সর্বশেষ সংবাদ-
এডিসি রিপন বিশ্বাসের অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি দেওয়ার সিদ্ধান্ত সাতক্ষীরা আইনজীবী ফোরামেরপ্রেরণার নির্বাহী পরিচালক শম্পার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলাসাতক্ষীরায় যৌতুকের বলি মা-মেয়ে : হত্যার দায়ে আসামির মৃত্যুদণ্ডসাতক্ষীরায় নগর দিবস উপলক্ষে মানববন্ধন: বস্তিবাসীকে পরিকল্পিত আবাসনের আওতায় আনার দাবিসাতক্ষীরায় হেভী ইকুইপমেন্ট অপারেটর শ্রমিক ইউনিয়নের মতবিনিময় সভাস্বাস্থ্যকর্মকর্তা  ও আব্বাসী কর্তৃক সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে আপত্তিকর মন্তব্য : নেত্রকোনায় সাংবাদিককে গুলি করে হত্যার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানবন্ধনপ্রতাপনগরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মাদ্রাসার আরবি প্রভাষক রহমাতুল্লাহর মৃত্যুসাতক্ষীরায় প্রকৃতি ও জীবন ক্লাবের সাধারণ সভা: সভাপতি মুনির- সম্পাদক সামাদসাতক্ষীরায় ঘোড়ার মাংস গরু বলে বিক্রির অভিযোগে এক ব্যক্তি আটকসরকার গণতন্ত্রের পরিবর্তে জবরদখল ও দলীয়করণ শুরু করেছে: এমপি ইজ্জত উল্লাহ

শ্যামনগরের ইউএনওর বিরুদ্ধে সাবেক গৃহকর্মীর ঝুপড়ি ঘর ভেঙে দেয়ার অভিযোগ

আসাদুজ্জামান : দীর্ঘ ৯ বছর ধরে সরকারি খাস জমিতে বসবাসকারী বিধবা রোকেয়া খাতুনের খুপড়ি ঘরটি ভেঙে চুরমার করে দেওয়া হলো। রোববার সকালে সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার ইসমাইলপুর গ্রামে কোভিড কালীন সময়ে এই অমানবিক ঘটনা ঘটেছে। ১০ থেকে ১২ জন লোক স্থানীয় ভূমি অফিসার মোহাম্মদ আলীর নেতৃত্বে রোকেয়ার কোন কথা না শুনেই সন্ত্রাসী কায়দায় তার বাড়িটি ভেঙে গুড়িয়ে দিয়েছে।

ইসমাইলপুর গ্রামের সাবুর আলীর বিধবা স্ত্রী রোকেয়া খাতুন তার ঘর গুড়িয়ে দেওয়ার জন্য শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবুজার গিফারীকে দায়ী করেছেন। তিনি বলেন, ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে ইউএনও তার ঘরটি ভেঙে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। অথচ তার আশপাশে আরও অনেক দরিদ্র পরিবার খাস জমিতে বসবাস করলেও তারা নির্বিঘেœ রয়েছেন।

রোকেয়া জানান, আমি ইউএনও’র সরকারি বাসভবনে গৃহকর্মী হিসাবে কাজ করতাম। কিছুদিন আগে আমার করোনা উপসর্গ দেখা দিলে তিনি আমাকে বাড়ি থেকে চিকিৎসা নিতে বলেন। এই কারনে আমি বাড়িতেই ছিলাম এবং চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়েছি। এরই মধ্যে ইউএনও নিজেই করোনা আক্রান্ত হয়ে সাতক্ষীরার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হন। তাকে সেবা দেওয়ার জন্য আমাকে সেখানে যেতে বলা হয়। কিন্তু আমি করোনার আতংকে এবং আমার একটিমাত্র মেয়ের নিরাপত্তার কথা ভেবে ইউএনওকে সেবা দিতে ব্যর্থ হয়েছি। এতেই তিনি ক্ষুব্ধ হয়ে ছিলেন। রোকেয়া আরও জানান, দুদিন আগে আমি কাজের জন্য ইউএনও’র বাসায় ঢুকতে চেষ্টা করলে আমাকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়।

রোকেয়া জানান, কোনকিছু বুঝে ওঠার আগে রোববার সকালে ভূমি অফিসার মোঃ আলীর নেতৃত্বে একদল লোক দা, কোদাল, শাবল নিয়ে আমার ঘরটি ভেঙেচুরে দিয়ে যায়। আমার কোন অনুরোধও তারা শোনেনি। ওই ঘরে আমার দিনমজুর মেয়ে ও জামাই থাকতো। তারা এখন আশ্রয়হীন হয়ে পড়লো।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ভূমি অফিসার মোঃ আলী বলেন, রোকেয়ার নামে প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ন প্রকল্পের একটি গৃহ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। তারপরও তিনি সরকারি খাস জমির একাংশ দখল করে ছিলেন। এজন্য তাকে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নির্দেশে উচ্ছেদ করা হয়েছে। এর আগে তাকে কোন নোটিশ দেওয়া হয়নি স্বীকার করে তিনি বলেন, রোকেয়ার ঘর থেকেই উচ্ছেদ শুরু করা হলো।

শ্যামনগর ইউপি চেয়ারম্যান জহুরুল হায়দর বাবু বলেন, কোভিড চলাকালে তার ঘরবাড়ি ভেঙে উচ্ছেদ করা একটি অমানবিক বিষয়। তিনি এর প্রতিবাদ করেন।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবুজার গিফারী বলেন, রোকেয়ার প্রতি ব্যক্তিগত আক্রোশের কোন সুযোগ নেই। করোনাকালে কোন বাড়িতে গৃহকর্মীর থাকাটাও নিরাপদ নয়। তাছাড়া সরকারি জমি উদ্ধার একটি চলমান প্রক্রিয়া। রোকেয়াকে তার বসবাসের জন্য আগেই একটি গৃহ দেওয়া হয়েছে। তিনি বাড়তি জমিতে থাকার কারণে তার বাড়িঘর সরিয়ে না নেওয়ায় আমরা ভেঙে দিয়েছি। তিনি আরও বলেন, আশপাশের আরও খাস জমি দখলকারীদের পর্যায়ক্রমে সরিয়ে দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ প্রকল্পের নতুন নতুন ঘর তৈরি করা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এনামুল হক লাভুর মৃত্যুতে ওয়ার্কার্স পার্টির শোক

প্রেস বিজ্ঞপ্তি:
রাজশাহী বিশ^বিদ্যালয়ের ৮০দশকের সামরিক স্বৈরাচার ও সা¤্রদায়িক শক্তি বিরোধী লড়াইয়ের লড়াকু সৈনিক, বাংলাদেশ ছাত্রমৈত্রীর সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা ও বাংলাদেশ যুবমৈত্রীর কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক নেতা এনামুল হক লাভু ২৫ জুলাই ২০২১ রবিবার বেলা আনুমানিক ৩.৩০ মিনিটে ঢাকা ল্যাব এইড হাসপাতালে চিকিৎসাধিন অবস্থায় মৃত্যু বরণ করেন।

তার অকালে মৃত্যুতে একজন প্রগতিশীল, সাম্প্রদায়িক শক্তি বিরোধী ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনের সংগঠক অসময়ে চলে যাওয়ায় গভীর শোক ও শ্রদ্ধা এবং শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বিবৃতি প্রদান করেছেন বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি কেন্দ্রীয় পলিট ব্যুরোর সদস্য ও সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া) মাননীয় সংসদ সদস্য কমরেড মুস্তফা লুৎফুল্লাহ, জেলা ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি কমরেড মহিবুল্লিাহ মোড়ল, সাধারণ সম্পাদক কমরেড এড. ফাহিমুল হক কিসলু, সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য কমরেড সাবির হোসেন, কমরেড আবেদুর রহমান, কমরেড ময়নুল হাসান, কমরেড স্বপন কুমার শীল, কমরেড অজিত কুমার রাজবংশী।

জেলা কমিটির সদস্য কমরেড নাসরীন খানম লিপি, কমরেড রফিকুল ইসলাম, কমরেড আব্দুল জলিল, কমরেড আব্দুর রউফ, কমরেড মফিজুল হক জাহাঙ্গীর, কমরেড নির্মল সরকার, কমরেড হিরন্ময় মন্ডল, কমরেড শিবপদ গাইন প্রমুখ।

 

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
থুতনিতে বন্দুক ঠেকিয়ে সেলফি, ক্যামেরার বদলে ‌ট্রিগারে চাপ!

ভিন্ন স্বাদের খবর : গুলিভর্তি বন্দুক নিয়ে সেলফি তুলতে গিয়ে মাথার ‘খুলি উড়িয়ে’ ফেললেন এক গৃহবধূ। গত বৃহস্পতিবার ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের উত্তর প্রদেশের হারদুই অঞ্চলে। খবর টাইমস অব ইন্ডিয়ার।

কিন্তু কীভাবে চলল বন্দুকের গুলি? জানা গেছে, থুতনিতে বন্দুকের নল ঠেকিয়ে সেলফি তুলছিলেন উত্তর প্রদেশের লখনউয়ের হরদই অঞ্চলের বাসিন্দা রাধিকা গুপ্তা। একটা হাত মোবাইলের কিপ্যাডে থাকলেও ছবি তোলার সময় তরুণীর অপর হাত ছিল বন্দুকের ট্রিগারে। আর তাতেই ঘটে বিপত্তি। অসাবধানতাবশত চাপ পড়ে যায় ট্রিগারে। ব্যাস! গুলি বেরিয়ে সোজা গৃহবধূর মাথায়।

শ্বশুরের বন্দুক নিয়ে এই সেলফি স্ট্যান্ট করছিলেন রাধিকা। ২৬ বছর বয়সী এই তরুণী প্রায়ই নানা পোজে সেলফি তুলতে পছন্দ করতেন বলে জানা গেছে। সেলফি তোলার সময় সাহসী কিছু করতে গিয়েই দুর্ঘটনাবশত মৃত্যু হলো তাঁর।

পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে বের হওয়া গুলি তাঁর গলা ও ঘাড় ফুঁড়ে সোজা মাথার এফোঁড়-ওফোঁড় করে বেরিয়ে যায়। তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা মৃত ঘোষণা করেন।

রাধিকার শ্বশুর রাজেশ গুপ্তা জানান, তাঁর ছেলে আকাশ গুপ্তার সঙ্গে রাধিকার বিয়ে হয় চলতি বছরের মে মাসে। এই বন্দুকটি তাদের লাইসেন্সপ্রাপ্ত। তবে পঞ্চায়েত নির্বাচনের জন্য ১২-বোর একনলা বন্দুকটি থানায় জমা রাখতে হয়েছিল।

গত বৃহস্পতিবার আকাশ সেটি বাড়িতে ফেরত আনেন। বাড়ির দোতলায় সেটি রাখা ছিল। ওইদিনই বিকেল ৪টার দিকে বাড়ির সদস্যরা গুলির শব্দ শুনতে পান। রাধিকার ঘরে পৌঁছে দেখেন, তিনি রক্তে ভাসছেন। হাতে রয়েছে সেই একনলা বন্দুক। সামনে তাঁর মোবাইলটি পড়ে থাকতে দেখেন সবাই। সেখানেই বন্দুকসহ রাধিকার সেলফি দেখা যায়। বুঝতে কোনো অসুবিধা হয়নি, সেলফি তুলতে গিয়েই এই মর্মান্তিক পরিণতি।

পুলিশ বন্দুক ও মোবাইল ফোনটি জব্দ করেছে। এরই মধ্যে ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য সেগুলো পাঠানো হয়েছে। রাধিকার ফোন থেকে পাওয়া ছবি মৃত্যুর কয়েক সেকেন্ড আগে তোলা হয়েছিল বলে জানায় পুলিশ।

এ ঘটনায় রাধিকার স্বামী আকাশকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। আকাশ জানান, তাঁর স্ত্রী বন্দুক দেখার পর থেকেই ব্যাপক উৎসাহিত ছিলেন। তিনি বন্দুক পাশে রেখে বেশ কয়েকটি ছবিও তুলেছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
১৯৩ রান তাড়া করে জিতে টি-টোয়েন্টি সিরিজ বাংলাদেশের

অনলাইন ডেস্ক : হারারেতে তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টিটিতে জিম্বাবুয়েকে ৫ উইকেটে হারিয়ে টি-টোয়েন্টি সিরিজও জিতে নিয়েছে বাংলাদেশ। ১৯৪ রানের বড় লক্ষ্যে খেলতে নেমে চার বল হাতে থাকতেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় টাইগাররা।

সৌম্য সরকার, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও শামিম হোসেনের ব্যাটিং নৈপুণ্যে সিরিজ জিতল বাংলাদেশ।

ওয়ানডে সিরিজে হোয়াইটওয়াশ করা বাংলাদেশ, টি-টোয়েন্টি সিরিজে জিম্বাবুয়েকে ২-১ ব্যবধানে হারায়।

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ১২০ বলে ১৯৪ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর তাড়া করতে নেমে ৪ বল হাতে রেখে উইকেটে জয় পায় বাংলাদেশ দল। এই জয়ে ৪৯ বলে ৬৮ রান করেন সৌম্য সরকার। ২৮ বলে ৩৪ রান করেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। শেষ দিকে

অনবদ্য ব্যাটিং করেন সৌম্য সরকার।

২.২ ওভারে দলীয় ২০ রানে ব্লেসিং মুজারাবানির করা প্রথম ওভারে ক্যাচ তুলে দিয়ে ফেরেন নাঈম। তার আগে ৭ বলে ৩ রান করেন এ ওপেনার।

এরপর সাকিব আল হাসানকে সঙ্গে নিয়ে ৫০ রানের জুটি গড়েন সৌম্য। ৭.৪ ওভারে দলীয় ৭০ রানে নাঈমের মতো ক্যাচ তুলে দিয়ে ফেরেন সাকিব। সাজঘরে ফেরার আগে ১৩ বলে এক চার ও দুই ছক্কায় করেন ২৫ এ অলরাউন্ডার।

চার নম্বর পজিশনে ব্যাটিংয়ে নামা অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদকে সঙ্গে নিয়ে দলকে জয়ের স্বপ্ন দেখান সৌম্য। ৪০ বলে টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের পঞ্চম ফিফটি তুলে নেন এ ওপেনার।

তৃতীয় উইকেটে রিয়াদের সঙ্গে ৩৫ বলে ৬৩ রানের জুটি গড়েন সৌম্য। দলকে জয় উপহার দিতে বাউন্ডারি হাঁকাতে গিয়ে ক্যাচ তুলে দেন তিনি। ১৩.৩ ওভারে দলীয় ১৩৩ রানে সাজঘরে ফেরার আগে ৪৯ বলে ৯টি চার ও এক ছক্কায় ক্যারিয়ার সেরা ৬৮ রান করেন সৌম্য।

সৌম্য আউট হওয়ার পর ছক্কায় ইনিংস শুরু করা আফিফ হোসেন মাত্র ৫ বলে দুুটি ছক্কায় ১৪ রান করে বোল্ড আউট হয়ে ফেরেন।

তিন ম্যাচ সিরিজের অঘোষিত ফাইনালে দুর্দান্ত ব্যাটিং করেছে স্বাগতিক জিম্বাবুয়ে। টাইগার বোলারদের তুলোধুনো করে ৫ উইকেটে ১৯৩ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর গড়েছে জিম্বাবুয়ে।

রোববার জিম্বাবুয়ের হারারে স্পোর্টস ক্লাব মাঠে তিন ম্যাচ সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন স্বাগতিক দলের অধিনায়ক সিকান্দার রাজা।

প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমে উড়ন্ত সূচনা করেন দুই ওপেনার ওয়েসলি মাধেভেরে ও মারুমানি।

ইনিংসের শুরু থেকে ব্যাটিং তাণ্ডব চালিয়ে ৬ ওভারে ৬৩ রানের জুটি গড়ে সাজঘরে ফেরেন মারুমানি। মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের শিকারে পরিণত হওয়ার আগে ২০ বলে দুই চার ও দুই ছক্কায় ২৭ রান করেন তিনি।

ব্যাটিং তাণ্ডব চালানো রেগিস চাকাভাকে সাজঘরে ফেরালেন সৌম্য সরকার। আউট হওয়ার আগে মাত্র ২২ বলে ৬টি ছক্কায় ৪৮ রান করেন চাকাভা।

দুরন্ত শুরুর পর চার নম্বর পজিশনে ব্যাটিংয়ে নেমে সৌম্যর দ্বিতীয় শিকারে পরিণত হয়ে সাজঘরে ফেরেন জিম্বাবুয়ের অধিনায়ক সিকান্দার রাজা। তাকে রানের খাতা খোলার সুযোগ দেননি সৌম্য।

ইনিংসের শুরু থেকে অনবদ্য ব্যাটিং করে ফিফটি তুলে নেন ওয়েসলি মাধেভেরে।জিম্বাবুয়ের এ তারকা ওপেনারকে সাজঘরে ফেরান সাকিব আল হাসান। তার স্পিনে বিভ্রান্ত হওয়ার আগে ৩৬ বলে ৬টি বাউন্ডারির সাহায্যে দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৫৪ রান করেন মাধেভেরে।

এরপর ডিয়ন মাইয়ার্সের ২৩ আর রায়ান বুলের অপরাজিত ৩১ রানে ভর করে ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ১৯৩ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর গড়ে জিম্বাবুয়ে। বাংলাদেশ দলের হয়ে ২ উইকেট নেন সৌম্য। একটি করে উইকেট শিকার করেন সাইফউদ্দিন, সাকিব ও শরিফুল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
৩৮ পুলিশ সুপারকে র‌্যাবে উপপরিচালক পদে পদায়ন বাতিল

দেশের খবর : র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়ন-র‌্যাবে উপপরিচালক পদে ৩৮ পুলিশ সুপারের (এসপি) পদায়ন বাতিল করে তাদেরকে পুলিশ সদরদপ্তরে সংযুক্ত করা হয়েছে।

রোববার (২৫ জুলাই) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের পুলিশ অধিশাখা-১ এর উপসচিব ধনঞ্জয় কুমার দাস স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে এই তথ্য জানানো হয়।
সম্পর্কিত খবর

গত ১৬ মে র‌্যাবে পুলিশের জন্য বিভাজন করা কোটার বিপরীতেই ৪৭ পুলিশ সুপারকে (এসপি) বদলি করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। কিন্তু র‌্যাবে কোটা বিভাজন অনুযায়ী পুলিশের জন্য উপপরিচালক পদমর্যাদার নয়টি শূন্য পদ রয়েছে। অতিরিক্ত ৩৮ এসপিকে পদায়ন নিয়ে সৃষ্টি হয় নানান জটিলতা। এক পর্যায়ে সমস্যা সমাধানে ১৭ জুন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিবকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে একটি চিঠি দেয়া হয়। তাতে র‌্যাবে বর্তমান বিভাজন অনুযায়ীই বিভিন্ন বাহিনীর সদস্যদের পদায়ন করতে বলে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়।

সেই চিঠিতে বলা হয়, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী র‌্যাবকে কর্মক্ষম ও দক্ষ বাহিনী হিসেবে দায়িত্ব পালনের সক্ষমতা বজায় রাখার জন্য বর্তমানে ব্যাটালিয়নসমূহের বিভাজিত জনবল অনুযায়ী নির্দিষ্ট পদের অনুকূলে অফিসার ও অন্যান্যদের শতভাগ পদায়নের বিষয়টি নিশ্চিত করার জন্য অনুরোধ করা হলো।’

পুলিশ সুপারদের তালিকা পুলিশ সুপাররা হলেন উত্তম প্রসাদ পাঠক, এ কে এম জহিরুল ইসলাম, আবুল হাসনাত, আনোয়ার হোসেন, মো. আরিফুর রহমান, মো. মিজানুর রহমান, আ. ফ. ম. নিজাম উদ্দিন, মোহাম্মদ সালাউদ্দিন শিকদার, জি এম আবুল কালাম আজাদ, মোহাম্মদ মোতাজ্জের হোসেন, মো. আব্দুল হান্নান, মোহাম্মদ আহাদুজ্জামান মিয়া, কানাই লাল সরকার, মো. আসলাম শাহাজাদা, এ এ এম হুমায়ুন কবীর, মো. আজিম উল আহসান, মো. জসীম উদ্দিন, আবুল বাশার মোহাম্মদ আতিকুর রহমান, মো. মাহবুব উজ জামান, এহতেশামুল হক, কাজী এহসানুল কবীর, মোহাম্মদ রাসেল শেখ।

মো. রকিবুল আক্তার, মাহমুদুর হাসান, মুহাম্মদ কামাল হোসেন, এস এম নাজমুল হক, মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম, মো. হাবীবুল্লাহ, মুহাম্মদ মতিউর রহমান সিদ্দিকী, আর এম ফয়জুর রহমান, মো. মাহবুবুল আলম, মো. ওহাবুল ইসলাম খন্দকার, আবুল কাশেম মো. বাকী বিল্লাহ, মো. আমিনুল ইসলাম, আবু তোরাব মো. শামছুর রহমান, মোহাম্মদ সাফিউর সারোয়ার, শাহরিয়ার মোহাম্মদ মিয়াজী ও মো. আলমগীর হোসেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেশে একদিনে আরো ১০৫ ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে

দেশের খবর : ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় (এক দিন) আরও ১০৫ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে ঢাকায় ১০২ জন এবং ঢাকার বাইরে নতুন তিন জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ নিয়ে বর্তমানে দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে মোট ভর্তি হওয়া রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৬০ জনে।

রোববার (২৫ জুলাই) বিকেলে সারাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের নিয়মিত ডেঙ্গু বিষয়ক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এর আগে শনিবার (২৪ জুলাই) এক দিনে সর্বোচ্চ ১০৪ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছিল।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় (২৪ জুলাই সকাল ৮টা থেকে ২৫ জুলাই সকাল ৮টা পর্যন্ত) ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে সারাদেশে নতুন রোগী ভর্তি হয়েছেন ১০৫ জন। তাদের মধ্যে ঢাকায় ১০২ জন এবং ঢাকার বাইরে নতুন তিন জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। সব মিলিয়ে বর্তমানে দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে মোট ভর্তি রোগী ৪৬০ জন। এর মধ্যে ঢাকার ৪১টি সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ৪৫৪ জন এবং অন্যান্য বিভাগে বর্তমানে মোট ভর্তি রোগী ছয় জন।

এতে বলা হয়েছে, গত ১ জানুয়ারি থেকে আজ (২৫ জুলাই) পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মোট ১ হাজার ৬৭৯ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে একই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়প্রাপ্ত হয়েছেন ১২১৬ জন।

চলতি বছর এ পর্যন্ত ডেঙ্গুতে তিন জনের মৃত্যুর তথ্য পর্যালোচনার জন্য রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানে (আইইডিসিআর) পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

দেশের খবর : মহামারি করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) প্রকোপে গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে আরও ২২৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে ভাইরাসটিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১৯ হাজার ২৭৪ জনে।

এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষায় নতুন রোগী শনাক্ত হয় ১১ হাজার ২৯১ জন। এ নিয়ে মোট আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ১১ লাখ ৬৪ হাজার ৬৩৫ জন।

রোববার (২৫ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, একই সময়ে সরকারি ও বেসরকারি ৬৩৯টি ল্যাবরেটরিতে ৩৭ হাজার ৯৭২টি নমুনা সংগ্রহ ও ৩৭ হাজার ৫৮৭টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এ নিয়ে মোট নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা দাঁড়ালো ৭৪ লাখ ৫৫ হাজার ২৮১টি।

নমুনা পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার ৩০ দশমিক ০৪ শতাংশ। মোট পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার ১৫ দশমিক ৬২ শতাংশ।

মৃত ২২৮ জনের মধ্যে পুরুষ ১২৫ ও নারী ১০৩ জন। এদের মধ্যে সরকারি হাসপাতালে ১৭৪, বেসরকারি হাসপাতালে ৪০ এবং বাড়িতে ১৪ জন মারা যান।

jagonews24

গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১০হাজার ৫৮৪ জন। এ নিয়ে সুস্থ হয়ে ওঠা রোগীর সংখ্যা ৯ লাখ ৯৮ হাজার ৯২৩ জন। সুস্থতার হার ৮৫ দশমিক ৭৭ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত ২২৮ জনের মধ্যে শূন্য থেকে দশ বছরের কম বয়সী একজন, দশোর্ধ্ব ২ জন, বিশোর্ধ্ব ৮ জন, ত্রিশোর্ধ্ব ২২ জন, চল্লিশোর্ধ্ব ৩৪ জন, পঞ্চাশোর্ধ্ব ৫০ জন, ষাটোর্ধ্ব ৭০ জন, সত্তোরোর্ধ্ব ৩৩ জন, আশির্ধ্ব ৬ জন এবং নব্বই বছরের বেশি ২ জন মারা যান।

একই সময়ে করোনায় মৃত ২২৮ জনের মধ্যে বিভাগওয়ারী হিসাবে দেখা গেছে, ঢাকায় ৬৯, চট্টগ্রামে ৪০, রাজশাহীতে ২১, খুলনায় ৫০, বরিশালে ৬, সিলেটে ১১, রংপুরে ১৬ এবং ময়মনসিংহে ১৫ জনের মৃত্যু হয়।

গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম ৩ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ দেশে এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তালা উপ-শহরের অধিকাংশ রাস্তার বেহাল দশা

এসএম বাচ্চু, তালা : দীর্ঘদিন সংস্কার না করার কারণে চলাচলের অনুপোযোগী হয়ে পড়েছে তালা টু কপিলমুনি মেইন রোডের অধিকাংশ অংশ। রাস্তার অধিকাংশ স্থানে গর্তেও সৃষ্টি হওয়ায় প্রতিনিয়তই যানবাহন চালক, যাত্রীসহ সাধারণ মানুষের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। সংস্কার করা না হলে রাস্তাটি একেবারেই চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়বে। জনগুরুত্বপূর্ণ রাস্তা হওয়া সত্বেও দেখেও দেখেনা স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি সহ অন্যরাও।

প্রকাশ,দীর্ঘ প্রতিক্ষার পর অবশেষে আঠরোমাইল ভায়া তালা টু পাইকগাছা-কয়রা সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ৬০ কিলোমিটার রাস্তা একনেক থেকে অনুমোদন হয়ে টেন্ডার হয়েছে। ৩৩৯ কোটি ৫৪ লাখ টাকা বরাদ্দের কাজ পেয়েছেন মোজাহার এন্টার প্রাইজ নামের প্রতিষ্ঠান। ইতি মধ্য প্রতিষ্ঠানটি কাজ শুরু করলেও চলছে ধীরগতিতে।

সরজমিনে দেখা যায়,৬০ কি:মি রাস্তাটি সাতক্ষীরা জেলা তালা উপজেলার বুক চিরে কপিলমুনি হয়ে পাইকগাছায় উঠেছে। দীর্ঘ সড়কের তালা উপজেলার তালা বাজার,গোনালী বাজার, শাহাপুর বাজারের শতাধিক স্থানে পিচের ঢালাই উঠে বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এরমধ্য উপজেলা প্রাণকেন্দ্র তালা বাজারের রাস্তাটির বেহাল দশায় পরিণত হয়েছে। সামান্য বৃষ্টিতেই এসব গর্তে পানি জমছে। এতে সড়ক দিয়ে যাওয়ার সময় প্রায়ই যানবাহনের চাকা সড়কে আটকে যাচ্ছে। এতে যাত্রীরাও ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। এ ছাড়া প্রতিনিয়তই এই সড়কটি ব্যবহার করে দক্ষিণ-পশ্চিমঞ্চালের মানুষ, যানবাহন চলাচল করে। পাইকগাছা-কয়রা এলাকায় প্রবেশ করার একমাত্র সড়ক হওয়ার সত্বেও কর্তৃপক্ষ সড়কটি সংস্কারের উদ্যোগ নিচ্ছে না।

“হেল্প” সংগঠনের সভাপতি ও সুনামের সাধারন সম্পাদক এসএম হাসান আলী বাচ্চু এবং “হেল্প” সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক বিএম বাবলুর রহমান জানান, রাস্তাটি দক্ষিণ পশ্চিমঞ্চালে এলাকার মানুষের চলাচলের একমাত্র পথ হওয়ায় মহাদুর্ভোগের মধ্য দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে তাদের।শুকনো মৌসুমে চলাচল করা গেলেও দুর্ভোগে পড়তে হয় বর্ষা মৌসুমে। দিনে কিংবা রাতে চলাচলের সময় রাস্তার ছোট-বড় গর্তে উল্টে পড়তে হয় ব্যাটারি চালিত ভ্যান, ভ্যানগাড়ি, মোটরসাইকেলসহ ছোটখাটো যানবাহনের। তবু এই রাস্তা সংস্কার করার কোনো উদ্যোগ নেয়নি সংশ্নিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

এই রাস্তা দিয়ে নিয়মিত চলাচলকারী পার্থ মন্ডল,লিটন হুসাইন,কাজী জীবন, ইমরান হোসেন সহ আরও অনেকেই জানান, বর্তমানে এই রাস্তার অবস্থা খুবই নাজুক। রাস্তার মাঝে মাঝে পিচের কার্পেটিং উঠে গিয়ে ছোট-বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। কয়েকদিনের টানা বর্ষণে ছোট-বড় গর্তে পানি জমে থাকায় ভোগান্তি চরমে। তবু এই রাস্তা সংস্কার করার কোনো উদ্যোগ নেয়নি সংশ্নিষ্ট কর্তৃপক্ষ। দ্রুত এই রাস্তা সংস্কার করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

এ ব্যাপারে তালা উপজেলা প্রকৌশলী রথীন্দ্র নাথ হালদার জানান, রাস্তাটি আমাদের অধীনে না। এটি রোডস এন্ড হাইওয়ের অধীন,ওনারায় রাস্তাটির সংস্কার করতে পারবেন। আপনারা(সাংবাদিক) একটু কথা বলেন তাদের সাথে। আসলে তালা বাজারের মধ্যে রাস্তার অবস্থা খুবই নাজুক।

এ বিষয়ে রোডস এন্ড হাইওয়ে খুলনা জোনের এডিশনাল চিফ ইজ্ঞিনিয়ার সৈয়দ আসলাম আলীর সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তা সম্ভব হয়নি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest