সর্বশেষ সংবাদ-
এবিপার্টি সাতক্ষীরা সদর উপজেলার আহবায়ক কমিটির অনুমোদনসাতক্ষীরায় শিশু ধর্ষণ ও যৌন সহিংসতার প্রতিবাদে মানববন্ধনএডিসি রিপন বিশ্বাসের অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি দেওয়ার সিদ্ধান্ত সাতক্ষীরা আইনজীবী ফোরামেরপ্রেরণার নির্বাহী পরিচালক শম্পার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলাসাতক্ষীরায় যৌতুকের বলি মা-মেয়ে : হত্যার দায়ে আসামির মৃত্যুদণ্ডসাতক্ষীরায় নগর দিবস উপলক্ষে মানববন্ধন: বস্তিবাসীকে পরিকল্পিত আবাসনের আওতায় আনার দাবিসাতক্ষীরায় হেভী ইকুইপমেন্ট অপারেটর শ্রমিক ইউনিয়নের মতবিনিময় সভাস্বাস্থ্যকর্মকর্তা  ও আব্বাসী কর্তৃক সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে আপত্তিকর মন্তব্য : নেত্রকোনায় সাংবাদিককে গুলি করে হত্যার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানবন্ধনপ্রতাপনগরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মাদ্রাসার আরবি প্রভাষক রহমাতুল্লাহর মৃত্যুসাতক্ষীরায় প্রকৃতি ও জীবন ক্লাবের সাধারণ সভা: সভাপতি মুনির- সম্পাদক সামাদ

লকডাউনে কালিগঞ্জের এক ইউপি চেয়ারম্যানের পিকনিক !

কালিগঞ্জ প্রতিনিধি :
সারা দেশের ন্যায় কালিগঞ্জে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সরকারের জারি করা লকডাউন বাস্তবায়নে প্রশাসন হাপিয়ে উঠেছে। কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে লকডাউনে সরকারের বিধি-নিষেধ অমান্য করে রাতের আঁধারে মথুরেশপুর ইউপি চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান গাইন শতাধিক লোক জড়ো করে পিকনিকের আয়োজন করেছেন।

সোমবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে ইউনিয়নের সিমান্তবর্তী হাড়দ্দাহ মোড়ে জনসমাগম করে পিকনিকের আয়োজন করে। পিকনিকের বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকে সমালোচনার ঝড় বইছে। দেশবাসী এটাকে ভালো চোখে দেখছেন না। এজন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট ইউপি চেয়ারম্যানের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন এলাকার সচেতন মহল।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মহামারী করোনা ভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবেলায় সংক্রমণ রোধে সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে সোমবার রাতে জনসমাগম করে পিকনিকের আয়োজন করে উপজেলার মথুরেশপুর ইউপি চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান গাইন। যেখানে হাড়দ্দাহ, বসন্তপুর, গনপতি এলাকার শতাধিক মানুষ গা ঘেঁষাঘেঁষি করে বসেই পিকনিকের আনন্দে মেতে উঠেছিল। সেখানে ছিল খিঁচুড়ি ভাতের আয়োজন। এতে ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান শেখ আলাউদ্দীন সেহেল, বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতাকর্মীসহ শতাধিক ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন। এসময় পিকনিকের কয়েকটি ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন এমডি সজিব হোসেন সাহেব নামের এক যুবক। এতে দেখা যায় ইউপি চেয়ারম্যান ও প্যানেল চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে সবাই একত্রিত হয়ে খাবার খাচ্ছেন। এসব ছবি পোস্ট করার সঙ্গে সঙ্গে তা হুড়মুড়িয়ে ভাইরাল হতে শুরু করে।

পরে এসব ছবিসহ পোস্টটি তিনি ডিলেট করেন। এদিকে করোনার ভয়াবহ পরিস্থিতিতে লোক সমাগম করে চেয়ারম্যানের পিকনিক কোন ভাবেই মেনে নিতে পারছেন না এলাকার সচেতন মহল। নাম প্রকাশ না করা শর্তে স্থানীয় কয়েকজন ব্যাক্তি বলেন, লকডাউনে সরকারি নির্দেশনাকে বৃদ্ধাঙ্গলি দেখিয়ে সবাইকে ঘরে থাকতে বলে ইউপি চেয়ারম্যান নিজেই পিকনিকের আয়োজন করেছে এটা মহা অন্যাই। সেখানে রিং বাঁধের কাজ করা সেচ্ছাসেবকদের পাশাপাশি গ্রামের শতাধিক লোক নিয়ে পিকনিকের আয়োজন করা হয়। চেয়ারম্যান নিজেই ব্যাক্তিগত ভাবে এই পিকনিকের সকল বন্দোবস্ত করেন। করোনা পরিস্থিতিতে জনসমাগম করা সম্পূর্ণ অন্যাই। এ বিষয়ে মথুরেশপুর ইউপি চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান গাইনের ব্যবহ্নত মোবাইল ফোনে একাধিক বার ফোন দিলে ও মোবাইল বন্ধ থাকায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। করোনা কালিন পিকনিকের বিষয়টি সম্পর্কে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খন্দকার রবিউল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, পিকনিকের বিষয়টি আমি শুনেছি। উর্দ্ধতন কতৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ডাক্তারদের গণবদলির তালিকায় মৃত চিকিৎসক!

ভিন্ন স্বাদের খবর : করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) মহামারিতে চিকিৎসাসেবা নিশ্চিতে সারাদেশের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসকদের গণবদলি করেছে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়। সোমবার (৫ জুলাই) উপ-সচিব জাকিয়া পারভীন স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে বদলি করা হয় বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজের রেসপিরেটরি মেডিসিন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. জীবেশ কুমার প্রামাণিক স্বপনকেও।

আদেশে তাকে আগামী ৭ জুলাইয়ের মধ্যে বগুড়া ২৫০ শয্যা মোহাম্মদ আলী জেলা হাসপাতালে যোগ দিতে বলা হয়। কিন্তু খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ডা. জীবেশ কুমার প্রামাণিক স্বপন গত ৬ জানুয়ারি রাজধানীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। রাজশাহী মেডিকেল কলেজের ৩১তম ব্যাচের প্রাক্তন এ শিক্ষার্থী ২২তম স্বাস্থ্য ক্যাডারের কর্মকর্তা ছিলেন।

শুধু তিনিই নন, তার মতো ফেরদৌস আরা শেখ নামে রংপুর মেডিকেল কলেজের গাইনি অ্যান্ড অবস বিভাগের আরও এক মৃত চিকিৎসককেও বদলি করা হয়েছে। এছাড়া চাকরি থেকে অবসরে যাওয়া রংপুর মেডিকেল কলেজের শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. মমতাজ বেগম ও কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের চক্ষু বিশেষজ্ঞ ডা. গিয়াসউদ্দিনকেও বদলি করা হয়েছে আদেশে।

জাকিয়া পারভীন স্বাক্ষরিত ২৬ পৃষ্ঠার পৃথক প্রজ্ঞাপনে প্রায় দেড় থেকে দুই হাজার মেডিকেল কলেজের শিক্ষককে বিভিন্ন মেডিকেল কলেজ, সদর ও উপজেলা হাসপাতালে সংযুক্তিতে বদলির তথ্য পাওয়া গেছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, কোভিড-১৯ সুষ্ঠুভাবে মোকাবিলা ও জনসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে পরবর্তী নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত বিসিএস স্বাস্থ্য ক্যাডার/স্বাস্থ্য সার্ভিসের কর্মকর্তাদের তাদের নামের পাশে কর্মস্থলে সংযুক্তিতে বদলি করা হয়েছে।

করোনাভাইরাস মোকাবিলায় দেশের বিভিন্ন মেডিকেল কলেজ ছাড়াও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের করোনা রোগীর চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে গণবদলির ঘটনায় সাধারণ চিকিৎসকদের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রবীণ শিক্ষকদের এ গণবদলির বিরুদ্ধে বিক্ষুব্ধ মন্তব্য করতে দেখা গেছে চিকিৎসকদের।

বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন (বিএমএ) ও স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের (স্বাচিপ) একাধিক শীর্ষ নেতা বলেন, ‘দেশের সরকারি সব মেডিকেল কলেজে অনলাইনে ক্লাস ও পরীক্ষা চলছে। করোনা রোগীর চিকিৎসার জন্য যাদের বদলি করা হয়েছে তারা মূলত মেডিকেল কলেজের মৌলিক বিভিন্ন বিষয়ের (এনাটমি, ফিজিওলজি, ফার্মাকোলজি, ফরেনসিক মেডিসিন) অধ্যাপক, সহযোগী ও সহকারী অধ্যাপক এবং লেকচারার হিসেবে শিক্ষকতা করেন। করোনা চিকিৎসার ব্যাপারে তারা অনভিজ্ঞ। তারা চলে গেলে ক্লাস ও পরীক্ষা গ্রহণ নিয়ে জটিলতা দেখা দেবে। যে বদলির আদেশ হয়েছে সেখানে তাদের নামের পাশে পদবি দেয়া হয়নি, শুধু নাম আর রেজিস্ট্রেশন নম্বর দেয়া হয়েছে, যা রীতিমতো অপমানজনক।’

স্বাচিপের মহাসচিব অধ্যাপক ডা. এম এ আজিজ বলেন, ‘দেশের চিকিৎসকরা সম্মুখসারীর অগ্রজ যোদ্ধা হিসেবে কোভিড-১৯’র বিরুদ্ধে সর্বাত্মক লড়াই করছেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যখনই চিকিৎসকদের যে নির্দেশনা দিয়েছেন দেশের আপামর চিকিৎসক সে নির্দেশনা শিরোধার্য জ্ঞানে যুদ্ধক্ষেত্রে দায়িত্ব পালন করে গেছেন। কিন্তু এই কোভিডকালে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত কতিপয় আমলার চরম দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণ ও কর্মকাণ্ড পুরো স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনাকেই বারবার প্রশ্নের মুখে ঠেলে দিচ্ছে। গতকাল আকস্মিকভাবে দেশের বিভিন্ন মেডিকেল কলেজের কয়েকশ শিক্ষক-চিকিৎসকের গণবদলির আদেশ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালগুলোর বিরাজিত চিকিৎসাব্যবস্থাকে অস্থিরতার মুখে ঠেলে দিয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘মন্ত্রণালয় তাদের খেয়ালখুশি মতো কোভিড চিকিৎসা ব্যবস্থাপনার নাম করে শ’য়ে শ’য়ে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক সদর হাসপাতাল, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বদলি করেছে। কিন্তু বদলিকৃত হাসপাতালে এসব বিশেষজ্ঞের কাজ কী হবে, তা ন্যূনতম বিবেচনায় নেয়া হয়নি। বেসিক বিষয়ের শিক্ষকতায় যুক্ত চিকিৎসকরা উপজেলা হেলথ কমপ্লেক্সে কোভিড রোগীদের কী সেবা দেবেন? এসব চিকিৎসক প্রায় প্রতিদিন দিনে এমনকি রাতেও অনলাইনে ক্লাস নিয়ে সিলেবাস শেষ করছেন কলেজগুলোতে, এ বদলি আদেশের ফলে ছাত্ররাও বঞ্চিত হবে শিক্ষকদের ক্লাস থেকে। বেসিক বিষয়ের অধ্যাপনার সঙ্গে যেসব চিকিৎসক সম্পৃক্ত তাদের প্রায় সবাই দীর্ঘসময় ধরে রোগীদের চিকিৎসাসেবা থেকে দূরে, তারা হঠাৎ করে কোভিড রোগীদের কী চিকিৎসাসেবা দেবেন সদর হাসপাতাল বা উপজেলা হেলথ কমপ্লেক্সে?’

‘এ বদলির আদেশাধীন চিকিৎসকদের একটি বড় অংশ ৫০ পেরোনো, এ বয়সের চিকিৎসকদের কোভিড রোগীর চিকিৎসা দিতে বাধ্য করা কতোটা বৈজ্ঞানিক? এ সিদ্ধান্ত কি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সমর্থন করে?’

তিনি এ আদেশকে তুঘলকি মন্তব্য করে বলেন, ‘এ আদেশে হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ, শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ, চক্ষুরোগ বিশেষজ্ঞ, নাক কান ও গলা রোগ বিশেষজ্ঞ এবং সার্জন, নিউরোসার্জন, জেনারেল সার্জন, ডেন্টাল সার্জন ইত্যাদি নানা বিশেষায়িত বিষয়ের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে সদর হাসপাতাল ও উপজেলায় বদলি করা হয়েছে। এসব চিকিৎসকের কোভিড রোগী চিকিৎসার ক্ষেত্র কোথায়? সদ্য বদলিকৃত কোভিড কর্মস্থলে তাদের করণীয়ই বা কী হবে?’

বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন (বিএমএ) চট্টগ্রাম শাখার সাধারণ সম্পাদক ডা. ফয়সাল ইকবাল চৌধুরী বলেন, ‘চমেক চট্টগ্রাম বিভাগের উন্নত চিকিৎসার একমাত্র হাসপাতাল। এখানে করোনা ছাড়াও নিয়মিত জটিল রোগ নিয়ে নানা রোগী আসেন। জটিল রোগের অনেক চিকিৎসক এই বদলির তালিকায় রয়েছেন। এতে হাসপাতালের জটিল রোগীরা মারাত্মক ভোগান্তিতে পড়বেন। যেমন- নিউরোসার্জন, কলেজের অ্যানাটমি বিভাগের অধ্যাপক, পিসিআর ল্যাব প্রধান, দন্তচিকিৎসকক এ বদলির তালিকায় আছেন।’

‘হাসপাতালে বর্তমানে প্রচুর ব্রেইন টিউমারের রোগী আছে। তাদের অপারেশনের কী হবে? তাছাড়া কলেজে সারাবছর যিনি অ্যানাটমি পড়িয়েছেন তাকে দিয়ে তো করোনার চিকিৎসা করানো ঝুঁকিপূর্ণ হবে। আবার দাঁতের ডাক্তার করোনার চিকিৎসায় কী করবেন? সবচেয়ে বড় কথা হাসপাতালের করোনা পরীক্ষার ল্যাব প্রধানকে বদলি করা হয়েছে। এতে করোনা ল্যাবটি অচল হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।’

জানতে চাইলে বিএমএ কেন্দ্রীয় কমিটির মহাসচিব ডা. এহতেশামুল হক চৌধুরী দুলাল বলেন, ‘এটি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এ যাবতকালের সবচেয়ে বড় ভৌতিক ও অগ্রহণযোগ্য আদেশ। আমি মনে করি এটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। বদলি আদেশের বিষয়ে স্বাস্থ্যের দুজন ডিজির কারও সঙ্গে কথা বলা হয়নি। এছাড়া একজন মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষের সঙ্গেও কথা বলা হয়নি। আমি মনে করি, এ আদেশ যারা দিয়েছেন তাদের মেডিকেল কলেজ সম্পর্কে ন্যূনতম জ্ঞান নেই। একটি মেডিকেল কলেজ কীভাবে চলে, তার চিকিৎসা ব্যবস্থা কেমন, তা যদি জানতেন তবে তারা এ ধরনের ভৌতিক আদেশ দিতেন না।’

তিনি আরও বলেন, ‘মৃত চিকিৎসকও তালিকায় আছেন। এর মাধ্যমে বোঝা যাচ্ছে, এটি কেমন অপরিকল্পিত আদেশ।’

বদলির তালিকায় মৃত চিকিৎসকের নাম অন্তর্ভুক্তির বিষয়টি জানতে চাইলে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের উপসচিব জাকিয়া পারভীন বলেন, ‘বিষয়টি জানা ছিল না। তাছাড়া বড় বদলি আদেশ। হয়তো এজন্য ভুল হয়েছে। অসুবিধে নেই। আমরা সংশোধন করে দেব।’

এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব লোকমান হোসেন মিয়ার সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও সংযোগ স্থাপন করা যায়নি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

দেশের খবর : সারাদেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরো ১৬৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। যা একদিনে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। এ নিয়ে করোনায় মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়ালো ১৫ হাজার ৩৯২ জনে।

এদিকে করোনা শনাক্তের রেকর্ড হয়েছে। একই সময়ে ১১ হাজার ৫২৫ জনের দেহে এই ভাইরাসের জীবাণু শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে মোট আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে নয় লাখ ৬৬ হাজার ৪০৬ জনে।

মঙ্গলবার (৬ জুলাই) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাছিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষায় শনাক্তের হার ৩১ দশমিক ৪৬ শতাংশ। এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ১৪ দশমিক ২২ শতাংশ এবং শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৮৭ দশমিক ৩৯ এবং শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৫৯ শতাংশ।

ঢাকা সিটিসহ দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ও বাড়িতে উপসর্গ বিহীন রোগীসহ গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৫ হাজার ৪৩৩ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ৮ লাখ ৪৪ হাজার ৫১৫ জন। সারাদেশে সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৬০৫টি ল্যাবে নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষা হয়েছে। এর মধ্যে আরটি-পিসিআর ল্যাব ১৩০টি, জিন এক্সপার্ট ৪৮টি, র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন ৪২৭টি। এসব ল্যাবে ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ হয়েছে ৩৮ হাজার ৩৯টি। মোট নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৩৬ হাজার ৬৩১টি। এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৬৭ লাখ ৯৪ হাজার ৫১৫টি।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানানো হয়, ২৪ ঘণ্টায় মৃত ১৬৩ জনের মধ্যে রয়েছেন ঢাকা বিভাগে ৪৫ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ২৪ জন, রাজশাহী বিভাগে ২৪ জন, খুলনা বিভাগে ৪৬ জন, বরিশাল বিভাগে ছয়জন, সিলেট বিভাগে দুইজন, রংপুর বিভাগে ১১ জন ও ময়মনসিংহ বিভাগে পাঁচজন রয়েছেন।

মৃতদের বয়স বিশ্লেষণে দেখা যায়, ৬০ বছরে ঊর্ধ্বে ৯১ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ২৯ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে ২৭ জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে ১১ জন, ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে পাঁচজন রয়েছেন।

এতে আরো জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশনে এসেছেন ৪ হাজার ৮৪ জন ও আইসোলেশন থেকে ছাড় পেয়েছেন ১ হাজার ৪২৬ জন। এ পর্যন্ত আইসোলেশনে এসেছেন এক লাখ ৯৯ হাজার ৬৪০ জন। আইসোলেশন থেকে ছাড়পত্র নিয়েছেন ১ লাখ ৪৩ হাজার ৬৪০ জন। বর্তমানে আইসোলেশনে আছেন ৫৬ হাজা ৪৬৫ জন।

এছাড়া গত সাতদিনে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৪৮ হাজার ১৪৭ জন। এর মধ্যে গত ২৯ জুন ৭ হাজার ৬৬৬ জন, ৩০ জুন ৮ হাজার ৮২২ জন, ১ জুলাই ৮ হাজার ৩০১ জন, ২ জুলাই ৮ হাজার ৪৮৩ জন, ৩ জুলাই ৬ হাজার ২১৪ জন, ৪ জুলাই ৮ হাজার ৬৬১ জন এবং ৫ জুলাই ৯ হাজার ৯৬৪ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য মতে, ২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে করোনাভাইরাসের প্রথম রোগী শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ করোনায় আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়। এরপর ধীরে ধীরে আক্রান্তের হার বাড়তে থাকে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটায় ৫০ বোতল ফেন্সিডিলসহ ১ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

দেবহাটা ব্যুরো : দেবহাটায়  পুলিশের অভিযানে ৫০ বোতল ফেন্সিডিলসহ  ১জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার হয়েছে। পুলিশ এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের পরবর্তী আটককৃত আসামীকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরন করা হয়েছে। পুলিশ জানায়, দেবহাটা থানার অফিসার ইনচার্জ বিপ্লব কুমার সাহার নেতৃত্বে দেবহাটা থানা এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, গ্রেফতারী পরোয়ানা তামিল ও বিশেষ অভিযান পরিচালনাকালে ইং ০৫/০৭/২০২১ তারিখ রাতে এসআই(নিঃ)/নয়ন কুমার চৌধুরী ও এসআই(নিঃ)/ আসিফ মাহমুদ সঙ্গীয় ফোর্সসহ দেবহাটা থানার জগন্নাথপুর এলাকা থেকে দেবহাটা উপজেলার উত্তর নাংলা এলাকার মৃত রমজান আলীর ছেলে আব্দুর রহিম গাজী (৪৫) কে ৫০ (পঞ্চাশ) বোতল নেশাজাতীয় মাদক ভারতীয় ফেন্সিডিলসহ গ্রেফতার করেন। এ ঘটনায় এসআই নয়ন চৌধুরী বাদী হয়ে দেবহাটা থানায় ০৬ জুলাই, ২১ ইং তারিখে ৩ নং মামলা দায়ের করেছেন। আটককৃত আসামীকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরন করা হয়েছে। দেবহাটা থানার ওসি বিপ্লব কুমার সাহা জানান, মাদক ব্যবসায়ীরা দেশ ও জাতির শত্রæ। মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান অব্যহত আছে এবং এ ব্যাপারে কাউকে ছাড় দেয়া হবেনা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
২৮ যাত্রী নিয়ে রাশিয়ার বিমান নিখোঁজ

বিদেশের খবর : ২৮ যাত্রী নিয়ে রাশিয়ার একটি বিমান নিখোঁজ হয়ে গেছে।

দেশটির স্পুটনিক নিউজ এ তথ্য জানায়।

খবরে বলা হয়, ওই প্লেনটি যথাযথ সময়ে সাড়া না দেওয়ায় প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে— সেটি নিখোঁজ হয়েছে। এএন-২৬ প্লেনটি পেট্রোপাভলভস্ক-কামচাটস্কি থেকে পালানা শহরে যাওয়ার পথে কামচাটকায় কন্ট্রোলরুমের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

দেশটির জরুরি সেবাদাতা সংস্থার এক প্রতিনিধি বলেন, প্লেনে ছয়জন ক্রু এবং ২২ যাত্রী ছিলেন। এদের মধ্যে একজন শিশু। একটি হেলিকপ্টার ও সেনারা ওই প্লেন খোঁজা এবং উদ্ধার অভিযান পরিচালনার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

আঞ্চলিক সরকারের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়, সব জরুরি সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানকে বিষয়টি সম্পর্কে অবহিত করা হয়েছে। দুটি হেলিকপ্টার এবং একটি প্লেন ওই এলাকায় অনুসন্ধান চালাচ্ছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশ্রয়ণ প্রকল্পে অনিয়ম : ৫ কর্মকর্তা ওএসডি ৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা

অনলাইন ডেস্ক : বিনামূল্যে ঘর দেয়ার প্রকল্পে অনিয়মের কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছে সরকার। ৩৬ উপজেলার কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পেয়েছে তদন্ত কমিটি। ওএসডি করা হয়েছে পাঁচজনকে, দুইজনের নামে সংশ্লিষ্ট বিভাগ এবং একজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে-দুদক।

মুজিব বর্ষ উপলক্ষে ভূমিহীনদের ২ শতাংশ জমি এবং আধাপাকা ঘর দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এমন ঘর পেয়েছেন এক লক্ষ তেইশ হাজার পরিবার। মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর অঙ্গীকার, আশ্রয়ণ প্রকল্পের মাধ্যমে গৃহহীন মানুষদেরকে গৃহ উপহার দিয়ে পুনর্বাসিত করা। আশ্রয়ণ প্রকল্প নিয়ে শুরু থেকেই নানা অনিয়মের অভিযোগের পর তদন্ত করা হয়, যা চলমান।

বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার ঘরগুলো করা হয়েছে নিচু জায়গায়। ফলে বর্ষার পানিতে তৈরি হয়েছে জলাবদ্ধতা। শেরপুর উপজেলায় খালের পাড়ে ঘর করায় সেগুলো ধসে পড়েছে। একই অবস্থা মুন্সীগঞ্জ সদরে নির্মাণ করা ঘরগুলোরও। হবিগঞ্জের মাধবপুরে ঘরের টাকা আত্মসাৎ, সিরাজগঞ্জের কাজিপুর, বরগুনার আমতলী ও সুনামগঞ্জের শাল্লায় নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে ঘর তৈরি করে সেগুলো বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়েছে।

এসব ঘর নির্মাণের তদারকির দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে শুরু করেছে সরকার। এরমধ্যে পাঁচজন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে ওএসডি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। সিরাজগঞ্জ বরগুনার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে করা হয়েছে বিভাগীয় মামলা। আরেক জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা হয়েছে।

ওএসডি হওয়া কর্মকর্তারা হলেন মুন্সীগঞ্জ সদরের সহকারি কমিশনার শেখ মেজবাহ-উল-সাবেরিন, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রুবায়েত হাসান শিপলু, চাঁপাইনবাবগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. লিয়াকত আলী সেখ, উপসচিব মো. শফিকুল ইসলাম, বরগুনার আমতলী উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান।

এরই মধ্যে নিম্নমানের কাজ ও ঘর বরাদ্দে অনিয়মসহ আরও নানা অভিযোগ অভিযোগ উঠেছে ২২টি জেলার ৩৬ উপজেলার বিরুদ্ধে। ছাড় পাচ্ছেন না উপজেলা পর্যায়ে প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটিতে থাকা অন্যান্য কর্মকর্তারাও। অনিয়মে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগ প্রমাণ মিললে, তাদের বিরুদ্ধেও নেয়া হবে ব্যবস্থা।

প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ও প্রকল্প পরিচালক ড. আহমদ কায়কাউস বলেন, প্মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যেটাকে একেবারে এবাদত হিসেবে নিয়েছেন সেটাতে যখন আমরা ব্যর্থ হই তখন সেটি আমাদের ব্যর্থতা। সেজন্য আমরা বলেছি যে, আমরা এখানে জিরো টলারেন্স, শৈথিল্য দেখানোর কোনো সুযোগ নেই। পৃথিবীর সৃষ্টিলগ্নে যেমন শয়তান আমাদেরকে গন্ধম ফল খাইয়ে দিয়েছিলো, তো শয়তানের উপস্থিতি তো সব জায়গাতে আছে। এখান থেকে বের হয়ে আসতে হবে আমরা সেটা চেষ্টা করে যাচ্ছি।

প্রকল্প পরিচালক মো. মাহবুব হোসেন বলছেন, অনিয়মের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত সুবিধাভোগীদের দেয়া হবে নতুন ঘর।

সংশ্লিষ্ট উপজেলার প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা, ইউএনও, এসিল্যান্ড, উপজেলা প্রকৌশলী এবং ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সেভ দ্য ফিউচার ফাউন্ডেশন সাতক্ষীরা পৌর শাখার কমিটির অনুমোদন

স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠন সেভ দ্য ফিউচার ফাউন্ডেশন সাতক্ষীরা পৌর শাখার ৬ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
সেভ দ্য ফিউচার ফাউন্ডেশন সাতক্ষীরা জেলা শাখার সভাপতি ইমরান হোসাইন ও সাধারণ সম্পাদক শহিদুজ্জামান শিমুল স্বাক্ষরিত একপত্রে কর্ণ বিশ^াস কেডিকে সভাপতি ও আসিফুল আলম আসিফ কে সাধারণ সম্পাদক করে ৬ সদস্য বিশিষ্ট পৌর কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়। কমিটির অন্যান্যরা হলেন, সহ-সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক, সাংগঠনিক মিলন বিশ^াস, অর্থ সম্পাদক ঊর্মি ইসলাম ও দপ্তর সম্পাদক আতাউর রহমান সজল। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সামেকের ২৬ জন চিকিৎসককে যশোর ও সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে পদায়ন

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের ২৬ জন চিকিৎসককে একযোগে সংযুক্তিতে পদায়ন করা হয়েছে। এদের ১০ জনকে পদায়ন করা হয়েছে যশোর জেলা হাসপাতালে এবং ১৬ জনকে পদায়ন করা হয়েছে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে। আগামী ৭ জুলাই এর মধ্যে পদায়নকৃতদের নতুন কর্মস্থলে যোগদান করতে বলা হয়েছে। অন্যথায় পরদিন ৮ জুলাই পূর্বাহ্নে বর্তমান কর্মস্থল হতে তাৎক্ষণিক অবমুক্ত হিসেবে গন্য হবে।

সোমবার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব জাকিয়া পারভীন স্বাক্ষরিত এক পত্রে তাদেরকে পদায়ন করা হয়।
পত্রে বলা হয়েছে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এ আদেশ বলবৎ থাকবে। বর্ণিত চিকিৎসকগণ করোনা ইউনিটে দায়িত্ব পালন করবেন।

যশোরে জেলা হাসপাতালে বদলীকৃতরা হলেন, সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের ডা. মো. শরিফুজ্জামান, ডা. মো. আল মামুন হোসেন, ডা. প্রবীর কুমার দাশ, ডা. মো. মনিরুজ্জামান, ডা. মো. মোজাম্মেল হক, ডা. মো. শরিফুল ইসলাম, ডা. মো. সাইফুল ইসলাম, ডা.হোসনে আরা হোসেন, ডা. মো. সাইফুল্লাহ ও ডা. জিএম ফারুকুজ্জামান।

অপরদিকে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ থেকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে বদলী করা হয়েছে, ডা. শেখ আবু সাঈদ, ডা. ফারহানা হোসেন, ডা. মোছা. খসরুবা পারভীন, ডা. সুতপা চ্যাটার্জি, ডা. মো. শামছুর রহমান, ডা. মো. ইনামুল হাফিজ, ডা. মো. জাহিদুল ইসলাম, ডা. মো. ফকরুল আলম, ডা. নাসরিন সুলতানা, ডা. মো. নাছির উদ্দিন গাজী, ডা. শেখ নাজমুস সাকিব, ডা. ফাহমিদা জামান, ডা. মেহনাজ নাজরীন, ডা. উপমা গুহ রায়, ডা. মো. আনিসুর রহমান ও ডা. শরিফা জামান।

সাতক্ষীরার সিভিল সার্জন ডা. হুসাইন সাফায়াত বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, বদলীকৃতরা সকলেই সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজে কর্মরত ছিলেন। সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে কোভিট ইউনিট স্থাপনের প্রস্তুতি হিসেবে ১৬ জনকে পদায়ন করা হয়েছে বলে তিনি জানান। এটি ঠিক বদলী বলা যাবে না। করোনার অতিমারী সুষ্ঠভাবে মোকাবেলা এবং জনসেবা নিশ্চিত করতে তাদেরকে বর্ণিত কর্মস্থলে পদায়ন করা হয়েছে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।
সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের তত্বাবধায়ক ডা: কুদরত ই খুদা জানান, এটিকে বদলী বলা যাবে না। করোনা পরিস্থিতির কারণে সারা বাংলাদেশের চিকিৎসকদের সংযুক্তিতে পদায়ন করা হয়েছে। সে অনুযায়ী সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের ২৬ জন সহকারী অধ্যাপককে সংযুক্তিতে যশোর জেলা হাসপাতাল এবং সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে পদায়ন করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest