সর্বশেষ সংবাদ-
এবিপার্টি সাতক্ষীরা সদর উপজেলার আহবায়ক কমিটির অনুমোদনসাতক্ষীরায় শিশু ধর্ষণ ও যৌন সহিংসতার প্রতিবাদে মানববন্ধনএডিসি রিপন বিশ্বাসের অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি দেওয়ার সিদ্ধান্ত সাতক্ষীরা আইনজীবী ফোরামেরপ্রেরণার নির্বাহী পরিচালক শম্পার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলাসাতক্ষীরায় যৌতুকের বলি মা-মেয়ে : হত্যার দায়ে আসামির মৃত্যুদণ্ডসাতক্ষীরায় নগর দিবস উপলক্ষে মানববন্ধন: বস্তিবাসীকে পরিকল্পিত আবাসনের আওতায় আনার দাবিসাতক্ষীরায় হেভী ইকুইপমেন্ট অপারেটর শ্রমিক ইউনিয়নের মতবিনিময় সভাস্বাস্থ্যকর্মকর্তা  ও আব্বাসী কর্তৃক সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে আপত্তিকর মন্তব্য : নেত্রকোনায় সাংবাদিককে গুলি করে হত্যার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানবন্ধনপ্রতাপনগরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মাদ্রাসার আরবি প্রভাষক রহমাতুল্লাহর মৃত্যুসাতক্ষীরায় প্রকৃতি ও জীবন ক্লাবের সাধারণ সভা: সভাপতি মুনির- সম্পাদক সামাদ

আসাদুজ্জামান : সাতক্ষীরায় করোনা সংক্রমণে প্রতিদিন মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। কিছুতেই কমছে না মৃত্যুর হার। গত ২৪ ঘণ্টায় মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় করোনার উপসর্গ নিয়ে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে।

এনিয়ে, জেলায় করোনার উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন মোট ৪১৪ জন। আর ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন আরো ৭৬ জন।
এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ১২৯ জনের নমুনা পরীক্ষা শেষে ৩৭ জনের করোনা পজেটিভ শনাক্ত হয়েছে। যা শনাক্তের হার ২৮ দশমিক ৬৮ শতাংশ। এ নিয়ে জেলায় আজ পর্যন্ত মোট করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৪ হাজার ২১৩ জন। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৩ হাজার ৩৯ জন।

এদিকে, জেলার একমাত্র করোনা ডেডিকেটেড ২৫০ শয্যা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বর্তমানে করোনা আক্রান্ত ২৪ জন ও উপসর্গ নিয়ে ২৫৮ জনসহ মোট ২৮২ জন রোগী ভর্তি রয়েছেন। জনবল সংকটে সেখানে চিকিৎসা সেবা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্য কর্মীদের।

সাতক্ষীরার সিভিল সার্জন ডাঃ হুসাইন শাফায়াত জানান, জনসচেতনতার অভাবে জেলা করোনা সংক্রমন ও মৃত্যুর হার বৃদ্ধি পাচ্ছে। করোনা প্রতিরোধে তিনি স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার ও মাস্ক পরার আহবান জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কঠোর লকডাউন : সাতক্ষীরার রাস্তা-ঘাট ও অলি-গলিতে বাড়ছে জনসমাগম

আসাদুজ্জামান : সাতক্ষীরায় আইনশৃখংলা বাহিনীর তেমন কোন তৎপরতা না থাকায় চলমান কঠোর লকডাউনে যতই দিন পার হচ্ছে ততই সড়ক ও হাট বাজার গুলোতে বাড়ছে জনসমাগম। মানা হচ্ছেনা স্বাস্থ্যবিধি। আংশিক খোলা রেখে বেচাকেনা করা হচ্ছে শহরের অধিকাংশ দোকান পাটে। সড়কে জরুরি পন্যবাহী পরিবহনের পাশাপাশি বেড়েছে ছোট ছোট যান চলাচল। খোলা রয়েছে জরুরি সেবা প্রতিষ্ঠান। বন্ধ রয়েছে সকল প্রকার গণপরিবহন।

এদিকে, চলমান লকডাউন ও ভয়াবহ করোনা পরিস্থিতির মধ্যেও চলছে ভোমরা স্থল বন্দরের আমদানী-রপ্তানী কার্যক্রম। সেখানে ভারতীয় ট্রাক ড্রাইভার ও হেলপার অবাধে চলাচলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিষেধাজ্ঞা জারী করা হলেও তারা তা মানছেননা। সীমান্ত এলাকায় তারা অবাধে যাতায়াত করছেন। এর ফলে ভারতীয় ভেরিয়েন্ট সংক্রমনের আশংকা বাড়ছে সীমান্ত এলাকায় বলে মনে করেন সচেতন মহল।

সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির জানান, লকডাউনের বিধি নিষেধ ভঙ্গ করায় জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় ৯ টি ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে ৩৬ টি মামলায় ১৬ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। এছাড়া জেলায় একজন করে ম্যাজিস্ট্রের নেতৃত্বে ২২টি ভ্রাম্যমান আদালত, সেনাবাহিনীর ১০ টি পেট্রোল টিম, তিন প্লাটুন বিজিবি ও পর্যাপ্ত সংখ্যক পুলিশ ও আনসার ব্যাটেলিয়ন মোতায়েন রয়েছে। তিনি এ সময় জেলার সর্বসাধারনকে সরকারের দেয়া লকডাউনের বিধি নিষেধ মেনে চলার আহবান জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
করোনায় আরও ১৮৫ জনের মৃত্যু

দেশের খবর : নভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরও ১৮৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৬ হাজার ১৮৯ জনে দাঁড়িয়েছে। এ ছাড়া দেশে নতুন করে আরও আট হাজার ৭৭২ জন আক্রান্ত হয়েছে। এ নিয়ে দেশে মোট ১০ লাখ নয় হাজার ৩১৫ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছে পাঁচ হাজার ৭৫৫ জন। এ নিয়ে দেশে মোট আট লাখ ৬৮ হাজার ১৩৯ জন করোনা থেকে সুস্থ হলো।

শনিবার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের ৬১৩টি ল্যাবে ২৬ হাজার ২৩১টি নমুনা সংগ্রহ হয়েছে। নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ২৭ হাজার ৮৮৪টি। করোনা শনাক্তের হার ৩১ দশমিক ৪৬ শতাংশ। এই পর্যন্ত নমুনা শনাক্তের হার ১৪ দশমিক ৫৬ শতাংশ।

২৪ ঘণ্টায় নতুন ১৮৫ জন মৃত্যুবরণকারীর মধ্যে পুরুষ ১২১ জন ও নারী ৬৪ জন। এ পর্যন্ত পুরুষ মৃত্যুবরণ করেছে ১১ হাজার ৩৭৫ জন ও নারী চার হাজার ৮১৪ জন। মৃত্যুবরণকারীদের মধ্যে শূন্য থেকে ১০ বছরের মধ্যে একজন, ১১ থেকে ২০ বছরের মধ্যে একজন, ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে পাঁচজন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে ১৩ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে ২২ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ৫১ জন ও ষাটোর্ধ্ব ৯২ জন রয়েছেন।

২৪ ঘণ্টায় মৃত্যুবরণকারীদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ৭০ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ২০ জন, রাজশাহী বিভাগে ১৩ জন, খুলনা বিভাগে ৫১ জন, বরিশাল বিভাগে ১০ জন, সিলেট বিভাগে সাতজন, রংপুর বিভাগে ১১ জন ও ময়মনসিংহ বিভাগে তিনজন।

এ ছাড়া সরকারি হাসপাতালে ১৪৪ জন, বেসরকারি হাসপাতালে ২৮ জন ও বাসায় ১২ জন মারা গেছেন। হাসপাতালে মৃত অবস্থায় আনা হয়েছে একজনকে।

দেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয় গত বছরের ৮ মার্চ। ওই বছরের ১৮ জুন তিন হাজার ৮০৩ জন নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হওয়ার মধ্য দিয়ে লাখ ছাড়িয়েছিল করোনার রোগী। সেদিন পর্যন্ত মোট শনাক্ত ছিল এক লাখ দুই হাজার ২৯২ জন। এ ছাড়া দেশে করোনাভাইরাসে প্রথম মৃত্যুর ঘটনা ঘটে গত বছরের ১৮ মার্চ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় সজীব গ্রুপের চেয়ারম্যানসহ ৮ কর্মকর্তা রিমান্ডে

দেশের খবর : নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে হাশেম ফুড লিমিটেডের জুস কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে প্রাণহানীর ঘটনায় দায়ের করা হত্যামামলায় সজীব গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবুল হাশেমসহ আট শীর্ষ কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চারদিনের রিমান্ডে পেয়েছে পুলিশ।

শনিবার বিকেলে আট আসামিকে নারায়ণগঞ্জ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক ফাহমিদা খানম প্রত্যেকের চারদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

রিমান্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন সজীব গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আাবুল হাশেম, আবুল হাশেমের চার ছেলে হাসিব বিন হাশেম, তারেক ইব্রাহীম, তাওসীব ইব্রাহীম ও তানজীম ইব্রাহীম এবং প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) শাহান শাহ আজাদ, হাশেম ফুড লিমিটেডের ডিজিএম মামুনুর রশিদ ও অ্যাডমিন প্রধান সালাউদ্দিন।

এদের সবাইকে শনিবার বিভিন্ন স্থান থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

গত বৃহস্পতিবার বিকেলে ওই কারখানায় অগ্নিকাণ্ড ঘটে। আগুন লাগার পর পরই গোটা ভবনে লেলিহান শিখা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং ফায়ার সার্ভিসের ১৮টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। এখনো সেই উদ্ধারকাজ চলছে। শুক্রবার বিকেল পর্যন্ত ৫২ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

আজ বিকেলে নারায়ণগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার মো. জায়েদুল আলম গণমাধ্যমকে মামলা দায়ের ও আসামিদের গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আজ পুলিশ বাদী হয়ে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার অভিযোগ এনে রূপগঞ্জ থানায় ৩০২ ধারায় এই মামলা করেছে। মামলার বাদী হয়েছেন ভুলতা ফাঁড়ির পরিদর্শক নাজিমুদ্দীন মণ্ডল। মামলায় সজীব গ্রুপের শীর্ষ আট কর্মকর্তার নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে।’

সাত সদস্যের তদন্ত কমিটি

কারখানায় এই অগ্নিকাণ্ড ও প্রাণহানির ঘটনা তদন্তে সাত সদস্যের কমিটি গঠন করেছে জেলা প্রশাসন। এ কমিটিকে আগামী সাতদিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

গতকাল দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. মোস্তাইন বিল্লাহ এনটিভি অনলাইনকে বলেন, ‘নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শামীম বেপারীকে আহ্বায়ক করে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি চাইলে আরও লোক নিতে পারবে। যদি তাঁরা মনে করেন, পানি, গ্যাস ও বিদ্যুতের লোক নেবেন, নিতে পারবেন।’

নিহতের পরিবার পাবে দুই লাখ টাকা

ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত শ্রমিকদের পরিবারকে শ্রম কল্যাণ ট্রাস্ট থেকে দুই লাখ টাকা এবং আহত শ্রমিকদের ৫০ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। গতকাল ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মুন্নুজান সুফিয়ান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটার ইউএনওর পিতার ইন্তেকাল, বিভিন্ন মহলের শোক প্রকাশ

দেবহাটা ব্যুরো: দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাছলিমা আক্তারের পিতা ইউনুস খাঁন ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি…..রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল (৭৫) বছর।

মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ১ পুত্র ও ১ কন্যাসহ অসংখ্যা আত্মীয়স্বজন রেখে গেছেন।

শনিবার সকাল ১০ টার দিকে দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বাসভবনে তিনি ইন্তেকাল করেন।

ইউএনওর পারিবারিক সূত্র জানায়, তিনি দীর্ঘদিন বার্ধক্যজনিত রোগে ভুগছিলেন। শনিবার সকালে তিনি আকষ্মিক হ্নদরোগজনিত কারনে ইন্তেকাল করে।

মৃত্যু সংবাদ পেয়ে তাৎক্ষনিক ছুটে আসেন দেবহাটা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ্জ্ব মুজিবর রহমানসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি ও সরকারি কর্মকর্তাবৃন্দ।

মরহুম ইউনুস খাঁন বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা ছিলেন। তার বড় ছেলে ইতিপূর্বে ইন্তেকাল করেছেন, ছোট ছেলে জাপানে কর্মরত ও একমাত্র মেয়ে তাছলিমা আক্তার দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত আছেন।
মরহুম ইউনুস খাঁনের বাড়ি ভোলা জেলার বোরহানউদ্দীন উপজেলাতে।

ইউএনওর পিতার মৃত্যুতে দেবহাটা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ্জ্ব মুজিবর রহমান, দেবহাটা থানার ওসি বিপ্লব কুমার সাহা, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনি, দেবহাটা প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন সংগঠন গভীর শোক ও শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।

শনিবার বাদ আছর মরহুমের নামাযে জানাযা শেষে তাকে তার গ্রামের বাড়ি ভোলার বোরহানউদ্দীন উপজেলাতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সেখানে তার পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে বলে জানা গেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাংবাদিক কাজী মামুন‘র মাতার মৃত্যুতে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের শোক

সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাবেক অর্থ সম্পাদক ও দৈনিক প্রবর্তন এর সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি কাজী জামালউদ্দীন মামুনের মাতা মোছা :
জেবুন্নেছা ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি…….রাজিউন)। তিনি শনিবার ভোর ৪ টায় হৃদযন্ত্র ক্রিয়া বন্ধ হয়ে সাতক্ষীরা শহরের কাঠিয়া মাস্টার পাড়ায় নিজ বাড়িতে মারা যান। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৮ বছর। মৃত্যুকালে ৪ছেলে, ৪মেয়েসহ আতœীয় স্বজন ও বহু গুনগ্রাহী রেখে গেছেন। মরহুমের জানাজার নামাজ শনিবার বাদ জোহর মাস্টারপাড়া জামে মসজিদে অনুষ্ঠিত হয়।

পরে তাকে রসুলপুর সরকারি কবর স্থানে দাফন করা হয়। তার মৃত্যুাতে  সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে গভীর শোক জ্ঞাপন ও রুহের মাগফিরাত
কামনা করা হয়েছে। শোক জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন প্রেসক্লাবের সভাপতি মমতাজ  আহমেদ বাপী, সহ-সভাপতি হাবিবুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মাদ আলী সুজন, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আব্দুল জলিল, সাংগঠনিক সম্পাদক এম ঈদুজ্জামান ইদ্রিস, সাহিত্য, সংস্কৃতি ও ক্রীড়া সম্পাদক শহিদুল ইসলাম, অর্থসম্পাদক শেখ মাসুদ হোসেন, দপ্তর সম্পাদক শেখ ফরিদ আহমেদ ময়না, নির্বাহী সদস্য
মকসুমুল হাকিম, সেলিম রেজা মুকুল, আব্দুল গফুর সরদার, এম শাহীন গোলদার, মাছুদুর জামান সুমনসহ প্রেসক্লাবের সকল সদস্যবৃন্দ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
খুলনা বিভাগে এক দিনে সর্বোচ্চ ৭১ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে মেঝেতে রোগী

খুলনা ডেস্ক : খুলনা মেডিক্যাল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালের করোনা ডেডিকেটেড ইউনিটের সামনে সুনসান নীরবতা। সামনে সারি করে দাঁড়ানো অ্যাম্বুল্যান্স, আছে একটি লাশবাহী গাড়িও। সারিবদ্ধভাবে রাখা মোটরসাইকেল। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীদের কয়েকজন স্বজনের আনাগোনা। গতকাল শুক্রবার বিকেল ৩টার দিকের এই চিত্র দেখে বোঝার উপায় নেই যে এখানে গেল ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাস কেড়ে নিয়েছে ১০টি প্রাণ।

খুমেক হাসপাতালটি ১৩০ শয্যার হলেও ভর্তি রোগীর সংখ্যা ২০০ ছুঁই ছুঁই। ফলে অনেককেই বাধ্য হয়ে মেঝেতে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে। আবার ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতাল থেকেও মুমূর্ষু অবস্থায় এখানে রোগী পাঠানো হচ্ছে।

শুধু এই হাসপাতালেই নয়, গতকাল সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় খুলনার চারটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরো ২৬ জন রোগীর মৃত্যু হয়েছে। বিভাগের পরিসংখ্যানে সেই সংখ্যা ৭১, যা বিগত সময়ের মৃতের সংখ্যায় আরেক নতুন রেকর্ড।

করোনা হাসপাতালের সামনে মোবাইল ফোনে চিকিৎসাধীন স্বজনের বর্তমান অবস্থার কথা কাউকে জানাচ্ছিলেন এক যুবক। কথা শেষ করে তিনি বলেন, বাইরের অবস্থা আর হাসপাতালের ভেতরের অবস্থা এক নয়। এই হাসপাতালে শয্যা মাত্র ১৩০টি, কিন্তু রোগী প্রায় ২০০।

মানুষের কষ্টের শেষ নেই। অনেকেই বাধ্য হয়ে মেঝেতে শুয়ে চিকিৎসা নিচ্ছে। রাতে আবার চিকিৎসাসেবা দেওয়ার লোকের সংকট। তাই রাত এলেই মনে বাড়তি ভয় ঢুকে যায়।

অন্য এক রোগীর স্বজন বলেন, ‘ভাই, সাংবাদিকদের কাছে কিছু বলা যাবে না। হাসপাতালের ভেতরের কেউ তা টের পেলে রোগীর চিকিৎসা হবে না। তবে এখানে আর চিকিৎসা নেই। লোকসংকট, রোগীর চাপে ডাক্তার-নার্স কাহিল। প্রতিদিন রাতে মৃত্যুর মিছিল শুরু হয়। তখন তুলনামূলক একটু ভালো অবস্থায় থাকা রোগীরা আরো অসুস্থ হয়ে পড়েন। আল্লাহই জানেন, কবে এই অবস্থা থেকে মুক্তি মিলবে।’

করোনা ইউনিটের মুখপাত্র ও খুমেক হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডা. সুহাস রঞ্জন হালদার জানান, গেল ২৪ ঘণ্টায় এখানে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। বর্তমানে এখানে ১৮৫ জন ভর্তি রয়েছে। তাদের মধ্যে রেড জোনে ১২৬, ইয়েলো জোনে ৩১, এইচডিইউয়ে ১৯ এবং আইসিইউয়ে ১৯ জন। তাদের মধ্যে নতুন ভর্তি রোগী ৪৬ জন।

এদিকে ২৪ ঘণ্টায় খুলনা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে পাঁচজন, আবু নাসের হাসপাতালে একজন এবং গাজী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ১০ জনের মৃত্যু হয়।

খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, করোনা সংক্রমণে খুলনা বিভাগে মৃত্যুতে এক নতুন রেকর্ড হয়েছে। সর্বশেষ গেল ২৪ ঘণ্টায় বিভাগের ১০ জেলায় ৭১ জন মারা গেছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বিভাগে সর্বোচ্চ ২৩ জনের মৃত্যু হয়েছে খুলনা জেলায়। এ ছাড়া কুষ্টিয়ায় ১৪, ঝিনাইদহে ১০, যশোরে ৯, চুয়াডাঙ্গায় ৬, মেহেরপুরে পাঁচ, বাগেরহাটে দুই এবং নড়াইল ও মাগুরায় একজন করে মারা গেছে। আর নমুনা পরীক্ষায় বিভাগে নতুন করে পজিটিভ শনাক্ত হয়েছে এক হাজার ৬৫৬ জন। এ নিয়ে বিভাগে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ৬৯ হাজার ১৮৭ জন। এই সময়কালে বিভাগে মোট মৃত্যুর সংখ্যা এক হাজার ৪৮৭।

খুলনার সিভিল সার্জন নিয়াজ মোহাম্মদ বলেন, লকডাউনের আগেই সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে। সে কারণে শনাক্ত ও মৃত্যুর হার বেড়ে চলেছে। জেলায় বর্তমানে পাঁচ হাজারের মতো কভিড রোগী রয়েছে। তাদের মধ্যে প্রায় সাড়ে চার হাজার রোগী বাড়িতেই চিকিৎসা নিচ্ছে।

কভিড চিকিৎসায় আরো হাসপাতাল :

এদিকে বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক রাশেদা সুলতানা গতকাল জানান, খুলনা শহরের চারটি হাসপাতালে কভিড রোগীর চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশনায় খুলনা শহরে আরো কয়েকটি বড় বেসরকারি হাসপাতালে কভিড রোগীর চিকিৎসার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আগামীকাল রবিবার থেকে নতুন হাসপাতালগুলো চালু হবে বলে আশা করা যায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ইউএনওকে ‘আপা’ বলায় ব্যবসায়ীকে লাঠিপেটার অভিযোগ

দেশের খবর : করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতিতে মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুনা লায়লার হেফাজতে থাকা ত্রাণ সামগ্রী নষ্ট হওয়ার ঘটনার রেশ না কাটতেই এবার ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান চলাকালীন এক স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে জরিমানার পর লাঠিপেটার ঘটনা ঘটেছে। ইউএনও রুনা লায়লাকে ‘স্যার’ না বলে ‘আপা’ সম্বোধন করায় তপন চন্দ্র দাশ (৪৫) নামে ওই ব্যবসায়ীকে লাঠিপেটা করেছেন তার পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এক সদস্য।

বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার ধল্লা ইউনিয়নের জায়গীর বাজারে এ ঘটনা ঘটে। মারধরের শিকার তপন চন্দ্র দাস উপজেলার জয়মন্টপ গ্রামের গুরু চন্দ্র দাসের ছেলে।

জানা গেছে, লকডাউন বাস্তবায়নে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান পরিচালনায় বের হন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুনা লায়লা। গত বৃহস্পতিবার বিকেলে জায়গীর বাজারে সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন তিনি। এ সময় ওই বাজারের প্রিতম জুয়েলার্স খোলা থাকায় দোকানটিতে ঢুকে মালিক তপন চন্দ্র দাস ও একাধিক ক্রেতাকে জরিমানা করেন। এক পর্যায়ে দোকান মালিক তপনকে শাসানো হলে ইউএনওকে আপা বলে ক্ষমা চান তিনি। এ সময় ইউএনও’র সঙ্গে থাকা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এক সদস্য ওই ব্যবসায়ীকে লাঠিপেটা করেন।

ভুক্তভোগী তপন চন্দ্র দাস অভিযোগ করে বলেন, লকডাউনের শুরু থেকেই আমার দোকান বন্ধ ছিল। ক্রেতাদের চাপে আগের অর্ডারকৃত স্বর্ণালংকার ডেলিভারি দিতে গেলে ভ্রাম্যমাণ আদালত উপস্থিত হন। আদালত আমাকে দুই হাজার টাকা জরিমানা করলে আমি পরিশোধ করি। লকডাউনে দোকান খোলা রাখায় ইউএনও আমার ওপর ক্ষিপ্ত হন। আমি তাকে আপা বলে ক্ষমা প্রার্থনা করি। এ সময় উপস্থিত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এক সদস্য আমাকে পেটায়।

তবে, সব অভিযোগ অস্বীকার করে সিংগাইর উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুনা লায়লা বলেন, ‘মারধরের কোনো ঘটনাই ঘটেনি। ওই দোকানে ১০ জন লোক ছিল তাদেরকে জরিমানা করা হয়েছে এবং দোকান বন্ধ করতে বলা হয়েছে।’

এ ব্যাপারে মানিকগঞ্জের জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ আব্দুল লতিফ সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, ‘আপা বলায় মারধর করা এ ধরনের ঘটনা সিনিয়র অফিসারদের কাছ থেকে হওয়া উচিত না।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest