সর্বশেষ সংবাদ-
এডিসি রিপন বিশ্বাসের অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি দেওয়ার সিদ্ধান্ত সাতক্ষীরা আইনজীবী ফোরামেরপ্রেরণার নির্বাহী পরিচালক শম্পার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলাসাতক্ষীরায় যৌতুকের বলি মা-মেয়ে : হত্যার দায়ে আসামির মৃত্যুদণ্ডসাতক্ষীরায় নগর দিবস উপলক্ষে মানববন্ধন: বস্তিবাসীকে পরিকল্পিত আবাসনের আওতায় আনার দাবিসাতক্ষীরায় হেভী ইকুইপমেন্ট অপারেটর শ্রমিক ইউনিয়নের মতবিনিময় সভাস্বাস্থ্যকর্মকর্তা  ও আব্বাসী কর্তৃক সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে আপত্তিকর মন্তব্য : নেত্রকোনায় সাংবাদিককে গুলি করে হত্যার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানবন্ধনপ্রতাপনগরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মাদ্রাসার আরবি প্রভাষক রহমাতুল্লাহর মৃত্যুসাতক্ষীরায় প্রকৃতি ও জীবন ক্লাবের সাধারণ সভা: সভাপতি মুনির- সম্পাদক সামাদসাতক্ষীরায় ঘোড়ার মাংস গরু বলে বিক্রির অভিযোগে এক ব্যক্তি আটকসরকার গণতন্ত্রের পরিবর্তে জবরদখল ও দলীয়করণ শুরু করেছে: এমপি ইজ্জত উল্লাহ

বুধহাটার অসহায় রহমানের পরিবারকে উপহার পাঠালো স্বপ্নসিঁড়ি

আশাশুনির বুধহাটার অসহায় আব্দুর রহমানের পরিবারকে খাদ্য উপহার সামগ্রী পাঠালো সাতক্ষীরার প্রাক্তন রোভার স্কাউটদের সংগঠন স্বপ্নসিঁড়ি সাতক্ষীরা। ঐ পরিবারের অসহাত্বের বিষয়টি জানতে পারেন স্বপ্নসিঁড়ির সদস্যরা। রবিবার (২৫ জুলাই) সকালে বুধহাটার সরকারি খাস জমিতে বসবাসরত আব্দুর রহমানের বাড়িতে খাদ্য সামগ্রী উপহার হিসেবে নিয়ে যান স্বপ্নসিঁড়ির সদস্যরা।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন স্বপ্নসিঁড়ির সদস্য সচিব অতনু বোস, যুগ্ম সদস্য সচিব সালাউদ্দীন রানা, সদস্য অহিদুল ইসলাম, সাংবাদিক এস কে হাসান, এম এম নূর আলম প্রমুখ। তাদের সহযোগিতা করেন স্বপ্নসিঁড়ির আহবায়ক নাজমুল হক, সদস্য মীর খায়রুল আলম। এসময় ৩০ কেজি চাল, ১০ কেজি আলু, ২ কেজি সয়াবিন তেল, তিন প্রকার ডাল, পেয়াজ, রসুনসহ ১০ প্রকারের পন্য সামগ্রী উপহার হিসেবে প্রদান করা হয়। স্বপ্নসিঁড়ির সদস্যরা জানান, তাদের সমাজের নিপীড়িত মানুষের জন্য এই ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

ভবিষ্যতেও প্রয়োজনে ঐ পরিবারকে সহায়তা করার আশ্বাস প্রদান করেন। প্রসঙ্গত, একটি সড়ক দুর্ঘটনা আব্দুর রহমানকে পঙ্গু করে দিয়ে বিছানাশায়ী করেছেন। বিধবা মাকে নিয়ে ক্ষুধা ও রোগের যন্ত্রনায় কঙ্কালশার হয়ে গেছেন তার দেহ। পেটের উপর চাপ দিলে তার টয়লেট হয়, প্রসাব করাতে হয় নল দিয়ে। সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহবান জানিয়েছেন তার পরিবার। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

শিক্ষা ডেস্ক : নভেল করোনাভাইরাসের ঊর্ধ্বগতি রোধে সরকারঘোষিত চলমান কঠোর বিধিনিষেধের কারণে ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণি এবং ২০২২ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট বিতরণ কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর আজ রোববার এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের গত ১৩ জুলাই জারি করা বিধিনিষেধ সংক্রান্ত পরিপত্রের নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণি এবং ২০২২ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের সপ্তাহভিত্তিক চলমান অ্যাসাইনমেন্ট বিতরণ কার্যক্রম পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত স্থগিত করা হলো।

এর আগে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এক সংবাদ সম্মেলনে এই অ্যাসাইনমেন্ট চালুর ঘোষণা দেন।

এর আগে কঠোর বিধিনিষেধের কারণে ২০২২ সালের উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট কার্যক্রম স্থগিত করা হয়। গতকাল শনিবার মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর এ-সংক্রান্ত অফিস আদেশ জারি করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা মেডিকেলে আক্রান্ত ও উপসর্গে আরও ৯ জনের মৃত্যু

আসাদুজ্জামান : সাতক্ষীরায় গত ২৪ ঘণ্টায় প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত ও উপসর্গ নিয়ে মোট ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে একজন করোনা আক্রান্ত ও বাকী ৮ জন উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন। করোনা ডেডিকেটেড মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তাদের মৃত্যু হয়।
এ নিয়ে, জেলায় করোনা আক্রান্ত হয়ে আজ পর্যন্ত মারা গেছেন মোট ৮৩ জন। আর ভারাসটির উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন আরো ৫১০ জন। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ২৯২ জনের নমুনা পরীক্ষা শেষে ৬১ জনের করোনা পজেটিভ শনাক্ত হয়েছে। যা শনাক্তের হার ২০ দশমিক ৮৯ শতাংশ।

সাতক্ষীরার স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, জেলায় আজ পর্যন্ত মোট করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৫ হাজার ২২৯ জন। এর মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ৪ হাজার ২৩ জন। এছাড়া বর্তমানে ২৩৯ জন করোনা আক্রান্ত রোগী সরকারী ও বেসরকারী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বাকীরা হোম আইসোলেশনে থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

সাতক্ষীরার সিভিল সার্জন ডাঃ হুসাইন শাফায়াত করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে সরকারের দেয়া স্বাস্থবিধি মেনে চলার জন্য সকলকে আহবান জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় চলছে ঢিলেঢালা লকডাউন: ৪৫ মামলায় ৩০ হাজার টাকা জরিমানা

আসাদুজ্জামান : সাতক্ষীরায় আইনশৃখংলা বাহিনীর তেমন কোন তৎপরতা না থাকায় চলমান কঠোর লকডাউন চলছে ঢিলেঢালাভাবে।

শহরের প্রধান প্রধান সড়ক ও হাট বাজার গুলোতে প্রচুর জনসমাগম লক্ষ্য করা গেছে। মানা হচ্ছেনা স্বাস্থ্যবিধি। আংশিক খোলা রেখে বেচাকেনা করা হচ্ছে শহরের অধিকাংশ দোকান পাটে। সড়কে জরুরি পন্যবাহী পরিবহনের পাশাপাশি বেড়েছে ছোট ছোট যান চলাচল। খোলা রয়েছে জরুরি সেবা প্রতিষ্ঠান। বন্ধ রয়েছে সকল প্রকার গণপরিবহন।

সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির জানান, লকডাউনের বিধি নিষেধ ভঙ্গ করায় জেলায় গত ২৪ ঘন্টায় ১৩ টি ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে ৪৫ টি মামলায় ৩০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। তিনি এ সময় জেলার সর্বসাধারনকে লকডাউনের বিধি নিষেধ মেনে চলার আহবান জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পিতার হত্যাকারীদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবিতে সাতক্ষীরায় পুত্রের সংবাদ সম্মেলন

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : বাবার হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেফতার ও বিচারের দাবীতে ছেলের সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে উক্ত সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন, কলারোয়া উপজেলার ওফাপুর পূর্বপাড়া গ্রামের নিহত শেখ রেজাউল ইসলামের ছেলে শেখ রিপন (৩৯)।

তিনি তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, কলারোয়া উপজেলার বসন্তপুর তালতলা নামক মোড়ে তার একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আছে। সেখানে তিনি পোল্ট্রি মুরগির ব্যবসা করেন। এই ব্যবসা প্রতিষ্ঠান হতে ওফাপুর গ্রামের আব্দুল মাজেদ ঢালীর ছেলে উজ্জ্বল ঢালী ২০ হাজার টাকার পোল্ট্রি মুরগী বাকী নেন। গত ০৭ জুলাই ২০২১ তারিখে উজ্জ্বল ঢালীর নিকট এই টাকা চাইলে তিনি তার (রিপনের) উপর ক্ষিপ্ত হয়ে মারধর শুরু করেন। এক পর্যায়ে উজ্জ্বল ঢালী, হৃদয় মোড়ল ও ইমান আলী তার উপর ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে কিল ঘুষি, লাথি মেরে শরীরের বিভিন্ন স্থানে ফোলা জখম করেন। তখন পাশে থাকা তার বাবা শেখ রেজাউল ইসলাম তাকে উদ্ধার করতে আসলে উজ্জ্বল ঢালী তার বাবার বুকে সজোরে লাথি মেরে গুরুতর আহত করেন। পরক্ষণে তার বাবাকে হাসপাতালে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘাতক উজ¦ল ঢালীর সহযোগী হিসেবে এ সময় হামলা চালান ওফাপুর গ্রামের আফজাল ঢালী, রনি ঢালী, হায়দার ঢালী, হৃদয় মোড়ল, আজগর ঢালী, ঈমান আলী বিশ্বাস, আকিমদ্দি বিশ্বাস, অজেদ ঢালী ও রুহুল আমিন মোড়ল। উক্ত ব্যক্তিরা সবাই আগে থেকেই পরিকল্পিতভাবে তাদের উপর হামলা করেন বলে তিনি জানান।

তিনি আরো জানান, এ ঘটনার পরদিন ০৮ জুলাই তিনি বাদী হয়ে কলারোয়া থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। কিন্তু অজানা কারণে পুলিশ আজও পর্যন্ত এ মামলায় কোন আসামীকে গ্রেফতার করেন নাই। অথচ এ মামলার প্রধান আসামী উজ্জ্বল ঢালী এখনও এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলন শেখ রিপন এ সময় তার বাবার হত্যাকারীদের অবিলম্বে গ্রেফতার ও তার পাওনা টাকা উদ্ধারের জোর দাবী জানান। একইসাথে হত্যাকারীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও প্রশাসনের উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
৫ দিন বন্ধের পর ভোমরা বন্দরের আমদানী-রপ্তানী কার্যক্রম শুরু

আসাদুজ্জামান : পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে টানা ৫ দিন বন্ধ থাকার পর আবারও শুরু হয়েছে সাতক্ষীরার ভোমরা স্থল বন্দরের আমদানী-রপ্তানী কার্যক্রম। রোববার সকাল থেকে বাংলাদেশ-ভারত দু দেশের বানিজ্যিক এই কার্যক্রম শুরু হয়। এর ফলে কর্মচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে বন্দর ব্যবহারকারীদের মাঝে।

এর আগে গত মঙ্গলবার (২০ জুলাই) থেকে শনিবার (২৪ জুলাই) পর্যন্ত টানা ৫ দিন ঈদের ছুটিতে বন্দরের সকল ধরনের আমাদানী-রপ্তানী বাণিজ্য বন্ধ ছিলো।

ভোমরা স্থল বন্দর সি অ্যান্ড এফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান নাসিম জানান, ভারতের ঘোজাডাঙ্গা সিএন্ডএফ এজেন্ট কার্গো এ্যাসোসিয়েশনের সাথে যৌথ আলোচনা করে সর্ব সম্মতিক্রমে গত ২০ জুলাই থেকে ২৪ জুলাই পর্যন্ত টানা ৫ দিন উভয় দেশের বন্দরের আমদানি-রপ্তানী কার্যক্রম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। তিনি আরো জানান, ছুটি শেষে আবারও উভয় দেশের আমদানী-রপ্তানী বাণিজ্য স্বাভাবিক হয়েছে। এর ফলে কর্মচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে বন্দর ব্যবহারকারীদের মাঝে।

ভোমরা স্থলবন্দর শুল্ক স্টেশনের সহকারী কমিশনার আমীর মাহমুদ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সরকারের দেয়া স্বাস্থ্যবিধি মেনে যথাযথ নিয়মে আবারো শুরু হয়েছে বন্দরের আমদানী-রপ্তানী কার্যক্রম। তিনি আরো জানান, প্রতিদিন ভারতের ঘোজাডাঙ্গা বন্দর দিয়ে ৩’শ থেকে সাড়ে ৩’শ পণ্যবাহী ট্রাক এই বন্দরে প্রবেশ করে। ভোমরা স্থলবন্দর থেকে প্রতিদিন সরকারের দুই কোটি টাকার উর্দ্ধে রাজস্ব আদায় হয় বলে এই কাস্টমস কর্মকর্তা আরো জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সরকারি চাকুরজীবীদের সম্পদের হিসাব দেয়ার বিধিমালা কার্যকরে উদ্যোগ

দেশের খবর : সরকারি চাকুরেদের (কর্মকর্তা-কর্মচারী) সম্পদের হিসাব দিতে হবে। সেজন্য এ সংক্রান্ত বিধিমালা কার্যকর করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

‘সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা, ১৯৭৯’ অনুযায়ী পাঁচ বছর পরপর সরকারি চাকরিজীবীদের সম্পদ বিবরণী দাখিল এবং স্থাবর সম্পত্তি অর্জন বা বিক্রির অনুমতি নেয়ার নিয়ম রয়েছে। কিন্তু সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এ নিয়ম মানছেন না, এ বিষয়ে সরকারেরও কোনো তদারকি নেই।

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পাঁচ বছর পর পর সম্পদের বিবরণী দাখিলের নিয়ম আছে। কিন্তু এটি সেভাবে অনুসরণ করা হয়নি। এ সংক্রান্ত বিধানটি যেন মানা হয় সে বিষয়ে তাগিদ দিয়ে সংশ্লিষ্টদের চিঠি পাঠানো হয়েছে। এটি নিশ্চিত হলে দুর্নীতি কমবে, সম্পদ ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রেও সহায়ক হবে বলে মনে করছি

এ প্রেক্ষাপটে বিধিমালাটি কার্যকরের মাধ্যমে সম্পদ বিবরণী দাখিল ও স্থাবর সম্পত্তি অর্জন বা বিক্রির নিয়ম মানতে সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সিনিয়র সচিব/সচিবদের কাছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে সম্প্রতি চিঠি পাঠানো হয়েছে।

যদিও এর আগে ২০১৯ সালে নতুন মন্ত্রী আসার পর ভূমি মন্ত্রণালয় ও অধীন দফতর/সংস্থার তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীদের সম্পদের হিসাব নেয়া হয়েছিল।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের শৃঙ্খলা-৪ শাখার উপসচিব নাফিসা আরেফীন স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে বলা হয়, ‘সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা, ১৯৭৯’ এর বিধি ১১, ১২ ও ১৩-তে সরকারি কর্মচারীদের স্থাবর সম্পত্তি অর্জন, বিক্রয় ও সম্পদ বিবরণী দাখিলের বিষয়ে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। সুশাসন নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রী উল্লিখিত বিধিসমূহ কার্যকরভাবে কর্মকর্তাদের অনুসরণের বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়কে জোর নির্দেশনা দিয়েছেন।

এমতাবস্থায় ‘সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮’ এর আওতাভুক্তদের তাদের নিয়ন্ত্রণকারী প্রশাসনিক মন্ত্রণালয়/দফতর/অধীনস্থ সংস্থায় কর্মরত সব সরকারি কর্মকর্তার সম্পদ বিবরণী দাখিল, ওই সম্পদ বিবরণীর ডাটাবেজ তৈরি এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় থেকে স্থাবর সম্পত্তি অর্জন ও বিক্রয়ের অনুমতি গ্রহণের বিষয়ে ‘সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা, ১৯৭৯’ এর ১১, ১২ এবং ১৩ বিধি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে প্রতিপালনের মাধ্যমে জরুরি ভিত্তিতে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে জানানোর নির্দেশনা দেয়া হয় ওই চিঠিতে।

এছাড়া সরকারি কর্মচারীর জমি/বাড়ি/ফ্ল্যাট/সম্পত্তি ক্রয় বা অর্জন ও বিক্রির অনুমতির জন্য আবেদনপত্রের নমুনা ফরম এবং বিদ্যমান সম্পদ বিবরণী দাখিলের ছকও চিঠির সঙ্গে পাঠানো হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব কে এম আলী আজম বলেন, ‘সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পাঁচ বছর পর পর সম্পদের বিবরণী দাখিলের নিয়ম আছে। কিন্তু এটি সেভাবে অনুসরণ করা হয়নি। এ সংক্রান্ত বিধানটি যেন মানা হয় সে বিষয়ে তাগিদ দিয়ে সংশ্লিষ্টদের চিঠি পাঠানো হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘এটি নিশ্চিত হলে দুর্নীতি কমবে, সম্পদ ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রেও সহায়ক হবে বলে মনে করছি।’

‘প্রশাসনে দুর্নীতি রোধ এবং স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতের জন্য সরকারের নানা রকম উদ্যোগ রয়েছে। আমাদের শুদ্ধাচার কৌশল আছে। এই তাগিদের (সম্পদের হিসাব নেয়া) বিষয়টিও সেই উদ্যোগের অংশ।’

সিনিয়র সচিব আরও বলেন, ‘আমরা প্রথমে তাগিদ দিয়ে চিঠি দিলাম। কিছুদিনের মধ্যে সময় বেঁধে দেয়া হবে। আমরা সম্পদের হিসাব দেয়ার বিষয়টি নিয়মিত কাজের অংশ করে নিতে চাই। কেউ চাকরি জীবনে এলে, অন্যান্য কাজের মতো সম্পদের হিসাব দেয়ার বিষয়টি তার রুটিন দায়িত্বের মধ্যে থাকবে। এটা হলে কর্মকর্তারা তার সম্পদের বিষয়ে আপডেটেড থাকবেন।’

সম্পদের হিসাব দেয়ার বিষয়ে যা আছে বিধিমালায় :

‘সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা, ১৯৭৯’-এর ‘মূল্যবান স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি ক্রয়-বিক্রয়’ উপ-শিরোনামের ১১ বিধিতে বলা হয়েছে, ‘প্রকৃত ব্যবসায়ীর সহিত সরল বিশ্বাসে লেনদেনের ক্ষেত্র ব্যতিরেকে একজন সরকারী কর্মচারী তাহার কর্মস্থল, জেলা বা যে স্থানীয় এলাকার জন্য তিনি নিয়োজিত, ওই এলাকায় বসবাসকারী, স্থাবর সম্পত্তির অধিকারী অথবা ব্যবসা বাণিজ্যরত কোনো ব্যক্তির নিকট ১৫ (পনের) হাজার টাকার অধিক মূল্যের কোনো স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি ক্রয়, বিক্রয় বা অন্য কোনো পন্থায় হস্তান্তর করিতে চাহিলে সংশ্লিষ্ট কর্মচারী, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে, বিভাগীয় প্রধান বা সরকারের সচিবের নিকট নিজের এ অভিপ্রায় ব্যক্ত করিবেন। সংশ্লিষ্ট কর্মচারী নিজেই বিভাগীয় প্রধান হইলে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিবের মাধ্যমে এবং সরকারের সচিব হইলে সংস্থাপন (জনপ্রশাসন) মন্ত্রণালয়ের সচিবের মাধ্যমে সরকারের নিকট অভিপ্রায় জানাইবেন। উক্ত অভিপ্রায়ের বক্তব্যে লেনদেনের কারণ ও স্থিরকৃত মূল্যসহ লেনদেনের সম্পূর্ণ বিবরণ এবং ক্রয়-বিক্রয় ব্যতীত অন্য কোনো পদ্ধতিতে হস্তান্তর করা হইলে, উক্ত হস্তান্তরের পদ্ধতি উল্লেখসহ লেনদেনের সম্পূর্ণ বিবরণ থাকিবে। অতঃপর সরকার কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ অনুসারে সংশ্লিষ্ট কর্মচারী কাজ করিবেন।’

‘তবে সংশ্লিষ্ট কর্মচারী তাহার অধঃস্তন কর্মচারীর সহিত সকল প্রকার লেনদেনের ক্ষেত্রে পরবর্তী ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করিবেন।’

‘ইমারত নির্মাণ, ইত্যাদি’ উপ-শিরোনামের ১২(১) বিধিতে বলা হয়েছে, ‘কোনো সরকারি কর্মচারী নির্মাণ ব্যয়ের প্রয়োজনীয় অর্থের উৎসের উল্লেখপূর্বক আবেদনের মাধ্যমে সরকারের পূর্বানুমোদন গ্রহণ না করিয়া ব্যবসায়িক বা আবাসিক উদ্দেশ্যে কোনো ইমারত নির্মাণ করিতে পারিবেন না।’

‘সম্পত্তির ঘোষণা’ উপ-শিরোনামের ১৩ বিধিতে বলা হয়েছে, ‘প্রত্যেক সরকারি কর্মচারীকে চাকরিতে প্রবেশের সময় যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে তাহার অথবা তাহার পরিবারের সদস্যদের মালিকাধীন বা দখলে থাকা শেয়ার, সার্টিফিকেট, সিকিউরিটি, বীমা পলিসি এবং মোট পঞ্চাশ হাজার টাকা বা ততোধিক মূল্যের অলঙ্কারাদিসহ সকল স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কে সরকারের নিকট ঘোষণা দিতে হইবে এবং উক্ত ঘোষণায় নিম্নোক্ত বিষয়াদির উল্লেখ থাকিবে-

(এ) যে জেলায় সম্পত্তি অবস্থিত উক্ত জেলার নাম,
(বি) পঞ্চাশ হাজার টাকার অধিক মূল্যের প্রত্যেক প্রকারের অলঙ্কারাদি পৃথকভাবে প্রদর্শন করিতে হইবে, এবং
(সি) সরকারের সাধারণ বা বিশেষ আদেশের মাধ্যমে আরও যেই সমস্ত তথ্য চাওয়া হয়।

‘প্রত্যেক সরকারি কর্মচারীকে প্রতি পাঁচ বৎসর অন্তর ডিসেম্বর মাসে উপবিধি-(১) এর অধীনে, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে, প্রদত্ত ঘোষণায় অথবা বিগত পাঁচ বৎসরের হিসাব বিবরণীতে প্রদর্শিত সম্পত্তির হ্রাস-বৃদ্ধি হিসাব বিবরণী যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে সরকারের নিকট দাখিল করিতে হইবে।’

সম্পদের হিসাব দিয়েছিল শুধু ভূমির কর্মচারীরা :

২০১৯ সালের ১২ জানুয়ারি চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এক প্রশ্নের জবাবে দুর্নীতিমুক্ত, স্বচ্ছ এবং জনবান্ধব ভূমি সেবা দিতে অন্যতম কৌশল হিসেবে ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী মন্ত্রণালয়ের কর্মচারীদের সম্পদের হিসাব নেয়ার ঘোষণা দেন।

ওই বছরের ১৭ জানুয়ারি ভূমি মন্ত্রণালয় ও এর অধীন সব দফতরের তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীর সম্পদ বিবরণী জমা দেয়ার নির্দেশ জারি করে ভূমি মন্ত্রণালয়। নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় হওয়ায় প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির কর্মকর্তাদের সম্পদের হিসাব নিতে পারেনি ভূমি মন্ত্রণালয়।

ভূমি মন্ত্রণালয় ও এর অধীন সংস্থার ১৭ হাজার ৫৭৬ জন তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীর মধ্যে ১৭ হাজার ২০৮ সম্পদের হিসাব বিবরণী দাখিল করে। বিভাগীয় মামলায় সাময়িক বরখাস্ত এবং দীর্ঘমেয়াদি ছুটিতে থাকার কারণে ৩৬৮ জন কর্মচারী সম্পদের বিবরণী দাখিল করতে পারেননি।

সম্পদ বিবরণী দাখিলের ফলে অনিয়ম-দুর্নীতি করতে সবাই নিরুৎসাহিত হবেন। এখন থেকে সম্পদের হিসাব বিবরণী দাখিলের কর্মসূচি চলমান থাকবে বলে ওই সময় জানিয়েছিলেন ভূমিমন্ত্রী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আ. লীগের উপকমিটি থেকে হেলেনা জাহাঙ্গীর বহিষ্কার

রাজনীতির খবর : আওয়ামী লীগের উপকমিটির সদস্যপদ হারিয়েছেন ব্যবসায়ী হেলেনা জাহাঙ্গীর। ‘বাংলাদেশ আওয়ামী চাকরিজীবী লীগ’ নামে অননুমোদিত একটি সংগঠনের সভাপতি পদে নাম আসার পর তার বিরুদ্ধে এই পদক্ষেপ নিয়েছে আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক উপকমিটি। এই উপকমিটিতেই সদস্য ছিলেন দেশের ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইর পরিচালক পদে থাকা হেলেনা জাহাঙ্গীর।

জয়যাত্রা গ্রুপের কর্ণধার হেলেনা জাহাঙ্গীর নিজেকে আইপি টিভি ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সভাপতি হিসেবেও পরিচয় দেন। সম্প্রতি ফেসবুকে ‘বাংলাদেশ আওয়ামী চাকরিজীবী লীগ’ নামের একটি সংগঠনের সভাপতি হিসেবে হেলেনা জাহাঙ্গীরের নাম আসে।

সেই কারণেই তাকে উপকমিটির পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক মেহের আফরোজ চুমকি।

তিনি বলেন, সে (হেলেনা) কোথা থেকে কী করে, তার কোনো ঠিক নেই। যখন আমরা তাকে নিয়েছিলাম, তখন তো এটা জেনেই নিয়েছিলাম যে আমাদের পরিবারের একজন সদস্য। এখন যদি সে নিজে নিজেই নেতা হয়ে যায়, তাহলে আমরা কী করব? বুঝে না বুঝে যা ইচ্ছে তাই করছেন। আর এগুলো আমাদের না জানিয়ে করেছেন। আমি ইতিমধ্যে আমাদের দপ্তরে জানিয়েছি, তাকে অব্যাহতির চিঠি দিয়ে দেওয়ার জন্য। আমাদের উপকমিটিতে যেহেতু সে নিয়মনীতি ভঙ্গ করেছে, তার সদস্যপদ আমরা বাতিল করে দিয়েছি।

উপকমিটিতে হেলেনার পদ পাওয়ার বিষয়ে চুমকি বলেন, উনি তো কুমিল্লা জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা সদস্য। আওয়ামী পরিবারের হিসেবেই আমি জানি। উনার জয়যাত্রা টেলিভিশন নামে একটা মিডিয়া আছে, যেটার সাথে আমাদের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী মহোদয় আছেন। এই সুবাদেই উপকমিটিতে উনাকে আমরা রেখেছিলাম।

কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ম রুহুল আমিন শনিবার বলেন, আমরা তাকে অব্যাহতি দিয়ে দিয়েছি। গত মাসে ডাকযোগে চিঠি পাঠিয়েছি।

কী কারণে অব্যাহতি দিয়েছেন- জানতে চাইলে তিনি বলেন, অভিযোগ অনেক আছে, সেটা আমরা বলতে চাই না। কেন্দ্র থেকে নির্দেশনা দিয়েছে, আমরা দপ্তর থেকে চিঠি পাঠিয়ে দিয়েছি।

‘চাকরিজীবী লীগ’ নামে সংগঠনটির পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে, তারা দুই-তিন বছর ধরেই আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন হিসেবে অনুমোদন পাওয়ার চেষ্টা করছে। তবে আওয়ামী লীগ নেতারা বলছেন, সংগঠনটির সঙ্গে আওয়ামী লীগের কোনো সম্পর্ক নেই।

এ বিষয়ে হেলেনা জাহাঙ্গীর শনিবার বিকালে বলেন, আমাকে উপকমিটি থেকে বাদ দেওয়ার কোনো চিঠি আমি পাইনি। দলীয়ভাবে কেউ কিছু বলেওনি। আর আমি তো কুমিল্লা জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা।

চাকরিজীবী লীগে সম্পৃক্ততা অস্বীকার না করে তিনি বলেন, আমি চাকরিজীবী লীগের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত ছিলাম না। আমাকে এই কমিটিতে সভাপতি করার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। তাই অনেকেই ফেইসবুকে দিয়েছে। যেহেতু আমাকে সভাপতি বানানোর কথা ছিল, সেই হিসেবে কেউ হয়তবা দিয়েছেন।

হেলেনা জাহাঙ্গীরের সঙ্গে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার এবং জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান প্রয়াত এইচ এম এরশাদের পুরনো দুটি ছবিও সম্প্রতি ফেইসবুকে ছড়িয়েছে। যার পরিপ্রেক্ষিতে এক ফেসবুক পোস্টে জবাবও দিয়েছেন হেলেনা জাহাঙ্গীর।

তিনি লিখেছেন, খালেদা জিয়া ও অন্যান্যদের সাথে যে ছবিগুলা ভাইরাল হচ্ছে সেটা বিয়েতে এসেছিল তখন তোলা ছবি এবং এই ছবি গুলা আমি নিজেই ফেসবুকে দিয়েছিলাম। আমি একজন প্রকৃত ১০০% ব্যবসায়ী ও সরকারের একজন কমার্শিয়ালি ইমপোর্টেন্ট পার্সন CIP…সেখান থেকে রাজনীতিতে এসেছি। বঙ্গবন্ধুর সৈনিক ছোটবেলা থেকেই। সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকেই আমাদেরকে বিভিন্ন আচার অনুষ্ঠানে যেতে হয় একটা ছবি মানুষের রাজনৈতিক পরিচয় বহন করে না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest