সর্বশেষ সংবাদ-
প্রতাপনগরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মাদ্রাসার আরবি প্রভাষক রহমাতুল্লাহর মৃত্যুসাতক্ষীরায় প্রকৃতি ও জীবন ক্লাবের সাধারণ সভা: সভাপতি মুনির- সম্পাদক সামাদসাতক্ষীরায় ঘোড়ার মাংস গরু বলে বিক্রির অভিযোগে এক ব্যক্তি আটকসরকার গণতন্ত্রের পরিবর্তে জবরদখল ও দলীয়করণ শুরু করেছে: এমপি ইজ্জত উল্লাহআ.লীগ ও ভারতের সঙ্গে সমঝোতা করে দেশ চালাচ্ছে সরকার: নাহিদএনসিপির কমিটি পুনর্গঠন: পাটওয়ারী-হাসনাত-সারজিস-আসিফের পদোন্নতি৮১ বছরে জাতিসংঘ: বিশ্ব চায় প্রতিশ্রুতির কার্যকর বাস্তবায়ন – নিকোলাস বিশ্বাসএরশাদের ৯ বছরের শাসন আমলে দেশের মানুষ সবচেয়ে ভালো ছিল: সাবেক এমপি আশুসাতক্ষীরায় জামায়াতে যোগ দিলেন ইসলামী আন্দোলনের নেতা ফারুক হোসেনসাতক্ষীরায় পৌর ও সদর উপজেলা তাঁতীদল এর সাংগঠনিক আলোচনা সভা

আফগান শরণার্থীর ঢল ঢেকাতে সীমান্ত বন্ধ করল ইরান

বিদেশের খবর : আফগানিস্তান থেকে পালানো শরণার্থীদের ঢলের মুখে দেশটির সঙ্গে সীমান্ত বন্ধ করে দিয়েছে ইরান। দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা বিষয়টি বিবিসিকে নিশ্চিত করেছেন।

ইরানের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সীমান্ত বিষয়ক বিভাগের পরিচালক হোসেইন কাসেমি বলেছেন, সীমান্ত সংলগ্ন ইরানের তিনটি প্রদেশকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে আফগানিস্তানের ঘটনা প্রবাহ বিবেচনায় এবং ‘করোনাভাইরাস বিধিনিষেধের’ কারণে আফগানিস্তান থেকে আসা শরণার্থীদের তারা যেন ফিরিয়ে দেয়।

কয়েকদিন আগে তিনি বলেছিলেন আফগানিস্তান থেকে পালানো শরণার্থীর ঢল সামাল দিতে আফগান সীমান্তের কাছে শরণার্থী শিবির তৈরি করছে ইরান।

জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী, গত বছর অক্টোবর পর্যন্ত ইরানে আফগান শরণার্থীর সংখ্যা ছিল সাত লাখ ৮০ হাজার। চলতি বছর এর সংখ্যা কয়েকগুণ বেড়ে যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় মামা’র বিরুদ্ধে ভাগ্নের সংবাদ সম্মেলন

প্রেস বিজ্ঞপ্তি :
সাতক্ষীরায় মামা’র বিরুদ্ধে ভাগ্নেদের জমি দখলের চেষ্টায় বার বার হয়রানি এবং মিথ্যেচারের অভিযোগ উঠেছে। বুধবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে এই অবিযোগ করেন সদর উপজেলার পায়রাডাঙ্গা গ্রামের মৃত. জালাল উদ্দিন সরদারের ছেলে মোঃ মশিউর রহমান।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, পায়রাডাঙ্গা মৌজায় হাল ৩৬২ খতিয়ানের ২০৯ দাগে ১১ শতক সম্পত্তির মধ্যে পৌনি দুই শতক সম্পত্তি পৈত্রিক সূত্রে প্রাপ্ত হন মৃত. নুর আলী মোল্লার তিন ছেলে মোক্তার মোল্লা, শওকত মোল্লা ও লিয়াকত মোল্যা। তাদের প্রাপ্য সম্পত্তি তারা দীর্ঘদিন ধরে ভোগ দখলে আছেন। গত ৪ বছর পূর্বে আমাদের সম্পত্তিতে ভবন নির্মাণ কাজ করি। কিন্তু অর্থিক সংকটে
কাজ শেষ করতে পারেনি। সম্প্রতি ওই স্থানে আমরা নির্মাণ কাজ শুরু করলে শিবপুর ইউনিয়ন আ’লীগ সভাপতি শওকত আলীর ইন্ধনে শওকত মোল্লা ও লিয়াকত  মোল্যা বাধা দেয় এবং আমাদের সম্পত্তি অবৈধভাবে দখলের চেষ্ট করে। গত ১৯ জুলাই সদর থানায় আমাদের বিরুদ্ধে একটি মামরা করে। পুলিশ মিমাংসার জন্য পর পর দুইবার সময় নির্ধারণ করলেও তারা থানায় হাজির হয়নি। এমনকি তাদের অভিযোগের তদন্তপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এস আই জাকির তাদের ডাকলেও তারা থানায় আসেনি।

মশিউর রহমান আরো বলেন, মোক্তার মোল্লা, শওকত মোল্লা ও লিয়াকত মোল্যার মাতা রাহেলা খাতুন সম্পর্কে আমাদের নানী হন। আমাদের নানা মারা যাওয়ার পর নানী নুর আলীর সাথে বিয়ে করেন। নূর আলীর ঔরশ জাত সন্তান তারা। সে অনুযায়ী
তারা আমাদের নানা মৃত. আব্দুল গফুরের সাবেক স্ত্রী হিসেবে দুই আনা অংশ পাবেন। অন্যদিকে আমাদের নানার ঔরশজাত সন্তান একমাত্র আমাদের মাতা জবেদা খাতুন। উল্লেখিত মোক্তার মোল্লা, শওকত মোল্লা ও লিয়াকত গং আমাদের আপন মামা নন। এতদিন তারা শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল করলেও শুধুমাত্র ওই ইউনিয়ন আ‘লীগ সভাপতি শওকত আলীর ইন্ধনে আমাদেরকে হয়রানি করে আসছে। লিয়াকত গং গত ১৬ আগস্ট সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে ৪৬ শতক সম্পত্তির দাবি করে চরমভাবে মিথ্যোচার করেছেন। তারা উল্লেখিত দাগে সম্পত্তি পাবেন পৌনে  দুই শতক যা তাদের দখলে রয়েছে। তিনি আরো বলেন, আমি শিবপুর ইউনিয়নের ওয়ার্ড আ’লীগের সহ-সভাপতি হওয়ায় গত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে নৌকার পক্ষে কাজ করার
জন্য আমার বড়ভাই অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট আজিজুল ইসলাম একটি ঘর
অস্থায়ীভাবে নির্বাচনী অফিস করার জন্য দেন। কিন্তু আ‘লীগ নেতা শওকত আলী
ওই ঘরটি আ’লীগের নাম ভাঙ্গিয়ে উল্লেখিত ব্যক্তিদের নিয়ে পরবর্তীতে দখলের
চেষ্টা করেন। শওকত আমার প্রবাসী মেঝ ভাই হাফিজুর রহমান লাল্টুর বিরুদ্ধে
উল্লেখিত ব্যক্তিদের দিয়ে থানায় মিথ্যে মামলা দায়ের করে হয়রানি করে যাচ্ছে, যাতে সে আর বিদেশে যেতে না পারে। শওকতের কারণে শিবপুর ইউনিয়নের  মানুষ অতীষ্ট হয়ে উঠেছে। তিনি উল্লেখিত লিয়াকত গং ও আ’লীগ নোত শওকত মোল্লার চক্রান্তের হাত থেকে
রক্ষা পেতে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপার সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু
হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আফগানিস্তানে তালেবানের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে গুলি, নিহত ৩

বিদেশের খবর : আফগানিস্তানের পূর্বাঞ্চলীয় জালালাবাদ শহরে দেশটির জাতীয় পতাকা পরিবর্তন না করার দাবিতে রাস্তায় মানুষ বিক্ষোভ করেছে। এ বিক্ষোভের ছবি ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক মাধ্যমে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, বিক্ষোভের সময় গুলিতে ৩ জন প্রাণ হারিয়েছেন।

বিক্ষোভকারীরা আফগানিস্তানের জাতীয় পতাকা পরিবর্তন না করার জন্য তালেবানের প্রতি আহ্বান জানান। এ বিক্ষোভে তালেবান যোদ্ধারা গুলি ছুড়লে অন্তত ৩ জন নিহত হন বলে খবর পাওয়া গেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে বুধবার রয়টার্স জানায়, কাবুল থেকে প্রায় ১৫০ কিলোমিটার দূরে জালালাবাদ শহরের একটি চত্বরে স্থানীয় বাসিন্দারা আফগানিস্তানের জাতীয় পতাকা উত্তোলনের চেষ্টা করলে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

এ বিষয়ে জানতে তালেবানের মুখপাত্রদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে রয়টার্স। তবে, তারা তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেননি।

বিবিসি জানায়, বুধবার দেশটির কুনার প্রদেশ এবং খোস্ত-এসহ অন্যান্য এলাকা থেকে একই ধরনের বিক্ষোভের খবর পাওয়া গেছে। কোনো কোনো ভিডিও ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, যেখানে মানুষ জড়ো হয়েছে সেখানে গুলি ছোড়া হয়েছে।

তালেবান নানগারহার প্রদেশের জালালাবাদ শহরের নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করে রোববার সকালের দিকে। বিনা লড়াইয়ে শহরটি দখল করে তারা। এর মধ্যে দিয়ে আফগানিস্তান ও পাকিস্তান সংযোগকারী গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোরও নিয়ন্ত্রণ নেয় তালেবান।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, ওই এলাকার একদল মানুষ আফগানিস্তানের পতাকা হাতে নিয়ে মিছিল করে যাচ্ছেন। মিছিলের জনতাকে ছত্রভঙ্গ করতে গুলি ছোঁড়া হয়েছে বলে খবর এসেছে।

জালালাবাদ থেকে তোলা ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, বিক্ষোভকারীরা তালেবানের পতাকা সরিয়ে সেখানে আফগানিস্তানের সর্বশেষ পতাকা তুলছে। আশপাশে সমবেত জনতা সেদিকে তাকিয়ে হর্ষধ্বনি করছে।

তালেবান নতুন ঘোষিত ইসলামিক আমিরাত অব আফগানিস্তানের জন্য এখন পর্যন্ত যে পতাকাটি ব্যবহার করছে তাতে সাদার ওপর কালো হরফে কালেমা শাহাদাত লেখা আছে। বিক্ষোভকারীরা কালো, লাল এবং সবুজের যে তিন রঙা পতাকা মিছিলে ব্যবহার করেছে সেটি ক্ষমতাচ্যুত সরকারের প্রতিনিধিত্ব করে।

তালেবান মুখপাত্র জাবিউল্লাহ মুজাহিদ বলেছেন যে, ভবিষ্যতে দেশটির জাতীয় পতাকা কোনটি হবে তা নিয়ে এখন আলোচনা চলছে। নতুন সরকার এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা সদর থানা থেকে নিখোঁজ ডাঃ মোখলেছুর : সাবেক দু’ ওসি’র বিরুদ্ধে মামলার শুনানী ২৯ আগষ্ট

নিজস্ব প্রতিনিধি : পাঁচ বছর আগে সাতক্ষীরা সদর থানা লকআপ থেকে শহরের পারকুকরালির হোমিও চিকিৎসক ডাঃ মোখলেছুর রহমান জনি নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় তার বাবা শেখ আব্দুর রাসেদ এর আদালতে দায়েরকৃত অপহরণ, হত্যা ও লাশ গুমের মামলার শুনানী আগামি ২৯ আগষ্ট রোববার ধার্য করা হয়েছে। মঙ্গলবার মামলায় সংযুক্ত করা হাইকোর্টে দায়েরকৃত রিট পিটিশন, বিচার বিভাগীয় তদন্ত প্রতিবেদন ও পিবিআই প্রতিবেদনসহ বিভিন্ন কাগজপত্রের ছায়ালিপির জাবেদা নকল জমা দেওয়ার কথা উল্লেখ করে সাতক্ষীরার মুখ্য বিচারিক হাকিম মোঃ হুমায়ুন কবীর বুধবার এ আদেশ দেন। মামলায় সদর থানার তৎকালিন থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এমদাদ শেখ, ফিরোজ হোসেন মোল্লা ও উপপরিদর্শক হিমেলকে আসামী শ্রেণীভুক্ত করা হয়।

মামলা ও ঘটনার বিবরনে জানা যায়, ২০১৬ সালের ৪ আগষ্ট রাত সাড়ে ৯টার দিকে অসুস্থ বাবার জন্য বাইসাইকেলে ঔষধ কিনতে যেয়ে সাতক্ষীরা শহরের লাবনী সিনেমা হলের সামনে ফটোস্টাটের দোকান থেকে সদর থানার উপপরিদর্শক হিমেল শহরের পারকুকরালির শেখ আব্দুর রাশেদ এর ছেলে হোমিও চিকিৎসক মোখলেছুর রহমান জনিকে(২৭) থানায় ধরে নিয়ে যান। ৫,৬ ও ৭ আগষ্ট স্ত্রী জেসমনি নাহার রেশমা তার শ্বশুর ও স্বজনদের নিয়ে থানা লক আপে তাকে খাবার দিয়েছেন, তার সঙ্গে কথা বলেছেন। থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এমদাদুল হক শেখ ও উপপরিদর্শক হিমেলের সঙ্গে কথা বললে জনির জঙ্গি সম্পৃক্ততা রয়েছে বলে জানানো হয়। স্বামীর মুক্তির বিনিময়ে তৎকালিন থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ এমদাদ হোসেন ও উপপরিদর্শক হিমেল জনির স্ত্রী রেশমার কাছে দাবি করেন মোটা অংকের টাকা। ৮ আগষ্ট থানায় গেলে জনিকে পাওয়া যায়নি। ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ নেতা, পুলিশ সুপার, সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক, জনপ্রতিনিধি ও সাংবাদি দের জানিয়ে কোন লাভ হয়নি। পুলিশ সাধারণ ডায়েরী না নেওয়ায় সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করা হয়। অবশেষে ২০১৭ সালের ২ মার্চ হাইকোর্টে রিট পিটিশন (২৮৩৩/১৭) দাখিল করেন জেসমিন নাহার রেশমা। মামলায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ আটজনকে বিবাদী করা হয়। পরবর্তীতে আদালত মাখলেছুরকে ওই বছরের ১২ এপ্রিলের মধ্যে সাতক্ষীরার বিচারিক হাকিম আদালতে হাজির করানোর নির্দেশ এর পাশাপাশি ৯ মে এ সংক্রান্ত তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ঢাকা লিগ্যাল সেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এএসএম জাভিদ হাসানকে নির্দেশ দেওয়া হয়। প্রতিবেদন রিটকারির বিপক্ষে যায়।পরে আদালতের নির্দেশে ২০১৭ সালের বছরের ৩ জুলাই সাতক্ষীরার জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম হাবিবুল্লাহ মাহমুদ হাইকোর্টে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন।

প্রতিবেদনে থানা লক আপ থেকে ডাঃ জনির নিখোঁজ হওয়ার সত্যতা পাওয়া গেছে মর্মে প্রতীয়মান হয়। পরবর্তীতে এক আদেশে ওই বছরের ৩ অক্টোবরের মধ্যে এ সম্পর্কিত তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পিবিআইকে (পুলিশ ব্যুরো ইনভেসটিগেশন) নির্দেশ দেওয়া হয়। পিবিআই তদন্ত প্রতিবেদনে ডাঃ জনিকে থানায় এনে আটক রাখার সত্যতা মেলেনি বলে উল্লেখ করা হয়। ২০১৮ সালের ২৪ জানুয়ারি তদন্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা শেষে মহামান্য হাইকোর্ট ডাঃ জনি নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরী নিয়ে তার তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নেওয়ার জন্য থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এমদাদুল হক শেখ, ফিরোজ হোসেন মোল্লা ও উপপরিদর্শক হিমেল হোসেনের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা গ্রহণ ও একইসাথে তাদের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করা যেতে পারে বলে এক আদেশে উল্লেখ করেন। পরবর্তীতে বিভিন্ন জায়গার আইন সহায়তা চেয়ে না পেয়ে বিশিষ্ঠ মানবাধিকার কর্মী মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউণ্ডেশনের চেয়ারপার্সন অ্যাড. সুলতানা কামালের সহায়তায় নিখোঁজ জনি’র বাবা শেখ আব্দুর রাশেদ মঙ্গলবার সাতক্ষীরা মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন।

মামলায় আসামী সদর থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ এমদাদ হোসেন, ফিরোজ হোসেন মোল্লা ও উপপরিদর্শক হিমেলের বিরুদ্ধে জনিকে অপহরণ করে হত্যার পর লাশ গুমের অভিযোগ আনা হয়। মামলার নথিতে হাইকোর্টে দায়েরকৃত রিট পিটিশনের আদেশের জাবেদা নকল, রিট পিটিশন, বিচার বিভাগীয় তদন্ত প্রতিবেদন ও পিবিআই প্রতিবেদনের ছায়ালিপি জমা দেওয়া হয়।
এর আগে ২০১৮ সালে উপপরিদর্শক হিমেলের বিরুদ্ধে ৬/১৮, ও সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এমদাদ শেখ ও ফিরোজ হোসেন মোল্লার বিরুদ্ধে যথাক্রমে ১৬/২০ ও ১৭/২০ বিভাগীয় মামলা দায়ের করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কালিগঞ্জে নিরাপদ যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য অধিকার বিষয়ক চিত্রপ্রদর্শনী  

কা‌লিগ‌ঞ্জ প্রতি‌নি‌ধিঃ কালিগঞ্জে স্থানীয় পর্যায়ে কিশোর-কিশোরীদের নিরাপদ যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য অধিকার বিষয়ক  প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়েছে।  বুধবার বিকে‌লে সোহরাওয়ার্দী পার্ক সংলগ্ন এলাকায় এই চিত্রপ্রদর্শনী অনু‌ষ্ঠিত হয়।
বেসরকারি উন্নয়ন সংগঠন লিডা‌সের আয়োজনে এবং এশিয়ান প্যাসিফিক রিসোর্স এন্ড রিসার্চ সেন্টার ফর উইমেন এর আর্থিক সহযোগিতায় , যুব কিশোর- কিশোরীদের নিরাপদ যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য ও অধিকার অর্জনের ল‌ক্ষে উন্মুক্ত চিত্র প্রদর্শনী হয় ।

লিডাসের প্রোগ্রাম ম্যানেজার মনোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে ও শিল্পকলা একা‌ডে‌মির সাধারণ সম্পাদক সুকুমার দাশ বাচ্চুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খন্দকার রবিউল ইসলাম ।

এসময় বিশেষ অতিথি হি‌সেবে ছিলেন মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান দিপালী রানী ঘোষ ,প্রেসক্লাবের সভাপতি শেখ সাইফুল বারী সফু, সহ-সভাপতি শেখ আনোয়ার হোসেন, লিডাসের প্রকল্প সমন্বয়কারী শওকত আলী, প্রোগ্রাম অফিসার দেবব্রত গায়েন প্রমূখ। উ‌ল্লেখ‌্য কালিগঞ্জ ও শ্যামনগর উপজেলার ৪টি ইউনিয়নে যুব কিশোর-কিশোরীদের নিরাপদ যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য অধিকার অর্জন করার লক্ষ্যে এ প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কালিগঞ্জে প্রধানমন্ত্রীর উপহার খাদ্য বিতরণ করলেন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান

কা‌লিগঞ্জ প্রতি‌নি‌ধি :
কালিগ‌ঞ্জে ক‌রোনা ভাইরাস জনিত পরিস্থিতি ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ব‌্যা‌ক্তি‌দের মা‌ঝে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার হিসেবে খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। বুধবার দুপু‌রে উপ‌জেলার মহৎপুরে অব‌স্থিত জেলা প‌রিষদ সদস্যের নিজস্ব কার্যাল‌য়ে অসহায়, দুস্থ‌্য ব‌্যা‌ক্তি‌দের কে সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের মাধ্যমে এই খাদ‌্য সহায়তা বিতরণ করা হয়।

জেলা পরিষদ সদস্য ও উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি শেখ নুরুজ্জামানের সভাপতিত্বে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠা‌নে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব‌্য রা‌খেন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ নজরুল ইসলাম। অনুষ্ঠা‌নে বিশেষ অতিথি ছিলেন সাতক্ষীরা সদর আ’লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আব্দুর রশিদ , জেলা পরিষদের সদস্য আল ফেরদৌস আলফা , দেবহাটা উপজেলার মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান জিএম স্পর্শ প্রমুখ।

অনুষ্ঠা‌নে অা‌রো উপ‌স্থিত ছি‌লেন কা‌লিগঞ্জ প্রেসক্লা‌বের সহ-সভাপ‌তি শেখ আনোয়ার হোসেন , সাধারণ সম্পাদক সুকুমার দাশ বাচ্চু , যুবলীগের  নুরুজ্জামান খোকন , স্বেচ্ছাসেবক লী‌গের নুরুল হক , শেখ আরজু , এডভোকেট আব্দুস সাত্তার , আব্দুর রহমান প্রমূখ। অনুষ্ঠান শে‌ষে এলাকার ১২৫জন অসহায় ও দুস্থ‌্য ব‌্যা‌ক্তি‌দের মা‌ঝে ১০কেজি চাল, ৫ কেজি আলু ও ২কেজি ক‌রে ডাউল বিতরণ করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলারোয়ায় নিখোঁজের ২১ ঘন্টা পর শিশু মেহেদী হাসানের মরদেহ উদ্ধার

আসাদুজ্জামান : সাতক্ষীরা কলারোয়ায় ৭ বছর বয়সী মেহেদী হাসান নামের এক শিশু নিখোঁজের ২১ ঘন্টা পর তার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার দুপুরে বাড়ির পাশে হেলাতলা ইউনিয়নের দামোদরকাটি মাঠপাড়া সংলগ্ন সাড়াতলা রাস্তার ধারে পাটের আটির নিচ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এর আগে মঙ্গলবার (১৭ আগস্ট) বিকালে শিশুটি নিখোঁজ হয়।

নিহত শিশু মেহেদী হাসান (৭) উপজেলার হেলাতলা ইউনিয়নের দামোদরকাটি মাঠপাড়া এলাকার ইজিবাইক চালক মুহিদুল ইসলামের ছেলে।

শিশুটির বাবা মহিদুল ইসলাম জানান, প্রতিদিনের ন্যায় মঙ্গলবার বিকালে ইজিবাইক নিয়ে কাজের উদ্দেশ্যে বাহিরে বের হওয়ার পর সন্ধ্যায় বাড়ি থেকে তার স্ত্রী খাদিজা খাতুনের ফোন আসে মেহেদীকে কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। তাৎক্ষণিক বাড়িতে এসে এলাকাবাসীর সহযোগিতায় বিভিন্ন স্থানে এবং আশপাশে পুকুর ও জলাশয়ে খোঁজাখুঁজি করেও তাকে পাওয়া যায়নি।
শিশুর মা’ খাদিজা খাতুন ও প্রতিবেশী আসমা খাতুন জানান, মেহেদী ও একই বয়সী রাকিব মঙ্গলবার বিকালে দামেদরকাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে খেলতে গিয়েছিল। খেলা শেষে রাকিব বাড়িতে আসলেও মেহেদীকে কোথাও খুঁজে পাওয়া যায় নি। সন্ধ্যায় বড়িতে না আসলে সব জায়গাতে খোঁজাখুজি করেও তাকে পাওয়া যায়নি। আজ সাড়াতলা রাস্তার ধারের রাখা কয়েকটি পাটের আটির নিচে স্থানীয়রা মেহেদীর মরদেহ মাথা বের করা অবস্থায় দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয়।

নিহত মেহেদী হাসানের খেলার সাথী শিশু রাকিব হোসেন জানায়, গতকাল বিকালে তারা দুজন এক সাথে খেলা শেষ করে সে বাড়িতে এসে তার মায়ের কাছে ব্রজবাকসাতে যায়। কিন্তু মেহেদী কোথায় ছিল সেটা সে জানে বলে আরো জানায়।
কলারোয়া থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর খায়রুল কবীর জানান, শিশুর নিখোঁজের ঘটনায় গতকাল তার পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় একটি সাধারন ডায়েরী করেছিলেন। আজ দুপুরে পাটের আটির নিচ থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি আরো জানান, এ ঘটনায় থানায় এখনও পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ দেননি। তবে ঘটনার তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে ওসি আরো জানান।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলারোয়া পৌরসভায় এইচপি’র রেইন ওয়াটার হারভেস্টিং প্লান্ট উদ্বোধন

প্রেস বিজ্ঞপ্তি :  ওয়াস এসডিজি প্রকল্প’র আওয়াতায় হোপ ফর দি পুওরেস্ট (এইচপি)’র আয়োজনে কলারোয়া পৌরসভাতে রেইন ওয়াটার হারভেস্টিং প্লান্ট উদ্বোধন করা হয়।
মঙ্গলবার কলারোয়া পৌরসভার মেয়র মোঃ মনিরুজ্জামান বুলবুল প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্লানটি উদ্বোধন করেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলারোয়া পৌরসভার ৫ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মোঃ মেজবা উদ্দিন নিলু, অত্র পৌরসভার সহকারি প্রকৌশলী মোঃ ওয়াজিহুর রহমান, এবং আশা’র জেলা ব্যবস্থাপক মোঃ আশরাফুল ইসলাম, শাখা ব্যবস্থাপক মোঃ আশরাফুল আলমসহ অন্যান্য। সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন এইচপি আশা’র টাউন কোঅর্ডিনেটর মৃনাল কুমার সরকার। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা মোঃ শরিফুল ইসলাম খান, মোছাঃ রোকসানা পারভীন এবং স্যানিটেশন উদ্যোক্তা মোঃ শাহজাহান আলি। উদ্যোক্তা সাগরিকা বলেন রেইন ওয়াটার হারভেস্টিং প্লান্ট আমাদের জন্য খুবই ভাল একটি উদ্যোগ এবং এর পানি আমরা পান করতে পারবো এজন্য আমরা নিজেরা এটি সংরক্ষণ করবো। তিনি বলেন আমার পরিবারসহ আশপাশের অন্যরা ও এখান থেকে পানি সংগ্রহ করে পান করতে হবে। ে

বেটার লাইভ ইনিশিয়েটিভ প্রকল্পের অধীনে রেইন ফাউন্ডেশনের কারিগরী সহযোগিতা এবং আশা ও সিমাভী’র আর্থিক সহযোগিতায় এইচপি আশা কর্তৃক বাস্তবায়িত কলারোয়া পৌরসভার ৫ নং ওয়াডের ঝিকড়া গ্রামের সাগরিকার বাড়িতে রেইন ওয়াটার হারভেস্টিং প্লান্ট স্থাপন করা হয়। এই প্লান্টের মাধম্যে আশপাশে যারা সুপেয় পানি থেকে বঞ্চিত তাদের জন্য তাদের জন্য সুপেয় পানি প্রাপ্তি সহজ হবে। কলারোয়া পৌরসভায় সুপেয় পানির ঘাটতি আছে এবং এ ধরনের উদ্যোগ এই ঘাটতি পূরণে অবদান রাখবে বলে বক্তারা মনে করেন। বক্তারা বলেন এইচপি-আশা আরো বেশি পরিমানে এধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করবে বলে আশা ব্যক্ত করেন।

উল্লেখ্য, এইচপি নেদারল্যান্ডস ভিত্তিক দাতা সংস্থা সীমাভীর অর্থায়নে সাতক্ষীরা ও কলারোয়া পৌরসভায় ওয়াস বিষয়ক একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হলো ওয়াস উদ্যোক্তা তৈরী এবং সফল ওয়াস ব্যবসায়ী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা যা প্রত্যক্ষভাবে এলাকার ওয়াস ব্যবস্থার মান বৃদ্ধি করবে যেটি বাংলাদেশ সরকারের স্থায়িত্বশীল উন্নয়ন অভিষ্ট ২০৩০ অর্জনে অবদান রাখবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest