঘণ্টা আমার সাথে সময় কাটাতো। সিসিটিভিতেও সেসব ফুটেজ ধারন করা আছে। তাকে তো আমি জোর করে বাসায় নিয়ে আসতাম না? তবে এটা সত্য যে তার পরিবারের কেউ আমার বাসায় তখন আসতো না।

তিনি বলেন, ইলিয়াস আমাকে অনেক অত্যাচার করেছে। আমাকে মারধোর করতো। আমি অনেক স্বপ্ন নিয়ে ওকে বিয়ে করেছি। আমার কাছে বিয়ের সব প্রমাণ আছে। আমি মামলা করেছি। এর বিচার চাই।

সুবাহ আরও বলেন, ইলিয়াস আমাকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে চলে গেছে। সে আমার বাসায় এসে মদ খেতো। আমার বুয়া সেসব পরিষ্কার করতো। সে চলে যাওয়ার সময় আমার টাকা পয়সা, গয়না সব নিয়ে চলে গেছে। এসব কিছুর ফুটেজ সিসিটিভিতে ধারণ করা আছে। আমি এর বিচার চাই।

এর আগে, গত ১ ডিসেম্বর বিয়ে করেন সংগীতশিল্পী ইলিয়াস ও সুবাহ। বিয়ের এক মাস না পেরুতেই তাদের সংসারে অশান্তি শুরু হয়। দুজনেই একে অপরকে দোষারোপ করে যাচ্ছেন। বিচ্ছেদের পথে হাঁটছেন ইলিয়াস।

উল্লেখ্য, নবাগত নায়িকা সুবাহ ৬টি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। তবে এখন পর্যন্ত তার অভিনীত কোনো চলচ্চিত্র মুক্তি পায়নি। রফিক সিকদারের ‘বসন্ত বিকেল’ সিনেমার মাধ্যমে চলচ্চিত্রে পা রাখেন তিনি। অন্যদিকে গায়ক ইলিয়াস হোসাইন ‘না বলা কথা’, ‘আমার ভেতর’, ‘এক পলকে’, ‘নীল নয়না’, ‘সারাটি জীবন’ গানগুলোর মাধ্যমে শ্রোতামহলে জনপ্রিয়তা লাভ করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
স্কুলে দ্বিতীয় থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত ভর্তির বয়সসীমা নির্ধারণ

দেশের খবর: দেশের মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে দ্বিতীয় শ্রেণি থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত ভর্তির বয়সসীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ বয়সসীমায় শিক্ষার্থীরা নির্দিষ্ট বয়সে স্কুলে ভর্তির সুযোগ পাবে।

সোমবার (৩ জানুয়ারি) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) উপসচিব আলমগীর হুছাইন স্বাক্ষরিত সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ভর্তির সংশোধিত নীতিমালায় এ তথ্য জানানো হয়।

জাতীয় শিক্ষানীতি-২০১০ অনুযায়ী, শিক্ষার্থী ভর্তির সংশোধিত নীতিমালায় দ্বিতীয় শ্রেণিতে ভর্তির বয়স ৭ বছরের বেশি, তৃতীয় শ্রেণিতে ৮ বছরের বেশি, ষষ্ঠ শ্রেণিতে ১১ বছরের বেশি ও সপ্তম শ্রেণিতে ১২, অষ্টম শ্রেণিতে ১৩ ও নবম শ্রেণিতে ভর্তির ন্যূনতম বয়স ১৪ বছর বেঁধে দিয়েছে সরকার।

জানা গেছে, এর আগে শুধু প্রথম শ্রেণিতে ভর্তির বয়স জাতীয় শিক্ষানীতি-২০১০ অনুযায়ী ৬ বছরের বেশি নির্ধারণ করা হয়েছিল। এবার সবগুলো শ্রেণিতে ভর্তির বয়সসীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।

নির্দেশনা অনুসারে, পরবর্তী শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তির বয়স নির্ধারণ করা হলেও অনেক শিক্ষার্থী ভর্তি হতে পারছিলেন না। পরে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানিয়েছিলেন, সরকারি স্কুলে প্রথম শ্রেণি ছাড়া অন্যান্য শ্রেণিতে ভর্তির জন্য বয়সের বাধ্যবাধকতা নেই। সে নির্দেশনা অনুসারে অনেক স্কুলে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়েছে। কিন্তু ভর্তি প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর জাতীয় শিক্ষানীতি অনুসারে দ্বিতীয় থেকে নবম শ্রেণিতে ভর্তির বয়স নির্ধারণের নির্দেশনা দিয়ে সংশোধিত নীতিমালাটি জারি করল মাউশি।

সংশোধিত নীতিমালা অনুযায়ী, প্রথম শ্রেণির বয়সের ভিত্তিতে দ্বিতীয় থেকে নবম শ্রেণিতে ভর্তির বয়স নির্ধারণ করা হবে। এ ক্ষেত্রে দ্বিতীয় শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তির জন্য বয়স সাত বছরের বেশি, তৃতীয় শ্রেণিতে ভর্তির বয়স আট বছরের বেশি, ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তির বয়স ১১ বছরের বেশি ও সপ্তম শ্রেণিতে ভর্তির বয়স ১২ বছরের বেশি হতে হবে।

এতে উল্লেখ করা হয়, ভর্তির বয়সের ঊর্ধ্বসীমা সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয় নির্ধারণ করবে। শিক্ষার্থীর বয়স নির্ধারণের জন্য ভর্তির আবেদন ফরমের সঙ্গে অনলাইনে জন্মনিবন্ধন সনদের সত্যায়িত কপি জমা দিতে হবে।

এর আগে, সরকারি স্কুলে শিক্ষার্থী ভর্তি প্রক্রিয়া ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। সেই অনুযায়ী বেশিরভাগ সরকারি স্কুলে শিক্ষার্থী ভর্তির প্রক্রিয়া শেষ। কিন্তু ভর্তির সময় পার হয়ে যাওয়ার পর সোমবার সরকারি স্কুলের ভর্তির সংশোধিত নীতিমালা জারি করা হলো।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরার ৩টিসহ দেশের ১৯ উপজেলায় সহিংসতার আশঙ্কায় বিজিবি-র‌্যাব মোতায়েন

দেশের খবর: আগামীকাল (৫ জানুয়ারি) পঞ্চম ধাপের অনুষ্ঠিতব্য ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে সাতক্ষীরার আশাশুনি, শ্যামনগর ও কলারোয়াসহ দেশের ১৯টি উপজেলায় সহিংসতার আশঙ্কার কথা জানিয়েছে মাঠ প্রশাসন। সহিংসতা ঠেকাতে ওইসব উপজেলাগুলোতে বিপুল সংখ্যক বিজিবি ও র‌্যাব সদস্য মোতায়েন করা হচ্ছে। উপজেলাগুলোর কোথাও অতিরিক্ত ২ প্লাটুন বিজিবি, কোথাও এক প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হচ্ছে। এ ছাড়া র‌্যাবের অতিরিক্ত টিমও মোতায়েন থাকছে।

ইসি সূত্রে জানা গেছে, বিভিন্ন জেলা প্রশাসন থেকে ভোটের আগে-পরে ১৯টি উপজেলায় সহিংসতার আশঙ্কা করে সম্প্রতি অতিরিক্ত ফোর্স মোতায়েনের অনুমোদন দিয়েছে ইসি। এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

ইতোমধ্যেই প্রত্যেক উপজেলায় র‌্যাবের ২টি মোবাইল টিম ও একটি স্ট্রাইকিং ফোর্স, বিজিবির ২ প্লাটুন মোবাইল টিম ও একটি স্ট্রাইকিং ফোর্স এবং কোস্ট গার্ডের ২ প্লাটুন মোবাইল টিম ও একটি স্ট্রাইকিং ফোর্স মোতায়েন রয়েছে। এ ছাড়া পুলিশ ও আনসার বাহিনীর সদস্যও মোতায়েন আছে।

আগামীকাল (৫ জানুয়ারি) দেশের ৪৮ জেলার ৯৫ উপজেলার ৭০৮টি ইউপিতে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে যেসব উপজেলায় অতিরিক্ত ফোর্স মোতায়েন করার সিদ্ধান্ত হয়েছে, সেগুলো হলো- চাঁপাইনবাবগঞ্চ সদর (১ প্লাটুন বিজিব); সাতক্ষীরার আশাশুনি (১ প্লাটুন বিজিবি ও র‌্যাবের ২টি টিম), শ্যামনগর (১ প্লাটুন বিজিবি) ও কলারোয়া (১ প্লাটুন বিজিব ও র‌্যাবের একটি টিম); মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া (২ প্লাটুন বিজিবি ও র‌্যাবের ২টি টিম); চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ (২ প্লাটুন বিজিবি ও র‌্যাবের ২টি টিম), হাইমচর (২ প্লাটুন বিজিবি ও র‌্যাবের ১টি টিম) ও কচুয়া (২ প্লাটুন বিজিবি ও র‌্যাবের ২টি টিম); সিরাগগঞ্জের কাজীপুর (১ প্লাটুন বিজিবি); জামালপুরের বকশীগঞ্জ (১ প্লাটুন বিজিবি ও র‌্যাবের ১ টি টিম) ও দেওয়ানগঞ্জ (১ প্লাটুন বিজিবি ও র‌্যাবের ১টি টিম); চট্টগ্রামের বোয়ালখালী (১ প্লাটুন বিজিবি ও র‌্যাবের ২টি টিম) ও চন্দনাইশ (১ প্লাটুন বিজিবি ও র‌্যাবের ২টি টিম); মানিকগঞ্জের হরিরামপুর (২ প্লাটুন বিজিবি) ও দৌলতপুর (১ প্লাটুন বিজিবি); ভোলা সদর (১ প্লাটুন বিজিবি ও র‌্যাবের ২টি টিম); হবিগঞ্জের মাধবপুর (১ প্লাটুন বিজিবি ও র‌্যাবের ২টি টিম) ও চুনারুঘাট (১ প্লাটুন বিজিবি ও র‌্যাবের ২টি টিম) এবং টাঙ্গাইলের ঘাটাইল (১ প্লাটুন বিজিবি)।

উল্লেখ্য, দেশে ইতোমধ্যে চার ধাপের ইউপি নির্বাচন শেষ হয়েছে। এসব নির্বাচনে এ পর্যন্ত অর্ধশতাধিক মানুষ নির্বাচনী সহিংসতায় প্রাণ হারিয়েছে। আহত হয়েছে তিন শতাধিক।

আগামীকাল (৫ জানুয়ারি) পঞ্চম ধাপের ভোট অনুষ্ঠিত হবে। ষষ্ঠ ধাপের ভোট ৩১ জানুয়ারি, আর সপ্তম ধাপের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নাবালিকা ছাত্রী বিয়ে করা শিক্ষক খাইরুলকে চুড়ান্ত বরখাস্তের দাবিতে অভিভাবকদের বিক্ষোভ

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার তালা উপজেলার মানিকহার দি¦মুখী দাখিল মাদ্রাসার চরিত্রহীন লম্পট শিক্ষক খায়রুল ইসলামের চুড়ান্ত বরখাস্ত পূর্বক শান্তির দাবীতে বিক্ষোভ ও অভিযোগ দাখিল করেছে।

মঙ্গলবার (৪ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টায় মানিকহার দি¦মুখী দাখিল মাদ্রাসার সুপার মাওলানা ফজলুর রহমান’র নিকট চুড়ান্ত বরখাস্ত পূর্বক শান্তির দাবীতে অভিযোগ দাখিল করেছে মাদ্রাসার অভিভাবকরা।

অভিযোগে সুত্রে জানা যায়, মানিকহার দি¦মুখী দাখিল মাদ্রাসার চরিত্রহীন লম্পট শিক্ষক খায়রুল ইসলাম’র প্রথম স্ত্রী থাকা সত্বেও পাইভেট পড়ানোর সুবাধে ঐ মাদ্রাসা পড়–য়া ১০ম শ্রেণির ছাত্রী শান্তার সাথে অবৈধ সম্পর্কে লিপ্ত হয়। পরবর্তীতে ২১/১১/২০২১ তারিখে ১০ম শ্রেণিতে পড়–য়া মাদ্রাসা পড়–য়া নাবালিকা ঐ ছাত্রীকে নিয়ে পালিয়ে যায় এবং দেড় মাস আত্মগোপনে চলে যায় মাদ্রাসা শিক্ষক খায়রুল ইসলাম। পরে ঐ লম্পট শিক্ষক খায়রুল এ নাবালিকা ছাত্রীকে বিবাহ করেছে বলে সকলের কাছে শিকার করে। ঐ ঘটনায় এলাকাবাসী ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে।

এসময় নাবালিকা ঐ শিক্ষার্থীর পিতা আব্দুল মাজেদ বাদী হয়ে ঐ শিক্ষকের বিরুদ্ধে পাটকেলঘাটা থানায় সাধারণ ডায়েরী ও অভিযোগ করে। পরবর্তীতে পরিস্থিতি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে মিমিাংসার নাম করে ১ম স্ত্রী তামান্না ইসলাম তানিয়াকে ঘর সংসার করার লক্ষ্যে সুচতুর চরিত্রহীন লম্পট মাদ্রাসা শিক্ষক খায়রুল ইসলাম তানিয়াকে বাড়ি নিয়ে তার উপর অমানুষিক নির্যাতন শুরু করে। গত ৭/৯/২০১২ সালে তানিয়ার প্রথম বাচ্চা নষ্ট করে। এর পরেও দ্বিতীয় বাচ্চাও নষ্ট করেছে ঐ লম্পট খায়রুল। ধানদিয়া ইউপি চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম নির্যাতনের শিকার তানিয়াকে একবার স্বামী বাড়ি থেকে উদ্ধার করে তার পিতার হাতে তুলে দিয়েছিল। এঘটনায় কলারোয়া থানার বাটরা গ্রামের আব্দুল ওহাব মোড়লের কন্যা দৃষ্টি প্রতিবন্ধী মোছা : তামান্না ইয়াসমিন নিজেই বাদী হয়ে বিজ্ঞ আমলী ০৪ নং আদালতে যৌতুক নিরোধ আইনের ৩ ধারায় সিআর ৩২১/২১ মামলা দায়ের করেছে। এঘটনায় ২৫/১২/২১ তারিখে মানিকহার দি¦মুখী দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা স্থায়ী বহিস্কার ও দৃষ্ট্রান্তমূলক শাস্তি দাবী করে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন করেছে। পরের দিন সাতক্ষীরার বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। মানিকহার দি¦মুখী দাখিল মাদ্রাসার চরিত্রহীন লম্পট শিক্ষক খায়রুল ইসলাম এখনও ছাত্রীদের প্রাইভেট পড়াচ্ছে এবং প্রতিদিন মাদ্রাসায় অবস্থান করছে। যে কারণে অভিভাবকরা তাদের সন্তানের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে তাদের সন্তানদের মাদ্রাসায় পাঠাতে চাইছেনা। ঐ মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের অভিভাবক ইব্রাহীম, আব্দুল ওহাব মোড়ল, মাজহারুল ইসলাম, মো. জসিম, মাছুরা খাতুনসহ শতাধিক অভিভাবকবৃন্দ মাদ্রাসার শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে ও সন্তানদের নিরাপত্তার জন্য মানিকহার দি¦মুখী দাখিল মাদ্রাসার চরিত্রহীন লম্পট শিক্ষক খায়রুল ইসলামের চুড়ান্ত বরখাস্ত পূর্বক শান্তির দাবীতে বিক্ষোভ করে ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দাখিল করেছে। এঘটনায় মাদ্রাসা সুপার মাওলানা ফজলুর রহমান অভিযুক্ত ঐ শিক্ষককে বাঁচাতে সাংবাদিকদের তথ্য দিতেও অপরাগতা প্রকাশ করাসহ বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে যাচ্ছে। যে কারণে ভূক্তভোগীরা সঠিক বিচার পেতে বিলম্ব ও হয়রানীর শিকার হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এব্যাপারে মানিকহার দি¦মুখী দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ও অভিভাবকবৃন্দ মাদ্রাসা থেকে লম্পট খায়রুল ইসলামকে চুড়ান্ত বহিস্কার ও দৃষ্ট্রান্তমূলক শাস্তির জন্য সংশ্লিষ্টদের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কা‌লিগ‌ঞ্জে তথ্য অধিকারের উপর সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক ক্যাম্পেইন

কা‌লিগঞ্জ প্রতি‌নি‌ধিঃ
কা‌লিগ‌ঞ্জে তথ্য অধিকারের উপর সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গতকাল বেলা ১০টায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খন্দকার রবিউল ইসলামের সভাপতিত্বে তারই সভাকক্ষে এই ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়।
বে-সরকারী উন্নয়ন সংস্থা অগ্রগতির আয়োজনে ও ফিল্ড ফ্যাসিলিটেটর নার্গিস সুলতানার প‌রিচালনায় ক্যাম্পেইনে বক্তব্য রাখেন মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ, সমাজসেবা কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন, সহকারী যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা বাবলুর রহমান।

অগ্রগতি সংস্থা প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর আল মামুনের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় এসময় আরো বক্তব্য রাখেন প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি শেখ আনোয়ার হোসেন, সাধারণ সম্পাদক সুকুমার দাশ বাচ্চু।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest