সর্বশেষ সংবাদ-
এবিপার্টি সাতক্ষীরা সদর উপজেলার আহবায়ক কমিটির অনুমোদনসাতক্ষীরায় শিশু ধর্ষণ ও যৌন সহিংসতার প্রতিবাদে মানববন্ধনএডিসি রিপন বিশ্বাসের অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি দেওয়ার সিদ্ধান্ত সাতক্ষীরা আইনজীবী ফোরামেরপ্রেরণার নির্বাহী পরিচালক শম্পার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলাসাতক্ষীরায় যৌতুকের বলি মা-মেয়ে : হত্যার দায়ে আসামির মৃত্যুদণ্ডসাতক্ষীরায় নগর দিবস উপলক্ষে মানববন্ধন: বস্তিবাসীকে পরিকল্পিত আবাসনের আওতায় আনার দাবিসাতক্ষীরায় হেভী ইকুইপমেন্ট অপারেটর শ্রমিক ইউনিয়নের মতবিনিময় সভাস্বাস্থ্যকর্মকর্তা  ও আব্বাসী কর্তৃক সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে আপত্তিকর মন্তব্য : নেত্রকোনায় সাংবাদিককে গুলি করে হত্যার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানবন্ধনপ্রতাপনগরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মাদ্রাসার আরবি প্রভাষক রহমাতুল্লাহর মৃত্যুসাতক্ষীরায় প্রকৃতি ও জীবন ক্লাবের সাধারণ সভা: সভাপতি মুনির- সম্পাদক সামাদ

‘সালাম সালাম হাজার সালাম’র গীতিকবি ফজল-এ-খোদা আর নেই

অনলাইন ডেস্ক : ‘সালাম সালাম হাজার সালাম’সহ অসংখ্য জনপ্রিয় গানের গীতিকার, কবি ফজল-এ-খোদা (৮০) করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

রোববার ভোর ৪টায় রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে ফজল-এ-খোদা মৃত্যুবরণ করেন বলে জানিয়েছেন তাঁর ছেলে সজীব ওনাসিস।

সজীব ওনাসিস জানিয়েছেন, রায়েরবাজার কবরস্থানে দাফন করা হবে ফজল-এ-খোদাকে। তিনি দীর্ঘদিন কিডনি জটিলতা ও ডায়াবেটিসে ভুগছিলেন। শেষে করোনায় আক্রান্ত হন।

তাঁর লেখা জনপ্রিয় গানের তালিকায় রয়েছে, ‘যে দেশেতে শাপলা শালুক ঝিলের জলে ভাসে’, ‘ভালোবাসার মূল্য কত আমি কিছু জানি না’, ‘কলসি কাঁধে ঘাটে যায় কোন রূপসী’, বাসন্তী রং শাড়ি পড়ে কোন রমণী চলে যায়’, ‘আমি প্রদীপের মতো রাত জেগে জেগে’, ‘প্রেমের এক নাম জীবন’, ‘ভাবনা আমার আহত পাখির মতো’র মতো অসংখ্য গান।

কবি হিসেবেও ফজল-এ-খোদার খ্যাতি ছিল, ছিলেন বাংলাদেশ বেতারের পরিচালকও।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রোমাঞ্চকর টাইব্রেকারে উরুগুয়ের বিদায়, সেমিতে কলম্বিয়া

খেলার খবর : কোপা আমেরিকার প্রতিটি ম্যাচই এখন মহাযুদ্ধ। কেউ কাউকে ছেড়ে কথা বলছে না। এমনটা দেখা গেল উরুগুয়ে ও কলাম্বিয়ার ম্যাচে।

লড়াই হলো সেয়ানে-সেয়ানে। বল দখলের লড়াইয়ে সমানে-সমান। আক্রমণেও প্রায় তাই। ফলে ম্যাচ গড়াল গিয়ে রোমাঞ্চকর টাইব্রেকারে। আর টাইব্রেকার ভাগ্যের পাল্লা ভারী হলো কলাম্বিয়ার দিকে।

ব্রাসিলিয়ার মানে গারিঞ্চা স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় রোববার ভোরে শেষ চারে ওঠার লড়াইয়ে মুখোমুখি হয়েছে কলাম্বিয়া ও উরুগুয়ে। যেখানে টাইব্রেকারে উরুগুয়েকে ৪-২ গোলে হারিয়ে সেমিফাইনালের তৃতীয় টিকিট জিতে নিয়েছে কলম্বিয়া।

টাইব্রেকারে মহানায়কে পরিণত কলম্বিয়ার গোলরক্ষক ডেভিড ওসপিনা। উরুগুয়ের দুইটি শট রুখে দিয়েছেন তিনি। অন্যদিকে কলম্বিয়ার চারটি শটের একটিও থামাতে পারেননি উরুগুয়ের গোলরক্ষক।

প্রথমে শট নিয়ে স্কোরে নাম লেখান কলম্বিয়ার ডুভান জাপাতা। বিপরীতে নিজেদের প্রথম শটে গোল করেন উরুগুয়ের তারকা ফরোয়ার্ড এডিনসন কাভানিও। দ্বিতীয় শটেও জালে বল জড়ান কলম্বিয়ার ডেভিনসন সানচেজ। কিন্তু উরুগুয়ের হোসে মারিয়া গিমিনেজের শট ডান পা দিয়ে ঠেকিয়ে দেন ওসপিনা। ২-১ এ এগিয়ে যায় কলম্বিয়া।

তৃতীয় শটে জালের ঠিকানা খুঁজে নেন কলম্বিয়ার ইয়েরি মিনা। উরুগুয়ের পক্ষে সফল হন লুইস সুয়ারেজ। স্কোর হয় ৩-২। কলম্বিয়ার হয়ে টানা চতুর্থ শটে গোল করেন মিগুয়েল বোরহা। এরপর মাতিয়াস ভিনার শট ঠেকিয়ে দেন ওসপিনা। স্কোর হয় ৪-২। ফলে পঞ্চম শটের প্রয়োজন পড়েনি। কলম্বিয়ার সেমির টিকিট নিশ্চিত করে উল্লাসে ভাসেন ডেভিড ওসপিনা।

ম্যাচে নির্ধারিত ৯০ মিনিটে গোলের উদ্দেশ্যে ৭টি শট নেয় উরুগুয়ে। যার তিনটি ছিল লক্ষ্য বরাবর। কিন্তু একটিতেও মেলেনি গোল। অন্যদিকে ৯টি শট নিয়েছে কলম্বিয়া। এরমধ্যে তিনটি চিল লক্ষ্য বরাবর। কিন্তু গোলমুখ খুলতে পারেননি তারা।

১২তম মিনিটে চমৎকার হেড দিয়েছিলেন ক্রসবারের উইরিয়াম তেসিয়োর, যা গোলবারের একটু ওপর দিয়ে যায়। ৩৩তম মিনিটে ডি-বক্সের মধ্যে থেকে শট নেন উরুগুয়ের মিডফিল্ডার আরাসকায়েতা। সেটাও লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়।

৬০তম মিনিটে ভালো পজিশনে বল পেয়ে প্রতিপক্ষের পায়ে মেরে হতাশ করেন লুইস সুয়ারেস। ৭৩তম মিনিটে কলম্বিয়ার স্ট্রাইকার দুভান জাপাতার জোরালো হেড কোনোমতে পা দিয়ে ঠেকান ফের্নান্দো মুসলেরা।

এভাবেই একের পর এক আক্রমণ ব্যর্থ হয়ে গোলশূন্য অবস্থায় শেষ হয় ৯০ মিনিটের খেলা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মেসি ম্যাজিকে ইকুয়েডরকে হারিয়ে সেমিতে আর্জেন্টিনা

খেলার খবর : আর্জেন্টিনাকে আটকাতে শরীরনির্ভর ফুটবলের কৌশল নিয়েছিল ইকুয়েডর। তবে আটকাতে পারেনি লিওনলে মেসিকে। গোল ও জোড়া অ্যাসিস্টে পার্থক্য গড়ে দিয়েছেন আর্জেন্টিনা অধিনায়ক। কোয়ার্টার ফাইনালে ইকুয়েডরকে ৩-০ গোলে হারিয়েছে আর্জেন্টিনা।

একটি করে গোল রদ্রিগো ডি পল, লাওতারো মার্তিনেজ ও লিওনেল মেসির। সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ কলম্বিয়া। টানা চতুর্থবারের মতো কোপার শেষ চারে ১৪ বারের শিরোপাজয়ী আর্জেন্টিনা।

ম্যাচের শুরুটা ছিল মেসির জন্য হতাশাময়। ম্যাচের বয়স তখন ২২ মিনিট। গোলরক্ষককে একা পেয়েও বল জালে জড়াতে পারেননি আর্জেন্টিনা অধিনায়ক লিওনেল মেসি। তবে প্রথমার্ধেই ভুলের মাশুল দিয়েছেন তিনি, সহায়তা করেছেন রদ্রিগো ডি পলের গোলে।

পরে ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে ৮৪ মিনিটের সময় মেসির পাস থেকেই দলের দ্বিতীয় গোলটি করেন লাউতারো মার্টিনেজ। আর শেষ বাঁশি বাজার কয়েক মিনিট আগে দর্শনীয় এক ফ্রি-কিকে ইকুয়েডরের কফিনে শেষ পেরেকটি ঠুকে দেন আর্জেন্টাইন জাদুকর।

বলিভিয়ার বিপক্ষে গ্রুপপর্বের শেষ ম্যাচ থেকে ৭টি পরিবর্তন নিয়ে এ ম্যাচের একাদশ সাজিয়েছেন আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্কালোনি। গোলবারের নিচে ফিরেছেন প্রথম পছন্দের গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজ। আক্রমণে মেসির দুইপাশে ফেরানো হয়েছে লাউতারো মার্টিনেজ এবং নিকোলাস গনজালেজকে।

অবশ্য প্রথমার্ধে তেমন কোনো পরীক্ষাই দিতে হয়নি আর্জেন্টাইন গোলরক্ষককে। কেননা পুরো ৪৫ মিনিটে একটি শটও লক্ষ্য বরাবর করতে পারেনি ইকুয়েডর। অন্যদিকে ঠিক বিপরীত চিত্র ইকুয়েডের গোলরক্ষক হার্নান গালিন্দেজের। আর্জেন্টিনার অন্তত ৪টি প্রচেষ্টা ফিরিয়ে দিলেও, ৪০ মিনিটের সময় আর পারেননি আটকে রাখতে।

ম্যাচের দ্বিতীয় মিনিটে প্রথমবার আর্জেন্টিনাকে হতাশ করেন গালিন্দেজ। ইকুয়েডরের ডি-বক্সের ডান দিক দিয়ে লাউতারো মার্টিনেজকে দারুণ এক পাস এগিয়ে দিয়েছিলেন মিডফিল্ডার লেয়ান্দ্র পারেদেস। কাছের পোস্ট দিয়ে শট নেন লাউতারো। কিন্তু সেটি ফিরিয়ে দেন ইকুয়েডর গোলরক্ষক।

সেই যে ২ মিনিট থেকে শুরু, একের পর এক আর্জেন্টাইন আক্রমণ সইতে হয়েছে ইকুয়েডরের রক্ষণভাগকে। ম্যাচের ১৪ মিনিটের মাথায় জার্মান পেজ্জেল্লার পাস থেকে পাওয়া বলে ইকুয়েডরের রক্ষণ ভাঙেন লাউতারো, গোলরক্ষককে পরাস্ত করে শট নেন গোলের উদ্দেশ্যে। কিন্তু সেটি হেড দিয়ে ক্লিয়ার করেন ডিফেন্ডার রবার্ট আরবোলেদা।

দুই মিনিট পর আরবোলেদাকে পরাস্ত করেন মেসি। কিন্তু তার শট ব্লক করেন আরেক ডিফেন্ডার পারভিস এস্তুপিনান। ফিরতি বলে শট নিয়েছিলেন লাউতারো। তবে সেটি পিয়েরো হিনকাপির গায়ে লেগে চলে যায় কর্নারে।

মেসির নেয়া সেই কর্নার থেকে বুক দিয়ে বল নামিয়ে ফাঁকায় থাকা গনজালেজকে দিয়েছিলেন পেজ্জেল্লা। কিন্তু এ তরুণ ফরোয়ার্ড বল মেরে বসেন সাইড নেটে। ফলে গোল পাওয়া হয়নি আর্জেন্টিনার। এ মিনিটখানেক পর গনজালেজকে ফাউল করে ম্যাচের প্রথম হলুদ কার্ড দেখেন অ্যাঞ্জেলো প্রেসিয়াদো।

শুরু থেকেই দুর্দান্ত খেলতে থাকা মেসির সামনে সহজতম সুযোগটি আসে ম্যাচের ২২ মিনিটে গিয়ে। ইকুয়েডরের কার্লোস গ্রুয়েজো ব্যাক পাস দিয়েছিলেন গোলরক্ষককে, মাঝপথে সেটি পেয়ে যান মেসি। শুধুমাত্র গোলরক্ষককে পরাস্ত করতে পারলেই মিলতো গোল। কিন্তু সবাইকে হতাশ করে ডানপাশের বারে মারেন মেসি।

এই গোল মিসের হতাশা নিয়েই প্রথমার্ধ শেষ করার পথে ছিল আর্জেন্টিনা। তবে বিরতির বাঁশি বাজার আগে মেসিই এনে দেন উদযাপনের উপলক্ষ্য। ইকুয়েডর রক্ষণকে পরাস্ত করে প্রথমে লাউতারোর উদ্দেশ্যে দুর্দান্ত এক পাস দিয়েছিলেন মেসি। কিন্তু ডি-বক্স থেকে বেরিয়ে সেই বলটি ক্লিয়ার করেন ইকুয়েডর গোলরক্ষক।

তবে ফিরতি বল পেয়ে যান মেসি। এবার ডি-বক্সের বাম পাশ থেকে নিচু ক্রস এগিয়ে দেন ফাঁকায় দাঁড়ানো রদ্রিগো ডি পলের উদ্দেশ্যে। গোল লাইনে দাঁড়ানো দুই ডিফেন্ডারকে পরাস্ত করে ম্যাচের প্রথম সাফল্য নিজের নামে করে নেন ডি পল। যা তার প্রথম আন্তর্জাতিক গোল।

বিরতিতে যাওয়ার আগে আরও একটি সহজ সুযোগ এসেছিল আর্জেন্টিনার সামনে। ম্যাচের ৪৫ মিনিটের মাথায় মেসির ফ্রি-কিক থেকে হেড করেন নিকোলাস গনজালেজ। সেটি ঠেকিয়ে দেন গালিন্দেজ। তবে ফিরতি বলে আরও সহজ সুযোগ পান গনজালেজ। কিন্তু এবারও ব্যর্থ হন গোলে পরিণত করতে।

দ্বিতীয়ার্ধে ফিরে নিজেদের খানিকটা গুছিয়ে নেয় ইকুয়েডর, মনোযোগ দেয় বল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখার দিকে। প্রথমার্ধে তারা লক্ষ্য বরাবর কোনো শট নিতে না পারলেও, দ্বিতীয়ার্ধে দুইটি শট করে আর্জেন্টিনার জাল বরাবর। কিন্তু একবারও পারেনি কাঙ্ক্ষিত সাফল্য পেতে।

অন্যদিকে আক্রমণের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখে আর্জেন্টিনা। কিন্তু নিকোলাস গনজালেজের আরও একবার ব্যর্থতার কারণে ম্যাচের ৫০ মিনিটের সময় দ্বিতীয় গোল পাওয়া হয়নি আর্জেন্টিনার। অবশ্য সুযোগ পেয়েছিলেন লাউতারো-মেসিরাও। তারাও কাজে লাগাতে পারেননি।

শেষ পর্যন্ত ম্যাচের ৮৪ মিনিটে গিয়ে ফুরোয় অপেক্ষা। ইকুয়েডরের রক্ষণভাগে দারুণ নৈপুণ্যে প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডারের কাছ থেকে বল কেড়ে নেন বদলি হিসেবে নামা অ্যাঞ্জেল ডি মারিয়া। তিনি বল এগিয়ে দেন মেসির উদ্দেশ্যে। সময় নষ্ট না করে ডি-বক্সে অপেক্ষায় থাকা লাউতারোকে পাস দেন মেসি। জোরালো শটে জাল কাঁপান লাউতারো।

এরপর নির্ধারিত ৯০ মিনিট শেষ হওয়ার ঠিক আগে ডি মারিয়াকে ফাউল করেন হিনকাপি। সঙ্গে সঙ্গে পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। তবে ভিডিও এসিস্ট্যান্ট রেফারির সহায়তা নিয়ে জানা যায় ফাউলটি ছিল ডি-বক্সের ঠিক বাইরে। তাই পেনাল্টির সিদ্ধান্ত বদলে দেয়া হয় ফ্রি-কিক এবং হলুদের বদলে লাল কার্ড দেখেন হিনকাপি।

ডি-বক্সের ঠিক দাগের ওপর থেকে নেয়া বাঁকানো ফ্রি-কিকে ইকুয়েডরের গোলরক্ষককে কোনো সুযোগই দেননি মেসি। স্কোরলাইন হয়ে যায় ৩-০, নিশ্চিত হয় আর্জেন্টিনার জয়।

চলতি কোপা আমেরিকায় মেসির এটি চতুর্থ গোল। পাশাপাশি তিনি করেছেন চারটি এসিস্টও। দেশের হয়ে প্রথম আন্তর্জাতিক শিরোপা জয়ের মিশনে দুর্বার গতিতেই ছুটছেন বিশ্বের অন্যতম সেরা এ ফুটবলার। এখন সেরা চারের লড়াইয়ে তাদের সামনে কলম্বিয়া বাধা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আমির-কিরণের বিচ্ছেদের নেপথ্যে সানা শেখ!

অনলাইন ডেস্ক : ১৫ বছর দীর্ঘ দাম্পত্য জীবনের ইতি টানছেন বলিউডের অন্যতম ‘পারফেক্ট কপল’ আমির খান ও কিরণ রাও। শনিবার সকালে এমনটাই জানা যায় ভারতের স্থানীয় গণমাধ্যমগুলোর খবরে। সকালে যৌথ বিবৃতি দিয়ে ডিভোর্সের ঘোষণা করে আমির-কিরণ জানান, বেশ কিছুদিন আগেই বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছিলেন তাঁরা, সঠিক সময়ে এই খবর ঘোষণা করলেন। বিচ্ছেদের কারণ হিসেবে স্পষ্টভাবে কিছু না জানালেও তাঁরা বলেছেন- ‘আমরা আমাদের জীবনের একটা নতুন অধ্যায় শুরু করতে চলেছি- সেখানে আমরা স্বামী, স্ত্রী নই। তবে আমরা বাবা-মা থাকব এবং অবশ্যই একে অপরের পরিবার থাকব’।

আমির-কিরণের বিচ্ছেদের ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই টুইটার ট্রেন্ডিংয়ে ফাতিমা সানা শেখ! কী কারণে ট্রেন্ড করছেন আমিরের দঙ্গল গার্ল? জীবনের এই নতুন অধ্যায়ে কি নতুন সঙ্গী বেছে নিয়েছেন আমির? আর সেই সঙ্গীর নাম কি ফাতিমা সানা শেখ? নেটিজেনদের একটা বড়ো অংশের দাবি ফাতিমার প্রেমে পড়েই নাকি কিরণের সঙ্গে নিজের সংসার ভাঙার সিদ্ধান্ত নিলেন আমির খান।

দুজনের প্রেমের জল্পনা নতুন নয়। আজ ফের নেটমাধ্যমে চর্চায় সেই গুঞ্জন। দঙ্গল ছবিতে আমিরের মেয়ের চরিত্রে অভিনয় করেছেন ফাতিমা। এরপর ‘ঠগস অব হিন্দুস্তান’ ছবিতে একসঙ্গে কাজ করে এই জুটি। সেইসময় থেকেই দুজনের ঘনিষ্ঠতা নিয়ে ফিসফিসানি শুরু হয়েছিল। ফাতিমার প্রতি আমিরের দুর্বলতাই নাকি কিরণ-আমিরের সম্পর্কের মাঝে ফাটল ধরিয়েছে, দাবি নেটিজেনদের।

অনেকেই আমিরের বিয়ে ভাঙার ট্রেন্ডের প্রসঙ্গ টেনেও অভিনেতাকে একহাত নিচ্ছেন। তাঁদের দাবি, কিরণের প্রেমে পড়েই রিনা দত্তকে ডিভোর্স দিয়েছিলেন আমির, সেই ফর্মুলা মেনেই এবার ফাতিমার প্রেমে পড়ে কিরণের সঙ্গে দাম্পত্য সম্পর্কে ইতি টানলেন। তবে ফাতিমার সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে আমির কোনোদিনই মুখ খোলেননি। কিন্তু এক সাক্ষাত্কারে ফাতিমা বলেছিলেন, ‘আমির স্যারকে আমার ভালো লাগে। কিন্তু আমাদের মধ্যে কোনো প্রেমের সম্পর্ক নেই। বরং তাঁকে আমি মেন্টর মনে করি’।

২০০৫ সালের ২৮ ডিসেম্বর বিবাহ বন্ধনে বাঁধা পড়েছিলেন আমির-কিরণ। বিয়ের ছয় বছর পর জন্ম হয় এই জুটির একমাত্র সন্তান আজাদ রাও খানের। কিরণের আগে রিনা দত্তের সঙ্গে সংসার করেছেন আমির। প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে তাঁর দুই সন্তান- ইরা খান ও জুনেইদ খান। সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

দেশের খবর : প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরো ১৩৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ পর্যন্ত করোনায় দেশে মোট মৃত্যু হয়েছে ১৪ হাজার ৯১২ জনের। এর আগে, গত ২৭ জুন ১১৯ জনের মৃত্যু হয়েছিল। ৩০ জুন মারা যান ১১৫ জন। ১ জুলাই সর্বোচ্চ ১৪৩ জনের মৃত্যু হয়। এরপর ২ জুলাই ১৩২ জন মারা যান।

শনিবার (৩ জুলাই) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য মতে, ২৪ ঘণ্টায় গত নতুন করে করোনা আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন ৬ হাজার ২১৪ জন। এ নিয়ে মোট শনাক্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৯ লাখ ৩৬ হাজার ২৫৬ জনে। এ সময়ে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ২২ হাজার ৭০৩ জনের। পরীক্ষা করা হয়েছে ২২ হাজার ৬৮৭টি। নমুনা পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার ২৭ দশমিক ৩৯ শতাংশ। দেশে এ পর্যন্ত মোট নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৬৬ লাখ ৯৩ হাজার ৬৮১টি। মোট পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৯৯ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ১৩৪ জনের মধ্যে ৩৯ জনই খুলনার। এছাড়া ঢাকায় ৩৮, চট্টগ্রামে ১১, রাজশাহীতে ২৩, বরিশালে ৩, সিলেটে ১, রংপুরে ১৫ এবং ময়মনসিংহে ৪ জন মারা গেছেন। মারা যাওয়াদের মধ্যে ৮৪ জন পুরুষ এবং ৫০ জন নারী। এদের মধ্যে ৭ জন বাসায় মারা গেছেন। বাকিরা হাসপাতালে মারা গেছেন। এ পর্যন্ত ভাইরাসটিতে মোট মারা যাওয়া ১৪ হাজার ৯১২ জনের মধ্যে পুরুষ ১০ হাজার ৫৮০ জন এবং নারী ৪ হাজার ৩৩২ জন।

বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়াদের মধ্যে ৬৫ জনের বয়স ৬০ বছরের বেশি। এছাড়া ৫১ থেকে ৬০ বছরের ৩০, ৪১ থেকে ৫০ বছরের ২৪, ৩১ থেকে ৪০ বছরের ১০, ২১ থেকে ৩০ বছরের ৪ এবং ১১ থেকে ২০ বছরের ১ জন রয়েছেন।

২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে করোনা ভাইরাসের প্রথম রোগী শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ করোনায় আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়। এরপর ধীরে ধীরে আক্রান্তের হার বাড়তে থাকে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
চেক রিপাবলিককে হারিয়ে সেমিতে ডেনমার্ক

খেলার খবর : ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপের নকআউটে এক একটা ম্যাচ উত্তেজনার একেক রং ছড়াচ্ছে। বাকু অলিম্পিক স্টেডিয়ামে চেক রিপাবলিক আর ডেনমার্কের লড়াইয়েও তার ব্যত্যয় হলো না।

হাড্ডাহাড্ডি এক ম্যাচ উপভোগ করলেন ফুটবলপ্রেমীরা। যে ম্যাচে দুর্দান্ত লড়াইয়ের পর শেষ হাসি হাসল ডেনমার্ক। চেক রিপাবলিককে ২-১ গোলে হারিয়ে ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপের সেমিফাইনালে নাম লিখিয়েছে ড্যানিশরা।

প্রথমার্ধেই আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে জমে উঠে ম্যাচ। যদিও ডেনমার্কের আক্রমণগুলো ছিল বেশি গোছানো। ফল পেতে সময় লাগেনি একদম।

৫ মিনিটের মাথায় ডানদিক থেকে নেয়া স্ট্রাইগার লারসেনের কর্নার থেকে বল বক্সের মাঝ বরাবর পেয়ে নিচু হেডে ডেনমার্ককে এগিয়ে দেন থমাস ডেলানি (১-০)।

১৭ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোলটি পেতে পারতেন ডেলানি। কিন্তু ডানদিক থেকে লারসেনের ক্রস বাইরে দিয়ে মেরে দেন ড্যানিশ মিডফিল্ডার।

২২ মিনিটে নিজেদের বিপদ ডাকতে যাচ্ছিলেন ডেনমার্ক গোলরক্ষক কেসপার স্মাইকেল। তার পাস সরাসরি চলে গিয়েছিল প্রতিপক্ষের মেসোপাস্টের কাছে। মেসোপাস্ট দূরের পোস্টে বল দেন হলসকে। হলসের একদম কাছে থেকে নেয়া শট এবার অবশ্য দারুণভাবে বাঁচিয়ে দেন স্মাইকেলই।

৪২ মিনিটে বাঁ দিক থেকে জোয়াকিম মাহলের উঁচু পাস বক্সের মধ্যে মার্টিন বে্রথওয়েট মাথা লাগাতে না পারলেও তার ডানপাশে ডলবার্গ পা ধরে দিয়ে ঠিকই জালে জড়িয়ে দেন (২-০)।

দুই মিনিটের মাথায় আরেকটি আক্রমণ ডেনমার্কের। ডানদিকে ডেলানির একা নিয়ে যাওয়া বল থেকে জোরালো শট কোনোমতে আটকে দেন চেক গোলরক্ষক টমাস ভাচলিক।

চেক রিপাবলিক বেশ কয়েকটি কর্নার পেয়েছে। সুযোগও তৈরি করেছিল। কিন্তু ডেনমার্কের রক্ষণ সে সব সামলে নেয়। ২-০ গোলে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় ড্যানিশরা।

দ্বিতীয়ার্ধে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ায় চেক রিপাবলিক। একের পর এক আক্রমণ শানাতে থাকে তারা। গোলও পেয়ে যায় চার মিনিটের মাথায়।
ভ্লাদিমির সৌফলের ক্রস ধরে ডান পায়ের অসাধারণ ভলিতে ব্যবধান ২-১ করেন প্যাট্রিক শিক।

আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণ চলেছে এরপরও। যার মধ্যে চেক রিপাবলিকই অনেকটা এগিয়ে ছিল। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। দ্বিতীয়ার্ধে দারুণ খেলে লড়াইয়ে ফিরলেও হার বাঁচাতে না পারায় বিদায় নিতেই হলো তাদের।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় করোনায় আরও পাঁচজনের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে করোনা উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও পাঁচজন রোগী মারা গেছেন। এর আগের দিন উপসর্গ নিয়ে মৃতের সংখ্যা ছিল চার। এদের নিয়ে করোনা উপসর্গে বছরব্যাপী ৩৫৯ জন এবং করোনায় আক্রান্ত হয়ে ৭৪ জনের প্রাণহানি ঘটেছে।

এদিকে, শনিবার সকালে শেষ হওয়া ২৪ ঘণ্টায় ১৬৪ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ২৯ জনের করোনা পজিটিভ পাওয়া গেছে। শতাংশের হিসাবে তা ১৭ দশমিক ৬৯।

এর আগের আট দিনে শতাংশের হার ছিল ৪৯ দশমিক ০৫ শতাংশ, ৩০ দশমিক ৮৬ শতাংশ, ২৭ দশমিক ৫০ শতাংশ, ২৮ দশমিক ২ শতাংশ, ৩২ দশমিক ৭২ শতাংশ, ২৭ দশমিক ০৪ শতাংশ, ৩০ দশমিক ৩৭ শতাংশ, ৩৮ দশমিক ৫১ শতাংশ।

অপরদিকে, সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ ও বেসরকারি হাসপাতালে করোনা পজিটিভ ও উপসর্গ নিয়ে মোট ৪৬৪ জন চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক ও পারিবারিক কোয়ারেন্টিনে চিকিৎসা নিচ্ছেন আরও সাত শতাধিক রোগী।

এদিকে, বিশেষ লকডাউনের তৃতীয় দিন আজ। শনিবার সাতক্ষীরা শহরে সেনা সদস্য, বিজিবি ও পুলিশ যৌথ টহলে ছিল। জেলার অন্য উপজেলা সদরেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মাঠে থেকে জনগণকে স্বাস্থ্যবিধি মানতে বাধ্য করছে। শহরজুড়ে বহু প্ল্যাকার্ড এবং ব্যারিকেড দিয়ে যানবাহন ও জন চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে।

অপরদিকে, গ্রামাঞ্চলে বাড়িতে বাড়িতে ছড়িয়ে পড়েছে করোনা। একরকম বিনা চিকিৎসায় তারা মারা গেলেও সরকারি খাতায় সে হিসাব উঠছে না। এরই মধ্যে শুক্রবার রাতে তালার জালালপুরে ৩ জন এবং আশাশুনিতে আরও তিনজনসহ ছয়জনের মৃত্যু খবর পাওয়া গেছে।

সিভিল সার্জন ডা. হুসাইন শাফায়াত জানান, চিকিৎসা না নিয়ে বাড়িতে কেউ মারা গেলেও তিনি করোনা অথবা উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন নানা কারণে তা প্রচার করছেন না স্বজনরা। এর ফলে এসব হিসাব সরকারি দপ্তরে পৌঁছাচ্ছে না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
একজন সেলেব্রিটির অভিনয়ের কারণে আমি হেয় প্রতিপন্ন : নাছির মাহমুদ

বিনোদন ডেস্ক : আলোচিত চিত্রনায়িকা পরীমনির সাথে ৯ জুন ​বোট ক্লাবে ঘটে যাওয়া ঘটনা নিয়ে মুখ খুলেছেন ব্যবসায়ী নাছির ইউ মাহমুদ। বৃহস্পতিবার (১ জুলাই) জামিন লাভের পর শনিবার (৩ জুলাই) গণমাধ্যমের সাথে খোলামেলা কথা বলেছেন তিনি।

নাছির ইউ মাহমুদ বলেন, একজন সেলেব্রিটিই শুধু একজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হতে পারে না। অভিনেতারা নাকি চোখে গ্লিসারিন লাগিয়ে কাঁদতে পারে। একজন সেলেব্রিটির অভিনয়ের কারণে আজ আমি সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন হয়েছি।

তিনি বলেন, বোট ক্লাবের ঘটনার ৫ দিন পর একঘন্টার ব্যবধানে বহু ক্যামেরা নিয়ে তিনি (পরিমনি) ঘটা করে সংবাদ সম্মেলন করলেন। প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্পর্শকাতর চিঠি দিলেন। পরিমনি অভিযোগ করলেন কোনো থানায় তিনি রেসপন্স পাননি! অথচ তিনি বনানী থানায় যখন অভিযোগ করতে যান, তখন তিনি মাতাল অবস্থায় ছিলেন। যা আপনারা সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে বিভিন্ন টেলিভিশনে দেখেছেন। থানা থেকে তাকে বলা হলো আপনি সুস্থ হয়ে আগামীকাল অভিযোগ দায়ের করেন। আপনি আর গেলেন না। আপনিতো ঘটনার আশেপাশের থানা রূপনগর বা সাভার থানায়ও যেতে পারতেন। কেন যাননি? ঘটনার পাঁচদিনেও কোনো থানায় অভিযোগ কেনো জানালেন না? থানাতো বন্ধ ছিলো না। তাহলে পরিমনি কি করে বললো কোনো থানা তাকে রেসপন্স করেনি?

নাছির মাহমুদ বলেন, পরিমনি অভিযোগ করেছেন, তাকে নাকি আমি ধর্ষণের চেষ্টা করেছি! একটি মানসম্মত ক্লাবে কখনই কোনো অনৈতিক কাজের সুযোগ নেই। অভিযোগ করেছেন, আমি নাকি তাকে হত্যার চেষ্টা করেছি! আমিতো তাকে এ ঘটনার আগে চিনতামই না। পরিমনি নিজেও বলেছে সে আমাকে আগে চিনতো না। তার সাথেতো আমার পূর্বের কোনো শত্রুতাও ছিলো না। তবে তাকে কেনো আমি হত্যা করতে যাবো?

তিনি বলেন, আমি রাজনীতি করি, সামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িত। বিভিন্ন ক্লাবে জড়িত। আমি একজন ব্যবসায়ী। আমার দুঃখ একটা, সে অভিযোগ করেছে একা। অথচ, সেই সময়ে উপস্থিত ক্লাবের কর্মকর্তা ও নিরাপত্তায় নিয়োজিতরা কি বলেছে? তা সঠিকভাবে তদন্ত হচ্ছে না।

সেদিন কি হয়েছিলো জানতে চাইলে অভিযুক্ত এই ব্যবসায়ী বলেন, আমি বোট ক্লাবের ডিসিপ্লিনের দায়িত্বে ছিলাম। ৯ জুন রাত সাড়ে বারোটায় পরিমনি কয়েকজনকে নিয়ে আসে। এসে মদপান করতে থাকেন। এতেও কেউ বাঁধা দেননি। কিন্তু তিনি নিজ হাত দিয়ে র‌্যাক থেকে তিন লিটারের ব্লুলেভেল হুইস্কির নিতে গেলে ক্লাবের ষ্টাফরা বাঁধা প্রদান করেন। এতেই ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন পরিমনি। যা কোনো সভ্য মানুষের দ্বারা সম্ভব নয়। এই হুইস্কির দাম দেড় লাখ টাকা। আর এটা সদস্য ছাড়া বিক্রয়যোগ্য নয়। কর্মচারীরা এতে বাঁধা প্রদান করার পরই টেবিলে থাকা গ্লাস, প্লেট ভাংচুর করতে থাকে। ষ্টাফরা বিষয়টি আমাকে জানালে আমি পরিমনিকে এটা নিতে নিষেধ করি। সঙ্গে সঙ্গে আকস্মিক ভাবে তার সামনে থাকা প্লেট ও গ্লাস আমার দিকে উড়িয়ে মারে। প্রথমটা আমার শরীরে না লাগলেও পরেরটি আমার ঘাড়ে লাগে। তখন আমি তাদের ক্লাব থেকে বের হয়ে যেতে বলে পরিমনির সাথে আসা জিমি আমার ঘাড়ে একটি ঘুসি মেরে বসে। তখন ক্লাবের আরেক সদস্য শাহ আলম জিমিকে আটক করে। মারামারি বাঁধে জিমি ও শাহ আলমের মাঝে। তখন অন্যান্য সিকিউরিটিরা তাদের আলাদা করেন।

তিনি বলেন, পরিমনিরা যাওয়ার সময়ও দুই বোতল ওয়াইন নিয়ে যায়। পরেরদিন এটার বিল ৮৫ হাজার টাকা পরিশোধ করেন অমি। আমি চাই সত্য উম্মোচিত হোক। আইনের প্রতি আমার বিশ্বাস আছে। তারা অবশ্যই সত্য বের করবে।

পরিমনির অভিযোগ প্রসঙ্গে ব্যবসায়ী নাছির বলেন, সে বলেছে আমি এক বোতল মদ খেয়েছি, পরে এক বোতল নাছির আমাকে জোর করে খাইয়েছেন। এক বোতলে ২০ প্যাক মদ থাকে। পুরো এক বোতল খেয়ে কেউ সুস্থ থাকতে পারে না। তিনি আরো অভিযোগ করেছেন আমি নাকি তাকে কফি খাওয়ার অফার করেছিলাম। অথচ, কফিশপ বন্ধ হয়ে যায় সন্ধ্যা ৬টায়। তাছাড়া বারে কফি সার্ভ হয় না। একজন সেলেব্রিটি এমন মিথ্যাচার করতে পারেন যা সত্যিই বিস্ময়কর।

তিনি বলেন, একজন সেলেব্রিটিই শুধু একজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হতে পারে না। অভিনেতারা নাকি চোখে গ্লিসারিন লাগিয়ে কাঁদতে পারে। একজন সেলেব্রিটির অভিনয়ের কারণে আজ আমি সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন হয়েছি। আমরাওতো ফেলে দেয়ার মত নয়। সমাজে আমাদেরও অবস্থান রয়েছে। আমরা ব্যবসায়ীরা রাষ্ট্রে নিয়মিত কর দিয়ে থাকি। আমি ঢাবির একটি হলের নির্বাচিত জিএস ছিলাম। উত্তরা ক্লাবের মত একটি দাবি ক্লাবে তিনবার নির্বাচিত সভাপতি ছিলাম। ছিলাম জাতীয় ফুটবল দলের খেলোয়ার। আমাকে আটক করার পরও কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান আমার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ করেননি। সারাজীবন সততার সাথে চলেছি। কারো প্রতি অবিচার করিনি। কারো টাকা আত্মসাৎ করিনি। ব্যবসা করতে গিয়েও কারো সাথে কোনদিন বিরোধ সৃষ্টি হয়নি।

ক্লাবের সিসি ক্যামেরা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পৃথিবীর উন্নত দেশসহ কোনো দেশেই বারে সিসি ক্যামেরা থাকে না। কারণ, সমাজের উচ্চবিত্ত মানুষ যখন এসব ক্লাবে আসে তখন তারা চায়, এগুলো যাতে প্রকাশিত না হয়।

প্রসঙ্গত, ১৩ জুন রাতে পরিমনি তার বনানী বাসভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন, ৯ জুন রাত ১২টার পর পরিচিত জনদের নিয়ে তিনি বোট ক্লাবে যান। সেদিন চারজন মদ্যপ ব্যক্তি তাকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করে। চড়-থাপ্পড় মারে, গায়ে আঘাত করে। এক পর্যায়ে একজন তাকে নেশাদ্রব্য খাইয়ে ধর্ষণের চেষ্টাও করে।তার অভিযোগ উত্তরা বোট ক্লাবের সদস্য ও উত্তরা ক্লাবের সাবেক সভাপতি ও ব্যবসায়ী নাছির ইউ মাহমুদ তাকে হত্যার চেষ্টাও করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest