সর্বশেষ সংবাদ-
এডিসি রিপন বিশ্বাসের অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি দেওয়ার সিদ্ধান্ত সাতক্ষীরা আইনজীবী ফোরামেরপ্রেরণার নির্বাহী পরিচালক শম্পার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলাসাতক্ষীরায় যৌতুকের বলি মা-মেয়ে : হত্যার দায়ে আসামির মৃত্যুদণ্ডসাতক্ষীরায় নগর দিবস উপলক্ষে মানববন্ধন: বস্তিবাসীকে পরিকল্পিত আবাসনের আওতায় আনার দাবিসাতক্ষীরায় হেভী ইকুইপমেন্ট অপারেটর শ্রমিক ইউনিয়নের মতবিনিময় সভাস্বাস্থ্যকর্মকর্তা  ও আব্বাসী কর্তৃক সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে আপত্তিকর মন্তব্য : নেত্রকোনায় সাংবাদিককে গুলি করে হত্যার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানবন্ধনপ্রতাপনগরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মাদ্রাসার আরবি প্রভাষক রহমাতুল্লাহর মৃত্যুসাতক্ষীরায় প্রকৃতি ও জীবন ক্লাবের সাধারণ সভা: সভাপতি মুনির- সম্পাদক সামাদসাতক্ষীরায় ঘোড়ার মাংস গরু বলে বিক্রির অভিযোগে এক ব্যক্তি আটকসরকার গণতন্ত্রের পরিবর্তে জবরদখল ও দলীয়করণ শুরু করেছে: এমপি ইজ্জত উল্লাহ

সাতক্ষীরায় পানিবন্দী মানুষের দূর্গতি বাড়ছে : শহরতলীর বকচরা খালে নেটপাটা

আসাদুজ্জামান ঃ অতিবৃষ্টির কারণে পানিবন্দী হয়ে পড়া সাতক্ষীরা পৌরসভাসহ বিভিন্ন উপজেলার মানুষের দূর্গতি বাড়ছে। কিছু কিছু এলাকায় হাঁড়ি জ্বলছে না। ভেঙে পড়েছে স্যানিটেশন ব্যবস্থা। বেড়েছে সাপের উপদ্রব। অপসারন করা হয়নি খালের নেটপাটা। অপরিকল্পিত মাছের ঘেরগুলোর কারণে পানি নিষ্কাশন বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে লাখো মানুষের দূর্গতির শেষ নেই।

সরেজমিনে শনিবার সকালে বকচরা মাঝেরপাড়া এলাকায় যেয়ে দেখা গেছে, আগরদাঁড়ি ইউপি চেয়ারম্যান মজনু মালির বাড়ির পাশ থেকে শুরু হওয়া বকচরা খালে স্থানীয় এশার আলী, ইনছান আলী, হাশেম আলী, দক্ষিণপাড়ায় আব্দুল হালিমসহ কয়েকজন দীর্ঘদিন ঘরে নেট পাটা দিয়ে মাছ ধরে আসছেন। মাঝেরপাড়া কালভার্টে দাঁড়িয়ে অনেকেই খেপলা জাল দিয়ে মাছ ধরছেন।

বকচরা গ্রামের ওয়াজেদ আলী, মান্নান সরদার, হাফিজুল ইসলাম বলেন, খালে নেটপাটা দেওয়ার কারণে পানি সরতে পারে না। বছরে তিন মাস যাবৎ তারা পানি বন্ধি থাকেন। পাঁচ বছর ধরে এ অবস্থা চলছে। গত ২৭ জুলাই থেকে ২৯ জুলাই তিন দিনের অতিবৃষ্টিতে তাদের বাড়ি ঘরে পানি ঢুকেছে। উনানে রান্না করতে পারছেন না। আত্মীয় স্বজনের বাড়ি থেকে রান্না খাবার নিয়ে এসে খেতে হচ্ছে। স্যানিটেশন ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। চারিদিকে পানি থই থই করায় রাতের বেলায় পায়খানার কাজ সারতে হয়। বর্তমানে যে অবস্থা তাতে কেউ মারা গেলে লাশ মাটি দেওয়ার জায়গা নেই।

বকচরা গ্রামের আনিসুর রহমান, হামজার আলী, আব্দুস সালামসহ কয়েকজন জানান, ইউপি চেয়ারম্যান মজনু মালীর বাড়ির পাশ থেকে বকচরা খাল শুরু হয়ে সাপমারা খাল হয়ে হাড়দ্দহ হয়ে ইছামতী নদীর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। বালিয়াডাঙা, ভবানীপুর, বকচরা, বাবুলিয়া, নেবাখালি, ডিঙেরালী, চাতরা ও কদমতলাসহ কয়েকটি বিলের পানি এ খাল দিয়ে নিষ্কাশিত হয়। তবে চেয়ারম্যান মজনু মালী, তার চাচা লিয়াকত মালী ও মাসুমসহ কয়েকজন অপরিকল্পিতভাবে মাছের ঘের করায় বর্ষার পানি স্বাভাবিকভাবে বের হতে পারে না। পাঁচ বছর ধরে এ অবস্থা চললেও চেয়ারম্যান ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের বলেও কোন লাভ হয়নি। অপসারিত হয়নি খালের ভিতরে বসানো নেট-পাটা। সার্কিট হাউজের মোড় থেকে বকচরা সড়কের দিকে বাইপাস সড়কের ২০০ গজ দক্ষিণে লিয়াকত মালীর ঘের ও মাসুদের ঘেরের বাধ ও রাস্তা কেটে সেখানে বড় কালভার্ট বসিয়ে দিলেই পানি বের হয়ে যাবে। একইসাথে চেয়ারম্যানের ঘেরের বেড়িবাঁধের একাংশ কেটে দিলেই জলাবদ্ধতার অভিশাপ থেকে রেহাই পাবে ইউনিয়নবাসি।

বালিয়াডাঙা গ্রামের মহিবুল্লা গাজী, কাওছার আলী, হাশেম আলীসহ কয়েকজন জানান, ডিঙেরালী নামক স্থানে ও চেয়ারম্যান মজনু মালীর ঘেরের এক পাশে নেট দিয়ে বাঁধ কেটে দিলে বালিয়াডাঙা, ভবানীপুরসহ বিস্তীর্ণ অঞ্চলের পানি সরে যাবে। তারা বাঁচবেন জলাবদ্ধতার হাত থেকে। এক সময় এসব বিলে তিন ফসল হতো। এখন একটি ফসল ফলানো অসম্ভব প্রায়। ডিঙেরালী নামক স্থানে ও চেয়ারম্যানের ঘের কেটে দিয়ে জলাবদ্ধতা দূরীকরণের জন্য তারা গত বছর মানববন্ধন করেছেন। সেখানে ইউপি চেয়ারম্যান মজনু মালী বক্তব্য রেখেছেন। কথা দিয়েছিলেন সমস্যার সমাধান করবেন। কিন্তু অবস্থার কোন পরিবর্তন হয়নি। বিষয়টি নিয়ে তৎকালিন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দেবাশীষ চৌধুরীর সঙ্গে কথা বললে তিনি চেয়ারম্যান সাহেবের বাইরে কোন অভিযোগ শুনতে অপারগতা প্রকাশ করেন।
খড়িবিলার মফিজুল ইসলাম, আরশাদ আলীসহ কয়েকজন জানান, বকচরা খালে নেটপাটাই শুধু সমস্যার কারণ নয়, গত ২৯ জুলাই বেড়াডাঙি নামকস্থানে মোজাফফর গার্ডেনের ২০০ ফুট মত লম্বা প্রাচীর খালে পড়ে যাওয়ায় পানি সরা একেবারেই বন্ধ হয়ে গেছে বলা যায়।

কামাননগরের আলী নূর খান বাবুল বলেন, সাতক্ষীরা পৌরসভার ড্রেনেজ ব্যবস্থা একেবারেই নাজুক। পৌরসভাকে বলেও কোন লাভ হয় না। এ ছাড়া কামাননগর দক্ষিণ বিলে নেট পাটার ফলে পানি সাপমারার খাল দিয়ে ইছামতী নদীতে পড়তে পারছে না। তার এলাকার অনেকেই বাড়িতে পানি ঢোকায় ও রাস্তার উপরে পানি থাকায় রান্না বান্না করতে পারছে না। ভেঙে পড়েছে স্যানিটেশন ব্যবস্থা। শুক্রবার রাতে ভ্যানচালক জামাল হোসেনসহ তিনজন সাপের কামড়ে জখম হয়েছেন। আমজাদ হোসেনের বালিশের নীচ থেকে সাপ উদ্ধার করা হয়েছে। দু’ একদিনের মধ্যে ঘাস ও সেপটি ট্যাংকির মল মিলে মিশে দুর্গন্ধ হয়ে পানি বিষক্ত হয়ে যাবে। ওই পানিতে গোসল ও থালা বাসন পরিষ্কার অব্যহত থাকলে চর্মরোগ দেখা দেবে। পানিবন্ধি টিউবওয়েলের পানি ব্যবহার করায় ডায়েরিয়া ও আশাময় দেখা দিচ্ছে। বদ্ধ পানিতে জন্মাতে পারে ডেঙ্গু মশা।
এদিকে পৌরসভার কিছু জায়গায় পানি সামান্য কমলেও মধুমোল্লারডাঙি, মেহেদীবাগ, রসুলপুর , বদ্দিপুর কলোনী, রথখোলার বিল, গদাইয়ের বিল, মাগুরা দাসপাড়া, মাছখোলা, কৈখালি বিল, তালতলা নিম্নাঞ্চল, দহকুলাসহ বিভিন্ন এলাকা পানিতে নিমজ্জিত রয়েছে। এ ছাড়া আশাশুনির প্রতাপনগর, খাজরা, আনুলিয়া, শ্রীউলা, শ্যামনগরের গাবুরা, বুড়িগোয়ালিনি, কৈখালি, রমজাননগর, মুন্সিগঞ্জসহ কয়েকটি ইউনিয়নের লাখো মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। গবাদি পশু ও হাঁসমুরগি নিয়ে তারা বিপাকে পড়েছেন। রাস্তার উপরেও রয়েছে হাঁটু পানি। ভেঙে পড়েছে যোগাযোগ ব্যবস্থা।
এ ব্যাপারে আগরদাঁড়ি ইউপি চেয়ারম্যান মজনু মালীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, তার এলাকায় কোথাও কোন নেট পাটা নেই। ঘেরের বেড়িবাঁধ কোন সমস্যা নয়। বকচরা খালের বেড়াডাঙিতে মোজাফফর গার্ডেনের প্রাচীর ভেঙে পড়ায় পানি কম সরছে। খুব শীঘ্রই ওই সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে।

সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হুমায়ুন কবীর বলেন, পানি নিষ্কাশনের জন্য পৌরসভার সঙ্গে কথা বলে কাজ করা হচ্ছে। নেটপাটা সরানোর জন্য ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেওয়া হয়েছিল। তাতে কাজ না হলে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে নেটপাটা অপসারন করা হবে।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় লকডাউনের বিধি নিষেধ ভঙ্গ করায় জরিমানা আদায় ৩৭ হাজার ৮ শ

আসাদুজ্জামান ঃ সাতক্ষীরায় চলমান কঠোর লকডাউনের মধ্যে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর বাধা উপেক্ষা করে বিনা করনের নানা অজুহাতে সাধারণ মানুষ ঘরের বাইরে বের হচ্ছেন। হাট বাজার গুলোতেও বেড়েছে মানুষের জনসমাগম। মানা হচ্ছেনা তেমন স্বাস্থ্যবিধি। তারা যেন আইশৃখংলা বাহিনীর সাথে লুকোচুরি খেলছেন। আইনশৃখংলাবাহিনীর সদস্যরা মোড়ে মোড়ে চেক পোষ্ট বসিয়ে যারা অকারনে বাইরে বের হচ্ছেন তাদের চলাচল নিয়ন্ত্রনের চেষ্টা করছেন। শহরের অধিকাংশ দোকান আংশিক খোলা রেখে বেচা কেনা করছেন। সড়কে ব্যাক্তিগত যানবাহন, ত্রি-হুইলার, মোটর সাইকেল, ইজিবাইক ও ভ্যান চলাচল করতে দেখা গেছে। খোলা রয়েছে জরুরি সেবা প্রতিষ্ঠান। বন্ধ রয়েছে সকল প্রকার গণপরিবহন।

সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির জানান, লকডাউনের বিধি নিষেধ ভঙ্গ করায় জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় ৭ টি ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে ২৫ টি মামলায় ৩৭ হাজার ৮০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। তিনি এ সময় জেলার সর্বসাধারনকে সরকারের দেয়া লকডাউনের বিধি নিষেধ মেনে চলার আহবান জানান।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় ভাইরাস পিসিআর ল্যাবে ৫ দিন পরীক্ষার বন্ধ : উপসর্গে ৬ জনের মৃত্যু

আসাদুজ্জামান: সাতক্ষীরায় গত ২৪ ঘন্টায় করোনার উপসর্গ নিয়ে আরো ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। করোনা ডেডিকেটেড মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তাদের মৃত্যু হয়। এ নিয়ে, ভাইরাসটির উপসর্গ নিয়ে আজ পর্যন্ত মারা গেছেন মোট ৫৪২ জন। আর আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন আরো ৮৫ জন। জেলায় আজ পর্যন্ত মোট করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৫ হাজার ৫৯৪ জন। এর মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ৪ হাজার ৩৮৮ জন।

এদিকে,মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আরটি-পিসিআর ল্যাব ও ল্যাবের দেয়ালে নমুনা পরীক্ষার সময় করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ায় গত মঙ্গলবার থেকে আজ শনিবার পর্যন্ত টানা ৫ দিন নমুনা পরীক্ষা বন্ধ রয়েছে। ভাইরাসমুক্ত করা গেলে পুনরায় কার্যক্রম শুরু করা হবে বলে স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়।

সিভিল সার্জন ডা. হুসাইন শাফায়াত জানান, ল্যাবটি ভাইরাসমুক্ত করার কাজ চলছে। ভাইরাসমুক্ত হলে আগামীকাল রবিবার থেকে ল্যাবে আবারো নমুনা পরীক্ষা শুরু করা হবে এই স্বাস্থ্য কর্মকর্তা আরো জানান।

উল্লেখ্য, গত দুই মাস ধরে সাতক্ষীরা, যশোর, মাগুরা ও নড়াইলের করোনা পরীক্ষার একমাত্র ল্যাব হিসেবে ব্যবহার হয়ে আসছে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের এই পিসিআর ল্যাব। ##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সালেহা ইসলাম শান্তির সুস্থ্যতা কামনায় কৃষকলীগের দোয়া

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সাতক্ষীরা জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি সালেহা ইসলাম শান্তির দ্রুত সুস্থ্যতা কামনায় জেলা কৃষকলীগের আয়োজনে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বাংলাদেশ কৃষকলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির জাতীয় পরিষদের সদস্য মনজুর হোসেন ও জেলা কৃষকলীগের দপ্তর সম্পাদক মো: আতিয়ার রহমান, জয়নগর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও শাহী মসজিদের সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমানের উপস্থিতিতে গত বৃহস্পতিবার আছরের নামাজের পরে কাটিয়াস্থ শাহী মসজিদে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত দোয়া অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন শাহী মসজিদের পেশ ইমাম মো: হাফিজুর রহমান। এসময় পৌর ও সদর উপজেলা কৃষকলীগের নেতাকর্মীরা দোয়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া সালেহা ইসলাম শান্তির দ্রুত সুস্থ্যতার কামনা বিবৃতি দিয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষকলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মাহফুজা সুলতানা রুবি, বাংলাদেশ কৃষকলীগ সাতক্ষীরা জেলা শাখার সভাপতি বিশ^জিত সাধু, সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রশিদ, স ম আতিয়ার রহমান, এড. নওশেরআলী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক শেখ হেদায়েতুল ইসলাম, সাংবাদিক এস এম রেজাউল ইসলাম, হাসান মাসুদ পলাশ, সাংগঠনিক সম্পাদক ও আশাশুনি কৃষকলীগের সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহবায়ক রাশেদ সরোয়ার শেলি, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর হোসেন, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক আলাউদ্দীন জোয়ার্দ্দার, ক্ষুদ্র ঋণ বিষয়ক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম, ভূমি বিষয়ক সম্পাদক তরিকুল ইসলাম, সহ-আইন বিষয়ক সম্পাদক এড. সোহরাব হোসেন, সহ-প্রচার সম্পাদক ও পত্রদূতের বার্তা সম্পাদক এস এম শহীদুল ইসলাম, সদর উপজেলা কমিটির সভাপতি স ম তাজমিনুর রহমান টুটুল,

সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক আবু রাযহান, পৌর কমিটির সভাপতি সামছুজ্জামান জুয়েল, সাধারণ সম্পাদক শাহ আনারুল, শ্যামনগর উপজেলা কৃষকলীগের সভাপতি মুনজুর এলাহী, সাধারণ সম্পাদক আনিছুর রহমান, কলারোয়া উপজেলার আহবায়ক আমানুল্লাহ মোড়ল, সদস্য সচিব সন্দিপ রায়, কালিগঞ্জ উপজেলার সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক, তালা উপজেলার আহবায়ক ময়নুল ইসলাম, জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সদস্য ও জেলা কৃষকলীগের সদস্য আলহাজ¦ রফিকুল ইসলাম, রবিউল ইসলাম, জবেদ আলী সরদার, ফজল মাহমুদ তুহিন, আমানুর রহমান, লৎফর রহমান, আইয়ুব হোসেন, আব্দুস সালাম, এড. মোশাররফ হোসেন, মতিলাল সরকার প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরার বিতর্কিত অধ্যক্ষ আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে ডিসি বরাবর অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরার শিক্ষা দস্যুখ্যত অধ্যক্ষ আখতারুজ্জামানের জালিয়াতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

এ্যাডভোকেট আব্দুর রহমানের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সরদার রমেশ চন্দ্র সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক বরাবর এ অভিযোগ করেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষাবোর্ড হতে জাল-জালিয়াতিপূর্বক ১৮টি কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের অনুমোদন গ্রহণ, ১৮টি কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা কমিটির আজীবন সভাপতি, একই জমি ও অবকাঠামোর ছবি দিয়ে একাধিক প্রতিষ্ঠান অনুমোদন, পরিত্যাক্ত ও ঝুকিপূর্ণ ৩য় তলা ভবনের একইদাগ/ খতিয়ানের ৪টি জাল দলির দিয়ে ৪টি স্বতন্ত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, পাইকগাছা উপজেলার কাছিঘাটাতে দোকানঘর ভাড়া নিয়ে পিতা-মাতার নামে ২টি কলেজ করেন। সে সব কলেজে নিয়োগ বাণিজ্যের মাধ্যমে হাতিয়ে নিয়েছেন লক্ষ লক্ষ টাকা। এছাড়া এড. আব্দুর রহমান কলেজে অধ্যক্ষ থাকার সুযোগে শিক্ষক নিয়োগের অনিয়ম ও দূর্নীতির অভিযোগ রয়েছে অধ্যক্ষ আখতারুজ্জামান বিরুদ্ধে। কলেজের সংরক্ষিত তহবিল আত্মসাতসহ এম এ সনদ জালিয়াতি করে নিজের স্ত্রী সেলিনা সুলতানাকে অত্র কলেজের সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক পদে দিয়ে এমপিও ভুক্ত করনের বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রনলায় ও যশোর শিক্ষাবোর্ডের নির্দেশনা মোতাবেক এ পর্যন্ত তার গৃহিত ও উত্তোলিত বেতন ভাতাদি রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরৎসহ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা প্রদান করেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা মোতাবেক গত ০৬ এপ্রিল ২০১৯ তারিখে আক্তারুজ্জামান কে কলেজের অধ্যক্ষের পদ থেকে সাময়িক বহিস্কার করা হয়। এবং এম এ সনদ জালিয়াতির জন্য তার ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে গভর্নিংবডি ফৌজদারী মামলা দায়ের করেন।

এদিকে বহিস্কারের পরও আখতারুজ্জামান বাড়িতে বসে কলেজে সীল ও প্যাড ব্যবহার করে বিভিন্ন দপ্তরে ভূয়া স্মারকে দরখাস্ত করে যাচ্ছে। এমনকি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সরদার রমেশ চন্দ্রের স্বাক্ষর জালিয়াতি করে ব্যাংকে ভূয়া পদত্যাগ পত্র দাখিল করেছেন। এঘটনায় দার রমেশ চন্দ্র থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের নির্দেশনা মোতাবেক তার বেতনভাতাদি রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেলতের জন্য পি,ডি,আর এ্যাক্ট ১৯১৩ তে মামলার জন্য বলা হয়েছে। সংরক্ষিত তহবিল আত্মসাথের জন্য আদালতে মামলা চলছে। কিন্তু তারপরও জালিয়াতি করে বিভিন্নভাবে কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে চক্রান্ত চালিয়ে যাচ্ছেন আখতারুজ্জামান।
তার জালিয়াতির কার্যকলাপের তদন্ত পূর্বক যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন এ্যাড. আব্দুর রহমানের কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সরদার রমেশ চন্দ্র।
সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কবির বলেন, অভিযোগের বিষয়টি চোখে পড়েনি। আমি খোজ নিয়ে দেখবো।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
গৃহকর্মী নির্যাতন : চিত্রনায়িকা একা আটক, ইয়াবা-মদ উদ্ধার

বিনোদন ডেস্ক : গৃহকর্মীকে নির্যাতনের অভিযোগে চিত্রনায়িকা একাকে আটক করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের হাতিরঝিল থানা পুলিশ। এ সময় তার বাসা থেকে ইয়াবা-বিদেশি মদসহ মাদক উদ্ধার করা হয়। বর্তমানে থানায় তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ।

শনিবার (৩১ জুলাই) সন্ধ্যা ৭টার দিকে রাজধানীর রামপুরার নিঝুম এলাকায় চিত্রনায়িকা একার বাসা থেকে পুলিশ তাকে আটক করে।

হাতিরঝিল থানার ডিউটি অফিসার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. হারুন অর রশীদ আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, রামপুরার নিঝুম এলাকার বাসা থেকে একাকে আটক করা হয়েছে। এ সময় গৃহকর্মী হাজেরা বেগমকে (৩৫) চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। চিকিৎসা শেষে গৃহকর্মী হাজেরা বেগম থানায় এসে অভিযোগ দিলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তিনি আরও জানান, এছাড়াও চিত্রনায়িকা একার ঘর থেকে ইয়াবা, কয়েক বোতল বিদেশি মদ ও গাঁজা উদ্ধার করেছে পুলিশ। মাদক ও গৃহকর্মী নির্যাতন আইনে তার বিরুদ্ধে দুটি মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানান তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রেকর্ড ভেঙে দ্রুততম মানবী হলেনহেরাহ

খেলার খবর : পারলেন না শেলি অ্যান ফ্রেজার-প্রাইস। তিনি সেমিফাইনালে এগিয়ে ছিলেন। তাঁকে হারিয়ে রিও অলিম্পিকের বিজয়ী এলেইন থম্পসন-হেরাহ অলিম্পিকে রেকর্ড গড়ে স্বর্ণ জিতেছেন।

১০.৬১ সেকেন্ড সময় নিয়ে অলিম্পিকের ৩৩ বছরের পুরান রেকর্ড ভেঙে স্বর্ণ জিতেন থম্পসন-হেরাহ। ১০.৭৪ সেকেন্ড সময় নিয়ে রুপা জিতেছেন বেইজিং ও লন্ডন অলিম্পিকের দ্রুততম মানবী ফ্রেজার-প্রাইস।

১০০ মিটারে পদক বাইরে যেতে দেয়নি জ্যামাইকা। ব্রোঞ্জও জিতেছে তারা। জ্যামাইকান স্প্রিন্টার শেরিকা জ্যাকসন ১০.৭৬ সেকেন্ড সময় নিয়ে জিতেছেন ব্রোঞ্জ।

এই ইভেন্টের তিনটি পদকই পেল জ্যামাইকা। তৃতীয় হয়েছেন শেরিকা জ্যাকসন। ২০০৮ সালে মেয়েদের এই ইভেন্টে তিনটি পদক পেয়েছিল জ্যামাইকা।

১৯৮৮ সালের সিউল অলিম্পিকে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরেন্স গ্রিফিথ-জয়নার ১০.৬২ সেকেন্ড সময় নিয়ে এতদিন অলিম্পিকসের রেকর্ড টাইমিংয়ের মালিক ছিলেন।

জ্যামাইকার ম্যানচেস্টার প্যারিসে জন্ম থম্পসন-হেরাহর। প্রথমে ক্রিস্টিয়ানা হাইস্কুল এবং পরে ম্যানচেস্টার হাইস্কুলে পড়াকালীন দৌড়ে হাতেখড়ি। প্রথমে তিনি স্প্রিন্টার ছিলেন না, দূরপাল্লার দৌড়েই বেশি আগ্রহ ছিল তাঁর। পরে স্প্রিন্টার হিসেবে গড়ে ওঠেন তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেশের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের ব্ল্যাকমেইল করতেন হেলেনা : র‌্যাব

দেশের খবর : আওয়ামী লীগের উপকমিটির পদ হারানোর পর গ্রেপ্তার ব্যবসায়ী হেলেনা জাহাঙ্গীরকে জিজ্ঞাসাবাদে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে র‌্যাব। বাহিনীটি জানায়, দেশের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সঙ্গে প্রথমে সখ্য গড়ে পরবর্তী সময়ে তাদের ব্ল্যাকমেইল করতেন হেলেনা। এরপর আদায় করতেন টাকা। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।

শনিবার (৩১ জুলাই) দুপুরে উত্তরা র‌্যাব সদরদপ্তরে হেলেনা জাহাঙ্গীর সম্পর্কে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক।

খন্দকার আল মঈন বলেন, ‘হেলেনা সুনির্দিষ্ট একজন ব্যক্তির জন্য থেমে থাকেননি। প্রতিনিয়ত বিভিন্ন লোকজনের সঙ্গে পরিচয় ঘটেছে তার। উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য যাকেই প্রয়োজন হয়েছে তাকে তিনি ঘায়েল করেছেন। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সঙ্গে ছবি তুলেছেন এবং সেটা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়েছেন শুধু উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য। আমাদের মামলার কারণ এটাই। তিনি রাষ্ট্রের ব্যক্তিদের সম্পর্কে নেতিবাচক মন্তব্য করেছেন, যা তাদের বিব্রতকর অবস্থায় ফেলেছে, জনগণের মধ্যেও বিব্রতকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।’

র‌্যাব কর্মকর্তা বলেন, ‘আমাদের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ যদি মনে করেন এই মামলাটি র‌্যাব তদন্ত করবে তাহলে যথাযথ প্রক্রিয়ায় মাধ্যমে আমরা আবেদন করব। তবে তা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের ওপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’

হেলেনা জাহাঙ্গীর গত দুই বছরে বিভিন্ন মাধ্যম এবং টেলিভিশনে চাকরি দেওয়ার নামে টাকা আদায় করেছেন দাবি করে মঈন বলেন, ‘টেলিভিশনে চাকরি দেওয়ার নামে, এজেন্সি দেওয়ার কথা বলে বিভিন্নজনের কাছ থেকে বিভিন্ন পরিমাণ টাকা আদায় করতেন। কারও কাছ থেকে দশ হাজার কাছ থেকে বিশ হাজার টাকা, আবার কারও কাছ থেকে এক লাখ টাকা নিয়েছেন বলে আমরা প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি। কী কারণে টাকা নিয়েছেন এবং কী কাজে ব্যবহার করা হয়েছে- এ বিষয়ে হেলেনা জাহাঙ্গীর কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি।’

র‌্যাব কর্মকর্তা বলেন, ‘এসবের দায় অফিস স্টাফদের ওপর চাপিয়েছেন তিনি। বাসায় এবং অফিস থেকে যে পরিমাণ ভাউচার পাওয়া গেছে তা এখন পর্যালোচনা করা হচ্ছে। জয়যাত্রা টেলিভিশনের আইডি কার্ড ব্যবহার করে অনেক প্রতিনিধিও এই চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছে বলে আমরা জানতে পেরেছি।’

মঈন বলেন, ‘হেলেনা জাহাঙ্গীর আমাদেরকে জানিয়েছেন, তার ১৫ থেকে ১৬টি ফ্ল্যাট রয়েছে। এছাড়া বেশ কয়েকটি ফাউন্ডেশনের সঙ্গে তিনি জড়িত। বিভিন্ন সময় চাঁদাবাজি কিংবা ব্ল্যাকমেইল করে আদায় করা টাকাগুলো তিনি ফাউন্ডেশনে কাজে লাগাতেন। সুনামগঞ্জে তিনি ত্রাণ বিতরণ করায় স্থানীয়রা তাকে পল্লীমাতা উপাধি দিয়েছেন। ফাউন্ডেশনের নামে প্রবাসীদের কাছ থেকে অনেক টাকা এনেছেন। এগুলো কী কাজে ব্যবহার করা হয়েছে সে বিষয়ে কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি তিনি।’

র‌্যাব কর্মকর্তা বলেন, ‘ফ্ল্যাট কিংবা গাড়ির সংখ্যা কতগুলো সে বিষয়ে প্রকৃত কোনো তথ্য আমাদের দিতে পারেননি হেলেনা। কখনও ছয়টি গাড়ি, কখনও আটটি গাড়ির কথা উল্লেখ করেন। এসব বিষয়ে যারা তদন্ত করবেন তারা খতিয়ে দেখবেন। তার আয়ের উৎস সম্পর্কে সিআইডি কিংবা দুর্নীতি দমন কমিশন কার্যকর ভূমিকা রাখবে।’

খন্দকার মঈন জানান, জিজ্ঞাসাবাদে হেলেনা জাহাঙ্গীর র‌্যাবকে আরও জানান, সম্প্রতি তিনি রাজনীতিতে যোগ দেন। সামাজিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে নিজেকে সমাজসেবক হিসেবে তুলে ধরার প্রচেষ্টায় ছিলেন। বেশ কয়েকবার তিনি নির্বাচন করতে চেয়েছিলেন। তিনি শুধু নিজের অবস্থান উচ্চ পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার জন্যই এধরনের অপপ্রয়াস অপতৎপরতা চালিয়েছিলেন। তিনি চেয়েছিলেন দেশের মানুষ তাকে চিনবে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একটি বক্তব্য উল্লেখ করে খন্দকার আল আমিন বলেন, ‘বক্তব্য খুবই উদ্বেগজনক। কাউকে এভাবে হেয় প্রতিপন্নভাবে কথা বলা সমীচীন নয়।’

গত বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে আটটায় গুলশানে হেলেনা জাহাঙ্গীরের বাড়িতে অভিযান শুরু হয়। চার ঘণ্টার অভিযান শেষে তাকে আটক করে র্যা ব সদরদপ্তরে নেওয়া হয়। উদ্ধার করা হয় বিদেশি মদ, ক্যাসিনো সরঞ্জাম, চাকু, ওয়াকিটকিসহ বিভিন্ন অবৈধ সরঞ্জাম। এরপর রাত দেড়টা থেকে চারটা পর্যন্ত রাজধানীর মিরপুর-১১ নম্বরের এ ব্লকের তিন নম্বর রোডে জয়যাত্রা টেলিভিশনের কার্যালয়ে অভিযান চালায় র্যা ব। অভিযানে বিভিন্ন অবৈধ সরঞ্জাম জব্দ করা হয়।

ইতিমধ্যে হেলেনা জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে তিনটি মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। একটি মামলায় আদালতের মাধ্যমে তাকে তিন দিনের রিমান্ডে পেয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest