সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় নির্মাণাধীন ভবনের সাব-কন্টাক্টরের কাছে চাঁদা দাবি : থানায় অভিযোগতালায় আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা: সার সংকট, মাটি কাটা ও বালু উত্তোলন বন্ধে গুরুত্বারোপদেবহাটায় শিশুদের প্রারম্ভিক বিকাশে খেলাভিত্তিক সেশন পরিদর্শনসাতক্ষীরায় আবাসিক হোটেল-রেস্তোরাঁ – বেকারি ব্যবস্থাপনা বিষয়ক মতবিনিময়সাতক্ষীরায় মোজাম্মেল মিস্ত্রী হ%ত্যা মামলার দুই প্রধান আসামি সিলেটে গ্রেফতারশ্যামনগরে সুন্দরবনের বনদস্যু নির্মূলে মানববন্ধনএবিপার্টি সাতক্ষীরা সদর উপজেলার আহবায়ক কমিটির অনুমোদনসাতক্ষীরায় শিশু ধর্ষণ ও যৌন সহিংসতার প্রতিবাদে মানববন্ধনএডিসি রিপন বিশ্বাসের অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি দেওয়ার সিদ্ধান্ত সাতক্ষীরা আইনজীবী ফোরামেরপ্রেরণার নির্বাহী পরিচালক শম্পার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা

আশাশুনিতে ইজিবাইকের চাকায় পিষ্ট হয়ে শিশুর মৃত্যু

বি এম আলাউদ্দীন, আশাশুনি প্রতিনিধি :
আশাশুনিতে ইজিবাইকের চাকায় পিষ্ট হয়ে নয়ন (৫) নামের এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। শিশুটি আশাশুনি সদর ইউনিয়নের কোদণ্ডা গ্রামের হোসেন আলীর ছেলে। বৃহস্পতিবার (২৪ জুন) সাড়ে ১০টায় আশাশুনি সদরের কোদণ্ডা গ্রামের আমতলা মোড়ে আশাশুনি-ঘোলা সড়কে মর্মান্তিক এ ঘটনাটি ঘটেছে ।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঘটনার সময় শ্রীউলার ঘোলার দিক থেকে একটি যাত্রিবাহী ইজিবাইক আশাশুনি সদরের দিকে যাচ্ছিলো। আমতলা মোড়ের ত্রিমুখী রাস্তায় এসে পৌঁছালে অন্যদিক থেকে একটি ইট বোঝাই ট্রলি প্রধান সড়কে ওঠার সময় ইজিবাইকটি নিয়ন্ত্রন হারিয়ে রাস্তার ডান পাশে থাকা শিশু নয়নের উপর তুলে দিলে ইজিবাইকের চাকায় পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। এরপর স্থানীয়রা শিশুটিকে আশাশুনি হাসপাতালে নিয়ে এলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে। এ ব্যাপারে আশাশুনি থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মাদ গোলাম কবীর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে জানান, আমরা ঘটনাস্থল থেকে শ্রীউলা গ্রামের বাবর আলী গাজীর ছেলে চালক বিল্লাল গাজীকে তার ইজিবাইকটি সহ আটক করে থানা হেফাজতে নিয়েছি। তদন্ত চলছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কমিটি, কওমি মাদ্রাসা নিয়ন্ত্রণে আসছে

শিক্ষা ডেস্ক : দেশের কওমি মাদ্রাসাসহ ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য যুগোপযোগী শিক্ষাব্যবস্থা কার্যকর করার উদ্যোগ নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

একই সঙ্গে মাদ্রাসাগুলোকে সরকারি নিবন্ধনের আওতায় আনতে একটি নীতিমালাও প্রণয়নের আদেশ দেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে সরকারি নিয়ন্ত্রণে আসছে কওমি মাদ্রাসাগুলো।

গত ২১ জুন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের এক অফিস আদেশে এ সংক্রান্ত ১৫ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়। এতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব হাবিবুর রহমানকে আহ্বায়ক ও বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের পরিদর্শক মো. আব্দুস সেলিমকে সদস্য সচিব করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকালে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব সৈয়দ আসগর আলী বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

গঠিত এ কমিটির কার্যপরিধিতে বলা হয়েছে— কওমি মাদ্রাসাসহ ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য যুগোপযোগী শিক্ষাব্যবস্থা কার্যকরকরণ ও সরকারের নিবন্ধনের আওতায় আনয়নের লক্ষ্যে সমন্বিত একটি খসড়া নীতিমালা প্রণয়ন করা হবে।

পাশাপাশি কওমি মাদ্রাসা আলাদাভাবে পরিচালিত ছয় বোর্ডকে সমন্বয় করে একটি কওমি শিক্ষা বোর্ড গঠনের প্রস্তাব প্রস্তুত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

১৫ সদস্যের ওই কমিটিতে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের একজন প্রতিনিধি, জননিরাপত্তাবিষয়ক বিভাগের একজন প্রতিনিধি, বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ও ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে রাখা হয়েছে।

এ ছাড়া কওমি মাদ্রাসার ছয় বোর্ডের চেয়ারম্যানকেও পদাধিকার বলে কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

তারা হলেন— বেফাক সভাপতি আল্লামা মাহমুদুল হাসান, গওহরডাঙ্গা বোর্ডের মুফতি রুহুল আমীন, আঞ্জুমানে ইত্তিহাদ বোর্ডের মাওলানা আবদুল হালিম বোখারি, সিলেটের আযাদ দ্বীনি বোর্ডের মাওলানা জিয়াউদ্দিন, তানযীমুল মাদারিসের মুফতি আরশাদ রহমানী ও জাতীয় দ্বীনি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের সভাপতি মাওলানা ফরীদ উদ্দীন মাসউদ।

এ কমিটি কবে বৈঠকে বসছে জানতে চাইলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব সৈয়দ আসগর আলী বলেন, মাত্র তো কমিটি গঠন হলো। সবাইকে চিঠির মাধ্যমে বিষয়টি জানানো হচ্ছে। এখনও বৈঠকের কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। আলোচনার মাধ্যমে সামনে বৈঠকের বিষয়ে জানানো হবে।

এর আগে গত ১৬ ফেব্রুয়ারি কওমি মাদ্রাসার শিক্ষা কার্যক্রম উন্নয়নের বিধান রেখে ‘শিক্ষা আইন ২০২১’-এর খসড়া চূড়ান্ত করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির সভাপতিত্বে ওই বৈঠকে শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল ছাড়াও মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন, কারিগরি ও মাদ্রাসা বিভাগের সচিব মো. আমিনুল ইসলাম খান এবং সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বৈঠকে যুক্ত ছিলেন।

ওই খসড়ায় বলা হয়েছে— সরকার কওমি মাদ্রাসার শিক্ষা কার্যক্রমের মানোন্নয়নের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে। কওমি মাদ্রাসাগুলো সরকারের নিয়ন্ত্রণে রেখেই শিক্ষা কার্যক্রম উন্নয়ন করার বিধান যুক্ত করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত গত ২৬ মার্চ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ঢাকা সফর কেন্দ্র করে হেফাজতের বিক্ষোভে সহিংস ঘটনায় ১৮ জন নিহত হন। এ কর্মসূচিকে ঘিরে সারা দেশে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে। পরে এপ্রিল থেকে এ নাশকতাকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গ্রেফতার অভিযান ও সরকারের কঠোর অবস্থানের কারণে মৌলিক সংকটে পড়ে কওমি মাদ্রাসাগুলো।

পরে ২৫ এপ্রিল কওমি মাদ্রাসাগুলোর সর্বোচ্চ সংস্থা আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামি’আতিল কওমিয়ার স্থায়ী কমিটির সভায় কয়েকটি সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য— কওমি মাদ্রাসার ছাত্র ও শিক্ষকরা প্রচলিত সব ধরনের রাজনীতি থেকে মুক্ত থাকবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাংলাদেশে চীনা টিকা ট্রায়ালের অনুমোদন

দেশের খবর : করোনাভাইরাসের একটি চীনা টিকা মানবদেহে পরীক্ষামূলক প্রয়োগের (ট্রায়াল) অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ। ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল বায়োলজি চাইনিজ একাডেমি অব মেডিকেল সায়েন্সের (আইএমবিক্যামস) ‘ভেরো সেল’ নামের এ টিকার তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়ালের অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ মেডিকেল রিসার্চ কাউন্সিল (বিএমআরসি)।

বুধবার (২৩ জুন) আইসিডিডিআর,বি’র জ্যেষ্ঠ বিজ্ঞানী ডা. ফেরদৌসী কাদরীকে চিঠি দিয়ে এ টিকার পরীক্ষামূলক প্রয়োগের সাময়িক অনুমতি দেওয়া হয়। বাংলাদেশে এই টিকার পরীক্ষামূলক প্রয়োগের কাজটি করবে আইসিডিডিআর,বি। দুই সপ্তাহের মধ্যেই এই ট্রায়াল শুরু হতে পারে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

২০২০ সালের আগস্টে চাইনিজ একাডেমি ও আইসিডিডিআরবি ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল পরিচালনা সংক্রান্ত একটি চুক্তি সই করে। ট্রায়াল পরিচালনার জন্য আইসিডিডিআরবিকে প্রায় এক দশমিক শূন্য পাঁচ মিলিয়ন মার্কিন ডলার দিয়েছে চাইনিজ একাডেমি। এ ছাড়া, ওয়ান ফার্মাকে স্থানীয় এজেন্ট হিসেবে নিয়োগ দেয় একাডেমি।

ওয়ান ফার্মার ব্যবস্থাপনা পরিচালক কেএসএম মোস্তাফিজুর বলেন, ‘দুই সপ্তাহের মধ্যেই ভেরো সেলের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শুরু হবে।’

আইসিডিডিআর,বি সূত্রে জানা যায়, করোনার এ টিকার নাম ‘আইএমবি ক্যাম্পস’। আইসিডিডিআর,বি আইএমবি ক্যাম্পসের সিআরও (ক্লিনিক্যাল রিসার্চ অরগানাইজেশন) হিসেবে কাজ করবে।

চীনের ইনস্টিটিউট অব মেডিক্যাল বায়োলজি অব দ্য চাইনিজ একাডেমি অব মেডিক্যাল সায়েন্স করোনা ভাইরাসের এই টিকা তৈরি করেছে। এই টিকা ১৮ বছরের বা তার থেকে বেশি বয়সী মানুষদের প্রয়োগ করা হবে।

পোলিও ও ইনফ্লুয়েঞ্জার টিকার মতো একটি নিষ্ক্রিয় টিকা ভেরো সেল। চলতি বছরের জানুয়ারিতে মালয়েশিয়াতে এ টিকার তৃতীয় ধাপের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল হয়। আইএমবিক্যামস ছাড়াও ভারতের ভারত বায়োটেক ও বাংলাদেশের গ্লোব বায়োটেক গত বছর মানবদেহে এ টিকা ট্রায়ালের অনুমোদন চায়।

এখন পর্যন্ত মোট জনসংখ্যার তিন শতাংশেরও কম মানুষকে করোনাভাইরাসের টিকা দিতে পেরেছে বাংলাদেশ। গত ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে দেশে টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়। তবে, ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট টিকা সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়ায় বাধার মুখে পড়ে এ কর্মসূচি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নতুন সেনাপ্রধানের জেনারেল শফিউদ্দিনের দায়িত্বগ্রহণ

দেশের খবর : গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে বৃহস্পতিবার সকালে সেনাপ্রধান এস এম শফিউদ্দিন আহমেদকে জেনারেল র‍্যাঙ্ক ব্যাজ পরিয়ে দেওয়া হয়। ছবি : ফোকাস বাংলা
এনটিভি অনলাইনের সর্বশেষ খবর পেতে গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি অনুসরণ করুন

দেশের ১৭তম সেনাপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ। গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে আজ বৃহস্পতিবার সকালে তাঁকে জেনারেল র‍্যাঙ্ক ব্যাজ পরিয়ে দেওয়া হয়। এর মধ্য দিয়ে সেনাপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব শুরু করেছেন তিনি।

আগামী তিন বছর বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে নেতৃত্ব দেবেন জেনারেল শফিউদ্দিন। নতুন দায়িত্ব পাওয়ায় জেনারেল শফিউদ্দিনকে অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

এর আগে গত ১০ জুন সেনাবাহিনীর প্রধান হিসেবে নিয়োগ পেয়েছিলেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব ওয়াহিদা সুলতানা স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছিল, ‘সেনাবাহিনীর কোয়ার্টার মাস্টার জেনারেল লেফটেন্যান্ট জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদকে আগামী ২৪ জুন (২০২১) বিকেল থেকে জেনারেল পদে পদোন্নতি প্রদানপূর্বক প্রতিরক্ষা বাহিনীগুলোর প্রধানদের (নিয়োগ, বেতন, ভাতা এবং অন্যান্য সুবিধা) আইন, ২০১৮ অনুযায়ী তিন বছরের জন্য সেনাবাহিনী প্রধান হিসেবে নিয়োগ প্রদান করা হলো।’

এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ সদ্য বিদায়ী সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদের স্থলাভিষিক্ত হলেন।

খুলনার মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান শফিউদ্দিন আহমেদ সেনাবাহিনীতে যোগ দেন নবম লংকোর্সের মাধ্যমে। গত বছর ডিসেম্বরে তাঁকে আর্মি ট্রেনিং অ্যান্ড ডকট্রিন কমান্ডের (অ্যার্টডক) জিওসির দায়িত্ব থেকে কোয়ার্টার মাস্টার জেনারেল (কিউএমজি) করে সেনাসদরে নিয়ে আসা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জে বাগদা পোনা আহরণের সময় ৫ জেলে আটক

আসাদুজ্জামান : পশ্চিম সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জের গহিনে রাজাখালী খালে অবৈধভাবে বাগদা পোনা আহরণের সময় ৫ জেলেকে আটক করেছে সুন্দরবন স্মার্ট পেট্রোøল টিমের সদস্যরা। বৃহস্পতিবার ভোর ৬ টার দিকে স্মার্ট পেট্রল টিমের দলপতি ও কোবাতক বন স্টেশন অফিসার (এসও) মো: নাসিরউদ্দীনের নেতৃত্বে মালামালসহ উক্ত জেলেদের আটক করে।

এ সময় জেলেদের ব্যবহৃত ২টি নৌকা, ড্রাম, দা, বৈঠা, দুটি জাল ও দড়িসহ ২ হাজার বাগদা মাছের পোনা জব্দ করে স্মার্ট পেট্রোল টিমের সদস্যরা। তবে, জব্দকৃত বাগদা মাছের পোনা তাৎক্ষণিক নদীতে অবমুক্ত করা হয়।

আটককৃত ৫ জেলেরা হলেন, শ্যামনগর উপজেলার টেংরাখালী গ্রামের সফেদ গাজীর ছেলে মোশারফ গাজী এবং একই গ্রামের জয়নাল আবেদীনের ছেলে রফিকুল ইসলাম, সাকাত শেখের ছেলে কাদের শেখ, জিয়াদ গাজীর ছেলে অমেদ আলী এবং বৈশখালী গ্রামে শেখ রাশিদুলের ছেলে ফজের আলী।

সাতক্ষীরা সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) এম এ হাসান সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, সুন্দরবনে নদ নদীতে সকল প্রকার মাছের পোনা আহরণ নিষিদ্ধ আছে। এমতাবস্থায় বন বিভাগের চোখ ফাঁকি দিয়ে ওই জেলেরা সুন্দরবনে প্রবেশ করে অবৈধভাবে নদীতে মাছের পোনা আহরণ করার সময় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। আটক জেলেদের বিরুদ্ধে বন আইনে মামলা দায়ের করে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা মেডিকেলের করোনা ইউনিটে গত ২৪ ঘণ্টায় ৮ জনের মৃত্যু

আসাদুজ্জামান : সীমান্ত জেলা সাতক্ষীরায় চলমান লকডাউনের মধ্যে প্রতিদিনই করোনায় সংক্রমনে মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ভাইরাসটির উপসর্গ নিয়ে জেলায় মোট ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।

এর মধ্যে ৮ জন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে।

অন্যজন একটি বেসরকারী হাসপাতালে মারা গেছেন। এনিয়ে, জেলায় ভাইরাসটির উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন মোট ২৯৭ জন। আর আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন আরো ৬৩ জন। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ১৮০ জনের নমুনা পরীক্ষা শেষে ৬৭ জনের করোনা পজেটিভ শনাক্ত হয়েছে। যা শনাক্তের হার ৩৭ দশমিক ২২ শতাংশ। এ নিয়ে জেলায় আজ পর্যন্ত মোট করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ১৩৪ জন। বর্তমানে ৩৯০ জন করোনা আক্রান্ত ও উপসর্গ নিয়ে বিভিন্ন সরকারী ও বেসরকারী হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। এর মধ্যে ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে ভর্তি রয়েছেন মোট ৪২ জন।

এদিকে, তৃতীয় সপ্তাহের চলমান লকডাউন আজ রাত ১২ টায় শেষ হতে যাচ্ছে। লকডাউনের শেষ দিনে শহরের অধিকাংশ দোকান পাট আংশিক খোলা রয়েছে। সেই সাথে রয়েছে শহর ও গ্রামাঞ্চলের হাট বাজার গুলোতে জনসমাগম। মানা হচ্ছে না সরকারের দেয়া স্বাস্থ্য বিধি। চলছে ঢিলে ঢালা লকডাইন।

তবে, পুলিশ মোড়ে মোড়ে চেকপোস্ট বসিয়ে চলাচল নিয়ন্ত্রন করছেন এবং সাধারন মানুষ যাতে বিনাপ্রয়োজনে ঘরের বাইরে না আসেন সে জন্য সচেতনতা প্রচারনা চালিয়ে যাচ্ছেন। একই সাথে যারা বিনা প্রয়োজনে ঘরের বাইরে আসছেন এবং স্বাস্থ্যবিধি মানছেননা তাদের ভ্রাম্যমান আদালতে মাধ্যমে জরিমানা করা হচ্ছে। জব্দ করা হচ্ছে মটরসাইকেল, ভ্যান ও ইজিবাইক। এদিকে, লকডাউনের মধ্যে করোনা সংক্রমন প্রতিরোধ না হওয়ায় লকডাউন বাড়ানো হবে কিনা সে বিষয়ে বিকালে ভার্চুয়াল সভার আহবান করেছেন জেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটি।

সাতক্ষীরার সিভিল সার্জন ডাঃ হুসাইন শাফায়াত জানান, লকডাউন আরো বাড়ানো হবে কিনা সে বিষয়ে বিকালে জেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটির সভায় সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

তবে, জেলায় করোনা সংক্রমন প্রতিরোধ না হওয়ায় তিনি আরো এক সপ্তাহ বাড়ানোর জন্য সুপারিশ করবেন বলে জানান। তিনি এ সময় সকলকে মাস্ক পরার এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহবান জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

দেশের খবর : চুয়াডাঙ্গায় গত ২৪ ঘণ্টায় ৪১টি নমুনা পরীক্ষার ফলাফলে ৪১ জনেরই করোনা শনাক্ত হয়েছে। এ হিসেবে আক্রান্তের হার শতভাগ। একই সময়ে জেলায় করোনায় আরও দুজনের মৃত্যু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৪ জুন) সকালে চুয়াডাঙ্গা সিভিল সার্জন ডা. এএসএম মারুফ হাসান এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

চুয়াডাঙ্গা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, চুয়াডাঙ্গা জেলায় নতুন শনাক্ত ৪১ জনের মধ্যে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলায় ১৯ জন, দামুড়হুদা উপজেলায় একজন, আলমডাঙ্গা উপজেলায় সাতজন এবং জীবননগর উপজেলায় ১৪ জন। মৃত দুজনের মধ্যে একজন জীবননগর উপজেলার বাঁকা গ্রামের আব্দুস সোবহান এবং দামুড়হুদা উপজেলার লোকনাথপুর গ্রামের রুহুল আমীন।

এ পর্যন্ত চুয়াডাঙ্গায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ২ হাজার ৮৩৭ জন। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় ২৯ জন সুস্থসহ মোট সুস্থ হয়েছেন ২ হাজার ৪৯ জন। মারা গেছেন ৯১ জন।

বর্তমানে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ৬৯৭ জন। এর মধ্যে হোম আইসোলেশন আছেন ৬৩৩ জন। হাসপাতালে ভর্তি আছেন ৬১ জন এবং রেফার আছেন তিনজন।

এছাড়া ক্রমাগত করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় বুধবার (২৩ জুন) সকাল ৬টা থেকে জীবননগর উপজেলায় কঠোর লকডাউন শুরু হয়েছে। এর আগে (২০ জুন) সকাল ৬টা থেকে চুয়াডাঙ্গা পৌরসভাসহ সদর উপজেলার আলুকদিয়া ইউনিয়নে সাত দিনের জন্য লকডাউন শুরু হয়। ১৫ জুন লকডাউন করা হয় জেলার সীমান্তবর্তী দামুড়হুদা উপজেলা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

বিনোদন ডেস্ক : ঢাকা বোট ক্লাবের ভেতরে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগের ঘটনায় অভিনেত্রী পরীমনিকে নিয়ে যখন আলোচনা-সমালোচনা হরধুম চলছে। ঠিক ওই সময় রাজধানীর গুলশানে অল কমিউনিটি ক্লাবের পক্ষ থেকে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তার বিরুদ্ধে মদ খেয়ে মাতাল অবস্থায় অসদাচরণ ও ভাঙচুরের অভিযোগ তোলা হয়। এরপর বনানী ক্লাবেও তার বিরুদ্ধে রয়েছে এমন অভিযোগ।

গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে, এই ঘটনাগুলো বিবেচনায় নিয়ে বর্তমান সময়ের আলোচিত অভিনেত্রী পরীমনিকে ঢাকার অভিজাত সব ক্লাবে নিষিদ্ধ করার বিষয়ে ভাবতে শুরু করেছেন ক্লাব কালচার কমিউনিটির মেম্বাররা।

সূত্র জানায়, অভিনেত্রী পরীমনি অভিযোগ করেছে তাকে ঢাকা বোট ক্লাবে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টা করা হয়েছে। এদিকে ঘটনার আগের দিন পরীমনি তিনি গুলশানে অল কমিউনিটি ক্লাবে এসে ক্লাব ম্যানেজমেন্টের লোকদের সঙ্গে অসদাচরণ ও ভাঙচুর চালিয়েছেন। আবার মাস ছয়েক আগে বনানী ক্লাবেও এক তারকা দম্পতির আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে গিয়ে তিনি ভাঙচুর চালিয়েছেন। যদিও পরীমনি এই তিনটি ক্লাবের কোনোটির মেম্বার নন।

ক্লাব কালচার কমিউনিটি মেম্বারদের অনেকেই পরীমনিকে নিষিদ্ধ করতে দাবি করছেন। তারা বলেছেন, বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে ভাবতে হবে। এসব ক্লাবগুলো সমাজের অভিজাত ও সুশীল শ্রেণির লোদের একটি কমিউনিটি। এক পরীমনির এসব আচরণের জন্য ক্লাব কালচার নিয়ে দেশের মানুষের মধ্যে বিরূপ ধারণার সৃষ্টি হচ্ছে। এতে ক্লাবের সম্মান ক্ষুণ্ণ হচ্ছে।

সূত্র বলছে, ঢাকা সব ক্লাব কমিটি ও মেম্বারদের সিদ্ধান্ত নিয়ে ঢাকার অভিজাত ক্লাবগুলোতে পরীমনির প্রবেশ নিষিদ্ধ করার বিষয়টি ভাবা হচ্ছে।

এদিকে অভিনয় ও চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টরা বলছেন, চলচ্চিত্র শিল্প সংশ্লিষ্টদের সংগঠন বাংলাদেশ ফিল্ম ক্লাবের সদস্য নন পরীমনি। সেখানে আসা-যাওয়াও ছিলো না তার। এছাড়া অন্য ক্লাবগুলোর সিদ্ধান্তের ব্যাপারে তাদের কাছে কোনো তথ্য নেই।

বনানী ক্লাবের সেক্রেটারি ওসমান গনী বলেন, এখন পর্যন্ত ঢাকা বোট ক্লাব ও গুলশানের অল কমিউনিটি ক্লাবের বিষয়টি সবারই জানা হয়ে গেছে। আর কথা আসছে বনানী ক্লাবের বিষয়। এখানে মাস ছয়েক আগে পরীমনির বিরুদ্ধে এমন একটি ঘটনার অভিযোগ এসেছে। তবে সেটি দৃশ্যমান নয়। ক্লাবের বেয়ারা ও ওয়েটাররা বলেছেন। তবে বিষয়টি বনানী ক্লাব ম্যানেজমেন্টকে জানানো হয়েছে।

তিনি বলেন, পরীমনি আমাদের ক্লাবের মেম্বার নন। আমাদের কোনো অনুষ্ঠানে বা পার্টিতে পরীমনিকে দাওয়াত দেওয়া হয় না। যদিও তিনি গেস্ট হিসেবে বাইরের কারো পার্টিতে যোগ দিতে এসে থাকতে পারেন। এছাড়া বাইরের কেউ এই ক্লাবে ঢুকতে পারেন না।

ওসমান গনী জানান, যদি ক্লাবের কোনো মেম্বার পরীমনিকে গেস্ট হিসেবে নিয়ে আসেন তবে সেটি ওই মেম্বারের ব্যক্তিগত বিষয়। তবে নিয়ম অনুযায়ী ক্লাবে কোনো মেম্বারের গেস্ট যদি কোনো অঘটন ঘটায় সে ক্ষেত্রে ওই মেম্বারকে শোকজ করা হয়ে থাকে। তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

তবে পরীমনির ঘটনার বিষয়ে ক্লাবটির পক্ষ থেকে কোনো রিপোর্ট বা অভিযোগ দায়ের হয়নি বলেও জানান তিনি।

এর আগে, ১৬ জুন সংবাদ সম্মেলনে আয়োজন করে গুলশানের অল কমিউনিটি ক্লাবের প্রেসিডেন্ট কে এম আলমগীর ইকবাল অভিযোগ করে বলেন, গত ৮ জুন ছোট্ট একটি অভিপ্রেত ঘটনা ঘটেছিলো। আমাদের ক্লাব বন্ধের সময় কয়েকজন লোক এসেছিলেন ক্লাবে প্রবেশের জন্য। যারা এসেছিলেন তাদের মধ্যে একজন ছিলেন হাফপ্যান্ট ও স্যান্ডেল পরা, আরো একজন পুরুষ এবং দু’জন মেয়ে ছিলেন। তখন আমাদের ফুড এডভাইজার দেখে বলেন, আপনারা তো ক্লাবের নিয়ম ভঙ্গ করেছেন। তখন তারা ক্ষিপ্ত হয়ে যায়।

তিনি বলেন, তারা ক্লাবের যে সদস্যদের মাধ্যমে ক্লাবে আসেন তিনিও তাদেরকে চলে যেতে বলেন। কিন্তু তারা যেতে চায়নি। পরে বাধ্য হয়ে আমাদের সেই সদস্য-ই চলে যান। এরই মধ্যে (পরীমনিসহ সঙ্গীরা) তারা জাতীয় জরুরি সেবা- ৯৯৯ এ কল করে পুলিশ ডাকেন। পুলিশ এলে তারা ক্লাব কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে তাদেরকে হেনস্থার অভিযোগ করেন। কিন্তু বাস্তবে তখন আমাদের তেমন কেউ ছিলো না। ঘটনার সময় তখন রাত ১টা থেকে দেড়টা বাজে। বরং তাদের একজন আমাদের ক্লাবের ১৫টি গ্লাস, ৯টি এসট্রে, বেশ কিছু হাফ প্লেট ভাঙচুর করেন।

কে এম আলমগীর ইকবাল বলেন, এ ঘটনার পর আমরা জানতে পারি তার নাম পরীমনি। পুলিশ এসেও এর সত্যতা পায়। পরে পুলিশ ঘটনার বিষয়ে তাদের ঊর্ধ্বতনদের জানায় এবং ক্লাব থেকে তাদের (পরীমনি ও সঙ্গীদের) চলে যেতে বলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest