সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় নির্মাণাধীন ভবনের সাব-কন্টাক্টরের কাছে চাঁদা দাবি : থানায় অভিযোগতালায় আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা: সার সংকট, মাটি কাটা ও বালু উত্তোলন বন্ধে গুরুত্বারোপদেবহাটায় শিশুদের প্রারম্ভিক বিকাশে খেলাভিত্তিক সেশন পরিদর্শনসাতক্ষীরায় আবাসিক হোটেল-রেস্তোরাঁ – বেকারি ব্যবস্থাপনা বিষয়ক মতবিনিময়সাতক্ষীরায় মোজাম্মেল মিস্ত্রী হ%ত্যা মামলার দুই প্রধান আসামি সিলেটে গ্রেফতারশ্যামনগরে সুন্দরবনের বনদস্যু নির্মূলে মানববন্ধনএবিপার্টি সাতক্ষীরা সদর উপজেলার আহবায়ক কমিটির অনুমোদনসাতক্ষীরায় শিশু ধর্ষণ ও যৌন সহিংসতার প্রতিবাদে মানববন্ধনএডিসি রিপন বিশ্বাসের অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি দেওয়ার সিদ্ধান্ত সাতক্ষীরা আইনজীবী ফোরামেরপ্রেরণার নির্বাহী পরিচালক শম্পার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা

সাতক্ষীরায় বৃষ্টি উপেক্ষা করে করোনা প্রতিরোধে প্রচারনা ও উদ্বুদ্ধকরন র‌্যালি

আসাদুজ্জামান : সাতক্ষীরায় মুষলধারে বৃষ্টি উপেক্ষা করে করোনা প্রতিরোধে সচেতনতামূলক প্রচারনা ও উদ্বুদ্ধকরন র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের আয়োজনে শনিবার দুপুরে শহরের খুলনা রোড মোড়ে উক্ত সচেতনতামূলক প্রচারনা ও উদ্বুদ্ধকরন র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সাবেক স্বাস্থ্য মন্ত্রী ও আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা ডাঃ আফম রুহুল হক এমপি।

র‌্যালীতে আরো উপস্থিত ছিলেন, জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ¦ নজরুল ইসলাম, জেলা প্রশাসক এস.এম মোস্তফা কামাল, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান, জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক ও সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান বাবু, আওয়ামীলীগ নেতা হারুনার রশিদ, লায়লা পারভীন সেজুতি, ডাঃ সুব্রত কুমার ঘোষ প্রমুখ।

প্রধান অতিথি ডাঃ আফম রুহুল হক এমপি বলেন, করোনার ভারতীয় ডেল্টা ভেরিয়েন্ট খুবই শক্তিশালী। সাতক্ষীরায় হঠাৎ করেই করোনা আক্রান্ত রুগী ও মৃতের সংখ্যা বেড়ে গেছে। যা আগে কখনও দেখা যায়নি। শতকরা ৯০ থেকে ৯৫ ভাগ ভাইরাস এক মানুষ থেকে অন্য মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ছে। তবে, সবই প্রতিরোধ যোগ্য যদি আমরা সরকারের দেয়া স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলি। বিনা প্রয়োজনে সাধারন মানুষকে ঘরের বাইরে না আসার জন্য অনুরোধ জানিয়ে তিনি এ সময় সকলকে অবশ্যই মাস্ক পরার এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলারও আহবান জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পিতার সাথে জীবিকার সন্ধানের গিয়ে লাশ হলেন সাতক্ষীরার যুবক ই¯্রাফিল

নিজস্ব প্রতিনিধি :
পিতার সাথে জীবিকার সন্ধানের গিয়ে লাশ হলেন সাতক্ষীরার যুবক ই¯্রাফিল(২৩)।
শনিবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে কুমিল্লা মহাসড়কের এক মর্মান্তিক সড়ক দূর্ঘটনায় প্রাণ হারায় ই¯্রাফিল। মারাত্মক আহত হয় তার পিতা। সে সাতক্ষীরা পৌর এলাকার গড়েরকান্দা রহমতপুর গ্রামের মশিয়ার রহমানের পুত্র।

স্থানীয়দের বরাত দিতে সাতক্ষীরা ইটাগাছা ট্রাক ট্র্যাংকলড়ি শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সাহাঙ্গীর হোসেন শাহীন জানান, শনিবার ভোরে নিয়ন্ত্রন হারিয়ে চালক মশিয়ার তার সামনে থানা একটি ট্যাক্টরের সাথে ধাক্কা খায়। এতে ঘটনাস্থলেই চালকের পুত্র ই¯্রাফিল মারা যায়। চালক মশিয়ারের ডান পা ভেঙে মারাত্মক আহত হয়। যদিও তার অবস্থা আশংকা জনক।

তার পারিবারিক সূত্রে জানাগেছে, ই¯্রাফিলের পিতা মশিয়ার রহমান পেশায় ট্রাক চালক। গত কয়েক মাস পূর্বে ই¯্রাফিল বিবাহ করলেও কোন কাজ করত না। যে কারণে গত ১০/১২ পূর্বে পিতা-মাতার অনুরোধে জীবিকার সন্ধানে পিতার সাথে যায় ই¯্রাফিল। শনিবার সকালে কুমিল্লার হাইওয়ে পুলিশ বাড়িতে ফোন করে তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন।

নিহতের স্ত্রী মুন্নি খাতুন জানান, গতকাল দুপুরে কয়েকবার ফোন দিয়েছিল ই¯্রাফিল কিন্তু রিসিভ করতে দেরি হওয়ায় রাগ করে বলেছিল আর কখনো ফোন দিবো না। আসলে সে আর কখনো ফোন দেবে না।
এদিকে ই¯্রাফিলের মৃত্যুর খবর এলাকার আকাশা বাতাশ ভারি হয়ে উঠেছে। এলাকাজুড়ে এখন চলছে শোকের মাতম।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পরীমণিকে দুষলেন এবং দুদককে সম্পদের হিসাব চাওয়ার আহ্বান জানালেন হেলেনা

বিনোদন ডেস্ক : দেশের জনপ্রিয় অভিনেত্রী পরীমণি তাকে ধর্ষণ ও হত্যা চেষ্টার অভিযোগ আনার পর থেকে আলোচনার শেষ নেই। বিষয়টি নিয়ে সংসদেও কথা উঠেছে। এবার এ ঘটনা নিয়ে মুখ খুললেন নারী উদ্যোক্তা ও বোটক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হেলেনা জাহাঙ্গীর। এক সাক্ষাৎকারে তিনি সেই ঘটনায় পরীমণিকেই দোষারোপ করেছেন।

হেলেনা জাহাঙ্গীর দাবি করেছেন, অভিযুক্ত আবাসন ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদের মতো মানুষ কিছুতেই পরীমণিকে ধর্ষণের চেষ্টা করতে পারেন না। আমরা জানি না এখানে ইনজাস্টিস হচ্ছে কিনা। আমরা জাস্টিসের অপেক্ষায় আছি। নাসির সাহেব উনি চার-পাঁচবার নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট উত্তরা ক্লাবের। আমি যতগুলো ক্লাবের সদস্য, উনি ততগুলো ক্লাবের সঙ্গে আছেন। উনার আচার-আচরণে কোনোদিনই আমরা খারাপ কিছু দেখিনি। এটা আমার ব্যক্তিগত অভিমত।

হেলেনা জাহাঙ্গীর বলেন, বোট ক্লাব ও গুলশান ক্লাবের আমিও মেম্বার। নাসির ভাই আমার বাসায় এসেছেন, দাওয়াত খেয়েছেন। আমি কোনোদিন উনার চোখের নজর খারাপ দেখিনি জানিয়ে এই নারী উদ্যোক্তা আরও বলেন, ছেলের বউসহ আমার মেয়েরা ক্লাবের অ্যাসোসিয়েট মেম্বার। তারা রাত আটটার পরে ঘরের বাইরে থাকুক আমি চাইব না। আমার বাসার সামনে গুলশান ক্লাব। ওরা কোনোদিন যায় না। ওরা বরং বান্ধবীদের বাসায় গেলেও সন্ধ্যা সাতটার মধ্যে বাসায় ফিরে আসে।

তিনি পরীমণিকে উদ্দেশ্য করে বলেন, ‌‌‌‘আমি মনে করি, নায়িকা-গায়িকা সবকিছু বাদে সে তো একটা মানুষ। সে তো একটা মেয়ে। সে রাত ১২টার সময় দুই গাড়ি ভরে সেই কোথায় বোট ক্লাব, সেখানে কীভাবে যায়? আমার প্রশ্ন এটাই। তাকে যে ধর্ষণ ও হত্যা চেষ্টা করা হয়েছে কেউই কিন্তু দেখেনি। আমরা যদি ১৫ সেকেন্ডের ভিডিওটা শুনি ভালো করে, সেখানে কিন্তু কোনো নারীর আওয়াজ আসেনি।

হেলেনা জাহাঙ্গীর আরও বলেন, একটা ধর্ষণ চেষ্টা হওয়া নারী, যাকে নাকি হত্যা চেষ্টা করা হয়েছে সে মিডিয়ার সামনে হাসে কীভাবে। দেখলাম ডিবি অফিসের সামনে যখন গেল (পরীমণি), ও ক্যামেরার সামনে কেমন মুচকি মুচকি হাসতেছিল। একটা ধর্ষণ চেষ্টা হওয়া নারী যাকে হত্যা চেষ্টা করা হয়েছে সে এগুলো কেমনে করে! নাম্বার টু, দুই কোটি টাকা যদি তার সাথে লেনদেন হয়েই থাকে, আর সেই টাকার জন্য যদি নাসির উদ্দিন এমন করে থাকেন তাহলে সে তাকে চেনেন না কেন?

দুর্নীতি দমন কমিশনকে পরীমণির সম্পদের হিসাব চাওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আমি দুদকের কাছে অনুরোধ করবো, তার যে সম্পদ আছে সে সম্পদের হিসাব ও জবাবদিহিতা চাইতে। অনেক বড় বড় নায়িকা-নায়করা বলছেন তিনি সাড়ে তিন কোটি টাকার গাড়িতে চড়েন কীভাবে। এমনও বলেছে যে সে এখন বনানীতে যে ফ্ল্যাটে থাকেন সেটা ২৫-৩০ কোটি টাকা দামের ফ্ল্যাট। তার একটা সোফার দাম দেড়-দুই লাখ টাকা।

প্রসঙ্গত, গত ৮ জুন উত্তরার কাছের বিরুলিয়ায় ঢাকা বোট ক্লাবে পরীমণি তাকে ধর্ষণ ও হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন থানায়। এ ঘটনায় আবাসন ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদ ও অমিসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে মামলা দায়ের করেন এই চিত্রনায়িকা। মামলায় এখন পর্যন্ত পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ত্ব-হাসহ ৩ জনকে ‘নিজ জিম্মায়’ ছাড়া হলো

অনলাইন ডেস্ক : আটদিন নিখোঁজের পর ফিরে আসা আলোচিত ধর্মীয় বক্তা আবু ত্ব-হা মুহাম্মদ আদনানসহ তিনজনের জবানবন্দি নেয়ার পর ‘নিজ জিম্মায়’ ছেড়ে দেয়া হয়েছে।

শুক্রবার (১৮ জুন) রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ত্ব-হা মুহাম্মদ আদনানের মামা আমিনুল ইসলাম।

এর আগে শুক্রবার বিকেলে ডিবি কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে উপ-কমিশনার (অপরাধ) আবু মারুফ হোসেন জানান, গত ১০ জুন বৃহস্পতিবার রংপুর থেকে ঢাকার পথে রওনা হন আবু ত্ব-হা মুহাম্মদ আদনানসহ আব্দুল মুহিত, ফিরোজ আলম ও গাড়িচালক আমির উদ্দিন। পরে তারা ঢাকার গাবতলীতে পৌঁছালে ত্ব-হার ব্যক্তিগত সমস্যার কারণে সেখান থেকে আবার গাইবান্ধার ত্রিমোহনীতে চলে যান। সেখানে তার পূর্ব পরিচিত বন্ধু সিয়ামের বাড়িতে অবস্থান করেন।

তিনি আরও বলেন, ওই বাড়িতে অবস্থানকালে ত্ব-হার ইচ্ছাতেই সবাই তাদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন বন্ধ রাখেন। কিছুদিন এভাবে আত্নগোপনে থাকার সিদ্ধান্ত নেন। মূলত পারিবারিক ও ব্যক্তিগত বিভিন্ন সমস্যার কারণে ত্ব-হা আত্মগোপনে থাকতে চান বলে সঙ্গীদের জানান এবং মোবাইল ফোন বন্ধ রাখতে বলেন। তার কথায় রাজি হয়ে বাকিরাও স্বেচ্ছায় আত্মগোপনে ছিলেন। তবে তারা স্বেচ্ছায় আত্মগোপনে থাকার দাবি করলেও এই ঘটনা রাষ্ট্র বা সরকারকে বিব্রতকর পরিস্থিতে ফেলার কোনো ষড়যন্ত্র কি-না তা খতিয়ে দেখবে পুলিশ।

রংপুরে ওয়াজ মাহফিল শেষে ঢাকার বাসায় ফেরার পথে আবু ত্ব-হাসহ চারজন নিখোঁজ হন বলে অভিযোগ ওঠে। আবু ত্ব-হার পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছিল, ঢাকার গাবতলী থেকে তারা নিখোঁজ হন। আবু ত্ব-হার সঙ্গে নিখোঁজ হয়েছিলেন আরও তিন জন। এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে তাদের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না।

আবু ত্ব-হা মুহাম্মদ আদনানের প্রকৃত নাম আফছানুল আদনান। বয়স ৩১। তার মা আজেদা বেগম। বাবা মৃত রফিকুল ইসলাম। ছোট বোন রিতিকা রুবাইয়াত ইসলাম। আদনানের প্রথম স্ত্রী আবিদা নুর, তাদের সংসারে তিন বছরের একটি মেয়ে ও দেড় বছর বয়সী একটি ছেলে রয়েছে।

বাবা মারা যাওয়ার পর রংপুর নগরীর সেন্ট্রাল রোডে নানার বাড়িতে বড় হন আদনান। বিয়ের পর স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে নগরীর নিউ শালবন এলাকায় বসবাস করেন। কয়েক মাস আগে আদনান আরেকটি বিয়ে করেন। তার দ্বিতীয় স্ত্রী সাবিকুন্নাহার সারা ঢাকার মিরপুর আল ইদফান ইসলামী গার্লস মাদরাসার পরিচালক ও শিক্ষক।

আদনান প্রাতিষ্ঠানিক আরবি বা ইসলামি শিক্ষা গ্রহণ করেননি। তিনি রংপুর কারমাইকেল কলেজ থেকে দর্শন বিভাগে অনার্স ও মাস্টার্স সম্পন্ন করেন। কোরআন শিক্ষার জন্য কিছুদিন স্থানীয় একটি মাদরাসায় তালিম নেন।

এ সময় তিনি আহলে হাদিস নামে একটি সংগঠনের সঙ্গে জড়িত হন। এছাড়া লাইফ ফাউন্ডেশন, আলোর পথ এবং একাডেমিক কোরআন স্টাডিজ নামে কয়েকটি সংগঠনের সাথে জড়িত রয়েছেন আবু ত্ব-হা। ঢাকার মিরপুর আল ইদফান ইসলামী গার্লস মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতাও তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরার হাড়দ্দহে মুজিব শতবর্ষের গৃহহীনদের পূর্ণবাসন প্রকল্পের ২৭টি ঘর জবরদখল!

নিজস্ব প্রতিনিধি : মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে ভূমিহীন ও গৃহহীনদের পূর্ণবাসন প্রকল্পের আওতায় সাতক্ষীরা সদরের ভোমরা ইউনিয়নের হাড়দ্দহ গ্রামে নির্মিত ২৭টি ঘর রাতের আঁধারে দখল করা হয়েছে। জেলা প্রশাসক এসএম মোস্তফা কামাল বদলী হয়ে চলে যাচ্ছেন এমন খবরের ভিত্তিতে স্থানীয় একটি দালাল চক্র আর্থিক সুবিধা নিয়ে বৃহষ্পতিবার রাতে এ জবর দখলে সহযোগতিা করেন বলে অভিযোগ।
সাতক্ষীরা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অফিস সূত্রে জানা গেছে, মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে ভূমিহীন ও গৃহহীনদের পূর্ণবাসন প্রকল্পের আওতায় সাতক্ষীরা সদরের ভোমরা ইউনিয়নের হাড়দ্দহ গ্রামে প্রথমে এক লাখ ৭০ হাজার ও পরে এক লাখ ৯০ হাজার টাকা ব্যয়ে ৪৭টি ঘর নির্মাণ করা হয়। ঘর নির্মাণের বরাদ্দ পান শ্যামনগরের ঠিকাদার শহীদুল ইসলাম। ঘর পাওয়ার জন্য আবেদন করেন এক হাজার ৬০০ ভূমিহীন ও গৃহহীনসহ কিছু বিত্তশালি লোকজন। যাঁচাই বাছাই শেষে তালিকাভুক্ত করা ৪৭টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের মধ্যে ২০জনকে বৃহষ্পতিবার সাতক্ষীরা সদর সাব রেজিষ্ট্রি অফিস থেকে দলিল করে দেওয়া হয়। বাকী ২৭টি দলিল বিশেষ ব্যবস্থাপনায় শনিবার দলিল রেজিষ্ট্রি করে রোববার ওই ঘরের উদ্বোধন করবেন বিদায়ী জেলা প্রশাসক এসএম মোস্তফা কামাল।

শাঁখরা বাজার কমিটির সহসভাপতি আসাদুজ্জামান পলাশ, স্থানীয় বাসিন্দা জাহাঙ্গীর আলম, মফিজুল ইসলামসহ কয়েকজন জানান, ভোমরা ইউনিয়নে ভূমিহীন ও গৃহহীনদের সংখ্যা অনুযায়ি ৪৭টি ঘর খুবই নগন্য। সে কারণে ঘর না পাওয়া ভূমিহীনরা অনেকেই হতাশ ছিল। সে কারণে গুচ্ছগ্রামের মমতাজ, তার ছেলে আব্দুর রহমান, রোমিছা, শাহজাহান, আফছার আলী, আব্দুল কাদের গয়েশপুরের আব্দুর রব, বৈচানা গ্রামের মোজাহারের ছেলে চানবাবু, তার বোন খাদিজা, ফুফু আলেয়া, খানবাড়ির ফিরোজাসহ ২৭টি ভূমিহীন পরিবার বৃহষ্পতিবার রাতে দলিল না হওয়া ওই ২৭টি ঘরে দখলে নেয়। ঘরের মধ্যে তারা মালামাল নিয়েও আসে বসবাসের জন্য। তবে অপেক্ষাকৃত স্বচ্ছল ব্যক্তিদের কয়েকজনের নাম আছে ওই ৪৭ জনের তালিকায় বলে স্থানীয় গরীব মানুষের অভিযোগ রয়েছে।

নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় কয়েকজন জানান, একজন প্রভাবশালী আওয়ামী লীগ নেতাসহ, একটি দালাল চক্র মাথাপিছু ২০ থেকে ৫০ হাজার টাকা করে নিয়ে দলিল করিয়ে দেওয়ার কথা বলে বৃহষ্পতিবার রাতে ২৭জন ভূমিহীনকে ওইসব নতুন ঘরে তুলে দেয়। বিষয়টি শুক্রবার সকালে জানাজানি হলে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফতেমা তুজ জোহরা ও ভোমরা ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা কান্তিলাল সরকার ঘটনাস্থলে আসেন। তারা এসে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ইসরাইল গাজী ও জবরদখলকারিদের সঙ্গে কথা বলেন। তাদেরকে পরবর্তী কোটায় পর্যায়ক্রমে ঘর দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে দ্রত মালামাল নিয়ে চলে যাওয়ার নির্দেশ দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। ভূমিহীনরা চলে যাওয়ার পরপরই ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা কান্তি লাল সরকার ওই সব ঘরে তালা লাগিয়ে দেন।

এদিকে ভূমিহীন মমতাজ, রোমিছা ও খাদিজাসহ কয়েকজন জানান, জেলা প্রশাসক ২০টি ঘরের দলিল করে দিয়ে বদলী হয়েছেন, বাকীগুলো তাদের নামে রেজিষ্ট্রি করে দেওয়া যাবে বলে তাদের কাছ থেকে স্থানীয় কয়েকজন আওয়ামী লীগ নেতা ও দালাল তাদের কাছ থেকে মাথাপিছু ২০ থেকে ৫০ হাজার টাকা করে নিয়েছেন। টাকা নিয়েই তারা ঘর দখলে সহযোগিতা করেছেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার পরামর্শে তারা দখল ছেড়ে দিয়েছেন । তিন দিনের মধ্যে টাকা ফেরৎ না পেলে দাালাল নেতাদের নাম উল্লেখ করে তারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে ও থানায় অভিযোগ করবেন।

ভোমরা ইউপি চেয়ারম্যান ইসরাইল গাজী জানান, খালিঘর দখলে কোন টাকা পয়সা লেনদেনের বিষয়টি তার জানা নেই। তবে ভূমিহীনদের সংখ্যা অনুযায়ি ঘর কম বরাদ্দ হওয়ায় এ অবস্থার সৃষ্টি হলেও তা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার হস্তক্ষেপে সমস্যার সমাধান হয়ে গেছে।
জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও ভোমরা ইউপি’র সাবেক চেয়ারম্যান শহীদুল ইসলাম শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৬টায় সাংবাদিকদের বলেন, যারা দখলে করেছিল তাদেরকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সদর সহকারি ভূমি কর্মকর্তার নির্দেশ অনুযায়ি তুলে দেওয়া হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের প্রস্তৃতকৃত তালিকা অনুযায়ি ঘর দেওয়া হবে। এর সঙ্গে কোন নেতা বা দালালের আর্থিক লেনদেন আছে কিনা তার জানা নেই।
ভোমরা ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা কান্তি লাল সরকার বলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশ অনুযায়ি তালিকাভুক্ত ২৭ জনকে শনিবার দলিল রেজিষ্ট্রি করে খুব শ্রীঘ্রই তা হস্তান্তর করা হবে।

সাতক্ষীরা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফতেমা তুজ জোহরা সাংবাদিকদের জানান, প্রধানমন্ত্রী যে মহতী উদ্যোগ নিয়েছেন তা পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে। চাহিদার তুলনায় প্রথম দফায় অনেক কম লোক ঘর পাচ্ছেন। যাদের নাম তালিকায় না থাকার পরও ঘর দখল করেছিলেন তাদেরকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তারা অসহায় হলে পরবর্তী তালিকায় তাদের নাম অর্ন্তভুক্ত করে সমস্যার সমাধান করা হবে।#

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জেলা ব্যাপি কোভিড কমিটি গঠনের আহ্বান সাতক্ষীরা জেলা আ‘লীগের

জেলা ব্যাপি কোভিড কমিটি গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগ। শুক্রবার সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ¦ মো: নজরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক পত্রে সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের পক্ষ থেকে জেলার অন্তর্ভূক্ত ৭টি উপজেলা, ২টি পৌরসভা ও ৭৮টি ইউনিয়নের সভাপতি/সাধারণ সম্পাদকদের অবগতির জন্য জানিয়েছেন, কোভিড-১৯ সাতক্ষীরা জেলায় মারাত্মক আকার ধারণ করায়, জেলা প্রশাসনকে সহযোগিতার জন্য জেলা ব্যাপি ইউনিয়ন, উপজেলা, পৌরসভা এবং জেলায় বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের পক্ষ থেকে কোভিড-১৯ কমিটি গঠন করার জন্য কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা মন্ডলীর অন্যতম সদস্য, সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ডা: আ.ফ.ম রুহুল হক এমপি’র পরামর্শ মোতাবেক গঠন করার জন্য জেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি একে ফজলুল হক ও সাধারণ সম্পাদক আলহাজ¦ মো: নজরুল ইসলাম আহ্বান জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য যে, প্রত্যেক কমিটিতে আওয়ামীলীগের অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের নেতৃবৃন্দকে অন্তর্ভূক্ত করবেন, সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক কাঁচা বাজারসহ মুদি দোকান সকাল ৮টা হতে বেলা ১১টা এবং ঔষধের দোকান সারাদিন খোলা থাকবে। উক্ত কোভিট-১৯ কমিটি স্থানীয় প্রশাসনকে সার্বিক সাহায্য ও সহযোগিতা প্রদান করবেন। জনগণকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য উক্ত কমিটি জেলা ব্যাপি তদারকী করবেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ডেস্ক রিপোর্ট : গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে খুলনা বিভাগে আটজনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় নতুন করে এক হাজার ৩৩ জনের শরীরে শনাক্ত হয়েছে, যা এ পর্যন্ত বিভাগের শনাক্তের সর্বোচ্চ রেকর্ড। তবে মৃত্যু গতকালের চেয়ে ১০ জন কম। এ নিয়ে করোনা শনাক্তের সংখ্যা ৪৩ হাজার ৬৪৪ এবং মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৭৫ জনে।

আজ শুক্রবার দুপুরে বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক রাশেদা সুলতানা জানান, খুলনা বিভাগে গতকাল বৃহস্পতিবার ১০৩৩ জনের করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়। এটা এ পর্যন্ত সর্বোচ্চ শনাক্ত। গত বুধবার ৭৬৫ জনের, মঙ্গলবার ৮১৮ জনের, সোমবার ৮০০ জনের, রোববার ৬০৬ জনের, শনিবার ৩১৯ জনের, শুক্রবার ৫৯৯ জনের করোনা শনাক্ত হয়। যা প্রতিদিনই বৃদ্ধি পাচ্ছে কিন্তু গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু কিছুটা কমেছে।

বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক আরও জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় খুলনায় দুজন, সাতক্ষীরায় এক, যশোরে দুই, নড়াইলে দুই, মেহেরপুরে একজন মারা গেছে। একই সময় উপসর্গ নিয়ে খুলনা করোনা ডেডিকেটেড হাসাপতালে আরও দুজন মারা গেছে।

করোনা সংক্রমণের শুরু থেকে আজ সকাল পর্যন্ত বিভাগের ১০ জেলায় মোট শনাক্ত হয়েছে ৪৩ হাজার ৬৪৪ জন। করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭৭৫ জনে। এ সময় সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ৩৩ হাজার ৯৩৪ জন।

বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের জেলাভিত্তিক করোনা সংক্রান্ত তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, শনাক্ত ও মৃত্যুর সংখ্যার দিক থেকে খুলনা জেলা শীর্ষে রয়েছে। আর শনাক্তের দিক থেকে সবার নিচে রয়েছে মেহেরপুর মৃত্যুর সংখ্যায় সবার নিচে মাগুরা জেলা। খুলনায় গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে শনাক্ত হয়েছে ২২৬ জন। এ নিয়ে জেলায় মোট করোনা শনাক্ত হয়েছে ১২ হাজার ৪৪৯ জন। আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে ২০৩ জন এবং সুস্থ হয়েছে নয় হাজার ৮৯৪ জন।

বাগেরহাটে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছে ৮৯ জনের। এ নিয়ে জেলায় মোট করোনা শনাক্ত হলো দুই হাজার ৪৭৯ জন। আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে ৬৩ জন এবং সুস্থ হয়েছে এক হাজার ৬৬৬ জন।

সাতক্ষীরায় গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে শনাক্ত হয়েছে ৮৫ জন। এ নিয়ে জেলায় মোট করোনা শনাক্ত হয়েছে দুই হাজার ৭১১ জন এবং মারা গেছে ৫৬ জন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে এক হাজার ৮৭২ জন।

যশোরে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে শনাক্ত হয়েছে ২৯১ জন। এ নিয়ে জেলায় মোট করোনা শনাক্ত হয়েছে নয় হাজার ২৪৪ জন। এ সময় মারা গেছে ১০১ জন এবং সুস্থ হয়েছে ছয় হাজার ৭৪১ জন।

নড়াইলে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে শনাক্ত হয়েছে ৪৬ জন। এ নিয়ে জেলায় মোট করোনা শনাক্ত হয়েছে দুই হাজার ২১০ জন। মারা গেছে ৩০ জন এবং সুস্থ হয়েছে এক হাজার ৮৪৭ জন।

মাগুরায় গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে শনাক্ত হয়েছে ১০ জন। এ নিয়ে জেলায় মোট করোনা শনাক্ত হয়েছে এক হাজার ৩৭৫ জন। এ সময় মারা গেছে ২৪ জন এবং সুস্থ হয়েছে এক হাজার ২২০ জন।

ঝিনাইদহে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে শনাক্ত হয়েছে ৫৪ জন। এ নিয়ে জেলায় মোট করোনা শনাক্ত হয়েছে তিন হাজার ২৮২ জন। মারা গেছে ৬১ জন এবং সুস্থ হয়েছে দুই হাজার ৮৫৮ জন।

কুষ্টিয়ায় গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে শনাক্ত হয়েছে ১৫৬ জন। এ নিয়ে জেলায় মোট করোনা শনাক্ত হয়েছে ছয় হাজার ৬২ জন। মারা গেছে ১৪০ জন এবং সুস্থ হয়েছে চার হাজার ৯৫৭ জন।

চুয়াডাঙ্গায় গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছে ৪৩ জনের। এ নিয়ে জেলায় মোট করোনা শনাক্ত হয়েছে দুই হাজার ৪৪৭ জন। মারা গেছে ৬৬ জন এবং সুস্থ হয়েছে এক হাজার ৯৩১ জন।

মেহেরপুর গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছে ৩৩ জন। এ নিয়ে জেলায় মোট করোনা শনাক্ত হয়েছে এক হাজার ৩০০ জন। আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে ৩১ জন এবং সুস্থ হয়েছে ৯৪৮ জন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রতাপনগরে পানিতে ভাসছে বিস্তীর্ণ এলাকা, ইটের কবরে দাফন হলো যুবকের

আসাদুজ্জামান : ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে সৃষ্ট জলোচ্ছাসে সাতক্ষীরার আশাশুনির প্রতাপনগরে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হওয়ায় সেখানে কবর দেওয়ার মতো উঁচু জায়গা নেই। মৃত মানুষের দাফন করতে হচ্ছে বিকল্পভাবে। পানিবন্দি হয়েছেন হাজার হাজার মানুষ। মানুষের দূর্দশার শেষ নেই। খাওয়া দাওয়া তো দুরের কথা, মরা মানুষের শেষ বিদায় দেওয়ার মতো পরিবেশও নেই ওই এলাকায়। এমন পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার এক যুবকে মৃত্যু হয়। তাকে অভিনব পন্থায় দাফন সম্পন্ন করতে হয়েছে।

জানা গেছে, প্রতাপনগর ইউনিয়নের শহিদুল ইসলাম গাজীর ছেলে মাহমুদুল হাসান (৩৪) বৃহস্পতিবার সকালে তিনি তার কর্মস্থল কলারোয়ায় স্ট্রোকজনিত কারণে মৃত্যু বরন করেন। তার মরদেহ দুপুরে আনা হয় গ্রামের বাড়ি প্রতাপনগরে। কিন্তু প্রতাপনগরসহ তার আশে পাশের এলাকা পানির নিচে ডুবে থাকায় আছরের নামাজের পর বাড়ির সামনের রাস্তায় জানাজা নামাজ শেষে তাকে কবর দেয়া হয় বিকল্পভাবে। জোয়ারের পানি কমে গেলে বাধ্য হয়ে রাস্তার ধারে ইটের তৈরি কবরে সমাহিত করা হয় যুবক মাহমুদুল হাসানকে।
ডনহতের চাচা স্থানীয় আল আমিন মহিলা আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাসুম বিল্লাহ গাজী জানান, এলাকায় কবর দেয়ার মতো কোথাও মাটি না থাকায় রাস্তার ধারে ইট দিয়ে চৌবাচ্চা গেঁথে তার মধ্যে তাকে কবর দেয়া হয়েছে।

এ ব্যাপারে প্রতাপনগর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান জানান, সম্প্রতি ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে সৃষ্ট জলোচ্ছাসে বাঁধ ভেঙে পানিতে ভেসে যায় প্রতাপনগরের বিস্তীর্ণ জনপদ। এখনও পর্যন্ত সেখানে লোকালয়ে জোয়ার ভাটা খেলছে। গ্রামের প্রতিটি বাড়িতে জোয়ারের পানি থৈ থৈ করছে। কেউ মারা গেলে মাটি দেয়ার জায়গাটুকু পর্যন্ত নাই। তাই বাধ্য হয়ে বিকল্পভাবে মৃত ব্যক্তির দাফন করতে হচ্ছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest