সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় নির্মাণাধীন ভবনের সাব-কন্টাক্টরের কাছে চাঁদা দাবি : থানায় অভিযোগতালায় আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা: সার সংকট, মাটি কাটা ও বালু উত্তোলন বন্ধে গুরুত্বারোপদেবহাটায় শিশুদের প্রারম্ভিক বিকাশে খেলাভিত্তিক সেশন পরিদর্শনসাতক্ষীরায় আবাসিক হোটেল-রেস্তোরাঁ – বেকারি ব্যবস্থাপনা বিষয়ক মতবিনিময়সাতক্ষীরায় মোজাম্মেল মিস্ত্রী হ%ত্যা মামলার দুই প্রধান আসামি সিলেটে গ্রেফতারশ্যামনগরে সুন্দরবনের বনদস্যু নির্মূলে মানববন্ধনএবিপার্টি সাতক্ষীরা সদর উপজেলার আহবায়ক কমিটির অনুমোদনসাতক্ষীরায় শিশু ধর্ষণ ও যৌন সহিংসতার প্রতিবাদে মানববন্ধনএডিসি রিপন বিশ্বাসের অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি দেওয়ার সিদ্ধান্ত সাতক্ষীরা আইনজীবী ফোরামেরপ্রেরণার নির্বাহী পরিচালক শম্পার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা

হাসপাতাল থেকে গুলশানের বাসায় খালেদা জিয়া

রাজনীতির খবর : ৫৩ দিন রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর গুলশানের বাসায় ফিরেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। এ সময় যাতায়াতের রাস্তায় কড়া পুলিশি নিরাপত্তাবলয় তৈরি করা হয়। খালেদা জিয়ার গাড়ির সঙ্গে বা আশপাশে অন্য কোনো গাড়িকে যেতে দেওয়া হয়নি।

আজ শনিবার রাত সোয়া ৮টায় সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী গাড়ি বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার এভারকেয়ার হাসপাতাল ত্যাগ করে। গুলশানের বাসা ‘ফিরোজা’য় গিয়ে পৌঁছে রাত ৮টা ৩২ মিনিটের দিকে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, পুলিশের দুটি গাড়ি, তারপরে ব্যক্তিগত নিরাপত্তা রক্ষী-সিএসএফের একটি গাড়ি সামনে থেকে খালেদা জিয়ার গাড়িটিকে এগিয়ে নিয়ে যায়। খালেদা জিয়াকে বহনকারী গাড়ির পেছনে ছিল সিএসএফের কয়েকটি গাড়ি। তারপর ছিল বিএনপির মহাসচিব ও দলের জ্যেষ্ঠ নেতাদের গাড়ি।

হাসপাতাল থেকে খালেদা জিয়ার গাড়িবহর গুলশানের ‘ফিরোজা’য় রওয়ানা হওয়ার আগে থেকেই সড়কে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করে পুলিশ৷ খালেদা জিয়ার গাড়িবহরের সঙ্গে গণমাধ্যমের গাড়িকেও না যেতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে অনুরোধ করা হয়।

গত ১১ এপ্রিল খালেদা জিয়ার শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। একইসঙ্গে বিএনপির চেয়ারপারসনের বাসভবন ‘ফিরোজা’র আরও আটজন ব্যক্তিগত স্টাফও করোনায় আক্রান্ত হন। তাঁরা সবাই বাসায় থেকেই চিকিৎসা নিচ্ছিলেন।

ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকীর নেতৃত্বে খালেদা জিয়ার চিকিৎসা শুরু হয়। এরপর ২৭ এপ্রিল তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরদিন ২৮ এপ্রিল খালেদা জিয়ার চিকিৎসার জন্য ১০ সদস্যের মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়। এই মেডিকেল বোর্ডের নেতৃত্বে ছিলেন অধ্যাপক ডা. শাহাবুদ্দিন তালুকদার।

এর মধ্যে ৩ মে খালেদা জিয়ার শ্বাসকষ্ট বেড়ে যাওয়ায় তাঁকে সিসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ৬ মে তিনি করোনামুক্ত হন। এরপরও তাঁর শারীরিক জটিলতা থাকায় তিনি হাসপাতালে ভর্তি থেকে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন।

২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিশেষ আদালতের রায়ে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড নিয়ে কারাবন্দি হন খালেদা জিয়া। তারপর নাজিমউদ্দিন রোডের সাবেক কেন্দ্রীয় কারাগারে শুরু হয় তাঁর কারাজীবন। একই বছরের ৩০ অক্টোবর রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ মামলায় খালেদা জিয়ার সাজা পাঁচ বছর বাড়িয়ে ১০ বছরের আদেশ দেন বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের বেঞ্চ।

অন্যদিকে, ২০১৮ সালের ২৯ অক্টোবর জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দেন আদালত। রাজধানীর নাজিমউদ্দিন রোডের পুরোনো কেন্দ্রীয় কারাগারে অবস্থিত ঢাকার ৫ নম্বর অস্থায়ী বিশেষ জজ ড. মো. আখতারুজ্জামান এ রায় ঘোষণা করেন। রায়ে সাত বছরের কারাদণ্ড ছাড়াও খালেদা জিয়াকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানা অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ডাদেশ দেন আদালত।

নাজিমউদ্দিন রোডের পুরোনো কেন্দ্রীয় কারাগারে এক বছরের বেশি সময় বন্দিজীবন কাটানোর পর চিকিৎসার জন্য তাঁকে নিয়ে আসা হয় রাজধানীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) কেবিন ব্লকের প্রিজন সেলে।

গত বছর সারা বিশ্বে মহামারি করোনা ছড়িয়ে পড়লে শর্তসাপেক্ষে সরকার প্রধানের নির্বাহী আদেশে জামিন পান খালেদা জিয়া। প্রায় ২৫ মাস (কারাগার ও বিএসএমএমইউ’র প্রিজন সেল) কারাভোগের পর তিনি ২০২০ সালের ২৫ মার্চ মুক্ত হন। বিএসএমএমইউ প্রিজন সেল থেকে মুক্তির পর গুলশানে নিজের ভাড়া বাসা ‘ফিরোজা’য় অবস্থান করছেন সাবেক এ প্রধানমন্ত্রী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

অনলাইন ডেস্ক : সারাদেশে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরো ৬৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে দেশে এ ভাইরাসে মোট মৃত্যু হলো ১৩ হাজার ৪৬৬ জনের। এ সময়ে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন ৩০৫৭ জন। নতুন শনাক্তসহ মোট শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮ লাখ ৪৮ হাজার ২৭ জনে।

শনিবার (১৯ জুন) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঢাকা সিটিসহ দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ও বাড়িতে উপসর্গ বিহীন রোগীসহ গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন এক হাজার ৭২৫ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ৭ লাখ ৮০ হাজার ১৪৬ জন। সারাদেশে সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৫১০টি ল্যাবে নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষা হয়েছে। এর মধ্যে আরটি-পিসিআর ল্যাব ১৩২টি, জিন এক্সপার্ট ৪৪টি, র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন ৩৩৪টি। এসব ল্যাবে ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ হয়েছে ১৬ হাজার ৯৪৭টি। এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৬৩ লাখ পাঁচ হাজার ৫০৩টি।

এতে আরো জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষায় শনাক্তের হার ১৮ দশমিক ০২ শতাংশ। এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৪৫ শতাংশ এবং শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৯২ শতাংশ এবং শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৫৯ শতাংশ।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানানো হয়, ২৪ ঘণ্টায় মৃত ৬৭ জনের মধ্যে ঢাকা বিভাগে রয়েছেন ১৪ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ১১ জন, খুলনা বিভাগে ২৪ জন, রাজশাহী বিভাগে ৮ জন, সিলেট বিভাগের একজন, রংপুর বিভাগে ৮ জন এবং ময়মনসিংহের একজন রয়েছেন। এদের মধ্যে সরকারি হাসপাতালে ৫৭ জন, বেসরকারি হাসপাতালে ৭ জন এবং বাড়িতে ৩ জন মারা গেছেন।

মৃতদের বয়স বিশ্লেষণে দেখা যায়, ৬০ বছরে ঊর্ধ্বে ২৭ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ২২ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে ১২ জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের নিচে তিনজন, ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে তিনজন রয়েছেন।

এতে আরো জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশনে এসেছেন এক হাজার ২৩৪ জন ও আইসোলেশন থেকে ছাড় পেয়েছেন ৪৬৭ জন। এ পর্যন্ত আইসোলেশনে এসেছেন এক লাখ ৫৬ হাজার ১৪০ জন। আইসোলেশন থেকে ছাড়পত্র নিয়েছেন ১ লাখ ২৫ হাজার ৭১৪ জন। বর্তমানে আইসোলেশনে আছেন ৩০ হাজার ৪২৬ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য মতে, ২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে করোনাভাইরাসের প্রথম রোগী শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ করোনায় আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়। এরপর ধীরে ধীরে আক্রান্তের হার বাড়তে থাকে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ধুলিহরের মাদক ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ায় গ্রাম পুলিশের বিরুদ্ধে মিথ্যাচারের

নিজস্ব প্রতিনিধি:
সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ধুলিহরের চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ায় মাদক ব্যবসায়ী কর্তৃক গ্রাম পুলিশদের বিরুদ্ধে মিথ্যেচারের অভিযোগ উঠেছে। এই মিথ্যেচারের প্রতিবাদ জানিয়ে শনিবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে ধুলিহর গ্রামের মৃত. বিলাশ কৃষ্ণ সাহার ছেলে গ্রাম পুলিশ মিন্টু কুমার সাহা ভম্বল এই অভিযোগ করেন।
লিখিত বক্তব্যে মিন্টু কুমার সাহা ভম্বল বলেন, আমি ধুলিহর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের গ্রাম পুলিশ এবং কোমরপুর গ্রামের মৃত. মোহর আলীর ছেলে নজরুল ইসলাম ৭নং ওয়ার্ডের গ্রাম পুলিশ হিসেবে অত্যান্ত সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছি। কিন্তু ধুলিহর এবং ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়নের চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীরা এলাকায় মাদকের রাজত্ব গড়ে তোলার চেষ্টা করছে। তাদের মাদকের জালে জড়িয়ে এলাকার উঠতি বয়সী যুবকরা মাদকে আসক্ত হয়ে পড়ছে। এদের মধ্যে ধুলিহর এলাকার নুরমান মন্ডলের ছেলে সোহরাব আলী, মৃত আহম্মদ হোসেন কচির ছেলে শেখ বাদশা, চেলারডাঙ্গা গ্রামের মৃত নওশের আলীর ছেলে সাইফুল ইসলাম বেড়ে, উমরাপাড়া গ্রামের বাবলুর রহমানের ছেলে জুয়েল বিভিন্ন স্থানে মাদকের আসর বসিয়ে মাদক সেবন ও বিক্রি করে আসছিল। আমরা চেয়ারম্যানের পরামর্শক্রমে তাদের বিরুদ্ধে এলাকায় প্রতিরোধ গড়ে তুলি এবং পুলিশকে সহযোগিতা করে মাদক সিন্ডিকেট ভেঙ্গে দিতে কাজ করি। একপর্যায়ের তাদের এক সহযোগি কোমরপুর গ্রামের কাছেম আলী গাজির ছেলে আলতাফ হোসেনকে পুলিশে ধরিয়ে দেয়ার পর উল্লেখিত মাদক সিন্ডিকেট ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে আমাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র শুরু করে।

তিনি বলেন, আমরা গরিব মানুষ। ন্যায়ের পথে থেকে গ্রাম পুলিশের চাকুরি করে জীবিকা নির্বাহ করি। মাদক সেবী ও ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ায় আমাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। এলাকার মাদক সিন্ডিকেটের হোতা সোহরাব আলী, শেখ বাদশা, সাইফুল ইসলাম বেড়ে ও জুয়েল সাংবাদিকদের কাছে মিথ্যে তথ্য দিয়ে আমাদের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশ করে হয়রানির চেষ্টা করছে। এলাকায় শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ আমাদের সহযোগিতা নিয়ে থাকে। কিন্তু পরবর্তীতে ওই মাদক ব্যবসায়ীরা এবং অপরাধীচক্রের হোতারা আমাদের নানানভাবে হয়রানি, খুন জখমসহ বিভিন্ন হুমকি ধামকিও প্রদর্শন করে।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, উল্লেখিত মাদক ব্যবসায়ীরা নিজেরাই বাম ও ডান হাত দিয়ে, এমনকি পরিবারের সদস্যদের দিয়ে জাল স্বাক্ষর করিয়ে পুলিশ সুপার মহোদয়ের কাছে আমাদের বিরুদ্ধে একটি মিথ্যে অভিযোগ দেওয়ার পায়তারাও শুরু করেছে। এলাকার আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় সহযোগিতা করতে গিয়ে আমরা সব সময় নিরাপত্তাহীতনায় ভূগি। তারপরও এলাকায় মাদকের আখড়া উচ্ছেদ করতে ঝুঁকি নিয়ে ওই মাদক সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কাজ করে যাচ্ছি। যার ফলশ্রুতিতে আমাদের বিরুদ্ধে এধরনের জঘন্য ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে।
তিনি ওই মাদক সিন্ডিকেট চক্রের হাত থেকে রক্ষা পেতে এবং এলাকায় মাদক ব্যবসা ও মাদক সেবন বন্ধে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনিতে মোবাইল কোর্টে ২৫০০ টাকা জরিমানা আদায়

আশাশুনি প্রতিনিধি:
আশাশুনিতে মরণঘাতী করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে সামাজিক দূরত্ব বজায় না রাখা ও মুখে মাস্ক না পরার অপরাধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে তিনটি মামলায় তিন জনকে সর্বমোট ২ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। শনিবার বিকাল সাড়ে ৫ টায় বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এর নির্দেশে সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাহীন সুলতানা এ মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন।

মোবাইল কোর্ট পরিচালনাকালে স্বাস্থ্য বিধি অমান্য করে মাস্ক ব্যবহার না করার অপরাধে গোয়ালডাঙ্গা বাজারের কেরামত আলী গাজীর ছেলে মনিরুল গাজীকে ৫০০ টাকা, আতিয়ার রহমানের ছেলে খায়রুল ইসলামকে ১০০০ টাকা, তেঁতুলিয়া বাজারের আমজাদ সরদারের ছেলে আলাউদ্দীন সরদারকে ১০০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। এসময় স্বাস্থ্য বিধি অমান্য না করার জন্য জনসাধারণকে সচেনতন করেন। মোবাইল কোর্ট পরিচালনার সময় আইন শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্য ও অফিস সহকারি মোস্তাফিজুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মুক্তিযোদ্ধা স.ম. আলাউদ্দীন ছিলেন গন মানুষের নেতা— সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে স্মরণ সভায় বক্তারা

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : দৈনিক পত্রদূত সম্পাদক ও বিশিষ্ট আওয়ামীলীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ স.ম. আলাউদ্দীন এর ২৫তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে এক স্মরণসভা সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে অনুষ্টিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি মমতাজ আহমেদ বাপী।
সভায় সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মাদ আলী সুজনের সঞ্চালনায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, দৈনিক প্রথম আলোর স্টাফ রিপোর্টার কল্যান ব্যানার্জি, সাবেক সাধারণ সম্পাদক এম কামরুজ্জামান ও মোস্তাফিজুর রহমান উজ্জল, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মো: আব্দুল জলিল, সাংগঠনিক সম্পাদক এম ঈদুজ্জামান ইদ্রিস, সাহিত্য সংস্কৃতি ও ক্রীড়া সম্পাদক মোঃ শহিদুল ইসলাম, নির্বাহী সদস্য সেলিম রেজা মুকুল, গাজী টিভির কামরুল হাসান, বাংলা ভিশনের মো: আসাদুজ্জামান, দৈনিক নওয়াপাড়ার হাফিজুর রহমান, ভোরের পাতার এস এম মহিদার রহমান ঢাকা টাইমস এর এম বেলাল হুসাইন।
সভার শুরুতে শহিদ সাংবাদিক স.ম. আলাউদ্দীন এর রুহের মাগফিরাত কামনা করে এক মিনিট নিরাবতা পালন করা হয়।

করোনা ভাইরাসের কারণে সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আয়োজনে অনুষ্ঠিত স্মরণ সভায় বক্তারা বলেন স.ম. আলাউদ্দীন ছিলেন সাতক্ষীরার গণমানুষের নেতা। ১৯৯৬ সালের ১৯ জুন কালোরাতে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও পত্রদূত সম্পাদক স.ম. আলাউদ্দীনকে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা। হত্যার ২৫ বছর পেরিয়ে গেলেও আজও বিচারে খুনিদের শাস্তি না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন বক্তারা।
বক্তারা আরও বলেন স.ম. আলাউদ্দীনকে হত্যার মধ্য দিয়ে সাতক্ষীরার সার্বিক উন্নয়ন বাঁধাগ্রস্থ করা হয়েছিল। একজন প্রগতিশীল স.ম. আলাউদ্দীন সাতক্ষীরার সম্পদ ছিলেন। ৭১’-এ মহান মুক্তিযুদ্ধে তার অসামান্য অবদান ছিল। তিনি ছিলেন আপোষহীন নেতা, বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক হিসেবে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি আওয়ামীলীগের রাজনীতিদের সাথে জড়িত থেকে দলের দুঃসময়ে তৃণমূল নেতাকর্মীদের সংঘটিত করেছিলেন। তাঁর স্বপ্ন ছিল সাতক্ষীরাকে সমৃদ্ধশালী একটি জেলা হিসেবে রূপান্তরিত করা। তিনি সমাজের অবহেলিত, নির্যাতিত, বঞ্চিত মানুষের কথা তুলে ধরার জন্য নিজ হাতে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন দৈনিক পত্রদূত পত্রিকা।

তাঁর কর্মের মধ্য দিয়ে শহীদ স.ম. আলাউদ্দীন মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছিল। পত্রদূত পত্রিকার সম্পাদক স.ম. আলাউদ্দীন হত্যার বিচার দ্রুত বাস্তবায়ন করার দাবি জানান বক্তারা।
এর আগে শনিবার সকালে সম আলাউদ্দিনের পৈতৃক ভিটা পাটকেলঘাটার নগরঘাটা ইউনিয়নের মিঠাবাড়িতে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি মমতাজ আহমেদ বাপী ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মাদ আলী সুজনের নেতৃত্বে সাংবাদিকরা প্রয়াত নেতার প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে কবরে পুষ্প স্তবক অর্পন করেন। এ সময় কবর জিয়ারত ও দোয়া পরিচালনা করেন হাফেজ সাংবাদিক শেখ কামরুল ইসলাম।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় মৃত্যুর মিছিল : করোনায় ১ন ও উপসর্গে আরো ৮ জনের মৃত্যু

আসাদুজ্জামান : সাতক্ষীরায় করোনা সংক্রমনে মৃত্যুর মিছিল ভারী হয়ে উঠেছে। গত ২৪ ঘন্টায় সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে করোনা আক্রান্ত হয়ে একজন ও উপসর্গ নিয়ে আরও ৮ জন মারা গেছেন।

এনিয়ে জেলায় এ পর্যন্ত করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৫৭ জন। আর উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন আরো আরো অন্ততঃ ২৬৮ জন। এছাড়া ৯২ জনের নমুনা পরীক্ষা শেষে ৫৬ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। যা শনাক্তের হার ৬০ দশমিক ৮৬ শতাংশ।

এদিকে, বৃষ্টির মধ্যে চলছে তৃতীয় সপ্তাহের প্রথম দিনের লকডাউন। লকডাউন ও বৃষ্টি উপেক্ষা করে মানুষ হাট বাজারে ভিড় করছেন। স্বাস্থ্যবিধি কিছুতেই মানতে চাচ্ছেন না। যদিও পুলিশ মোড়ে মোড়ে ব্যারিকেড দিয়ে চলাচল নিয়ন্ত্রণ করছেন। লকডাউনে জরুরি সেবা প্রতিষ্ঠান খোলা রয়েছে। ভোমরা স্থলবন্দরেও সীমিত পরিসরে চলছে আমদানী-রপ্তানী কার্যক্রম। ইতিমধ্যে জেলা শহর ও গ্রাম অঞ্চলের প্রায় প্রতিটি ঘরে ঘরে জ¦র, সর্দি, কাশিসহ নানা উপসর্গ নিয়ে ভুগছেন অধিকাংশ মানুষ।

অপরদিকে, জেলায় ৪৩ জন করোনা আক্রান্ত রুগী মেডিকেল কলেজ ও সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এছাড়া ৮২১ জন ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে বিভিন্ন বেসরকারী হাসপাতাল, নিজ নিজ বাড়ি ও প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে চিৎিসাধীন রয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সবাইকে শেষ করতে চেয়েছিলেন মা-বাবা-বোনকে হত্যাকারী মেহজাবিন

দেশের খবর : রাজধানীর কদমতলীতে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে মা-বাবা ও বোনকে হত্যার ঘটনায় বড় মেয়ে মেহজাবিনকে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার দুপুরে তাকে আটকের পর থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

এর আগে সকালে মুরাদপুর এলাকার ২৮, লালমিয়া সরকার রোডের ছয় তলা বাড়ির দ্বিতীয় তলা থেকে মেহজাবিনের মা মৌসুমী ইসলাম (৪০) বাবা মাসুদ রানা (৫০) ও বোন জান্নাতুলের (২০) লাশ উদ্ধার করা হয়।

আর আহত অবস্থায় মেহজাবিনের স্বামী শফিকুল ইসলাম ও তার আগের ঘরের মেয়ে মারজান তাবাসসুম তৃপ্তিয়াকে (৬) ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

ঘাতকের চাচাতো বোন শিলা বলেন, মেহজাবিন তার পরিবারের সবাইকে শেষ করে দিতে চেয়েছিল। সে তার আগের ঘরের স্বামীকেও খুন করেছিল। সেই মামলায় মেহজাবিনসহ তার নিহত বাবা-মা ও বোনের জেল হয়েছিল। পাঁচ বছর জেল খেটে তারা জামিনে ছাড়া পায়।

তিনি আরও বলেন, গত দুদিন আগে স্বামী সন্তানকে নিয়ে মায়ের বাড়িতে বেড়াতে আসে মেহজাবিন। এসেই তার ছোট বোনের জান্নাতুলের সঙ্গে তার স্বামীর পরকীয়া রয়েছে বলে বাবা-মাকে অভিযোগ করে। এ নিয়ে অনেক কথা কাটাকাটি হয়। তার জেরেই হয়তো সে এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে।

এছাড়া প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, জায়গা সম্পত্তি নিয়েও পরিবারের সঙ্গে বিরোধ ছিল মেহজাবিনের। সম্পত্তি লিখে দেয়ার জন্য বাবা-মাকে অনেক চাপ দিত। এ নিয়ে এর আগে বৈঠক শালিস হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, মেহজাবিন তার বাবা-মা ও বোনকে হত্যা করার পর আজ সকাল ৮টায় ৯৯৯-এ কল করেন। এ সময় তিনি বলেন, ‘আপনার দ্রুত না আসলে আমার স্বামী ও মেয়েকে খুন করে ফেলব।’

পরে দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ নিহত তিনজনের লাশ উদ্ধার করে। আর মেহজাবিনের স্বামী ও সন্তানকে অচেতন অবস্থায় ঢামেকে পাঠায়।

পুলিশের ধারণা, শুক্রবার রাতে নেশাজাতীয় দ্রব্য খাইয়ে তিনজনকে গলায় ফাঁস দিয়ে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে।

ওসি জামাল উদ্দিন বলেন, ‘আমরা মরদেহগুলো হাত পা বাঁধা অবস্থায় পেয়েছি। গতকালকে রাতে তাদের হত্যা করা হয়েছে। হত্যা করেছে তাদেরই আরেক মেয়ে। সেই মেয়েকে আটক করা হয়েছে।’

এদিকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শফিকুল বলেন, শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে এসেছিলাম। গতকাল রাতে খাবার ও চা খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ি। আমার মেয়েও অচেতন হয়ে যায়।

ওয়ারী জোনের ডিসি ইফতেখারুল ইসলাম বলেন, মেহজাবিন হত্যা করে ঘটনাস্থল থেকে ফোন দেয়। পুলিশ দ্রুত না গেলে তার স্বামী ও সন্তানকে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। পরে পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় তাকে আটক করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ডেস্ক রিপোর্ট : খুলনা বিভাগে একদিন পর আবারও করোনাভাইরাসে সর্বোচ্চ মৃত্যু হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় অদৃশ্য এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে বিভাগে ২২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে কুষ্টিয়ায় সর্বোচ্চ সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে বিভাগে ৬২৫ জনের শরীরে করোনার উপস্থিতি পাওয়া গেছে এবং সুস্থ হয়েছেন আরও ১৯২ জন।

শনিবার (১৯ জুন) দুপুরে বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক রাশেদা সুলতানা এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের দপ্তর সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় কুষ্টিয়ার সাতজন, খুলনার তিনজন, সাতক্ষীরার চারজন, যশোরের তিনজন, চুয়াডাঙ্গার দুইজন, মেহেরপুরের দুইজন এবং ঝিনাইদহের একজন মৃত্যুবরণ করেছেন।

এর আগে বৃহস্পতিবার (১৭ জুন) বিভাগে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ১৮ জনের মৃত্যু হয়। তবে শুক্রবার বিভাগে ৮ জনের মৃত্যু হয়।

খুলনা বিভাগের মধ্যে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয় চুয়াডাঙ্গায় গত বছরের ১৯ মার্চ। করোনা সংক্রমণের শুরু থেকে শনিবার সকাল পর্যন্ত বিভাগের ১০ জেলায় মোট শনাক্ত হয়েছে ৪৪ হাজার ২৬৯ জন। আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭৯৭ জনে। এ সময় সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৩৪ হাজার ১২৬ জন।

বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের জেলাভিত্তিক করোনা সংক্রান্ত তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, খুলনায় ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে শনাক্ত হয়েছে ১৪৯ জন। এ নিয়ে জেলায় মোট করোনা শনাক্ত হয়েছে ১২ হাজার ৫৯৮ জন। মারা গেছে ২০৬ জন এবং সুস্থ হয়েছেন ৯ হাজার ৯৩৪ জন।

বাগেরহাটে নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছে তিনজনের। এ নিয়ে জেলায় মোট করোনা শনাক্ত হয়েছে ২ হাজার ৪৮২ জন। আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৬৩ জন এবং সুস্থ হয়েছেন ১ হাজার ৭২২ জন।

সাতক্ষীরায় ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে শনাক্ত হয়েছে ৫৬ জন। এ নিয়ে জেলায় মোট করোনা শনাক্ত হয়েছে ২ হাজার ৮৫২ জন এবং মারা গেছেন ৬০ জন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১ হাজার ৯২৮ জন।

যশোরে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে শনাক্ত হয়েছে ১৬৩ জন। এ নিয়ে জেলায় মোট করোনা শনাক্ত হয়েছে ৯ হাজার ৪০৭ জন। মারা গেছেন ১০৪ জন এবং সুস্থ হয়েছেন ৬ হাজার ৭৪১ জন।

২৪ ঘণ্টায় নড়াইলে নতুন করে শনাক্ত হয়েছে ১৮ জন। এ নিয়ে জেলায় মোট করোনা শনাক্ত হয়েছে ২ হাজার ২১৮ জন। মারা গেছেন ৩০ জন এবং সুস্থ হয়েছেন ১ হাজার ৮৪৭ জন।

মাগুরায় ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে শনাক্ত হয়েছে ১০ জন। এ নিয়ে জেলায় মোট করোনা শনাক্ত হয়েছে ১ হাজার ৩৮৫ জন। এ সময় মারা গেছেন ২৪ জন এবং সুস্থ হয়েছেন ১ হাজার ২২০ জন।

ঝিনাইদহে ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে শনাক্ত হয়েছে ২৪ জন। এ নিয়ে জেলায় মোট করোনা শনাক্ত হয়েছে ৩ হাজার ৩০৬ জন। মারা গেছেন ৬২ জন এবং সুস্থ হয়েছেন ২ হাজার ৮৬৮ জন।

২৪ ঘণ্টায় কুষ্টিয়ায় নতুন করে শনাক্ত হয়েছে ১১২ জন। এ নিয়ে জেলায় মোট করোনা শনাক্ত হয়েছে ৬ হাজার ১৭৪ জন। মারা গেছেন ১৪৭ জন এবং সুস্থ হয়েছেন ৪ হাজার ৯৭৩ জন।

চুয়াডাঙ্গায় ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে শনাক্ত হয়েছে ৭৬ জন। এ নিয়ে জেলায় মোট করোনা শনাক্ত হয়েছে ২ হাজার ৫২৩ জন। মারা গেছেন ৬৮ জন এবং সুস্থ হয়েছেন ১ হাজার ৯৩৮ জন।

মেহেরপুরে নতুন করে শনাক্ত হয়েছে ১৪ জন। এ নিয়ে জেলায় মোট শনাক্ত হয়েছে ১ হাজার ৩১৪ জন। আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৩৩ জন এবং সুস্থ হয়েছেন ৯৫৫ জন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest