সর্বশেষ সংবাদ-
প্রতাপনগরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মাদ্রাসার আরবি প্রভাষক রহমাতুল্লাহর মৃত্যুসাতক্ষীরায় প্রকৃতি ও জীবন ক্লাবের সাধারণ সভা: সভাপতি মুনির- সম্পাদক সামাদসাতক্ষীরায় ঘোড়ার মাংস গরু বলে বিক্রির অভিযোগে এক ব্যক্তি আটকসরকার গণতন্ত্রের পরিবর্তে জবরদখল ও দলীয়করণ শুরু করেছে: এমপি ইজ্জত উল্লাহআ.লীগ ও ভারতের সঙ্গে সমঝোতা করে দেশ চালাচ্ছে সরকার: নাহিদএনসিপির কমিটি পুনর্গঠন: পাটওয়ারী-হাসনাত-সারজিস-আসিফের পদোন্নতি৮১ বছরে জাতিসংঘ: বিশ্ব চায় প্রতিশ্রুতির কার্যকর বাস্তবায়ন – নিকোলাস বিশ্বাসএরশাদের ৯ বছরের শাসন আমলে দেশের মানুষ সবচেয়ে ভালো ছিল: সাবেক এমপি আশুসাতক্ষীরায় জামায়াতে যোগ দিলেন ইসলামী আন্দোলনের নেতা ফারুক হোসেনসাতক্ষীরায় পৌর ও সদর উপজেলা তাঁতীদল এর সাংগঠনিক আলোচনা সভা

অনলাইন ডেস্ক : দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে মা-ছেলেকে অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবির ঘটনায় সিআইডির রংপুর কার্যালয়ের এএসপিসহ তিন পুলিশ কর্মকর্তাকে আটক করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৪ আগস্ট) বিকেলে দিনাজপুর সদর উপজেলার বাশেরহাট থেকে তাদের আটক করা হয়।

তারা হলেন, সিআইডির রংপুর কার্যালয়ের এএসপি সারোয়ার কবির, এএসআই হাসিনুর রহমান ও কনস্টেবল আহসানুল হক।

চলতি মাসের প্রথম দিকে চিরিরবন্দর উপজেলার পলাশ নামে এক ব্যক্তি সিআইডি রংপুর কার্যালয়ে চিরিরবন্দর উপজেলার জনৈক লুৎফর রহমানের বিরুদ্ধে ৫০ লাখ টাকা প্রতারণার একটি অভিযোগ করেন। পরে ২৩ আগস্ট রাত সাড়ে ৯টায় সিআইডির এএসপি সারোয়ার কবিরের নেতৃত্বে একটি টিম লুৎফর রহমানের বাড়িতে অভিযান চালায়। এসময় বাড়িতে লুৎফর রহমানকে না পেয়ে তার স্ত্রী জহুরা বেগম ও ছেলে জাহাঙ্গীরকে মাইকোবাসে করে তুলে নিয়ে যায়। পরে মা ও ছেলের মুক্তির জন্য লুৎফর রহমানের পরিবারের কাছে মুক্তিপণ হিসেবে ১৫ লাখ টাকা দাবি করে। পরে ভুক্তভোগী পরিবারকে সাড়ে আট লাখ টাকা নিয়ে আসতে বলে তারা। একপর্যায়ে ভুক্তভোগী পরিবার বিষয়টি দিনাজপুর জেলা পুলিশকে অবগত করে।

জেলা পুলিশের পরামর্শে মঙ্গলবার (২৪ আগস্ট) বিকেলে ভুক্তভোগী পরিবার প্রথমে চিরিরবন্দর উপজেলার রানীরবন্দরে, পরে কাহারোল উপজেলার দশমাইলে তাদের আসতে বলে। পরে আবার ভুক্তভোগী পরিবারের লোকজন তাদের দিনাজপুর সদর উপজেলার বাশেরহাটে আসতে বলে। সিআইডি কর্মকর্তারা বাশেরহাটে আসলে জেলা পুলিশ ও সিআইডি তাদের আটক করে প্রথমে চিরিরবন্দর থানায় এবং রাতে তাদের দিনাজপুর পুলিশ সুপার কার্যালয়ে নেয়া হয়।

আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে চিরিরবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুব্রত কুমার সরকার বলেন, তদন্ত চলছে। তবে বিস্তারিত বলা যাবে না। এছাড়া বিস্তারিত জানতে পুলিশ সুপারের সাঙ্গে কথা বলার অনুরোধ জানান তিনি। পরে পুলিশ সুপার আনোয়ার হোসেনকে ফোন দিলে তিনি রিসিভ করেননি।

রংপুর সিআইডির ভারপ্রাপ্ত এসপি আতাউর রহমান জানান, আটকদের মধ্যে একজন এএসপি, একজন এএসআই ও একজন কনস্টেবল রয়েছেন। তাদের মধ্যে এএসআই ও কনস্টেবল ২১ আগস্ট থেকে দশদিনের ছুটিতে ছিলেন। তারা একটি অভিযোগের ভিত্তিতে সেখানে যান। সরকারি গাড়ি ব্যবহার না করে এবং অনুমতি ছাড়া ভাড়া করা গাড়ি নিয়ে অপারেশনে যান। আটকের পর আমাকে জানানো হয়েছে। তারা যে আমাদের স্টাফ তা জানিয়েছি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দুই জাপানি শিশুকে হোটেলে রাখতে হাইকোর্টে বাবার আবেদন

অনলাইন ডেস্ক : জাপানি দুই শিশুকে ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারের পরিবর্তে একটি উন্নত মানের হোটেলে রাখার নির্দেশনা চেয়ে আবেদন করেছেন শিশুদের বাবা।

শিশুদের বাবার পক্ষে আইনজীবী ফাওজিয়া করিম ফিরোজ বুধবার (২৫ আগস্ট) বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চে এ আবেদন করেন। আদালত এই আবেদনের শুনানির জন্য বেলা ৩টায় সময় নির্ধারণ করেছেন।

এর আগে গত ২৩ আগস্ট জাপানি দুই শিশুকে আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত তেজগাঁওয়ের ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে উন্নত পরিবেশে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। এই সময়ের মধ্যে প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত জাপানি মা এবং বিকেল ৩টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত বাংলাদেশি বাবা শিশুদের সঙ্গে সময় কাটাতে পারবেন।

৩১ আগস্ট শিশুদেরকে হাইকোর্টে হাজির করতে হবে। ওইদিন আদালত পরবর্তী আদেশ দেবেন। তবে আদালত উভয়পক্ষের আইনজীবীদের ৩১ আগস্টের মধ্যে বিষয়টি সমাধান করতে ভূমিকা রাখতে বলেছেন।

এর আগে, ওইদিন সকালে আদালতের আদেশে হাজির করার নির্ধারিত দিনের (৩১ আগস্ট) আগেই জাপানি দুই শিশুকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হেফাজতে নেওয়ার ঘটনাটি হাইকোর্টের নজরে আনেন তাদের বাবার আইনজীবী ফাওজিয়া করিম।

২২ আগস্ট ১০ ও ১১ বছর বয়সী মেয়ে দুটিকে হেফাজতে নেয় পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। ১৯ আগস্ট দুই জাপানি শিশু জেসমিন মালিকা ও লাইলা লিনা এবং তাদের বাবা শরীফ ইমরানকে এক মাসের জন্য দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে দুই শিশুকে আগামী ৩১ আগস্ট আদালতে হাজির করার নির্দেশ দেওয়া হয়।

ওইদিন বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার।

১৯ আগস্ট সকালে দুই কন্যা সন্তানকে আদালতে হাজির করার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে হেবিয়াস কর্পাস আবেদন করেন জাপানি চিকিৎসক নাকানো এরিকো (৪৬)। রিটে দুই কন্যা সন্তানকে নিজের জিম্মায় নেওয়ার নির্দেশনা চান ওই নারী।

২০০৮ সালে জাপানি চিকিৎসক নাকানো এরিকো ও বাংলাদেশি-আমেরিকান নাগরিক শরীফ ইমরান (৫৮) জাপানি আইন অনুযায়ী বিয়ে করে টোকিওতে বসবাস শুরু করেন। তাদের ১২ বছরের সংসারে তিন কন্যা সন্তান জন্ম নেয়। তারা তিনজনই টোকিওর চফো সিটিতে অবস্থিত আমেরিকান স্কুল ইন জাপানের শিক্ষার্থী ছিলেন।

২০২১ সালের ১৮ জানুয়ারি শরীফ ইমরান-এরিকোর বিবাহ বিচ্ছেদ হয়। ২১ জানুয়ারি ইমরান আমেরিকান স্কুল ইন জাপান কর্তৃপক্ষের কাছে তার মেয়ে জেসমিন মালিকাকে নিয়ে যাওয়ার আবেদন করেন। কিন্তু এতে এরিকোর সম্মতি না থাকায় স্কুল কর্তৃপক্ষ ইমরানের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে। এরপর এক দিন জেসমিন মালিকা ও লাইলা লিনা স্কুল বাসে বাড়ি ফেরার পথে বাসস্টপ থেকে ইমরান তাদের অন্য একটি ভাড়া বাসায় নিয়ে যান।

গত ২৫ জানুয়ারি শরীফ ইমরান তার আইনজীবীর মাধ্যমে এরিকোর নিকট থেকে মেয়েদের পাসপোর্ট হস্তান্তরের আবেদন করেন। কিন্তু এরিকো ওই আবেদন প্রত্যাখ্যান করে মেয়েদের নিজ জিম্মায় পেতে আদেশ চেয়ে গত ২৮ জানুয়ারি টোকিওর পারিবারিক আদালতে মামলা করেন।

আদালত ৭, ১১ ও ১৪ ফেব্রুয়ারি মেয়েদের সঙ্গে এরিকোর সাক্ষাতের অনুমতি দিয়ে আদেশ দেন। কিন্তু ইমরান আদালতের আদেশ ভঙ্গ করে মাত্র একবার মায়ের সঙ্গে দুই মেয়েকে সাক্ষাতের সুযোগ দেন। এরপর গত ৯ ফেব্রুয়ারি ‘মিথ্যা তথ্যের ভিত্তিতে’ ইমরান তার মেয়েদের জন্য নতুন পাসপোর্ট গ্রহণ করেন। ২১ ফেব্রুয়ারি জেসমিন মালিকা ও লাইলা লিনাকে নিয়ে তিনি দুবাই হয়ে বাংলাদেশে চলে আসেন।

গত ৩১ মে টোকিওর পারিবারিক আদালত জেসমিন মালিকা ও লাইলা লিনাকে তাদের মা এরিকোর জিম্মায় হস্তান্তরের আদেশ দেন। তবে দুই মেয়ে বাংলাদেশে থাকায় বিষয়টি নিয়ে তিনি বাংলাদেশের একজন মানবাধিকার কর্মী ও আইনজীবীর সঙ্গে পরামর্শ করেন। এরপর গত ১৮ জুলাই তিনি শ্রীলঙ্কা হয়ে বাংলাদেশে আসেন।

বাংলাদেশে এসে এরিকো করোনা পরীক্ষা করালে তার রিপোর্ট নেগেটিভ থাকার পরেও ইমরান ওই রিপোর্ট অবিশ্বাস করে সন্তানদের সঙ্গে তার সাক্ষাতে অস্বীকৃতি জানান। গত ২৭ জুলাই এরিকোর মোবাইল সংযোগ বন্ধ করে চোখ বাঁধা অবস্থায় মেয়েদের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ দেওয়া হয়। এ অবস্থায় দুই মেয়েকে নিজের জিম্মায় পেতে হাইকোর্টে রিট করেন জাপানি চিকিৎসক নাকানো এরিকো।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

দেশের খবর : কক্সবাজারে আলোচিত অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যা মামলার সাক্ষ্যগ্রহণকালে টেকনাফ থানার বরখাস্ত ওসি প্রদীপ কুমার দাশের ফোনে কথা বলার ঘটনায় আদালতে দায়িত্ব অবহেলার কারণে এক এসটিআইসহ চার পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

বুধবার (২৫ আগস্ট) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন কক্সবাজারের পুলিশ সুপার (এসপি) মো. হাসানুজ্জামান। তিনি বলেন, এসটিআই শাহাব উদ্দিনসহ চার পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে। এ ঘটনায় একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে।
সম্পর্কিত খবর

এর আগে কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতে সাক্ষ্য দিচ্ছিলেন মামলার বাদী শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস। কীভাবে ভাইকে হত্যা করা হয়, সেই বর্ণনা আদালতে উপস্থাপন করছিলেন তিনি। বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে তখন ১৫ আসামি। তাদের মধ্যে রয়েছেন টেকনাফ থানার বহিষ্কৃত ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাস।

দুপুর ১২টার দিকে হঠাৎ দেখা যায় আসামি প্রদীপ কুমার কাঠগড়ায় বসে মোবাইল ফোনে কথা বলছেন! সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো. রাশেদ খানকে গুলি করে হত্যা মামলার অন্যতম প্রধান আসামি এই প্রদীপ কুমার দাস।

আজ মামলার দুই নম্বর সাক্ষী শাহেদুল ইসলামের বাকি জবানবন্দি নেওয়া হবে কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ ইসমাঈলের আদালতে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শিশুর রক্তনালীর রোগ : হেমাঙজিওমা – ডা. শেখ আবু সাঈদ শুভ
এটি একটি অতি সাধারণ রোগ। বাচ্চাদের সবচেয়ে বেশি এ রোগ দেখা যায়। শরীরের যে কোনো স্থানে এ রোগ হতে পারে। তবে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় মুখ, গাল, ঠোঁট, চোখের পাতা, ঘাড়, মাথা ইত্যাদি স্থানে। শরীরের ভেতরের অঙ্গগুলোতেও এ রোগ হতে পারে। সবচেয়ে বেশি হয় লিভার এ, তবে ক্ষুদ্রান্ত্র, বৃহদন্ত্র, কিডনি, ফুসফুস এমনকি মস্তিষ্কের ভেতরেও এ রোগ হতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে গভীর মাংসের ভিতরেও এরোগ হতে পারে।
 লক্ষণ :এরোগে সাধারণত কোনো ব্যথা বেদনা বা অন্য কোন সমস্যা হয়না। সাধারণত চামড়ার উপরের হেমাংজিওমা লালচে রঙের হয়।এগুলো চামড়ার তল থেকে উঁচু হয়ে যায়। চামড়া থেকে বেশি গভীরে হলে অনেক সময় নীল বর্ণের হয়ে থাকে।এর উপরের চামড়ার তাপমাত্রা বেশি থাকে আশেপাশের চেয়ে।
জটিলতা : চোখের পাতায় হলে দেখতে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে পারে, শ্বাসকষ্ট হতে পারে নাকের ভেতরে হলে। ।হটাৎ রক্তক্ষরন, ক্ষত তৈরী হওয়া, সৌন্দর্যহানি।
চিকিৎসা :
২ ধরণের চিকিৎসা বিদ্যমান : ১. ঔষধের সাহায্যে : ২. অপারেশন
আগে সবক্ষেত্রে অপারেশন লাগলেও এখন ৯৫% ক্ষেত্রেই অপারেশন প্রয়োজন হয়না। শুধুমাত্র মুখে খাবার ওষুধেই এ রোগ ভালো করা সম্ভব। সামান্য কিছু ক্ষেত্রে অপারেশন প্রয়োজন হয়।
কখন ডাক্তার দেখবেন : haemangioma দৃষ্টিগোচর হবার পর যত দ্ৰুত সম্ভব  ডাক্তারের শরণাপন্ন হওয়া উচিত। তা না হলে আপাতদৃষ্টিতে নিরীহ এ রোগ যে কোনো জটিলতা সৃস্টি করতে পারে।
সতর্কতা : এই বাচ্চাকে অপরিচিত কারো কাছে না দেয়া ভালো। অন্য কোনো বাচ্চার সাথে খেলার সময়ও বাচ্চা কে চোখে চোখে রাখা উচিত, যাতে এই টিউমারে কোনো আঘাত বা খোঁচা না লাগে। কারণ এক্ষেত্রে হটাৎ প্রচুর পরিমানে রক্তক্ষরণ শুরু হতে পারে যেটা সহজে বন্ধ হয়না। যদি কখনো হটাৎ রক্তক্ষরণ শুরু হয়, একটি পরিষ্কার কাপড় দিয়ে ঐ খানে চেপে ধরে রাখতে হবে এবং এভাবে ধরা অবস্থায় যত দ্রুত সম্ভব ডাক্তারের কাছে নিয়ে যেতে হবে। তা না হলে রুগী অতিরিক্ত রক্তক্ষরণজনিত কারণে রুগী রক্তশুন্য হয়ে যেতে পারে।
ডাঃ শেখ আবু সাঈদ শুভ
সহকারী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান
শিশু সার্জারি বিভাগ
সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল
চেম্বার : আনোয়ারা মেমোরিয়াল ক্লিনিক,
খুলনা রোড, সাতক্ষীরা
যোগাযোগ ০১৭২৯-৫৭৬ ৫৭৬
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বরিশালের সেই ইউএনও অবশেষে বদলি

অনলাইন ডেস্ক : বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগসহ সহযোগী সংগঠনের নেতাদের ওপর গুলির আদেশদাতা সেই ইউএনও মুনিবুর রহমানকে বদলি করা হয়েছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এজিপি অনুবিভাগের অভ্যন্তরীণ নিয়োগ শাখা থেকে বদলির প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে ১০ আগস্ট মন্ত্রণালয়ের উপসচিব আবুল ফাতে মোহম্মদ শফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে মাধ্যমে বদলি আদেশ জারি করা হলেও সেটি প্রকাশ পেয়েছে আজ মঙ্গলবার দুপুরে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, জনস্বার্থে বরিশাল সদর উপজেলার ইউএনও মুনিবুর রহমানকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এর আগে, গত বৃহস্পতিবার মেট্রোপলিটন পুলিশের কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি নুরুল ইসলাম পিপিএমকে বরিশাল থেকে সিলেট রেঞ্জে বদলি করা হয়।

১৯ আগস্ট (বুধবার) দিবাগত রাতের বরিশাল সদর উপজেলার ইউএনও সরকারি বাসভবনে আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের হামলা এবং সিটি করপোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহকে লক্ষ্য করে ইউএনওর নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত আনসার সদস্যদের গুলি বর্ষণের ঘটনার পর ইউএনও এবং ওসির বদলির প্রজ্ঞাপন প্রকাশ পায়।

বরিশাল জেলা প্রশাসক (ডিসি) জসীম উদ্দীন হায়দার জানিয়েছেন, ইউএনও মুনিবর রহমানের বদলি তার ইচ্ছায় গত ১০ আগস্ট হয়েছে। কিন্তু সদর উপজেলার এসি ল্যান্ড করোনা আক্রান্ত থাকায় তাকে কাজ চালিয়ে নিতে বলা হয়েছে। তিনি সুস্থ হয়ে কাজে যোগ দিলেই ইউএনও তার কাছে দায়িত্ব বুঝিয়ে দিয়ে চলে যাবেন। কাজেই ইউএনওর বদলি স্বাভাবিক।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
উন্নতমানের বীজ উৎপাদন সংরক্ষণ প্রকল্পের আওতায় এসএমই কৃষকদের পুরস্কার বিতরণ

প্রেস বিজ্ঞপ্তি :
কৃষক পর্যায়ে উন্নতমানের ডাল, তেল ও মসল্লা বীজ উৎপাদন সংরক্ষন ও বিতরণ প্রকল্পের আওতায় এসএমই কৃষকদের পুরস্কার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার সকাল ১১টায় খামারবাড়িতে অনুষ্ঠিত ও কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর আয়োজিত পুরস্কার বিতরন করেন প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক হুমায়ুন কবির। কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ নুরুল ইসলামের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি মমতাজ আহমেদ বাপী, কৃষিবিদ সাইফুল্লাহ সহ এসএমই কৃষকবৃন্দ।
বক্তারা জাতিরজনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের সোনারবাংলা গড়তে কৃষি প্রধান এদেশে কৃষক বাঁচাতে সরকার অঙ্গিকারাবদ্ধ। কৃষি উতপাদন বাড়াতে প্রধানমন্ত্রী সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছেন। সরকার চায় কৃষি পন্য আমদানি না করতে। আর সেজন্য কৃষি উতপাদন বাড়াতে কৃষকদের এগিয়ে আসার আহবান জানিয়ে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করতে বিশেষ পুরস্কাওে পুরস্কৃত করা হচ্ছে।
মান সম্মত বীজ উৎপাদন করায় কৃষক আব্দুর রশিদকে প্রথম, অমল কুমার সরকার দ্বিতীয় ও আতিয়ার রহমানকে তৃতীয় পুরস্কার প্রদান করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনিতে জামিনে বের হয়ে হত্যা মামলার আসামী মামলা তুলে নিতে হুমকি

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার আশাশুনিতে ৪ সপ্তাহের জামিনে বের হয়ে হত্যা মামলার আসামী বাদী ও বাদীর স্ত্রীকে মামলা তুলে নিতে খুন জখমসহ বিভিন্ন হুমকি ধামকির প্রতিবাদে হত্যাকারীর ফাঁসির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে এই সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন আশাশুনির বৈকরঝুটি গ্রামের মৃত রাজবিহারীর ছেলে শংকর সরকার।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন আমি একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। আমি দুটি সন্তানের জনক। আমার একমাত্র পুত্র সন্তান চন্দ্র শেখরকে গত ১৮ অক্টোবর ২০২০ তারিখ রাতে তারই বন্ধু আব্দুল মজিদের পুত্র মুবাশিশর শ^াসরোধ করে হত্যা করে। এঘটনায় আমি ২০ অক্টোবর ২০২০ তারিখে একটি মামলা দায়ের করি। উক্ত মামলায় আটক হয়ে মামলার একমাত্র আসামী মুবাশিশরকে কারাগারে প্রেরণ করে পুলিশ। আটকের পর ১৬৪ ধারায় মামলার একমাত্র আসামী মুবাশশির স্বীকারোক্তি মূলক জবান বন্দি প্রদান করে।

জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রাকিবুল ইসলামের সম্মুখে জবান বন্দিতে মুবাশিশর কিভাবে আমার একমাত্র পুত্রকে শ^াসরোধ করে হত্যা করে তার বর্ণনা দিয়েছে। এছাড়া আশাশুনি থানা পুলিশের তদন্তকারী কর্মকর্তা মুবাশিশের বিরুদ্ধে চার্জশীট দিয়েছেন। আটকের পর হত্যাকারী মুবাশিশর পুলিশের সামনে আমার পুত্রকে হত্যার পর কোথায় মোবাইল ফেলেছিল, সীম ফেলেছিল, লুঙ্গি ও জুতা তুলে দিয়েছিল। সে সময় ভিডিও করা আছে। তারপরও আসামী গত ৮ মার্চ‘২০ তারিখে আদালত থেকে ৪ সপ্তাহের জামিনে মুক্তি লাভ করে। এরপর বাড়িতে ফিরে আমাকে সহ আমার স্ত্রীকে মামলা তুলে নিতে খুন জখমসহ বিভিন্ন হুমকি দিচ্ছে। ৪ সপ্তাহের জামিন পেলেও প্রায় ১ বছর প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে ওই হত্যাকারী মুবাশিশর। এতেই ক্ষ্যান্ত নয় হত্যাকারী মুবাশিশর, প্রকাশ্যে হুমকি প্রদর্শন করে বলছেন,“মামলায় আমার কিছুই হবে না, মাত্র ৪ মাসের জমিনে আসলেও আর জেলে কেউ ঢোকাতে পারবেনা, সুতরাং মামলা তুলে নিলে তোকেও হত্যা করে আবার ২ মাস জেল খেটে বাড়ি আসবো। এছাড়া আমার স্ত্রীকেও রাস্তাঘাটে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ, লাঞ্চিতসহ বিভিন্ন হুমকি ধামকি প্রদর্শন করে যাচ্ছে। আমার স্ত্রী একমাত্র পুত্র সন্তানকে হারিয়ে পাগল প্রায় হয়ে গেছে। অথচ যে হত্যা করল সে হত্যার কথা স্বীকার করেও প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে। আবার মামলা তুলে নিয়ে হুমকিও দিচ্ছে। এতে আমার স্ত্রীসহ পরিবারের সদস্যরা হতাশা গ্রস্থ হয়ে পড়েছে। একদিনে সন্তান হারানোর বেদনা, অন্যদিকে আসামীর হুমকি-ধামকিতে আমরা অতিষ্ট।

তিনি আরো বলেন হত্যাকারী নিজেই স্বীকার করেছে কিভাবে হত্যা করেছে। তারপরও প্রকাশ্যে বুক ফুলিয়ে ঘুরে বেড়াতে পারে এটি আমাদের বুঝে আসে না। সন্তান যে হারিয়েছে সেই জানে এর যন্ত্রনা কতটা। সেই যন্ত্রনা নিয়ে সন্তান হত্যার আসামীর দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবিতে ঘুরে বেড়াচ্ছি। যাতে আর কেউ অন্যের কোল খালি করতে না পারে সে কারনে তিনি একজন পুত্র হারা পিতা হিসেবে ওই খুনিকে গ্রেফতারপূর্বক দ্রুত বিচার সম্পন্ন করে দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি ফাঁসির দাবিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

দেশের খবর : আলোচিত মেজর (অব.) সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যা মামলার বাদী তার বোন শারমিন শাহরিয়ার ফেরদৌস সাক্ষ্যে বলেছেন, টেকনাফের বরখাস্ত হওয়া ওসি প্রদীপ কুমার দাশের নির্দেশে ইন্সপেক্টর লিয়াকত আলীর গুলিতে সিনহা নিহত হয়েছেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের কাছ থেকে এ হত্যার বিস্তারিত বিবরণ জেনে ২০২০ সালের ৫ আগস্ট আদালতে মামলা দায়ের করেন তিনি।

সোমবার (২৩ আগস্ট) বিকেলে বাদী ও প্রথম সাক্ষী সিনহার বড় বোন শারমিন শাহারিয়ার ফেরদৌসের সাক্ষ্য ও জেরা আংশিক শেষ হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (২৪ আগস্ট) মামলার আসামি লিয়াকত আলী, প্রদীপ কুমার দাশ ও লিটন মিয়ার পক্ষে তাদের আইনজীবীরা জেরা করবেন তাকে।

জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ ইসমাইল বাদী শারমিনকে তিন আসামির পক্ষে অবশিষ্ট জেরা মঙ্গলবার (২৪ আগস্ট) সকাল থেকে শুরু করার আদেশ দিয়ে মামলার কার্যক্রম মুলতবী ঘোষণা করেন এবং দিনের অন্যান্য কার্যক্রমে চলে যান।

মামলার বাদী ও প্রথম সাক্ষী শারমিন তার সাক্ষ্যে আদালতে বলেন, ‘সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশের নির্দেশে বরখাস্ত হওয়া ইন্সপেক্টর লিয়াকত আলী মেজর (অব.) সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খানকে হত্যার উদ্দেশ্যে গুলি করেন। ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ঘটনাস্থলে এসে গুলিবিদ্ধ সিনহার মৃত্যু নিশ্চিত করেন।’

সাক্ষ্যগ্রহণের প্রথমদিন মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ও কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পিপি (পাবলিক প্রসিকিউটর) অ্যাডভোকেট ফরিদুল আলম, অতিরিক্ত পিপি অ্যাডভোকেট মোজাফফর আহমদ, এপিপি ও আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জিয়া উদ্দিন আহমদ শারমিনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন। প্রসিকিউশন পক্ষ বাদীর সাক্ষ্যগ্রহণ করার পর আসামিপক্ষের আইনজীবীরা তাকে একে একে জেরা করেন।

সাক্ষ্য গ্রহণকালে মামলার ১৫ জন আসামি আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। কড়া নিরাপত্তায় কক্সবাজার জেলা কারাগার থেকে তাদের সকালে আদালতে হাজির করা হয়।

সাক্ষ্যগ্রহণ ২৪ ও ২৫ আগস্ট পর্যন্ত চলবে। মামলার চার্জশিটভুক্ত প্রথম ১৫ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য আদালত থেকে নোটিশ দেওয়া হয়েছে বলে জানান পিপি ফরিদুল আলম। তিনি জানান, প্রতিদিন ৫ জন করে সাক্ষীর গ্রহণ করার কথা রয়েছে।

চলতি বছরের গত ২৭ জুন কক্সবাজারের জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ ইসমাইল মামলার চার্জ গঠন করে সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য্য করে আদেশ দেন। এ মামলায় ৮৩ জন চার্জশিটভুক্ত সাক্ষী রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest