সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় পৌর ও সদর উপজেলা তাঁতীদল এর সাংগঠনিক আলোচনা সভাকলারোয়া রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি মোস্তাক- সম্পাদক ফারুকীসাতক্ষীরা সদরের ৫ নং শিবপুর ইউনিয়নে কৃষক দলের কর্মীসভা অনুষ্ঠিতশ্যামনগরে চেয়ারম্যান প্রার্থী গাজী শাহ আলমের ব্যানার কেটে নষ্ট করার অভিযোগসাতক্ষীরা- খুলনা মহাসড়কের আঠারো মাইলে ঝরলো ৬ প্রাণতালা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার ফেসবুক পোস্ট ঘিরে বিতর্ক, নিন্দা সাংবাদিকদেরইছামতীতে নেই সেই মিলনমেলা : শান্তিতেই শেষ দেবহাটার বিজয়া দশমীদেবহাটায় দুর্গাপূজার নবমীতে বিভিন্ন মণ্ডপ পরিদর্শনে পুলিশ সুপার আশরাফুল আলমআশাশুনিতে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজসাতক্ষীরায় বিভিন্ন পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন সাবেক মেয়র চিশতি

হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্যপরিষদ সাতক্ষীরা জেলা কমিটির সভা

নিজস্ব প্রতিনিধি :
বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্যপরিষদ,সাতক্ষীরা জেলা শাখার সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার ১০ সেপ্টেম্বর শহরের ম্যানগ্রোভ সভাঘরে জেলা কমিটির সভাপতি বিশ^জিৎ সাধুর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক স্বপন কুমার শীলের সঞ্চালনায় পবিত্র গীতা ও পবিত্র বাইবেল পাঠের মধ্য দিয়ে সভার কার্যক্রম শুরু হয়।

বৈশি^ক অতিমারী করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত ব্যক্তিদের উদ্দেশ্যে এক মিনিট নীরবতা পালনসহ শোক প্রস্তাব গৃহীত হয়। পরবর্তীতে বিগত সভার সিদ্ধান্ত সমূহ পঠন ও অনুমোদনের পর দক্ষিণ এশিয়া বিশেষ করে আফগানিস্থানে সাম্প্রদায়িক মৌলবাদী শক্তির উত্থান, ক্ষমতা দখল এবং এর প্রভাবমুক্ত থাকার লক্ষে সংগঠনের করনীয়, শারদীয় দুর্গোৎসব ২০২১ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন-২০২১ এবং সংগঠন বিষয়ক বিভিন্ন দিক নির্দেশনামূলক আলোচনা হয়।

সভায় গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন, জেলা প্রেসিডিয়াম সদস্য বিশ^নাথ ঘোষ, সিদ্ধেশ^র চক্রবর্তী,সুধাংশু শেখ সরকার, এ্যাড. সোমনাথ ব্যনার্জী, পৌল সাহা, গৌর দত্ত, যুগ্ম সম্পাদক নিত্যানন্দ আমিন, অধ্যক্ষ শিব পদ গাইন, প্রভাষক বাসুদেব সিংহ, জয়দেব বিশ^াস, সাংগঠনিক সম্পাদক অসীম দাস সোনা, সুবোধ চক্রবর্ত্তী, গোবিন্দ মন্ডল, চন্দ্রকান্ত মল্লিক,স্মরজিৎ ঘোষ, অসিত সেন, সন্তোষ পাল, বিকাশ চন্দ্র দাস, কার্ত্তিক মিত্র, গোপাল চন্দ্র ঘোষাল, সমীর গাইন প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আমরা ভাটায় জাগি–জোয়ারে ডুবি
শেখ শাকিল হোসেন :
সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার প্রতাপনগর ইউনিয়নের দরগাতলা গ্রাম। সন্তান জন্ম দিতে গিয়ে হাসপাতালে মারা যান এই গ্রামের হাবিবুর রহমানের (৩০) স্ত্রী সাদিয়া সুলতানা (২২)। ভূমিষ্ট নবজাতক নিয়ে পরিবার যতটা চিন্তিত, তারচেয়ে বেশি চিন্তিত মৃত নারীকে দাফন করা নিয়ে। আম্পানের পর থেকে ঘরে হাটু পানি। মাঁচা করে বসবাস করছে সাদিয়ার পরিবার। চারিদিকে পানি আর পানি। তাই দূরের গ্রামে দাফন করা হয় গৃহবধূকে।

একই উপজেলার প্রতাপনগর গ্রামের মাহমুদুল হাসান (৩৫)। গেল জুলাইয়ে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। গ্রামের বাড়িতে লাশ নিয়ে আসা হয় দাফনের জন্য। পূর্নিমার ভরা জোয়ারে চারিদিকে থইথই পানি। মাটির উপর কোন রকম পলিথিন বিছিয়ে ইট গেথে সমাধি তৈরি করে দাফন করা হয় মৃতদেহ। কয়েকদিন পর লাশ পচে চারিদিকে দূর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে। পানি দূর্ষিত হয়ে যায়। এমন চিত্র বিগত কয়েক বছর ধরে চলছে উপকূলীয় বানভাসি জনপদে। মুসলমানদের চিরাচরিত প্রথার বাইরে গিয়ে সামাধি করে দাফন করা হচ্ছে।

দীর্ঘ দেড় বছরের অধিক সময় সাতক্ষীরা উপকূলের বিস্তীর্ণ এলাকা লবণ পানিতে ডুবে আছে। জলাবদ্ধতা এবং করোনা এই অঞ্চলের মানুষকে দুর্বিষহ অবস্থায় ফেলেছে। মানুষের জীবনযাত্রা জোয়ার-ভাটা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে। বেড়িবাঁধ ভাঙ্গনের আতঙ্কে স্থানীয়দের তটস্থ থাকতে হয় সবসময়। অনেক এলাকায় যোগাযোগ ব্যবস্থা এখনো বিচ্ছিন্ন। চিকিৎসা, স্যানিটেশন, সুপেয় পানিসহ বিভিন্ন সংকটে বিপর্যস্ত উপকূলের লক্ষাধিক মানুষ।

শক্রবার (১০ সেপ্টেম্বর) বেলা ৩টায়
জলাবন্ধতা নিরসনে দ্রুত টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মান, সুপেয় পানি ও উপকূল সুরক্ষার দাবিতে সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার প্রতাপনগরে ‘জলবায়ু ধর্মঘট’ কর্মসূচি পালিত হয়েছে। পরিবেশবাদী আন্দোলন ফ্রাইডেস ফর ফিউচার বাংলাদেশ এবং ইয়ুথনেট ফর ক্লাইমেট জাস্টিস এর আহ্বানে এই ধর্মঘটে উপকূলের ভুক্তভোগী বাসিন্দারা অংশগ্রহণ করেন।

ধর্মঘটে অংশ নেওয়াদের একজন স্থানীয় বাসিন্দা সাইদুল ইসলাম। তিনি বলেন, ঘর-দোর, জাগা-জমি, সব শেষ। ভাসি-বুড়ি আশ্রয় নিছি একটা দোকান ঘরে। আমরা ভাটির সময় জাগি, আবার জোয়ার হলি ডুবি। এভাবে আর কত দিন থাকপো। বউ-বাচ্চানে আর পাত্তিছিনি। এবার ভাবিছি চুলি যাবো নড়াইলি। বাপ দাদার ভিটি-মাটি সব গেছে। দু’বছর হতি যাচ্ছে ডুবি মরতিছি। বাঁধ হবার নাম নেই। বাঁধ টাধ হলি আবার আসব।

ইয়ুথনেট ফর ক্লাইমেট জাস্টিস এর সাতক্ষীরা জেলা সমন্বয়ক এস এম শাহিন আলম বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুপ প্রভাবে আজ উপকূল ক্ষতবিক্ষত। মানুষের বেঁচে থাকাটাই চ্যালেঞ্জ। মানুষ উপকূল ছেড়ে চলে যাচ্ছে। আগামী জলবায়ু সম্মেলনে আমরা কথার বাস্তবায়ন দেখতে চাই, ন্যায্য ক্ষতিপূরণ চাই।

উল্লেখ্য, ২০২০ সালের ২০ মে ঘূর্ণিঝড় আম্পান ও সম্প্রতি ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের তাণ্ডবে লন্ডভন্ড হয় গোটা সাতক্ষীরা উপকূল। পানিবন্দি হয়ে পড়ে উপকূলীয় এলাকার ৫০ হাজারেরও বেশি মানুষ। ঘর-বাড়ি ধসে পড়ে দুই হাজারেরও বেশি। এখনো ডুবে আছে শতাধিক ঘর-বাড়ি। কাজ না থাকায় সেখানকার লোকজন বর্তমানে বেকার। উপকূলীয় এলাকায় বাস্তুচ্যুত হয়ে আছে হাজারো পরিবার। বেড়িবাঁধের রাস্তার ওপর খুপড়ি ঘরে মানবেতর জীবনযাপন করছেন তারা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভোমরা স্থলবন্দর গোডাউন হ্যান্ডলিং শ্রমিক ইউনিয়নের অনির্বাচিত কমিটি থেকে এক কর্মকর্তার পদত্যাগ

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর গোডাউন হ্যান্ডলিং শ্রমিক ইউনিয়ন রেজিঃ নং-১১৫৯ এর নির্বাচনের তফসিল ঘোষনার আগেই খুলনা শ্রম অধিদপ্তর কর্তৃক সদ্য অনুমোদিত অনির্বাচিত কার্যনির্বাহি কমিটি থেকে এক কর্মকর্তা স্বেচ্ছায় পদত্যাগের ঘোষনা দিয়েছেন। শুক্রবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এই কমিটি থেকে পদত্যাগের ঘোষনা দেন, অনির্বাচিত নতুন কমিটির ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মোঃ মনিরুল ইসলাম।

সংবাদে সম্মেলনে তিনি তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, আমি ভোমরা স্থলবন্দর গোডাউন হ্যান্ডলিং শ্রমিক ইউনিয়ন রেজিঃ নং-১১৫৯ এর সদস্য। সম্প্রতি ইউনিয়নের কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচন উপলক্ষ্যে তফসিল ঘোষিত হওয়ার পূর্বেই ১৩ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, শ্রম অধিদপ্তর খুলনা কর্তৃক অনুমোদন করিয়ে নিয়ে আসেন কতিপয় ব্যক্তি। সেখানে আমাকে ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মনোনীত করা হয়। কিন্তু এই কমিটি আমার মনোপুত না হওয়ায় এবং নির্বাচন না দিয়ে গোপনে সিলেকশন করায় উক্ত কমিটির উল্লিখিত পদ থেকে আমি স্বেচ্ছায় এই সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে পদত্যাগের ঘোষনা করছি। অনির্বাচিত এই কমিটির কোন পদে আমি আর থাকবো না এবং ওই কমিটির কোন কার্যক্রমের সাথে আমার কোন সম্পৃক্ততা নেই। সংবাদ সম্মেলন থেকে তিনি (মনিরুল) এ সময় শ্রমিকদের কল্যাণের স্বার্থে অনির্বাচিত এই কমিটি বাতিল ও দ্রুত নির্বাচনের মাধ্যমে একটি সুন্দর কমিটি গঠনের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেন।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটা থানা পুলিশের অভিযানে  ০৪ জন আসামী গ্রেফতার

দেবহাটা ব্যুরো:
দেবহাটা থানা পুলিশের অভিযানে। সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (দেবহাটা সার্কেল) এসএম জামিল আহমেদ এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবং
দেবহাটা থানার অফিসার ইনচার্জ বিপ্লব কুমার সাহা এর নেতৃত্বে। দেবহাটা থানা এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, গ্রেফতারী পরোয়ানা তামিল ও বিশেষ অভিযান পরিচালনা কালে

। বৃহস্পতিবার রাতে এসআই (নিঃ) মোঃ আশিক রায়হান, এসআই (নিঃ)/ নূর মোহাম্মদ মোস্তফা, এ এস আই সোহেল উদ্দিন ও সঙ্গীয় ফোর্সের সহায়তায় দেবহাটা থানা এলাকা হইতে। জিআর ৫২/১৮ (দেব:) (০৩ বছরের সাজাপ্রাপ্ত) আসামী ১। মুর্শিদ সরদার, পিতা-মৃত ফজর আলী সরদার, সাং-নারিকেলি,থানা-দেবহাটা জেলা-সাতক্ষীরাকে গ্রেফতার করেন। সিআর  ২৮০/১০ এরা(০২ বছরের সাজাপ্রাপ্ত) আসামি ২ । শেখ বাহাউদ্দিন, পিতা-মৃত শেখ সৈয়দ, গ্রাম-হাদিপুর, থানা-দেবহাটা, জেলা-সাতক্ষীরা! সি আর ১১০০/১৪(০১ বছরের সাজাপ্রাপ্ত) আসামি৩! আলমগীর হোসেন, পিতা-নুর ইসলাম, গ্রাম-দাতপুর, থানা-দেবহাটা, জেলা-সাতক্ষীরা! সি আর ১০৯/২০(লাল) এরা আসামী৪! আবদার, পিতা-কেরামত আলী, গ্রাম-চর গোবিন্দপুর, থানা -দেবহাটা, জেলা- সাতক্ষীরাকে গ্রেফতার করেন।

দেবহাটা  থানার অফিসার ইনচার্জ বিপ্লব কুমার সাহা বলেন  শুক্রবার সকালে  (১০ইং সেপ্টেম্বর)  আসামীদেরকে  বিচারার্থে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভোমরা স্থলবন্দর শ্রমিক ইউনিয়ন রেজিঃ নং-১১৫৫ এর অনির্বাচিত কমিটি থেকে তিন কর্মকর্তার পদত্যাগ

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর হ্যান্ডলিং শ্রমিক ইউনিয়ন রেজিঃ নং-১১৫৫ এর নির্বাচনের তফসিল ঘোষনার আগেই খুলনা শ্রম অধিদপ্তর কর্তৃক সদ্য অনুমোদিত অনির্বাচিত কার্যনির্বাহি কমিটি থেকে তিন কর্মকর্তা স্বেচ্ছায় পদত্যাগের ঘোষনা দিয়েছেন। শুক্রবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তারা ওই কমিটি থেকে পদত্যাগের ঘোষনা দেন। পদত্যাগকৃত কর্মকর্তারা হলেন, অনির্বাচিত নতুন কমিটির সহ-সাধারন সম্পাদক সিরাজ মোল্ল্যা, কোষাধ্যক্ষ সুজিত সরকার ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক আবুল কাশেম।
সংবাদে সম্মেলনে তারা তাদের লিখিত বক্তব্যে বলেন, আমরা ভোমরা স্থলবন্দর হ্যান্ডলিং শ্রমিক ইউনিয়ন রেজিঃ নং-১১৫৫ এর সদস্য। সম্প্রতি ইউনিয়নের কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচন উপলক্ষ্যে তফসিল ঘোষিত হওয়ার পূর্বেই ১৩ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, শ্রম অধিদপ্তর কর্তৃক অনুমোদন করিয়ে নিয়ে আসেন কতিপয় ব্যক্তি। সেখানে আমাদের তিন জনকে যথাক্রমে সহ-সাধারণ সম্পাদক, কোষাধ্যক্ষ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক মনোনীত করা হয়। কিন্তু এই কমিটি আমাদের মনোপুত না হওয়ায় এবং নির্বাচন না দিয়ে গোপনে সিলেকশন করায় উক্ত কমিটির উল্লিখিত তিনটি পদ থেকে আমরা স্বেচ্ছায় এই সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে পদত্যাগের ঘোষনা করছি। অনির্বাচিত এই কমিটির কোন পদে আমরা আর থাকবো না। সংবাদ সম্মেলন থেকে তারা এ সময় শ্রমিকদের কল্যাণের স্বার্থে অনির্বাচিত এই কমিটি বাতিল ও দ্রুত নির্বাচনের মাধ্যমে একটি সুন্দর কমিটি গঠনের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেন।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে ডা. রুহুল হক এমপিকে সংবর্ধনা দিল তাঁতী সমাজ

নলতা প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার নলতায় শুক্রবার ১০ সেপ্টেম্বর সকাল ১১ টায় নলতা গজ ব্যাণ্ডেজ ব্যবসা মালিক সমিতি এবং নলতা শরীফ তাঁতী সমাজ উন্নয়ন সংস্থার উদ্যোগে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য, সাবেক স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডাঃ আ ফ ম রুহুল হক এমপিকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। এমপি’র নলতা বাসভবনে অনুষ্ঠিত এই সংর্ধনা অনুষ্ঠানে তাঁতী সমাজের সহস্রাধিক সদস্য স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে অংশগ্রহণ করেন। সকাল ৮ টা থেকে তারা তাদের সংগঠন কর্তৃক আয়োজিত অনুষ্ঠানে দলে দলে হাজির হতে থাকে। নলতা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ্ব আনিসুজ্জামান খোকনের সভাপতিত্বে সংগঠনের নেতৃবৃন্দের পরিচয় পর্ব শেষে স্বাগত বক্তব্য রাখেন নলতা গজ ব্যাণ্ডেজ ব্যবসা মালিক সমিতির সভাপতি মোঃ তারিকুল ইসলাম এবং নলতা শরীফ তাঁতী সমাজ উন্নয়ন সংস্থার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হাবিবউল্লাহ হাবিব। অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলের দাবী অনুযায়ী সংবর্ধিত অতিথি তার বক্তব্যে যত দ্রুত সম্ভব এই অঞ্চলে একটি উন্নতমানের সুতা ফ্যাক্টরি স্থাপন করার জন্য সরকারের উচ্চ পর্যায়ে আলোচনা করবেন বলে জানান। সংগঠনের পক্ষ থেকে নৌকা খচিত ডিজিটাল তাঁত উপহার হিসেবে প্রদান করা হয়। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কালিগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মাস্টার নরিম আলী, সাধারণ সম্পাদক এবং তারালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এনামুল হোসেন ছোট, নলতা আহ্ছানিয়া মিশন রেসিডেন্সিয়াল কলেজের অধ্যক্ষ জনাব মোঃ তোফায়েল আহমেদ, পীরজাদা মোঃ মালেকুজ্জামান মালেক, শফিকুল আনোয়ার রনজু, আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নলতা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী মোঃ খাদেমুল ইসলাম তুফান। এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন আশাশুনি উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক শম্ভুজিৎ মণ্ডল, মোঃ আমজাদ হোসেন চৌধুরী, মীর আবদুল অহিদ, ফজলুর রহমান সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্যামনগরে দুর্বৃত্তের অস্ত্রের আঘাতে কলেজ ছাত্র জখম!

শ্যামনগর প্রতিনিধি :
শ্যামনগরে দুর্বৃত্তের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে এক কলেজ ছাত্র মারাত্মক জখম হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে শ্যামনগরের রমজাননগরে এঘটনা ঘটে। আহত কলেজ ছাত্র আবু সাঈদ শ্যামনগর উপজেলার রমজাননগর সোরা গ্রামের আব্দুল কুদ্দুস সরদারের পুত্র এবং খুলনা রুপসা কলেজে একাউন্টিং অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র।

পারিবারিক সূত্র মতে, দীর্ঘদিন লকডাউনে কলেজ বন্ধ থাকার কারণে সে এলাকায় স্থানীয় মোড়ে ছোট একটি দোকান নিয়ে চায়ের ব্যবসা শুরু করে। তাতে গরীব বাবার উপর কিছুটা হলেও চাপ কমবে। কিন্তু গত ৯ সেপ্টেম্বর রাত আনুমানিক রাত সাড়ে ১০ টার দিকে অজ্ঞাত কয়েকজন দুর্বৃত্ত পাশের আ: মাজেদ নামের এক প্রতিবেশীর বাড়িতে উঠিয়ে নিয়ে মাথায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করলে মারাত্মক জখম হয় এবং অজ্ঞান হয়ে মাটিতে পড়ে যায়।

দ্রুত তাকে শ্যামনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জরুরি বিভাগে নেয়া হয়। স্থানীয়রা মনে করেন ব্যবসায়িক লেনদেনের কারণে এমন ঘটনা ঘটতে পারে। তাকে হত্যার উদ্দেশ্যেই এমনভাবে আঘাত করা হতে পারে। এলাকা বাসির দাবি পূনরায় যাতে এমন ঘটনা আর না ঘটতে পারে এজন্য প্রকৃত দোষীদের সনাক্ত করে উপযুক্ত বিচারের আওতায় আনা হোক।

এবিষয়ে শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওয়াহেদ মোর্শেদ বলেন, আমরাও ঘটনা শুনেছি। কিন্তু এখনো পর্যন্ত কেউ থানায় অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দলে এমপিদের খবরদারিতে শেখ হাসিনার ক্ষোভ, দিলেন কঠোর বার্তা

রাজনীতির খবর : প্রায় এক বছর পর অনুষ্ঠিত হলো ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সংসদের বৈঠক। সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ওই ফোরামে সারাদেশের আট বিভাগের সাংগঠনিক চিত্র তুলে ধরা হয়। যাতে দেশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলায় নেতাদের পাশপাশি এমপিদের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করতে গিয়ে দ্বন্দ্বের বিষয়টি উঠে আসে। বৈঠকে মাদারীপুর নিয়ে কেন্দ্রীয় তিন নেতা একে অপরের অভিযোগ করেও বক্তব্য দেন।

সব শুনে সভাপতি শেখ হাসিনা সারাদেশে দ্বন্দ্ব, কোন্দল নিরসন করে তৃণমূল চাঙা করা, আগামী নির্বাচনের প্রস্তুতি গ্রহণ, ইশতেহার প্রণয়ন, দ্বন্দ্বে আলোচিত তিন জেলা সম্মেলন আয়োজন, স্যোশাল মিডিয়ার অপপ্রচারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়াসহ নানা নির্দেশনা দেন।

বৈঠকে উপস্থিত অর্ধডজন নেতা এসব তথ্য নিশ্চিত করেন। এছাড়াও নির্বাচনে বিদ্রোহী বা অভিযোগ পেলেই যে কাউকে বহিষ্কারের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে যাচাই-বাছাই করার নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী। প্রয়োজনে অন্য শাস্তি দেওয়ারও কথা বলেন। জেলা ও উপজেলা কমিটি করার ক্ষেত্রে নিজ নিজ এলাকায় কেন্দ্রীয় নেতাদের পরামর্শ নেওয়ারও নির্দেশ দেন আওয়ামী লীগ সভাপতি। তিনি বলেন, ‘কেন্দ্রীয় নেতারা যেন উপেক্ষিত না হয়।’ পাশাপাশি কমিটিতে ত্যাগী নেতাদের তুলে আনার নির্দেশ দেন শেখ হাসিনা।

দলে এমপিদের ‘খবরদারি’ চলবে না :

সাংগঠনিক সম্পাদকদের রিপোর্টে কমপক্ষে ২০-২৫টি জেলায় এমপিদের সঙ্গে নেতাকর্মীদের দূরত্ব, কোন্দল, উপদল গঠন করার প্রসঙ্গ উঠে আসে। এ নিয়ে দলীয় সভানেত্রী শেখ হাসিনা বলেন, নানা সমীকরণে এমপি মনোনয়ন দেওয়া হয়। তারা দলের মনোনয়নে এমপি হন। এমপি হয়েই দলকে ইচ্ছেমতো পরিচালনায় মরিয়া হয়ে ওঠেন কেউ কেউ। এতে তৃণমূলের দীর্ঘদিনের ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাকর্মীদের দূরে ঠেলে দেওয়া হয়। আবার সব কর্তৃত্ব নিতে কেউ কেউ উপজেলার সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক বনে যান। সবকিছু এমপিদের নিতে হবে কেন? দলের উপর এমপিদের খবরদারি চলবে না। দল চলবে নিজস্ব গতিতে। কমিটি হবে নেতাদের সমন্বয়ে। এমপি দলকে সহযোগিতা করবেন। কোনো বাড়াবাড়ি বরদাস্ত করবো না। কে কোথায় কী করছে, আমার কাছে সব তথ্য আছে।

সম্প্রতি বিভিন্ন জেলায় বিশৃঙ্খল অবস্থা তৈরি হয়েছে। দলীয় সভানেত্রীর কাছে বেশ কিছু অভিযোগও এসেছে। বিভিন্ন সংস্থার প্রতিবেদনেও উঠে এসেছে বিষয়টি। যে কারণে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী এমপিদের আলাদাভাবে বলয় তৈরি না করার নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে এখন থেকেই নির্বাচনী প্রস্তুতি নিতে নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

মাদারীপুর নিয়ে কেন্দ্রীয় তিন নেতার বাহাস

রিপোর্ট উপস্থাপন করতে গিয়ে ঢাকা বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম বলেন, মাদারীপুর অনেকজন কেন্দ্রীয় নেতার জেলা। এখানেই কোন্দল বেশি। দলীয় কোন্দল নিরসনে দলীয় প্রধানের হস্তক্ষেপ কামনা করেন মির্জা আজম।

তিনি বলেন, মাদারীপুর জেলা আওয়ামী লীগ নবগঠিত উপজেলা ডাসারে একটি আহ্বায়ক কমিটি গঠন করে। এই কমিটিতে স্থানীয় এমপি ও দলের কেন্দ্রীয় প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপের লোক না থাকায় তিনি নতুন আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করেছেন। এসময় দলের প্রচার ও সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ কোনো কমিটি দেননি বলে দলীয় প্রধানকে জানান।

বৈঠকে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শাজাহান খান অভিযোগ করে বলেন, আমি মাদারীপুর সদরের এমপি ও দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য। সদরে দলের বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম। আমাকে দাওয়াত করা হয় না।

এসময় আগামী কয়েকদিনের মধ্যে মাদারীপুরে দলের একজন নেতার স্মরণসভায় নাছিমকে প্রধান অতিথি করার কার্ড দলীয় সভানেত্রীকে দেখান শাজাহান খান। একই সঙ্গে জেলা ছাত্রলীগ, যুবলীগ, মহিলা আওয়ামী লীগ, কৃষক লীগসহ বিভিন্ন সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনে তাকে ভাগ দেওয়া হয় না বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

এরপর জবাব দেন দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম। তিনি বলেন, উনি (শাজাহান খান) দলীয় কর্মসূচি পালন করতে চান না। ডাকলে পাওয়া যায় না। উনি একজন দুর্বৃত্ত। উনি সব চান। ছাত্রলীগের সভাপতি বানাতে চান নিজের ছেলেকে। মহিলা আওয়ামী লীগ সভাপতি বানাতে চান স্ত্রীকে। অন্য সহযোগী সংগঠনের নেতৃত্বে আত্মীয়-স্বজনকে চান। উনি আওয়ামী লীগকে পারিবারিক লীগ বানাতে চান। এসময় জবাব দিতে কথা বলা শুরু করেন শাজাহান খান। উভয়কে থামিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী। নাছিমের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, উনি জাসদে ছিলেন। তোমরাই তো দলে নিয়ে এসেছো। আমি চেয়েছিলাম, উনি জাসদ থেকেই আমার সঙ্গে কাজ করুক।

এরপর দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য শাজাহান খানকে উদ্দেশ্য করে দলীয় সভানেত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আপনি মুরুব্বি। সবাইকে নিয়ে দলটা করবেন। আপনার রাজপথে অনেক অবদান রয়েছে। আমাদের দুঃসময়ে ছিলেন। নৌকা নিয়ে পাঁচবার এমপি হয়েছেন। আপনি কেন ভাগ চাইবেন? সব আপনারই হবে। আপনার করে নিতে হবে। আপনি যদি নাছিম, গোলাপসহ সবাইকে ডাকেন, কেউ আপনাকে ফেলে চলে যেতে পারবে? কেউই উপেক্ষা করতে পারবে না। এসময় প্রধানমন্ত্রী ঠাট্টার ছলে বলেন, আগে আপনাকে (শাজাহান খান) আওয়ামী লীগ হতে হবে। পদে থাকলেই হবে না, আওয়ামী লীগকে ধারণ করতে হবে।

দ্বন্দ্বে আলোচিত তিন জেলা সম্মেলনের তারিখ

বৈঠকে নাটোর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অধ্যাপক আবদুল কুদ্দুস এমপি ও সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম শিমুল এমপির দ্বন্দ্ব নিয়ে আলোচনা হয়। দীর্ঘদিন দুই নেতা দুই মেরুতে অবস্থান করছেন। এর আগে সভাপতি আবদুল কুদ্দুস অভিযোগ করেছিলেন, সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম শিমুল তাকে নাটোর শহরে ঢুকতে দেন না। এছাড়াও শিমুলের সঙ্গে জেলার অন্য এমপিদেরও সর্ম্পক ভালো নয় বলেও বিভাগীয় সাংগঠনিক এসএম কামালের রিপোর্টে উঠে আসে। এমপি শিমুলের দেশের বাইরের (বেগমপাড়া) বাড়ি নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয় বলে একাধিক নেতা জানান। পাবনা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম ফারুক প্রিন্স এমপির একক কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার বিষয়টিও আলোচনায় আসে। এসব শুনে দলীয় সভাপতি নাটোর ও পাবনা জেলার কোন্দল নিরসনের জন্য দ্রুত সম্মেলন দিতে নিদের্শনা দেন। এসময় রাজবাড়ী জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন ১৬ অক্টোবর, নাটোর জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন আগামী ৬ নভেম্বর ও পাবনায় ৭ নভেম্বর জেলা সম্মেলনের তারিখ নির্ধারণ করা হয়। এছাড়াও নরসিংদী, নারায়ণগঞ্জ, শরীয়তপুরসহ বিভিন্ন মেয়াদ উত্তীর্ণ জেলাগুলোকে দ্রত সম্মেলনের তাগিদ দেন শেখ হাসিনা।

জেলাগুলোতে দুই নেতাকে (সভাপতি-সম্পাদক) এক করতে না পারলে তাদের সরিয়ে প্রথম সহ-সভাপতি ও প্রথম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদককে সামনে নিয়ে এসে হলেও দ্বন্দ্ব নিরসনের নির্দেশনা দেওয়া হয়।

স্যোশাল মিডিয়ার অপপ্রচারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ

সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, দল যত শক্তিশালী হবে, দেশ যত এগিয়ে যাবে, ষড়যন্ত্র তত দানা বাঁধবে। নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসবে এই ষড়যন্ত্র আরও বাড়বে। এখনই দেশি-বিদেশি নানা সংস্থা মিথ্যা তথ্য ও অপপ্রচার চালাচ্ছে। এর বিরুদ্ধে তথ্য-প্রমাণসহ দলীয় নেতাকর্মীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জবাব দিতে হবে। প্রয়োজনে অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে। এসময় দলের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক ড. সেলিম মাহমুদকে বিষয়গুলো দেখভালের নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী।

বহিষ্কারে নমনীয়, বিদ্রোহে শাস্তি দেওয়ার নির্দেশ

সভায় বিভিন্ন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীদের বিষয়ে আলোচনা হয়। এসময় চিঠি দিয়ে ক্ষমা চাওয়ায় পাবনার একটি নির্বাচনে দলের প্রার্থীর বিপক্ষে কাজ করা ২০ জন নেতাকে ক্ষমা করে দেওয়া হয়। এ বিষয়ে বৈঠকে উপস্থিত এক নেতা জানান, বিদ্রোহীদের নিয়ে সভায় আলোচনা হয়েছে। যারা অতীতে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন বা দলের প্রার্থীদের বিপক্ষে কাজ করেছেন, তাদের দল থেকে একেবারে বহিষ্কার না করে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। যেমন তাকে ভবিষ্যতে তাকে দলীয় মনোনয়ন না দেওয়া বা দলের গুরুত্বপূর্ণ পদে না রাখা ইত্যাদি।

বৈঠক সূত্র আরো জানায়, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম দলের সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের জেলা সম্মেলন ছাড়া কমিটি ঘোষণার বিরোধিতা করেন। তিনি বলেন, রেওয়াজ অনুযায়ী সম্মেলনের মাধ্যমে কমিটি গঠন করতে হয়। কিন্তু সম্প্রতি দলের সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনগুলো সম্মেলন ছাড়াই প্রেস রিলিজের মাধ্যমে কমিটি ঘোষণা করছেন। এই কমিটি নিয়ে অর্থনৈতিক মুখরোচক নানা আলোচনাও শোনা যায়। এতে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে। বিষয়টি সিরিয়াসভাবে দেখা উচিত।

বৈঠকে সাম্প্রতিক করোনায় ছাত্রলীগসহ সহযোগী সংগঠনগুলোর কর্মকাণ্ডে সন্তোষ প্রকাশ করেন শেখ হাসিনা। তিনি এভাবে মানুষের পাশে থাকার জন্য তাদের ধন্যবাদ দেন।

সভার শুরুতে সূচনা বক্তব্য রাখেন দলীয় সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এসময় শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের বৈঠক সচরাচর চার মাস বা দুই মাস পর করতাম। কিন্তু করোনাভাইরাসের কারণে সেগুলো সময়মতো করতে পারিনি। এখন করোনা কিছুটা কমেছে। এছাড়া আমি গতবার জাতিসংঘের অধিবেশনে যেতে পারিনি। এবার যাচ্ছি। তাই মনে করলাম একটা সভা করি।

প্রধানমন্ত্রীর সূচনা বক্তব্যের পরে মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদ, ১৫ আগস্টের নিহতসহ আওয়ামী লীগের প্রয়াত নেতাদের স্মরণে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। রীতি অনুযায়ী এরপর সভায় শোকপ্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়।

বৈঠক শেষে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সাংবাদিকদের বলেন, দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে দিকনির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা।

ওবায়দুল কাদের বলেন, পরবর্তী (দ্বাদশ) নির্বাচনের প্রস্তুতির লক্ষ্যে আমাদের অর্থনৈতিক নীতিমালা প্রণয়ন করার নির্দেশনা দিয়েছেন দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনা। দলের বিভিন্ন উপ-কমিটিগুলোর সেমিনারের মাধ্যমে পরবর্তী নির্বাচনের যে ইশতেহার হবে, সেখানে যে বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করা হবে সেগুলো আপডেট করার জন্য উপ-কমিটিগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যেমন, স্বাস্থ্য ও শিক্ষায় আমরা কী কী অন্তর্ভুক্ত করবো তা তুলে ধরা হবে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest