সর্বশেষ সংবাদ-
প্রতাপনগরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মাদ্রাসার আরবি প্রভাষক রহমাতুল্লাহর মৃত্যুসাতক্ষীরায় প্রকৃতি ও জীবন ক্লাবের সাধারণ সভা: সভাপতি মুনির- সম্পাদক সামাদসাতক্ষীরায় ঘোড়ার মাংস গরু বলে বিক্রির অভিযোগে এক ব্যক্তি আটকসরকার গণতন্ত্রের পরিবর্তে জবরদখল ও দলীয়করণ শুরু করেছে: এমপি ইজ্জত উল্লাহআ.লীগ ও ভারতের সঙ্গে সমঝোতা করে দেশ চালাচ্ছে সরকার: নাহিদএনসিপির কমিটি পুনর্গঠন: পাটওয়ারী-হাসনাত-সারজিস-আসিফের পদোন্নতি৮১ বছরে জাতিসংঘ: বিশ্ব চায় প্রতিশ্রুতির কার্যকর বাস্তবায়ন – নিকোলাস বিশ্বাসএরশাদের ৯ বছরের শাসন আমলে দেশের মানুষ সবচেয়ে ভালো ছিল: সাবেক এমপি আশুসাতক্ষীরায় জামায়াতে যোগ দিলেন ইসলামী আন্দোলনের নেতা ফারুক হোসেনসাতক্ষীরায় পৌর ও সদর উপজেলা তাঁতীদল এর সাংগঠনিক আলোচনা সভা

সাতক্ষীরায় পুলিশের অভিযানে ২৮ টি মোবাইল ফোন উদ্ধার : মালিকদের কাছে হস্তান্তর

আসাদুজ্জামান :
সাতক্ষীরায় পুলিশের অভিযানে উদ্ধার করা ২৮ টি মোবাইল ফোন তার মালিকদের কাছে ফিরিয়ে দেয়া হয়েছে। বিভিন্ন সময়ে এসব মোবাইল ফোন তার মালিকরা হারিয়ে ফেলেন।

শনিবার বেলা ১১টায় জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এসব মোবাইল ফোন তাদের মালিকদের নিকট হস্তান্তর করা হয় ।
সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ও দিক নির্দেশনায় জেলা পুলিশের আইসিটি শাখার একদল চৌকশ টিম জেলার বিভিন্ন শ্রেণীর মানুষের হারিয়ে যাওয়া কিংবা চুরি ও ছিনতাই হওয়া মোবাইল ফোন উদ্ধারের জন্য নিরলস ও নিরবিচ্ছিন্ন ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। এরই ধারাবাহিক ফল হিসেবে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে জুলাই মাসে মোট ২৮টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত ২৮টি মোবাইল ফোন মালিকদের সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে ডেকে এনে হস্তান্তর করা হয়।

মোবাইল ফোন হস্তান্তর অনুষ্ঠানে এ সময় উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর) মোঃ ইকবাল হোসেন, সহকারী পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলামসহ জেলা পুলিশের অন্যান্য কর্মকর্তাগণ।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘তালেবানের আহ্বানে কিছু বাংলাদেশি ঘর ছেড়েছেন’

দেশের খবর : ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম বলেছেন, সম্প্রতি বাংলাদেশে একটা প্রবণতা দেখা যাচ্ছে—তালেবানের পক্ষ থেকে আফগানিস্তানে যুদ্ধে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। আর, বাংলাদেশ থেকে কিছু মানুষ এরই মধ্যে তালেবানের সঙ্গে যোগদানের জন্য উদ্বুদ্ধ হয়েছে।’

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৬তম মৃত্যুবার্ষিকীর আগের দিন শনিবার (১৪ আগস্ট) ধানমণ্ডি ৩২-এ আয়োজিত নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়ে কথা বলার সময় সাংবাদিকদের এ কথা জানান মোহা. শফিকুল ইসলাম।

মোহা. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা ধারণা করছি—কিছু মানুষ আফগানিস্তানে যাওয়ার চেষ্টাকালে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থার হাতে গ্রেপ্তার হয়েছে। আর, কিছু মানুষ হেঁটে বিভিন্নভাবে আফগানিস্তানে পৌঁছানোর চেষ্টা করছে।’

‘জঙ্গিরা সাইবার ওয়ার্ল্ডে কার্যক্রম পরিচালনার জন্য তৎপর রয়েছে। জঙ্গিদের বিভিন্ন কর্মতৎপরতা পর্যবেক্ষণে ডিএমপিসহ বাংলাদেশের সব গোয়েন্দা সংস্থা নিরলসভাবে কাজ করছে’, যোগ করেন মোহা. শফিকুল ইসলাম।

এ ছাড়া মোহা. শফিকুল ইসলাম জানান, সাইবার ওয়ার্ল্ড জঙ্গিদের কর্মকাণ্ডের ওপর সাইবার পেট্রোলিং-এর মাধ্যমে নজরদারী অব্যাহত রেখেছে ডিএমপির কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট।

এ সময় মোহা. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আগামীকাল রোববার জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৬তম শাহাদৎবার্ষিকী। আপনারা বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে প্রবেশ করবেন। এবং আপনাদের মাস্ক পরতে হবে। মাস্ক পরিধান ব্যতীত কাউকে ভেন্যুতে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। যত দ্রুত সম্ভব শ্রদ্ধা জানিয়ে ভেন্যু ত্যাগ করতে হবে।’

ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘আগস্ট মাস বাঙালি জাতির জন্য একটি অভিশপ্ত মাস। জাতির পিতা ও তাঁর পরিবারকেই শুধু হত্যা করে ক্ষান্ত হয়নি ঘাতকেরা। পরবর্তী সময়ে আওয়ামী লীগকে নেতৃত্ব শূন্য করতে ২১ আগস্ট গ্রেনেট হামলা করা হয়েছিল।’

মোহা. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘ধানমণ্ডি ৩২ ও বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে আসা প্রত্যেক ব্যক্তিকে চেকপোস্টে আর্চওয়ের মাধ্যমে তল্লাশি করে নিরাপত্তা নিশ্চিত করে ভেন্যুতে প্রবেশ করানো হবে। প্রধানমন্ত্রী যতক্ষণ ভেন্যুতে অবস্থান করবেন, ততক্ষণ কাউকে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। বঙ্গবন্ধু যাদুঘর ও বনানী কবরস্থান পুরোটাই সিসিটিভির আওতায় থাকবে এবং আমরা এই দুটি ভেন্যু ডিএমপির ডগ স্কোয়াড দিয়ে সুইপিং করব। এ ক্ষেত্রে সবাই কর্তব্যরত পুলিশকে সহযোগিতা করবেন।’

পুলিশ কমিশনার আরও বলেন, ‘শোক দিবস উপলক্ষে পুরো মহানগরীজুড়ে অজস্র রাজনৈতিক সংগঠন দোয়া মাহফিলের আয়োজন করবে। সব মিলিয়ে ঢাকা মহানগরজুড়ে আমাদের জাতীয় শোক দিবসের যে কর্মসূচি থাকবে, সেটি যাতে যথাযথ মর্যাদা ও নিরাপত্তার সঙ্গে উদ্‌যাপিত হয়, সে ব্যাপারে আমরা অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে মহানগরীজুড়ে নিরাপত্তা বলয় গড়ে তুলেছি।’

এ সময়ে ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস্) কৃষ্ণ পদ রায়, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিবি) এ কে এম হাফিজ আক্তার, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (সিটিটিসি) মো. আসাদুজ্জামান, যুগ্ম পুলিশ কমিশনারগণ, উপপুলিশ কমিশনারগণসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
করোনায় মৃত্যু ও শনাক্ত কমল

দেশের খবর : করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ১৭৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে করোনায় মোট মৃত্যু হয়েছে ২৩ হাজার ৯৮৮ জনের।

শনিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। এর আগে শুক্রবার টানা ১৯ দিন পর মৃত্যুর সংখ্যা ২শর নিচে নামে। এদিন ১৯৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।

একই সময়ে দেশে করোনায় নতুন শনাক্ত হয়েছেন ৬ হাজার ৮৮৫ জন। ফলে দেশে করোনায় মোট শনাক্তের সংখ্যা হলো ১৪ লাখ ১২ হাজার ২১৮ জনে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় মোট ৩৩ হাজার ৩৩০ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার বিপরীতে রোগী শনাক্তের হার দাঁড়িয়েছে ২০ দশমিক ৬৬ শতাংশ।

২৪ ঘন্টায় সুস্থ ৭ হাজার ৮০৫ জন। এখন পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ১২ লাখ ৮১ হাজার ৩২৭ জন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ইসরাইলে আরব হত্যার সংখ্যা বাড়ছে

বিদেশের খবর : ইসরাইলের সংখ্যালঘু আরব জনগোষ্ঠীর ওপর সাম্প্রতিক সময়ে হত্যার ঘটনা বেড়েছে। দিন দিন এ প্রবণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে দেশটির বিভিন্ন জরিপে উঠে এসেছে।

এক পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে, ২০২০ সালে ইসরাইলে অপরাধের শিকার হয়ে প্রাণ হারিয়েছে ৯৭ জন আরব নাগরিক। সেই অনুপাতে ইহুদি জনগোষ্ঠীর মানুষ মারা গেছে এর অর্ধেকেরও কম।

ইসরাইলের জনসংখ্যার মাত্র প্রায় পাঁচ ভাগের এক ভাগ সংখ্যালঘু আরব জনগোষ্ঠী। কিন্তু সাম্প্রতিক কয়েক বছরে দেশটিতে হত্যার বেশিরভাগ ঘটনা ঘটেছে এই আরব জনগোষ্ঠীর মধ্যেই।

অ্যাব্রাহাম ইনিশিয়েটিভ গ্রুপ নামে একটি ইহুদি আরব সংগঠনের জরিপে এই পরিসংখ্যান উঠে এসেছে। দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে ইতিবাচক সম্পর্ক গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করছে সংগঠনটি।

তাদের জরিপে দেখা যাচ্ছে, এ বছরেও ইতোমধ্যেই ৬০ জন ইসরাইলি আরব অপরাধে প্রাণ হারিয়েছে।

ইসরাইলে আরব সম্প্রদায়ের যেসব মানুষ বাস করেন- যারা নিজেদের ‘ইসরাইলের ফিলিস্তিনি নাগরিক’ হিসাবে পরিচয় দিতে বেশি পছন্দ করেন, তত্ত্বগতভাবে ইসরাইল রাষ্ট্রে তাদের এবং দেশটির ইহুদি নাগরিকদের সমান অধিকার পাবার কথা। কিন্তু তারা নিয়মিতভাবেই বৈষম্যের অভিযোগ করেন।

মাদার্স ফর লাইফ নামে একটি সংস্থার অধিকার কর্মী মাইসাম জালজুলি বলেন, এই পরিসংখ্যান স্তম্ভিত হওয়ার মত। আগে আমরা ভাবতাম এধরনের অপরাধীরা নারী এবং শিশুদের গায়ে হাত দেয় না, কিন্তু এখন আর ওরা কাউকে ছাড় দিচ্ছে না।

তিন সন্তানের মা সুহা এপ্রিল মাসে কাজ করছিলেন পার্লারে। ভেতরে দুজন কাস্টমারও ছিলেন। মাথায় হুড লাগানো এক হামলাকারী খুব কাছ থেকে সুহাকে লক্ষ্য করে পাঁচ বার গুলি চালায়। এখনও পর্যন্ত তার হত্যার জন্য কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি।

নিহতদের শোকাহত পরিবারগুলো এবং আরব কর্মকর্তারা দাবি করছেন যে আরব অধ্যুষিত এলাকাগুলো সহিংসতায় জর্জরিত হয়ে ওঠার প্রধান কারণগুলোর মধ্যে অন্যতম হল পুলিশের নিষ্ক্রিয়তা।

ইসরাইলের উত্তরাঞ্চলের এক শহরের বাসিন্দা এক আরব মা বলেন, আমি শোকে পাগল হয়ে গিয়েছিলাম। মনে হচ্ছিল আমাকেই কেউ খুন করেছে, বা আমার চোখ উপড়ে নিয়েছে। ওরা আমার ছেলেকে খুন করেছে। সে ছিল আমার একমাত্র ছেলে।

‘পুলিশ কিছুই করছে না। আরব সম্প্রদায়ের মধ্যে এধরনের ঘটনা ঘটলে তারা গায়ে মাখে না,’ তিনি কাঁদতে কাঁদতে বলছিলেন।

হারেৎস সংবাদপত্রের খবর অনুযায়ী, এ বছর যত হত্যার ঘটনা ঘটেছে, পুলিশ তার মধ্যে আরবদের হত্যার মাত্র ২৩ ভাগ ঘটনায় পদক্ষেপ নিয়েছে বা হত্যার কিনারা করেছে। সে তুলনায় ইহুদিদের হত্যার ৭১ ভাগ ঘটনা পুলিশ সমাধান করেছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গত প্রায় এক দশক ধরে পুলিশ ইহুদি ইসরাইলি কুখ্যাত গুণ্ডা আর অপরাধীদের বিরুদ্ধে বড়ধরনের দমন অভিযান চালিয়েছে। আর এরপর থেকেই সংগঠিত অপরাধ চক্রগুলোর কার্যকলাপ আরব অধ্যুষিত এলাকাগুলোয় বহু গুণ বেড়ে গেছে। তাদের মতে এরা আরব এলাকায় তাদের নতুন ঘাঁটি গেড়েছে।

তারা বলছেন, ভারী অস্ত্র শস্ত্র নিয়ে গ্যাংগুলো এখন আরব এলাকাগুলোয় সুরক্ষার নামে গুণ্ডামি, চাঁদাবাজি করছে, তারা সেখানে দারিদ্রের সুযোগ নিয়ে নানাধরনের মহাজনি কারবার এবং অর্থ লেনদেনের একচ্ছত্র আধিপত্য গড়ে তুলেছে, মানুষজনকে হুমকি দিচ্ছে এবং লোকদের ব্ল্যাকমেইল করছে।

ইসরাইলের বর্তমান জোট সরকারে এই প্রথমবারের মত একটি ইসলামপন্থী আরব পার্টিকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এই সরকার সামগ্রিক সব বিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহণের প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে। সূত্র: বিবিসি বাংলা

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় খানবাহাদুর আহছানউল্লাহ রচিত বুক কর্ণারের উদ্বোধন

আসাদুজ্জামান : সাতক্ষীরা শহরের প্রানকেন্দ্রে হজরত খানবাহাদুর আহছানউল্লাহ (র.) এর রচিত বুক কর্নারের (বিক্রয় কেন্দ্র) উদ্বোধন হয়েছে। শনিবার বেলা ১১টায় শহরের পাকাপুলের মোড়ে বইসাগর লাইব্রেরীতে আনুষ্ঠানিকভাবে এই বুক কর্ণারের ভার্চুয়ালি উদ্বোধন করেন, নলতা কেন্দ্রীয় আহ্ছানিয়া মিশনের সভাপতি ও সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. আ.ফ.ম রুহুল হক এম.পি।

খানবাহাদুর আহছ্ানউল্লা ইনস্টিটিউটের মহা পরিচালক এ.এফ.এম এনামুল হকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি বক্তব্য দেন, সাতক্ষীরা আহ্ছানিয়া মিশনের সভাপতি ও সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মোহম্মদ হুমায়ূন কবির।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন, নলতা কেন্দ্রীয় আহ্ছানিয়া মিশনের সহ-সভাপতি ড. কাজী আলী আজম, সাধারন সম্পাদক মো. এনামুল হক, আহছ্ানউল্লা ইনস্টিটিউটের পরিচালক মো. মনিরুল ইসলাম, নলতা শরীফ শাহী জামে মসজিদের ছানি ইমাম মো. শামছুল হুদা, সাতক্ষীরা আহ্ছানিয়া মিশনের সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান উজ্জল প্রমূখ।
এসময় জানানো হয়, এই বুক কর্ণার উদ্বোধনের মধ্যে দিয়ে পীরে কামেল খানবাহাদুর আহছানউল্লাহ (র.) এর রচিত শতাধিক বইয়ের পাশাপাশি তাকে নিয়ে লেখা গ্রন্থবলী এখান থেকে পাঠকরা ক্রয় করতে পারবেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
করোনা প্রতিরোধে মাক্স পরিধান ও হাত ধুতে উদ্বুদ্ধ করনে ফ্রি স্বাস্থ্য সুরক্ষা বিতরণ

নিজস্ব প্রতিনিধি : করোনা ভাইরাসের সংক্রমন প্রতিরোধে জনগনকে মাক্স পরিধান ও হাত ধোয়ায় উদ্বুদ্ধ করনের লক্ষে ব্রাকের পক্ষ থেকে ফ্রি মাক্স ও সাবান বিতরণ করা হয়েছে।

শনিবার সকালে ব্রাক ওয়াশ প্রকল্পের আওতায় সাতক্ষীরা পিএন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে স্থাপিত হ্যান্ড ওয়াশিং স্টেশনে দুইশতাধিক সাধারণ মানুষের মাঝে ৫টি মাক্স ও ১টি সাবান বিতরণ করা হয়। এ সময় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে সাধারণ মানুষের মাঝে মাক্স ও সাবার তুলে দেন পিএন স্কুল এন্ড কলেজের সহকারি প্রধান শিক্ষক শেখ হাফিজুর রহমান।
সেখানে উপস্থিত ছিলেন, ব্রাক ওয়াশ কর্মসূচির সাতক্ষীরার এরিয়া সুপারভাইজার মোঃ দেলোয়ার হোসেন, ব্রাকের সাতক্ষীরা সদর উপজেলা ম্যানেজার জাকির হোসেন খান, ওয়াশ প্রকল্পের সংগঠক মোঃ হাফিজুর রহমান এবং ওয়াশ প্রকল্পের মাঠ সংগঠক বিউটি মন্ডল।

এসময়, ব্রাক ওয়াশ কর্মসূচির এরিয়া সুপার ভাইজার মোঃ দেলোয়ার হোসেন জানান, সাতক্ষীরা সদরের বিভিন্ন জায়গায় ব্রাক ওয়াশ প্রকল্পের আওতায় একশতটি হ্যান্ড ওয়াশিং স্টেশন স্থাপিন করা হয়েছে। করোনা ভাইরাসের সংক্রমন প্রতিরোধে জনগনকে মাক্স পরিধান ও হাত ধোয়ায় উদ্বুদ্ধ করনের লক্ষে প্রতি স্টেশনে ২০০ জন করে একশটি স্টেশনে মোট ২০ হাজার সাধারণ মানুষের মাঝে ফ্রি ৫টি করে মাক্স ও ১টি করে সাবান বিতরণ করা হচ্ছে এবং এই কার্যক্রম চলমান থাকবে। ##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলারোয়ায় কালভার্ট বন্ধ করে ধান- ঘরবাড়ি ও মাছ বিনষ্টের অভিযোগে মানববন্ধন

নিজস্ব প্রতিনিধি:
কলারোয়ায় কালভার্ট বন্ধ করে আমন ধান, ঘরবাড়ি, পুকুরের মাছ বিনষ্টকারার অভিযোগে তাদের শাস্তির দাবিতে সাতক্ষীরার কলারোয়া প্রেসক্লাবের সামনে এক মানব বন্ধন কর্মসূচী পালিত হয়েছে।

মানব বন্ধন কর্মসূচীতে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট সমাজসেবক শেখ শহিদুল ইসলাম, কবি আজগর আলী, কাউন্সিলর শেখ ইমাদুল ইসলাম, শাহাজাহান মোড়ল, মোশারফ হোসেন, মতিয়ার রহমান, জিয়াউর রহমান, হযরত আলী খাঁ, ওয়াজেদ আলী গাজী, জিয়াদ মোল্লা প্রমুখ।

এর আগে গত ২৪ জুলাই কলারোয়া পৌরসদরের উত্তর মুরারীকাঠি হাবুজেলের দুই ওয়ার্ডের একমাত্র পানি নিষ্কাশনের কালভার্টটি বন্ধ করে দেয় ৭ নং ওয়ার্ডে নেতৃত্বদানকারী কলারোয়া পৌরসদর আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক শহিদুল ইসলাম ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা বলে অভিযোগ উঠেছিল ।

দীর্ঘদিন কালভার্ট বন্ধ থাকার ফলে ৮নং ওয়ার্ডের সাধারণ কৃষকের আমন ধান, ঘরবাড়ি, পুকুরের মাছ বিনষ্টকারীদের শাস্তির দাবিতে মানব বন্ধন কর্মসূচী পালিত হয়।

এদিকে ৩০ জুলাই সকালে লোকজন নিয়ে ৮নং ওয়ার্ডের বাসিন্দারা ওই কালভার্টের বাধ কেটে দিলে প্লাবিত হয় ৭নং ওয়ার্ডের আড়াই হাজার জমির ফসল তলিয়ে যায়। এঘটনায় কলারোয়া উপজেলা চেয়ারম্যানকে দোষারোপ করে ৭নং ওয়ার্ডের মানুষ মানববন্ধন, সংবাদ সম্মেলনসহ বিভিন্ন কর্মসুচি পালন করে। এছাড়া ১২ আগষ্ট পঁচা ধান দিয়ে সাতক্ষীরা ডিসি অফিস চত্বরে প্রতীকী অবস্থান কর্মসুচিও পালন করে তারা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভোমরা স্থলবন্দরে সড়কের বেহাল দশা ॥ প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দরে সড়কের বেহাল দশা। রাস্তাটির ছালচামড়া উঠে খানা খন্দে পরিণত হয়েছে। বিশেষ করে বন্দরের জিরো পয়েন্ট থেকে স্থলবন্দরের প্রায় সাড়ে ৩ কিলোমিটার রাস্তাটির পীচ উঠে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। রাস্তার উপরে গর্ত ছাড়াও রাস্তার দুধার বসে গিয়ে রাস্তার মধ্যভাগ উচু গেছে। এর ফলে ট্রাক চলাচল করতে ব্যপক দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। এ কারণে ভারত থেকে আসা পন্যবাহী ট্রাকগুলো প্রতিনিয়ত পড়ছেন নানা সংকটে।

বন্দরের একাধিক ব্যবসায়ীরা জানান, এ বন্দর দিয়ে প্রতিদিন প্রায় ৩শ ট্রাক আসে ভারত থেকে। যে বন্দর থেকে কোটি কোটি টাকা রাজস্ব আদায় করে সরকার। সে বন্দরের রাস্তা বেহাল অবস্থায় দীর্ঘদিন পড়ে থাকলেও এটা নিয়ে যেন কারো কোন মাথা ব্যথা নেই। রাস্তাটি এতই খারাব যে ট্রাক তো দুরের কথা সাধারণ মানুষও চলাচল করতে পারে না। এ বিষয়ে সড়ক ও জনপদ বিভাগ কে বারবার বলার পরও তারা এদিকে কর্ণপাত করছে না। রাস্তাটি এ অবস্থায় বেশিদিন থাকলে বন্দরে আমদানি রপ্তানি বন্ধ হয়ে যেতে পারে। সড়ক ও জনপদ বিভাগের কর্মকর্তাদের গাফিলতির কারণেই এটি হচ্ছে বলে ব্যবসায়ীরা দাবি করেন।

সড়ক জনপদ সুত্রে জানা গেছে, আলীপুর থেকে ৬ কিলোমিটার পিচের রাস্তার জন্য ব্যয় ধরা হয় ২১ কোটি ২৫ লাখ ৮২ হাজার টাকা এবং ভোমরা পর্যন্ত ৩ কিলোমিটার সড়কের জন্য ব্যয় ধরা হয় ২২ কোটি ৪৩ লাখ ৮৭ হাজার টাকা। দুই ধাপেরই কাজ পায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান হাইটেক কনস্ট্রাকশন। কার্যাদেশ দেওয়া হয় ২০২০ সালের ২১ ডিসেম্বর, কাজ শেষ হওয়ার কথা আগামী ২০ সেপ্টেম্বর। তবে এখন পর্যন্ত কাজই শুরু করেনি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।

এবিষয়ে ভোমরা সিএন্ডএফ কর্মচারী এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো: নাজমুল আলম মিলন বলেন, রাস্তাটি দীর্ঘদিন ভঙ্গুর অবস্থায় থাকায় আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। ঠিকাদার এবং সড়ক জনপদ একটি নজর দিলে দ্রুত একটির সমাধান হতো।

এ সম্পর্কে হাইটেক কনস্ট্রাকশনের প্রকৌশলী কাজী কাশেদুল হক জানান, করোনা, বিধিনিষেধ ও ভারত থেকে পাথর আনতে না পারায় সড়কের সাড়ে ছয় কিলোমিটারের কাজ যথাসময়ে শুরু করা যায়নি। সেপ্টেম্বর থেকে শুরু করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করা হবে। আর সড়কের তিন কিলোমিটার অংশ ঢালাই হবে, এ জন্য নকশা পরিবর্তন করা হয়েছে। নতুন নকশা না পাওয়া পর্যন্ত কাজ শুরু করতে পারছেন না তাঁরা।

সাতক্ষীরা সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, এ বন্দর দিয়ে প্রতিদিন তিন শতাধিক পণ্যবাহী ট্রাক আসে ভারত থেকে। বাংলাদেশ থেকেও পণ্যবাহী গাড়ি যায়। সড়ক দিয়ে দিনে ৭০০-৮০০ ট্রাকসহ অন্যান্য গাড়ি চলাচল করে। ভোমরা বন্দরের জিরো পয়েন্ট থেকে তিন কিলোমিটার এতই খারাপ যে ট্রাক তো দূরের কথা, মানুষও চলাচল করতে পারে না। সড়কের ছাল–চামড়া উঠে খোয়া বেরিয়ে গেছে। সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় গর্তের। যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে।

সাতক্ষীরা সওজের নির্বাহী প্রকৌশলী মীর নিজামউদ্দীন আহমেদ বলেন, ভোমরা বন্দর থেকে তিন কিলোমিটার সড়ক ঢালাই হবে। নকশা পরিবর্তনের বিষয়টি সংস্থার প্রধান প্রকৌশলীর দপ্তরে রয়েছে। নকশা পরিবর্তন হয়ে না এলে কাজ শুরু করতে পারছেন না ঠিকাদার। বাকি ছয় কিলোমিটার সড়ক হবে পিচের। আগামী সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে কাজ শুরু হবে বলে জানিয়েছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest