সর্বশেষ সংবাদ-
প্রতাপনগরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মাদ্রাসার আরবি প্রভাষক রহমাতুল্লাহর মৃত্যুসাতক্ষীরায় প্রকৃতি ও জীবন ক্লাবের সাধারণ সভা: সভাপতি মুনির- সম্পাদক সামাদসাতক্ষীরায় ঘোড়ার মাংস গরু বলে বিক্রির অভিযোগে এক ব্যক্তি আটকসরকার গণতন্ত্রের পরিবর্তে জবরদখল ও দলীয়করণ শুরু করেছে: এমপি ইজ্জত উল্লাহআ.লীগ ও ভারতের সঙ্গে সমঝোতা করে দেশ চালাচ্ছে সরকার: নাহিদএনসিপির কমিটি পুনর্গঠন: পাটওয়ারী-হাসনাত-সারজিস-আসিফের পদোন্নতি৮১ বছরে জাতিসংঘ: বিশ্ব চায় প্রতিশ্রুতির কার্যকর বাস্তবায়ন – নিকোলাস বিশ্বাসএরশাদের ৯ বছরের শাসন আমলে দেশের মানুষ সবচেয়ে ভালো ছিল: সাবেক এমপি আশুসাতক্ষীরায় জামায়াতে যোগ দিলেন ইসলামী আন্দোলনের নেতা ফারুক হোসেনসাতক্ষীরায় পৌর ও সদর উপজেলা তাঁতীদল এর সাংগঠনিক আলোচনা সভা

কালিগঞ্জে বিদ্যুতায়িত হয়ে যুবকের মৃত্যু

কা‌লিগঞ্জ প্রতি‌নি‌ধি : হালখাতার জন‌্য মাই‌কের তাঁরে বৈদ্যুতিক সংযোগ দিতে গিয়ে কা‌লিগ‌ঞ্জে অাবুল কালাম (৪৩) নামের এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।

র‌বিবার বেলা ১১টার দি‌কে উপজেলার বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের বন্ধকাটি গ্রামে এই বিদ্যুৎস্পৃষ্টের ঘটনা ঘটে। নিহত অাবুল কালাম ঐ গ্রামের ম‌হিউ‌দ্দিন মোড়‌লের ছেলে।

পরিবারের সদস্যরা জানান, সোমবার সকাল থেকে সাইকেলের দোকানে হালখাতা ছিল। সে জন‌্য রোববার দোকান সাজগোজ শে‌ষে ট্রাইল ভাবে মাইকের তারে সংযোগ দেওয়ার সময় বিদ্যুতায়িত হয়ে কালাম মারা যায়। খবর পেয়ে থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক শিহাবুল ইসলাম ঘটনাস্থলে গে‌লে প‌রিবা‌রের পক্ষ থে‌কে ‌কোন ধর‌ণের অ‌ভি‌যোগ না থাকায় ধর্মীয় বিধান অনুযায়ি লাশের ব‌্যবস্থা নেওয়ার জন‌্য ব‌লেন।

থানার অ‌ফিসার ইনচার্জ (ওসি) গোলাম মোস্তফা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
না ফেরার দেশে বিমানের সেই পাইলট নওশাদ

দেশের খবর : টানা ৪৮ ঘণ্টার বেশি সময় ‘কোমায়’ থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পাইলট ক্যাপ্টেন নওশাদ আতাউল কাইউম না ফেরার দেশে চলে গেলেন।

সোমবার স্থানীয় সময় ১০টা ৪৫ মিনিটে তার লাইফসাপোর্ট খুলে দেন ভারতের নাগপুরের কিংসওয়ে হাসপাতালের চিকিৎসকরা।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বরাতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ পাইলট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মাহবুবুর রহমান।

গত শুক্রবার মাসকাট-ঢাকা রুটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের শিডিউল ফ্লাইট বিজি ০২২ মোট ১২৪ যাত্রী নিয়ে ঢাকা আসার পথে পাইলট ক্যাপ্টেন নওশাদ আতাউল কাইউম হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন।

পরে ভারতের মহারাষ্ট্রের নাগপুরের ড. বাবাসাহেব আম্বেদকর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফ্লাইটটি জরুরি অবতরণ করে। এর পর নাগপুরের ওই হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য তাকে ভর্তি করা হয়।

শনিবার রাতেই নওশাদের শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। তাকে লাইফসাপোর্টে নেওয়া হয়। মস্তিষ্কে প্রচুর রক্তক্ষরণ হওয়ায় তিনি ‘কোমায়’ চলে যান।

রোববার দুপুরে নওশাদের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। বিমানের বেশ কয়েকটি অসমর্থিত সূত্র তাৎক্ষণিকভাবে মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে। পরে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, নওশাদের মৃত্যুর ঘোষণা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দেয়নি।

ক্যাপ্টেন নওশাদ ‘ক্লিনিক্যালি ডেড’ হলেও স্বজনরা লাইফসাপোর্ট খুলে দিতে রাজি হচ্ছিলেন না। আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার পর লাইফসাপোর্ট খুলে দেওয়ার দাবি জানিয়েছিলেন তারা। এর পর সোমবার তার লাইফসাপোর্ট খুলে দিয়ে নওশাদকে মৃত ঘোষণা করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরায় ২০০২ সালে শেখ হাসিনার গাড়ী বহরে হামলার নির্দেশদাতা ও হামলায় অংশগ্রহণকারীদের নিন্ম আদালতের রায় বাস্তবায়ন ও পলাতক আসামীদের গ্রেফতার করে বিচারের দাবীতে সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (৩০ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টায় সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের আয়োজনে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সামনে জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সাবেক এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা এ.কে ফজলুল হকের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা-২ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি। প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমপি রবি বলেন,“জননেত্রী শেখ হাসিনার গাড়ি বহর হামলা মামলায় হামলার নির্দেশদাতা ও হামলায় অংশগ্রহণকারীদের নিন্ম আদালতের রায় বাস্তবায়ন ও পলাতক আসামীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবী জানান।

মানবন্ধনে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ¦ মো. নজরুল ইসলাম।

মানববন্ধনে আরো বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যক্ষ আবু আহমেদ, শেখ সাহিদ উদ্দিন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ¦ মো. আসাদুজ্জামান বাবু, সাতক্ষীরা জজ কোর্টের পিপি এ্যাড. আব্দুল লতিফ, জেলা আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট ওসমান গনি, উপদেষ্টা এ্যাড. স.ম গোলাম মোস্তফা, কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক ডাক্তার মুনসুর আহমেদ, ত্রাণ ও পুনবাসন বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট আজহারুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী আকতার হোসেন, শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক লায়লা পারভীন সেঁজুতি, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক আফসার উদ্দিন, নির্বাহী সদস্য এ্যাড. জিয়াউর রহমান বাচ্চু, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. শাহাজান আলী, পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি শেখ নাছেরুল হক, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি খালিদ হাসান নয়ন, সদস্য আসিফ সাহবাজ খান, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি এস এম আশিকুর রহমান, জেলা তাঁতী লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ আলমগীর হাসান, জেলা মটর শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি রবিউল ইসলাম রবি প্রমুখ।

এসময় উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মাদ আলী সুজন, জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক শেখ হারুন উর রশিদ, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক শামীমা পারভীন রত্মা, নির্বাহী সদস্য এস.এম শওকত হোসেন, শিমুন শামস, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শেখ আব্দুর রশিদ, জেলা বঙ্গবন্ধু পরিষদের সহ-সভাপতি শেখ তহিদুর রহমান ডাবলু, পৌর আওয়ামীলীগের সাবেক সহ-দপ্তর সম্পাদক জিয়াউর বিন সেলিম যাদু, পৌর আওয়ামীলীগ নেতা মাকছুদ খান, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক মীর মোশতাক আলী, উপ-দপ্তর সম্পাদক খন্দকার আনিছুর রহমান, জেলা শ্রমিক লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুল্লাহ সরদার প্রমুখ। এসময় জেলা আওয়ামীলীগ, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগ, পৌর আওয়ামীলীগ ও আওয়ামীলীগের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ ফিরোজ কামাল শুভ্র।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আজ জন্মাষ্টমী

আজ জন্মাষ্টমী

কর্তৃক Daily Satkhira

বিশেষ ডেস্ক : জন্মাষ্টমী সনাতন ধর্মাবলম্বীদের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় উৎসব। প্রতি বছর এ দিনটি বিষ্ণুর অবতার কৃষ্ণের জন্মদিন হিসেবে উদযাপন করা হয়। সোমবার (৩০ আগস্ট) শুভ জন্মাষ্টমী উদযাপন হচ্ছে।

জন্মাষ্টমীর পুজো শুরু হবে অষ্টমী লাগার পর। এ বছর ইংরেজির ৩০ আগস্ট পড়েছে জন্মাষ্টমী , যা শেষ হচ্ছে ৩১ আগস্ট মঙ্গলবার সকাল ৯টা বেজে ৪৪ মিনিটে। অষ্টমী তিথি শেষ হচ্ছে সোমবার রাত ১টা ৫৯ মিনিটে।

এ উপলক্ষে বিভিন্ন ধর্মীয়, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। প্রতিবছরের মতো এবারও জন্মাষ্টমী উদযাপন উপলক্ষে কেন্দ্রীয়ভাবে মহানগর সর্বজনীন পূজা কমিটি ও বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। রামকৃষ্ণ মঠ ও রামকৃষ্ণ মিশন, ইসকনসহ বিভিন্ন মন্দিরে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

এ উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। বাণীতে তারা দেশে ও দেশের বাইরে বসবাসরত সনাতন ধর্মাবলম্বীদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।

এদিকে করোনাভাইরাস মহামারির মধ্যে আবারও এসেছে জন্মাষ্টমী। ফলে এ উপলক্ষে সব ধরনের মিছিল, র‌্যালি ও শোভাযাত্রা বন্ধ থাকবে। তবে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব অনুসরণ করে সব ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালিত হবে।

রোববার (২৯ আগস্ট) এ সংক্রান্ত জরুরি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কোভিড-১৯ সংক্রমণ পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের গত ৬ আগস্ট জারি করা জরুরি বিজ্ঞপ্তি অনুমতিক্রমে দেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে সব ধর্মের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে ইতোপূর্বে আরোপিত বিধিনিষেধ বহাল থাকবে। একই সঙ্গে শুভ জন্মাষ্টমী উপলক্ষে সব প্রকার শোভাযাত্রা, র‍্যালি, মিছিল ইত্যাদি বন্ধ থাকবে।

তবে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব অনুসরণ করে অবশ্যই সব ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালিত হবে।

মহামারির করোনার কারণে গত ২০ আগস্ট পবিত্র আশুরা উপলক্ষেও সব প্রকার তাজিয়া মিছিল, শোভাযাত্রা, মিছিল বন্ধ ঘোষণা করেছিল সরকার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মারা গেছেন জনপ্রিয় সাহিত্যিক বুদ্ধদেব গুহ

সাহিত্য ডেস্ক : হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেছেন জনপ্রিয় সাহিত্যিক বুদ্ধদেব গুহ। রোববার রাত সাড়ে ১১টার দিকে পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ কলকাতার বেলভিউ হাসপাতালে মারা যান তিনি। গত ৩১ জুলাই থেকে এই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৫ বছর।

আনন্দবাজার পত্রিকা জানিয়েছে, গত এপ্রিলে করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন অশীতিপর এই সাহিত্যিক। সেই সময় শহরের একটি হোটেলে আইসোলেশনে থাকার পর তাকে হাসপাতালেও ভর্তি হতে হয়। ৩৩ দিন লড়াইয়ের পর করোনামুক্ত হয়ে বাড়ি ফেরেন বুদ্ধদেব। তবে এবার আর হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফেরা হল না তার।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যার পাশাপাশি বুদ্ধদেব গুহের মূত্রনালীতে সংক্রমণ ধরা পড়েছিল। এ ছাড়া তার লিভার এবং কিডনিতেও সামান্য সমস্যা ছিল বলে জানিয়েছিলেন চিকিৎসকরা। আবারও করোনা পরীক্ষা করা হয়েছিল, তবে তাতে সংক্রমণ ধরা পড়েনি। দৃষ্টিশক্তির সমস্যায় ভোগা বুদ্ধদেব বয়সজনিত নানা জটিলতায়ও ভুগছিলেন।

সমকালীন বাংলা সাহিত্যে নিজের জায়গা গড়ে নিয়েছিলেন বুদ্ধদেব। প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ ‘জঙ্গল মহল’-এর পর থেকে ‘মাধুকরী’, ‘কোজাগর’, ‘অববাহিকা’, ‘বাবলি’- একের পর এক উপন্যাস উপহার দিয়েছেন পাঠকদের। কিশোর সাহিত্যেও ছিল অবাধ বিচরণ। তার সৃষ্ট ‘ঋজুদা’ বা ‘ঋভু’র মতো চরিত্র আকৃষ্ট করে রেখেছে কয়েক প্রজন্মের বহু কিশোর-কিশোরীর মনকে।

বুদ্ধদেব গুহ ১৯৩৬ সালে ২৯ জুন কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন। বাংলা ভাষায় পশ্চিমবঙ্গের জনপ্রিয় এই লেখক মূলত বন, অরণ্য এবং প্রকৃতি বিষয়ক লেখার জন্য পরিচিত। তার স্ত্রী প্রখ্যাত রবীন্দ্রসংগীত গায়িকা ঋতু গুহ। বহু বিচিত্রতায় ভরপুর এবং অভিজ্ঞতাময় তার জীবন। বিশ্বভারতীর রবীন্দ্রভবন পরিচালন সমিতির সদস্যও তিনি। ১৯৭৭ সালে বুদ্ধদেব গুহ ‘হলুদ বসন্ত’ উপন্যাসের জন্য আনন্দ পুরস্কার পেয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

অনলাইন ডেস্ক : মহামারি করোনার ধাক্কা সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে সারা বিশ্ব। করোনার নতুন নতুন ভ্যারিয়েন্টের কাছে বিশ্বের ক্ষমতাধর রাষ্ট্রগুলোও ধরাশায়ী। পৃথিবীজুড়ে টিকা কার্যক্রম চললেও থামছে না সংক্রমণ ও মৃত্যুহার। মৃত্যু ও সংক্রমণ না থামলেও কমতির দিকে রয়েছে।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও প্রাণহানির পরিসংখ্যান রাখা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডওমিটারের তথ্যানুযায়ী, বাংলাদেশ সময় সোমবার (৩০ আগস্ট) সকাল ৮টা পর্যন্ত পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বে করোনায় মারা গেছেন আরও ৭ হাজার ৪২৫ জন এবং আক্রান্ত হয়েছেন ৪ লাখ ৫১ হাজার ৪৭৪ জন।

এ নিয়ে বিশ্বে এখন পর্যন্ত মোট করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৪৫ লাখ ১৪ হাজার ৩২৮ জন এবং আক্রান্ত হয়েছেন ২১ কোটি ৭১ লাখ ৭৬ হাজার ৪৫৬ জন। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১৯ কোটি ৪০ লাখ ৬৩ হাজার ৪৪০ জন।

এর আগে রোববার (২৯ আগস্ট) সকাল ৮টা পর্যন্ত পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বে করোনায় মারা গেছেন আরও ৮ হাজার ৬৬৫ জন এবং আক্রান্ত হয়েছেন ৫ লাখ ৪১ হাজার ৭৮৯ জন।

শনিবার (২৮ আগস্ট) সকাল ৮টা পর্যন্ত পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বে করোনায় মারা গেছেন আরও ৯ হাজার ৯০০ জন এবং আক্রান্ত হয়েছেন ৭ লাখ ১১ হাজার ২৮৯ জন। শুক্রবার (২৭ আগস্ট) মারা গেছেন ১০ হাজার ৭৫৫ জন এবং আক্রান্ত হন ৭ লাখ ১২ হাজার ৩১ জন। বৃহস্পতিবার (২৬ আগস্ট) মারা যান ১১ হাজার ১৭৪ জন এবং আক্রান্ত হন ৭ লাখ ১৬ হাজার ৫৭১ জন। বুধবার (২৫ আগস্ট) মারা যান ১০ হাজার ৪২৪ জন এবং আক্রান্ত হন ৬ লাখ ৫৪ হাজার ৪৭৭ জন।

করোনায় এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ ও মৃত্যু হয়েছে বিশ্বের ক্ষমতাধর দেশ যুক্তরাষ্ট্রে। তালিকায় শীর্ষে থাকা দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনা সংক্রমিত হয়েছেন ৩ কোটি ৯৬ লাখ ৬৫ হাজার ৫১৫ জন। মৃত্যু হয়েছে ৬ লাখ ৫৪ হাজার ৬৮৯ জনের।

আক্রান্তে দ্বিতীয় ও মৃত্যুতে তৃতীয় অবস্থানে থাকা ভারতে এখন পর্যন্ত মোট সংক্রমিত হয়েছেন ৩ কোটি ২৭ লাখ ৩৭ হাজার ৫৬৯ জন এবং এখন পর্যন্ত মোট মৃত্যু হয়েছে ৪ লাখ ৩৮ হাজার ৩৮৭ জনের।

আক্রান্তে তৃতীয় এবং মৃত্যুতে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা ব্রাজিলে এখন পর্যন্ত করোনায় ২ কোটি ৭ লাখ ৪১ হাজার ৮১৫ জন সংক্রমিত হয়েছেন। মৃত্যু হয়েছে ৫ লাখ ৭৯ হাজার ৩৩০ জনের।

আক্রান্তের দিক থেকে চতুর্থ স্থানে রয়েছে রাশিয়া। দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৬৮ লাখ ৮২ হাজার ৮২৭ জন। মারা গেছেন এক লাখ ৮১ হাজার ৬৩৭ জন।

এ তালিকায় পঞ্চম স্থানে রয়েছে ফ্রান্স। দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন ৬৭ লাখ ৪২ হাজার ৪৮৮ জন। এর মধ্যে মারা গেছেন এক লাখ ১৪ হাজার ২১০ জন।

আক্রান্তের তালিকায় যুক্তরাজ্য ষষ্ঠ, তুরস্ক সপ্তম, আর্জেন্টিনা অষ্টম, ইরান নবম ও কলম্বিয়া দশম স্থানে রয়েছে। এ তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ২৬তম।

২০১৯ সালের ডিসেম্বরের শেষদিকে চীনের হুবেই প্রদেশের উহান থেকে করোনাভাইরাস সংক্রমণ শুরু হয়। এখন পর্যন্ত বাংলাদেশসহ বিশ্বের ২১৮টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে কোভিড-১৯।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ধর্মীয় স্থাপনা কবরস্থান ও শ্মশান তৈরিতে লাগবে অনুমতি

দেশের খবর : ব্যক্তিগত উদ্যোগে ধর্মীয় স্থাপনা ও কবরস্থান বা শ্মশান তৈরি করতে হলে সরকারের অনুমতি নিতে হবে। এসব স্থাপনা নির্মাণে উদ্যোক্তার আয়ের উৎসও জানাতে হবে।

সংসদীয় কমিটির সুপারিশে এমন বিধান করে একটি নীতিমালা তৈরি করতে যাচ্ছে স্থানীয় সরকার বিভাগ।

রোববার সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির বৈঠকে নীতিমালা তৈরি করতে ৯ দফা প্রস্তাবনা তুলে ধরা হয়েছে।

এতে প্রতিযোগিতামূলকভাবে ধর্মীয় স্থাপনা, কবরস্থান/শ্মশান স্থাপন না করা, এসব স্থাপনা তৈরিতে সংশ্লিষ্ট কমিটির অনুমতি গ্রহণ, খাসজমিতে এসব স্থাপনা তৈরি না করা এবং প্রস্তাবিত ইউনিয়ন পরিষদের মাস্টারপ্ল্যান তৈরি না হওয়া পর্যন্ত ধর্মীয় স্থাপনা ও বাড়িঘর নির্মাণে ইউনিয়ন পরিষদকে জানানোসহ কিছু প্রস্তাবনা দেওয়া হয়েছে।

সংসদীয় কমিটির আগের বৈঠকে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান নির্মাণ এবং কবরস্থান/শ্মশান স্থাপনে সরকারের অনুমোদন গ্রহণের বাধ্যবাধকতা এবং ইউনিয়ন পরিষদের মাস্টারপ্ল্যান তৈরি না হওয়া পর্যন্ত ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান এবং বাড়িঘর নির্মাণে ইউনিয়ন পরিষদকে অবহিত করার সুপারিশ করা হয়।

সংসদীয় কমিটির সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে ইউনিয়ন পর্যায়ে মাস্টারপ্ল্যান তৈরি না হওয়া পর্যন্ত ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও বাড়িঘর তৈরি করতে হলে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদকে অবহিত করার বিষয়টি নিশ্চিত করতে স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে দেশের সব জেলা প্রশাসককে ইতোমধ্যে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

কী আছে প্রস্তাবে : ২৫ মার্চ অনুষ্ঠিত সংসদীয় কমিটির বৈঠকে ধর্মীয় স্থাপনা নির্মাণ এবং কবরস্থান স্থাপনের বিষয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগ একটি প্রস্তাব তৈরি করে।

এতে বলা হয়েছে, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও কবরস্থান/শ্মশান নির্মাণ করতে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, পৌরসভার মেয়র/সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলরের কাছে আবেদন করতে হবে। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের পাকা/স্থায়ী অবকাঠামো নির্মাণ করতে অভিজ্ঞ প্রকৌশলীর তৈরি করা প্ল্যান ও ডিজাইন আবেদনের সঙ্গে যুক্ত করতে হবে। ইউপি চেয়ারম্যান সেটা যৌক্তিক মনে করলে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে পাঠাবেন। ওই আবেদন উপজেলা সমন্বয় সভায় অনুমোদন দেওয়া হবে। পৌরসভা ও সিটি করপোরেশনের ক্ষেত্রেও একই পদ্ধতি অনুসরণ করা হবে।

প্রস্তাবনায় বলা হয় ইউনিয়ন, পৌরসভা ও সিটি করপোরেশন এলাকায় ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও কবরস্থান/শ্মশান নির্মাণে পৃথক কমিটি থাকবে। উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান উপদেষ্টা, নির্বাহী অফিসার সভাপতিসহ ৮ জন, পৌরসভার ক্ষেত্রে মেয়র সভাপতিসহ ১০ সদস্য, সিটি করপোরেশনের ক্ষেত্রে সাধারণ ওয়ার্ড কাউন্সিলর সভাপতিসহ ৭ জন সদস্য থাকবে। প্রত্যেক কমিটির কার্যপরিধিও প্রস্তাবনায় উল্লেখ করা হয়েছে।

এতে বলা হয়, যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়া সরকারি/খাস জমিতে এবং পরিত্যক্ত/অর্পিত সম্পত্তিতে কোনো ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান/অন্যান্য স্থাপনা ও কবরস্থান/শ্মশান নির্মাণ করা যাবে না। অনুমোদন ছাড়া এ ধরনের স্থাপনা হলে তা উচ্ছেদ করার পাশাপাশি নির্মাতাকে জবরদখলকারী হিসাবে চিহ্নিত করে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে। ভবিষ্যতে রাস্তা প্রশস্তকরণের বিষয়টি বিবেচনা করে এ ধরনের স্থাপনা রাস্তা থেকে যৌক্তিক দূরত্বে নির্মাণ করতে হবে। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও কবরস্থান/শ্মশান নির্মাণের জন্য কোনো জমি ওয়াকফ, দান, কেনা বা আইন অনুযায়ী যথাযথ কর্তৃপক্ষ থেকে বরাদ্দ পেলে সেখানে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও কবরস্থান/শ্মশান নির্মাণ করা যাবে। তবে আদালতে মামলা চলমান থাকলে নির্মাণ করা যাবে না।

সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান নিজস্ব জমিতে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও কবরস্থান নির্মাণ করতে চাইলে সংশ্লিষ্ট কমিটির অনুমোদন নিতে হবে। ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে পারিপার্শ্বিক অবস্থা বিবেচনা করে কমপক্ষে দুই কিলোমিটার বা যৌক্তিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে।

ঈদগাহ উন্মুক্ত স্থানে থাকবে। বছরের অন্য সময়ে ঈদগাহগুলোতে ধর্মীয় ও সামাজিক কাজে ব্যবহারের সুযোগ রাখতে হবে। প্রতিযোগিতামূলকভাবে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও কবরস্থান/শ্মশান স্থাপন করা যাবে না। এলাকার জনসংখ্যা ও পারিপার্শ্বিক অবস্থা বিবেচনায় নিয়ে নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রাখতে হবে।

ব্যক্তিগতভাবে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও কবরস্থান/শ্মশান নির্মাণ করতে চাইলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে আয়ের উৎস জানাতে হবে এবং তিনি আয়কর দেন কিনা তা বিবেচনায় আনতে হবে।

মসজিদ নির্মাণের ক্ষেত্রে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ‘মসজিদ ব্যবস্থাপনা নীতিমালা-২০০৬’ যথাযথ অনুসরণ করতে হবে।

এদিকে সংসদ সচিবালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, কমিটি প্রতিটি ইউনিয়নে ইউনিয়ন পরিষদের নিয়ন্ত্রণে একটি করে কবরস্থান স্থাপনের জন্য নীতিমালা তৈরির সুপারিশ করে।

কমিটির সভাপতি খন্দকার মোশাররফ হোসেনের সভাপতিত্বে সভায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী তাজুল ইসলাম, স্বপন ভট্টাচার্য্য, মশিউর রহমান রাঙ্গা, শাহে আলম, ছানোয়ার হোসেন এবং আব্দুস সালাম মুর্শেদী অংশ নেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

খুলনা প্রতিনিধি : চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার উথলী এলাকায় তেলবাহী রেল ট্যাংকারের পাঁচটি বগি লাইনচ্যুত হওয়ায় খুলনার সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে।

রোববার (২৯ আগস্ট) দিবাগত রাত ১২টা ৪০ মিনিটে উথলী স্টেশনের সামনে লুপ লাইনে বগিগুলো লাইনচ্যুত হয়। সোমবার (৩০ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ঈশ্বরদী থেকে উদ্ধারকারী রিলিফ ট্রেন এসে উদ্ধার কাজ শুরু করেছে।

রেলওয়ের খুলনার এরিয়া অপারেটিং ম্যানেজার মো. মুজিবুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, দুর্ঘটনাকবলিত ট্রেনটি খুলনা থেকে জ্বালানি তেল নিয়ে পার্বতীপুর যাচ্ছিল। চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার উথলী এলাকায় তেলবাহী রেল লাইনচ্যুত হয়। এতে খুলনা স্টেশন থেকে ছেড়ে যাওয়া রূপসা ও কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস আটকরা পড়ে। পাকশী থেকে উদ্ধারকারী ট্রেন এসে কাজ উদ্ধার কাজ করছে।

উথলী রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার মোহাম্মদ আলী জানান, খুলনা থেকে ডিজেলবাহী নিয়ে মালবাহী ট্রেনটি উথলী রেলওয়ে স্টেশনে আসে। ক্রসিংয়ের জন্য ট্রেনটি ২ নম্বর লাইনে নেওয়া হয়ে। রোববার দিনগত রাত ১২টা ৪০ মিনিটে ক্রসিং শেষে ট্রেনটি নাটোরের উদ্দেশ্যে ছাড়ে। ট্রেনটি ২ নম্বর লাইন থেকে ১ নম্বর লাইনে ঢোকার ১৪/১৫ নম্বর পয়েন্ট অতিক্রম করার সময় চারটি বগি লাইনচ্যুত হয়। এ কারণে এ লাইনে ট্রেন যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। ঈশ্বরদী থেকে সকাল সাড়ে ৭টায় উদ্ধারকারী একটি রিলিফ ট্রেন ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। বেলা ১২টা নাগাদ ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হতে পারে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest