সর্বশেষ সংবাদ-
এডিসি রিপন বিশ্বাসের অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি দেওয়ার সিদ্ধান্ত সাতক্ষীরা আইনজীবী ফোরামেরপ্রেরণার নির্বাহী পরিচালক শম্পার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলাসাতক্ষীরায় যৌতুকের বলি মা-মেয়ে : হত্যার দায়ে আসামির মৃত্যুদণ্ডসাতক্ষীরায় নগর দিবস উপলক্ষে মানববন্ধন: বস্তিবাসীকে পরিকল্পিত আবাসনের আওতায় আনার দাবিসাতক্ষীরায় হেভী ইকুইপমেন্ট অপারেটর শ্রমিক ইউনিয়নের মতবিনিময় সভাস্বাস্থ্যকর্মকর্তা  ও আব্বাসী কর্তৃক সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে আপত্তিকর মন্তব্য : নেত্রকোনায় সাংবাদিককে গুলি করে হত্যার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানবন্ধনপ্রতাপনগরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মাদ্রাসার আরবি প্রভাষক রহমাতুল্লাহর মৃত্যুসাতক্ষীরায় প্রকৃতি ও জীবন ক্লাবের সাধারণ সভা: সভাপতি মুনির- সম্পাদক সামাদসাতক্ষীরায় ঘোড়ার মাংস গরু বলে বিক্রির অভিযোগে এক ব্যক্তি আটকসরকার গণতন্ত্রের পরিবর্তে জবরদখল ও দলীয়করণ শুরু করেছে: এমপি ইজ্জত উল্লাহ

হেলেনা জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে পাঁচটি মামলা হচ্ছে

দেশের খবর : আওয়ামী লীগের মহিলাবিষয়ক উপকমিটি থেকে সদ্য অব্যাহতি পাওয়া হেলেনা জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে পাঁচটি মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

আজ শুক্রবার বিকেলে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব) গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান।

রাজধানীর কুর্মিটোলায় র‍্যাবের সদর দপ্তরে আয়োজিত এ সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ‘হেলেনা জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে মিথ্যাচার, অপপ্রচার ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর অভিযোগে ডিজিটাল সিকিউরিটি আইনে মামলার প্রস্তুতি চলছে। এ ছাড়া মাদক, বিদেশি মুদ্রা ও বন্যপ্রাণীর চামড়া জব্দের ঘটনায় আলাদা আলাদা মামলার প্রস্তুতি চলছে।’

পাশাপাশি বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) ও তথ্য মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ছাড়া ‘জয়যাত্রা’ নামক টেলিভিশন চ্যানেল পরিচালনার কারণে আলাদা মামলা হবে বলে জানান র‍্যাবের গণমাধ্যম শাখার পরিচালক।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টা থেকে র‍্যাব অভিযান চালায় গুলশান ২ নম্বরে হোটেল ওয়েস্টিনের পেছনে ৩৬ নম্বর সড়কের পাঁচ নম্বরে হেলেনা জাহাঙ্গীরের বাসায়। প্রায় চার ঘণ্টা অভিযান চলে। পরে র‍্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পলাশ কুমার বসু বলেন, ‘নির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে হেলেনা জাহাঙ্গীরের বাসায় আমরা অভিযান চালিয়েছি। হেলেনা জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ ও পশু সংরক্ষণ আইন ছাড়াও ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনসহ সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা করা হবে।’

এর আগে গত রোববার আওয়ামী লীগের মহিলাবিষয়ক উপকমিটির সদস্যপদ থেকে হেলেনা জাহাঙ্গীরকে অব্যাহতি দিয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।

আওয়ামী লীগের মহিলাবিষয়ক সম্পাদক ও মহিলাবিষয়ক উপকমিটির সদস্য সচিব মেহের আফরোজ চুমকি স্বাক্ষরিত ওই সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘হেলেনা জাহাঙ্গীর বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মহিলাবিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য ছিলেন। কিন্তু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত তাঁর সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড সংগঠনের নীতিবহির্ভূত হওয়ায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মহিলাবিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য পদ হতে তাঁকে অব্যাহতি প্রদান করা হয়েছে।’

জানা যায়, নানা বিষয়ে আলোচিত ও সমালোচিত ব্যবসায়ী হেলেনা জাহাঙ্গীর সম্প্রতি ‘বাংলাদেশ আওয়ামী চাকরিজীবী লীগ’ নামের একটি সংগঠন করেন। এতে নিজেকে সভাপতি এবং মাহবুব মনিরকে সাধারণ সম্পাদক ঘোষণা করেন। এই সংগঠনে জেলা-উপজেলা ও বিদেশ শাখায় সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক মনোনয়ন দেওয়া হচ্ছে জানিয়ে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি পোস্টার প্রকাশ করা হয়। এ ঘটনার পর ফেসবুকে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি।

সংগঠনটির দাবি, গত দুই-তিন বছর ধরেই আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন হিসেবে অনুমোদন পাওয়ার চেষ্টা করছিল তারা। যদিও আওয়ামী লীগ নেতারা বলেছেন, সংগঠনটির সঙ্গে আওয়ামী লীগের কোনো সম্পর্ক নেই।

গত সোমবার হেলেনা জাহাঙ্গীর নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের ব্যাপারে ফেসবুক লাইভে এসে একপর্যায়ে কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “পুরুষেরা এত খারাপ কেন? সব পুরুষ নয়, কিছু কিছু কাপুরুষ, এত খারাপ। মেয়েদের পেছনে লেগে থাকে, লজ্জা করে না আপনাদের মেয়েদের পেছনে লেগে থাকতে। মেয়েরা না মায়ের জাতি? মা না থাকলে আপনারা জন্ম হতেন না। সেই মেয়েদের আপনারা অপমান করেন, লেলিয়ে দেন—‘হেলেনা জাহাঙ্গীরের পেছনে লাগো’।”

হেলেনা জাহাঙ্গীর বলেন, ‘আমি সরকারের জন্য একটা চ্যানেল চালাচ্ছি। সেটা জয়যাত্রা টেলিভিশন। সেই চ্যানেল আমি ভতুর্কি দিয়ে চালাচ্ছি প্রায় চার বছর যাবৎ। আমি চ্যানেলের বাইরে কোনো কাজ করতে পারি না, এত মনোযোগ দিতে হয় আমাকে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
হেলেনা জাহাঙ্গীরের সঙ্গে সেফুদার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল : র‌্যাব

দেশের খবর : উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের মাধ্যমে সুনাম নষ্ট করেছে ব্যবসায়ী হেলেনা জাহাঙ্গীর। এ ছাড়া খ্যাতি লাভের আশায় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সঙ্গে ছবি তুলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়ে সম্মানিত ব্যক্তিদের বিব্রত করতেন। একটি উচ্চাভিলাষী উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন করতে নানা ধরনের অবৈধ পন্থা, অপকৌশল ও প্রতারণার আশ্রয় নিয়েছেন হেলেনা জাহাঙ্গীর।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে এমন তথ্য পাওয়া গেছে জানিয়ে শুক্রবার (৩০ জুলাই) উত্তরা র‌্যাব সদর দফতরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, অপকৌশল হিসেবে কখনও মাদার তেরেসা, পল্লী মাতা-প্রবাসী মাতা হিসেবে পরিচিতি পেতে জয়যাত্রা ফাউন্ডেশনকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে আসছিলেন। জাহাঙ্গীর’র পৃষ্ঠপোষকতায় সংঘবদ্ধ একটি চক্র ভুয়া খেতাবের অপপ্রচার চালাতে। বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ততা রেখে নিজেকে বিভিন্ন এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতো সে।

আল মঈন বলেন, সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে অশ্লীল ও কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য দেওয়া প্রবাসী আলোচিত সেফুদা সঙ্গে ছিল হেলেনা জাহাঙ্গীরের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক। তার সঙ্গে হেলেনা জাহাঙ্গীরের নিয়মিত যোগাযোগ এবং আর্থিক লেনদেন ছিল বলেও প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছে র‌্যাব। আলোচিত সেফুদা হেলেনা জাহাঙ্গীরকে নাতনী বলেও সম্বোধন করতো।

তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন সময় বিভিন্ন প্রেক্ষাপটে ফেসবুক লাইভে এসে অযাচিত কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য প্রদান করতেন। এ ছাড়া সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে বিভিন্ন সম্মানিত ব্যক্তিদের কটাক্ষ উত্যক্ত করতো হেলেনা জাহাঙ্গীর। বিভিন্ন ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়ে তার অসৎ উদ্দেশ্য চরিতার্থ করতেন।

কমান্ডার খন্দকার আল মঈন আরও বলেন, বিভিন্ন দেশি-বিদেশি সংস্থা ও ব্যক্তিবর্গ থেকে জয়যাত্রা ফাউন্ডেশনের নামে অর্থ সংগ্রহ করতেন। যা মানবিক সহায়তায় ব্যবহারের চেয়ে গ্রেফতারকৃতের খেতাব প্রচার-প্রচারণায় বেশি ব্যবহার করা হতো। হেলেনা বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ততা রেখে নিজের বিভিন্ন এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতেন। তিনি ১২টি ক্লাবের সদস্যপদে রয়েছেন।

বিকালে র‌্যাবের সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, হেলেনা জাহাঙ্গীরকে তারা গুলশান থানায় হস্তান্তর করছে।

আওয়ামী লীগের মহিলাবিষয়ক উপকমিটির সদস্যপদ থেকে হেলেনা জাহাঙ্গীরকে অব্যাহতি দিয়ে গত রোববার আনুষ্ঠানিক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়।এতে বলা হয়, হেলেনা জাহাঙ্গীর আওয়ামী লীগের মহিলাবিষয়ক উপকমিটির সদস্য ছিলেন। কিন্তু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারিত তার সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড সংগঠনের নীতি বহির্ভূত হওয়ায় আওয়ামী লীগের মহিলাবিষয়ক উপকমিটির সদস্যপদ থেকে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

উপকমিটির সদস্যপদ থেকে বহিষ্কারের একদিন পরই ফেসবুক লাইভে এসে হেলেনা জাহাঙ্গীর কান্নায় ভেঙে পড়েন। তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করেন।

জয়যাত্রা টেলিভিশনের প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও হেলেনা জাহাঙ্গীর আওয়ামী লীগের মহিলাবিষয়ক কেন্দ্রীয় উপকমিটির সদস্য হন গত ১৭ জানুয়ারি। তার আগে ২০২০ সালের ডিসেম্বরের দিকে তিনি কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য হন। আবদুল মতিন খসরু মারা গেলে ওই আসনে মনোনয়নের জন্য দলীয় ফরম সংগ্রহ করেছিলেন। তবে মনোনয়ন পাননি।

সম্প্রতি ফেসবুকে নেতা বানানোর ঘোষণা দিয়ে ছবি পোস্ট করে আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দেন হেলেনা জাহাঙ্গীর। বাংলাদেশ আওয়ামী চাকরিজীবী লীগ নামের একটি সংগঠনের ব্যানারে সংগঠনটির জেলা, উপজেলা ও বিদেশি শাখায় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নিয়োগ দেওয়া হবে বলে ঘোষণা দেওয়া হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

দেশের খবর : দেশে নভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ২১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২০ হাজার ৪৬৭ জনে দাঁড়িয়েছে। এ ছাড়া দেশে নতুন করে আরও ১৩ হাজার ৮৬২ জন আক্রান্ত হয়েছে। এ নিয়ে দেশে মোট ১২ লাখ ৪০ হাজার ১১৫ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছে ১৩ হাজার ৯৭৫ জন। এ নিয়ে দেশে মোট ১০ লাখ ৬৪ হাজার ১৯৫ জন করোনা থেকে সুস্থ হলো।

আজ শুক্রবার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের ৬৪৮টি ল্যাবে ৪৫ হাজার ৪৪টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ৪৮ হাজার ৫৬৮টি। করোনা শনাক্তের হার ৩০ দশমিক ৭৭ শতাংশ। এই পর্যন্ত শনাক্তের হার ১৬ দশমিক ০৮ শতাংশ।

২৪ ঘণ্টায় নতুন ২১২ জন মৃত্যুবরণকারীর মধ্যে পুরুষ ১১৯ জন ও নারী ৯৩ জন। এ পর্যন্ত পুরুষ মৃত্যুবরণ করেছেন ১৩ হাজার ৮৬৯ জন ও নারী ছয় হাজার ৫৯৮ জন।

মৃত্যুবরণকারীদের মধ্যে ১১ থেকে ২০বছরের মধ্যে একজন, ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে পাঁচজন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে ১৫ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে ২৫ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ৪৮ জন, ৬১ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে ৬৯ জন, ৭১ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে ৩২ জন, ৮১ থেকে ৯০ বছরের মধ্যে ১১ জন ও ৯১ থেকে ১০০ বছরের মধ্যে ছয়জন।

২৪ ঘণ্টায় মৃত্যুবরণকারীদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ৬৫ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৫৩ জন, রাজশাহী বিভাগে ১৩ জন, খুলনা বিভাগে ৩৬ জন, বরিশাল বিভাগে ১১ জন, সিলেট বিভাগে ১৭ জন, রংপুর বিভাগে নয়জন ও ময়মনসিংহ বিভাগে আটজন।

এ ছাড়া সরকারি হাসপাতালে ১৫৪ জন, বেসরকারি হাসপাতালে ৪৮ জন ও বাসায় নয়জন, হাসপাতালে মৃতাবস্থায় আনার সময় একজন মারা গেছেন।

দেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয় গত বছরের ৮ মার্চ। ওই বছরের ১৮ জুন তিন হাজার ৮০৩ জন নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হওয়ার মধ্য দিয়ে লাখ ছাড়িয়েছিল করোনার রোগী। সেদিন পর্যন্ত মোট শনাক্ত ছিল এক লাখ দুই হাজার ২৯২ জন। এ ছাড়া দেশে করোনাভাইরাসে প্রথম মৃত্যুর ঘটনা ঘটে গত বছরের ১৮ মার্চ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটায় দখলীয় খাস সম্পত্তি থেকে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের উচ্ছেদ চেষ্টার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার দেবহাটা থানার ওসি এবং এস আই নুর মোহাম্মদ কর্তৃক দীর্ঘ দিনের দখলীয় খাস সম্পত্তি থেকে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের উচ্ছেদ চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে।  শুক্রবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে সদও উপজেলার  খানপুর গ্রামের মৃত খোদাবক্স গাজীর ছেলে বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আহারুল ইসলাম এই অভিযোগ করেন।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, আমার মুক্তিযোদ্ধা সনদ নং-ম-১৭১১১৫৯, গেজেট নং- এবং লাল মুক্তিবার্তা নং- ০৪০৪০১০০২৮। দেবহাটা উপজেলার নওয়াপাড়া  ইউনিয়ন ভূমি অফিসের অধীনে রামনাথপুর মৌজার এস.এ ১নং খাস খতিয়ানের ২৩৬, ২৩৭ ও ২৩৮ দাগে ৭৬ শতক জমির মধ্যে ৩৩ শতকের উপর আমার জামাতা আসাদুল ইসলাম দখল করে এবং সেখানে অবকাঠামো বৈদ্যুতিক সংযোগ এবং নতুন ঘর নির্মাণ করে বসবাস করে আসছেন।

উক্ত সম্পত্তি ২০১৬ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর জেলা খাস জমি ব্যবস্থাপনা ও বন্দোবস্ত কমিটির সভায় ১৭৬ নং স্মারকে বাতিলকৃত বন্দোবস্তের গ্রহীতা পারুলিয়ার কালাবাড়িয়া গ্রামের আদম মল্লিকের ছেলে মোঃ আবুল কাশেম ও আবুল কাশেমের স্ত্রী ছালেহা খাতুন ২০১৬ সালের ১২ জুলাই দেবহাটা সহকারী জজ আদালতে দেওয়ানী ২৪/২০১৬ নং মোকদ্দমায় সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক সহ তার অধীনস্থ ৪জন প্রশাসনিক কর্মকর্তাকে বিবাদী শ্রেণিভুক্ত করেন। বিবাদীগণ ইতোমধ্যে হাজির হয়ে জবাব দাখিল করেছেন। জবাবে তপশীল বর্ণিত সম্পত্তিতে কখনোই বাদী আবুল কাশেম গং দখল করতেন না এবং উপজেলা প্রশাসনের সার্ভেয়ার প্রদত্ত রিপোর্ট অনুযায়ী দখলকার হিসাবে জনৈক আবুল হোসেন, মোঃ রেজাউল ইসলাম ও আমার জামাতা মোঃ আসাদুল ইসলামের নাম উল্লেখ থাকায় তাহাদেরকেও বিবাদী শ্রেণিভুক্ত করনের আবেদন করেন।

সে মোতাবেক উল্লেখিত ব্যক্তিগণ চলমান মামলায় অংশগ্রহণ করছেন। উক্ত সম্পত্তিতে আমার জামাতাসহ অন্যান্যরা শান্তিপূর্ণভাবে দীর্ঘ ১২ বছর যাবত কাঁচা বসতঘর, গোয়ালঘর নির্মাণ, বিদ্যুতিক সংযোগ গ্রহণসহ মৎস্য চাষ, বিভিন্ন সবজী চাষাবাদ এবং ফলের গাছ লাগিয়ে দখল করেছিলেন।

বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আহারুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, যে মামলা সরকারের বিরুদ্ধে এবং আসামী সরকারি কর্মকর্তা, অথচ দেবহাটা থানার ওসি ও এসআই মোহাম্মদ সরকারি কর্মকর্তা হয়েও সরকারের পক্ষ অবস্থান না নিয়ে উল্টো ওই
সরকারি সম্পত্তি আত্মসাতকারীর পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। সম্প্রতি দেবহাটা থানার এস আই নুর মোহাম্মদ আমার জামাতাকে তার ঘরে প্রবেশ করতে বাধা দেন এবং গত ২৬ জুলাই সকাল ১১টায় থানায় ওসি সাহেবের সাথে সাক্ষ্যাৎ করতে বলেন।
সে মোতাবেক আমার জামাতা এবং তার পুত্র থানায় উপস্থিত হলে ওসি সাহেবের নির্দেশে এসআই নূর মোহাম্মাদ উল্লেখিত দেওয়ানী মামলার বাদীদের সম্মুখে
জোর পূর্বক অঙ্গীকার নামায় তাদের পিতা-পুত্রকে স্বাক্ষর করিয়ে নেয়। পরদিন ২৭ জুলাই সকালে উল্লেখিত আবুল কাশেম, তার স্ত্রী সালেহা খাতুন, রুহুল আমিনের স্ত্রী তানিয়া, রূপচান ফকিরের পত্র রুহুল আমিন, জিয়াদ আলীর পুত্র
সাইফুল¬াহ, চেন্টুর পুত্র হোসেন আলী, মৃত শহিদুল ইসলামের পুত্র সজিব, ইসহাক শেখের পুত্র হাসান আলী ও হোসেন আলীর পুত্র আলতাফ গংসহ ১০/১২ জন
অজ্ঞাত ব্যক্তিসহ তপশীল জমিতে প্রবেশ করে পূরুষ শূন্য বাড়ীতে আমার কন্যাকে নাজেহাল করে বাড়ী ভাংচুর, বিদ্যুৎতিক সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে।
সেখানে দখলদাররা ঘর নির্মাণ করে। তাৎক্ষনিক আমার কন্যা ৯৯৯ এ ফোন দিলে
দেবহাটা থানার ওসি সরকারী সম্পত্তি আত্মসাৎকারী দখলদারদের পক্ষে অবস্থান
নিয়ে কোন ব্যবস্থা গ্রহণে অস্বীকৃতি জানান।

তিনি আরো বলেন, এস আই নূর মোহাম্মাদ সম্পূর্ণ প্রতারণা মূলকভাবে ২০১৯
সালের ২৮ আগষ্টের এক ইনফরমেশন স্লীপের আংশিক অর্ডারের কথা উল্লেখ পূর্বক
অজুহাত দেখিয়ে দীর্ঘদিন ভোগ দখলে থাকার পর আমার কন্যা ও তার পরিবারের সকল
সদস্যকে রাস্তায় নামিয়ে দিয়েছেন। তিনি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের
এভাবে রাস্তায় নামিয়ে দেওয়ার ঘটনায় দেবহাটা থানার ওসি ও এস আই সহ
সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সাতক্ষীরা পুলিশ
সুপারের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

এবিষয়ে জানতে চাইলে দেবহাটা থানার ওসি বিপ্লব কুমার সাহা সংবাদ সম্মেলনে
করা মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আহারুল ইসলামের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, এটি জমি
জমা নিয়ে ঘটনা, যা বিজ্ঞ আদালতে বিচারাধীন। আমরা উভয় পক্ষকে ডেকে বলেছি,
যেহেতু বিষয়টি নিয়ে বিজ্ঞ আদালতে মামলা বিচারাধীন আছে, সেহেতু আদালতে
বিচারাধীন বিষয়ে পুলিশ কোন সিদ্ধান্ত দিতে পারবে না। একমাত্র বিজ্ঞ
আদালতই এর সিদ্ধান্ত দিবেন। বর্তমানে আপনারা উভয় পক্ষ শান্তি শৃঙ্খলা
বজায় রেখে চলবেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটায় চিংড়িতে পুশ : জরিমানা

দেবহাটা ব্যুরো : দেবহাটায় রপ্তানি শিল্প চিংড়িতে অপদ্রব্য পুশ বিরোধী অভিযান পরিচালিত হয়েছে। শুক্রবার (৩০ জুলাই) দুপুর ১টায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বাপ্পি দত্ত রনি অভিযান পরিচালনা করেন। এসময় দেবহাটা উপজেলার উওর সখিপুর গ্রামের মৃত মোফাজ্জেল সরদারের পুত্র শফিকুল ইসলামকে বাগদা চিংড়িতে অপদ্রব্য পুশরত অবস্থায় ধরা পড়েন। পরে ভ্রাম্যমান আদালতে, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষন আইনে ৪২ ধারায়, আনুমানিক ২৫কেজি অপদ্রব্য পুশকৃত বাগদা চিংড়ি বিনষ্ট করা হয়।

একই সাথে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এর আগে গত বৃহস্পতিবার পারুলিয়া বাজারে চিংড়িতে অবৈধ জেলি পুশ করার সময় রাতুল ফিশে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। সেখানে পুশকৃত ৭২ কেজি চিংড়ি জব্দ করে প্রশাসন। পরে রপ্তানি চিংড়িতে পুশ করার অপরাধে রাতুল ফিশ এর স্বত্তাধিকারীকে ভ্রাম্যমান আদালতে ৮০ হাজার টাকা জরিমানা করে ভ্রাম্যমান আদালত। যৌথ এ অভিযান কালে উপস্থিত ছিলেন দেবহাটা সার্কেলের এএসপি সার্কেল জামিলুর রহমান, দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বাপ্পি দত্ত রনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটায় টানা বৃষ্টিতে শতশত বিঘা ফসলের মাঠ ও মৎস্যঘের প্লাবিত !

কে এম রেজাউল করিম, দেবহাটা ব্যুরো :
দেবহাটায় টানা বৃষ্টিতে নিমজ্জিত হয়ে পড়েছে বিভিন্ন এলাকা। ৩ দিনের অতি বর্ষণে ডুবে গেছে শত শত ফসলের মাঠ ও মৎস্যঘের। পানিতে ভাসতে অসংখ্য বসতবাড়ির আঙ্গিনা। এতে জনজীবনে নেমে এসেছে চরম ভোগান্তি।

জানা গেছে, সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলায় কয়েকদিনের অতিবৃষ্টিতে প্লাবিত হয়েছে বৃহৎ একটি অংশ। এতে লাখ লাখ টাকার সম্পদ নষ্ট হয়ে গেছে। বৃষ্টির পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় অধিকাংশ বিলের মৎস্যঘের প্লাবিত হয়েছে। ভেসে গেছে মৎস্য সম্পদ। কোথাও কোথাও খাল, বিল, মৎস্যঘের ডুবে একাকার হয়ে গেছে। এতে চরম ক্ষতির মুখে পড়েছেন ব্যবসায়ীরা। অন্য দিকে চলতি মৌসুমে রোপন করা ধান ও সবজির খেতে হাটু পানিতে ডুবে গেছে। তবে চলমান এ পরিস্থিতির সৃষ্টির জন্য অপরিকল্পিত মৎস্যঘের নির্মাণ ও পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকাকে দায়ী করছেন স্থানীয়রা।

এছাড়া সরকারি খালে নেট পাটা ও ব্যক্তি দখলে থাকায় পানি নিষ্কাশন ব্যাহত হচ্ছে বলেও জানা গেছে। এদিকে টানা বৃষ্টির পাশাপাশি বিভিন্ন এলাকার বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ রয়েছে। আর এতে বিকল হয়ে পড়েছে মোবাইল নেটওয়ার্ক। কোন কোন স্থানে শুকনো গাছ ভেঙে পড়েছে বৈদ্যুতিক সংযোগের তারের ওপর। ফলে অন্ধকারে নিমজ্জিত হয়ে পড়েছে দেবহাটার বিভিন্ন এলাকা। এতে গ্রামের দোকানগুলোতে মোমবাতি ও জ্বালানি তেলে বিক্রি বেড়েছে। এছাড়া বৃষ্টিতে খাল,বিল ডুবে যাওয়ায় অবসরে অনেকে নেমেছেন মাছ ধরার কাজে। দেবহাটার কোঁড়া গ্রামের বাসিন্দা মিজানুর রহমান জানান, মাছেরঘের ডুবে একাকার হয়ে গেছে। হাজার হাজার টাকার মাছ অন্য লোকের ঘেরে চলে গেছে। এবছর অনেক ক্ষতির মুখে পড়তে হবে বলে জানান তিনি। স্থানীয় বাসিন্দা রাজু আহম্মেদ জানান, বৃষ্টিতে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় তার বাড়ির আঙ্গিনায় হাঁটু পানি। বারান্দায় পানি উঠতে শুরু করেছে। রান্না ঘরে পানি থৈ থৈ করছে। বাড়ির কোথাও শুকনো জায়গা নেই। রান্না খাওয়া হবে কি না সন্দেহ।

মৎস্যঘের মালিক আজিজুল হক আরিফ জানান, খালের সাথে ঘের একাকার হয়ে গেছে। নেট কিনে ভেড়ির পাশ দিয়ে উঁচু করে দিচ্ছি,কোন রকম মাছ রক্ষা করার জন্য। বহুটাকা খরচ করে মাছ চাষ শুরু করছি। কিন্তু এ পরিস্থিতিতে জানি না শেষ পর্যন্ত কি হবে। মাছ চলে গেলে পথে বসা ছাড়া কোন উপায় থাকবে না। দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার জানান, টানা বৃষ্টিতে বিভিন্ন স্থানে পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। আমরা পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা নিতে কাজ করছি। কোথাও কোন বড় সমস্যা দেখা দিলে আমাকে অবহিত করবেন। যত দ্রুত সম্ভব ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সহকারী কমিশনার পরিচয়দানকারী হ্যাকার অমিত গ্রেফতার

কলারোয়া প্রতিনিধিঃ
সাতক্ষীরার কলারোয়ায় সহকারী কমিশনার ভূমি পরিচয় দানকারী হ্যাকার অমিত কুমার ঘোষ (৩৫) নামে এক যুবক ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে গ্রেফতার হয়েছে। সে উপজেলার বামনখালী গ্রামের সমরেশ কুমার ঘোষের ছেলে। বৃহস্পতিবার বিকালে তাকে থানা পুলিশ কলারোয়া বাজার থেকে গ্রেফতার করেন। মামলার বিবরণে ও মামলার বাদী উপজেলা ভুমি অফিসের ক্রেডিট, চেকিং-কাম-সায়রাত সহকারী প্রণব কুমার সরকার জানান- তিনি দপ্তারিক দায়িত্বের অংশ হিসাবে নামজারী মামলার কার্যক্রমে সহকারী কমিশনার (ভুমি)র সহায়তা করে থাকেন। প্রাক্তন সহকারী কমিশনার (ভুমি) আক্তার হোসেন গত ৮জুলাই অপরাহ্নে অফিসের দায়িত্ব হস্তান্তর করে জেলা প্রশাসক সাতক্ষীরার কার্যালয়ে ভুমি হুকুম দখল কর্মকর্তা হিসাবে যোগদান করেন।

এর মধ্যে প্রতারক ও হ্যাকার অমিত কুমার ঘোষ গত ২৭জুলাই ই-নামজারী সাপোর্ট সেন্টার হতে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে প্রাক্তন সহকারী কমিশনার (ভুমি) আক্তার হোসেনের আইডি ব্যবহার করে নামজারী কেস নম্বর উল্লেখ করে অত্রফিসকে অবহিত করেন। পরে মামলার বাদী ই-নামজারী কেস রেজিস্টার পরীক্ষা করে দেখেন যে, কলারোয়া উপজেলা ভুমি অফিসের ই-মিউটেশন ওয়েব সাইট হ্যাকিং করে প্রতারক অমিত কুমার ঘোষ ৯জুলাই হতে ২৭ জুলাই পর্যন্ত নামজারীর বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পন্ন করেন।

ই-মিউটেশন সাপোর্ট সেন্টার থেকে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে জানা যায়- অমিত কুমার ঘোষ পিতা সমরেশ ঘোষের নামীয় ২৭৬/২৭৭ নং নামজারী কেস ২টি উপজেলা নির্বাহী অফিসার জুবায়ের হোসেন চৌধুরী, প্রাক্তন সহকারী কমিশনার (ভুমি) আক্তার হোসেন, কানুন গো জামাল উদ্দীন ও মামলার বাদী উপজেলা ভুমি অফিসের ক্রেডিট, চেকিং-কাম-সায়রাত সহকারী প্রণব কুমার সরকারের আইডি হ্যাকিং করে বামনখালী মৌজায় ১/১ খতিয়ানের সরকারি সম্পত্তি রেকর্ড সংশোধন করেন।

এমনকি নামজারী খতিয়ানে ভুয়া ডিসিআর নম্বর ব্যবহার করে সরকারি সম্পদ আতœসাৎ করার চক্রান্ত করে। এছাড়া ওই প্রতারক অমিত কুমার ঘোষ সরকারি মেইল হ্যাক করে নিজেকে সহকারী কমিশনার (ভুমি) পরিচয় দিয়ে ঢাকায় যোগাযোগ করেন। এমনকি সে তার ব্যক্তিগত ০১৯৭৫২২৮৪৪৪ নং মোবাইল নম্বর দিয়ে ই-মিউটেশন সাপোর্ট সেন্টার ঢাকায় কথা বলেন । তার কথাপোকথনের রেকর্ডিং উল্লেখ করে গত ২৮জুলাই হ্যাকার অমিক কুমার ঘোষকে আসামী করে কলারোয়া থানায় একটি মামলা নং-৩৭(৭)২১ দায়ের করেন উপজেলা ভুমি অফিসের ক্রেডিট, চেকিং-কাম-সায়রাত সহকারী প্রণব কুমার সরকার। এবিষয়ে কলারোয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মীর খায়রুল কবীর জানান- সরকারি ভুমি অফিসের ই-মিউটেশন ওয়েব সাইট হ্যাক করে নামজারী কেসে সরকারি সম্পত্তি রেকর্ড করে ১৯৬০ সালের পেনাল কোডের ৪৬৫, ৪৬৬, ৪৬৭ ও ৪৭১ এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন-২০১৮ এর ২২, ২৩ ও ৩৪ ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধে অমিত ঘোষের নামে একটি মামলা হওয়ায় তাকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় করোনায় ১ জনের মৃত্যু: উপসর্গে ৩: সংক্রমনের হার ৩০ শতাংশ

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরায় গত ২৪ ঘন্টায় করোনা উপসর্গে ৩জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন আরও একজন। সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ (সামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়। এদিকে গত ২৪ ঘন্টায় বিগত দিনের মত একই অবস্থায় আছে করোনা আক্রান্তের হার।

করোনা উপসর্গ নিয়ে মৃত ব্যক্তিরা হলেন, সাতক্ষীরা কালিগঞ্জ উপজেলার মৌতলা গ্রামের বাবর আলী (৭০),সদরের কামারবাইশা গ্রামের কোহিনুর বেগম (৬৫) ও দেবহাটার পারুলিয়ার রাশিদা খাতুন (৬০)। এছাড়া করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন খুলনার পাইকগাছা এলাকার আব্দুর রাজ্জাক (৭০)।

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্র জানায়, জ্বর, সর্দি, কাশি ও শ্বাসকষ্টসহ করোনার নানা উপসর্গ নিয়ে মৃত ব্যক্তিরা গত ১৯ জুলাই থেকে ২৮ জুলাইয়ের মধ্যে বিভিন্ন সময়ে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ (সামেক) হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ভর্তি হন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার তাদের মৃত্যু হয়। এনিয়ে জেলায় ২৯ জুলাই বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৮৫ জন। আর উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন ৫৩৬ জন।

এদিকে গত দুদিন একই অবস্থায় রয়েছে করোনা সংক্রমনের হার। গত ২৪ ঘন্টায় নতুন করে আরো ৪৯ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এ সময় ১শ’৬২ টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। শনাক্তের হার ৩০ শতাংশ। এর আগের দিনও শনাক্তের হার ছিল ৩০ শতাংশ।
সাতক্ষীরা সদর হাসপতালের মেডিকেল অফিসার ও জেলা করোনা বিষয়ক তথ্য কর্মকর্তা ডাঃ জয়ন্ত কুমার সরকার জানান, তিনি আরো বলেন, বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সাতক্ষীরায় মোট করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৫ হাজার ৫শ’৯৪ জন।তাদের মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ৪ হাজার ৩শ’ ৩০ জন। বর্তমানে জেলায় করোনা রোগী রয়েছে ১১৭৯ জন। এরমধ্যে হাসপাতালে ভর্তি করোনা রোগীর সংখ্যা ২৬ জন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest