সর্বশেষ সংবাদ-
এবিপার্টি সাতক্ষীরা সদর উপজেলার আহবায়ক কমিটির অনুমোদনসাতক্ষীরায় শিশু ধর্ষণ ও যৌন সহিংসতার প্রতিবাদে মানববন্ধনএডিসি রিপন বিশ্বাসের অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি দেওয়ার সিদ্ধান্ত সাতক্ষীরা আইনজীবী ফোরামেরপ্রেরণার নির্বাহী পরিচালক শম্পার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলাসাতক্ষীরায় যৌতুকের বলি মা-মেয়ে : হত্যার দায়ে আসামির মৃত্যুদণ্ডসাতক্ষীরায় নগর দিবস উপলক্ষে মানববন্ধন: বস্তিবাসীকে পরিকল্পিত আবাসনের আওতায় আনার দাবিসাতক্ষীরায় হেভী ইকুইপমেন্ট অপারেটর শ্রমিক ইউনিয়নের মতবিনিময় সভাস্বাস্থ্যকর্মকর্তা  ও আব্বাসী কর্তৃক সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে আপত্তিকর মন্তব্য : নেত্রকোনায় সাংবাদিককে গুলি করে হত্যার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানবন্ধনপ্রতাপনগরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মাদ্রাসার আরবি প্রভাষক রহমাতুল্লাহর মৃত্যুসাতক্ষীরায় প্রকৃতি ও জীবন ক্লাবের সাধারণ সভা: সভাপতি মুনির- সম্পাদক সামাদ

বৃহস্পতিবার থেকে ফের অনলাইনে টিকা নিবন্ধন

দেশের খবর : আগামী ৮ জুলাই থেকে অনলাইনে সুরক্ষা প্ল্যাটফর্মে করোনা ভাইরাসের টিকা নিতে আগ্রহীদের জন্য ফের নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হবে।

আজ সোমবার দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এ বি এম খুরশিদ আলম সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, এর আগে ভ্যাকসিন নেওয়ার জন্য ন্যূনতম ৪০ বছর বয়স প্রয়োজন হতো। এখন ৩৫ বছরের বেশি বয়সী যে কেউ ভ্যাকসিন নেওয়ার জন্য নিবন্ধন করতে পারবেন।
এছাড়া শিক্ষার্থী ও প্রবাসীসহ অন্য যাদের ভ্যাকসিন দেওয়া হবে, তারাও নিজ নিজ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে জাতীয় পরিচয়পত্র নিবন্ধনের জন্য উন্মুক্ত করে সুরক্ষায় নিবন্ধন করতে পারবেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিধিনিষেধের মেয়াদ বাড়ল আরও ৭ দিন, প্রজ্ঞাপন জারি

অনলাইন ডেস্ক : করোনাভাইরাসের ভয়াবহ সংক্রমণ রোধে চলমান কঠোর বিধিনিষেধের (লকডাউন) মেয়াদ আরও ৭ দিন বাড়ানো হয়েছে।

বিধিনিষেধের মেয়াদ আগামী ১৪ জুলাই পর্যন্ত বাড়িয়ে সোমবার (৫ জুলাই) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে আদেশ জারি করা হয়েছে।

এতে বলা হয়, করোনাভাইরাসজনিত রোগ (কোভিড-১৯) সংক্রমণের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় আগের সব বিধিনিষেধ ও কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় ৭ জুলাই মধ্যরাত থেকে ১৪ জুলাই দিবাগত রাত ১২টা পর্যন্ত বিধিনিষেধ আরোপের সময়সীমা বর্ধিত করা হলো।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ভয়াবহ আকার ধারণ করলে সরকার গত ১ জুলাই থেকে সাতদিনের কঠোর বিধিনিষেধ জারি করে। দেয়া হয় ২১টি নির্দেশনা। বিধিনিষেধের ৫ দিন পার হতে চললেও এরমধ্যে করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি। কিন্ত সেই বিধিনিষেধের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল আগামী বুধবার (৭ জুলাই) মধ্যরাতে। এর মধ্যে বিধিনিষেধ আরও এক সপ্তাহ বাড়ানোর সুপারিশ করেছে কোভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি। এই প্রেক্ষাপটে বিধিনিষেধের মেয়াদ আরও এক সপ্তাহ বাড়ানো হলো।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের সর্বশেষ রোববারের (৪ জুলাই) তথ্য অনুযায়ী, ২৪ ঘণ্টায় এ ভাইরাস কেড়ে নিয়েছে আরও ১৫৩ জনের প্রাণ, যা একদিনে সর্বোচ্চ। এ সময়ে নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে ৮ হাজার ৬৬১ জন।

বিধিনিষেধে জরুরি সেবা দেয়া দফতর-সংস্থা ছাড়া সরকারি-বেসররকারি অফিস, যন্ত্রচালিত যানবাহন, শপিংমল, দোকানপাট বন্ধ রয়েছে। খোলা রয়েছে শিল্প-কারথানা। জনসমাবেশ হয় এমন কোন অনুষ্ঠানের আয়োজনের ওপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।

বিধিনিষেধ বাস্তবায়নে অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে মাঠে রয়েছে সেনাবাহিনী। বিধিনিষেধ ভেঙে বাইরে বের হওয়া ব্যক্তিদের প্রতিদিনই ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে শাস্তি দেয়া হচ্ছে।

বিধিনিষেধের বর্ধিত সময়েও মানতে হবে যেসব নির্দেশনা-

১. সকল সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস বন্ধ থাকবে।

২. সড়ক, রেল ও নৌপথে গণপরিবহন (অভ্যন্তরীণ বিমানসহ) ও সকল প্রকার যন্ত্রচালিত যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে।

৩. শপিংমল/মার্কেটসহ সকল দোকানপাট বন্ধ থাকবে।

৪. সকল পর্যটন কেন্দ্র, রিসোর্ট, কমিউনিটি সেন্টার ও বিনোদন কেন্দ্র বন্ধ থাকবে।

৫. জনসমাবেশ হয় এ ধরনের সামাজিক (বিবাহোত্তর অনুষ্ঠান-ওয়ালিমা, জন্মদিন, পিকনিক, পার্টি ইত্যাদি), রাজনৈতিক ও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান বন্ধ থাকবে।

৬. বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট আদালতসমূহের বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করবে।

৭. ব্যাংকিং সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করবে।

৮. আইনশৃঙ্খলা এবং জরুরি পরিষেবা, যেমন- কৃষি পণ্য ও উপকরণ (সার, বীজ, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি ইত্যাদি), খাদ্যশস্য ও খাদ্যদ্রব্য পরিবহন, ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্য সেবা, কোভিড-১৯ টিকা প্রদান, রাজস্ব আদায় সম্পর্কিত কার্যাবলি, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস/জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, টেলিফোন ও ইন্টারনেট (সরকারি-বেসরকারি), গণমাধ্যম (প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া), বেসরকারি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ডাক সেবা, ব্যাংক, ফার্মেসি ও ফার্মাসিটিক্যালসসহ অন্যান্য জরুরি অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিসসমূহের কর্মচারী ও যানবাহন প্রাতিষ্ঠানিক পরিচয়পত্র প্রদর্শন সাপেক্ষে যাতায়াত করতে পারবে।

৯. পণ্য পরিবহনে নিয়োজিত ট্রাক/লরি/কাভার্ড ভ্যান/কার্গো ভেসেল এ নিষেধাজ্ঞার আওতা বহির্ভূত থাকবে।

১০. বন্দরসমূহ (বিমান, সমুদ্র, নৌ ও স্থল) এবং তৎসংশ্লিষ্ট অফিসসমূহ এ নিষেধাজ্ঞার আওতা বহির্ভূত থাকবে।

১১. শিল্প-কারখানাসমূহ স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণপূর্বক নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় চালু থাকবে।

১২. কাঁচাবাজার এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত উন্মুক্ত স্থানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্রয়-বিক্রয় করা যাবে। সংশ্লিষ্ট বাণিজ্য সংগঠন/বাজার কর্তৃপক্ষ/স্থানীয় প্রশাসন বিষয়টি নিশ্চিত করবে।

১৩. অতি জরুরি প্রয়োজন ছাড়া (ওষুধ ও নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি ক্রয়, চিকিৎসা সেবা, মৃতদেহ দাফন/সৎকার ইত্যাদি) কোনভাবেই বাড়ির বাইরে বের হওয়া যাবে না। নির্দেশনা অমান্যকারীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

১৪. টিকা কার্ড প্রদর্শন সাপেক্ষে টিকা গ্রহণের জন্য যাতায়াত করা যাবে।

১৫. খাবারের দোকান, হোটেল-রেস্তোরাঁ সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খাবার বিক্রয় (অনলাইন/টেকওয়ে) করতে পারবে।

১৬. আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালু থাকবে এবং বিদেশগামী যাত্রীরা তাদের আন্তর্জাতিক ভ্রমণের টিকিট প্রদর্শন করে গাড়ি ব্যবহারপূর্বক যাতায়াত করতে পারবে।

১৭. স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে মসজিদে নামাজের বিষয়ে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় নির্দেশনা দেবে।

১৮. ‘আর্মি ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’ বিধানের আওতায় মাঠ পর্যায়ে কার্যকর টহল নিশ্চিত করার জন্য সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ প্রয়োজনীয় সংখ্যক সেনা মোতায়েন করবে। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট স্থানীয় সেনা কমান্ডারের সঙ্গে যোগাযোগ করে বিষয়টি নিশ্চিত করবেন।

১৯. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জেলা পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিয়ে সমন্বয় সভা করে সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ, র্যাব ও আনসার নিয়োগ ও টহলের অধিক্ষেত্র, পদ্ধতি ও সময় নির্ধারণ করবেন। সেই সঙ্গে স্থানীয়ভাবে বিশেষ কোন কার্যক্রমের প্রয়োজন হলে সেই বিষয়ে পদক্ষেপ নিবেন। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়/বিভাগসমূহ এ বিষয়ে মাঠ পর্যায়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করবে।

২০. জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় মাঠ পর্যায়ে প্রয়োজনীয় সংখ্যক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের বিষয়টি নিশ্চিত করবে।

২১. স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক তার পক্ষে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ বাহিনীকে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রয়োজনীয় ক্ষমতা প্রদান করবেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
লকডাউনে যেভাবে সময় কাটাচ্ছেন তারকারা

বিনোদন ডেস্ক : পর্দায় নিত্য-নতুন লুকে নিজেকে প্রকাশ করতে দেশের অভিনয়শিল্পীরা ফিটনেস সচেতন হয়ে উঠেছেন। বিশেষ করে সিনেমার নায়ক-নায়িকারা এখন শরীর চর্চায় বেশ মনোযোগী। এতোদিন দেশের দর্শকরা বলিউডের সু্স্মিতা সেন, কারিনা কাপুর, মালাইকা অরোরাদের জিম করার ভিডিও দেখেছেন, খবর পড়েছেন। কিন্তু এখন তারা দেশের নায়িকাদের জিমে যাওয়ার চবিও দেখছেন। তাই নিশ্চিত করেই বলা যায়, ঢালিউড নায়িকারাও এখন শরীরচর্চার বিষয়ে ভীষণ সচেতন। এ তালিকায় আছেন জয়া আহসান, নুসরাত ফারিয়া, বিদ্যা সিনহা মিম, অপু বিশ্বাস, এমনকি হালের দীঘি ও পূজা চেরি।

করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে গত বছর থেকে ধাপে ধাপে লকডাউন দিয়ে আসছে সরকার। এই পরিস্থিতিতে সিনেমার শুটিংও বন্ধ। মাঝে লকডাউন উঠে গেলেও করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে সংক্রমণ ঠেকতে ফের কঠোর লকডাউন চলছে দেশে। কাজের ব্যস্ততা না থাকায় ঢাকাই ছবির নায়িকারা জিমে যাচ্ছেন নিয়মিত। সেখানে ঘাম ঝড়ানোর ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ারও করছেন, নিচ্ছেন ভক্তদের বাহবা।

অভিনেত্রী জয়া আহসান জানান, এই সময়ে কোনো কোনো দিন ২–৩ ঘণ্টা ব্যায়াম করছেন তিনি। তবে খুব একটা হিসেবে করে না খেলেও পরিমিত খান। জয়া বলেন, ‘আমি মনে করি, আমার সৌন্দর্যের মূলমন্ত্র ব্যায়াম। লকডাউনের এই সময়ে কাজের ব্যস্ততা নেই। তাই দিনে তিন চার ঘণ্টা জিমে সময় দেই।’

ঢাকায় থাকলে জয়া অনেকের সঙ্গে মিলে দলগত হয়ে ব্যায়াম করতে পছন্দ করেন। জিমে গিয়ে যন্ত্র ও অ্যারোবিকস করেন। অ্যারোবিকস করতে বেশি পছন্দ বলে জানালেন দুই বাংলার জনপ্রিয় এই অভিনেত্রী।

নুসরাত ফারিয়া সম্প্রতি জিম করার একটি ছবি নিজের ফেসবুক পেজে শেয়ার করেছেন। ফারিয়া অবশ্য ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই বেশ ফিটনেস সচেতন। তিনি বলেন, ‘এমনিতেই প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে নাস্তা সেরেই জিমে চলে আসি। প্রতিদিন অন্তত দুই ঘণ্টা শরীর চর্চা করি। করোনায় শুটিংয়ের ব্যস্ততা না থাকায় টাইমটা আরও বেড়েছে।’

চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস নিয়মিত যে জিমে সময় দেন সেটা তার গঠন দেখেই অনুমেয়। মাস ছয়েক আগে যে অপুকে দেখা গেছে এখনকার অপুর সঙ্গে তার যেনো আকাশ-পাতাল পার্থক্য। এখনকার অপু বেশ ছিমছাম ও আকর্ষণীয়। ওজন কমিয়ে নিজেকে আরও আবেদনময়ী করে তুলেছেন। অপু বিশ্বাস বলেন, ‘নিয়মিত জিম করছি এখন। খাদ্য তালিকাও বেশ পরিমিত।’

মেদ ঝরাতে জিমে দুই ঘণ্টা করে ঘাম ঝরাচ্ছেন অভিনেত্রী বিদ্যা সিনহা সাহা মিম। শুধু তাই নয়, ভক্তদের পরামর্শও দিচ্ছেন। সম্প্রতি নিজের শরীরচর্চার কয়েকটি ছবি ফেসবুকে আপলোড করে ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘শুভ সকাল, জেগে উঠুন, ব্যায়াম করুন এবং খুশি থাকুন।’ প্রায়ই নিজের শরীরচর্চার ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করছেন মিম।

বিদ্যা সিনহা মিম বলেন, ‘জিমের টার্গেট হচ্ছে… মাঝখানে একটু মোটা হয়ে গিয়েছিলাম তো, এখন একটু ফিট থাকা মেইনলি। ফিট থাকার জন্য একটা টার্গেট করছি, একটা লিন বডি (মেদহীন) বানাব, যেটা আগে হয়নি। সকালবেলা ৫০-৬০ মিনিট কার্ডিও করি… ওয়েট ট্রেলিং করি, এভাবে প্রায় ২ ঘণ্টার মত লাগে।’

একটু ব্যতিক্রম দেখা গেলো পরীমণিকে। তিনি জিমে কম সময় দিয়ে সময় বেশি দিচ্ছেন যোগব্যায়ামে। পরী জানালেন, মানসিক প্রফুল্লতা আনতেই যোগ ব্যায়ামের প্রতি মনোযোগ দিয়েছেন তিনি। শিশুশিল্পী থেকে নায়িকা বনে যাওয়া পূজা চেরি ও দীঘিও জিমে নিয়মিত ঘাম ঝড়াচ্ছেন বলে জানালেন। দীঘি বলেন, ‘জিমে মনোযোগী হয়েছি। কাজের ব্যস্ততা না থাকায় জিমের ব্যস্ততা বাড়িয়েছি। ৮ কেজি ওজন কমানোর মিশনে নেমেছিলাম। টার্গেট পূরণ হয়েছে প্রায়।’

আর পূজা চেরি জানালেন, নিয়মিতই জিমে সময় দেন তিনি। জিম করতে তার ভালো লাগে। লকডাউনে সেটা আরও বেড়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
চলতি সপ্তাহের শেষ দিকে বাড়তে পারে বৃষ্টি

দেশের খবর : সারা দেশে আজ সোমবার এবং আগামীকাল মঙ্গলবারও বৃষ্টিপাতের প্রবণতা অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সেইসঙ্গে আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে—চলতি সপ্তাহের শেষে বাড়তে পারে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা।

আজ সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেওয়া আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ী দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারা দেশে প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে দিন ও রাতের তাপমাত্রা।

আবহাওয়ার সিনপটিক অবস্থায় বলা হয়েছে, মৌসুমি বায়ুর অক্ষের বাড়তি অংশ উত্তরপ্রদেশ, বিহার, পশ্চিম বঙ্গ ও বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।

এ ছাড়া মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

অনলাইন ডেস্ক : দক্ষিণ এশিয়ার দেশ ভারত করোনাভাইরাসের সর্বোচ্চ চূড়া অতিক্রম করে এলেও প্রতিবেশি বাংলাদেশসহ এশিয়া এবং বিশ্বের অনেক দেশকে কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি করেছে সেদেশে শনাক্ত হওয়া কোভিড-১৯ এর অতিসংক্রামক ভ্যারিয়েন্ট ডেল্টা।

ভারতে প্রথম শনাক্ত হওয়া করোনার এই ভ্যারিয়েন্ট ইতোমধ্যে বিশ্বের ৯৮টি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে বলে শনিবার জানিয়েছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) মহাপরিচালক টেড্রোস আধানম গেব্রেইয়েসুস। তিনি বলেছেন, ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টটি অত্যন্ত বিপজ্জনক। এটির কাঠামোগত এবং চারিত্রিক রূপান্তর ঘটে চলেছে।

‌‘নতুন এই ভাইরাস দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। এমনকি যেসব দেশে ভ্যাকসিন কার্যক্রম ভালো হয়েছে সেখানেও ছড়াচ্ছে।’

ব্রিটেনে যে নতুন করে সংক্রমণ বাড়ছে তার প্রধান কারণ ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট। কিন্তু অক্সফোর্ডে রোজালিন্ড ফ্রাঙ্কলিন ইন্সটিটিউটের অধ্যাপক জেমস নেইস্মিথের বরাত দিয়ে দ্য গার্ডিয়ান বলছে, ইউরোপজুড়ে এই ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়বে। উন্নয়নশীল দেশগুলোর পরিণতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তিনি।

‘উন্নয়নশীল বিশ্বে এত কম মানুষ ভ্যাকসিন পেয়েছেন যে তাদের সামনে চরম বিপদ অপেক্ষা করছে। ডেল্টা যখন ব্যাপকভাবে ছড়াতে শুরু করবে, দ্রুত সেসব দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় বিপর্যয় তৈরি হবে, যদি না দ্রুত টিকা কর্মসূচির প্রসার না হয়।’

তিনি বলেন, মৃত্যুর সংখ্যা বাড়বে, অক্সিজেনের অভাব দেখা দেবে এবং ডাক্তার নার্সরা আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসার সুযোগ সীমিত হয়ে পড়বে।

যুক্তরাষ্ট্রে ব্যাপকহারে টিকা কর্মসূচি অব্যাহত থাকলেও ভারতীয় বা ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট নিয়ে সেদেশেও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তবে বর্তমানে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের পরিণতি ভোগ করতে হচ্ছে এশিয়ার দেশগুলোকে, বিশেষ করে ভারতের প্রতিবেশীদের।

সংক্রমণ বাড়ছে যেসব দেশে

ভারতে করোনাভাইরাস পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি দেখা গেলেও সেদেশে প্রথম শনাক্ত করোনাভাইরাসের ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের প্রকোপে বাংলাদেশসহ দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অনেকগুলো দেশে বিপজ্জনক মাত্রায় নতুন করে ছড়িয়ে পড়েছে সংক্রমণ এবং মৃত্যু।

আর এই বিপদ এমন সময় হাজির হয়েছে যখন ওই অঞ্চলের অধিকাংশ দেশেই টিকা কর্মসূচির পরিস্থিতি নাজুক। মে মাসেই নেপাল, বাংলাদেশ, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কায় নতুন করে সংক্রমণ বাড়ার প্রবণতা দেখা দেয়।

সবচেয়ে খারাপ অবস্থা হয় নেপালে। মে মাস থেকে সেদেশে এত দ্রুতহারে সংক্রমণ বাড়তে থাকে যে স্বাস্থ্য ব্যবস্থার ওপর চাপ চরমে পৌঁছে। জুন মাসে আফগানিস্তানে সংক্রমণের সংখ্যা আগের যে কোনো সময়ের চেয়ে বেশি হয়ে পড়ে। সেদেশের স্বাস্থ্য মন্ত্রী ওয়াজিদ মজরুহ বলেন, সারা দেশে যত সংক্রমণ হচ্ছে তার ৬০ শতাংশই হচ্ছে রাজধানী কাবুলে। তিনি বলেন, ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের কারণে এই অবস্থা।

ডব্লিউএইচও বলছে, বাংলাদেশ, ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড এবং মঙ্গোলিয়াতেও সংক্রমণ বাড়ছে।

বাংলাদেশ

যে দেশটির সাথে ভারতের দীর্ঘ সীমান্ত সেই বাংলাদেশে মে মাসের মাঝামাঝি থেকে নতুন করে সংক্রমণ বাড়তে শুরু করে। সরকারি এক সমীক্ষায় দেখা গেছে ২৫ মে থেকে ৭ জুন পর্যন্ত রাজধানী ঢাকায় যতজন কোভিড পজিটিভ রোগী পাওয়া গেছে, তাদের ৬৮ শতাংশই ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত ছিল।

সংক্রমণ সামাল দিতে বাংলাদেশে এখন দেশজুড়ে কঠোর লক-ডাউন চলছে।

বাংলাদেশ অন্য অনেক দেশের আগেই টিকা কর্মসূচি শুরু করলেও, গতি খুবই মন্থর। ভ্যাকসিনের অভাবে এপ্রিলে টিকা দেওয়া স্থগিত করে দিতে হয়। ভারত থেকে পাওয়া এবং কেনা অ্যাস্ট্রাজেনেকার ১৬ লাখ ডোজ টিকা বাংলাদেশে গেলেও, ভারত রপ্তানি বন্ধ করে দিলে শুরু হয় সংকট।

চীনের কাছ থেকে অনুদান হিসাবে পাওয়া কিছু ভ্যাকসিন দিয়ে ২২ জুন থেকে স্বল্প মাত্রায় টিকাদান শুরু করে বাংলাদেশ। অবশ্য সরকার বলছে তাদের কাছে সিনোফার্ম, মডার্না এবং ফাইজারের ৫৭ লাখ ডোজ টিকা এসেছে যা দিয়ে যত দ্রুত সম্ভব নতুন করে পুরোমাত্রায় টিকা দেওয়া শুরু হবে।

তবে জুনের শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার ৩ শতাংশেরও কম মানুষের দুই ডোজ টিকা হয়েছে।

ইন্দোনেশিয়া

সংক্রমণ বাড়ায় ইন্দোনেশিয়ার বেশ কিছু অঞ্চলে ২০ জুলাই পর্যন্ত কঠোর লক-ডাউন জারি রয়েছে। সেদেশের সরকার জানিয়েছে, ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের কারণেই এই পরিস্থিতি। ইন্দোনেশিয়ার স্বাস্থ্য দপ্তর জানিয়েছে, গত তিন সপ্তাহে যতজন কোভিড পজিটিভ রোগী শনাক্ত হয়েছেন; তাদের ৬০ শতাংশই সংক্রমিত হয়েছেন ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টে।

রেডক্রস বলছে, হাসপাতালের শয্যা এবং অক্সিজেনের অভাব যেভাবে প্রকট হচ্ছে তাতে বড় বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে ইন্দোনেশিয়া।

ইন্দোনেশিয়ায় এখনও পাঁচ শতাংশ লোককেও পুরোপুরি ভ্যাকসিন দেওয়া সম্ভব হয়নি। তবে প্রেসিডেন্ট জোকো উইদোদো বলছেন, দিনে ১০ লাখ মানুষকে ভ্যাকসিন দেওয়ার টার্গেট নিয়েছে তার সরকার।

থাইল্যান্ড

থাই সরকার বলছে, সেদেশে সম্প্রতি যেভাবে সংক্রমণ বাড়ছে তার অন্যতম প্রধান কারণ ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট। রাজধানী ব্যাংকক ছাড়াও ফুকেটের মত কিছু দ্বীপেও ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হয়েছে।

থাইল্যান্ডে এখন পর্যন্ত মাত্র চার শতাংশ মানুষের টিকা দেওয়া গেছে।

মঙ্গোলিয়া

চীন থেকে পাওয়া সিনোফার্ম টিকার বদৌলতে মঙ্গোলিয়া টিকা কর্মসূচিতে অসামান্য সাফল্য দেখিয়েছে। ৫০ শতাংশ মানুষ সেদেশে টিকা নিয়ে ফেলেছে।

কিন্তু তারপরও সম্প্রতি যেভাবে সংক্রমণ এবং মৃত্যুর হার বাড়ছে তাতে জনসংখ্যার শতকরা হারে এশিয়ায় সবচেয়ে বিপর্যস্ত দেশগুলোর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে সেখানে।

ফলে করোনাভাইরাসের ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট প্রতিরোধে চীনা ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা নিয়ে অনেকে সন্দেহ প্রকাশ করছেন। তবে মঙ্গোলিয়ার একজন সরকারি কর্মকর্তা বলেছেন, চীনা ভ্যাকসিন নয়, বরং জুনে লকডাউন তুলে নেওয়ার পরই সংক্রমণ বেড়েছে।

ইন্দোনেশিয়াতেও ৮৫ শতাংশ ভ্যাকসিনই চীনের তৈরি। সেখানে দুই ডোজ ভ্যাকসিন নেওয়া বেশ কজন স্বাস্থ্যকর্মীর মৃত্যুর পর ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের বিরুদ্ধে ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা নিয়ে পরীক্ষা শুরু হয়েছে।

চীনের তৈরি সিনোভ্যাক এবং সিনোফার্ম ভ্যাকসিন ডব্লিউএইচও অনুমোদন করেছে। শুধু দক্ষিণ এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াই নয়, ভারতীয় ভ্যারিয়েন্টের প্রকোপ এখন ইউরোপ ছাড়িয়ে সুদূর যুক্তরাষ্ট্রেও পৌঁছেছে।

যুক্তরাষ্ট্রে সংক্রামক রোগ বিষয়ক ইন্সটিটিউটের প্রধান এবং প্রেসিডেন্ট বাইডেনের উপদেষ্টা অ্যান্থনি ফাউচি শনিবার মার্কিন এক টিভি সাক্ষাতকারে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, সারা দেশে না হলেও যে সব অঙ্গরাজ্য টিকা কর্মসূচিতে পিছিয়ে সেসব জায়গায় ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের প্রকোপ ছড়িয়ে পড়তে পারে।

তবে আমেরিকার ভরসা এটাই যে জনসংখ্যার ৫৪ শতাংশ ইতোমধ্যে অন্তত এক ডোজ টিকা নিয়েছে। ডব্লিওএইচও ছাড়াও শীর্ষ বিজ্ঞানীরা সাবধান করছেন ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট এতটাই সংক্রামক যে এ থকে বাঁচার আপাতত একটাই রাস্তা— দ্রুত ভ্যাকসিনের প্রসার।

ডব্লিওএইচওর প্রধান গেব্রেইয়েসুস বলেছেন, আগামী জুলাইয়ের মধ্যে প্রতিটি দেশের কমপক্ষে ৭০ শতাংশ লোককে টিকা দিতে হবে। এটাই এই প্যানডেমিক সামলানোর সবচেয়ে সবচেয়ে কার্যকরী রাস্তা। সূত্র- বিবিসি বাংলা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আজ থেকে সারা দেশে টিসিবির ট্রাক সেল শুরু

অর্থনীতির খবর : নভেল করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সরকারঘোষিত লকডাউন ও ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে নিম্ন আয়ের মানুষের কাছে ভর্তুকি-মূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য পৌঁছে দিতে সরকারি বিপণন সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) আজ সোমবার থেকে ট্রাক সেল শুরু করবে। রাজধানীসহ দেশের সব মহানগরী, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে ৪৫০টি ভ্রাম্যমান ট্রাকের মাধ্যমে আগামী ২৯ জুলাই পর্যন্ত পণ্য সামগ্রী বিক্রি করা হবে।

টিসিবির যুগ্ম পরিচালক ও ঢাকা আঞ্চলিক কার্যালয়ের তথ্য কর্মকর্তা মো. হুমায়ুন কবীর বলেন, জরুরি সেবা হিসেবে লকডাউনের মধ্যে টিসিবির নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিক্রি কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তবে নিত্যপণ্যের সরবরাহ বাড়াতে ডিলারদের মাধ্যমে (আজ) সোমবার থেকে ট্রাক সেল শুরু করা হচ্ছে। সব ধরনের স্বাস্থ্যবিধি মেনে ডিলাররা পণ্য বিক্রি করবে বলে তিনি জানান।

মো. হুমায়ুন কবীর আরও জানান, ঈদুল আজহার জন্য সরকারঘোষিত ছুটির দিন টিসিবির পণ্য বিক্রয় কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। এ ছাড়া ২৯ জুলাই পর্যন্ত অন্যান্য দিনগুলোতে ভ্রাম্যমাণ ট্রাক সেল চলবে।

টিসিবি ট্রাক সেলের মাধ্যমে চিনি, মসুর ডাল ও সয়াবিন তেল বিক্রি করা হবে। এর মধ্যে প্রতি লিটার সয়াবিন তেল ১০০ টাকা, চিনি ও মসুর ডাল ৫৫ টাকা কেজি। একজন ক্রেতা সর্বাধিক পাঁচ লিটার তেল, চার কেজি চিনি ও দুই কেজি মসুরের ডাল কিনতে পারবেন। প্রতিটি ট্রাকে ৫০০ থেকে ৮০০ কেজি চিনি, মসুর ডাল ৩০০ থেকে ৬০০ কেজি এবং সয়াবিন তেল ৮০০ থেকে এক হাজার ২০০ লিটার বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
চিকিৎসককে হয়রানি ও জরিমানা করে ইউএনও নিজেই ‘ওএসডি’

ভিন্ন স্বাদের খবর : লকডাউনের মধ্যে মোটরসাইকেলে নিয়ে সড়কে বের হওয়া এক চিকিৎসককে জরিমানা করায় চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. নজরুল ইসলামকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। সিনিয়র সহকারী পদমর্যাদার নজরুল ইসলামকে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে পরবর্তী পদায়নের জন্য ন্যস্ত করা হয়েছে।

রোববার (৪ জুলাই) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব কে এম আল আমীন স্বাক্ষরিত এক আদেশে তাকে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে ন্যস্ত করার বিষয়টি বলা হয়েছে।

চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার কামরুল হাসান জানিয়েছেন, ‘বিকেলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে ইউএনও নজরুলের প্রত্যাহারের আদেশ আসে। তাকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে যোগ দিতে বলা হয়েছে। তার জায়গায় ইউএনও হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন সাতকানিয়ার সহকারী কমিশনার (ভূমি) আল বশিরুল ইসলাম।’

চট্টগ্রামের একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে এমবিবিএস ডিগ্রি-সম্পন্ন করেই গ্রামের বাড়ি সাতকানিয়া এলাকায় চেম্বার গড়েন ডা. ফরহাদ কবির। পৌরসভার বেসরকারি আলফা হাসপাতালের পাশাপাশি নাছির ফার্মেসি ও মক্কা ফার্মেসিতে নিয়মিত রোগী দেখেন তিনি। লকডাউনের দ্বিতীয় দিন শুক্রবার (২ জুলাই) মক্কা ফার্মেসিতে চেম্বার করতে যাওয়ার পথে তল্লাশির মুখে পড়েন সাতকানিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নজরুল ইসলামের চেকপোস্টে।

মোটরসাইকেলযোগে চেম্বারে যেতে থাকা ডা. ফরহাদকে সঙ্কেত দিয়ে থামান ইউএনওর সঙ্গে থাকা লোকজন। এরপর মোটরসাইকেলের চাবি কেড়ে নিয়ে ফরহাদকে ইউএনও’র কাছে নেয়া হয়। ইউএনও ডা. ফরহাদের পরিচয় জেনেও তাকে এক হাজার টাকা জরিমানা করেন। এ নিয়ে সাতকানিয়াসহ চট্টগ্রামে আলোচনার ঝড় বইছে।

গত শুক্রবারের (২ জুলাই) ঘটনায় ভুক্তভোগী চিকিৎসক ডা. ফরহাদ কবির পরদিন শনিবার (৩ জুলাই) নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে একটি স্ট্যাটাস দেন। ইউএনওকে বারবার রোগী দেখার জন্য তিনি বের হয়েছেন বলার পরও তাকে জরিমানা করার পাশাপাশি হেনস্থা করা হয় বলে অভিযোগ এই চিকিৎসকের।

ঘটনা জানাজানির পর চিকিৎসক নেতারা এবং সংগঠনগুলো প্রতিবাদে সোচ্চার হন। চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. হাসান শাহরিয়ার কবির এ বিষয়ে বিভাগীয় কমিশনার এবং জেলা প্রশাসকের কাছে অভিযোগ করেন।

সাতকানিয়ার আলফা হসপিটাল অ্যান্ড ডায়াগনোসিস সেন্টারের চিকিৎসক ফরহাদ কবির বলেন, ‘আমি সাধারণত শুক্রবারে চেম্বার করি না। তবে ওই দিন চেম্বারে এক ইমার্জেন্সি রোগী এসেছে জানতে পেরে তড়িঘড়ি করে রোগী দেখার উদ্দেশে মোটরসাইকেল নিয়ে রওনা হই। কলেজ রোডের মুখে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আমাকে থামালে আমি পেশাগত পরিচয় দিই। তা সত্ত্বেও তারা আমার মোটরসাইকেলের চাবিটি নিয়ে আমাকে ইউএনওর সঙ্গে কথা বলতে বলেন। এ সময় ইউএনওকে আমার পেশাগত পরিচয় দিলে আমাকে থামিয়ে দিয়ে কয়েকটি কুরুচিপূর্ণ শব্দ বলেন এবং বেশি কথা বললে জেলে নেয়ার হুমকি দেন।’

ডা. ফরহাদ বলেন, ‘জেলে নেয়ার কথা বলায় ঝামেলা না বাড়িয়ে আমার কোনো দোষ থাকলে আইনি ব্যবস্থা নেয়ার অনুরোধ করি। এতে তিনি আমাকে দুই হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে বলে জানান। আমার কাছে দুই হাজার টাকা নেই জানালে এক হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এ সময় তার সহযোগীদের মামলার কাগজে খুব বাজেভাবে আমার নামের আগে ডা. শব্দটি বড় করে লিখতে বলেন তিনি, যেন ডাক্তারকেও ফাইন করা হয়েছে সেটা সবাইকে দেখানো যায়।’

তিনি আরও জানান, ইউএনও বলেছেন, ‘আপনারা লকডাউন দেয়ার জন্য সুপারিশ করেন। আমরা লকডাউন সফল করতে পারি না বলে আমাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন। এখন আপনারা লকডাউন মানছেন না।’

ফরহাদ বলেন ‘চিকিৎসক অন্যায় করে জরিমানা খেয়েছে বলে তা পত্রিকায় দেয়ার জন্য আমার ছবি তুলে রাখেন এবং আমার রেজিস্ট্রেশন নম্বর নেন তিনি।’

এ বিষয়ে সাতকানিয়ার ইউএনও নজরুল ইসলাম বলেছিলেন, ‘ওই সময় আমার সঙ্গে থাকা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী একসাথে সাত-আটটি মোটরসাইকেল আটক করে। তিনি যে চিকিৎসক আমরা সেটি নিশ্চিত হতে পারিনি। কারণ আমরা তার কাছে আইডি কার্ড, ড্রাইভিং লাইসেন্স ও গাড়ির কাগজপত্র চাইলে তিনি কিছুই দেখাতে পারেননি। এমনকি তার মাস্ক ও হেলমেট পর্যন্ত ছিল না। তিনি নিজেই অন্যায় স্বীকার করে জরিমানা করতে বলেছেন।’

ওই চিকিৎসককে জেলে নেয়ার হুমকি এবং কুরুচিপূর্ণ শব্দ ব্যবহারের বিষয়ে জানতে চাইলে ইউএনও বলেছিলেন, ‘আমরা তো ইচ্ছে করে রাস্তায় নেমে সারা দিন খাটছি না। আমরা সরকারি নির্দেশ পালন করতে রাস্তায় নামছি। এ সময় কেউ ওই চিকিৎসককে জেলে নেয়ার হুমকি দেননি। কোনো কুরুচিপূর্ণ শব্দও কেউ ব্যবহার করেনি। আর তিনি যদি মনে করেন তার সঙ্গে অবিচার করা হয়েছে তিনি তো ডিসি স্যারের কাছে রিভিউ করতে পারেন, আমরা তো কেউই আইনের ঊর্ধ্বে না।’

মাস্ক, হেলমেট, আইডি কার্ড এবং ড্রাইভিং লাইসেন্স না থাকার বিষয়ে ডা. ফরহাদ কবির বলেন, ‘আমি আগেই বলেছি ইমার্জেন্সি একটা রোগী দেখতে যাচ্ছিলাম। এ সময় আমি তাড়াহুড়ার মধ্যে ছিলাম। তাই কিছু নেয়ার মতো পরিস্থিতি ছিল না। তবে মাস্কের বিষয়টা অসত্য। তারা আমার ছবি তুলেছে, ছবিগুলো দেখলেই বুঝতে পারবেন আমার মাস্ক ছিল কি না। এমনকি ছবি তোলার সময় মাস্ক নিচে নামাতে বাধ্য করেছিলেন তারা।’

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে গত বৃহস্পতিবার ১ জুলাই থেকে ৭ জুলাই মধ্যরাত পর্যন্ত কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে সরকার। এ সময় জরুরি সেবা দেয়া দফতর-সংস্থা ছাড়া সরকারি-বেসরকারি অফিস, যন্ত্রচালিত যানবাহন, শপিংমল-দোকানপাট বন্ধ রাখা হয়েছে। চিকিৎসক, গণমাধ্যমকর্মীসহ জরুরি সেবা-সংশ্লিষ্টরা এ বিধিনিষেধের আওতাবহির্ভূত থাকবে বলে জানানো হয় সরকারের জারি করা প্রজ্ঞাপনে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

দেশের খবর : দেশে চলতি বছরের এপ্রিলের শুরুতে করোনাভাইরাসের ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের অস্তিত্ব মেলে। শনাক্ত হওয়ার পর থেকে দেশে প্রতিদিনই ভারতীয় ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের সংক্রমণের হার বাড়ছে। দেশে করোনা আক্রান্তদের নমুনায় ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট মে মাসে ৪৫ শতাংশ ও জুন মাসে ৭৮ শতাংশ পাওয়া যায়। বর্তমানে দেশে করোনা সংক্রমণে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের প্রাধান্য দেখা যাচ্ছে বলে জানিয়েছে রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর)।

রোববার (৪ জুলাই) প্রতিষ্ঠানের এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়।

আইইডিসিআর বলছে, ২০২০ এর ডিসেম্বর থেকে ২০২১ এর ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সব করোনার নমুনায় আলফা ভ্যারিয়েন্ট পাওয়া গেছে। ২০২১ এর মার্চে মোট নমুনার ৮২ শতাংশ বিটা ভ্যারিয়েন্ট এবং ১৭ শতাংশ আলফা ভ্যারিয়েন্ট পাওয়া গেছে। এপ্রিল মাসেও করোনা সংক্রমিতদের মধ্যে বিটা ভ্যারিয়েন্টের প্রাধান্য ছিল।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, করোনা নমুনা পরীক্ষায় যে ধরনের ভ্যারিয়েন্টই পাওয়া যাক না কেন, তা প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণের জন্য সঠিকভাবে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণই করাই একমাত্র উপায়। এর পাশাপাশি করোনা টিকা প্রাপ্তির সঙ্গে সঙ্গে প্রত্যেককে তা নেওয়া প্রয়োজন।

আইইডিসিআর জানায়, বিশ্বময় করোনা সংক্রমণ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভাইরাসটি পরিবর্তিত হয়ে নতুন বৈশিষ্ট্য ধারণ করছে, যা ভ্যারিয়েন্ট নামে পরিচিত। রোগীর মৃত্যুহার ও হাসপাতালে ভর্তির হার, রোগ পরবর্তী ৩ টিকা গ্রহণ পরবর্তী রোগ প্রতিরোধ সক্ষমতা বিবেচনায় কিছু কিছু ভ্যারিয়েন্টকে ‘ভ্যারিয়েন্ট অব কনসার্ন’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে আলফা, বিটা, গামা ও ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, বাংলাদেশে সংক্রমিত মানুষের মধ্যে ভাইরাসটির ভ্যারিয়েন্ট শনাক্তের জন্য দেশে এ রোগটি শনাক্ত হওয়ার শুরু থেকে আইইডিসিআর, আইসিডিডিআরবি যৌথভাবে কাজ করে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে গত ডিসেম্বর ২০২০ থেকে জুন ২০২১ পর্যন্ত মোট ৬৪৬ টি সংগৃহীত নমুনার জিনোম সিকোয়েন্সিং সম্পন্ন করা হয়েছে। এসব নমুনায় আলফা ভ্যারিয়েন্ট, বিটা ভ্যারিয়েন্ট, ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট, ইটা ভ্যারিয়েন্ট, বি ১.১.৬১৮ ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হয়েছে।

তবে এই ভ্যারিয়েন্টগুলোর মধ্যে ভারতীয় ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট খুব দ্রুত ছড়াচ্ছে। সাম্প্রতিক সময়ে আক্রান্তদের প্রায় ৭৮ শতাংশের নমুনায় এই ভ্যারিয়েন্ট পাওয়া যাচ্ছে বলে জানিয়েছে আইডিসিআর। আগের সংক্রমণের সঙ্গে এর অনেক পার্থক্য আছে। সে কারণে হয়তো লকডাউনে সচেতন হয়েও ফল কম আসবে। কিন্তু আপাতত এর বাইরে কোনো পথ নেই। হাসপাতালের উপর যতটা সম্ভব চাপ কমাতে হবে। ৫৫ বছরের উর্ধ্বে যারা, তাদের ভ্যাকসিনেশন দ্রুত নিশ্চিত করতে হবে ব্যাপকভাবে, যেন মৃত্যু কমিয়ে আনা যায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest