সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় নির্মাণাধীন ভবনের সাব-কন্টাক্টরের কাছে চাঁদা দাবি : থানায় অভিযোগতালায় আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা: সার সংকট, মাটি কাটা ও বালু উত্তোলন বন্ধে গুরুত্বারোপদেবহাটায় শিশুদের প্রারম্ভিক বিকাশে খেলাভিত্তিক সেশন পরিদর্শনসাতক্ষীরায় আবাসিক হোটেল-রেস্তোরাঁ – বেকারি ব্যবস্থাপনা বিষয়ক মতবিনিময়সাতক্ষীরায় মোজাম্মেল মিস্ত্রী হ%ত্যা মামলার দুই প্রধান আসামি সিলেটে গ্রেফতারশ্যামনগরে সুন্দরবনের বনদস্যু নির্মূলে মানববন্ধনএবিপার্টি সাতক্ষীরা সদর উপজেলার আহবায়ক কমিটির অনুমোদনসাতক্ষীরায় শিশু ধর্ষণ ও যৌন সহিংসতার প্রতিবাদে মানববন্ধনএডিসি রিপন বিশ্বাসের অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি দেওয়ার সিদ্ধান্ত সাতক্ষীরা আইনজীবী ফোরামেরপ্রেরণার নির্বাহী পরিচালক শম্পার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা

অনলাইন ডেস্ক : জাতীয় সংসদে রাজধানীর বিভিন্ন ক্লাব, মদ ও জুয়া নিয়ে উত্তপ্ত আলোচনা হয়েছে। সংসদে শুধু সংসদের বিরোধী দলই নয়, সরকারি দলের এমপিরাও এ ব্যাপারে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। এসব বন্ধের দাবিও উঠেছে। তারা প্রশ্ন তুলেছেন, কারা করল এসব ক্লাব? পুলিশ এসব জায়গা থেকে টাকা নেয় বলেও দাবি করেন তারা। এ ব্যাপারে বিএনপি ও আওয়ামী লীগের এমপিরা একে-অপরকে দোষারোপ করেন।

বৃহস্পতিবার (১৭ জুন) চিত্রনায়িকা পরীমনির ঘটনার সূত্র ধরে জাতীয় পার্টির মুজিবুল হক চুন্নু পয়েন্ট অব অর্ডারে আলোচনা শুরু করেন। পরে আওয়ামী লীগ-বিএনপিসহ অন্য দলের এমপিরা অংশ নেন। এ সময় মদের অনুমোদন নিয়ে পরস্পরের ওপর দোষারোপ করা হয়। এর প্রেক্ষাপটে আলোচনায় কিছুক্ষণের জন্য সংসদ সরব হয় ওঠে।

জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য মুজিবুল হক চুন্নু ছাড়াও আওয়ামী লীগের শেখ ফজলুল করিম সেলিম, বিএনপির হারুনুর রশীদ, তরিকত ফেডারেশনের সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভান্ডারী এবং বিরোধীদলীয় প্রধান হুইপ মসিউর রহমান রাঙ্গা আলোচনায় অংশ নেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ সময় সংসদে উপস্থিত ছিলেন।

চুন্নু আলোচনার শুরুতে বলেন, কয়েক দিন ধরে একজন চিত্রনায়িকার বিষয়ে আলোচনা হচ্ছে। যেখানে ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরা বোট ক্লাব। কে করল এই ক্লাব? এই ক্লাবের সদস্য কারা হন? শুনেছি ৫০-৬০ লাখ টাকা দিয়ে এর সদস্য হতে হয়। এত টাকা দিয়ে কারা এর সদস্য হন? আমরা তো ভাবতেই পারি না। সারাজীবন এত ইনকামও করি না।

রাজধানীর কয়েকটি ক্লাবের নাম উল্লেখ করে সাবেক প্রতিমন্ত্রী চুন্নু বলেন, এসব ক্লাবে মদ খাওয়া হয়। জুয়া খেলা হয়। বাংলাদেশে মদ খেতে হলে লাইসেন্স লাগে। সেখানে গ্যালন গ্যালন মদ বিক্রি হয়। লাইসেন্স নিয়ে খেতে হলে এত মদ তো বিক্রি হওয়ার কথা নয়। সরকারি কর্মকর্তারা এখানে কীভাবে সদস্য হন? এত টাকা কোথা থেকে আসে?

রাজধানীর অভিজাত এলাকায় ডিজে পার্টি বন্ধে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চেয়ে তিনি বলেন, গুলশান-বারিধারা এলাকায় ডিজে পার্টি হয়। সেখানে ড্যান্স হয়। মদ খাওয়া হয়। এসব আমাদের আইনে নেই, সংস্কৃতিতে নেই, ধর্মে নেই। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে বলব, আপনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নির্দেশ দেন- কেন এসব হচ্ছে? কেন বন্ধ করা হবে না? ওইসব ক্লাবের সদস্য কারা হন? পরীমনির যে ঘটনা সেটা বোট ক্লাবে। ওই জায়গার একজন মালিক আছেন। তিনি যেতেও পারেন না। এসব দেখতে হবে।

চুন্নুর বক্তব্যের পর শেখ সেলিম ফ্লোর নিয়ে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশে মদ ও জুয়ার লাইসেন্স দেয়ার জন্য বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানকে দায়ী করেন। তিনি বলেন, এত বোট ক্লাব। জিয়াউর রহমান স্টিমার ক্লাব করেছিলেন। বঙ্গবন্ধু মদ-জুয়ার লাইসেন্স বন্ধ করে দিয়েছিলেন। জিয়াউর রহমান আবার চালু করেছিলেন। যারা অপরাধের শুরু করেছেন তাদের আগে বিচার করা উচিত। ওখান থেকে ধরতে হবে।

বিএনপির হারুনুর রশীদ এ সময় স্পিকারের কাছ থেকে ফ্লোর নিয়ে বলেন, আমাদের বিরোধী দলের একজন সংসদ সদস্য একটা বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ করেছেন। কিন্তু সিনিয়র এক সদস্য (শেখ সেলিম) কোথায় চলে গেলেন? বাংলাদেশে অনেক বিদেশি থাকেন। এছাড়া অন্য ধর্মের মানুষদের জন্য, ডোমদের জন্য মদের বৈধতা আছে। কোনো মুসলমানের জন্য আইনে অনুমতি নেই। জিয়াউর রহমান যদি মুসলমানদের মদের লাইসেন্স দিয়ে থাকেন যদি প্রমাণ করতে পারেন আমি সদস্য পদ ছেড়ে দেব।

তিনি বলেন, এসব ক্লাবে, মদের ব্যবসার সঙ্গে সরকারি লোক জড়িত। আমি চ্যালেঞ্জ করছি। পুলিশ এসব জায়গা থেকে টাকা নেয়। প্রধানমন্ত্রী কোনো দলের নন, তিনি রাষ্ট্রের প্রধানমন্ত্রী। এসব খুঁজে দেখা হোক।

হারুনের বক্তব্যের পর শেখ সেলিম আবারও ফ্লোর নেন। তিনি বলেন, লাকী খানের ঝাঁকি নাচের কথা কী ভুলে গেলেন? হিযবুল বাহার। জিয়াউর রহমান ওগুলো করেছিলেন। সরকার কোনো মুসলমানকে মদের পারমিশন দেয়নি। বন্ধ করতে গেলেই আপনারাই (বিএনপি) চিল্লাচিল্লি করবেন। বলবেন, ফরেনারদের পারমিশন লাগবে।

তরিকত ফেডারেশনের নজিবুল বশর মাইজভান্ডারী অনির্ধারিত আলোচনায় অংশ নিয়ে বলেন, হারুন সাহেবের সদস্যপদ আজই ছেড়ে দেয়া উচিত। উনি বললেন, জিয়াউর রহমান মুসলমানদের মদ খাওয়ার পারমিশন দেননি। উনি দেখাক, আইনে কোথায় বলা আছে, মুসলমানরা মদ খেতে পারবেন না। আইন এখানে এনে দেখাক। পদ ছেড়ে দিক।

পরে জাতীয় পার্টির সদস্য বিরোধীদলীয় প্রধান হুইপ মসিউর রহমান বলেন, এখানে রাষ্ট্রীয় কিছু বিষয় আছে। বঙ্গবন্ধু লাইসেন্স দেননি। ২১ বছরে আইনকে মিসইউজ করে এটা করা হয়েছে। বিদেশিদের অ্যারেঞ্জমেন্টের জন্য এটা করেছে। ক্লাবগুলোতে একজন ডাক্তার দিয়ে সার্টিফিকেট নিয়ে নেয়, দৈনিক মদ খেতে হবে। তারপর লাইসেন্স নেয়া হয়। বিএনপি এই লাইসেন্স দিয়েছিল। এখন কোনো মুসলমান যদি মদ খায় সেখানে সরকারের কিছু করার নেই।

বিরোধীদলীয় প্রধান হুইপ ধর্মীয় বক্তা আবু ত্ব-হা মুহাম্মদ আদনানকে খুঁজে বের করার দাবি জানান। পরীমনির মামলায় আটক জাতীয় পার্টির সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য নাসির উদ্দিন মাহমুদের বিষয়ে রাঙ্গা বলেন, পরীমনি অভিযোগ করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন করেছেন। একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বিচার হবে। দোষী হলে শাস্তি হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আফগানিস্তানজুড়ে বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষ : ২৪ ঘণ্টায় ১০০ তালেবান ও ৮০ সৈন্য নিহত

বিদেশের খবর : আফগানিস্তানের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে অন্তত ১০০ তালেবান ও ৮০ আফগান সৈন্য নিহত হয়েছে। দেশটির বিভিন্ন গণমাধ্যম এই খবর দিয়েছে।

আফগানিস্তানের প্রভাবশালী নিউজ চ্যানেল ‘তোলো নিউজ’ জানিয়েছে, উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় বাদাখশান’সহ দেশটির বিভিন্ন প্রদেশের ৭০টি জেলায় তালেবানের সঙ্গে আফগান সেনাবাহিনীর সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে।
উত্তরাঞ্চলীয় বাগলান প্রদেশে আফগান সেনবাহিনীর একটি চেকপোস্টের কাছে গাড়িবোমা হামলায় বেশ কয়েকজন সৈন্য হতাহত হন। বাগদিস প্রদেশে তালেবানের অতর্কিত হামলার সময় প্রায় ১০০ সরকারি সৈন্য তালেবানের কাছে আত্মসমর্পন করে বলে জানায় তোলোনিউজ।

এছাড়া, একদল সশস্ত্র তালেবান উরুজগান প্রদেশের চারচেনো জেলা সদরের শহরতলী পর্যন্ত পৌঁছে যাওয়ার পর সেনাবাহিনীর সঙ্গে তাদের প্রচণ্ড সংঘর্ষ হয়। তবে সেনাবাহিনী শেষ পর্যন্ত শহরের পতন ঠেকাতে সমর্থ হয়েছে।

২০২০ সালের গোড়ার দিকে আফগানিস্তানের তালেবানের সঙ্গে এক শান্তি চুক্তি অনুযায়ী দেশটি থেকে সেনা প্রত্যাহার করতে ব্যর্থ হয় আমেরিকা। এর জের ধরে আফগানিস্তানে তালেবানের সহিংস হামলা বেড়ে গেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠাতে জাতিসংঘের সুস্পষ্ট রোডম্যাপ চায় বাংলাদেশ

দেশের খবর : রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠাতে জাতিসংঘের স্পষ্ট রোডম্যাপ চায় বাংলাদেশ।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন বলেছেন, ‘মানবিক বিবেচনায় আমরা রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়েছি। তবে এই সংকটটির সমাধান নিহিত রয়েছে মিয়ানমারে তাদের নিরাপদ ও টেকসই প্রত্যাবর্তনের ওপর, যা গত চার বছরে সম্ভব হয়নি। আমরা চাই প্রত্যাবর্তন বিষয়ে জাতিসংঘ স্পষ্ট একটি রোডম্যাপ তৈরি করুক।’

বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের বঙ্গবন্ধু লাউঞ্জে স্থানীয় সময় গতকাল বুধবার জাতিসংঘ মহাসচিবের মিয়ানমার-বিষয়ক বিশেষ দূত ক্রিস্টিন এস বার্গনারের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠককালে এ কথা বলেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের কক্সবাজারে দীর্ঘ সময় ধরে অবস্থানের নেতিবাচক দিক বিশেষ করে ওই এলাকায় বসবাসরত মূল জনগোষ্ঠীর ওপর এর বিরূপ প্রভাবের কথা উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সত্বর যদি প্রত্যাবাসন শুরু না হয়, তাহলে এটি কেবল এই এলাকারই সামগ্রিক পরিস্থিতির অবনতি ঘটাবে না, বরং তা ওই অঞ্চল এবং এর বাইরেও অস্থিরতা তৈরি করবে।

জাতিসংঘ মহাসচিবের বিশেষ দূতকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেন ভাসানচর প্রকল্পের কথা অবহিত করেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এখানে রোহিঙ্গাদের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নিয়োজিত হওয়ার সুযোগ রয়েছে। জাতিসংঘ যাতে ভাসানচরে মানবিক সহায়তা প্রদান করে সে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। কোভিড-১৯ পরিস্থিতির উন্নতি হলে জাতিসংঘ মহাসচিবের বিশেষ দূতকে ভাসানচর পরিদর্শনে যাওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানান ড. এ. কে. আবদুল মোমেন।

বিবৃতিতে বলা হয়, মিয়ানমারে যাতে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের উপযোগী অনুকূল পরিবেশ তৈরি করা হয় এবং অচিরেই যাতে প্রত্যাবাসন কাজ শুরু করা যায়, সেজন্য জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রসহ মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ এবং বাইরের সব অংশীজনদের সঙ্গে জাতিসংঘ মহাসচিবের বিশেষ দূত যোগাযোগ ও আলোচনা অব্যাহত রেখেছে বলে পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে অবহিত করেন। এ ছাড়া ভাসানচর পরিদর্শন করতে বিশেষ দূত তাঁর আগ্রহের কথা জানান।

পরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাতিসংঘের পিস অপারেশন বিভাগের প্রধান আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল জ্যঁ পিয়েরে ল্যাক্রুয়ার সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠক করেন। এ সময় জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের অব্যাহত সমর্থন ও অংশগ্রহণের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি। শান্তিরক্ষীদের সুরক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য জাতিসংঘের পিস অপারেশন বিভাগকে ধন্যবাদ জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

এ ছাড়া নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা কর্মসূচিতে বাংলাদেশের অগ্রণী ভূমিকার উদাহরণ টেনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী শান্তিরক্ষী বিশেষ করে নারী শান্তিরক্ষীগণের ত্যাগের কথা স্মরণ করেন এবং আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল ল্যাক্রুয়াকে অনুরোধ জানান যেন পিস অপারেশন বিভাগ নারী শান্তিরক্ষীদের আরও উৎসাহিত করতে বিশেষ ডকুমেন্টারিসহ অন্যান্য প্রচার সামগ্রী প্রস্তুত করে।

এ ছাড়া জাতিসংঘ সদর দপ্তর ও মাঠ পর্যায়ের শান্তিরক্ষা সংশ্লিষ্ট উচ্চ পদগুলোতে আরও বেশি বাংলাদেশি সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তা নিয়োগের জন্য জেনারেল ল্যাক্রুয়াকে অনুরোধ করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

ত্রিশ বছরেরও বেশি সময় ধরে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের তাৎপর্যপূর্ণ অংশগ্রহণ ও সাফল্যমণ্ডিত অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করেন ল্যাক্রুয়া। তিনি আশা প্রকাশ করেন, শান্তিরক্ষা কার্যক্রমের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ও জাতিসংঘের সম্পর্ক আগামী দিনগুলোতে উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাবে। শান্তিরক্ষা মিশনগুলোতে বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের পেশাদারত্ব ও দায়িত্বশীলতার প্রশংসা করেন ল্যাক্রুয়া।

উভয় বৈঠকে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা অংশগ্রহণ করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
গলায় ‘ত্রাণ চাই না, বাঁধ চাই’ প্ল্যাকার্ড ঝুলিয়ে সংসদে আ. লীগ এমপি

দেশের খবর : নিজের এলাকার জনগণের দুর্ভোগ তুলে ধরে ‘আর কোনো দাবি নাই; ত্রাণ চাই না, বাঁধ চাই’ লেখা প্ল্যাকার্ড গলায় ঝুলিয়ে জাতীয় সংসদে বক্তব্য দিয়েছেন পটুয়াখালী-৩ আসনের সংসদ সদস্য এস এম শাহাজাদা।

২০১৮ সালে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনয়নে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি।

বুধবার (১৬ জুন) দুপুরে স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বাজেট অধিবেশনে ২০২১-২২ সালের অর্থবিলের ওপর অনুষ্ঠিত বক্তৃতার এক পর্যায়ে প্ল্যাকার্ড পরে উপকূলের মানুষের পক্ষে বাঁধ নির্মাণের আকুতি জানান শাহাজাদা।

এ সময় সম্প্রতি উপকূলে তাণ্ডব চালানো ঘুর্ণিঝড় ‘ইয়াস’-এর প্রভাবে সৃষ্ট জলোচ্ছ্বাসের কথা তুলে ধরেন তিনি। তুলে ধরেন নিজের এলাকার মানুষের দুর্ভোগ, সম্পদহানী ও অসহায়ত্বের কথা।

শাহাজাদা বলেন, ‘আমরা কয়েকদিন আগে ইয়াসের দ্বারা অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি। আপনারা জানেন ইয়াস দক্ষিণাঞ্চলে কী ধরনের তাণ্ডব চালিয়েছে। আমার ওখানে অনেকগুলো চর আছে। যার চার পাশে অনেকগুলো বড় বড় নদী আছে। যার এক একটির ব্যাস কয়েক কিলোমিটার পর্যন্ত। কোনো কোনোটি সাত-আট কিলোমিটার পর্যন্ত। আপনারা আগুনমুখো নদীর কথা শুনেছেন, যা এক ভয়ঙ্কর নদী। এর পাশে চর কাজল, চর বিশ্বাস, চর হাদি, চর বুরহান, চর গুদাম নামের চর আছে। এই চর গুদামে গিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নিজে গিয়ে বীজ বর্ধন গুদাম উদ্বোধন করেছিল। এই চরগুলোর অনেকগুলোতেই চার পাশে উচুঁ বেড়িবাঁধ নাই।

পটুয়াখালী-৩ আসনের সংসদ সদস্য বলেন, ‘ইয়াসের ফলে সৃষ্ট অতিরিক্ত জোয়ারে সেদিন উপকূলের মানুষ তাদের ফসলের মাঠ হারিয়েছে। তাদের ফসল নষ্ট হয়ে গেছে। পুকুরে ও ঘেরে তারা মাছ চাষ করেছিল, যা সাগরে ভেসে গেছে।

শাহাজাদা বলেন, ‘আমরা সেখানে গিয়েছিলোম ত্রাণ নিয়ে। প্রধানমন্ত্রী সেখানে জরুরি ত্রাণ বরাদ্দও দিয়েছেন। আপনারা জানেন অন্যান্য অঞ্চলেও মানুষ ত্রাণ নিয়ে রোষানলে পড়েছে। আমরাও জনগণের রোষানলে পড়েছিলাম। সেখানকার মানুষ আমাকে বলেছে, আমরা ‘ত্রাণ চাইনা, বাঁধ চাই; আর কোনো দাবি নাই’। তারা এই দাবি লেখা প্ল্যাকার্ড গলায় ঝুলিয়ে বিক্ষোভ করেছিল। আমি সেই এলাকারই মানুষ। আমি বিচ্ছিন্ন কেউনা।”

এ কথা বলেই শাহাজাদা তার সামনে থাকা একই দাবি লেখা প্ল্যাকার্ড গলায় ঝুলিয়ে জাতীয় সংসদের কাছে বাধেঁর দাবি তুলে ধরেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

দেশের খবর : দেশে কোভিড-১৯ পরিস্থিতির কাঙ্ক্ষিত উন্নতি না হওয়ায় সংক্রমণ প্রতিরোধে চলমান ‘লকডাউন’ বা বিধিনিষেধ আরও বাড়ানো হয়েছে। আগামী ১৫ জুলাই পর্যন্ত এই বিধিনিষেধ চলবে।

বুধবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এক প্রজ্ঞাপন জারি করে এই সিদ্ধান্ত জানিয়েছে।

পূর্বের ঘোষণা অনুযায়ী আজ (বুধবার) মধ্যরাতেই শেষ হচ্ছে লকডাউন। তার আগেই বিধিনিষেধ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত এল।তবে এবার নতুন কিছু শর্ত যুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সব সরকারি-বেসরকারি অফিস খোলা থাকবে। আর ঝুঁকিপূর্ণ জেলাগুলোতে স্থানীয় জেলা প্রশাসক ও জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে মিলে কারিগরি কমিটির সঙ্গে আলোচনা করে লকডাউনসহ কার্যকর ব্যবস্থা নিতে পারবে।

বিধিনিষেধ বাড়ায় পূর্বের মতো সব পর্যটনস্থল, রিসোর্ট, কমিউনিটি সেন্টার ও বিনোদন কেন্দ্র বন্ধ থাকবে। জনসমাবেশ হয় এ ধরনের সামাজিক অনুষ্ঠান (বিবাহোত্তর অনুষ্ঠান, জন্মদিন, পিকনিক পার্টি ইত্যাদি), রাজনৈতিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠান বন্ধ থাকবে।

খাবারের দোকান ও হোটেল-রেস্তোরাঁ সকাল ৬টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত বিক্রি ও সরবরাহ করতে পারবে এবং আসন সংখ্যার অর্ধেক সেবাগ্রহীতাকে সেবা প্রদান করতে পারবে।

উচ্চঝুঁকিতে থাকা জেলাগুলোর জেলা প্রশাসকরা সংশ্লিষ্ট কারিগরি কমিটির সঙ্গে আলোচনা করে স্ব-স্ব এলাকার সংক্রমণ প্রতিরোধে বিধি মোতাবেক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারবেন। আন্তঃজেলাসহ সব ধরনের গণপরিবহন আসন সংখ্যার অর্ধেক যাত্রী নিয়ে চলাচল করতে পারবে। তবে অবশ্যই যাত্রীসহ সকলকে মাস্ক পরিধানসহ স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে।

এর আগে ৬ জুন করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে না আসায় বিধিনিষেধ আরও ১০ দিন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত দেয় সরকার।

মার্চের শেষের দিকে দেশের করোনার দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হয়। এতে সংক্রমণ ও মৃত্যু বেড়ে যায়। মার্চের শুরু থেকে প্রথমে গণপরিবহন ও অফিস চালু রেখে লকডাউন দেওয়া হয়। পরে গত ১৪ এপ্রিল ভোর ৬টা থেকে ৭ দিনের কঠোর লকডাউন শুরু হয়। পরে ৬ দফা লকডাউন বা বিধিনিষেধের মেয়াদ বাড়ানো হয়। গত ২৩ মে থেকে ৩০ মে রোববার মধ্যরাত পর্যন্ত বিধিনিষেধ বাড়িয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এ সময় স্বাস্থ্যবিধি মেনে আন্তঃজেলা বাস, লঞ্চ এবং ট্রেনসহ সব ধরনের গণপরিবহন চলার অনুমতি দেওয়া হয়। একইসঙ্গে হোটেল-রেস্তোরাঁগুলো আসন সংখ্যার অর্ধেক মানুষকে বসিয়ে সেবা দেওয়ার অনুমতি পায়।

বর্তমানে সরকারি-বেসরকারি স্বায়ত্বশাসিত অফিস আদালত ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। তবে বিশেষ সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানসমূহ সরকারের নির্বাহী আদেশে সীমিত পরিসরে খোলা রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

বিনোদন ডেস্ক : পরীমণির বিরুদ্ধে ক্লাবে ভাঙচুরের অভিযোগে গুলশান থানায় একটি জিডি দায়ের করেছে অল কমিউনিটি ক্লাব কর্তৃপক্ষ। ঢাকা বোট ক্লাবে চিত্রনায়িকা পরীমণিকাণ্ডের পর আরও কিছু বিষয় খতিয়ে দেখতে শুরু করেছে পুলিশ। নিয়ম ভেঙে কয়েকটি সোশ্যাল ক্লাবে মধ্যরাতে এই নায়িকার যাতায়াত ও মদ্যপানের খোঁজ-খবর করছে পুলিশ।

এরইমধ্যে বনানী থানা পুলিশ গুলশানের একটি অভিজাত ক্লাবের বার বয়ের বক্তব্য জানতে যোগাযোগ করেছে। এছাড়া আরও কয়েকটি অভিজাত ক্লাবের কর্মকর্তারা পুলিশকে জানিয়েছেন, মধ্যরাতে নিয়ম ভেঙে পরীমণির জন্য বার খোলা রাখতে হয়। তারা পুলিশকে বলছেন মদের আসর বসানোর গল্পও।
জানা গেছে, বোট ক্লাবকাণ্ডের আগের রাতে গুলশান অল কমিউনিটি ক্লাবের দলবল নিয়ে ঢুকেন পরীমণি। মধ্যরাতে সেখানে তিনি ভাঙচুর করেন। এ ঘটনার তদন্তে বুধবার সন্ধ্যায় গুলশান থানা পুলিশ সেখানে যাচ্ছে।

পুলিশের একাধিক কর্মকর্তা জানান, ৮ জুন বুধবার রাতে বোট ক্লাব কান্ডের তদন্তে নেমে কেচো খুঁড়তে সাপ বেরুচ্ছে। তার ব্যাপারে জানাতে ঢাকার একাধিক সোশ্যাল ক্লাবের কর্মকর্তারা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছেন।

তারা পুলিশ ও গোয়েন্দাদের জানিয়েছেন, পরীমণি তার কস্টিউম ডিজাইনার জিমিসহ কয়েকজন যুবক-যুবতী নিয়ে প্রায়রাতেই অভিজাত ক্লাব ও তারকা হোটেলে ঘুরে বেড়াতেন। তাদের সঙ্গে নিয়ে মদ পান করতেন মধ্যরাত পর্যন্ত। এক্ষেত্রে প্রায় রাতেই তার কারণে ক্লাবের আইন ভাঙা হতো। বিশেষ করে হাফপ্যান্ট পরে তার সঙ্গী হওয়া জিমি ড্রেসকোডের তোয়াক্কা করতেন না কখনোই। এক ক্লাবে সময় কাটিয়ে তিনি যেতেন আরেক ক্লাবে।

গুলশান পুলিশের একাধিক কর্মকর্তা জানান, গত ৩ জুন রাত ১২টার পর পরীমণি, তার সাবেক প্রেমিক তামিম হাসান ও দু’টি বেসরকারি টেলিভিশনের দু’জন কর্মকর্তা পরিচয়ধারীকে নিয়ে গুলশানের একটি অভিজাত ক্লাবে যান। তখন তারা মদ্যপ ছিলেন। ক্লাবে ঢুকে পরীমণি ও অন্যরা বার ব্যবহার করতে চান। বার বয় জালাল এতে অসম্মতি জানালে পরীমণি তার গালে চড় মারেন। ক্লাব কর্মকর্তারা বেসামাল আচরণের প্রতিবাদ করলে তিনি নিজেই পুলিশে কল করেন। গুলশান থানা পুলিশের দু’টি পিকআপ ভ্যান সেখানে যায়।

পরে তারা বুঝিয়ে পরীমণিকে বাসায় পাঠান। এ খবর পুলিশের সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে। সীমানা ঘেষা এলাকা হওয়ায় গতকাল বুধবার বনানী থানা পুলিশ ওই ক্লাবের কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে বার বয় জালালের কাছ থেকে সেই রাতের ঘটনা জানতে চায়। ক্লাবটির সদস্য (প্রশাসন) এজন্য পুলিশের কাছে সময় চেয়েছেন বলে জানা গেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগ সম্পাদকের পিতার দাফন সম্পন্ন

নিজস্ব প্রতিনিধি:
বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ সাতক্ষীরা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মীর মোস্তাক আলীর পিতা মীর মুনজুর আলী গত কাল রাত সাড়ে ৮ টায় বার্ধক্যজনিত কারনে শহরের সুলতানপুরস্থ তার নিজস্ব বাসভবনে ইন্তেকাল করেন (ইন্নালিল্লাহি-রাজিউন)।
বুধবার বাদ জোহর সুলতানপুর ক্লাব মাঠে জানাজা নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা নামাজে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ নজরুল ইসলাম, সাতক্ষীরা পৌর মেয়র আলহাজ্ব তাসকিন আহমেদ চিশতী, জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাবেক জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি কাজী আক্তার হোসেন, জেলা আওয়ামীলীগ নেতা আসাদুজ্জামান লিটু, স্থানীয় কাউন্সিলর কাজী ফিরোজ হাসান, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতা খালিদ হাসান নয়ন, সহ জেলা আওয়ামী লীগ, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ,তাঁতীলীগসহ বিভিন্ন সংগঠন ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। বুধবার সকালে সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ফজলুল হক মীর মুনজুর আলী কে শেষ বারের মত দেখতে তার বাড়ি যান। এসময় অসংখ্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে, জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগ সাধারণ সম্পাদক মীর মোস্তাক আলীর পিতার মৃত্যুতে গভির শোক প্রকাশ এবং শোক সন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে ও মরহুমের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিবৃতি দিয়েছেন বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ সাতক্ষীরা জেলা শাখার সভাপতি শেখ মারুফ হাসান মিঠু, সহসভাপতি এড.সাইদুজ্জামান জিকো (এপিপি), প্রকৌশলী মফিজুর রহমান ঢালী, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক নাজমুল হক রনি, সহ-দপ্তর সম্পাদক খন্দকার আনিসুর রহমান, সদর উপজেলায় সভাপতি এ্যাড. ফারুক হোসেন, সাধারন সম্পাদক শাহাদাত হোসেন, পৌর শাখায় সভাপতি শেখ জাহাঙ্গীর কবীর, সাধারন সম্পাদক শেখ জিয়াউল হক বনি, যুগ্ন সম্পাদক রফিকুল ইসলাম, শাহাজাদা,সাংগঠনিক সম্পাদক ওহেদুজ্জামান টিটু, তুহিন, যুবনেতা ইকবাল হোসেন, নাইম হোসেন, সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের হাবিবুর রহমান হাবিব প্রমুখ ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা রি-কন্ডিশন মটরসাইকেল শোরুম মালিক সমিতির শোক

সাতক্ষীরা রি-কন্ডিশন মটরসাইকেল শোরুম মালিক সমিতির উপদেষ্টা, জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাধারণ সম্পাদক মীর মোস্তাক আলীর পিতা মীর মুনজুর আলী আর নেই। তার মৃত্যুতে গভীর শোক ও শোকাহত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করে বিবৃতি দিয়েছেন, সাতক্ষীরা রি-কন্ডিশন মটরসাইকেল শোরুম মালিক সমিতির উপদেষ্টা যথাক্রমে এড. ফাহিমুল হক কিসলু, কাজী আক্তার হোসেন, মোহাম্মাদ আলী সুজন, সভাপতি মকবুল হোসেন, সিনিয়র সহ-সভাপতি টুটুল, সেক্রেটারি জিল্লুর রহমান, সাতক্ষীরা মটরসের জাকির হোসেন বনি, নাফিজ মটরসের মাহফুজ, এস এম মটরসের খালিদ হাসান মিলন, বিথি মটরসের জুলফিকার আলী, বাইক বাজারের আসাদুল ইসলাম আসাদ, সুন্দরবন মটরসের ফিরোজুল ইসলাম রানা, জননী মটরসের জাকির হোসেন বনি, বন্ধু মটরসের তরিকুল ইসলাম, রিয়াসাত আলী প্রমুখ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest