সর্বশেষ সংবাদ-
প্রতাপনগরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মাদ্রাসার আরবি প্রভাষক রহমাতুল্লাহর মৃত্যুসাতক্ষীরায় প্রকৃতি ও জীবন ক্লাবের সাধারণ সভা: সভাপতি মুনির- সম্পাদক সামাদসাতক্ষীরায় ঘোড়ার মাংস গরু বলে বিক্রির অভিযোগে এক ব্যক্তি আটকসরকার গণতন্ত্রের পরিবর্তে জবরদখল ও দলীয়করণ শুরু করেছে: এমপি ইজ্জত উল্লাহআ.লীগ ও ভারতের সঙ্গে সমঝোতা করে দেশ চালাচ্ছে সরকার: নাহিদএনসিপির কমিটি পুনর্গঠন: পাটওয়ারী-হাসনাত-সারজিস-আসিফের পদোন্নতি৮১ বছরে জাতিসংঘ: বিশ্ব চায় প্রতিশ্রুতির কার্যকর বাস্তবায়ন – নিকোলাস বিশ্বাসএরশাদের ৯ বছরের শাসন আমলে দেশের মানুষ সবচেয়ে ভালো ছিল: সাবেক এমপি আশুসাতক্ষীরায় জামায়াতে যোগ দিলেন ইসলামী আন্দোলনের নেতা ফারুক হোসেনসাতক্ষীরায় পৌর ও সদর উপজেলা তাঁতীদল এর সাংগঠনিক আলোচনা সভা

কলারোয়া লাঙ্গলঝাড়ায় বয়স্ক ভাতার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

কলারোয়া প্রতিনিধি:
সাতক্ষীরা কলারোয়া উপজেলার লাঙ্গলঝাড়া ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ড রুদ্রপুরে বয়স্ক ভাতার টাকা উত্তোলন করে আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে।

রুদ্রপুরের ইউসুপের ছেলে লাল্টু গত জুলাই মাসে ১৮ তারিখে উক্ত গ্রামের ফুলজাহান বিবির বয়স্ক ভাতার টাকা উত্তোলন করে দেওয়ার নাম করে ৬ হাজার টাকা আত্মসাত করছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী ফুলজাহানর বিবি।

সরেজমিনে গিয়ে ভুক্তভোগীর অ্যাকাউন্ট চেক করে জানা গেছে, ৬ হাজার টাকা লাল্টু যে বিকাশ এজেন্টের নাম্বারে তার এলাকার মানুষের টাকা পাঠাত সেই একই নাম্বারেই গেছে। সেটার প্রমানও আছে।

ভুক্তভোগী অভিযোগ করে বলেন, শুধু লাল্টুর কাছেই গিয়েছিলাম টাকা উঠানোর জন্য আর কোথাও যাইনি। কিন্তু ভুক্তভোগী লাল্টুর কাছ থেকে একটি টাকা ও পাইনি। এই গরীব অসময়ে মহিলার ৬ হাজার টাকা হাওয়া হয়ে গেছে। কিন্তু এই ৬ হাজার টাকার দায় ভার লাল্টু কিংবা ওই বিকাশ এজেন্ট কেউই নিতে চাচ্ছে না।

ভুক্তভোগী ফুল-জাহানের স্বামী আফছার সরদার বলেন, আমি লাল্টু কাছে মোবাইল ফোন নিয়ে গেলে ও বলে চাচা এখনো তোমার টাকা আসে নাই।আমি পরবর্তীতে আবার ওর দোকানে গেলে বলে চাচা তোমার ফোনে ১৫০০ টাকা আছে। তুমি চাও তো এই ১৫০০ টাকা তুলে নিয়ে যাও। তোমার ফোনে টাকা আসবে ৩০০০ তবে এখন ১৫০০ টাকা আসচ্ছে পরে আর ১৫০০ টাকা আসবে। আমি এটা শুনে বলি টাকা আসার কথা ৬০০০ তা ১৫০০ কেনো আসবে। আমি ১৫০০ টাকা উঠাবো না।এটা বললে লাল্টু বলে পরে তাহলে আর ১৫০০ আসলে তাই এসেনি। আমি পরবর্তীতে টাকা তুলতে গেলে ও আমাকে বলে চাচা তোমার মোবাইলে টাকা নাই।তবে আমি আমার এই মোবাইল আমি লাল্টুর কাছে ছাড়া আর কারোর কাছে দেই নাই বা জাই নাই।আমাদের টাকা ওই লাল্টুই নিচ্ছে।

ভুক্তভোগী ফুল-জাহান বিবি বলেন, আমরা অসহায় বলে সরকার আমাদের টাকা দিচ্ছে। সেই টাকা লাল্টুর কাছে উত্তোলন করতে গেলে সে আত্মসাত করে। আমার পিনকোট নিয়ে ও টাকা তুলে নেয়। আমি ও আমার স্বামী ওর কাছে অনেক বার গেছি কিন্তু বার বার বলে টাকা আসে নাই। আমি কি করবো এখন?
আমরা মোবাইলের সম্পর্কে কিছু বুঝি না বলে আমার টাকা তুলে নিচ্ছে আর বুঝতেই পারি নাই। আমি সরকারের কাছে এর বিচার চাই।

অভিযুক্ত লাল্টু বলেন, ফুলজাহানের টাকা ওনারা অন্য জায়গা থেকে টাকা তুলে নিয়ে এখন আমার দোস দিচ্ছে আমি ওদের টাকা তুলে নেয় নাই। তবে ওদের টাকা ওটানো হয়েছে ১৮ জুলাই আর ওনারা আমার কাছে টাকা তুলতে আছে ২০জুলাই। ২০ জুলাইয়ের আগে আমার কাছে আসে নাই।

আপনি যে বিকাশ এজেন্টর সাথে লেনদেন করেন সেই এজেন্টের নাম্বারে আপনার মাধ্যমে নাকি এই ৬০০ হাজার টাকা উুকানো হয়েছে, এমন প্রশ্নের জবাবে লাল্টু বলেন, আমি এই ৬০০০ হাজার টাকা ওনার নাম্বারে ঢুকায় নাই ওই গ্রহকের নাম্বার থেকে।

বিকাশ এজেন্ট শফিউল্লা বলেন, লাল্টু দীর্ঘ দিন ধরে আমার সাথে লেনদেন করে আসছে। ওনার গ্রামের কেউ আমার দোকানে এসে টাকা তুলে নিয়ে যাই নাই। ওনারা কেউ আমার দোকান ও সঠিক ভাবে মনে হয় চেনে না। আমার নাম্বারে ওনি টাকা মেরে দিতো,দিয়ে ওনি টাকা নিয়ে যেতো প্রতিদিন ৩০-৪০ হাজারের মত। এর কোনো দাই ভার আমার ছিলো না। ১৮ জুলাই এর ঘটনার জন্য আমি দুঃখীত।

উপজেলা সমাজ সেবা অফিসারের কাছে উক্ত বিষয়ে যানতে চাইলে তিনি বলেন, ওই লাল্টুর নামে আমার কাছে অভিযোগ আছে। স্থানীয় ভাবে দেখেন আগে বিচার সালি করে টাকা দেই কি না। না হলে ডিজিটাল আইনে মামলা করে দিন। আপনারা আপনাদের মত করে ব্যবস্ত নিন আমি আমার মত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করছি। আপনাদের সর্বত্র সহযোগিতা করবো। চোর ব্যাটপারদের কোনো রকম ভাবে ছাড়া দেওয়া হবে না।

উক্ত বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার জুবায়ের হোসেন চৌধুরীর কাছে অভিযোগ দিতে গেলে ওনি অভিযোগটি গ্রহণ করেন ও বলেন বিষয়টা গুরুত্বর সহি দেখছি আমি।

উল্লেখ : লাল্টু যে বিকাশ এজেন্টের নাম্বারে তার এলাকার মানুষের টাকা পাঠাতো সেই একই নাম্বারে এই ৬০০০ টাকাও ডুকানো হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলারোয়ায় পানি নিস্কাশনের দাবিতে আন্দোলনরত দুই কৃষক আইসিটি মামলায় আটক !

নিজস্ব প্রতিনিধি :
কলারোয়ায় পানি নিস্কাশনের দাবিতে আন্দোলনরত দুই কৃষকের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা দায়ের করেছে উপজেলা চেয়ারম্যান। ইতোমধ্যে তাদের আটকও করেছেন পুলিশ।
১২ আগস্ট বৃহস্পতিবার কলারোয়া উপজেলা চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম লাল্টু বাদী হয়ে কৃষক আমজাদ হোসেন ও নেছার আলীর বিরুদ্ধে কলারোয়ায় থানায় ২৫(১)২৯(১)৩১(২) ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন-২০১৮, আক্রমনাত্মক ভাবে মানহানীর উদ্দেশ্যে ইন্টারনেটের মাধ্যমে মিথ্যা তথ্য প্রকাশ করিয়া জনসাধারনের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টির অপরাধে একটি মামলা ইং ১০(৮)২১ দায়ের করেন।
উক্ত মামলার উপজেলা পৌর সদরের মুরারীকাটি গ্রামের মৃত বাবুর আলীর সানার ছেলে আমজাদ হোসেন সানা (৫০) ও একই গ্রামের মোমিন গাজীর ছেলে নেছার আলী গাজী (৫৩) কে পুলিশ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আটক করেন।

জানা গেছে, কলারোয়া উপজেলার মুরারীকাটি, কুমারনল ও কাশিয়াডাঙ্গা গ্রামের বিলটিতে ২১ বছর যাবত জলাবদ্ধতা থাকায় তিন গ্রামের সমন্বয়ে ধান চাষের জন্য একটি সেচ কমিটি গঠন করা হয়। সেই কমিটির মাধ্যমে বিদ্যুতের শক্তিশালী মিটার ও পাম্প স্থাপন করে লক্ষ লক্ষ টাকা ব্যয় করে পানি নিস্কাশন করে ধান চাষের উপযোগী করা হয়। চলতি মৌসুমে আড়াই হাজার বিঘা জমি স্ব-স্ব কৃষক ধান চাষ করেন। পূর্বের জলাবদ্ধতার কারণে কলারোয়া উপজেলা চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম লাল্টু জবর দখল করে একটি মৎস্য ঘের করে। সেচের কারণে তার ঘেরের পানি শুকিয়ে যায়। সম্প্রতি বর্ষার কারণে পানি জমে ধানের ক্ষতি হতে পারে ভেবে উজানের একটি কালভার্টের মুখ আটকিয়ে দেওয়া হয় এবং পাশ^বর্তী সরকারি চাঁন মল্লিকের খাল দিয়ে পানি বেত্রাবতীনদীতে নামানোর জন্য একটি শক্তিশালী পাম্পের ব্যবস্থা করেন। কিন্তু চেয়ারম্যান লাল্টু তার অবৈধ মৎস্যঘের রক্ষায় ঘেরে পানি ঢোকানোর জন্য খালের মুখ বন্ধ করে কালভার্টের মুখটি খুলে দিয়ে আড়াই হাজার বিঘা ধানী ফোলন্ত জমিতে পানি প্রবাহিত করে। ফলে সেখানে সমস্ত ধান পঁচে নষ্ট হয়ে গেছে। এতে প্রায় ২ হাজার প্রান্তিক কৃষক মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। এঘটনায় কৃষকরা তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন এবং ১২ আগস্ট সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে পাঁচা ধান দিয়ে অবস্থান কর্মসূচি এবং স্মারকলিপি প্রদান করে। এতে উপজেলা চেয়রাম্যানের সম্মানের হানি হয়েছে এমন অভিযোগ তুলে বৃহস্পতিবার মামলা দায়ের করেন তিনি।

মামলার বাদী আমিনুল ইসলাম লাল্টু জানান, কলারোয়ার মুরারীকাটি হাবুজেল নামক স্থানের কালভার্টের উত্তর মুখ বালুর বস্তা ও মাটি দিয়ে আমজাদ হোসেন ও নেছার আলীসহ দক্ষিণ পাশের্^র বসবাসরত বাড়ীর মালিক ও জমির মালিকেরা সম্মিলিত ভাবে পানি নিষ্কাশন বন্ধ করে দেয়। যার ফলে উত্তর পাশের্^ ব্যাপক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে গ্রামবাসী উক্ত কালভার্টের মুখ উন্মক্তু করে দেয়। এনিয়ে প্রকৃত ঘটনা আড়াল করার জন্য আমজাদ হোসেন ও নেছার আলী গত ৯আগস্ট দুপুর ১২.৪৭ মিনিটে একটি ফেইসবুক পেইজ (অনলাইন পোর্টাল) থেকে অসত্য মানহানিকর সংবাদ সম্মেলন করে।

এবিষয়ে কলারোয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মীর খায়রুল কবীর জানান- উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের দায়েরকৃত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় ২ব্যক্তি আটক করা হয়েছে। তাদের আদালতে সপোর্দ করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভোমরা স্থলবন্দরের যানজটে একদিন

আব্দুল জলিল : সময় ২ টা ৩০ মিনিট। রোজ বৃহস্পতিবার। পেশাগত দাযিত্ব পালন করতে সাতক্ষীরার ভোমরা স্থল বন্দরে। সঙ্গে ছিল অনুজ সাংবাদিক সাগর ও পলাশ। ভোমরা সিএ্যান্ডএফ এজেন্ট এ্যাসোসিয়েশন অফিসের সামনে পৌছাতে চোখে পড়ল ৩ জন ট্রাফিক পুলিশ। তারা পাশের দোকানে বসে আছে। ভোমরা বন্দরে ট্রাফিক পুলিশ কেন ? এমন প্রশ্ন করতেই লোকজন বললেন সম্প্রতি বন্দরে তীব্র যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। সে কারণে পুলিশ সুপার বন্দর যানজট মুক্ত করতে ট্রাফিক পুলিশ দিয়েছে।

কিন্তু সেদিন আমাদের নির্ধারিত বিষয় ছিল বাংলাদেশ ও ভারতের সিএ্যান্ডএফ এজেন্ট এ্যাসোসিয়েশন নেতৃবৃন্দের বৈঠাকের সংবাদ সংগ্রহ করা। সে কারণে রওনা হলাম ভোমরা স্থল বন্দর ইমিগ্রেশন অফিসে। ইতিমধ্যে সেখানে দুই দেশের সিএ্যান্ডএফ এজেন্ট এ্যাসোসিয়েশন নেতৃবৃন্দ উপস্থিত হয়েছেন। ইমিগ্রেশন অফিসের নুতন ভবনের শুরু হল আলোচনা সভা। এমসয় বাহিরে এসে বন্দরের যান জট সম্পর্কে খোজখবর নিতে থাকলাম।

গাড়িচালক ও শ্রমিকরা জানায়, দীর্ঘদিন ধরে যানজটের কবলে পড়েছে ভোমরা স্থল বন্দর। যানজটের কারনে গাড়ী লোড-আনলোড করতে পারছে না তারা। আর্থিক ক্ষতির সম্মুখিন হচ্ছে ব্যবসায়ীরা। আর চরম ভোগান্তিতে পড়েছে ট্রাক চালক আর হেলপাররা। অসুস্থ্য রোগীর চিকিৎসার জন্্য নিয়ে যেতে হিমসিম খেতে হচ্ছে স্বজনদের। যানজটে আটকে থাকতে হচ্ছে ঘন্টার পর ঘন্টা। ট্রাক আটকে থাকায় কাঁচামাল পচে নষ্ট হচ্ছে।

খোজখবর নিয়ে জানাযায়, ১৯৯৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় ভোমরা স্থল বন্দর। প্রথমে রাজস্ব লক্ষ্য মাত্রা ছিল ২ কোটি টাকা। এখন হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে। আমদানি-রপ্তানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বেড়েছে যানবাহনের সংখ্যা। প্রতিদিন গড়ে ৫শ পন্যবাহী ট্রাক রন্দরে প্রবেশ করে। ভারতের কোলকাতা থেকে এই বন্দরের দুরুত্ব সব চেয়ে কম। সে কারণে ব্যবসায়ীরা এই বন্দর ব্যবহার করছে।

ইতিমধ্যে দুই দেশের সিএ্যান্ডএফ এজেন্ট এ্যাসোসিয়েশন নেতৃবৃন্দ নির্ধারিত বৈঠাক শেষ হয়েছে। বৈঠাক শেষ দুই দেশের সিএ্যান্ডএফ এজেন্ট এ্যাসোসিয়েশন নেতৃবৃন্দ জানালেন ভারতের ঘোজাডাঙ্গায় গেট পাশের নামে ব্যাপক চাঁদাবাজি করছে একটি প্রভাবশালী মহল। আর ভারতীয় ট্রাকচালকরা বাংলাদেশের শ্রমিকদের হাতে লাঞ্চিত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এসব বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। সমস্যা সমাধানে দুই দেশের সিএ্যান্ডএফ এজেন্ট এ্যাসোসিয়েশন নেতৃবৃন্দ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে জানান তারা।

এবার ফিরে আসতে হবে। ঠিক সে সময় এদেশের সিএ্যান্ডএফ এজেন্ট এ্যাসোসিয়েশন নেতৃবৃন্দ বললেন এ্যাসোসিয়েশন অফিস পর্য়ন্ত হেঁটে যেতে হবে। কিন্তু তাদের কথা না শুনে গাড়িতে উঠলাম। তবে যানজটে কারণে গাড়ি আর সামনে যায় না। দীর্ঘ সময় গাড়িতে বসে থাকতে হল। লোকজন বলছে এই রাস্থায় যেতে পারবেন না। সারারাত বসে থাকতে হবে। অবশেষে একজন বষস্ক শ্রমিক এসে ভারতীয় ট্রাক চালকের সাথে রীতিমত খারাপ আচারণ করে সরিয়ে দিয়ে আমাদের গাড়িটি লক্ষিদাড়ি গ্রামে রাস্থায় ঢুকিয়ে দিলেন। দীর্ঘপথ ঘুরে ফিরতে হল সাতক্ষীরা শহরে। তবে এর আগে যানজট নিয়ে কথা হয়েছিল ভোমরা সিএ্যান্ডএফ এজেন্ট এ্যাসোসিয়েশন, ট্রান্সপোর্ট সমিতি ও স্থল বন্দর কর্তৃপক্ষের সাথে।

সিএ্যান্ডএফ এজেন্ট এ্যাসোসিয়েশন সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান নাসিম জানান, বন্দরে এখন কোন যানজট নেই। যদি কেউ বলে থাকে সেটা সঠিক না।

ট্রান্সপোর্ট সমিতির সভাপতি কামরুল ইসলাম জানান, একটি প্রভারশালী কুচক্র মহল অনৈতিক সুবিধা নিতে রন্দরে যানজট সৃষ্টি করছে। তাদের অবৈধ ব্যবসা আছে। যানজট থাকলে অবৈধ পন্য নিয়ে যেতে সুবিধা হয়। ফলে ব্যাহত হচ্ছে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম। সরকার হারাচ্ছে রাজস্ব।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় করোনা পরিস্থিতি : একদিনে ৭ জনের মৃত্যু

আসাদুজ্জামান : সাতক্ষীরায় গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার উপসর্গ নিয়ে ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। সামেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়। তবে কেউ করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যাননি।

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্র জানায়, জ্বর, সর্দি, কাশি ও শ্বাসকষ্টসহ করোনার নানা উপসর্গ নিয়ে সপ্তাহ খানেক আগে তারা সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ভর্তি হন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার রাতে তারা মারা যান। এ নিয়ে জেলায় এ পর্যন্ত করোনা উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন ৫৮৯ জন। এছাড়া করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন আরো ৮৬ জন। এদিকে গত
২৪ ঘণ্টায় ২৩৩ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৪৬ জনের করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়েছে। যা শনাক্তের হার ১৯ দশমিক ৭৪ শতাংশ।

সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন অফিসের করোনা বিষয়ক তথ্য কর্মকর্তা ডা. জয়ন্ত কুমার সরকার বলেন, এনিয়ে জেলায় আজ পর্যন্ত মোট করোনা রোগীর সংখ্যা দাড়িয়েছে ৬ হাজার ২৮১ জন। নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ২৬ হাজার ২৮৭ জনের। সুস্থ হয়েছেন ৫ হাজার ১৬০ জন। বর্তমানে জেলায় করোনা রোগী রয়েছেন এক হাজার ৩৫ জন। এর মধ্যে সামেক হাসপাতালে ১০ জন ও বেসরকারী হাসপাতালে ৫ জন ভর্তি রয়েছেন। বাকীরা হোম আইসোলেশনে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা সীমান্তে ২ মানবপাচারকারীসহ ৪ বাংলাদেশি আটক

আসাদুজ্জামান : অবৈধভাবে বাংলাদেশ থেকে ভারতে যাওয়ার সময় সাতক্ষীরার দুটি সীমান্ত থেকে দুই নারী ও দুই মানবপাচারকারীসহ চার বাংলাদেশী নাগরিককে আটক করেছে বিজিবি। শুক্রবার ভোর রাতে সীমান্তের তলুইগাছা ও কুশখালী এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। এনিয়ে, গত দুই মাসে সাতক্ষীরা সীমান্ত থেকে ৯ মানবপাচারকারীসহ ১২৭ জনকে আটক করা হয়েছে।
আটককৃত দুই নারী ও দুই মানবপাচারকারীরা হলেন, যশোর জেলার মনিরাম থানার গোবিন্দপুর গ্রামের মোহাম্মদ আলী মোড়লের মেয়ে রোজিনা খাতুন, সাতক্ষীরা সদর থানার নতুনগাও উমরপুর গ্রামের মইরুদ্দীনের মেয়ে সুমাইয়া খাতুন, একই থানার কুশখালী ছয়ঘরিয়া গ্রামের মৃত নুরুল ইসলামের ছেলে মানবপাচারকারী শহিদ হোসেন ও একই গ্রামের গোলাম হোসেনের ছেলে মানবপাচারকারী জাহিদ হোসেন।।
বিজিবি ৩৩ ব্যাটেলিয়ন অধিনায়ক লে.কর্ণেল মোহাম্মদ আল মাহমুদ জানান, সাতক্ষীরার তলুইগাছা ও কুশখালী সীমান্ত দিয়ে দুই নারীকে ভারতে পাচার করা হচ্ছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেখানে অভিযান চালানো হয়। এ সময় দুই মানবপাচারকারীর বাড়ি থেকে উক্ত দুই নারীকে উদ্ধার করা হয় এবং দুই পাচারকারী শহিদ ও জাহিদকে হাতেনাতে আটক করা হয়। পরবর্তীতে উদ্ধারকৃত দুই নারীর বিরুদ্ধে অবৈধভাবে সীমান্ত পারাপারের দায়ে এবং দুই মানবপাচারকারীর বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে সাতক্ষীরা সদর থানায় সোপর্দ করা হয়। তিনি আরো জানান, করোনার ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট সংক্রমন ঠেকাতে এবং চোরাচালান প্রতিরোধে সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির কঠোর নজরদারী জারী করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

দেশের খবর : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন, ‘আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয়। সম্প্রতি যেসব পুলিশ সদস্য বিভিন্ন অপরাধে জড়িয়েছেন, তাদেরও শাস্তি হবে।’

শুক্রবার (১৩ আগস্ট) সকালে ‘জাতীয় শোক দিবস’ উপলক্ষে ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগ আয়োজিত খাদ্যসামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘পুলিশ বাহিনীর দু’একজন সদস্য অপকর্মে জড়াতে পারেন। আইন অনুযায়ী তাদের শাস্তি হচ্ছে। সম্প্রতি যেসব পুলিশ সদস্য বিভিন্ন অপরাধে জড়িয়ে পড়েছেন, তাদের শাস্তি হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘পুলিশ বাহিনীর কেউ অপরাধ করলে তাকে শাস্তি পেতেই হবে। তবে করোনায় পুলিশ বাহিনী সাহসী ভূমিকা পালন করেছে। তাদের অনেক ভালো কাজও আছে।’

১০ বছর আগের পুলিশ বাহিনী আর এখনকার বাহিনীর মধ্যে অনেক গুণগত পরিবর্তন হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কারাগারে পরীমনি

বিনোদন ডেস্ক : মাদক মামলায় দুই দফায় ছয় দিনের রিমান্ড শেষে ঢালিউড অভিনেত্রী পরীমনিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

শুক্রবার (১৩ আগস্ট) বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে তাকে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির পরিদর্শক গোলাম মোস্তফা।

অপরদিকে, তার আইনজীবী জামিন চেয়ে আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষ পরীমনির জামিনের বিরোধিতা করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে বিকেল ৩টার দিকে ঢাকা মহানগর হাকিম ধীমান চন্দ্র মন্ডল তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এদিন তাদের নতুনভাবে আর রিমান্ড চাওয়া হয়নি। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির পুলিশ পরিদর্শক গোলাম মোস্তফা।

আবেদনে তিনি বলেন, পরীমনি ও দীপু রিমান্ডে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন। মামলার তদন্তের স্বার্থে তাকে কারাগারে আটক রাখা প্রয়োজন।

আসামিপক্ষে আইনজীবী নীলাঞ্জনা রিফাত সুরভী জামিন আবেদন করেন। বেলা তিনটার দিকে শুনানি শেষে বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

গত ৫ আগস্ট পরীমনিকে বনানী থানার মাদক মামলায় চারদিন ও ১০ আগস্ট দ্বিতীয় দফায় দুই দিনের রিমান্ডে পাঠান আদালত।

গত ৪ আগস্ট বিকেল ৪ টার পর পরই বনানীর ১২ নম্বর রোডের পরীমনির বাসায় অভিযান পরিচালনা করে র‌্যাব। এ সময় ওই বাসা থেকে বিপুল পরিমাণ বিদেশি বিভিন্ন ব্র্যান্ডের দামি মদ, মদের বোতলসহ অন্যান্য মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়। ওইদিন রাত সোয়া আটটার দিকে বনানীর বাসা থেকে পরীমনিকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য র‌্যাব সদর দপ্তরে নিয়ে যাওয়া হয়।

অভিযানের প্রথম দিকে পরীমনি র‌্যাবকে সহযোগিতা করেননি। পরে তার ঘর তল্লাশি করে ফ্ল্যাটের কেবিনেট থেকে ১৮.৫ লিটার বিদেশি মদসহ দুইটি গ্ল্যানলিভেট, একটি গ্ল্যানফিডিচ, চার গ্রাম আইস, এক স্লট এলএসডি এবং একটি পাইপ উদ্ধার করা হয়।

পরে তাদের বিরুদ্ধে র‌্যাব-১ এর সিপিও মজিবর রহমান মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। সেই মামলায় পরীমনিকে চারদিনের রিমান্ডে পাঠান আদালত।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘ক্লাইমেট ক্লিক’ প্রতিযোগিতায় প্রথম শ্যামনগরের শাহিন আলম

প্রেস বিজ্ঞপ্তি :
বাংলাদেশ ও বিশ্বজুড়ে জলবায়ু সংকট মোকাবেলায় সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আয়োজিত ফটোগ্রাফি প্রতিযোগিতা ও ভার্চুয়াল প্রদশর্নী ‘ক্লাইমেট ক্লিক’ এ প্রথম স্থান অধিকার করেছেন সাতক্ষীরার উপকূলীয় শ্যামনগর উপজেলার পাতাখালি গ্রামের এস এম শাহিন আলম।

বৃহস্পতিবার (১২ আগস্ট) রাতে ইয়ুথনেট ফর ক্লাইমেট জাস্টিস, বাংলাদেশ মডেল ইয়ুথ পার্লামেন্ট ও প্রকাশ আয়োজিত এই ফটোগ্রাফি প্রতিযোগিতা ও ভার্চুয়াল প্রদশর্নীর প্রতিযোগীদের নাম প্রকাশ করা হয়। উপকূলীয় জেলাসহ সারা দেশ থেকে এ প্রতিযোগিতায় অসংখ্য তরুণরা অংশগ্রহণ করেন।

আন্তর্জাতিক যুব দিবস ও কোস্টাল ইয়ুথ এ্যাকশন হাবের প্রথম বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভায় ইয়ুথনেট ফর ক্লাইমেট জাস্টিস এর সমন্বয়ক সোহানুর রহমান প্রতিযোগিদের নাম প্রকাশ করেন। প্রতিযোগীদের নাম প্রকাশকালে উপস্থিত ছিলেন জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশী রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা, ইয়াং পিপল একশন এইডের ম্যানেজার নাজমুল আহসান, ব্রিটিশ কাউন্সিল ‘প্রকাশ’ এর টিম লিডার জেরি ফক্স। আলোচনা সভায় সারা বাংলাদেশ থেকে দেড় শতাধিক যুব অংশ নেন।

ফটোগ্রাফি প্রতিযোগিতায় প্রথম হওয়া প্রসঙ্গে এস এম শাহিন আলম বলেন, ‘শত কথা একটি ছবির মাধ্যমে প্রকাশ করা যায়, সবচেয়ে বড় কথা আমরা যে বৈশ্বিক সমস্যার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি তা বিশ্ববাসীর কাছে তুলে ধরতে চাই। তৃণমূল থেকে আমাদের সমস্যা আমি ছবির মাধ্যমে তুলে ধরতে ভালোবাসি। প্রতিযোগিতায় প্রথম হওয়া আমার কাছে যতটা না গর্বের তার থেকে বেশি গর্বের জায়গা আমরা যে ভালো নেই তা জানাতে পারছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘অন্যান্য উপকূলীয় অঞ্চলের থেকে সাতক্ষীরা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত সেটা এই প্রথম হওয়ার মাধ্যমেও প্রকাশ পেলো। ভবিষ্যতে উপকূলের অবস্থা ছবির ভাষায় আরো প্রকাশ করতে চাই।’

শাহিন আলমের অর্জনে তাকে শুভেচ্ছা জানিয়েছে সাতক্ষীরার শিক্ষার্থীদের মোর্চা সাতক্ষীরা স্টুডেন্ট সোসাইটি। সংগঠনটির সভাপতি শেখ শাকিল হোসেন বলেন, ‘মেধা, পরিশ্রম ও নিষ্ঠার মাধ্যমে শাহিন উপকূলের মুখপাত্রে পরিণত হয়েছে। শাহিন আলম সাতক্ষীরার শিক্ষার্থীদের জন্য অনুসরণীয়।’

শাহিন আলম সাতক্ষীরা স্টুডেন্ট সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক, ইয়ুথনেট ফর ক্লাইমেট জাস্টিসের জেলা সমন্বয়ক ও সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের স্নাতক প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest