সর্বশেষ সংবাদ-
প্রতাপনগরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মাদ্রাসার আরবি প্রভাষক রহমাতুল্লাহর মৃত্যুসাতক্ষীরায় প্রকৃতি ও জীবন ক্লাবের সাধারণ সভা: সভাপতি মুনির- সম্পাদক সামাদসাতক্ষীরায় ঘোড়ার মাংস গরু বলে বিক্রির অভিযোগে এক ব্যক্তি আটকসরকার গণতন্ত্রের পরিবর্তে জবরদখল ও দলীয়করণ শুরু করেছে: এমপি ইজ্জত উল্লাহআ.লীগ ও ভারতের সঙ্গে সমঝোতা করে দেশ চালাচ্ছে সরকার: নাহিদএনসিপির কমিটি পুনর্গঠন: পাটওয়ারী-হাসনাত-সারজিস-আসিফের পদোন্নতি৮১ বছরে জাতিসংঘ: বিশ্ব চায় প্রতিশ্রুতির কার্যকর বাস্তবায়ন – নিকোলাস বিশ্বাসএরশাদের ৯ বছরের শাসন আমলে দেশের মানুষ সবচেয়ে ভালো ছিল: সাবেক এমপি আশুসাতক্ষীরায় জামায়াতে যোগ দিলেন ইসলামী আন্দোলনের নেতা ফারুক হোসেনসাতক্ষীরায় পৌর ও সদর উপজেলা তাঁতীদল এর সাংগঠনিক আলোচনা সভা

সচিবের অসুস্থ মাকে সেবা দিতে ২৪ কর্মকর্তা-কর্মচারী হাসপাতালে!

ভিন্নরকম খবর : মৎস ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব রওনক মাহমুদের মা করোনা আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। আর মায়ের সেবায় এক উপসচিবসহ ২৪ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে নিয়োজিত করেছেন তিনি। সরকারি চাকরিবিধিকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে ক্ষমতা খাটিয়ে তিনি রীতিমত চিঠি ইস্যু করে, ২৪ ঘণ্টার দায়িত্ব ভাগ করে দেয়া হয়েছে। তবে এমন কর্মকাণ্ডের কথা বেমালুম অস্বীকার করলেন সচিব। সোমবার (২৩ আগস্ট) বেসরকারি একটি টেলিভিশন চ্যানেল এর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে আসে।

করোনায় বিপর্যস্ত মানুষ। হাসপাতাল-আইসিইউ কিংবা স্বজনের সেবা, সবই যেন আকাশের চাঁদ। ছোঁয়াচে এই মহামারীতে স্বজনদের কাছে না পাওয়ার নজিরও অহরহ। আর হাসপাতাল হলে তো কোন কথাই নেই। স্বজনদের ফেলে চলে যাওয়া কিংবা মা-বাবাকে ফেলে যাওয়ার ঘটনাও কম নয়।

তবে এমন দৃশ্য বা বাস্তবতা সবার জন্য না। হাসপাতালের আইসিইউতে সার্বক্ষণিক ডিউটিতে থাকছেন সরকারি কর্মকর্তা ও আমলা। তাও আবার এক দুইজন নয়, তিন দিনের জন্য চার শিফটে এক উপসচিবসহ দায়িত্বে থাকছেন ২৪ জন।

জাতীয় হৃদরোগ ইন্সটিটিউটের করোনা ইউনিটে মৎস ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব রওনক মাহমুদের মায়ের সার্বক্ষণিক সেবায় নিয়োজিত আছেন এসব কর্মকর্তা। চিঠি ইস্যু করে তাদের দায়িত্ব ভাগ করে দেয়া হয়েছে। যাদের ২৪ ঘণ্টাই থাকতে হচ্ছে হাসপাতালে করোনা ইউনিটে।

সচিবের নির্দেশনায় দেখা যায়, এই ২৪ কর্মকর্তা-কর্মচারীর দায়িত্ব সমন্বয় করছেন, সচিবের একান্ত সচিব আজিজুল ইসলাম। কার দায়িত্ব কি হবে এজন্য দেয়া হয়েছে বিশাল ফর্দ।

নির্দেশনায় বলা হয়, সচিবের মায়ের সার্বিক অবস্থা সার্বক্ষণিক জানাতে হবে পিএসকে, চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ, টেস্ট করানোর ও তা দ্রুত সংগ্রহ করা এবং হোয়াটঅ্যাপে সচিবের পিএসকে রিপোর্টের কপি পাঠাতে হবে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে থাকতে হবে রোগীর কাছাকাছি, রোগীর এটেন্ডেনের কাছে জানান দিতে হবে কর্মকর্তাদের উপস্থিতি।

এসব তথ্যের সত্যতা মিললো জাতীয় হৃদরোগ ইন্সটিটিউটের করোনা ইউনিটের সামনে। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের দুই জন স্বীকার করলেন, সচিবের মায়ের যেকোনো দরকারে ছয়ঘণ্টা সেখানে ডিউটি করতে হচ্ছে তাদের।

সরেজমিনে হাসপাতালের চিত্র ও আদেশের বিষয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব রওনক মাহমুদের কাছে জানতে চাওয়া হলে তা অসম্ভব বলে উড়িয়ে দেন। যদিও সচিবই সেই অসম্ভবকে সম্ভব করলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সর্বশেষ জরিপেও ঢাকায় বেড়েছে এডিস মশা

অনলাইন ডেস্ক : এডিস মশার কামড়ে ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়ে প্রতিদিন রাজধানীসহ সারাদেশে গড়ে ৩০০ জন হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন। প্রায় প্রতিদিনই রোগীদের কেউ না কেউ মারা যাচ্ছেন। এর মধ্যে বেশ কয়েকটি শিশুও মারা গেছে। ডেঙ্গু রোগের জীবাণুবাহী এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে রাজধানীর দুই সিটি করপোরেশন মশার ওষুধ ছিটানোসহ বিভিন্ন ধরনের অভিযান চালিয়েও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারছে না। সচেতন হওয়ার জন্য মন্ত্রী-মেয়রদের আহ্বানে সাড়া দিচ্ছে না নগরবাসী। এ পরিস্থিতিতে বাড়ছে এডিস মশার দৌরাত্ম্য। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ প্রকাশিত জরিপেও এডিস মশার ঘনত্বের ভয়াবহ চিত্র উঠে এসেছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার জরিপে দেখা গেছে, আগের জরিপের চেয়ে এবার প্রায় প্রতিটি এলাকাতেই মশার ঘনত্ব ভয়াবহভাবে বেড়েছে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) বাসাবো, গোরান, সায়েন্স ল্যাবরেটরি, এলিফ্যান্ট রোড, আর কে মিশন রোড ও টিকাটুলী এলাকায় এডিস মশার ঘনত্ব ভয়াবহ। আর ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মগবাজার ও নিউ ইস্কাটন এলাকায় এ মশার ঘনত্ব ব্যাপক। শুধু ডিএনসিসির মেরুল বাড্ডা ও আফতাবনগর এবং ডিএসসিসির বংশাল এলাকায় এডিস মশার অস্তিত্ব পায়নি স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। জরিপ চালানো ৯৮টি ওয়ার্ডের দুটি ছাড়া সব ক’টিতেই এ মশার উদ্বেগজনক উপস্থিতি পাওয়া গেছে।

মন্ত্রী-মেয়রদের আহ্বানে সাড়া নেই :বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এডিসের প্রকোপ বৃদ্ধির একটি বৃত্তাকার চক্র রয়েছে। সে অনুযায়ী বিশেষজ্ঞরা আগেই সতর্ক করে দিয়েছিলেন যে এডিস মশার প্রকোপ এবার। রাজধানীর দুই সিটি করপোরেশনও এ ব্যাপারে সজাগ ছিল। দুই করপোরেশন বিভিন্ন রকম মশক নিধন কর্মসূচি নেওয়ার পরও গত জুন মাস থেকে আকস্মিকভাবে বাড়তে থাকে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা। ওই মাসে ২৭২ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হন। আর গত জুলাই মাসে আরও বেড়ে আক্রান্ত হয়েছেন দুই হাজার ২৮৬ জন।

উভয় সিটি করপোরেশনই জানাচ্ছে, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ একটি সামষ্টিক প্রক্রিয়া। কারণ, এডিস মশার বংশবিস্তার উপযোগী পরিবেশ বাসাবাড়ির ভেতরেও থাকে, যেখানে পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের প্রবেশগম্যতা নেই। তাই এর বিস্তাররোধ অংশত নাগরিকদের সচেতনতার ওপরও নির্ভরশীল।

কিন্তু সচেতন করে তোলার প্রচেষ্টা চালানোর পরও এ ক্ষেত্রে নগরবাসীর মধ্যে তেমন সচেতনতা দেখা দেয়নি। ঢাকা উত্তরের মেয়র আতিকুল ইসলাম প্রতি শনিবার ১০ মিনিটের জন্য বাসাবাড়ি ও আশপাশ নিজ উদ্যোগে পরিস্কার করার অনুরোধ জানিয়েছিলেন। কিন্তু নগরবাসী তা আমলে নেননি। উভয় মেয়রই বলছেন, সিটি করপোরেশনের একার পক্ষে এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব নয়।

স্থানীয় সরকারমন্ত্রী তাজুল ইসলামও বলছেন, কেবল মন্ত্রী-মেয়র-কর্মকর্তাদের দিয়ে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব না। এ জন্য সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। প্রত্যেক নাগরিককেই দায়িত্ব পালন করতে হবে। কিন্তু মন্ত্রী-মেয়ররা নগরবাসীকে বারবার আহ্বান জানালেও নগরবাসী সাড়া দিচ্ছেন না।

সরকারি অন্য সংস্থাও উদাসীন :বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্সের সাধারণ সম্পাদক নগর পরিকল্পনাবিদ অধ্যাপক আদিল মোহাম্মদ খানের মতে, ডেঙ্গু ভয়াবহ আকার ধারণ করার ক্ষেত্রে দুই সিটি করপোরেশনের ব্যর্থতা থাকলেও সরকারি আরও ডজনখানেক প্রতিষ্ঠানও এ দায় এড়াতে পারে না।

অধ্যাপক আদিল বলেন, ‘গণপূর্ত অধিদপ্তর, জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষসহ আরও অনেক প্রতিষ্ঠান কখনোই ডেঙ্গুর বিষয়ে নজর দেয়নি। ওয়াসা যেসব এলাকায় পাইপলাইন স্থাপনের জন্য খোঁড়াখুঁড়ি করছে, সেসব স্থানে একটু বৃষ্টি হলেই পানি জমছে। সেখানে এডিস মশা ডিম পাড়ছে।’ এ ব্যাপারে সংশ্নিষ্ট ঠিকাদারদেরও কোনো সতর্ক করা হয়নি। এমনকি ডেঙ্গু ভয়াবহ আকার ধারণ করার পরও ওয়াসার পক্ষ থেকে বিশেষ কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন ঢাকা ওয়াসার একজন তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী।

সরকারি প্রতিষ্ঠান জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের তরফ থেকেও ডেঙ্গু বিষয়ে বিশেষ কোনো উদ্যোগ নেই। বর্তমানে রাজধানীতেই জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের অন্তত হাফ ডজন বড় বড় প্রকল্পের কাজ চলছে। এসব প্রকল্পের অধীনে একাধিক বহুতল ভবন নির্মিত হচ্ছে। এগুলোর বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা পানি ও স্যাঁতসেঁতে পরিবেশেও এডিস মশা বংশবিস্তার করছে। এভাবে মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ, তিতাস গ্যাস, বিটিসিএল, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়- প্রতিটি সংস্থারই গাফিলতি রয়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রাজউক এডিস নিয়ন্ত্রণে সপ্তাহব্যাপী একটি অভিযান পরিচালনা করলেও আর কোনো সরকারি প্রতিষ্ঠান এডিস নিয়ন্ত্রণে মাঠে নামেনি। আর বেসরকারি প্রতিষ্ঠান রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব) তাদের সদস্যদের কিছু দিকনির্দেশনা দিলেও খোদ রিহ্যাব সভাপতি আলমগীর শামসুল আলামিনের মালিকানাধীন ডেভেলপার প্রতিষ্ঠানের সাইটেই এডিস মশার লার্ভা পেয়েছে সিটি করপোরেশন। এ জন্য সাইট ইঞ্জিনিয়ারকে এক মাসের কারাদণ্ডও দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

ডিএনসিসি মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, অভিযানের সময় স্থাপনায় এডিস মশার লার্ভা ও মশার বংশবিস্তার উপযোগী পরিবেশ পাওয়ার কারণে মালিকদের বিভিন্ন অঙ্কের আর্থিক দণ্ড দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু তাতেও ভবন মালিক বা নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সচেতনতা জাগছে না। এমনকি তৃতীয় দফার অভিযানেও একই ভবনে এডিস মশার লার্ভা ও বংশবিস্তার উপযোগী পরিবেশ পাওয়া যাচ্ছে।

এমন অবস্থায় করণীয় কী- এ প্রসঙ্গে মশকবিশেষজ্ঞ ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের শিক্ষক ড. কবিরুল বাশার বলেন, একেকটি ওয়ার্ডকে কয়েকটি ব্লকে ভাগ করে স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতায় যেসব জায়গায় এডিস মশার বংশবিস্তার উপযোগী পরিবেশ আছে, সেগুলো চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নিতে হবে। এ কাজ করতে হবে সিটি করপোরেশনকেই। তা না হলে অবস্থা আরও ভয়াবহ হতে পারে।

ডিএনসিসির প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জোবায়দুর রহমান সমকালকে বলেন, সবাই যে একইভাবে একই সময়ে সাড়া দেবে- এমনটা আশা করা যায় না। তবে ডিএনসিসির কর্মকর্তা ও কাউন্সিলররা সাড়া দিয়েছেন। এই সচেতনতামূলক সামাজিক আন্দোলন বাস্তবায়নের জন্য আমরা প্রচারকাজ অব্যাহত রেখেছি। নগরবাসী একসময় নিশ্চয়ই সচেতন হয়ে সাড়া দেবেন।

ডিএসসিসির প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শরীফ আহমেদ বলেন, জানুয়ারি থেকে মোবাইল কোর্ট, মাইকিং, লিফলেট বিতরণ করেছি। আগে বাসাবাড়ি পরিচ্ছন্ন করার জন্য একটা নামমাত্র ফি ধরা হয়েছিল। পরে সেটা ফ্রি করা হয়েছে। তার পরও সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না। এত বড় একটা শহরে মানুষ সচেতন না হলে কাজটা করা কঠিন হয়ে পড়ে। মানুষের স্বতঃস্ম্ফূর্ত অংশগ্রহণ না থাকায় এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে আনা যাচ্ছে না।

বাড়ছে এডিসের দৌরাত্ম্য: গত ২৯ জুলাই থেকে গত ৭ আগস্টের মধ্যে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখা রাজধানীর দুই সিটি করপোরেশনের ৯৮টি ওয়ার্ডের ১০০টি স্থানে জরিপ পরিচালনা করে। গতকাল রোববার প্রকাশিত সেই জরিপে দেখা যায়, ডিএনসিসির ৩৭ নম্বর ওয়ার্ড (আফতাবনগর ও মেরুল বাড্ডা) ও ডিএসসিসির ৩৫ নম্বর ওয়ার্ডে (বংশাল) এডিস মশার উপস্থিতি পাওয়া যায়নি। এডিস মশার উপস্থিতি সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায় ডিএসসিসির বাসাবো ও গোরান এলাকায়। এ দুটি এলাকায় মশার ঘনত্ব ৭৩ দশমিক ৩ বিআই (ব্রুটো ইনডেক্স)। এ ছাড়া ডিএসসিসির এলিফ্যান্ট রোড ও সায়েন্স ল্যাবরেটরি এলাকায় ৬৬.৭ বিআই। আর কে মিশন রোড ও টিকাটুলী এলাকায় ৫০.০ বিআই। বনশ্রী, মিন্টো রোড ও বেইলি রোড এলাকায় ৪০ বিআই পায় জরিপকারী দল।

ডিএনসিসির সবচেয়ে বেশি এডিস মশাপ্রবণ এলাকা হলো মগবাজার ও নিউ ইস্কাটন। এ দুটি এলাকায় মশার ঘনত্ব ৫৬.৭ বিআই। বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা ও নিকুঞ্জ এলাকায় ৪৮.৪ বিআই। কল্যাণপুর, দারুসসালাম এলাকায় ৪৬.৭ বিআই। মিরপুর-১০ ও কাজীপাড়ায় ৪৩.৩ বিআই। মহাখালী ও নিকেতন এলাকায় ৪০.০ বিআই।

প্রসঙ্গত, এর আগে চলতি বছরের মার্চ-এপ্রিল মাসে পরিচালিত জরিপে সর্বোচ্চ এডিস মশার ঘনত্ব পাওয়া গিয়েছিল লালমাটিয়া ও ইকবাল রোড এলাকায়। সেখানে মশার ঘনত্ব ছিল ২৩.৩ বিআই। এরপর ২০.০ বিআই পাওয়া গিয়েছিল সায়েদাবাদ ও উত্তর যাত্রাবাড়ী এলাকায়। ওই জরিপে সর্বোচ্চ যে ১০টি ওয়ার্ডে মশার ঘনত্ব পাওয়া গিয়েছিল, তার প্রতিটিতেই মশার ঘনত্ব ২০ বিআই-এর নিচে ছিল। এবার সর্বোচ্চ যে ১০টি ওয়ার্ডে মশার ঘনত্ব পাওয়া গেছে, তার কোনোটিতেই মশার ঘনত্ব ৪০ বিআই-এর কম নয়। ওই জরিপে মাত্রা ১৩টি এলাকা ও বাসাবাড়িতে এডিসের উপস্থিতি পাওয়া গিয়েছিল। এবার ডিএনসিসির ৭৫টি ও ডিএসসিসির ৭৯টি এলাকা ও বাসাবাড়িতে এ মশার উপস্থিতি পাওয়া গেছে।

হাসপাতালে আরও ২৯১: স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর) জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়ে সারাদেশে আরও ২৯১ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে ২৫৯ জন রাজধানীতে। এ নিয়ে চলতি বছরে মোট আট হাজার ৪১ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে ছাড়া পেয়েছেন ছয় হাজার ৭৮৭ জন। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি আছেন এক হাজার ২১৮ জন। এর মধ্যে রাজধানীর ৪১টি সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি আছেন এক হাজার ১৩১ জন। এ পর্যন্ত ডেঙ্গু রোগে মৃত্যু হয়েছে ৩৬ জনের।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দিনাজপুরে বজ্রপাতে  প্রাণ গেল সাতজনের

অনলাইন ডেস্ক : দিনাজপুরে আধাঘণ্টার ব্যবধানে বজ্রপাতে সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে চার কিশোর রয়েছে। সোমবার (২৩ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৩টা থেকে ৪টার মধ্যে পৃথক জায়গায় এ প্রাণহানির ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন-দিনাজপুর উপশহর এলাকার সাদিকুল ইসলামের ছেলে মো. আপন (১২), আমিনুল ইসলামের ছেলে সাজ্জাদ হোসেন (১৪), তার ফুফাতো ভাই সিদ্দিক হোসেনের ছেলে মো. হাসান (১৩), রাজু মণ্ডলের ছেলে মিম হোসেন (১২), চিরিরবন্দর উপজেলার আব্দুলপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ বাসুদেবপুর গুড়িয়াপাড়া গ্রামের মকসেদ আলীর ছেলে নুর ইসলাম (২৪), সামুর ছেলে আব্দুর রাজ্জাক (২৪) ও আলতাফ হোসেনের ছেলে আব্বাস আলী (২২)।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরার আশাশুনিতে পানিতে ডুবে কিশোরের মৃত‌্যু

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার প্রতাপনগর ইউনিয়নের কুড়িকাউনিয়া গ্রামের পানিতে ডুবে এক কিশোরের মৃত্যু হয়েছে। রোববার (২২ আগষ্ট) সন্ধ্যায় স্থানীয় একটি বিল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

পানিতে ডুবে মৃত কিশোরের নাম মোঃ তরিকুল ইসলাম (১৬)। সে সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার প্রতাপনগর ইউনিয়নের কুড়িকাউনিয়া গ্রামের আরশাদ আলী গাজীর ছেলে।
জানা যায়, প্রতিদিনের ন্যায় রোববার দুপুরে কুড়িকাউনিয়া গ্রামের বাড়ির পাশে বিলে মাছ ধরার জন্য পাতা আটন তুলতে গিয়ে আর ফিরে আসেনি তরিকুল। পওে অনেক খোঁজাখুজির পর সন্ধ্যায় বিলে গিয়ে আটনের পাশে তার ভাসমান মরদেহ দেখতে পাওয়া যায়।

পারিবারিক সূত্র আরো জানিয়েছে, তরিকুলের আগে থেকেই মৃগীরোগ ছিল। বিলে আটন উঠানোর সময় হঠাৎ মৃগী রোগ দেখা দেয়ায় পানিতে ডুবে তার মৃত্যু হয়েছে বলে ধারনা করা হচ্ছে।
প্রতাপনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ জাকির হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ডেঙ্গু প্রতিরোধে সামেক ছাত্রলীগের মশক নিধন কর্মসূচি

নিজস্ব প্রতিনিধি: ডেঙ্গু প্রতিরোধে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ ছাত্রলীগের উদ্যোগে মশা নিধক স্প্রে কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।
সোমবার (২৩ আগস্ট) সামকে ছাত্রলীগের সভাপতি আজমল হোসেনের নেতৃত্বে দিনব্যাপি সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ ও তার আশেপাশের এলাকায় এ মশা নিধক স্প্রে করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, সামেক ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাজমুস সাকিব চৌধুরী, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সুমন কুমার শীল, দপ্তর সম্পাদক রিফাত হোসাইন, আফজাল সিদ্দিকী, মুহিত মুহাম্মদ প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মা হারালেন শ্যামনগরের সাংবাদিক সামিউল মনির

শ্যামনগর প্রতিনিধিঃ
শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি প্রভাষক সামিউল আযম মনির এর আম্মা আলহাজ্ব সামছুন্নাহর (৬৫)
সোমবার ২৩ আগষ্ট দুপুর ১টায় বাধ্যক্যজনিত কারণে ঢাকায় ইবনে-সিনা হাসপাতালে চিৎকসাধীন অবস্থায় সকলকে কাঁদিয়ে নাফেরার দেশে চলে গেলেন।
ইন্না লিল্লাহি………. রাজিউন।

মৃত্যুকালে তিনি ৪ পুত্র ৪কন্যা সহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন। তার রুহের মাগফিরাত কামনা সহ তার শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন,সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য এস,এম জগলুল হায়দার, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এস,এম আতাউল হক দোলন,উপজেলা জাতীয় পার্টীর সভাপতি এ্যাডঃ আব্দুর রশিদ,সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক এম,কামরুজ্জামান,প্রেসক্লাবের কর্মরত সংবাদিক সহ বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তি বর্গ।

পরিবাবার সুত্রে জানাযায়,মঙ্গলবার ২৪ আগষ্ট সকাল ১০ টায় মরহুমার জানাজার নামাজ শেষে পরিবারিক কবরস্থানে দাফন কাজ সম্পন্ন করা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা শহরের মধুমল্লারডাঙ্গীতে পুকুর ভরাট বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরা শহরের পলাশপোলের মধুমল্লার ডাঙ্গীতে শতবর্ষী পাওয়ার হাউজ পুকুর ভরাট বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী।
সোমবার দুপুরে সাতক্ষীরা ডিসি অফিস চত্বরে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, জেলা তাঁতীলীগের যুগ্ম সম্পাদক মেহেদীআলী সুজয়, সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ ফিরোজ হোসেন, ৯নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের (আঞ্চলিক) সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজান, রুবেল হোসেন, সাবেক যুবনেতা নূর ইসলাম প্রমূখ।

এসময় বক্তারা বলেন, সাতক্ষীরা শহরের পলাশপোল মধুমল্লারডাঙ্গী এলাকায় পাওয়ার হাউজ পুকুর নামের পুকুরটি দীর্ঘদিন অত্র এলাকার মানুষ ব্যবহার করে আসছেন। এলাকাবাসীসহ সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের রোগীর স্বজন, বাস টার্মিনালের শ্রমিকসহ বহু মানুষ প্রতিদিন পুকুরে গোসল করে তৃপ্তি মেটান। কিন্তু একটি কুচক্রী মহল রাতের আধারে ড্রেসিং মেশিন লাগিয়ে বালু উত্তোলন করে পুকুরটি ভরাটের অশুভ পায়তারা শুরু করছে।
এলাকাবাসী আরো জানান, অত্র এলাকার মানুষের ব্যবহারের একটি মাত্র পুকুরটিও ভরাট করা হলে তাদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হবে। পুকুরটি ভরাটের কার্যক্রম বন্ধের দাবিতে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।
মানববন্ধন শেষে সাতক্ষীরা অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(সার্বিক) তানজিল্লুর রহমানের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেন এলাকাবাসী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় করোনার উপসর্গে এক নারীসহ ৪ জনের মৃত্যু

আসাদুজ্জামান : সাতক্ষীরায় গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার উপসর্গ নিয়ে এক নারীসহ ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। সামেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার রাতে তাদের মৃত্যু হয়।

মৃতরা হলেন, কালিগঞ্জ উপজেলার নলতা গ্রামের আব্দুল কাইয়ুম (৪৫), কলারোয়া উপজেলার মদনপুর গ্রামের আশরাফ উদ্দীন (৮০), সাতক্ষীরা সদরের গফুর সরদার (৮০) ও দেবহাটা উপজেলার শশাডাঙাগা গ্রামের যমুনা রানী (৫০)।
মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, জ্বর, সর্দি, কাশি ও শ্বাসকষ্টসহ করোনার নানা উপসর্গ নিয়ে কয়েকদিন আগে তারা সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ভর্তি হন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাতে তারা মারা যান। এ নিয়ে জেলায় এ পর্যন্ত করোনা উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন ৬১৯ জন। এছাড়া করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন আরো ৮৭ জন।
সাতক্ষীরার সিভিল সার্জন ডা. হুসেইন শাফায়েত জানান, করোনা সংক্রমণের হার কমাতে হলে অবশ্যই সকলকে মাস্ক পরতে হবে। তাহলে আমরা ঝুঁকিমুক্ত থাকতে পারবো। ##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest