সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় নির্মাণাধীন ভবনের সাব-কন্টাক্টরের কাছে চাঁদা দাবি : থানায় অভিযোগতালায় আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা: সার সংকট, মাটি কাটা ও বালু উত্তোলন বন্ধে গুরুত্বারোপদেবহাটায় শিশুদের প্রারম্ভিক বিকাশে খেলাভিত্তিক সেশন পরিদর্শনসাতক্ষীরায় আবাসিক হোটেল-রেস্তোরাঁ – বেকারি ব্যবস্থাপনা বিষয়ক মতবিনিময়সাতক্ষীরায় মোজাম্মেল মিস্ত্রী হ%ত্যা মামলার দুই প্রধান আসামি সিলেটে গ্রেফতারশ্যামনগরে সুন্দরবনের বনদস্যু নির্মূলে মানববন্ধনএবিপার্টি সাতক্ষীরা সদর উপজেলার আহবায়ক কমিটির অনুমোদনসাতক্ষীরায় শিশু ধর্ষণ ও যৌন সহিংসতার প্রতিবাদে মানববন্ধনএডিসি রিপন বিশ্বাসের অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি দেওয়ার সিদ্ধান্ত সাতক্ষীরা আইনজীবী ফোরামেরপ্রেরণার নির্বাহী পরিচালক শম্পার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা

প্রথম স্ত্রীর বাসা থেকেই উদ্ধার হন ত্ব-হা : পুলিশ

দেশের খবর : রংপুরে প্রথম স্ত্রীর বাসা থেকেই ধর্মীয় বক্তা আবু ত্ব-হা মুহাম্মদ আদনান উদ্ধার হন বলে জানিয়েছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

শুক্রবার (১৮ জুন) বিকেলে রংপুর ডিবির কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে কর্মকর্তারা এ কথা জানান। সেখানে বলা হয়, আদনান এর আগে গাইবান্ধায় ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে রংপুর মহানগর পুলিশের (আরএমপি) ক্রাইম ডিভিশনের উপ-কমিশনার আবু মারুফ হোসেন জানান, মা ও ভাইয়ের জিডির সূত্রে আমরা অনুসন্ধান করতে থাকি। আজকে আমরা গোপন সূত্রে জানতে পারি আবু তার ত্ব-হা তার যে চারতলার মসজিদে প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে আছেন। সেই সংবাদ পেয়ে আমরা তাকে নিয়ে আসি। তাকে জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে আমরা অপর সঙ্গীদের সন্ধান পাই।

এর আগে বিকেল পৌনে ৫টার দিকে রংপুর ডিবি কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন শুরু হয়। বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে আবু ত্ব-হাকে ডিবি কার্যালয়ে নেয়া হয়।

সপ্তাহখানেক নিখোঁজ থাকার পর সন্ধান মিলেছে রংপুরের আলোচিত বক্তা আবু ত্ব-হা মুহাম্মদ আদনানের। শুক্রবার বিকেলে তার খোঁজ পাওয়া যায়। প্রথমে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তাকে শ্বশুরবাড়ি আজহারুল ইসলাম মন্ডলের বাড়িতে ঢুকতে দেখেন তার প্রতিবেশী বিপ্লব মিয়া।

গত ১০ জুন রংপুর থেকে ঢাকায় আসার পথে ইসলামী বক্তা আবু ত্ব-হা মুহাম্মদ আদনান নিখোঁজ হন। এছাড়াও তার সঙ্গে নিখোঁজ হন আব্দুল মুহিত, মোহাম্মদ ফিরোজ ও গাড়িচালক আমির উদ্দীন। তবে কোথা থেকে কীভাবে নিখোঁজ হন এমন তথ্য দিতে পারছিলো না আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও।

অনেকে অভিযোগ তুলছিলো, সমসাময়িক অন্যান্য ইস্যুতে আন্তরিকতা দেখালেও ত্ব-হার নিখোঁজের বিষয়ে তেমন কোনো তৎপরতা দেখাচ্ছে না সরকার। এই নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ব্যাপক সমালোচনা হচ্ছিলো।

ত্ব-হার নিখোঁজ হওয়ার তথ্য জানিয়ে দারুসসালাম এবং মিরপুর থানায় গেলে কোনো থানাই সাধারণ ডায়েরি বা মামলা গ্রহণ করেনি বলেও অভিযোগ করেছেন তার পরিবার। এ নিয়ে সর্বশেষ রংপুর সদর থানায় একটি জিডি করা হয়।

ত্ব-হার মা আজেদা বেগম জানিয়েছিলেন, গত ১০ জুন সকালে তাকে ত্ব-হা জানিয়েছিলেন, বেশ ক’দিন ধরে দুই অপরিচিত ব্যক্তি তাকে অনুসরণ করছে। এ নিয়ে জীবন শঙ্কায় আছেন তিনি। তারা তার ক্ষতি করতে পারে। ঢাকায় চলে যেতে চান তিনি, ঢাকায় গেলে নিরাপদে থাকবেন।

আজেদা বেগম বলেন, ওইদিন বিকেল ৪টার দিকে ত্ব-হা তার তিন অনুসারীসহ ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেন। শুক্রবার সাভারের একটি মসজিদে বক্তৃতা শেষ করে কিছুদিন ঢাকায় থাকার কথা ছিল তার। ঢাকায় যাবার সময় হঠাৎ আমাকে বুকে জড়িয়ে খুব কান্না করছিলো ত্ব-হা। নামাজে সেজদায় পড়ে তার নিরাপত্তা ও নিরাপদে ফিরে আসার জন্য দোয়াও করতে বলেছিলো। এরপর ওই রাত থেকেই নিখোঁজ ত্ব-হা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অবৈধভাবে প্রবেশ : সাতক্ষীরা সীমান্তে ২ ভারতীয় নাগরিকসহ আটক ১১

আসাদুজ্জামান : লকডাউনের মধ্যেও ভারত থেকে বিনা পাসপোর্টে বাংলাদেশে আসার সময় সাতক্ষীরার তলুইগাছা ও কুশখালী সীমান্ত থেকে ১১ জনকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। তাদের মধ্যে ভারতীয় নাগরিক আফতাব মোল্লা ও তার শিশু সন্তান রুহিনীকে বিএসএফ এর হাতে হস্তান্তর করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর থেকে শুক্রবার সকাল পর্যন্ত সীমান্তে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

আটককৃত অন্যরা হলেন, চুয়াডাঙ্গা জেলার সিরাজগঞ্জ থানার বালিয়াকান্দি গ্রামের ঝর্না বেগম, খুলনা জেলার দৌলতপুর থানার পাবলা গ্রামের রিজিয়া খাতুন, কিশোরগঞ্জ জেলা সদরের পাইকপাড়া গ্রামের খাদিজা খাতুন, তার শিশু কন্যা নাইমা ইসলাম, সাতক্ষীরার কলারোয়া থানার গৈয়া গ্রামের সুমন মিয়া, খুলনা জেলার দৌলতপুর থানা পাবলা গ্রামের কৃষ্ণা শীল, একই জেলার কয়রা থানার শ্রীরামপুর গ্রামের ইয়াসিন সানা, তার স্ত্রী লাভলী বেগম ও তাদের শিশু কন্যা ইয়াসমিন জাহান ।

বিজিবির সাতক্ষীরাস্থ ৩৩ ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক লে. কর্নেল আল মাহমুদ জানান, তারা পাসপোর্ট ছাড়াই ভারত থেকে চোরাই পথে বাংলাদেশে আসছিল। আটক দুই ভারতীয় নাগরিককে বিএসএফ এর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। অপর ৯ জনকে প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনায় সাতক্ষীরা সদর উপজেলার পদ্মশাখরা ও কলারোয়া উপজেলার সোনাবাড়িয়ায় প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয়েছে। কোয়ারেন্টাইন শেষে আটককৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের পর থানায় সোপর্দ করা হবে।

তিনি আরও জানান, করোনা সংক্রমন রোধে সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির কড়া নজরদারি শুরু হয়েছে। গত ৩ সপ্তাহে অবৈধ যাতায়াতকালে সাতক্ষীরা সীমান্ত থেকে তিন মানবপাচারকারীসহ ৭১ জনকে আটক করা হয়েছে বলে আরো জানান বিজিবি এই অধিনায়ক।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় করোনায় ১ ও উপসর্গে ৪ জনের মৃত্যু, স্বাস্থ্যবিধি মানছে না মানুষ

আসাদুজ্জামান : সাতক্ষীরায় চলমান লকডাউনের মধ্যে প্রানঘাতী করোনায় আক্রান্ত হয়ে একজন ও উপসর্গ নিয়ে আরো চার জনের মৃত্যু হয়েছে।

বিভিন্ন সরকারী ও বেসরকারী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ২৪ ঘন্টায় তারা মারা যান। এর মধ্যে করোনা আক্রান্ত শ্যামনগরের আশুতোষ খুলনায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।

এছাড়া ভাইরাসটির উপসর্গ নিয়ে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৩ জন ও শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে আরো একজন মারা গেছেন। এনিয়ে করোনা আক্রান্ত হয়ে জেলায় মারা গেছেন মোট ৫৬ জন। আর ভাইরাসটির উপসর্গ নিয়ে আজ পর্যন্ত মারা গেছেন অন্ততঃ ২৬০ জন।

এছাড়া জেলায় গত ২৪ ঘন্টায় ১৮৮ জনের নমুনা পরীক্ষা শেষে ৮৫ জনের করোনা পজেটিভ শনাক্ত হয়েছে। যা সংক্রমনের হার ৪৫ দশমিক ২১ শতাংশ।

উপসর্গে মৃতরা হলেন, সদর উপজেলার দেবনগর গ্রামের মনোয়ারা, শ্যামনগর উপজেলার ভেটখালী সোরা গ্রামের কলিম উদ্দীন ও কালিগঞ্জ উপজেলার নলতা গ্রামের তহমিনা। এছাড়া বেসরকারী হাসপাতালে যিনি মারা গেছেন তার নাম পরিচয় পাওয়া যায়নি।

এদিকে, চলমান লকডাউনের দ্বিতীয় সপ্তাহের শেষ দিন আজ শুক্রবার। কাল শনিবার থেকে আরও এক সপ্তাহের লকডাউন শুরু হচ্ছে। লকডাউনে শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে পুলিশ চেকপোস্ট বসিয়ে চলাচল নিয়ন্ত্রণ করছে। তবে, সাধারন মানুষ কিছুতেই মানতে চাচ্ছেননা স্বাস্থ্যবিধি। হাট-বাজারগুলোতে সাধারন মানুষের ভিড় লক্ষনীয়।

লকডাউনে জরুরি সেবা প্রতিষ্ঠান খোলা রয়েছে। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে খুলনা ও যশোর থেকে সাতক্ষীরায় প্রবেশের পথ। ভোমরা স্থলবন্দরেও সীমিত পরিসরে চলছে আমদানী-রপ্তানী কার্যক্রম। তবে ভারতীয় চালক ও হেলপাররা যাতে খোলামেলা ঘুরে বেড়াতে না পারেন এবং সীমান্ত দিয়ে কেউ যাতে পারাপার না হতে পারেন সে জন্য পুলিশ ও বিজিবির নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে। এরই মধ্যে জেলা শহর ও গ্রাম অঞ্চলের প্রায় প্রতিটি ঘরে ঘরে জ¦র, সর্দি, কাশিসহ নানা উপসর্গ নিয়ে ভুগছেন অধিকাংশ মানুষ।

জেলার একমাত্র করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতাল সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১৬১ জন ও সদর হাসপাতালে ২৪ জন ভাইরাসটিতে আক্রান্ত ও উপসর্গ নিয়ে ভর্তি রয়েছেন। বাকীরা বিভিন্ন বেসরকারী হাসপাতাল, প্রাতিষ্ঠানিক ও হোম কোয়ারেন্টিনে রয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নিখোঁজের ৮ দিন পর বাসায় ফিরেছেন সেই ত্ব-হা

অনলাইন ডেস্ক : নিখোঁজ আলোচিত ইসলামি বক্তা আবু ত্ব-হা মুহাম্মদ আদনান তার রংপুরের বাসায় ফিরে এসেছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।

কোতোয়ালি থানার ওসি আবদুর রশিদ গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ত্ব-হার শ্যালক জাকারিয়া হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, আবু ত্ব-হা বর্তমানে তার শ্বশুর বাড়িতে রয়েছেন।

তবে এতদিন তিনি কোথায় ছিলেন, কীভাবে ফিরলেন সে সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে কিছু জানা যায়নি।

গত ১০ জুন রংপুর থেকে ঢাকায় আসার পথে রাজধানীর গাবতলী এলাকা থেকে ইসলামি বক্তা আবু ত্ব-হা মুহাম্মদ আদনান নিখোঁজ হন। এছাড়াও তার সঙ্গে নিখোঁজ হয়েছেন আব্দুল মুহিত, মোহাম্মদ ফিরোজ ও গাড়িচালক আমির উদ্দীন।

ত্ব-হার নিখোঁজ হওয়ার তথ্য জানিয়ে দারুসসালাম এবং মিরপুর থানায় গেলে কোনো থানাই সাধারণ ডায়েরি বা মামলা গ্রহণ করেনি বলেও অভিযোগ করেছেন তার পরিবার। এ নিয়ে সর্বশেষ রংপুর সদর থানায় একটি জিডি করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ডেস্ক রিপোর্ট : লঘুচাপ কেটে যাওয়ায় শান্ত হয়ে এসেছে সাগর। ফলে এক সপ্তাহ পর সমুদ্রবন্দরগুলো থেকে নামানো হলো তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত।

এর মধ্যেই বৃহস্পতিবার দেশের সর্বোচ্চ বর্ষণ রেকর্ড করা হয়েছে সাতক্ষীরায়। এই বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ছিল ৮০ মিলিমিটার।

তবে মৌসুমি বায়ু সক্রিয় থাকায় দেশে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বেড়েছে। এক্ষেত্রে খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগে রয়েছে ভারী বর্ষণের আভাস। ঝড়ের আশঙ্কা থাকায় নদীবন্দরে রয়েছে এক নম্বর সতর্কতা সংকেত।

আবহাওয়া অফিস জানায়, বৃহস্পতিবার সারাদেশেই মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণ হয়েছে। চট্টগ্রাম বিভাগে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হয়েছে। আর খুলনায় ভারী বর্ষণ হয়েছে। সাতক্ষীরায় সর্বোচ্চ বর্ষণ রেকর্ড করা হয়েছে, ৮০ মিলিমিটার।

আবহাওয়াবিদ একেএম রুহুল কুদ্দুস জানান, মৌসুমি বায়ুর অক্ষের বর্ধিতাংশ উত্তর প্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে।

মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি থেকে প্রবল অবস্থায় রয়েছে। খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং ঢাকা, রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। একই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। ঢাকায় দক্ষিণপূর্ব অথবা দক্ষিণ দিক থেকে ঘণ্টায় বাতাসের গতিবেগ থাকবে ১০-১৫ কিমি, যা অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া আকারে ২৫ কিমি পর্যন্ত উঠে যেতে পারে।

শনিবার পর্যন্ত বৃষ্টিপাতের প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে। বর্ধিত পাঁচ দিনের আবহাওয়ায় বৃষ্টিপাতের প্রবণতা কমবে।

সমুদ্র বন্দরসমূহ, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকার ওপর দিয়ে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা নেই। তাই চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরকে তিন নম্বর (পুনঃ) তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত নামিয়ে ফেলতে বলা হয়েছে। তবে উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে ১৮ জুন সকাল পর্যন্ত সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

এদিকে রাজশাহী, পাবনা, টাঙ্গাইল, সিলেট, ফরিদপুর, ঢাকা, মাদারীপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালি, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার অঞ্চলের উপর দিয়ে দক্ষিণ/দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিমি বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি/বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরকে ১ নম্বর নৌ সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ঢাকায় করোনা সংক্রমণের ৬৮ শতাংশ ভারতীয় ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টে

দেশের খবর : রাজধানীতে করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের মধ্যে দুই-তৃতীয়াংশের দেহেই ডেলটা ভ্যারিয়েন্টের সন্ধান পেয়েছেন আইসিডিডিআর,বি-এর একদল গবেষক।

আইসিডিডিআর,বির মিডিয়া ম্যানেজার এ কে এম তারিফুল ইসলাম খান বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের বলেন, আমাদের ল্যাবে এসব নমুনা পরীক্ষা করে ৬৮ শতাংশ ডেলটা ভ্যারিয়েন্ট পাওয়া গেছে।

তিনি জানান, গত মে মাসের শেষ এবং জুন মাসের প্রথম সপ্তাহে ঢাকায় করোনাভাইরাস আক্রান্ত ৬০ জনের নমুনার জেনোম সিকোয়েন্স বিশ্লেষণ করে ৬৮ শতাংশের দেহে ডেলটার সংক্রমণ পেয়েছে আইসিডিডিআর,বি।

ডেল্টার ভ্যারিয়েন্টের বাইরে ২২ জনের নমুনায় সাউথ আফ্রিকান ভ্যারিয়েন্ট, দুই জনের নাইজেরিয়ান ভ্যারিয়েন্ট, একজনের উহান ভ্যারিয়েন্ট ও একজনের নমুনায় অজানা একটি ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হয়।

ভারতে উদ্ভূত করোনাভাইরাসের এ ধরনটি দ্রুত ছড়ায় বলে এটা একটা উদ্বেগের বিষয় বলে মনে করছেন সরকারি সংস্থা আইইডিসিআরের উপদেষ্টা ও সাবেক প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ডা. মুশতাক হোসেন।

দেড় বছর আগে মানুষে সংক্রমিত হওয়া নতুন করোনাভাইরাস রূপ বদল করে চলছে। এর মধ্যে গত বছর ভারতে এর যে পরিবর্তিত রূপ শনাক্ত হয়েছে, তা নাম পেয়েছে ডেলটা। এই ধরন বা ভ্যারিয়েন্টটি (বি.১.৬১৭.২) অতি সংক্রামক হওয়ায় একে ‘বিশ্বের উদ্বেগ’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

ভারতের মহামারীতে বিপর্যস্ত হওয়ার জন্য এই ধরনটিকে দায়ী করা হচ্ছে।

ডা. মুশতাক বলেন, এর আগে আইইডিসিআরের পরীক্ষায়ও ৫০টি নমুনার মধ্যে ৪০টিতে ডেলটা ভেরিয়েন্ট পাওয়া গিয়েছিল। এটা মোটামুটি অনুমিতই ছিল। ৬৮ শতাংশ ডেলটা ধরন পাওয়া মানে এই ধরনটি আমাদের এখানে প্রাধান্য বিস্তার করছে। এটা অবশ্যই ঝুঁকির বিষয়। কারণ এই ধরন খুব দ্রুত ছড়ায়। আক্রান্ত মানুষকে দীর্ঘদিন হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে হয়। ধরন যাই হোক, করোনাভাইরাস থেকে প্রতিরোধের একটাই উপায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা।

গত ৮ মে দেশে প্রথম ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হয়েছিল। ভারতের দ্রুত সংক্রামক ভ্যারিয়েন্টের প্রবেশ ঠেকাতে সরকার ২৬ এপ্রিল দেশটির সঙ্গে সীমান্ত বন্ধ করে দেয়। এরপরও সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হওয়ার কথা জানা যায়। এরকম বেশ কয়েকটি জেলায় শনাক্তের হার সম্প্রতি ৫০ শতাংশও ছাড়িয়েছে।

এর আগে সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর) এর জিনোম সিকোয়েন্সেও ভারতীয় ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হয়েছিল। ৫০টি নমুনার মধ্যে ৪০টিতেই তখন ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট পাওয়া যায়। তবে এর মধ্যে মাত্র দুটি নমুনা ছিল ঢাকার। বাকি নমুনাগুলো ছিল দিনাজপুর, গাইবান্ধা, বাগেরহাট, ঝিনাইদহ, পিরোজপুর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, গোপালগঞ্জ ও খুলনা জেলার। ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের সামাজিক সংক্রমণ শুরু হওয়ার কথা জানানো হয়েছিল তখনই।

বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ায় ঢাকা শহরের করোনা পরিস্থিতি খুলনা ও রাজশাহী বিভাগের মতো হয়ে যেতে পারে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শান্তি সূচকে ভারত-পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ

দেশের খবর : বৈশ্বিক শান্তি সূচকে (জিপিআই) ভারত-পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশ এখন তৃতীয়। তালিকা অনুযায়ী গত বছরের চেয়ে সাত ধাপ এগিয়ে বাংলাদেশের অবস্থান ৯১ নম্বরে। স্কোর ২ দশমিক ০৬৮। গত বছর বাংলাদেশের অবস্থান ছিল তালিকার ৯৭তম।

বৃহস্পতিবার অস্ট্রেলিয়ার সিডনিভিত্তিক আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইনস্টিটিউট ফর ইকোনমিকস অ্যান্ড পিস (আইইপি) এ তালিকা প্রকাশ করে।

এবছর দক্ষিণ এশীয় দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান তৃতীয়। এই অঞ্চলে তালিকায় সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে ভুটান। দক্ষিণ এশিয়ায় শীর্ষে থাকা দেশটির সূচকে অবস্থান ২২ তম। সূচকে ৮৫তম অবস্থান নিয়ে এ অঞ্চলের তৃতীয় স্থানে রয়েছে নেপাল। বাংলাদেশের পরে রয়েছে যথাক্রমে শ্রীলঙ্কা (৯৫), ভারত (১৩৫), পাকিস্তান (১৫০)। আফগানিস্তান সূচকের একেবারে তলানিতে অবস্থান করছে।

এবারও শীর্ষ শান্তিপূর্ণ দেশ হিসেবে অবস্থান ধরে রেখেছে আইসল্যান্ড। দ্বিতীয় স্থানে আছে নিউজিল্যান্ড, ৩য় ডেনমার্ক, চতুর্থ পর্তুগাল ও পঞ্চম স্লোভেনিয়া।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশ ও ভারতে সহিংসতার আশঙ্কা সর্বনিম্ন। এই হার যথাক্রমে ২৫ ও ২৩ শতাংশ। আফগানিস্তানে ৫৩ শতাংশ মানুষ সহিংসতার আশঙ্কায় উদ্বিগ্ন।

এতে আরও বলা হয়েছে, এই বছর সূচকে শান্তিপূর্ণতার দিকে যে তিনটি অঞ্চলের উন্নতি হয়েছে দক্ষিণ এশিয়া তার একটি। এই উন্নতির গড় হার শূন্য দশকি ১ শতাংশ।

আইইপি’র এই সূচক তৈরি করা হয়েছে, নিরাপত্তা ও সুরক্ষা ব্যবস্থা, সামরিকায়ন এবং চলমান সংঘাতের মাত্রার হারের ভিত্তিতে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পেরুর জালে ব্রাজিলের ৪ গোল

খেলার খবর : প্রথমার্ধে ঠিক গুছিয়ে উঠতে পারছিল না কোপা আমেরিকার বর্তমান চ্যাম্পিয়ন দল ব্রাজিল। যার ফলে সবশেষ আসরে ফাইনালে হেরে যাওয়া পেরু নিয়েছে কঠিন পরীক্ষা। তবে দ্বিতীয়ার্ধেই স্বরূপে নেইমার, হেসুসরা আর ব্রাজিলও পেল বিশাল ব্যবধানে জয়।

ভেনেজুয়েলাকে ৩-০ গোলে হারিয়ে যাত্রা শুরু করা দলটি এবার পেরুকে হারাল ৪-০ গোলের বড় ব্যবধানে। ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধেই হয়েছে তিনটি গোল। বরাবরের মতো আজও মাঠে উজ্জ্বল পারফরম্যান্স দলের সবচেয়ে বড় তারকা নেইমার জুনিয়রের।

তবে এ ম্যাচে নেইমারের একক আধিপত্য ছিল না। দলের বড় জয়ে গোল চারটি করেছেন অ্যালেক্স সান্দ্রো, নেইমার, এভারটন রিবেইরো ও রিচার্লিসন। এই গোলগুলোর এসিস্টও করেছেন ভিন্ন ভিন্ন তিন খেলোয়াড়। তারা হলেন যথাক্রমে গ্যাব্রিয়েল হেসুস, ফ্রেড ও রিচার্লিসন।

আগের ম্যাচের শুরুর একাদশে ছয়টি পরিবর্তন নিয়ে এ ম্যাচের দল নামান ব্রাজিল কোচ তিতে। এতে শুরুতে খানিক অগোছালো থাকলেও, ক্রমেই নিজেদের সেরা ছন্দে ফিরেছেন ব্রাজিল তারকারা। যা ম্যাচ থেকে ছিটকে দিয়েছে পেরুকে।

রিও ডি জেনেইরোর নিল্টন সান্তোস স্টেডিয়ামে হওয়া ম্যাচটি একপ্রকার প্রতিশোধের লড়াইও ছিল পেরুর জন্য। কোপা আমেরিকার গত আসরের ফাইনালে ব্রাজিলের কাছে হেরেই শিরোপা স্বপ্ন ধুয়েমুছে যায় পেরুর। এবার ফিরতি ম্যাচেও তাদের উড়িয়ে দিল বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।

শুরুতে খুব একটা ভালো না খেললেও, ম্যাচে লিড নিতে বেশি সময় লাগেনি ব্রাজিলের। মাত্র ১২ মিনিটের মাথায়ই দলকে এগিয়ে দেন অ্যালেক্স সান্দ্রো। ডি-বক্সের ডানদিক থেকে গ্যাব্রিয়েল হেসুসের উদ্দেশ্যে ক্রস দিয়েছিলেন এভারটন। সেটি ধরে ছয় গজের বক্সে বাড়িয়ে দেন হেসুস। সহজেই বাকি কাজ সারেন সান্দ্রো।

লিড নিলেও প্রথমার্ধের পারফরম্যান্সে ঠিক ব্রাজিলসুলভ খেলা উপহার দিতে পারেনি স্বাগতিকরা। উল্টো ব্রাজিলের রক্ষণে বেশ কয়েকবার হানা দিয়েছে পেরু, তৈরি করেছে কয়েকটি সুযোগ। কিন্তু এডারসন, থিয়াগো সিলভা, এডের মিলিটাওদের নিয়ে গড়া রক্ষণে চিড় ধরাতে পারেনি।

দ্বিতীয়ার্ধে ক্রমেই স্বরূপে ফিরতে শুরু করে ব্রাজিল। ম্যাচের ৫২ মিনিটের সময় অল্পের জন্য পোস্টের বাইরে দিয়ে চলে যায় দানিলোর শট আর ৬৩ মিনিটে বাতিল হয় পেনাল্টির সিদ্ধান্ত। ডি-বক্সের মধ্যে নেইমার ফাউলের শিকার হলে পেনাল্টি দিয়েছিলেন রেফারি। পরে ভিএআর দেখে বাতিল করেন সেটি।

অবশ্য গোলের জন্য আর পেনাল্টির প্রয়োজন হয়নি নেইমারের। মিনিট পাঁচেক পর ফ্রেডের কাছ থেকে গোলের ২০ গজ দূরে বল পান নেইমার। তা নিয়ন্ত্রণে নিয়ে জায়গা বানিয়ে নিচু শটে পেরুর গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন তিনি। জাতীয় দলের হয়ে নেইমারের এটি ৬৮তম গোল।

দুই গোল হজম করে পিছিয়ে পড়ার পর ম্যাচে ফেরার তেমন সম্ভাবনা জাগাতে পারেনি পেরু। উল্টো শেষদিকে হজম করে আরও দুই গোল। নির্ধারিত ৯০ মিনিট শেষ হওয়ার ঠিক আগ দিয়ে ফ্রেডের এসিস্টে স্কোরশিটে নাম তোলেন এভারটন রিবেইরো। ব্রাজিলের জার্সি গায়ে এটিই তার প্রথম গোল।

ভিএআর দেখাসহ ফাউল ও অন্যান্য কাণ্ডে বেশকিছু সময় নষ্ট হওয়ায় অতিরিক্ত ছয় মিনিট দেন রেফারি। এর তৃতীয় মিনিটে হালি পূরণ করে ব্রাজিল। গোলটি হতে পারত রবার্তো ফিরমিনোর। তার জোরালো শট ঠেকিয়ে দেন পেরুর গোলরক্ষক। তবে ফিরতি বলে সহজেই লক্ষ্যভেদ করেন রিচার্লিসন।

এ জয়ের সুবাদে কোপা আমেরিকায় নিজেদের জয়যাত্রা অব্যাহত রাখল ব্রাজিল। দুই ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে ‘এ’ গ্রুপের শীর্ষস্থান নিজেদের দখলেই রেখেছে তারা। অন্যদিকে পরপর দুই ম্যাচ হেরে টেবিলের তলানিতে অবস্থান পেরুর।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest