সর্বশেষ সংবাদ-
এবিপার্টি সাতক্ষীরা সদর উপজেলার আহবায়ক কমিটির অনুমোদনসাতক্ষীরায় শিশু ধর্ষণ ও যৌন সহিংসতার প্রতিবাদে মানববন্ধনএডিসি রিপন বিশ্বাসের অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি দেওয়ার সিদ্ধান্ত সাতক্ষীরা আইনজীবী ফোরামেরপ্রেরণার নির্বাহী পরিচালক শম্পার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলাসাতক্ষীরায় যৌতুকের বলি মা-মেয়ে : হত্যার দায়ে আসামির মৃত্যুদণ্ডসাতক্ষীরায় নগর দিবস উপলক্ষে মানববন্ধন: বস্তিবাসীকে পরিকল্পিত আবাসনের আওতায় আনার দাবিসাতক্ষীরায় হেভী ইকুইপমেন্ট অপারেটর শ্রমিক ইউনিয়নের মতবিনিময় সভাস্বাস্থ্যকর্মকর্তা  ও আব্বাসী কর্তৃক সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে আপত্তিকর মন্তব্য : নেত্রকোনায় সাংবাদিককে গুলি করে হত্যার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানবন্ধনপ্রতাপনগরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মাদ্রাসার আরবি প্রভাষক রহমাতুল্লাহর মৃত্যুসাতক্ষীরায় প্রকৃতি ও জীবন ক্লাবের সাধারণ সভা: সভাপতি মুনির- সম্পাদক সামাদ

আসাদুজ্জামান : সীমান্ত জেলা সাতক্ষীরায় কিছুতেই কমছেনা করোনা সংক্রমনে মৃত্যুর হার। মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত ব্যক্তিদের স্বজনদের আহাজারিতে পরিবেশ ভারী হয়ে উঠছে। করোনার উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আবারো ৫ নারীসহ ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়।

এনিয়ে, জেলায় করোনার উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন মোট ৩৯৬ জন। আর ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৭৬ জন। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ৩৮২ জনের নমুনা পরীক্ষা শেষে ৮৬ জনের করোনা পজেটিভ শনাক্ত হয়েছে। যা শনাক্তের হার ২২ দশমিক ৫১ শতাংশ। এ নিয়ে জেলায় আজ পর্যন্ত মোট করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৪ হাজার ৪০ জন।

এদিকে, জেলার একমাত্র করোনা ডেডিকেটেড ২৫০ শয্যা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বর্তমানে করোনা আক্রান্ত ও উপসর্গ নিয়ে মোট ২৭৬ জন রোগী ভর্তি রয়েছেন। জনবল সংকটে সেখানে চিকিৎসা সেবা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্য কর্মীদের।

সাতক্ষীরার সিভিল সার্জন ডাঃ হুসাইন শাফায়াত জানান, জনসচেতনতার অভাবে জেলা করোনা সংক্রমন ও মৃত্যুর হার বুদ্ধি পাচ্ছে। করোনা প্রতিরোধে তিনি স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার ও মাস্ক পরার আহবান জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মোদির মন্ত্রিসভায় নতুন ৩৬ মুখ

বিদেশের খবর : করোনাভাইরাস মহামারি মোকাবিলা এবং অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের সমালোচনা সামাল দিতে মন্ত্রিসভায় বদ ধরনের রদবদল এনেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বুধবার সন্ধ্যায় রাষ্ট্রপতি ভবনে শপথ নিচ্ছেন ৪৩ জন মন্ত্রী। এর মধ্যে নতুন মুখ রয়েছে ৩৬ জন। আর বাকিরা পদোন্নতি পাচ্ছেন। সম্প্রচারমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

নতুন মন্ত্রিসভায় প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে তারুণ্যকে। নতুন মোদির মন্ত্রিসসভার সদস্য এখন ৭৭। এদের প্রায় অর্ধেকই নতুন।

মোট ১৫ জন পূর্ণমন্ত্রীর দের মধ্যে ৮ জনের পদোন্নতি হয়েছে। ৭ জন প্রথমবার মন্ত্রী হলেন। পশ্চিমবাংলা থেকে নতুন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হয়েছেন ৪ জন।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মন্ত্রিসভায় যারা জায়গা পাচ্ছেন, তাদের একটি তালিকা প্রকাশ করেছে ভারতীয় গণমাধ্যম। তারা হলেন-

১. নারায়ণ রানে

২. সর্বানন্দ সোনোয়াল

৩. বীরেন্দ্র কুমার

৪. জ্যোতিরাদিত্য এম সিন্ধিয়া

৫. রামচন্দ্র প্রসাদ সিং

৬. অশ্বিনী বৈষ্ণব

৭. পশুপতি পরশ

৮. কিরেন রিজিজু

৯. রাজ কুমার সিং

১০. হরদীপ সিং পুরি

১১. মনসুখ মান্দাভিয়া

১২. ভূপেন্দ্র যাদব

১৩. পুরুষোত্তম রুপালা

১৪. কিশান রেড্ডি

১৫. অনুরাগ সিং ঠাকুর

১৬. পঙ্কজ চৌধুরী

১৭. অনুপ্রিয়া সিং প্যাটেল

১৮. সত্য পাল সিং বাঘেল

১৯. রাজীব চন্দ্রশেখর

২০. শোভা করনদলাজে

২১. ভানু প্রতাপ সিং ভার্মা

২২. দর্শনা বিক্রম জর্দোশ

২৩. মীনাক্ষী লেখি

২৪. অন্নপূর্ণা দেবী

২৫. এ নারায়ণস্বামী

২৬. কৌশল কিশোর

২৭. অজয় ভাট

২৮. বি এল ভার্মা

২৯. অজয় কুমার

৩০. চৌহান দেবসিং

৩১. ভাগওয়ানথ খুবা

৩২. কপিল মোরেশ্বর পাতিল

৩৩. প্রতীমা ভৌমিক

৩৪. ডিআর সুভাষ সরকার

৩৫. ভাগবত কিশানরাও করাদ

৩৬. রাজকুমার রঞ্জন সিং

৩৭. ভারতী প্রবীণ পাওয়ার

৩৮. বিশ্বেশ্বর টুডু

৩৯. শান্তনু ঠাকুর

৪০. মুঞ্জাপাড়া মহেন্দ্রভাই

৪১. জন বারলা

৪২ এল মুরুগান

৪৩. নিশিত প্রামাণিক

২০১৯ সালে নরেন্দ্র মোদী সরকার দ্বিতীয় বার ক্ষমতায় আসার পর এই প্রথম মন্ত্রিসভায় রদবদল আনা হলো।

নতুন মন্ত্রীদের শপথ নেওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগে পদত্যাগ করেন ভারতের ১২ মন্ত্রী। এর মধ্যে ছিলেন আইনমন্ত্রী রবি শঙ্কর প্রসাদ, স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষ বর্ধন, পরিবেশমন্ত্রী প্রকাশ জাভেদেকার। এছাড়া মন্ত্রিসভায় পশ্চিমবঙ্গের প্রতিনিধি বাবুল সুপ্রিয়ও সরে দাঁড়ান।

মহামারি মোকাবিলায় ব্যর্থতার জন্য তুমুল সমালোচনার মুখে পড়েছে নরেন্দ্র মোদির সরকার। আর এর জেরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী পদত্যাগ করায় সেখানে নতুন মন্ত্রী আসার সম্ভাবনা জোরালো হয়েছে। তবে স্বরাষ্ট্র, প্রতিরক্ষা, পররাষ্ট্র ও অর্থ মন্ত্রণালয়ে কোনো পরিবর্তন আনা হচ্ছে না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের অক্সিজেন সিলিন্ডার ও কনসেনটেটর সেবার উদ্বোধন

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের জন্য ফ্রি-অক্সিজেন সেবা দিতে সাতক্ষীরা রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের উগ্যোগে অক্সিজেন সিলিন্ডার ও অক্সিজেন কনসেনটেটর সেবা কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। বুধবার (০৭ জুলাই) বেলা ১২টায় রেড সাতক্ষীরা রেড ক্রিসেন্ট ইউনিট ভবনে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি সাতক্ষীরা ইউনিটের ভাইস চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা শেখ নুরুল হক’র সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে ফ্রি-অক্সিজেন সেবা কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন সাতক্ষীরা-২ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি।

করোনাকালীন সময়ে সকল সেবা কার্যক্রমের তথ্য তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি সাতক্ষীরা ইউনিটের সেক্রেটারী ও জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ ফিরোজ কামাল শুভ্র।
প্রধান অতিথি এমপি রবি এসময় সাতক্ষীরা রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের পক্ষ থেকে করোনা রোগীদের জন্য ফ্রি সেবা দিতে ১৫টি অক্সিজেন সিলিন্ডার ও ২টি অক্সিজেন কনসেনটেটর সেবা কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন অফিসের ডা. মাসুম ভুঁইয়া, সাতক্ষীরা রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের কার্যকরী কমিটির সদস্য প্রকৌশলী শেখ তহিদুর রহমান ডাবলু, জেলা আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক শেখ হারুন উর রশিদ, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি এস.এম শওকত হোসেন, জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক জ্যোৎ¯œা আরা, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শেখ আব্দুর রশিদ, জেলা বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি মকসুমুল হাকিম, সৈয়দ মহিউদ্দিন হাশেমী তপু ও সাতক্ষীরা রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের যুব প্রধানের সমন্বয়ে ডেপুটি চীপস ইলিয়াস হোসেন প্রমুখ। সমগ্র অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি সাতক্ষীরা ইউনিটের উপ-পরিচালক এ.এস.এম আক্তার। এসময় বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি সাতক্ষীরা ইউনিটের সদস্য ও যুব সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

খুলনা ডেস্ক : গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে খুলনা বিভাগে ৬০ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময় নতুন করে এক হাজার ৯০০ শরীরে শনাক্ত হয়েছে।

বুধবার দুপুরে বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক ডা. রাশেদা সুলতানা জানান, খুলনা বিভাগে ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত এক হাজার ৯০০, যা রোববার ছিল এক হাজার ৮৬৫। যা উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে।

খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক আরও জানান, ২৪ ঘণ্টায় খুলনায় ২১, বাগেরহাটে তিনজন, যশোরে ছয়, নড়াইলে চার, মাগুরায় একজন, ঝিনাইদহে সাত, কুষ্টিয়ায় ১১, চুয়াডাঙ্গায় পাঁচ এবং মেহেরপুরে দুইজনসহ মোট ৬০ জনের মৃত্যু হয়েছে।

করোনা সংক্রমণের শুরু থেকে আজ সকাল পর্যন্ত বিভাগের ১০ জেলায় মোট শনাক্ত হয়েছে ৬৫ হাজার ৭৯৯ জন। করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৩৬৫ জনে। এ সময় সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ৪৩ হাজার ৩৭৮ জন।

বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের জেলাভিত্তিক করোনা সংক্রান্ত তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, বিভাগে শনাক্ত ও মৃত্যুর সংখ্যার দিক থেকে খুলনা জেলা শীর্ষে রয়েছে ৩৪৮ জন, তারপর কুষ্টিয়ায় ২৮৬ জন এবং যশোরে ১৮৭ জন, ছোট জেলার মধ্যে চুয়াডাঙ্গায় ১০৬ এবং মেহেরপুরে ৬৭ জন। ঝিনাইদহে ১১৪ জন।

খুলনায় গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে শনাক্ত হয়েছে ৫৮৫ জন। এ নিয়ে জেলায় মোট করোনা শনাক্ত হয়েছে ১৭ হাজার ৫৬০ জন। আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে ৩৪৮ জন এবং সুস্থ হয়েছে ১১ হাজার ৯৪৩ জন।

বাগেরহাটে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছে ১১৮ জনের। এ নিয়ে জেলায় মোট করোনা শনাক্ত হলো চার হাজার ১৩৯জন। আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে ৯৫ জন এবং সুস্থ হয়েছে দুই হাজার ৯৪৮ জন।

সাতক্ষীরায় গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে শনাক্ত হয়েছে ১১১ জন। এ নিয়ে জেলায় মোট করোনা শনাক্ত হয়েছে তিন হাজার ৯৬৪ জন এবং মারা গেছে ৭৬ জন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে দুই হাজার ৮৩৯ জন।

যশোরে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে শনাক্ত হয়েছে ৩৭৩ জন। এ নিয়ে জেলায় মোট করোনা শনাক্ত হয়েছে ১৪ হাজার ১৭৩ জন। এ সময় মারা গেছে ১৮৭ জন এবং সুস্থ হয়েছে ৮ হাজার ১৫৯ জন।

নড়াইলে এ সময়ে শনাক্ত ৫১। এ নিয়ে জেলায় মোট করোনা শনাক্ত হয়েছে তিন হাজার ১৪৭ জন। মারা গেছে ৫৪ জন এবং সুস্থ হয়েছে দুই হাজার ২৬৫ জন।

মাগুরায় শনাক্ত ৭৩ জন। এ নিয়ে জেলায় মোট করোনা শনাক্ত হয়েছে এক হাজার ৮৫৪ জন। এ সময় মারা গেছে ৩১ জন এবং সুস্থ হয়েছে এক হাজার ৩৪৭ জন।

ঝিনাইদহে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে শনাক্ত হয়েছে ১৫৬ জন। এ নিয়ে জেলায় মোট করোনা শনাক্ত হয়েছে পাঁচ হাজার ১৭৬ জন। মারা গেছে ১১৫ জন এবং সুস্থ হয়েছে তিন হাজার ১২৮ জন।

কুষ্টিয়ায় গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে শনাক্ত হয়েছে ২৩৪ জন। এ নিয়ে জেলায় মোট করোনা শনাক্ত হয়েছে নয় হাজার ৪৩১ জন। মারা গেছে ২৮৬ জন এবং সুস্থ হয়েছে ছয় হাজার ১৪৫ জন।

চুয়াডাঙ্গায় গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে শনাক্ত হয়েছে ১৩০ জনের। এ নিয়ে জেলায় মোট করোনা শনাক্ত হয়েছে ৪ হাজার ৭৫ জন। মারা গেছে ১০৬ জন এবং সুস্থ হয়েছে দুই হাজার ৩৫৯ জন।

মেহেরপুর গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে শনাক্ত হয়েছে ৬১ জন। এ নিয়ে জেলায় মোট করোনা শনাক্ত হয়েছে দুই হাজার ২৭০ জন। আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে ৭৫ জন এবং সুস্থ হয়েছে এক হাজার ৪৪৬ জন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

অর্থনীতির খবর : দেশ স্বাধীনের পর অতীতের সব রেকর্ড অতিক্রম করে সদ্য সমাপ্ত ২০২০-২১ অর্থবছরে ১১ হাজার ৮৫৯ ব্যক্তি ২০ হাজার ৬০০ কোটি কালো টাকা সাদা হয়েছে। প্রায় ১২ হাজার করদাতা এই টাকা সাদা করেছেন। শুধু জুন মাসেই ১ হাজার ৪৫৫ জন ব্যক্তি ৬৯০ কোটি কালো টাকা সাদা করেছেন।

এদিকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কালো টাকা সাদার করার গড় ট্যাক্স ১০ শতাংশ হিসাবে প্রায় ২ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব সংগ্রহ করেছে। কালো টাকা সাদা করার তালিকায় আছেন চিকিৎসক, সরকারি চাকরিজীবী, তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক, ব্যাংকের উদ্যোক্তা মালিক, স্বর্ণ ব্যবসায়ীসহ আরো অনেকে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) তথ্য মতে, সাদা করা অর্থ শেয়ারবাজার, নগদ, ব্যাংক আমানত, বন্ড, ফ্ল্যাট, জমি ও অন্যান্য খাতে বিনিয়োগ করেছে। সাদা করা মোট অর্থের মধ্যে নগদ, ব্যাংক আমানত এবং অন্যান্য সিকিউরিটিতে সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ হয়েছে। পরবর্তী অবস্থানে রয়েছে ফ্ল্যাট, বাড়ি ও জমিতে বিনিয়োগ।

এদের মধ্যে ৭ হাজার ৫৫ জন ব্যক্তি নগদ, বন্ড এবং ব্যাংক আমানত সাদা করে ১৬০০ কোটি টাকার বেশি ট্যাক্স দিয়েছেন। তারা ১৬ হাজার ৮০০ কোটি টাকা সাদা করেছেন এই সুযোগের আওতায়। তবে ২৮৬ জন ৪০০ কোটি টাকা সাদা করেছেন এবং পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করেছেন। আরো ১৬৪৫ জন ব্যক্তি ১৯৭০ কোটি টাকা সাদা করে জমিতে বিনিয়োগ করেছেন। অপর দিকে ২৮৭৩ জন ১৪৪০ কোটি টাকা সাদা করে ফ্ল্যাট, অ্যাপার্টমেন্ট বা বাড়ি কিনেছেন।

চলতি বছরের ৩০ জুন কালো টাকা সাদা করার সুযোগ শেষ হওয়ার আশঙ্কায় এনবিআরের কর্মকর্তারা অজ্ঞাতপরিচয় অর্থের মালিকদের কাছ থেকে কালো টাকা সাদা করার বিপুল সাড়া পেয়েছে।

মাঠ পর‌্যায়ের কর্মকর্তারা বলেন, কালো টাকা সাদা করার এই সুযোগ তাদের অর্থ প্রকাশের জন্য উৎসাহি করেছিল।

কর কর্মকর্তারা ভবিষ্যতে আইনী জটিলতা এড়াতে এই সুযোগে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ নিতে উৎসাহ দিয়েছেন। সরকারি কর্মকর্তা অবসর প্রাপ্তসহ, পোশাক কারখানার মালিক, অন্যান্য ব্যবসায়ী ৪৭৯ জন কর অঞ্চল-৪ এ ১ দশমিক ৬৭০০ কোটি টাকা ট্যাক্স দিয়ে ১৬৭৭ কোটি টাকা সাদা করেছেন।

২০২০-২১ অর্থবছরে ৩১জন বৃহৎ করদাতা (প্রধানত ব্যাংকের উদ্যোক্তা পরিচালক) ১৫২ কোটি টাকা কর দিয়ে ১৫২৭ কোটি টাকা সাদা করেছেন। কালো টাকা সাদা করার সুযোগ নিয়েছেন ৭৩৯ জন চিকিৎসক। তারাও ১৪২ কোটি টাকা কর দিয়েছেন।

আরো ৬১১ জন ঢাকা কর অঞ্চল-১ এ ১৫৩০ কোটি টাকা কর দিয়ে কালো টাকা সাদা করেছেন। এদের মধ্যে গাড়ি আমদানিকারক, পোশাক কারখানার মালিক, স্বর্ণ ব্যবসায়ী, জুয়েলারি ব্যবসায়ী ও ঠিকাদার রয়েছেন।

২০২০ সালের ১ জুলাই দেওয়া সুযোগে চলতি বছরের ২৫ মে পর্যন্ত আরও ১০ হাজার ৪০৪ জন কালো টাকা সাদা করেছেন। ১৪ হাজার ৪৫৯ কোটি টাকা সাদা করায় সরকার তাদের কাছ ১৪৪৫ কোটি টাকা কর পেয়েছে।

২০০৫-০৬ হতে ২০১৯-২০ অর্থ বছর পর্যন্ত কালো টাকা সাদার করার সুযোগ দিয়ে সরকারের আয় হয়েছে ১৪ হাজার ৫৯৫ কোটি টাকা।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কর্মকর্তারা বলেছেন, গেলো ২০২০-২১ অর্থবছরের মত চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরেও কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। তবে চলতি অর্থবছরে কর বাড়ানোর পাশাপাশি কিছু শর্ত আরোপ করায় গেলো ২০২০-২১ অর্থবছরের মত সাড়া নাও পাওয়া যেতে পারে।

প্রসঙ্গত, ১ জুলাই থেকে শুরু হওয়া ২০২১-২২ অর্থবছরের বাজেটেও কালোটাকা সাদা করার ঢালাও সুযোগ দিয়েছে সরকার। এবার বিনা প্রশ্নে ব্যাংকে নগদ জমা, নতুন শিল্পে বিনিয়োগ, পুঁজিবাজার, ফ্ল্যাট ও প্লট, ব্যাংক আমানতসহ বেশ কয়েকটি খাতে কালোটাকা সাদা করার সুযোগ দেয়া হয়েছে। তবে, কর দিতে হবে বেশি। তবে এখন কালোটাকা সাদা করতে হলে কর দিতে হবে ২৫ শতাংশ। সেই সঙ্গে করের ওপর জরিমানা গুনতে হবে ৫ শতাংশ।

৩ জুন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল যে বাজেট প্রস্তাব সংসদে উপস্থাপন করেছিলেন, তাতে কালোটাকা হিসেবে অধিক পরিচিত ‘অপ্রদর্শিত অর্থ’সাদা করার সুযোগের বিষয়ে কিছু বলা হয়নি।

প্রস্তাবিত অর্থবিলেও তখন এ বিষয়ে কিছু উল্লেখ না থাকলে কালোটাকা সাদা করার বিশেষ সুযোগ শেষ হচ্ছে বলে আলোচনা তৈরি হয়। তবে বাজেট প্রস্তাবের পরদিন সংবাদ সম্মেলনে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল এ বিষয়ে আলোচনার সুযোগ রেখে তা বহাল রাখার ইঙ্গিত দেন।

শেষ পর্যন্ত প্রচলিত নিয়মের বাইরেও বিদায়ী ২০২০-২১ অর্থবছরের চেয়ে করের হার বাড়িয়ে এবং তার সঙ্গে আরও ৫ শতাংশ জরিমানা যোগ করে কোনো প্রশ্ন ছাড়া কালোটাকা সাদা করার ‘বিশেষ সুযোগ’দিয়ে অর্থ বিল ২০২১ সংসদে পাস হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সন্ত্রাসী হামলায় হাইতির রাষ্ট্রপতি নিহত

বিদেশের খবর : সন্ত্রাসী হামলায় নিহত হয়েছেন হাইতির প্রেসিডেন্ট জোভেনেল মইসি। দেশটির অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী ক্লাউডি জোসেফ আজ বুধবার এক বিবৃতিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। খবর বিবিসির।

খবরে বলা হয়, প্রেসিডেন্ট জোভেনেল মইসি তাঁর পোর্ট-অ-প্রিন্সের নিজস্ব বাসভবনে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছেন।

বিবৃতিতে বলা হয়, সশস্ত্র একটি দল প্রেসিডেন্ট জোভেনেলের বাড়িতে মধ্যরাতে হামলা চালায় এবং তাঁকে গুলি করে হত্যা করে। হামলায় প্রেসিডেন্টের স্ত্রীও আহত হয়েছেন।

৫৩ বছর বয়সী জোভেনেল মইস তাঁর পূর্বসূরি মিশেল মার্টেলি পদত্যাগের পর ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে ক্ষমতায় ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
করোনায় দেশে একদিনে রেকর্ড ২০১ জনের মৃত্যু

দেশের খবর : মহামারি করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে আরও ২০১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে করোনায় মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়াল ১৫ হাজার ৫৯৩ জনে।

বুধবার (৭ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এই সময়ে এই ভাইরাসের জীবাণু শনাক্ত হয়েছে ১১ হাজার ১৬২ জনের দেহে। এ নিয়ে মোট আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯ লাখ ৭৭ হাজার ৫৬৮ জনে।

গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম তিনজনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ দেশে এ ভাইরাসে আক্রান্ত প্রথম একজনের মৃত্যু হয়।

বিস্তারিত আসছে…

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সামেকে আকিজ বেকার্স লিমিটেডের চারটি হাই ফ্লো নাসাল ক্যানোলা বিতরণ

আসাদুজ্জামান : করোনা ভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবেলায় বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান আকিজ বেকার্স লিমিটেডের এর পক্ষ থেকে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চারটি হাই ফ্লো নাসাল ক্যানোলা মেশিন বিতরন করা হয়েছে। বুধবার বেলা ১১টায় সাতক্ষীরা সার্কিট হাউজ সম্মেলন কক্ষে উক্ত ক্যানোলা মেশিন সামেক হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করেন, অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি সাতক্ষীরা সদর আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি।

এ সময় সেখানে আরো উপস্থিত ছিলেন, সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক হুমায়ুন কবির, সিভিল সার্জন ডা. হুসাইন শাফায়াত ও সামেক হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডা. কুদরত-ই-খুদা, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান বাবু, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের সাধারন সম্পাদক ডাঃ মনোয়ার হোসেন, প্রেসক্লাব সভাপতি মমতাজ আহমেদ বাপী, আকিজ বেকার্স লিমিটেডের ঢাকা অফিসের কর্মকর্তা ইব্রাহিম হোসেন, ডিভিশনাল সেলস ম্যানেজার রাসেল মাহমুদ, সাতক্ষীরার এরিয়া সেলস ম্যানেজার শাহিনুর রহমান প্রমুখ।

বক্তারা এ সময়, বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান আকিজ গ্রুপ বরাবরই জনগন ও সরকারের পাশে থেকে কাজ করছে। এ দেশের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে আকিজ গ্রুপের ভুমিকা সত্যিই প্রশংসার দাবীদার। করোনার এই সংকটময় মুহুর্তে সাতক্ষীরাবাসীর পাশে দাড়িয়ে প্রতিষ্ঠানটি যে মহান উদ্যোগ নিয়েছে তা সত্যিই অতুলনীয়।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest