সর্বশেষ সংবাদ-
এবিপার্টি সাতক্ষীরা সদর উপজেলার আহবায়ক কমিটির অনুমোদনসাতক্ষীরায় শিশু ধর্ষণ ও যৌন সহিংসতার প্রতিবাদে মানববন্ধনএডিসি রিপন বিশ্বাসের অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি দেওয়ার সিদ্ধান্ত সাতক্ষীরা আইনজীবী ফোরামেরপ্রেরণার নির্বাহী পরিচালক শম্পার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলাসাতক্ষীরায় যৌতুকের বলি মা-মেয়ে : হত্যার দায়ে আসামির মৃত্যুদণ্ডসাতক্ষীরায় নগর দিবস উপলক্ষে মানববন্ধন: বস্তিবাসীকে পরিকল্পিত আবাসনের আওতায় আনার দাবিসাতক্ষীরায় হেভী ইকুইপমেন্ট অপারেটর শ্রমিক ইউনিয়নের মতবিনিময় সভাস্বাস্থ্যকর্মকর্তা  ও আব্বাসী কর্তৃক সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে আপত্তিকর মন্তব্য : নেত্রকোনায় সাংবাদিককে গুলি করে হত্যার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানবন্ধনপ্রতাপনগরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মাদ্রাসার আরবি প্রভাষক রহমাতুল্লাহর মৃত্যুসাতক্ষীরায় প্রকৃতি ও জীবন ক্লাবের সাধারণ সভা: সভাপতি মুনির- সম্পাদক সামাদ

সাতক্ষীরায় অক্সিজেন সংকটে মৃত্যুর ঘটনায় বিভাগীয় তদন্ত : ৭দিনের সময় চেয়েছে সামেক

নিজস্ব প্রতিনিধি : অক্সিজেনে সংকটে সামেক হাসপাতালে ৮রোগীর মৃত্যুর ঘটনায় স্বাস্থ্য বিভাগের গঠিত তদন্ত কমিটি তদন্তকাজ সম্পন্ন করেছেন। রোববার বেলা ১১টায় তারা সামেক হাসপাতালে আসেন। পরে তারা হাসপাতালের দূর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন ও ২২ জন কর্মকর্তা-কর্মচারির স্বাক্ষ্য গ্রহণ করেন। তদন্ত প্রতিবেদন ০৫ জুলাই স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে বলে জানা গেছে।
এদিকে, অক্সিজেন সংকটের ঘটনায় স্থানীয় সামেক হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের গঠিত তদন্ত কমিটি আরও সাত দিনের সময় চেয়ে আবেদন করেছেন।

তদন্ত টিমের প্রধান ডা. কাজী আরিফ আহমেদ জানান, অক্সিজেন সংকটে রোগী মৃত্যুর অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে তিন দিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়। কিন্তু শুক্রবার বন্ধ থাকায় এবং নিহতের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলাসহ আনুসঙ্গিক কারনে এত স্বল্প সময়ে তদন্ত কার্যক্রম শেষ করা সম্ভব নয়। যেকারণে আরও সাত দিন সময় চাওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সাতক্ষীরা মেডিকেলে সেন্ট্রাল অক্সিজেন সংকটে পড়ে অন্তত আটজন করোনা আক্রান্ত রোগীর মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় সাতক্ষীরা মেডিকেলের পক্ষ থেকে মেডিসিন বিভাগের প্রধান ডা. কাজী আরিফ আহম্মেদকে প্রধান করে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আবাসিক স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মারুফ আহমেদ ও সাতক্ষীরা মেডিকেলের ডা. সাইফুল্লাহকে সদস্য করে একটি কমিটি গঠন করা হয়।

এছাড়া একই ঘটনায় খুলনা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক ডা. রাশেদা সুলতানা তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেন। কমিটির প্রধান করা হয়েছে বিভাগীয় কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক ডা. শেখ মোশাররফ হোসেন। কমিটির অপর সদস্য হলেন, সহকারী পরিচালক ডা. রফিকুল গাজী ও শওকত হোসেন।

এবিষয়ে টিমের প্রধান বিভাগীয় কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোশাররফ হোসেন জানান, সামেক হাসপাতালের তত্বাবধায়ক, অধ্যক্ষ, ওই দিনের দায়িত্বরত ২২জন কর্মকর্তা, কর্মচারীর লিখিত বক্তব্য নিয়েছেন। তদন্ত কাজ সম্পন্ন হয়েছে। সার্বিক ঘটনা তদন্তের পর লিখিত প্রতিবেদন যত দ্রুত সম্ভব দাখিল করবেন সংশ্লিষ্ট দপ্তরে। এরপর প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে বলে জানান তিনি।
এবিষয়ে সাতক্ষীরা মেডিকেলের তত্বাবধায়ক ডা. কুদরত-ই-খোদা জানান, বিভাগীয় স্বাস্থ্য কর্মকর্তার গঠিত তদন্ত কমিটি রোববার তদন্তে এসেছে। তাদের তদন্ত কাজে সার্বিক সহায়তা করা হচ্ছে। আজকে তারা তদন্তকাজ সম্পন্ন করেছেন। আগামিকালই তারা তদন্ত প্রতিবেদন ঢাকায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়ে দেবেন। এছাড়া সাতক্ষীরা মেডিকেলের নিজস্ব তদন্ত কমিটি সাত দিনের সময় চেয়েছে। তাদেরও সময় বর্ধিত করা হয়েছে।

সাতক্ষীরার সিভিল সার্জন ডা. হুসাইন শাফায়াত জানান,বিভাগীয় পরিচালকের গঠিত তদন্ত কমিটি তদন্ত করতে এসেছেন। সিভিল সার্জন হিসেবে আমার পর্যবেক্ষণ তাদেরকে জানিয়েছি। ১ জুলাই তারিখে আমি সামেক হাসপাতালে এসে যা দেখেছি,নথিপত্রের যে রেকর্ড পেয়েছি,তা জানিয়েছি। আমার স্টেটমেন্ট দিয়েছি। শুধু আমি না,তত্বাবধায়ক,আইসিইউ ইনচার্জ,আইসিইউ কনসালট্যান্টসহ সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য তারা নিয়েছেন। এর প্রেক্ষিতে কোন পরামর্শ যদি থাকে,রিপোর্টে তা উঠে আসবে। কারো অবহেলায় যদি শাস্তির সুপারিশ যদি করা হয়,সেটাও বিভাগীয়ভাবে করা হবে বলে আশা করছি।

উল্লেখ্য, গত ৩০ জুন বুধবার সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত ৮টার মধ্যে অক্সিজেন সংকটের কারণে আইসিইউ, সিসিইউ এবং সাধারণ করোনা ওয়ার্ডে উপসর্গ ও করোনা নিয়ে চিকিৎসাধীন ৮ জন মারা যান। সকাল থেকে অক্সিজেন সংকট দেখা দিলে ডাক্তাররা কর্তৃপক্ষকে তা অবহিত করেন। কিন্তু যথা সময়ে সাতক্ষীরার সেন্ট্রাল অক্সিজেন পন্ড পূরণ না করায় অক্সিজেনের প্রেসার কমতে থাকে। একপর্যায়ে অক্সিজেনের প্রেসার কমে যাওয়ায় রোগীরা ছটফট করতে থাকেন। এসময় যে যার মতো অক্সিজেন সিলিন্ডার বাইরে থেকে নিয়ে এসে রোগীদের বাঁচানোর চেষ্টা করে ব্যর্থ হন। রাত ৮টার মধ্যে ৮জন রোগী মারা যান। এর আগে ওইদিনই করোনা উপসর্গে আরও ৬ জনের মৃত্যু ঘটে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় পাউবো কর্মকর্তার অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের ৭/২ পোল্ডারের এসও আলমগীর কবিরের দুর্নীতি, অনিয়ম, স্বেচ্ছাচারিতা ও অর্থবাণিজ্যের প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে শ্যামনগর উপজেলার দ্বীপ ইউনিয়ন পদ্মপুকুরের বানভাসী মানুষেরা।

রবিবার (০৪ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে পদ্মপুকুর ইউনিয়নের বন্যাতলা ভাঙ্গন পয়েন্টে ‘বানভাসী এলাকাবাসী’র ব্যানারে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

বিশিষ্ট ব্যবসায়ী নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও খুলনা বিএল কলেজ ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি হুজাইফা আমিনের সঞ্চালনায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বন্যাতলা ভাঙ্গন কবলিত এলাকার আনোয়ারুল ইসলাম, টোকন সানা, মহরম আলী গাজী, বাবুল গাজী প্রমুখ।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, গত ২৬শে মে ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে শ্যামনগর উপজেলার বন্যাতলা এলাকার বেঁড়িবাধ ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্থ হয়। ক্ষতিগ্রস্থ এ বাঁধ সংস্কারের দায়িত্ব পানি উন্নয়ন বোর্ডের। কিন্তু পাউবোর এসও আলমগীর কবিরের সীমাহীন দুর্নীতি আর স্বেচ্ছাচারিতায় বাঁধটি এখনো সংস্কার করা হয়নি।

বক্তারা আরো বলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ড ক্ষতিগ্রস্থ বেঁড়িবাধটি সংস্কারের উদ্যোগ নিয়ে বাঁশ ও বালুর বস্তা ফেলা শুরু করলেও এসও আলমগীর কবিরের সেচ্ছাচারিতায় সে কাজও বন্ধ হয়ে গেছে। আমরা তার কাছে কাজ বন্ধের কারণ জানতে চাইলে তিনি আমাদেরকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর হুমকি দেন। আমরা অবিলম্বে দুর্নীতিবাজ এই কর্মকর্তার শাস্তি ও বদলি দাবি করছি একই সাথে অতিদ্রুত বাঁধ সংস্কার কাজ শেষ করার জোর দাবি জানাচ্ছি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় লকডাউন বাস্তবায়নে মাঠে সেনাবাহিনী : ৪৫ হাজার ৫০ টাকা জরিমানা

আসাদুজ্জামান : কঠোর লকডাউনের বিধিনিষেধ বাস্তবায়নের সাতক্ষীরায় চতৃর্থ দিনের ন্যায় মাঠে রয়েছ আইনশৃখংলা বাহিনীর সদস্যরা। পুলিশ ও বিজিবির পাশাপাশি জেলার সাতটি উপজেলায় নামানো হয়েছে সেনাবাহিনী। এদিকে, লকডাউনের বিধি নিষেধ ভঙ্গ করায় জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে ৭৪ টি মামলায় ৪৫ হাজার ৫০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। লকডাউনে বিধিনিষেধ উপেক্ষা করে যারা বাহিরে বের হচ্ছেন তাদের আইনশৃখংলার বাহিনীর সদস্যদের জবাবদিহির মুখোমুখি হতে হচ্ছে।

আইনশৃখংলাবাহিনীর সদস্যরা মোড়ে মোড়ে চেক পোষ্ট বসিয়ে চলাচল নিয়ন্ত্রন করছেন। শহরের অধিকাংশ দোকারপাট বন্ধ রয়েছে। তবে, সড়কে জরুরি পন্যবাহী পরিবহন চলাচল করছে যথারীতি। খোলা রয়েছে জরুরি সেবা প্রতিষ্ঠান। বন্ধ রয়েছে সকল প্রকার গণপরিবহন। শহরের কাঁচাবাজার গুলোতে মানুষর কিছুটা ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।

 

সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির জানান, লকডাউন বাস্তবায়নে জেলায় সেনাবাহিনীর ১০ টি পেট্রোল টিম, তিন প্লাটুন বিজিবি ও পর্যাপ্ত সংখ্যক পুলিশ ও আনসার ব্যাটেলিয়ন সদস্য মাঠে রয়েছে। একজন করে নির্বাহি ম্যাজিস্ট্রের নেতৃত্বে ২২টি ভ্রাম্যমান আদালত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। তিনি আরো জানান, জেলাবাসীকে সরকার ঘোষিত বিধিনিষেধ বাস্তবায়নে ঘর থেকে বাইরে না বের হওয়ার জন্য অনুরোধ জানানো হচ্ছে। অকারণে বের হলেই তাকে শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় আরও ৫ জনের মৃত্যু, সংক্রমণের হার কমে ১২.৮ শতাংশ

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরায় করোনার সংক্রমণ বেড়েই চলছে। প্রতিদিন করোনা শনাক্ত হয়ে অথবা উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে। এখন পর্যন্ত একদিনে সর্বাধিক ১৪ জন এবং প্রায় প্রতিদিনই সাত থেকে আট জন রোগীর মৃত্যু হচ্ছে। এর মধ্যে আজ রোববার সকাল পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় করোনায় ও উপসর্গ নিয়ে পাঁচ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে একজনের করোনা শনাক্ত করা হয়েছিল এবং বাকি চার জন করোনার উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন।

সাতক্ষীরার স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, জেলায় রোববার সকাল পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় ১৬৪ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ২১ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। শনাক্তের হার ১২ দশমিক ৮০ শতাংশ। এক সপ্তাহেরও বেশি সময়ের মধ্যে একদিনে এটিই সর্বনিম্ন শনাক্তের হার। এর আগের নয় দিনে শনাক্তের হার ছিল যথাক্রমে ১৭ দশমিক ৬৯ শতাংশ, ৩০ দশমিক ৮৬ শতাংশ, ২৭ দশমিক ৫০ শতাংশ, ২৮ দশমিক ২ শতাংশ, ৩২ দশমিক ৭২ শতাংশ, ২৭ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ, ৩০ দশমিক ৩৭ শতাংশ, ৩৮ দশমিক ৫১ শতাংশ ও ৪৯ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ। ১০ দিনের এই হিসেবে শনাক্তের গড় হার দাঁড়ায় ২৯ দশমিক ৪৭ শতাংশ।

স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে আরও জানা গেছে, আজ রোববার সকাল পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় এক জন করোনা পজিটিভ হয়ে এবং চার জন উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন।

এদিকে, সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় ২১ জন এবং বেসরকারি মেডিকেলে আরও ১৬ জন রোগী ভর্তি হয়েছে। এ নিয়ে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে করোনার উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছে মোট ৪০৩ জন।

স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে আরও জানা গেছে, সাতক্ষীরায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে গত এক বছরে ৭৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া করোনার উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ৩৬৩ জন। বর্তমানে জেলাব্যাপী ৮৮০ জন করোনা রোগী হাসপাতালসহ কোয়ারেন্টিনে চিকিৎসাধীন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

খুলনা ডেস্ক : গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে সব রেকর্ড ভেঙে খুলনা বিভাগে সর্বোচ্চ ৪৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে নতুন করে ১ হাজার ৩০৪ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। শনাক্তের সংখ্যা ৬০ হাজার ছাড়িয়েছে। এর আগে বৃহস্পতিবার (১ জুলাই) খুলনা বিভাগে সর্বোচ্চ ৩৯ জনের মৃত্যু হয়েছিল।

রোববার (০৪ জুলাই) বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিচালক রাশেদা সুলতানা এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের দফতর সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় বিভাগের মধ্যে খুলনায় ১৫ জন, কুষ্টিয়ায় ১৫ জন, যশোরে সাতজন, ঝিনাইদহ, মাগুরা ও চুয়াডাঙ্গায় দুজন করে এবং বাগেরহাট, সাতক্ষীরা ও মেহেরপুরে একজন করে মারা গেছেন।

খুলনা বিভাগের মধ্যে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয় চুয়াডাঙ্গায় গত বছরের ১৯ মার্চ। করোনা সংক্রমণের শুরু থেকে রোববার সকাল পর্যন্ত বিভাগের ১০ জেলায় মোট শনাক্ত হয়েছে ৬০ হাজার ৫৬৪ জন। আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ১ হাজার ২১৪ জন। এ সময় সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৪০ হাজার ২১৮ জন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে নরেন্দ্র মোদিকে ৬৫ মণ আম উপহার

বেনাপোল প্রতিনিধি : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে উপহার হিসেবে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ৬৫ মণ আম পাঠানো হয়েছে। বেনাপোল বন্দর দিয়ে রোববার দুপুরে বাংলাদেশি ট্রাকে করে উপহারের এ আম পাঠানো হয়।

ভারত-বাংলাদেশ নোম্যানস ল্যান্ড এলাকায় আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতীয় কর্তৃপক্ষের কাছে আমগুলো হস্তান্তর করা হয়। কাস্টমস ও বন্দরের সব আনুষ্ঠানিকতা শেষে ২৬০টি কার্টনে করে আমের এই চালান পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

কাস্টমসের ডেপুটি কমিশনার অনুপম চাকমা জানান, হস্তান্তর অনুষ্ঠানে ভারতে নিযুক্ত কলকাতাস্থ প্রথম সচিব (রাজনৈতিক) মো. সানিউল কাদের, বেনাপোল পৌরসভার মেয়র আশরাফুল আলম লিটন, শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মীর আলিফ রেজা, কাস্টমসের ডেপুটি কমিশনার অনুপম চাকমা, সহকারী পুলিশ সুপার জুয়েল ইমরান, বন্দরের উপপরিচালক আবদুল জলিলসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কাশিমাড়ীতে ইট ভর্তি ট্রলির ধাক্কায় গৃহবধুর মৃত্যু

শ্যামনগর প্রতিনিধি :
শ্যামনগরের কাশিমাড়ীতে ইট ভর্তি ট্রলির ধাক্কায় এক গৃহবধুর মৃত্যু হয়েছে।

 

নিহত গৃহবধু কাশিমাড়ী দিঘিরপাড় এলাকার সবুর গাজীর স্ত্রী আনোয়ারা খাতুন উরফে নানু বিবি(৫০)।
রোববার সকাল ১১ টায় কাশিমাড়ী দিঘির উত্তরপাশে এ ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, ইট ভর্তি একটি ট্রলি দিঘির পাড়ে উঠার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে ট্রলিটি পিছনে নেমে আসার সময় গৃহবধুকে ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

এঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
কাশিমাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রউফ তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় পুকুরে ডুবে মুদি ব্যবসায়ির মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিনিধি : ওজু করতে যেয়ে পুকুরের পানিতে ডুবে এক মুদি ব্যবসায়ির মৃত্যু হয়েছে। রোববার ভোরে সাতক্ষীরা শহরের রসুলপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনের পুকুর থেকে স্থানীয়রা তার লাশ উদ্ধার করে।

মৃতের নাম তৌছিফ আলম খান মঞ্জু (৩২)। তিনি সাতক্ষীরা শহরের রসুলপুরের তৌফিক আলম রঞ্জুর ছেলে।

তৌফিক আলম রঞ্জু জানান, তার একমাত্র ছেলে মঞ্জু এক বছর যাবৎ বাড়ির পাশে মুদিখানার দোকান পরিচালনা করে আসছে। তার মৃগি রোগ ছিল। প্রতিদিনের ন্যয় পার্শ্ববর্তী আহলে হাদিস মসজিদে এশারের নামাজ পড়ার জন্য শনিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে রসুলপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে ঠাণ্ডু খানের পুকুরে ওজু করতে যায়। দীর্ঘ সময় পেরিয়ে যাওয়ার পর বাড়ি না আসায় সম্ভাব্য সকল জায়গায় তার সন্ধ্যান চালানো হয়। রোববার ভোরে ওই পুকুরে তার লাশ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা উদ্ধার করে পুলিশে খবর দেয়। মৃগি রোগের কারণে সঞ্জু পুকুরে পড়ে যেয়ে আর উঠতে পারেনি বলে আশঙ্কা করছেন তিনি।

সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দেলোয়ার হুসেন জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।#

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest