সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় নির্মাণাধীন ভবনের সাব-কন্টাক্টরের কাছে চাঁদা দাবি : থানায় অভিযোগতালায় আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা: সার সংকট, মাটি কাটা ও বালু উত্তোলন বন্ধে গুরুত্বারোপদেবহাটায় শিশুদের প্রারম্ভিক বিকাশে খেলাভিত্তিক সেশন পরিদর্শনসাতক্ষীরায় আবাসিক হোটেল-রেস্তোরাঁ – বেকারি ব্যবস্থাপনা বিষয়ক মতবিনিময়সাতক্ষীরায় মোজাম্মেল মিস্ত্রী হ%ত্যা মামলার দুই প্রধান আসামি সিলেটে গ্রেফতারশ্যামনগরে সুন্দরবনের বনদস্যু নির্মূলে মানববন্ধনএবিপার্টি সাতক্ষীরা সদর উপজেলার আহবায়ক কমিটির অনুমোদনসাতক্ষীরায় শিশু ধর্ষণ ও যৌন সহিংসতার প্রতিবাদে মানববন্ধনএডিসি রিপন বিশ্বাসের অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি দেওয়ার সিদ্ধান্ত সাতক্ষীরা আইনজীবী ফোরামেরপ্রেরণার নির্বাহী পরিচালক শম্পার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা

প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা এবারও হচ্ছে না

শিক্ষা ডেস্ক : করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণে ২০২১ সালেও হচ্ছে না প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা। তবে গতবছরের মতো অটোপ্রমোশন না দিয়ে বাড়ির কাজের মাধ্যমে মূল্যায়ন করে পরবর্তী শ্রেণিতে প্রমোশন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা না নিয়ে ‘বাড়ির কাজের’ মাধ্যমে মূল্যায়নের বিষয়টি আগেভাগেই জানিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্ত্রণালয়। সেজন্য কোন পদ্ধতিতে তাদের পরবর্তী ক্লাসে প্রমোশন দেওয়া হবে তার সারসংক্ষেপ তৈরির কাজ শুরু করেছে গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। পদ্ধতি নির্ধারণ করে খুব শিগগিরই প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো হবে, সেখানে সায় মিললে জুলাই মাসের মধ্যেই এ সিদ্ধান্ত আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়ে দেওয়া হবে।

জানতে চাইলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আলমগীর মোহাম্মদ মনসুরুল আলম বলেন, করোনা পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়ায় আপাতত বাড়ির কাজের দিকে আমরা বেশি মনোযোগ দিচ্ছি। শেষ পর্যন্ত পরীক্ষা না নিতে পারলে বাড়ির কাজের মূল্যায়নের মাধ্যমে পরবর্তী শ্রেণিতে প্রমোশন দেওয়া হবে।

অন্যদিকে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি আগেই ইঙ্গিত দিয়েছেন, এবারের জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) পরীক্ষাও হবে না। একই রকম সিদ্ধান্ত হতে পারে জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষার ব্যাপারেও। এ দুটিই অষ্টম শ্রেণির সমাপনী পরীক্ষা।

গতবছর করোনা পরিস্থিতির কারণে পিএসসি, জেএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়া যায়নি। পিএসসি ও জেএসসি শিক্ষার্থীদের অটো প্রমোশন দেওয়া হয়। আর এসএসসি ও জেএসসি পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে এইচএসসি শিক্ষার্থীদের ফলাফল দেওয়া হয়।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পরীক্ষা না নেওয়া হলেও ছাত্রছাত্রীদের শিখন ঘাটতি পূরণের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আগে থেকেই টেলিভিশন ও বেতারে শিক্ষার্থীদের পাঠদানের ব্যবস্থা করা হয়েছে। পরে গুগলমিটের মাধ্যমে শিক্ষকদের ক্লাস নিতে বলা হয়েছে। ঘাটতি পূরণের পদক্ষেপে সর্বশেষ যুক্ত করা হয় ‘বাড়ির কাজ’। এ লক্ষ্যে তৈরি করা হয়েছে ‘অন্তর্বর্তীকালীন পাঠপরিকল্পনা’। তাতে বিষয়ভিত্তিক বাড়ির কাজ তৈরি করে দেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীর সংখ্যা হিসাব করে শিক্ষকরা তা ফটোকপি করবেন। এরপর সপ্তাহে একদিন শিক্ষার্থীর বাড়িতে গিয়ে তা বুঝিয়ে দিয়ে আসবেন। শিক্ষার্থী অভিভাবকের সহায়তায় বাড়ির কাজ করে রাখবে। পরের সপ্তাহে গিয়ে তা সংগ্রহের পাশাপাশি নতুন কাজ দিয়ে আসবেন শিক্ষক। দ্বিতীয় সপ্তাহে গিয়ে সেটা সংগ্রহ করে আবার তৃতীয় সপ্তাহের বাড়ির কাজ দিয়ে আসবেন। এই পাঠ পরিকল্পনাটি তৈরি করেছে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ)।

অন্যদিকে জেএসসি পরীক্ষার ব্যাপারে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের একজন কর্মকর্তা বলেন, জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষা নভেম্বরে নেওয়া হয়। অন্য বছর এই সময়ে রেজিস্ট্রেশন, ফর্ম পূরণসহ আনুষঙ্গিক কাজ শেষ করা হয়। শুরু হয় প্রশ্নপত্র তৈরি ও মুদ্রণকাজ। এবছর এসব নিয়ে মন্ত্রণালয়ের কোনো নির্দেশনা এখনও পাওয়া যায়নি। এতে বলা যায়, পরীক্ষাটি এবার নাও হতে পারে। এ নিয়ে আমাদের প্রস্তুতি বলতে কেবল রেজিস্ট্রেশন করে রাখা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরার ৬৬৫ টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবার পেল প্রধানমন্ত্রীর উপহার

আসাদুজ্জামান : “আশ্রয়ণের অধিকার শেখ হাসিনার উপহার” এই স্লোগানকে সামনে রেখে মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে সাতক্ষীরার ৬৬৫ টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবার পেল একক গৃহ দলিল ও ঘরের চাবি। রোববার সকালে জেলা শিল্পকলা একাডেমি থেকে উক্ত দলিল ও ঘরের চাবি হস্তান্তরের উদ্বোধন করা হয়।

জেলা প্রশাসনের আয়োজনে ও জেলা প্রশাসক এস.এম মোস্তফা কামালের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক আলহাজ¦ নজরুল ইসলাম, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আহসান হাবিব প্রমুখ।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দেশের মোট ৫৩ হাজার তিনশ’ ৪০টি ভূমিহীন পরিবার জমিসহ গৃহ হস্তান্তর কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় দ্বিতীয় পর্যায়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে এটি বাস্তবায়ন করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ব্যাটারিচালিত রিকশা-ভ্যান বন্ধের সিদ্ধান্ত জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

দেশের খবর : ব্যাটারিচালিত রিকশা-ভ্যান বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

রোববার (২০ জুন) সচিবালয়ে এক সভা শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় থেকে আদেশ জারি করা হবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাস টার্মিনাল ছাড়া কোনো জায়গা থেকে চাঁদা আদায় করা যাবে না। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, ‘সড়ক পরিবহন সেক্টরে শৃঙ্খলা জোরদারকরণ এবং দুর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছিল। যেই কমিটির ১১১টি সুপারিশ ছিল। পরে এ বিষয়ে টাস্কফোর্স গঠন করা হয়। বেশ কিছু সুপারিশ বাস্তবায়নে পথে, অল্প কিছু বাস্তবায়িত হয়েছে। বাকিগুলো কীভাবে বাস্তবায়ন করবো, আমরা সেই বিষয়ে কর্মপন্থা নির্ধারণ করেছি।’

আজকে সভার সিদ্ধান্ত তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা লক্ষ্য করেছি সারাদেশে রিকশা-ভ্যানের মধ্যে মোটর লাগিয়ে রাস্তায় চলছে। শুধু সামনের চাকায় ব্রেক, পিছনের চাকায় কোনো ব্রেক নেই বা ব্যবস্থা থাকলেও তা অপ্রতুল। সেগুলো যখন ব্রেক করে যাত্রীসহ গাড়ি উল্টে যায়। এই ধরনের দৃশ্য আমরা দেখেছি।’

‘আমরা দেখেছি হাইওয়েগুলোতেও এই রিকশা চলে আসছে। এজন্য সারাদেশে এই ধরনের রিকশা…প্যাডেলচালিত রিকশার বিষয়ে আমরা বলছি না। প্যাডেলচালিত রিকশাকে যারা ইঞ্জিন দিয়ে রূপান্তর করেছেন, সেই সব রিকশা-ভ্যান বন্ধ করার সিদ্ধান্ত আজকের সভায় নেয়া হয়েছে।’

ইজিবাইক, নছিমন, করিমনের জন্য দুর্ঘটনা ঘটছে। এগুলোর বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত- জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘নছিমন, করিমন, ভটভটি বিভিন্ন শহরে অটোরিকশা চলছে। আমরা সব জায়গায় যানবাহনের ব্যবস্থা করতে পারিনি। গ্রাম-গ্রামান্তরে সুন্দর রাস্তা হয়ে গেছে। হাঁটা কিংবা সাইকেল, মোটরসাইকেল, রিকশা ছাড়া পর্যাপ্ত যানবাহন নেই। সেজন্য নছিমন, করিমন পণ্য পরিবহন কিংবা যানবাহনের বিকল্প হিসেবে কাজ করছে। এটা নিয়েও আলোচনা হবে। খুব শিগগিরই এটাকে পরিমিত করা এবং ফাইনালি বন্ধ করা যায় কি-না সেটা নিয়ে আলোচনা হবে। আমরা সেখানেও কাজ করবো।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরো বলেন, ‘ইজিবাইক যথেষ্ট পরিমাণ এসে গেছে। ছোট ছোট গলিতে এগুলোর চলার কথা ছিল, প্রথমে সেভাবেই আসছিল। কিন্তু এরা সর্বত্র বিচরণ করছে। কমিশনার (ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার) জানিয়েছেন, ১৩ হাজার মোটরচালিত রিকশা-ভ্যান আমরা ধ্বংস করেছি। ইজিবাইক নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে, যাতে তারা তাদের নির্দিষ্ট স্থান থেকে বের হতে না পারে। হাইওয়েতে কিংবা বড় রাস্তায় না আসতে পারে। ক্রমান্বয়ে আমরা এটাও বন্ধ করে দেব।’

সভায় সংসদ সদস্য এবং বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের কার্যকরী সভাপতি শাজাহান খান, সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সভাপতি মো. মসিউর রহমান রাঙা, পুলিশ মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদ, টাস্কফোর্সের অন্যান্য সদস্যরা সশরীরে ও ভার্চুয়ালি উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় করোনা আক্রান্ত হয়ে ও উপসর্গে আরও ৬ জনের মৃত্যু

আসাদুজ্জামান : সীমান্ত জেলা সাতক্ষীরায় কিছুতেই কমছেনা করোনা সংক্রমনে মৃত্যু ও আক্রান্তের হার।

গত ২৪ ঘন্টায় সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও বিভিন্ন বেসরকারী হাসপাতালে ভাইরাসটিতে আক্রান্ত ও উপসর্গ নিয়ে মোট ৬ জন মারা গেছেন। এর মধ্যে তিন জন করোনা আক্রান্ত ব্যক্তি বিভিন্ন বেসরকারী হাসপাতালে ও বাকী তিন জন উপসর্গ নিয়ে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা গেছেন।

এনিয়ে জেলায় ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন আরো ৬০ জন। আর উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন অন্ততঃ ২৭১ জন। এছাড়া গত ২৪ ঘন্টায় ২৮ জনের নমুনা পরীক্ষা শেষে ১৪ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। যা শনাক্তের হার ৫০ শতাংশ। আজ পর্যন্ত জেলায় ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়েছেন মোট ২ হাজার ৮৫৪ জন।

এদিকে, তৃতীয় সপ্তাহের দ্বিতীয় দিনের লকডাউন চলছে সাতক্ষীরায়। লকডাউন উপেক্ষা করে মানুষ হাট বাজারে ভিড় করছেন। স্বাস্থ্যবিধি কিছুতেই মানতে চাচ্ছেন না। যদিও পুলিশ মোড়ে মোড়ে ব্যারিকেড দিয়ে চলাচল নিয়ন্ত্রণ করছেন। লকডাউনে জরুরি সেবা প্রতিষ্ঠান খোলা রয়েছে। ভোমরা স্থলবন্দরেও সীমিত পরিসরে চলছে আমদানী-রপ্তানী কার্যক্রম। ইতিমধ্যে জেলা শহর ও গ্রাম অঞ্চলের প্রায় প্রতিটি ঘরে ঘরে জ¦র, সর্দি, কাশিসহ নানা উপসর্গ নিয়ে ভুগছেন অধিকাংশ মানুষ।

সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন অফিসের করোনা বিষয়ক মূখপাত্র ডাঃ জয়ন্ত সরকার জানান, জেলায় করোনা আক্রান্ত ও উপসর্গ নিয়ে মোট ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে তিন জন করোনা আক্রান্ত হয়ে বিভিন্ন বেসরকারী হাসপাতালে ও বাকী তিন জন উপসর্গ নিয়ে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা গেছেন।

এছাড়া জেলায় ২১৭ জন করোনা আক্রান্ত ও উপসর্গ নিয়ে মেডিকেল কলেজ এবং সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বাকীরা বিভিন্ন বেসরকারী হাসপাতাল, প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিন ও নিজ নিজ বাড়িতে চিৎিসাধীন রয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটে ফ্রি এ্যাম্বুলেন্স সেবার উদ্বোধন

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরায় করোনায় আক্রান্ত রোগির হস্তান্তরের জন্য ফ্রি এ্যা¤ু^লেন্স সেবা চালু করেছে রেড ক্রিসেন্ট ইউনিট।
রোববার দুপুর ১টায় বৃষ্টি উপেক্ষা করে ফিতা কেটে এ সেবার উদ্বোধন করেন সাতক্ষীরা রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের চেয়ারম্যান, সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ¦ মো: নজরুল ইসলাম।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, সাতক্ষীরা রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের ভাইস চেয়ারম্যান শেখ নূরুল হক, সেক্রেটারি সৈয়দ ফিরোজ কামাল শুভ্র, সাতক্ষীরা রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের কার্যনির্বাহী সদস্য শেখ তৌহিদুর রহমান ডাবলু, শেখ হারুন উর রশিদ,আব্দুর রশিদ, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মাদ আলী সুজন, সাতক্ষীরা রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের উপ-পরিচালক ও ইউনিট লেভেল অফিসার এ এস এম আক্তার হোসেন, সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি এস এম আশিকুর রহমান প্রমুখ।

সাতক্ষীরায় করোনা মহামারি সংকটে মানুষের পাশে দাঁড়াতে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সদর দপ্তর হতে ফ্রি এ্যাম্বুলেন্স সেবা চালু করেছে। যে কোন মুহুর্তে করোনা আক্রান্ত রোগি হস্তান্তরের ক্ষেত্রে বিনামূল্যে সেবা প্রদান করা হবে। এজন্য সাতক্ষীরা রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের পক্ষ থেকে একটি হটলাইন চালু করা হয়েছে। হটলাইনে এ্যাম্বুলেন্স সেবা পেতে ০১৭২৮২০১৮২৬ নাম্বারে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন সাতক্ষীরা রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের নেতৃবৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আজ বিশ্ব বাবা দিবস

সংস্কৃতি ডেস্ক : বাবা মানে বটবৃক্ষের ছায়া। বাবা মানে নির্ভরতা। শাস্ত্রে বলা হয়-‘পিতা স্বর্গ পিতা ধর্ম পিতাহী পরমং তপঃ। পিতরী প্রিতিমাপন্নে প্রিয়ন্তে সর্ব দেবতা।’ এর অর্থ-‘পিতাই ধর্ম, পিতাই স্বর্গ, পিতাই পরম তপস্যা। সন্তানের প্রতি পিতা বা বাবার ভালোবাসা চিরকালের।’ বাবার প্রতি সন্তানের ভালোবাসা প্রকাশের একটি অন্যতম দিন বাবা দিবস। আজ সেই দিন। প্রতিবছর জুনের তৃতীয় রোববার বিশ্বব্যাপী বাবা দিবস উদ্যাপিত হয়। পশ্চিমা বিশ্বে এ ধারণা প্রচলিত হলেও আমাদের দেশেও দিনটি উদ্যাপন করা হয়।

১৯০৮ সালে প্রথম বাবা দিবসের উদ্যোগ নেওয়া হয়। যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট ভার্জিনিয়ার ফেয়ারমন্টে প্রথম ৫ জুলাই দিবসটি পালন করা হয়। এরপর ১৯৬৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট লিন্ডন বি জনসন জুনের তৃতীয় রোববারকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাবা দিবস হিসাবে নির্ধারণ করেন। ১৯৭২ সালে প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সন প্রতিবছর জাতীয়ভাবে বাবা দিবস পালনের রীতি চালু করেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কল্যাণে দিনটির উদ্যাপন আরও আড়ম্বরভাবে হয়ে থাকে। আজ বিশ্বের সব বাবার প্রতি ভালোবাসা জানাবেন সন্তানরা। ভালোবেসে উপহারও দেবেন। ফেসবুক, ইনস্টাগ্রামের ওয়ালগুলো ভরে যাবে প্রিয় বাবার ছবিতে। যাদের বাবা বেঁচে আছেন তারা আনন্দ-উচ্ছ্বাসে ছবি আপলোড করবেন। আর যাদের বাবা নেই, তারা বাবার ছবি পোস্ট করে, বাবাকে নিয়ে লিখে স্মৃতিচারণ করবেন।

সন্তান ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর থেকে বাবা-মা দুজনই সন্তানকে লালনপালন করে বড় করে তোলেন। কারও দায়িত্ব কারও চেয়ে কম নয়। আধুনিককালে একক পরিবারে বাবার গুরুত্ব অপরিসীম। অনেক পরিবারে বাবা-মা দুজনই উপার্জন করেন। কিন্তু এখনো আমাদের দেশের অনেক পরিবারে বাবাই একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। বাবার উপার্জনেই সংসারের সব ব্যয়নির্বাহ হয়। সন্তানের শারীরিক, মানসিক দুই ধরনের বেড়ে ওঠার জন্য বাবা তার সবকিছু উজাড় করে দেন। অনেক বাবা নিজে আধ পেট খেয়েও সন্তানের মুখে খাবার তুলে দেন। সন্তানকে সুস্থ মানুষ হিসাবে গড়ে তুলতে বাবা মুখ্য ভূমিকা পালন করেন। বাবার আদর্শ, মূল্যবোধ, চিন্তাচেতনা সন্তানের ওপর দারুণভাবে প্রভাব বিস্তার করে। এজন্য বলা হয়ে থাকে-বাবার হাত ধরেই সন্তানের চলতে শেখা। এ চলতে শেখার পাঠ সন্তানকে শিশুকাল থেকেই বাবা দিতে শুরু করেন। সন্তানের মঙ্গলার্থেই বাবার সারা জীবন ব্যয় হয়।

বর্তমান করোনাকালে অনেক বাবা ভালো নেই। অনেক বাবা কাজ হারিয়েছেন, অনেকের উপার্জন কমে গেছে। এরপরও সব কষ্ট সহ্য করে সন্তানকে আগলে রাখছেন বাবা। সন্তানের মুখে হাসি ফোটাতে তিনি নিরন্তন চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। বাবার সেই কষ্টের প্রতি সন্তানরা আজ শ্রদ্ধা জানাবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পশ্চিমবঙ্গ ভেঙে আলাদা রাজ্য চাইলেন বিজেপির এমপি

বিদেশের খবর : ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ভেঙে আলাদা রাজ্যের দাবিতে অনড় অবস্থানে রয়েছেন আলিপুরদুয়ারের বিজেপির সংসদ সদস্য জন বার্লা। উত্তরবঙ্গকে আলাদা রাজ্য অথবা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করার দাবি নিয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দ্বারস্থ হবেন তিনি। শনিবার (১৯ জুন) সাংবাদিকদের এমনটাই জানালেন জন বার্লা।

শনিবার আলিপুরদুয়ার চৌপিথি এলাকায় নিজের সাংসদ কার্যালয়ের উদ্বোধন করেন জন বার্লা। সেখান থেকে তিনি বুঝিয়ে বলেন, কেন উত্তরবঙ্গকে আলাদা রাজ্য বা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল ঘোষণার দাবি করেছেন। তার অভিযোগ, উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন এলাকা বিশেষ করে ‘চিকেন নেক’ এলাকার দখল নিয়েছেন বাইরের বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গারা। তারা রেশন কার্ড, ভোটার কার্ড সব বানিয়েছেন। অথচ সাধারণ নাগরিক সেবা থেকে স্থানীয়রা বঞ্চিত হচ্ছেন।

জন বার্লা বলেন, এই এলাকার প্রচুর মানুষ নির্বাচনের পর ঘরছাড়া, বাড়ি ফিরতে তাদের ঘুষ দিতে হচ্ছে। দেশের গুরুত্বপূর্ণ এই ‘চিকেন নেক’ এলাকাকে সুরক্ষিত করতে হবে। আর এসব কারণেই উত্তরবঙ্গকে আলাদা রাজ্য অথবা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল ঘোষণার দাবি তুলেছেন।

বিজেপির এই সংসদ সদস্য বলেন, এ দাবি আসলে সাধারণ নাগরিকদের। তিনি তা তুলে ধরেছেন মাত্র। এ দিন তিনি উত্তরবঙ্গের কামতাপুরি আন্দোলন, গ্রেটার কোচবিহারের দাবি, ষষ্ঠ তফশিলি তালিকভুক্ত করার দাবির কথাও তুলে আনেন। সাংসদ জানিয়েছেন, এই সব দাবিদারদের কাউকে অসন্তুষ্ট করতে চান না তিনি। সেই কারণে সামগ্রিকভাবে উত্তরবঙ্গকে আলাদা রাজ্য অথবা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করার দাবি তুলেছেন এবং তিনি এই দাবিতে এখনও অনড়।

বিজেপি সাংসদের এই দাবির বিষয় সামনে আসতেই কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার দলগতভাবে সেই দাবির পিছনে বিজেপির সঙ্গে সরাসরি কেএলও জঙ্গিগোষ্ঠীর যোগের জোরালো অভিযোগ তুলল তৃণমূল। তাদের বক্তব্য, যখন বিজেপি বিধায়ক ও সাংসদরা উত্তরবঙ্গকে বিচ্ছিন্ন করার দাবি তুলছে, ঠিক সে সময়েই কেএলও প্রধান জীবন সিং তার গোপন ডেরায় বসে অস্ত্র উঁচিয়ে সেই দাবিই তুলছেন। এটা কাকতালীয় নয়। দলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় টুইটে বলেছেন, কেন্দ্রে ক্ষমতাসীন বিজেপির বিষের অভাব নেই। গত মে মাসের ফলাফল থেকে শিক্ষা নেওয়া উচিত ছিল যে, বাংলায় এ জিনিস চলবে না।

দলের রাজ্যসভার মুখ্য সচেতক সুখেন্দুশেখর রায় বলেছেন, বিজেপি নেতাদের পাশাপাশি কেএলও নেতার একই সময় একই দাবি! নেহাত কাকতালীয় নয়। এর সঙ্গে সুনির্দিষ্ট যোগাযোগ আছে বলেই আমরা সন্দেহ করছি

জন বার্লার দাবি নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সম্পাদক সৌরভ চক্রবর্তী বলেন, হিম্মত থাকলে বাংলা ভাগ করে দেখাক। দর বাড়ানোর জন্য সাংসদ এসব করছেন। উত্তরবঙ্গকে অশান্ত করার চেষ্টা করছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দুই স্ত্রীর মধ্যে বিরোধ, মায়ের জিম্মায় ত্ব-হা

অনলাইন ডেস্ক : আত্মগোপন থেকে ফিরে আসার পর ধর্মীয় বক্তা আবু ত্ব-হা মুহাম্মদ আদনানকে প্রথমে পুলিশের হেফাজতে রাখা হয়। পরে ওই দিন রাতেই তাকে রংপুরের আদালতে তোলা হয়। পরে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন তিনি। বিচারক ত্ব-হার জবানবন্দিতে সন্তুষ্ট হয়ে তার মায়ের জিম্মায় মুক্তি দেন। তার আইনজীবী জানিয়েছেন, দুই স্ত্রীর মধ্যে বিরোধ থাকায় তার (ত্ব-হা) মায়ের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।

তবে আদালতে জবানবন্দি দিলেও বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে রাজি হননি ত্ব-হা। পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে তিনি অসুস্থ। তাই তিনি মিডিয়ার সামনে আসছেন না। তিনি বর্তমানে কোথায় আছেন সেটিও বলতে নারাজ তার পরিবার। সুস্থ হয়ে তিনি মিডিয়ার সঙ্গে কথা বলবেন বলে জানানো হয়েছে পরিবারের পক্ষ থেকে।

ত্ব-হার আইনজীবী সোলায়মান আহমেদ সিদ্দিকী বাবু জবানবন্দির বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ত্ব-হা আদালতে ১৬৪ ধারায় জানিয়েছেন, ‘তিনি গাইবান্ধায় ছিলেন। ত্ব-হা নিজেই পারিবারিক অশান্তির কারণে নিখোঁজ ছিলেন’। শুক্রবার প্রথম স্ত্রীর (আবিদা নূর) বাবার বাড়িতে আসছিলেন। ওনার সঙ্গীরাই ওনার সঙ্গে ছিলেন। যেহেতু দুই স্ত্রীর মধ্যে ঝামেলা ছিলো। তাই তাকে তার মায়ের জিম্মায় দেয়া হয়েছে।

এদিকে ত্ব-হা নিখোঁজ হওয়ার পর তার মায়ের সাধারণ ডায়েরির তদন্ত কর্মকর্তা মজনু মিয়া বলেন, ত্ব-হাসহ তিনজন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বেচ্ছায় জবানবন্দি দিয়েছেন। তাদের জবানবন্দিতে বিচারক সন্তুষ্টি জানিয়ে তাদের নিজ নিজ জিম্মায় ছেড়ে দেয়ার আদেশ দিয়েছেন।

তিনি বলেন, যে কারণে তারা ৮ দিন নিখোঁজ ছিলেন, সে বিষয়গুলো তারা তাদের জবানবন্দিতে বলেছেন।

সূত্র জানায়, ত্ব-হা জবানবন্দিতে আদালতে বলেছেন, তার ফিরে গিয়ে নিজেকে আড়াল করে রাখার পেছনে ‘ব্যক্তিগত কারণ’ ছিলো। তার বেশ কিছু ডিপ্রেশন বা বিষণ্নতা ছিলো। এ কারণেই সবার থেকে একটু আলাদা থাকার জন্য সিয়ামের বাসায় আশ্রয় নেন। সেখানে গিয়ে ত্ব-হা অসুস্থতা বোধ করেন। ছিলো করোনার উপসর্গও। ফলে তিনি একবারের জন্য ফোন খোলেননি।

আদালতকে জানিয়েছিলেন, যারা তার সঙ্গে ছিলেন, তারা তার খুব নিকটজন এবং বিশ্বস্ত। যে চালক গাড়ি চালাচ্ছিলেন, তিনিও তার ঘনিষ্ঠ। এ কারণে তারাও তার কথা শুনেছেন।

শুক্রবার সুস্থ বোধ করলে দুপুর ১২টার দিকে রংপুরে প্রথম শ্বশুরের বাসায় এসে অবস্থান করেন এবং অন্যরা সবাই তাদের নিজ নিজ বাসায় চলে যান।

ত্ব-হা আদালতকে জানিয়েছেন, তিনি নিখোঁজ হয়ে যাওয়ার পর তাকে নিয়ে যে এতো সব হয়েছে, তা তিনি ধারণাও করতে পারেননি। ফোন বন্ধ থাকায় অনলাইনে কী লেখালেখি হচ্ছে, তা তিনি ধারণা করতে পারেননি। টেলিভিশন থেকেও দূরে থাকায় বাইরের যে পরিবেশ ছিলো তিনি বা তার সঙ্গীরা আঁচ করতে পারেননি।

এ রকম অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার জন্য দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চাওয়ার কথাও উল্লেখ করেন জবানবন্দিতে।

ত্ব-হার প্রথম স্ত্রীর নাম আবিদা নুর, দ্বিতীয় স্ত্রী সাবিকুন্নাহার। প্রথম স্ত্রীর ঘরে তিন বছরের একটি মেয়ে ও দেড় বছর বয়সী একটি ছেলেসন্তান আছে। দ্বিতীয় স্ত্রী সাবিকুন নাহার সারা মিরপুর আল ইদফান ইসলামী গার্লস মাদ্রাসার পরিচালক ও শিক্ষক। তিন মাস আগে তাদের বিয়ে হয়েছিল।

গত ১০ জুন রাত থেকে কোনো খোঁজ মিলছিলো না ত্বহা, তার দুই সঙ্গী আব্দুল মুহিত, মোহাম্মদ ফিরোজ ও গাড়িচালক আমির উদ্দিনের। সেদিন বিকাল ৪টার দিকে ওই তিনজনসহ ত্ব-হা রংপুর থেকে ভাড়া করা একটি গাড়িতে ঢাকার পথে রওনা দেন। রাতে মোবাইল ফোনে সর্বশেষ কথা হলে তিনি সাভারে যাচ্ছেন বলে তার মাকে জানান।

এরপর রাত ২টা ৩৬ মিনিটে প্রথম স্ত্রী হাবিবা নূরের সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা হয় আদনানের। তিনি সাভার যাচ্ছেন বলেই জানান স্ত্রীকে। তারপর থেকেই তার ফোন বন্ধ থাকায় আর যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest