সর্বশেষ সংবাদ-
প্রতাপনগরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মাদ্রাসার আরবি প্রভাষক রহমাতুল্লাহর মৃত্যুসাতক্ষীরায় প্রকৃতি ও জীবন ক্লাবের সাধারণ সভা: সভাপতি মুনির- সম্পাদক সামাদসাতক্ষীরায় ঘোড়ার মাংস গরু বলে বিক্রির অভিযোগে এক ব্যক্তি আটকসরকার গণতন্ত্রের পরিবর্তে জবরদখল ও দলীয়করণ শুরু করেছে: এমপি ইজ্জত উল্লাহআ.লীগ ও ভারতের সঙ্গে সমঝোতা করে দেশ চালাচ্ছে সরকার: নাহিদএনসিপির কমিটি পুনর্গঠন: পাটওয়ারী-হাসনাত-সারজিস-আসিফের পদোন্নতি৮১ বছরে জাতিসংঘ: বিশ্ব চায় প্রতিশ্রুতির কার্যকর বাস্তবায়ন – নিকোলাস বিশ্বাসএরশাদের ৯ বছরের শাসন আমলে দেশের মানুষ সবচেয়ে ভালো ছিল: সাবেক এমপি আশুসাতক্ষীরায় জামায়াতে যোগ দিলেন ইসলামী আন্দোলনের নেতা ফারুক হোসেনসাতক্ষীরায় পৌর ও সদর উপজেলা তাঁতীদল এর সাংগঠনিক আলোচনা সভা

ফাস্টফুডে আছে ৫ মারাত্মক রোগের ঝুঁকি

স্বাস্থ্য ও জীবন : বর্তমান সময়ের সবচেয়ে জনপ্রিয় খাবারের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের ফাস্টফুড। এসব মুখরোচক খাবার যে মারাত্মক রোগের দিকে আপনাকে ঠেলে দিচ্ছে, সে বিষয়ে কি আপনি সচেতন?

বিভিন্ন ফাস্টফুডের ক্ষতিকারক দিক নিয়ে গত কয়েক দশক ধরেই সতর্ক করে আসছেন বিশেষজ্ঞরা। তার পরও ফাস্টফুড খাওয়ার প্রবণতা কমেনি।

ফাস্টফুড খেলে ওজন বাড়ে এবং স্বাস্থ্যের অনেক ক্ষতি হয় এ বিষয়টি কমবেশি আমাদের সবারই জানা। কিন্তু এসব খাবার নিয়মিত খেলে হতে পারে মারাত্মক কিছু দীর্ঘমেয়াদি রোগ, তা কি জানা আছে?

জানুন এমন পাঁচটি দীর্ঘমেয়াদি মারাত্মক রোগ সম্পর্কে, যেগুলো হওয়ার সম্ভাবনা থাকে ফাস্টফুড খাবারেই—

১. হৃদরোগ

ফাস্টফুড খাবার এবং প্রসেসড ফুড আপনার হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে তুলতে পারে অনেকগুণ। এসব খাবারে প্রচুর পরিমাণে ফ্যাট থাকে। আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশনের মতে, একজনের দিনে ১৩ গ্রামের বেশি ফ্যাট গ্রহণ করা উচিত নয়। কিন্তু দেখা যায় যে, একটা বার্গার আর কিছু ফাইসেই ১৪ গ্রামের বেশি ফ্যাট থাকে, যা আপনার হার্টের মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে।

২. বিপাকীয় সিন্ড্রোম

নিয়মিত ফাস্টফুড ও বিভিন্ন সোডা পানীয় আপনার মেটাবলিক সিন্ড্রোম হওয়ার ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, এসব খাবার উচ্চরক্তচাপ, উচ্চরক্ত শর্করা, উচ্চরক্ত ট্রাইগ্লিসারাইড, নিম্ন এইচডিএল কোলেগস্ট্রল এবং কোমরের পরিধি বাড়িয়ে দিতে পারে। আর এর ফলে হৃদরোগ, ডায়াবেটিস এবং ডিমেনশিয়ার ঝুঁকি অনেক বাড়িয়ে দেয়।

৩. টাইপ-২ ডায়াবেটিস

অতিরিক্ত ফাস্টফুড খেলে তা টাইপ-২ ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি অনেক বাড়িয়ে দেয়। এসব খাবার আপনার শরীরে রক্তের শর্করা সঠিকভাবে প্রক্রিয়া করতে পারে না, যা ইনসুলিন প্রতিরোধের বিকাশে ক্ষতি করে। ১৫ বছরের এক গবেষণায় দেখা গেছে যে, সপ্তাহে দুবারের বেশি ফাস্টফুড খেলে তা ইনসুলিন বিকাশের ঝুঁকি দ্বিগুণ করে দেয়।

৪. উচ্চরক্তচাপ

ফাস্টফুডে চর্বি, ক্যালোরি ও সোডিয়াম বেশি থাকায় তা আপনার রক্তচাপের ওপরে খারাপ প্রভাব ফেলে উচ্চরক্তচাপের ঝুঁকি অনেক বাড়িয়ে দেয়। এর ফলে হার্টঅ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি অনেক বেড়ে যায়।

৫. ক্যান্সার
গবেষণায় দেখা গেছে, ফাস্টফুডে থাকা অতিরিক্ত শর্করা ও প্রক্রিয়াজাত মাংস ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। ২০১৮ সালের এক গবেষণায় দেখা গেছে যে, বেশি পরিমাণে ফাস্টফুড ও প্রক্রিয়াজাত খাবার ক্যান্সারের ঝুঁকি ১২ শতাংশ পর্যন্ত বাড়িয়ে দিতে পারে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রতিবছর ১৮ অক্টোবর শেখ রাসেল দিবস

দেশের খবর : এখন থেকে প্রতিবছর ১৮ অক্টোবর ‘শেখ রাসেল দিবস’ পালিত হবে।

জাতীয়ভাবে দিবসটি ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত হিসেবে পালনের বিষয়ে মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত হয়েছে।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ শেখ রাসেল দিবস পালনের প্রস্তাব এবং যৌক্তিকতা মন্ত্রিসভায় পেশ করলে সোমবার মন্ত্রিসভা বৈঠকে অনুমোদন দেওয়া হয়।

আইসিটি বিভাগের জনসংযোগ বিভাগ থেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছোট ছেলে শেখ রাসেল ১৯৬৪ সালের ১৮ অক্টোবর ধানমণ্ডির বঙ্গবন্ধু ভবনে জন্মগ্রহণ করে। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সপরিবারে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার সময় শিশু শেখ রাসেলও নিহত হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জয়ার গানের প্রশংসা

বিনোদন সংবাদ : গত ২০ আগস্ট কলকাতায় মুক্তি পেয়েছে ঋত্বিক চক্রবর্তী ও জয়া আহসানের চলচ্চিত্র ‘বিনিসুতোয়’। মাত্র একটি প্রেক্ষাগৃহে এটি দেখার সুযোগ হলেও ছবিটি পাচ্ছে বেশ প্রশংসা। বিশেষ করে চলচ্চিত্রটির দুই কেন্দ্রীয় চরিত্রের স্তুতিতে মেতেছে ওপার বাংলা।

নেটিজেনদের পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গের ঐতিহ্যবাহী পত্রিকা আনন্দবাজার চলচ্চিত্রটি নিয়ে রিভিউ প্রকাশিত করেছে। সেখানে বাংলাদেশি অভিনেত্রীকে ‘অনুকরণীয়’ বলে মন্তব্য করা হয়। অভিনয় তো বটেই সিনেমাটির একটি গানে কণ্ঠও দিয়েছেন জয়া। যা ছবির বাড়তি পাওনা বলে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘‘ছবির বাড়তি পাওনা, জয়ার সুললিত কণ্ঠে রবীন্দ্রসংগীত ‘সুখের মাঝে তোমায় দেখেছি।’’

তাই বলা যায়, অভিনেত্রীর পাশাপাশি গায়িকা জয়াকেও মনে ধরেছে ওপারের।

জয়া প্রসঙ্গে তাদের ভাষ্যটা এমন, ‘কাজলের চরিত্রে ঋত্বিক নিপুণ। শ্রাবণীর ভূমিকায় জয়া অননুকরণীয়। ভারী সুন্দর লেগেছে তাদের জুটিকে।’

চলচ্চিত্রটির প্রশংসা করে লেখা হয়, ‘‘নিস্তরঙ্গ জীবন, মায়ার সংসার আর বিচিত্র মন! তিনটি বিষয়কে এক সুতোয় জুড়ে দিলে তৈরি হয় ‘গল্প’। সেটিই হলো ‘বিনিসুতোয়’। ছবির প্রথম দৃশ্যের বিশালকায় গাছ থেকে রোদে নিকানো বারান্দায় একটি কমলালেবু, বৃষ্টির শোভা দেখতে মগ্ন শ্রাবণী থেকে দোকানের আরশিতে ধরা শ্রাবণী… ক্যামেরা এ ছবির একটি চরিত্র।’’

ছবিটি পরিচালনা করেছেন ভারতীয় জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত পরিচালক অতনু ঘোষ। ‘বিনিসুতোয়’-এর গল্প মধ্য তিরিশের দুই মানুষ শ্রাবণী ও কাজলকে ঘিরে। যাদের একে অপরের সঙ্গে পরিচয় হয় একটি রিয়ালিটি গেম শোয়ের অডিশনে। দুজনের জীবনের গল্পে বেশ কিছুটা মিল থাকায় খুব তাড়াতাড়িই একে অপরের সঙ্গে মিশে যান তারা। কিন্তু এরই মাঝে এক দুর্ঘটনায় আহত হন শ্রাবণী, তাড়াতাড়ি তাকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যান কাজল। ডাক্তারের কাছে যাওয়ার রাস্তায় তারা একে অপরের সঙ্গে শেয়ার করেন তাদের জীবনের ঘাত প্রতিঘাতের গল্প।

এতে আরও অভিনয় করেছেন চান্দ্রেয়ী ঘোষ, কৌশিক সেন, রেশমি সেন, খেয়া চট্টোপাধ্যায়সহ অনেকে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রশাসন ক্যাডারের কড়া বিবৃতির সাথে একমত নন বেশিরভাগ সচিব

দেশের খবর : বরিশাল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) বাসভবনে হামলা ও পরবর্তী উদ্ভূত পরিস্থিতিতে প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তাদের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন যে ভাষায় বিবৃতি দিয়েছে তার সঙ্গে বেশিরভাগ সচিব দ্বিমত পোষণ করেছেন।

সোমবার মন্ত্রিপরিষদ বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

গত ১৮ আগস্ট রাতে উপজেলা কমপ্লেক্সের ভেতরে থাকা ব্যানার অপসারণ নিয়ে বিরোধে জড়ায় আওয়ামী লীগ এবং সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মুনিবুর রহমান। সেই ঘটনায় হামলা সংঘর্ষ এবং গুলিবর্ষণে ৫ জন গুলিবিদ্ধসহ আহত হন ক্ষমতাসীন দলের ৩০ নেতাকর্মী।

ওই রাতে সদর উপজেলা ইউএনওর সরকারি বাসভবনে হামলা চালান স্থানীয় ছাত্রলীগ, যুবলীগ, শ্রমিক লীগ, শ্রমিক ইউনিয়ন, আওয়ামী লীগ নেতা ও সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তারা।

এ ঘটনায় আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ ও যুবলীগের কয়েকশ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে দুটি মামলা হয়েছে। উভয় মামলায় বরিশাল সিটি করপোরেশনের মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাদিক আব্দুল্লাহকে প্রধান আসামি করা হয়।

মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহকে গ্রেফতারের দাবি জানিয়ে বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন (বিএএসএ) বিবৃতি দেয়।

তবে প্রশাসন ক্যাডারের কড়া ভাষার বিবৃতি আওয়ামী লীগে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া তৈরি করেছে বলে গণমাধ্যমে খবর প্রকাশ হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

দেশের খবর : আপাতত আর করোনার গণটিকা কার্যক্রম হচ্ছে না জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, দেশে যখন টিকা আসবে (সুরক্ষা অ্যাপ ও ওয়েবসাইটে) নিবন্ধন করেই সবাইকে নিতে হবে।

আজ সোমবার (২৩ আগস্ট) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আগামী জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারির মধ্যে ৭ থেকে ৮ কোটি মানুষকে টিকার আওতায় আনা যাবে। প্রথম ডোজ দেওয়ার ১৫ থেকে ২০ দিনের মধ্যে দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া যায় কিনা সে বিষয়েও ‘ভাবা হচ্ছে’ বলেও জানান মন্ত্রী।

আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যে ফাইজারের আরও ৬০ লাখ টিকা পাওয়া যাবে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এ মাসে কিছু (টিকা) আসবে, বাকিগুলো সেপ্টেম্বরে।’ এছাড়া বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মাধ্যমে ১০ লাখ ডোজ টিকা আসবে বলেও জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পদ্মা সেতুতে বসেছে শেষ স্ল্যাব, এখন বাকি পিচ ঢালাই

দেশের খবর : স্বপ্নের পদ্মা সেতুর রোডওয়ে স্ল্যাব বসানোর কাজ শেষ হয়েছে। সেতুর সড়কপথের দুই হাজার ৯১৭টি রোডওয়ে স্ল্যাবের সব বসে গেছে সেতুতে। এতে ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার সেতুর নতুন এক মাইলফলক পূরণ হলো। এর মাধ্যমে সেতুটির ওপর দিয়ে যানবাহন চলাচল করার ক্ষেত্রে বাকি থাকবে শুধু পিচ ঢালাই।

সোমবার সকাল ১০টা ১২ মিনিটের দিকে সেতুর ১২ও ১৩ নং পিয়ারে সর্বশেষ রোডওয়ে স্ল্যাব বসানোর কাজ শেষ হয়।

এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পদ্মা সেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী দেওয়ান আব্দুল কাদের।

পদ্মা সেতু প্রকল্পের নির্বাহী প্রকৌশলী দেওয়ান মো. আব্দুল কাদের এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে।

প্রকৌশলী সূত্রে জানা যায়, রোববার পর্যন্ত সেতুর দুই হাজার ৯১৭ রোডওয়ে স্ল্যাবের মধ্যে বসানো হয়েছিল দুই হাজার ৯১৪টি। রাত থেকে বাকি তিনটি স্ল্যাব বসানো হয়েছে। রাতে দুটি ও বাকি থাকা একটি স্ল্যাব সকাল ১০টা ১২ মিনিটে বসানো হয়।

এদিকে এর আগে চলতি বছরের ২০ জুন শেষ হয়েছিল দ্বিতলা সেতুর রেলওয়ে স্ল্যাব বসানোর কাজ।

অপরদিকে প্রকৌশলী সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের জুলাই মাস পর্যন্ত সেতু প্রকল্পের সার্বিক কাজ এগিয়েছে ৮৭ দশমিক ২৫ শতাংশ। আর মূল সেতুর কাজের অগ্রগতি ৯৪ দশমিক ২৫ শতাংশ। অর্থাৎ মূল সেতুর কাজের আর বাকি মাত্র ৫ দশমিক ৭৫ শতাংশ।

প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালের ডিসেম্বরে পদ্মা সেতুর নির্মাণকাজ শুরু হয়। ২০১৭ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর ৩৭ ও ৩৮ নম্বর খুঁটিতে প্রথম স্প্যান বসানোর মধ্য দিয়ে দৃশ্যমান হয় পদ্মা সেতু।

এরপর একে একে ৪২টি পিলারে ১৫০ মিটার দৈর্ঘ্যের ৪১টি স্প্যান বসিয়ে ছয় দশমিক ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ পদ্মা সেতু পুরোপুরি দৃশ্যমান হয়েছিল ২০২০ সালের ১০ ডিসেম্বর।

একই সঙ্গে চলতে থাকে রোডওয়ে, রেলওয়ে স্ল্যাব বসানোসহ অন্যান্য কাজ। ২০২২ সালের জুন মাসের মধ্যেই এই সেতুর যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়ার কথা রয়েছে।

সর্বশেষ সংশোধিত প্রকল্প প্রস্তাব অনুসারে, আগামী বছরের জুনের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ করার কথা। এর পরও প্রকল্পের মেয়াদ এক বছর থাকবে। তবে সেই সময়টা সেতুর কোনো ত্রুটি দেখা দিলে তা মেরামত করা হবে।

পদ্মা সেতু দ্বিতলবিশিষ্ট। এর ওপর দিয়ে চলাচল করবে যানবাহন, নিচ দিয়ে রেল। মূল সেতুর দৈর্ঘ্য ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার। সেতুটি চালু হলে দক্ষিণাঞ্চলের ২১টি জেলার সঙ্গে যোগাযোগ সহজ হবে। দক্ষিণের মানুষ এখন সেতুটি চালুর অপেক্ষায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলারোয়ায় একই পরিবারের ৪ জনকে কুপিয়ে হত্যা মামলার রায় ২৯ আগষ্ট

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার কলারোয়ার হেলাতলা ইউনিয়নের খলিসা গ্রামে একই পরিবারের স্বামী স্ত্রী ও তাদের দু’ সন্তানকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় আদালতে রোববার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়েছে। সাতক্ষীরার জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আসামীপক্ষ ও রাষ্ট্রপক্ষের শুনানী শেষে আগামি ২৯ আগষ্ট মামলার রায় এর জন্য দিন ধার্য করেছেন সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ শেখ মফিজুর রহমান।

এদিকে রোববার দুপুরে পৌন ১২টার দিকে যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে রাষ্ট্রপক্ষের পিপি অ্যাড. আব্দুল লতিফ বলেন, মামলার ১৮ জন সাক্ষীর জবানবন্দি, রায়হানুলের ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি, জব্দ তালিকা ও বাদির দায়েরকৃত এজাহার সাক্ষ্য প্রদানকালে হুবহু মিল থাকায় আসামী রায়হানুলের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। ঢাকা নারায়ণগঞ্জের সেভেন মার্ডারের পরপর ই কলারোয়ায় এ ধরণের ফোর মার্ডার সংগঠিত হয়েছে। আসামীপক্ষের আইনজীবী এ্যাড. এসএম হায়দার আলী রায়হানুলের ১৬৪ ধারার জবানবন্দিতে বিচারক বিলাস কুমার মণ্ডল আসামী স্বীকারোক্তি না দিলে তাকে আর পুলিশে না দিয়ে জেল খানায় পাঠানো হবে না এমন কথা না বলায় সে বাধ্য হয়ে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে বলে আদালতে উপস্থাপন করলে অ্যাড. আব্দুল লতিফ ২৫ ডিএলআর এর ৪১ অধ্যায় ও ২১ ডিএলআর এর ১২২ অধ্যায়ের ব্যাখ্যা দিয়ে তা খণ্ডন করার চেষ্টা করেন। একইসাথে এ ধরণের মামলায় মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের একটি নির্দেশনা বিচারকের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তার সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড দাবি করেন তিনি।

তবে আসামীপক্ষের আইনজীবী অ্যাড. এসএম হায়দার আলী বলেন, আসামীর সহিত তার ভাই ও ভাবীর কোন বিরোধ ছিল না। তবে জমি নিয়ে প্রতিবেশী আকবরের সঙ্গে তাদের মামলা ছিল। অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে আকবর আলী তাদের জামিতে বাড়ির ভিত তৈরি করেছিল। এ ঘটনায় মামলা ছাড়াও কয়েকটি সাধারণ ডায়েরীও আছে। এ ছাড়া ২০১৯ সালে শাহীনুরের বিরুদ্ধে কলারোয়া থানায় একটি মাদকের মামলা আছে। মাদকের টাকার ভাগ বাটোয়ারা নিয়ে এ ধরণের হত্যাকাণ্ডও ঘটতে পারে। মাছ চাষ করতে যেয়ে শাহীনুর ১১ লাখ টাকা ঋণী ছিল। বাড়ির উঠান সংলগ্ন পুকুরে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত চাপাতি না ফেলে অনেক দূরে দুর্গম জায়গার একটি পুকুরের মধ্যে তা ফেলে দেওয়ার বাস্তবতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন ওই জ্যেষ্ঠ আইনজীবী। চাপাতি উদ্ধার ও জব্দ তালিকা প্রস্তুতের সময় নিয়ে তিনি প্রশ্ন তোলেন। তা ছাড়া কোন চেতনানাশক ব্যবহার না করে কোকো কোলার মধ্যে বিশেষ ধরণের ট্যাবলেট ব্যবহারের বাস্তবতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। একই সাথে নিহতের পরিবারের লোকজনদের বাদ দিয়ে ঘটনাস্থল থেকে ১৫ কিলোমিটার দূরে ওফাপুর গ্রামের শাহীনুরের শ্বাশুড়ি ময়না বেগমকে দিয়ে মামলা করানোর ফলে আসামী ন্যয় বিচার না পাওয়ার একটি পরিকল্পনা বলে মনে করেন তিনি। আসামীকে পাঁচ দিনের রিমাণ্ডে নিয়ে তিন দিন পুলিশ হেফাজতে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির জন্য তাকে কোর্টে পাঠিয়ে দিয়ে পরে সিআইডির প্রেস ব্রিফিং দেওয়ার বিষয়টিও উঠে আছে যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে। এ ছাড়া মামলার কোন প্রত্যক্ষদর্শী না থাকায় একজনকে সাজা দেওয়ার পক্ষে অনেক অন্তরায় থেকে যায় বলে তিনি জানান। সবশেষে তিনি আসমী রায়হানুলের বেকসুর খালাস দাবি করেন।

ঘটনার বিবরনে জানা যায়, কলারোয়া উপজেলার হেলাতলা ইউনিয়নের খলিষা গ্রামের শাহজাহান ডাক্তারের বড় ছেলে শাহীনুর রহমান আট বিঘা জমিতে পাঙ্গাস মাছ চাষ করেন। মেঝ ছেলে আশরাফ আলী মালয়েশিয়ায় থাকেন। ছোট ছেলে রায়হানুর রহমান বেকার। বেকারত্বের কারণে বড় ভাই শাহীনুরের সংসারে সে খাওয়া দাওয়া করতো। শারীরিক অসুস্থতার কারণে কোন কাজ না করায় গত বছরের ১০ জানুয়ারি স্ত্রী তালাক দেয় রায়হানুর রহমানকে। সংসারে টাকা দিতে না পারায় শাহীনুৃরের স্ত্রী দেবর রায়হানুরকে মাঝে মাঝে গালমন্দ করতো। এরই জের ধরে গত ১৪ অক্টোবর রাতে ভাই মোঃ শাহীনুর রহমান(৪০) ভাবী সাবিনা খাতুন(৩০), তাদের ছেলে ব্রজবক্স সরকারি প্রাথমিক বিদ্যূালয়েরে তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্র সিয়াম হোসেন মাহী(১০) ও মেয়ে একই বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণীর ছাত্রী তাসমিন সুলতানাকে(৮) কোমল পানীয় এর সাথে ঘুমের বাড়ি খাওয়ায় রায়হানুল। পরদিন ১৫ অক্টোবর ভোর চারটার দিকে হাত ও পা বেঁধে তাদেরকে একে একে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করে। হত্যাকারী ওই পরিবারের ৪ মাসের শিশু মারিয়াকে হত্যা না করে লাশের পাশে ফেলে রেখে যায়। এ ঘটনায় নিহত শাহীনুরের শ্বাশুড়ি কলারোয়া উপজেলার উফাপুর গ্রামের রাশেদ গাজীর স্ত্রী ময়না খাতুন বাদি হয়ে কারো নাম উল্লেখ না করে থানায় ১৫ অক্টোবর একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

মামলার তদন্তে নেমে সিআইডির সাতক্ষীরা অফিসের পুলিশ পরিদর্শক শফিকুল ইসলাম সন্দিগ্ধ আসামী হিসেবে শাহীনুরের ভাইর রায়হানুর রহমান, একই গ্রামের রাজ্জাক দালাল, আব্দুল মালেক ও ধানঘরা গ্রামের আসাদুল সরদারকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারকৃত রায়হানুরকে রিমাণ্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে ২১ অক্টোবর জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম বিলাস মণ্ডলের কাছে একাই হত্যার দায় স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেয়। একই দিনে সিআইডির খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি শেখ ওমর ফারুক তার সাতক্ষীরা অফিসে এক সংবাদ সম্মেলন করে হত্যার মোটিভ সম্পর্কে ব্যাখ্যা দেন। তদন্তভার গ্রহণের এক মাস আট দিন পর ২৮ হনের সাক্ষী ও রায়হানুলের ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি পর্যালোচনা শেষে ২৪ নভেম্বর মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা রায়হানুলকে একমাত্র আসামী করে ৩২৮ ও ৩০২ ধারায় আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আসাদুল, রাজ্জাক ও আব্দুল মালেককে মামলা থেকে অব্যহতি পান। পরবর্তীতে জেলা ও দায়রা জজ আদালতে মামলার ১৮ জন সাক্ষী ও এক জন সাফাই সাক্ষী দেন। তবে পরবর্তীতে আসামীপক্ষের আইনজীবী অ্যাড. ফরহাদ হোসেন রায়হানুলের ১৬৪ ধারার জবানবন্দি প্রত্যাহারের আবেদন জানালে আদালত তা নথিভুক্ত করে।

নিহত পরিবারে বেঁচে থাকা একমাত্র শিশু মারিয়া বর্তমানে হেলাতলা ইউপি সদস্য নাছিমা খাতুনের কাছে বড় হচ্ছে।
সাতক্ষীরা জজ কোর্টের পিপি অ্যাড. আব্দুল লতিফ শাহীনুরসহ তার পরিবারের চারজনকে নৃশংসভাবে হত্যা মামলায় রায় আগামি ২৯ আগষ্ট বলে সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বরিশালে প্রশাসন-আ.লীগ সমঝোতা, মামলা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত

দেশের খবর : বরিশাল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) বাসভবনে হামলা ও পরবর্তী উদ্ভূত পরিস্থিতি নিরসনে প্রশাসন ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আওয়ামী লীগ নেতাদের সমঝোতা বৈঠক হয়েছে। বৈঠকে উভয়পক্ষ আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দায়ের করা মামলাগুলো প্রত্যাহার করে নেওয়ার ব্যাপারে নীতিগতভাবে সম্মত হয়েছেন।

বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার সাইফুল ইসলাম বাদলের আহ্বানে নগরীর রাজা বাহাদুর সড়কে তার সরকারি বাসভবনে এ বৈঠক হয়।

রোববার (২২ আগস্ট) রাত সোয়া ৯টা থেকে পৌনে ১১টা পর্যন্ত বৈঠক হয়। বৈঠক শেষে উভয়পক্ষ হাসিমুখে বের হন। এরপর তারা দলগতভাবে ফটোসেশনে যোগ দেন।

বৈঠকে বরিশাল সিটি করপোরেশনের (বিসিসি) মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ, মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার শাহাবুদ্দিন খান, বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজি এস এম আক্তারুজ্জামান, জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দীন হায়দার, জেলার পুলিশ সুপার মারুফ হোসেন, র‌্যাব-৮ এর অধিনায়ক জামিল হাসান, মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট এ কে এম জাহাঙ্গীর, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট তালুকদার মো. ইউনুস, বিসিসির প্যানেল মেয়র গাজী নঈমুল হোসেন লিটু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠক থেকে বেরিয়ে মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট এ কে এম জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, বিভাগীয় কমিশনার সাইফুল ইসলাম বাদলের বাসভবনে তাদেরকে চায়ের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। আমন্ত্রণ পেয়ে তিনিসহ বরিশাল সিটি করপোরেশনের (বিসিসি) মেয়র, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, বিসিসির প্যানেল মেয়র চা-চক্রে যোগ দেন।

তিনি বলেন, ‘চা-চক্রে উপজেলা পরিষদ চত্বরে ১৮ আগস্ট রাতের ঘটনাকে কেন্দ্র করে উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তর আলোচনা হয়। আলোচনার মাধ্যমে সেই দিন রাতের ঘটনাকে কেন্দ্র করে জেলা ও উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের মধ্যে ভুল-বোঝাবুঝির অবসান ঘটেছে।’

জাহাঙ্গীর হোসেন আরও বলেন, ‘বৈঠকে সবপক্ষ অতীতের ভুল-বোঝাবুঝি ভুলে নান্দনিক বরিশাল গড়ার লক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধ ও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। পাশাপাশি ১৮ আগস্ট রাতের ঘটনাকে কেন্দ্র করে দায়ের হওয়া মামলাগুলো উভয়পক্ষ আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রত্যাহারের নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আগামীতে এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা যাতে আর না ঘটে, সে বিষয়েও সবাই সতর্ক থাকবেন বলে আশ্বস্ত করেন। বলা যায় ইতিবাচক বৈঠক হয়েছে।’

তবে বৈঠকের সিদ্ধান্তের বিষয়ে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো কিছু জানানো হয়নি। বৈঠকের পর বিভাগীয় কমিশনার সাইফুল ইসলাম বাদল ও জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দীন হায়দারের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তারা রিসিভ করেননি।

গত ১৮ আগস্ট রাতে উপজেলা পরিষদ চত্বরে লাগানো ব্যানার-ফেস্টুন অপসারণকে কেন্দ্র করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুনিবুর রহমানের বাসায় কয়েক দফা হামলা চালানো হয়। হামলাকারীদের রুখতে গিয়ে পুলিশের সঙ্গে আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগ-যুবলীগের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনসার সদস্যদের রাবার বুলেট ও টিয়ারশেল ছুড়তে হয়। প্রতিবাদে বুধবার মধ্যরাত থেকে বরিশালে সড়ক ও নৌ যোগাযোগ অচল করে দেয়া হয়। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বর্জ্য অপসারণের কাজ বন্ধ রাখেন পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা। এরপর মেয়রের নির্দেশে বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে নৌ-যান ও বাস চলাচল শুরু হয়।

অন্যদিকে হামলার ঘটনায় উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশের পক্ষ থেকে দুটি মামলা করা হয়। দুটিতেই বরিশাল সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। এছাড়া আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের শতাধিক নেতাকর্মীদের মামলায় আসামি করা হয়েছে।

মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে বৃহস্পতিবার থেকে নগরীর সড়ক ও বাসাবাড়ি থেকে বর্জ্য অপসারণ ও পরিবহন কার্যক্রম বন্ধ রাখেন পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা। এতে দুর্ভোগের শিকার হন নগরবাসী। এরপর মেয়রের নির্দেশে শনিবার রাত ৯ টা থেকে বর্জ্য অপসারনের কাজ শুরু করেন পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা।

তবে বুধবার রাতের ঘটনার রেশ তখনও কাটেনি। রোববার দুপুরে বরিশাল সিটি করপোরেশনের (বিসিসি) প্যানেল মেয়র ও জেলা আইনজীবী সমিতির সম্পাদক রফিকুল ইসলাম এবং বিসিকের রাজস্ব কর্মকর্তা বাবুল হাওলাদার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পৃথক দুটি নালিশি আবেদন দাখিল করেন।

নালিশি আবেদনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুনিবুর রহমান ও কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরুল ইসলাম, উপপরিদর্শক (এসআই) শাহ্ জালাল মল্লিক ও পাঁচ আনসার সদস্যের বিরুদ্ধে সিটি মেয়রকে হত্যার উদ্দেশ্যে গুলিবর্ষণ, অওয়ামী লীগের পুলিশের লাঠিচার্জসহ বিভিন্ন অভিযোগ আনা হয়।

বুধবার রাতের ঘটনার রেশ আর সামনে না বাড়ে সে বিষয়ে সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে উদ্যোগ নেয়া হয়। রোববার দুপরে সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে প্রশ্নের জবাবে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম বলেন, বরিশাল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) বাসভবনে হামলা ও উদ্ভূত পরিস্থিতি ‘ভুল-বোঝাবুঝির’ কারণে হয়েছে বলে মন্তব্য করেন। এ ঘটনা অল্প সময়ের মধ্যে নিরসন হয়ে যাবে বলেও তিনি মনে করেন।

এরপর রোববার রাতে বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার মো. সাইফুল হাসান বাদলের আহ্বানে তার সরকারি বাসভবনে উভয়পক্ষের মধ্যে সমঝোতা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest