সর্বশেষ সংবাদ-
তালা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার ফেসবুক পোস্ট ঘিরে বিতর্ক, নিন্দা সাংবাদিকদেরইছামতীতে নেই সেই মিলনমেলা : শান্তিতেই শেষ দেবহাটার বিজয়া দশমীদেবহাটায় দুর্গাপূজার নবমীতে বিভিন্ন মণ্ডপ পরিদর্শনে পুলিশ সুপার আশরাফুল আলমআশাশুনিতে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজসাতক্ষীরায় বিভিন্ন পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন সাবেক মেয়র চিশতিউপকূল পুনরুদ্ধারে ১০ লক্ষ বীজ রোপণ: চারা রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগের অঙ্গীকারপ্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত মানতে পারছেন না শ্যামনগরের বিএনপি নেতা আদম আলীএখানে সকল ধর্মের মানুষের সমান অধিকার রয়েছে– এড.সৈয়দ ইফতেখার আলীসাতক্ষীরায় মিষ্টি পানির ছোঁয়া: শ্যামনগরে ঘুচল হাজারো মানুষের পানিকষ্টসাতক্ষীরায় শহরে দুর্গা মন্দির পরিদর্শনে প্রশাসক হাবিব

ছাত্রীকে ধর্ষণ করে ভিডিও ধারণ করা প্রধান শিক্ষক কারাগারে

দেশের খবর : বান্দরবানের রুমা উপজেলায় এক ছাত্রীকে ধর্ষণ করে তার ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়ার হুমকি দেন রুমা জুনিয়র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সমর কান্তি দত্ত (৫৬)। এ ঘটনায় তাকে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার ২৫ সেপ্টেম্বর বিকেলে তাকে আদালতে সোপর্দ করলে বিজ্ঞ আদালত তাকে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেয়।
এর আগে গত ২৩ সেপ্টেম্বর বিকেলে ধর্ষণের এ ঘটনা ঘটে। পরদিন ধর্ষিতার মোবাইলে অশ্লীল ভিডিও পাঠিয়ে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক তাকে বিয়ে না করলে ধর্ষণের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেবার হুমকি দেয়।

বিষয়টি আত্মীয়স্বজনকে জানালে শুক্রবার তার বড় বোন বাদী হয়ে রুমা থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করে।

রুমা থানার ওসি মো. আবুল কাশেম জানান, ধর্ষিতার বড় বোনের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে পর্ণগ্রাফি এবং নারী ও শিশু নির্যাতন আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় একটি মামলা রুজু হয়। শুক্রবার সন্ধ্যার পর অভিযুক্ত সমর কান্তিকে পুলিশ আটক করে।

তিনি জানান, শনিবার সকালে আসামিকে বান্দরবান চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠানো হয়।

ধর্ষিতার বড় বোন তার অভিযোগনামায় জানায়, ২০১৯ সালে এসএসসি পরীক্ষায় ফেল করার পর এবছর পরীক্ষায় অংশগ্রহণের লক্ষ্যে ছোট বোন সমর কান্তি দত্তের কাছে প্রাইভেট পড়া শুরু করে। ২৩ সেপ্টেম্বর বিকেলে প্রাইভেট পড়া শেষ হলে প্রধান শিক্ষক সমর কান্তি অন্যদের ছুটি দিয়ে তার ছোট বোনকে কৌশলে তার স্বয়ং কক্ষে নিয়ে যায় এবং ধর্ষণ করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
৪ অপহরণকারীর লাশ প্রকাশ্যে ঝুলিয়েছে তালেবান

বিদেশের খবর : আফগানিস্তানে চার অপহরণকারীকে হত্যার পর তাদের লাশ প্রকাশ্যে ঝুলিয়েছে তালেবান। শনিবার দেশটির পশ্চিমের শহর হেরাতে এ ঘটনা ঘটেছে বলে এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন।

হেরাত প্রদেশের ডেপুটি গভর্নর মৌলভী শির আহমেদ মুহাজির বলেন, চারজন পুরুষের মৃতদেহ একই দিনে বিভিন্ন জনবহুল এলাকায় প্রদর্শিত হয়েছে। এর উদ্দেশ্য ছিল এই বার্তা দেওয়া যে অপহরণের মতো অপরাধ সহ্য করা হবে না।

সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করা কিছু গ্রাফিক ছবিতে দেখা গেছে, একটি পিক-আপ ট্রাকের পেছনে থাকা একটি ক্রেন একজনের লাশ উপরে টেনে তুলেছে। গাড়ির চারপাশে সশস্ত্র তালেবান যোদ্ধাদের উপস্থিতিতে লোকজন ভিড় জমাচ্ছিল তা দেখার জন্য।

আরেকটি ভিডিওতে দেখা গেছে, হেরাত শহরের একটি প্রধান গোল চত্বরে ক্রেন থেকে ঝুলানো একটি লাশের বুকে লেখা আছে, ‘অপহরণকারীদের এভাবেই শাস্তি দেওয়া হবে’।

গত মাসে তালেবানরা ক্ষমতায় আসার পর এমন ভীতিজনকভাবে শাস্তির ঘটনা এটাই প্রথম। এই ঘটনা থেকে অনেকেই আশঙ্কা প্রকাশ করছেন যে, তালেবানরা তাদের ১৯৯৬-২০০১ মেয়াদের শাসনের মতোই ফের ভয়ঙ্কর কঠোর শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করবে।

মৌলভী শির আহমেদ মুহাজির বলেন, শনিবার সকালে তালেবানের নিরাপত্তা বাহিনীকে জানানো হয় যে, শহরে একজন ব্যবসায়ী ও তার ছেলেকে অপহরণ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, এরপর পুলিশ শহরের বাইরে যাওয়ার রাস্তা বন্ধ করে দেয় এবং তালেবানরা অপহরণকারীদের একটি চেকপয়েন্টে আটক করলে ‘গুলি বিনিময় ঘটে’।

বার্তা সংস্থা এএফপিকে পাঠানো রেকর্ড বিবৃতিতে মুহাজির বলেন, ‘কয়েক মিনিটের লড়াইয়ে আমাদের একজন মুজাহিদিন আহত হয়েছে এবং চারজন অপহরণকারী নিহত হয়েছে’।

ভিডিও ক্লিপে তিনি বলেন, ‘আমরা ইসলামী আমিরাত। কারও আমাদের জাতির ক্ষতি করা উচিত নয়। কাউকে অপহরণ করা উচিত নয়’।

মুহাজির আরো জানান, শনিবারের ঘটনার আগে, শহরে আরও অপহরণের ঘটনা ঘটেছে এবং তালেবানরা একটি ছেলেকে উদ্ধার করেছে।

এর আগে একজন অপহরণকারী নিহত এবং তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। যদিও অন্য একটি অপহরণের ঘটনায় তালেবানরা ‘ব্যর্থ হয়েছে এবং অপহরণকারীরা অর্থ আদায় করতে সক্ষম হয়েছে’।

মুহাজির বলেন, ‘এটা আমাদের অনেক দুঃখ দিয়েছে, কারণ আমরা হেরাত থাকাকালীন আমাদের লোকজনকে অপহরণ করা হচ্ছে। অন্য অপহরণকারীদের কাউকে অপহরণ বা হয়রানি না করার শিক্ষা দেওয়ার জন্যই আমরা তাদের চারজনের লাশ শহরের চত্বরে ঝুলিয়ে রেখেছি এবং প্রত্যেকের কাছে এটা স্পষ্ট করে দিয়েছি যে, কেউ চুরি-ডাকাতি, খুন বা অপহরণ করলে এবং আমাদের লোকদের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নিলে কঠোর শাস্তি পাবে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা জেলা আ’লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির দ্বিতীয় সভা

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির দ্বিতীয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কস্থ বঙ্গবন্ধু স্মৃতি পাঠাগারে জেলা আওয়ামী লীগের আহবানে সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সাবেক সাংসদ বীর মুক্তিযোদ্ধা এ কে ফজলুল হকের সভাপতিত্বে এবং জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো.নজরুল ইসলামের সঞ্চালনায় কার্যনির্বাহী কমিটির দ্বিতীয় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা-২ আসনের সংসদ সদস বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি।

কার্যনির্বাহী কমিটির দ্বিতীয় সভায় সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ৪ আসনের সংসদ সদস্য এস এম জগলুল হায়দার।
এসময় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার শেখ মুজিবুর রহমান, জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি বিএম নজরুল ইসলাম, মো. শহীদুল ইসলাম, অধ্যাপক আবু আহমেদ, শেখ শাফী আহমেদ, মো. আছাদুল হক, মাস্টার নীলকণ্ঠ সোম, শেখ সাহিদ উদ্দিন, মিসেস সাহানা মহিদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ ফিরোজ কামাল শুভ্র, মো. আসাদুজ্জামান বাবু, আ. হ. ম তারিক উদ্দীন, সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল আজম লেলিন, আতাউর রহমান গোলদার, কাজী আক্তার হোসেন, আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট ওসমান গনি, কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক ডা. মুনছুর আহমেদ, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক আফসার আহমেদ, ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আজহারুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক শেখ হারুন-উর-রশিদ, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক অ্যাডভোকেট অনিত কুমার মুখার্জী, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক গাজী আনিসুজ্জামান আনিচ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক জিএম ফাত্তাহ, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক শিমুন শামস্, মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক সন্তোষ কুমার সরকার, যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক শেখ আব্দুল কাদের, শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক লাইলা পারভীন সেঁজুতি, শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক শেখ এজাজ আহমেদ স্বপন, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক সরদার মুজিব, স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক ডা. সুব্রত কুমার ঘোষ, উপ-দপ্তর সম্পাদক শেখ আসাদুজ্জামান লিটু, উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক প্রভাষক প্রণব ঘোষ বাবলু, কোষাধ্যক্ষ বাবু রাজ্যেশ্বর দাস, নির্বাহী কমিটির সদস্য এসএম শওকত হোসেন, এবিএম মোস্তাকিম, অ্যাডভোকেট মোজহার হোসেন কান্টু, শেখ নুরুল ইসলাম, নরীম আলী মাস্টার, ফিরোজ আহমেদ স্বপন, শেখ আব্দুর রশিদ, মো. শাহ্জাহান আলী, মো. সাহাদাৎ হোসেন, ঘোষ সনৎ কুমার, এসএম আতাউল হক দোলন, মো. মনিরুজ্জামান মনি, আমিনুল ইসলাম লাল্টু, সাঈদ মেহেদী, মো. আব্দুল কাদের,
অধ্যক্ষ জাফরুল আলম বাবু, মো. আসাদুজ্জামান অসলে, অ্যাডভোকেট সৈয়দ জিয়াউর রহমান বাচ্চু, এনামুল হক ছোট, মিসেস কহিনুর ইসলাম, মোস্তাফিজুর রহমান নাসিম, নাজমুন নাহার মুন্নি,

মো. সামছুর রহমান, মীর জাকির হোসেন, মিসেস মাহফুজা রুবি, ইসমত আরা বেগম, বিশেষ আমন্ত্রিত সম্ভুজিৎ মন্ডল, আলিমুর রহমান প্রমুখ। সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির দ্বিতীয় সভার আলোচনায় দলকে শক্তিশালী করতে বিভেদ ও দ্বন্দ ভুলে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানান হয়, আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে জয়লাভের জন্য দলীয় একক প্রার্থী নির্বাচন বিষয়ে প্রার্থীদের নিয়ে আলোচনায় বসার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির দ্বিতীয় সভার আলোচ্য সূচী ছিল- বিগত সভার সিদ্ধান্তবলী পঠন ও অনুমোদন, উপজেলা/পৌর শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটি সম্পর্কে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ, আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন ২০২১ প্রসঙ্গে আলোচনা, সাংগঠনিক দায়িত্ব বণ্ঠন প্রসঙ্গে, দলীয় অফিস ঘর নির্মাণ প্রসঙ্গে. সাংগঠনিক ও বিবিধ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শেখ হাসিনার জাতিসংঘের এসডিজি অগ্রগতি পুরষ্কার অর্জন : নলতায় আনন্দ মিছিল

নলতা প্রতিনিধি: প্রধানমন্ত্রী  শেখ হাসিনা জাতিসংঘের এসডিজি অগ্রগতি পুরষ্কার অর্জন করায় এবং তাঁকে ‘ক্রাউন জুয়েল’ বা ‘মুকুট মণি’ সম্মানে ভূষিত করায় অধ্যাপক ডাঃ আ ফ ম রুহুল হক এমপির পক্ষ থেকে এবং আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৬ নং নলতা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোঃ খাদেমুল ইসলাম তুফানের আয়োজনে বিকাল ৫ টায় নলতায় বিশাল আনন্দ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। হাজার হাজার নেতাকর্মীর অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত মিছিলটি নলতা হাসপাতালের সামনে থেকে শুরু হয়ে ইউনিয়ন পরিষদের পাশ বাজার ঘুরে হাইস্কুলের সামনে দিয়ে নলতা চৌমুহনী হয়ে সানি মার্কেটের সামনে এসে শেষ হয়। মিছিল শেষে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন মোবাইলের মাধ্যমে বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক ডাঃ আ ফ ম রুহুল হক এমপি।

নলতা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি জনাব আলহাজ্ব মোঃ আনিসুজ্জামান খোকনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কালীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এবং তারালী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান  মোঃ এনামুল হোসেন ছোট। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চাম্পাফুল ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক গাইন, বীরমুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসেন, নলতা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি জনাব মোঃ তারিকুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক হাবিবুর রহমান হাবু, ৪ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম খলিল, এমপি প্রতিনিধি আব্দুল খালেক, উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হাসান নাইম, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী রেজাউল করিম, মোঃ আলাউদ্দীন, মাহবুবুর রহমান, ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি সাইফুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক সভাপতি সাইফুল ইসলাম টুটুল, ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি সেলিম উল্লাহ, ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি মোস্তাফি সুজন, কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান নয়ন সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তালা ইউপির নির্বাচনের ফলাফল বাতিল ও পুনঃনির্বাচনের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

আসাদুজ্জামান : সাতক্ষীরা জেলার তালা উপজেলার ৬ নং তালা সদর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ভোট কেন্দ্রে ভোট প্রদানে বাঁধা প্রদান, অস্ত্র ও সন্ত্রাসীদের ব্যবহার করে নজিরবিহীন তান্ডব চালিয়ে ভোটারদের হাতুড়িপেটা করে জখম করাসহ নির্বাচন উত্তর সহিংসতা চালিয়ে বাড়িঘর ভাংচুর, মারপিট করে নির্বাচনী আচরণ বিধি লঙ্ঘন করায় তালা ইউনিয়ন পরিষদের বিতর্কিত নির্বাচনের ফলাফল বাতিল করে পুনঃনির্বাচনের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতিকের প্রার্থী এস.এম নজরুল ইসলাম। শনিবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে এ সংবাদ সম্মেলন করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনের লিখিত বক্তব্যে এস.এম নজরুল ইসলাম বলেন, প্রথম দফায় ইউপি নির্বাচনে তালা ইউপির ১১টি ইউনিয়নে ২০ সেপ্টেম্বর ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্বাচনে তালা ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের মধ্য আটারই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্র ও আটারই এজেএইচ মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্র দুটি সকাল ৮টা থেকে ভোট শেষ হওয়া পর্যন্ত আটারই গ্রামের খোকন সানার ছেলে সরকারি তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী শিমুল সানার নেতৃত্বে ৮০-৯০ জন দেশীয় অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা দখল করে নেয়। মধ্য আটারই ভোটকেন্দ্রে আমার কোন এজেন্ট ঢুকতে দেওয়া হয়নি। এজেএই বালিকা বিদ্যালয় কেন্দ্রটিতে এজেন্ট ঢুকলেও মাসুম সরদার নামের লাঙ্গল প্রতিকের এজেন্টকে হাতুড়িপেটা করে কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়া হয়। সরদার জাকির ও মশিয়ার বাহিনীর লালিত সন্ত্রাসীরা রাস্তায় দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মহড়া দেয় যাতে আমার লাঙ্গল প্রতিকের লোকজন কেন্দ্রে প্রবেশ করতে না পারে। তাছাড়া কেন্দ্রে যারা প্রবেশ করে তাদেরকে সরদার জাকিরের নৌকা প্রতিকে ভোট দিতে বাধ্য করে। ভোর বেলায় আটারই ঋষিপাড়ায় শিবপদ দাসের পুত্রকে সন্ত্রাসী শিমুল সানার নেতৃত্বে হাতুড়ি পেটা করে। আটারই প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মহিলা ভোটকেন্দ্রে লাঙ্গল প্রতিকের এজেন্টদের প্রবেশ ফরম ও ভোটার তালিকা কেড়ে নিয়ে ছিড়ে ফেলে। সারাদিন এই কেন্দ্র দুটি দখল করে একতরফাভাবে জনগণকে ভয়ভীতি দেখিয়ে বিরোধী প্রার্থী সরদার জাকির নৌকা প্রতিকে ভোট নেয়। ভোটচলাকালীন আমার কর্মী আটারই গ্রামের মোহাম্মদ গাজীর ছেলে রাসেল গাজী লঙ্গল প্রতিকে ভোট দিয়ে বের হলে তাকে শিমুল সানার নেতৃত্বে সন্ত্রাসীরা হাতুড়িপেটা করে। ভোটের দিন এলাকায় সন্ত্রাসী কর্মকান্ড চালিয়ে জনগণের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করার ফলে লাঙ্গল প্রতিকের সমর্থকরা ভোটকেন্দ্রে যেতে পারেনি।

লিখিত বক্তব্যে আরও জানানো হয়, ১৯ সেপ্টেম্বর রাত ১২টার দিকে জেয়ালা নলতা গ্রামের হাসানকে সন্ত্রাসী জিয়া নিকারী হাতুড়িপেটা করে আহত করে। এতে ঐ অঞ্চলের লাঙ্গলের সমর্থকরা ভোটকেন্দ্রে যেতে পারেনি। ভোটের দিন ২০ সেপ্টেম্বর সন্ত্রাসী সরকার জাকিরের বাড়ির পাশে বারুইহাটি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রটিতে রেইনকোর্ট পরিহিত ২০-২৫ জন সন্ত্রাসী রামদা, দেশীয় অস্ত্র নিয়ে লাঙ্গল প্রতিকের এজেন্টদের কেন্দ্র থেকে মারপিট করে বের করে দিয়ে নিজেরা ভোট প্রদান করে। এলাকায় ত্রাস সৃষ্টির ফলে লাঙ্গলের ভোটাররা কেন্দ্রে যেতে পারেনি এখানেও। ভোটের দিন মুড়াকলিয়া গ্রামের মোজাহার সরদারকে কুপিয়ে জখম করে নৌকার প্রার্থীর ভাড়াটে সন্ত্রাসী লাভলু ও কামালসহ ১০-১২ জনের সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসী। ভোট পরবর্তী সন্ধ্যায় সরদার জাকির, মশিয়ার সরদারসহ সন্ত্রাস বাহিনী আমার সমর্থকদের বাড়ি বাড়ি অস্ত্রের মহড়া দেয়, ঘরবাড়ি ভাংচুর, মৎস্য ঘেরে লুটপাট, ব্যবসা প্রতিষ্ঠাণে লুটপাটকরা সহ শত শত কর্মীকে মারপিট করে জখম ও হাজার হাজার মানুষকে গৃহবন্দি করে রাখে। এই সন্ত্রাসীদের হাত থেকে নারী ও শিশু কেউই রেহায় পাচ্ছে না। ২১ সেপ্টেম্বর রাত ৯টার দিকে তালা শাহপুর বাজারে লাঙ্গল প্রতিকে ভোট প্রদান করায় বারুইহাটি গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা মোমিন মোড়লের ছেলে আবুল হোসেনকে অমানবিকভাবে রড়, হাতুড়ি ও লাঠি দিয়ে পিটিয়ে আহত করে। এই সন্ত্রাসী জাকিরকে যুবলীগ থেকে বহিষ্কারের দাবি জানাচ্ছি। একই সঙ্গে অস্ত্রধারীদের নিয়ন্ত্রণে থাকা দুটি কেন্দ্রের ফলাফল তদন্তপূর্বক বাতিল ও পুনঃনির্বাচনের তারিখ ঘোষনা করতে প্রধানমন্ত্রীসহ দেশবাসীর কাছে তুলে ধরে সঠিক বিচার দাবি করছি। সংবাদ সম্মেলনে তালা ইউনিয়নের কয়েকশ বাসিন্দারা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে তারা একই দাবীতে প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধ করেন। ##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়ে আসা নোয়াখালীর গৃহবধূ সাতক্ষীরা থেকে উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিনিধি :
প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়ে আসা দুই কন্যা সন্তান সহ নোয়াখালীর গৃহবধুকে ২৪ দিন পর সাতক্ষীরা থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শনিবার দুপুরে সাতক্ষীরা সদর থানায় সংবাদ সম্মেলন করে এ তথ্য জনান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি দেলোয়ার হুসেন। এসময় ওসি সাংবাদিকদের জানান, চলতি মাসের ২৩ তারিখ রাতে নোয়াখালী থেকে পালিয়ে আসা গৃহবধূর মা ও স্বজনরা থানায় এসে আমাকে জানান। তারা এসময় নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ মডেল থানায় করা একটি জিডির কপি দেয়।

তাত্ক্ষণিক দুই কন্যা সন্তান সহ ওই গৃহবধূকে উদ্ধারে কাজ শুরু করেন সদর থানার উপপরিদর্শক মানিক সাহা,উপপরিদর্শক শিমুল, সহকারী উপপরিদর্শক নুরমহাম্মাদ ও সহকারী উপপরিদর্শক সাইফুল ইসলাম। তারা প্রযুক্তি ব্যবহার করে দক্ষতার সাথে তদন্ত করে খুব অল্পসময়ের মধ্যে গত রাতে ( শুক্রবার রাত ১২ টারদিকে) শহরের পলাশপোল মধুমল্লারডাঙ্গী এলাকা থেকে ভিকটিম গৃহবধূ সহ তার দুই কন্যা সন্তান কে উদ্ধার করাহয়। এসময় পালিয়ে যায় ওই গৃহবধূর পরকীয়া প্রেমিক নোয়াখালী বেগমগঞ্জের রাজেন্দ্রপুর এলাকার কচি মিয়া।

তিনি আরও জানান,নোয়াখালী বেগমগঞ্জের রাজেন্দ্রপুর এলাকার সৌদি প্রবাসী আব্দুল মতিনের স্ত্রী বিবি আয়েশার সাথে একুই এলাকার কচি মিয়ার ফেসবুকের মাধ্যমে পরকীয়া সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে গত ২৪ দিন আগে তারা নোয়াখালী থেকে পালিয়ে এসে বিভিন্ন স্থানে আত্নগোপনে থাকার পর সাতক্ষীরায় এসে ধরা পড়ে। এর আগে ওই গৃহবধূর স্বামী প্রবাসী আব্দুল মতিন স্ত্রী ও দুই কন্যা সন্তান মাইশা আক্তার (১১) ও মুনতাহা আক্তার (৯) এর সন্ধান চেয়ে ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে পুরস্কার ঘোষণা করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় সড়ক-মহাসড়কে অবৈধ যান বন্ধের দাবিতে ডাকা ধর্মঘট ৮ ঘন্টা পর প্রত্যাহার

আসাদুজ্জামান :
সাতক্ষীরায় সড়ক-মহাসড়কে অবৈধ ইঞ্জিনচালিত যান বন্ধের দাবিতে অনির্দিষ্ঠকালের জন্য ডাকা বাস ধর্মঘট ৮ ঘন্টা পর প্রত্যাহার করা হয়েছে। পুলিশ কর্মকর্তাদের সাথে বৈঠক করে দুপুর ২টার দিকে ধর্মঘট প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন শ্রমিক নেতৃবৃন্দ। এর আগে শনিবার সকাল থেকে সাতক্ষীরার ৬টি রুটে অনির্দিষ্টকালের জন্য ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়। আকস্মিক এই ধর্মঘটে সীমাহীন দূর্ভোগে পড়েন যাত্রীরা।
সাতক্ষীরা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের কার্যালয় সূত্রে জানা যায়,সাতক্ষীরা-খুলনা,সাতক্ষীরা-কালিগঞ্জ,সাতক্ষীরা-যশোর,সাতক্ষীরা-চাপড়াসহ ৬টি রুটে বাস চলাচল বন্ধ করা হয়। এর আগে, বৃহস্পতিবার সাতক্ষীরা-আশাশুনি সড়কের বুধহাটায় সাইড না দেওয়াকে কেন্দ্র করে মাহেন্দ্র চালকদেও সাথে বচসা হয় বাস চালকদের। এক পর্যায়ে জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সহ-সভাপতি সহিদুল ইসলামকে মারধর করে মাহেন্দ্র চালকরা। এছাড়া জেলার সড়ক-মহাসড়কে দাপিয়ে বেড়ায় লক্ষাধিক নসিমন-করিমন-ইজিবাইক-মাহেন্দ্রসহ অবৈধ যানবাহন। এসব অবৈধ যানবাহন বন্ধের দাবিতে জেলাব্যাপী বাস ধর্মঘট ডাকে জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়ন। তবে হঠাৎ করে বাস ধর্মঘট ডাকায় যাত্রীরা পড়েছিলেন চরম দূর্ভোগে।
এবিষয়ে সাতক্ষীরার বৈকারী এলাকার আব্দুল হান্নান জানান,তিনি খুলনা থেকে এসেছেন। বাস বন্ধ তা বুঝতে পারেননি। আর বুঝলেও কিছু করার ছিলনা। পঞ্চাশ টাকার জায়গায় বিভিন্ন বাহনে আসতে তাকে ৩শ’ টাকা খরচ করতে হয়েছে। তাছাড়া সময় লেগেছে ৪ ঘন্টারও বেশি।

ধর্মঘট প্রত্যাহারের বিষয়ে মোটরশ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি আরশাদ আলী খোকা বলেন, অবৈধ যানবাহনের অবৈধ চালকেরা শ্রমিক নেতা ও বাস চালকের মারধর করবে, এটা মানা যায়না। আমরা সড়ক-মহাসড়কে অবৈধ যানবাহন বন্ধের দাবিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য ধর্মঘট ডেকেছিলাম। তবে দুপুরে এসব বিষয়ে পুলিশ কর্মকর্তাদের সাথে ফলপ্রসু আলোচনা হয়েছে। তাই বিকেল থেকে আমরা আবারও বাস চালানো শুরু করেছি।

সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক জাহিদুর রহমান জানান,বাস চালক সহিদুল ইসলামকে মারধরের বিষয়ে প্রতিকারের আশ^াস পাওয়া গেছে। এছাড়া অবৈধ যান বন্ধে ধাপে ধাপে কাজ করবে প্রশাসন, এমন আশ^াসে আমরা ধর্মঘট প্রত্যাহার করেছি।
বাস মালিক আব্দুল মুহিদ জানান, অবৈধযান জেলাব্যাপী এত দাপিয়ে বেড়াচ্ছে,যা প্রশাসন থেকে নিয়ন্ত্রণ করছেনা। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় কোন মালিক সমিতি নেই। মালিক সমিতিতে তালা মারা। মালিক সমিতির সুষ্ঠু একটা নির্বাচন হলে তারা অনেক সমস্যার সমাধান করতেন। অবৈধ যানের দাপটে বাসে যাত্রী ওঠেনা। লাখ-লাখ ইজিবাইক, মাহেন্দ্র, ইঞ্জিনভ্যানের দাপটে বাসের কোন আয় নেই। আমরা সরকারি যত ট্যাক্স আছে দিচ্ছি। কিন্তু অবৈধ যানের চালকদের কোন কাগজপত্র নেই। তাদের দেখার কেউ নেই। তবে প্রশাসনের আশ^াসে ধর্মঘট প্রত্যাহারে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন তিনি।
সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান জানান, সড়ক-মহাসড়কে অবৈধ যানবাহন চলাচল বন্ধে পুলিশ পদক্ষেপ নেবে। তিনি আরও বলেন, শ্রমিক নেতৃবৃন্দের সাথে ফলপ্রসু আলোচনা হয়েছে। তারা ধর্মঘট প্রত্যাহার করেছেন।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরার ১০ম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যা : আটক-৪!

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার টিকেট গ্রামের ১০ম শ্রেণীর স্কুল ছাত্রী পূর্ণিমা দাসকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধ করে হত্যার ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। নিহতের পিতা শান্তিরঞ্জন দাস বাদি হয়ে একই গ্রামের পার্থ মণ্ডলের নাম উল্লেখ করে শুক্রবার রাতেই এ মামলা দায়ের করেন।

এদিকে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় র‌্যাব চারজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে। আটককৃতরা হলেন, দেবহাটা উপজেলার টিকেট গ্রামের মাধব চন্দ্র ঢালীর ছেলে গ্রাম ডাক্তার দেবব্রত ঢালী ওরফে ছোট ডাক্তার, একই গ্রামের দীলিপ সরকারের ছেলে নয়ন সরকার, আশাশুনি উপজেলার গাবতলা গ্রামের সূর্যকান্ত দাসের ছেলে টিকেট গ্রামের ঘরজামাই সুপ্রশান্ত দাস ও তার স্ত্রী সুমিত্রা দাস।

ঘটনার বিবরনে জানা যায়, দেবহাটা উপজেলার টিকেট গ্রামের শান্তিরঞ্জন দাসের মেয়ে গাভা একেএম আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণীর ছাত্রী পূর্ণিমা দাসের সঙ্গে একই গ্রামের শিবপদ মণ্ডলের ছেলে পার্থ মণ্ডলের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। এক বছর আগে পূর্ণিমাকে বিয়ের জন্য পার্থ মণ্ডল প্রস্তাব দেয়। শান্তিরঞ্জন দাস সেই প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় সে বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। বৃহষ্পতিবার সন্ধ্যায় প্রাইভেট পড়তে বেরিয়ে রাতে বাড়ি ফেরেনি পূর্ণিমা। শুক্রবার সকালে একই গ্রামের তারক মণ্ডলের বাড়ির পুকুর পাড় থেকে পূর্ণিমার হাত বাঁধ্ ারক্তাক্ত লাশ পাওয়া যায়। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে কামড় ও নখের দাগ ছিল। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হয় পূর্ণিমাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে।

তবে স্থানীয় একটি মহল ধারণা করছেন যে এ ধরণের ঘটনা একজনের পক্ষে ঘটানো সম্ভব নয়। সেক্ষেত্রে পার্থ মণ্ডলের সহযোগীরাও জড়িত থাকতে পারে।
এদিকে পুলিশ শুক্রবার টিকেট গ্রামের তারক মিস্ত্রির ছেলে ভাড়ায় চালিত মোটর সাইকেল চালক গোবিন্দ মিস্ত্রীকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ছেড়ে দেয়। রাতে টিকেট গ্রামের গ্রাম ডাক্তার দেবব্রত ঢালী. নয়ন সরকার, টিকেট গ্রামের ঘরজামাই সুপ্রশান্ত দাস ও তার স্ত্রী সুপ্রিয়া দাসকে র‌্যাব পরিচয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে। দেবব্রত ঢালীর মোবাইল ফোন থেকে পার্থ বৃহষ্পতিবার বিকেলে পূর্ণিমাকে ফোন করেছিল। সেই মোবাইল কললিস্ট এর সূত্র ধরে দেবব্রতকে আটক করা হয়। যদিও র‌্যাব- ৬ সাতক্ষীরা অফিসের পক্ষ থেকে আটকের বিষয়টি অস্বীকার করা হয়েছে।
দেবহাটা থানার পুলিশ পরিদর্শক ফরিদ আহম্মেদ জানান, এ ঘটনায় শান্তিরঞ্জন দাস বাদি হয়ে শুক্রবার রাতেই থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। একমাত্র আসামী পার্থ মণ্ডলকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। তবে চারজনকে আটকের ব্যাপারে তিনি জানান, র‌্যাব বা অন্য কোন আইন প্রয়োগকারি সংস্থার সদস্যরা জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাদেরকে আটক করতে পারে।#

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest