সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় নির্মাণাধীন ভবনের সাব-কন্টাক্টরের কাছে চাঁদা দাবি : থানায় অভিযোগতালায় আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা: সার সংকট, মাটি কাটা ও বালু উত্তোলন বন্ধে গুরুত্বারোপদেবহাটায় শিশুদের প্রারম্ভিক বিকাশে খেলাভিত্তিক সেশন পরিদর্শনসাতক্ষীরায় আবাসিক হোটেল-রেস্তোরাঁ – বেকারি ব্যবস্থাপনা বিষয়ক মতবিনিময়সাতক্ষীরায় মোজাম্মেল মিস্ত্রী হ%ত্যা মামলার দুই প্রধান আসামি সিলেটে গ্রেফতারশ্যামনগরে সুন্দরবনের বনদস্যু নির্মূলে মানববন্ধনএবিপার্টি সাতক্ষীরা সদর উপজেলার আহবায়ক কমিটির অনুমোদনসাতক্ষীরায় শিশু ধর্ষণ ও যৌন সহিংসতার প্রতিবাদে মানববন্ধনএডিসি রিপন বিশ্বাসের অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি দেওয়ার সিদ্ধান্ত সাতক্ষীরা আইনজীবী ফোরামেরপ্রেরণার নির্বাহী পরিচালক শম্পার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা

খালেদা জিয়ার লিভার-কিডনী অর্ধেক অকার্যকার!

রাজনীতির খবর : হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা বর্তমানে স্থিতিশীল থাকলেও তার লিভার ও কিডনি প্রায় অর্ধেক কার্যক্ষমতা হারিয়েছে। তার মেডিকেল বোর্ডের শেষ প্রতিবেদনে দেখা গেছে, করোনা-পরবর্তী জটিলতায় ফুসফুস, হার্ট, লিভার ও কিডনি শরীরের এই চারটি অঙ্গই আক্রান্ত হয়েছে। এমন পিরিস্থিতিতে চিকিৎসকরা প্রয়োজনে তার লিভার ট্রান্সপ্লানন্টেশনের (প্রতিস্থাপন) সুপারিশ করেছেন। এ ছাড়া তার ডাক্তারদের শঙ্কা হৃদরোগের কারণে খালেদা জিয়ার শরীরের যেকোনো একটি চেম্বার বা অংশের মারাত্মক জটিলতা দেখা দিতে পারে।

সূত্র জানায়, এসব জটিল সমস্যার আগাম উন্নত চিকিৎসা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে আধুনিক প্রযুক্তিযুক্ত হাসপাতালে স্থানান্তরের জোর সুপারিশ করেছে মেডিকেল বোর্ড। মেডিকেল প্রতিবেদনে কোনো দেশের নাম উল্লেখ না করলেও এ ধরনের উন্নত চিকিৎসা দেশে সম্ভব নয় বলে জানিয়েছে। ভবিষ্যৎ চিকিৎসা পরিচালনার জন্য বোর্ড সুপারিশ করেছে যে, রোগীকে এমন একটি উচ্চতর কেন্দ্রে স্থানান্তর করা উচিত, যেখানে মাল্টিসিস্টেম ডিজিজ ম্যানেজমেন্টের জন্য অগ্রিম সুবিধা পাওয়া যায়।

নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, ডা. এফ এম সিদ্দিকীর নেতৃত্বাধীন ১০ সদস্যের মেডিক্যাল বোর্ড খালেদা জিয়ার শারীরিক সমস্যা চিহ্নিত করে পাঁচ দফা পরামর্শ বা সুপারিশ করেছে।

পাঁচ দফা সুপারিশে যা বলা হয়েছে- ১. ক্রনিক লিভার ডিজিজ (লিভার সিরোসিস) কোন পর্যায়ে রয়েছে তা পরীক্ষা করে খাদ্যনালির কোন জায়গা থেকে (ডিআই ব্লিডিং) হচ্ছে সেটি বের করতে বলা হয়েছে। প্রয়োজনে লিভার ট্রান্সপ্লান্টেশনও লাগতে পারে।

২. কিডনি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কারণে খালেদার শরীর প্রোটিন ধরে রাখতে পারছে না। প্রস্র্রাবের সঙ্গে অনেক প্রোটিন বের হয়ে যায়। এ জন্য তাঁর আধুনিক উচ্চ চিকিৎসার প্রয়োজন রয়েছে। কারণ ক্রনিক লিভার ডিজিজ পরিস্থিতিকে আরো জটিল করেছে।

৩. হৃদরোগের জটিলতার কারণে যেকোনো সময় তার হৃদরোগের বেদনায় বিশেষ একটি চেম্বার বা অংশে মারাত্মক জটিলতা দেখা দিতে পারে। তার হার্টের স্পন্দন মাঝেমধ্যেই অনিয়মিত হয়ে পড়ে এবং এটি যেকোনো সময় মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

৪. রিউমাটয়েড আথ্রাইটিসের কারণে খালেদা জিয়ার বিভিন্ন জয়েন্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যার কারণে অন্যের সাহায্য ছাড়া তিনি দৈনন্দিন কার্যক্রম সম্পন্ন করতে পারেন না। এটা ক্রনিক লিভার ডিজিজ ও ক্রনিক কিডনি ডিজিজের কারণে।

৫. সবশেষে খালেদা জিয়ার পারিবারিক রোগের ইতিহাস পর্যালোচনা করে চিকিৎসকরা তার রোগের যথাযথ পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও সর্বোচ্চ মানসম্পন্ন চিকিৎসার ব্যবস্থা করা জরুরি বলে মনে করেন।

চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, হার্টের জটিলতায় খালেদা জিয়ার এনজিওগ্রাম করা সহ তাৎক্ষণিকভাবে তাকে রিং পরানোর প্রয়োজন হতে পারে। কিন্তু বাংলাদেশের চিকিৎসকদের অনেকেই সাবেক একজন প্রধানমন্ত্রীর ক্ষেত্রে এই ঝুঁকি নিতে চাইবেন না। তাঁর রক্ত যাতে জমাট না বাঁধে সে জন্য প্রচুর ওষুধ ব্যবহার করা হয়েছে। এ ছাড়া তাকে চার ব্যাগ রক্ত দিতে হয়েছে।

ডাক্তাররা জানান, কারাগারে এবং করোনায় বাসায় আটকে থাকার কারণে গত চার বছরে নিয়মিত চেকআপ না হওয়ার কারণে খালেদা জিয়ার লিভার ও কিডনি আগে থেকেই দুর্বল অবস্থায় ছিল, যা করোনা-পরবর্তী জটিলতায় প্রকট আকার ধারণ করেছে।

পর্যালোচনায় ডাক্তারা জানান, করোনা-পরবর্তী জটিলতার উপসর্গ হিসেবে তার খাদ্যনালির বিভিন্ন জায়গায় মাইক্রোহেমারিজ (ওবিটি) হয়েছে। এ জন্য স্টুলের সঙ্গে রক্ত গেলেও সেটি দেখা যায় না। ফলে তার শরীরে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা ধীরে ধীরে কমে যাচ্ছে। এ ছাড়া লিভার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কারণে শরীরে আয়রন, প্রোটিন ও হিমোগ্লোবিনের মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে কমে যাওয়ায় খালেদা জিয়া আরো বেশি দুর্বল হয়ে পড়ছেন বলেও মনে করেন তারা। এ জন্য চার ব্যাগ রক্ত দেওয়ার পাশাপাশি তার মুখে খাওয়া এবং অ্যালুমিনিয়াম ইনজেকশনের মাধ্যমে তাকে প্রোটিনও দেয়া হয়েছে।

চিকিৎসকরা বলছেন, খালেদা জিয়ার শরীর হিমোগ্লোবিন ও আয়রন তৈরি করতে পারছে না। তার অদৃশ্য রক্তক্ষরণ (ডিআই ব্লিডিং) হচ্ছে। এখন এটির কারণ বা উৎস খুঁজে পেতে হলে তার এন্ডোসকপি করতে হবে। আর এন্ডোসকপি করতে হলে খালেদা জিয়াকে অজ্ঞান করতে হবে। কিন্তু এটি সাবেক প্রধানমন্ত্রীর মতো একজন রোগীকে বাংলাদেশের একজন চিকিৎসকের পক্ষে করা বেশ ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। এ ধরনের পরীক্ষার জন্য অনেক সময় অন দ্য স্পট সিদ্ধান্ত নিতে হয়। কিন্তু বাংলাদেশে এ জন্য অত্যাধুনিক ও উন্নত কোনো কেন্দ্র নেই।

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মনে করেন, খালেদা জিয়ার বর্তমান শারীরিক অবস্থার কারণে তার বিশেষায়িত চিকিৎসা দরকার। তিনি বলেন, ম্যাডামের মতো জটিল রোগীদের উন্নত চিকিৎসা ব্যবস্থা বিদেশেই রয়েছে। ফলে তাকে বিদেশে নেয়াই যুক্তিযুক্ত।

চিকিৎসকদলের সদস্য ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন জানান, খালেদা জিয়া সুস্থ্য হয়ে কবে বাসায় ফিরবেন, সেটি মেডিক্যাল বোর্ডের পরামর্শের ওপর নির্ভর করছে। কারণ এখনো তিনি করোনা-পরবর্তী জটিলতায় ভুগছেন।

করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর ২৮ এপ্রিল থেকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন খালেদা জিয়া। শ্বাসকষ্ট দেখা দেওয়ায় ৩ মে থেকে ৪ জুন পর্যন্ত সিসিইউয়ে থাকার পর এখন তাকে কেবিনে দেয়া হয়েছে। তবে পুরোপুরি সুস্থ্য হয়ে কবে তিনি বাসায় যেতে পারবেন, সে বিষয়ে চিকিৎসকরা এখনই কিছু বলতে পারছেন না। কারণ এখনো তিনি করোনা-পরবর্তী জটিলতায় ভুগছেন। তথ্যসূত্র : পূর্বপশ্চিমবিডি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‌তালায় কুমারী অন্তসত্ত্বা : ধর্ষক গ্রেফতার

তালা প্রতিনিধি: পল্লীতে কিশোরী মাকে কুমারী অবস্থায় অন্তসত্ত্বা হয়ে পড়লে শুরু হয় নানা গুঞ্জন। এমনকি গর্ভের সন্তানের পিতৃ পরিচয় নিয়ে বাধেঁ দি¦ধাদ্বন্দ।বাচ্চাটিকে হত্যা করার পরিকল্পনা করেন কিশোরীর পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে, সাতক্ষীরার তালা উপজেলার পাটকেলঘাটা থানার তৈলকুপির গ্রামে।
তবে বাচ্চাটিকে হত্যা করার আগেই পুলিশ ঘটনা স্থলে হাজির হয়ে কুমারী মায়ের ৭ মাসের সন্তান কে বাঁচাতে সক্ষম হন। পরে গতকাল দুপুরে ঐ কিশোরী মা (১৪) বাদী থানায় একটি ধর্ষন মামলা দ্বায়ের করেন। এ ঘটনার কয়েক ঘন্টার পর অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়।
কিশোরী মায়ের দেওয়া তথ্যমতে অভিযুক্ত বাবার নাম হযরত আলী বিশ্বাস(২১)। সে পাটকেলঘাটা থানার তৈলকুপি গ্রামের শাহাবুদ্দিন বিশ্বাসের ছেলে।
পাটকেলঘাটা থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি)কাজী ওয়াহিদ মুর্শেদ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, কিশোরী মা ধর্ষন মামলা দায়ের করায় অভিযুক্ত হযরত আলী বিশ্বাসকে গতকাল গ্রেফতার করা হয়েছে । শনিবার সকালে তাকে বিজ্ঞ আদলতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। মামলা নং-৩/২১

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অগ্রগতি সংস্থার উদ্যোগে আর টি আই এর উপজেলা সেল কমিটির সভা

শ্যামনগর প্রতিনিধি :  সাতক্ষীরা’র শ্যামনগর উপজেলায় অগ্রগতি সংস্থার উদ্যোগে আর টি আই এর উপজেলা সেল কমিটির মতবিনিময় ও আলোচনা সভা ও অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১২জুন শনিবার সকাল ১০টায় নকিপুর সরকারি এইচ সি পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয় হল রুমে উক্ত অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়। শ্যামনগর উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ও আর টি আই এর উপজেলা সেল কমিটির সভাপতি খালেদা আইয়ুব ডলির সভাপতিত্বে সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন আর টি আই এর শ্যামনগর ফিল্ড ফ্যসিলি টটর জাহিদা জাহান মৌ। উক্ত অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন আর টি আই এর উপজেলা সেল কমিটির উপদেষ্টা ও নকিপুর সরকারি এইচ সি পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ড. আব্দুল মান্নান, উপজেলা সেল কমিটির সহ-সভাপতি সাংবাদিক এম. কামরুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক তাহমিনা বেগম,সাংবাদিক মেহেদী হাসান মারুফ,নুরুজাহান,শাহীন আলম,শহিদুল ইসলাম ছোটন,আনিসুর রহমান সহ আরও অনেকেই উপস্থিত ছিলেন। এ সময় আর টি আই এর উপজেলা সেল কমিটির সভাপতি খালেদা আইয়ুব ডলি বলেন, অগ্রগতি সংস্থা উদ্যোগে ২০০৯ এর তথ্য আইন বাস্তবায়নের উপর গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উপস্থাপন করেন। মানুষের অধিকার আদায়ে সমস্যা সমাধানের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেন। উপস্থিত সকল কমিটির সদস্য দের মাধ্যমে তথ্য আইন বাস্তবায়নে সকলের সহযোগিতা নিয়ে কাজ করার ইচ্ছা পোষণ করেন তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

দেশের খবর : করোনার চেয়ে নির্বাচন বেশি গুরুত্বপূর্ণ বলে দাবি করে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা বলেছেন, নির্বাচনে করোনার বিস্তার ঘটায় এমন যুক্তিতে আমি বিশ্বাস করি না। করোনা বিস্তারের ১০০টি কারণের মধ্যে নির্বাচন একটি কারণ হতে পারে মাত্র।

শনিবার দুপুর ২টায় বরিশাল সার্কিট হাউজে ‘পৌর এবং ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সাথে আইন শৃঙ্খলা সংক্রান্ত’ সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

করোনার মধ্যে নির্বাচন নিয়ে সিইসি আরও বলেন, পাশের দেশ ভারতের পশ্চিমবঙ্গে সম্প্রতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলেও সবচেয়ে বেশি করোনায় আক্রান্ত হয়েছে দিল্লিতে। সেখানে নির্বাচন হয়নি। আমেরিকায়ও নির্বাচনের পরে করোনা সংক্রমণ বাড়েনি। কোভিড পরিস্থিতি শুরুর পর পৃথীবির বিভিন্ন দেশে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলেও ওই দেশগুলোতে এর প্রভাব পড়েনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাংলাদেশিরা এবারও হজে যেতে পারছেন না

দেশের খবর : করোনাভাইরাসের মহামারির মধ্যে এবারও বাইরের কোনো দেশ থেকে সৌদি আরবে পবিত্র হজ পালন করতে যেতে পারবেন না মুসল্লিরা। ফলে বাংলাদেশিরাও এবার হজ পালন করতে পারছেন না।

ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ফরিদুল হক খান শনিবার বলেন, ‘সৌদি আরব সরকার জানিয়েছে, করোনা মহামারি পরিস্থিতি বিবেচনায় এ বছরও (১৪৪২ হিজরি, ইংরেজি ২০২১ খ্রিস্টাব্দ) সৌদি আরবের বাইরের কোনো দেশ থেকে যাত্রীরা হজের সুযোগ পাবেন না।’

‘সৌদি আরবের নাগরিক এবং সৌদি আরবে অবস্থানকারী অন্যান্য দেশের মুসলিমদের নিয়ে সীমিত আকারে হজ পালিত হবে’, সচিবালয় থেকে ভিডিওবার্তায় যোগ করেন প্রতিমন্ত্রী।

করোনাভাইরাস মহামারির কারণে গত বছরও ‘সীমিত পরিসরে’ হজ অনুষ্ঠিত হয়। গত বছরও বাংলাদেশ থেকে কেউ সৌদি আরবে গিয়ে হজ করার সুযোগ পাননি। স্বাভাবিক সময়ে প্রতিবছর বাংলাদেশ থেকে হজ পালনে সৌদি আরব যেতে পারেন সোয়া লাখেরও বেশি বাংলাদেশি।

প্রতিবছর হজে কয়েক লাখ মানুষ সৌদি আরবের মক্কা নগরীতে জমায়েত হন। এই বিপুল সংখ্যক মানুষের সমাগম বর্তমান করোনাভাইরাসের পরিপ্রেক্ষিতে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। এই বিবেচনায় সৌদি সরকার ‘সীমিত পরিসরে’ হজ পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

এ বছরও হজ পালনের আশায় দেশে ৬০ হাজার মানুষ প্রাক-নিবন্ধন করেছিলেন।

গতকাল শুক্রবার ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ফরিদুল হক খান এনটিভিকে বলেছিলেন, কেউ চাইলে নিবন্ধনের টাকা উঠিয়ে নিতে পারেন।

‘টাকা যদি কেউ উঠিয়ে নিতে চায় সেটা তাঁর ব্যক্তিগত বিষয়। দিচ্ছেও। যারা উঠিয়ে নিতে চাচ্ছেন তাদের দিচ্ছেও। কেউ আংশিক উঠিয়ে নিচ্ছে তাঁর বিপদের জন্য। তাঁর সিরিয়ালটা যেন নষ্ট না হয়। এরকমও করেছেন অনেকে।’

ধর্ম প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, যারা নিবন্ধনের টাকা তুলে নিবেন না; পরের বছর হজে যাওয়ার ক্ষেত্রে তাঁরা অগ্রাধিকার পাবেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
৩০ বছরের দখলীয় সম্পত্তির ভবনের সানসেট ভেঙে জোরপূর্বক ভবন নির্মানের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সাতক্ষীরা সদরের লাবসায় দীর্ঘ ৩০ বছরের দখলীয় সম্পত্তি ভবনের সানসেট ভেঙে জোরপূর্বক ভবন নির্মানের প্রতিকার এবং খুন জখমসহ বিভিন্ন হুমকি ধামকির অভিযোগ উঠেছে। শনিবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করনে সদরের লাবসা গ্রামের মো: আব্দুল্লাহর মেয়ে রাহিমা খাতুন।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেনবিগত ২০১৭ লাবসা মৌজায় ২ তলা বাড়িসহ দেড় শতক সম্পত্তি ক্রয় করে শান্তিপূর্ণভাবে ভোগ দখল করে আসছিলাম। গত ২০২০ সালে আমাদের প্রতিবেশী মৃত. নছিরউদ্দীন মোল্ল্যার পুত্র রইছউদ্দিন বিভিন্ন সময়ে আমাদের সম্পত্তির মধ্যে তার সম্পত্তি রয়েছে মর্মে দাবি করতে থাকে। একপর্যায়ে মাপজরিপ করা হলেও তার অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হয়। সে সময় তাকে আমাদের সম্পত্তি ক্রয়ের জন্য অনুরোধ জানালে তিনি অস্বীকৃত জানান। অথচ উক্ত বাড়িতে থাকা ভাড়াটিয়াদের বিভিন্নভাবে অত্যাচার করতে থাকে। আমরা অতীষ্ট হয়ে অন্যত্র বিক্রয়ের চেষ্টা করলে পরসম্পদ লোভী রইছউদ্দিন ক্রেতাদের বিভিন্নভাবে মিথ্যা তথ্য দিয়ে নিরুৎসাহিত করে। রইছউদ্দিন নিজে সম্পত্তি ক্রয় করতে চান না আবার অন্যদের কাছে বিক্রয়ও করতে গেলে মিথ্যাচার করে হয়রানি করে। আবার এমনভাবে আমাদের অত্যাচার করতে থাকে যাতে আমরা স্বেচ্ছায় উক্ত সম্পত্তি ছেড়ে চলে যায়।
তিরি আরো বলেন সম্প্রতি রইছউদ্দিন আমাদের ভবনের একেবাবে গাঁ ঘেষে ভবন নির্মাণ শুরু করে। এবিষয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করলে থানা পুলিশের হস্তক্ষেপে তাদের কাজ বন্ধ রাখে। কিন্তু সুচতুর রইছউদ্দিন সাতক্ষীরায় লকডাউন শুরু হওয়ার সাথে সাথে আবারো কাজ শুরু করে। কাজ করতে গিয়ে আমাদের সম্পত্তির মধ্যে কোন সম্পত্তি না থাকলেও গায়ের জোরে আমাদের ভবনের সানসেট ভেঙে দিয়ে আবারো ভবন নির্মান কাজ শুরু করে। লকডাউন থাকার সুযোগ কাজে লাগিয়ে নির্মান কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। আমি স্বামীর বাড়িতে থাকার কারণে আমার মা রোকেয়া খাতুন বাধা দিতে গেলে রইছউদ্দিন এবং তার পুত্র আব্দুর রহমান আমার বৃদ্ধা মাকে মারপিট করতে উদ্যাত হয় এবং অকথ্য ভাষায় গালি গালাজ করে। খবর পেয়ে আমি স্বামীকে সাথে নিয়ে বাধা দিতে গেলেও আমাদের কোন বাধা না শুনে উল্টো খুন জখমসহ বিভিন্ন হুমকি দিচ্ছে। এব্যাপরে তিনি রইছউদ্দিন গংয়ের কবল থেকে আমার ক্রয়কৃত সম্পত্তি রক্ষা এবং মিথ্যা হয়রানির হাত থেকে রক্ষা পেতে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় মেয়ের আত্মহননে ফতোয়াবাজদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে এক অসহায় পিতার সংবাদ সম্মেলন

নিজস্ব প্রতিনিধি :  সাতক্ষীরার বৈকারি ইউনিয়নের মৃগিডাঙ্গা গ্রামে ফতোয়া দিয়ে মেয়েকে আত্মহননে বাধ্যকারীদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন অসহায় পিতা। শনিবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনয়াতনে এক সংবাদ সম্মেলনে সদর উপজেলার কাথন্ডা গ্রামের মৃত. সাম আলী সরদারের ছেলে মোঃ মফিজুল ইসলাম এই দাবি জানান। লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, প্রায় ৭/৮ বছর আগে আমার মেয়ে মোছাঃ রোকেয়া খাতুনের সাথে মৃগিডাঙ্গা গ্রামের আবু জাফরের ছেলে সাদ্দাম হোসেনের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে তারা সুখে শান্তিতেই বসবাস করে আসছিল। তাদের সামিয়া (৬) নামের একটি মেয়ে সন্তান রয়েছে। কিন্তু সম্প্রতি সাদ্দামের ভগ্নিপতি কাথন্ডা গ্রামের শহীদুল বিশ^াসের ছেলে ইস্রাফিলের কুনজর পড়ে আমার মেয়ের উপর। বিভিন্ন কৌশলে সে আমার মেয়েকে তার বশীভূত করার ষড়যন্ত্র করতে থাকে। একপর্যায়ে গত ৬ জুন রবিবার আমার মেয়ে নিখোঁজ হয়। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুজির একপর্যায়ে জানতে পারি লম্পট ইস্রাফিল তার ভগ্নিপতি এরশাদের সহযোগিতায় আমার মেয়েকে ফাঁদে ফেলে বাড়ি থেকে বের করে নিয়ে গেছে। ৯ জুন‘২১ মৃগিডাঙ্গা গ্রামের মৃত ওয়াজেদ আলীর ছেলে এরশাদ আলী আমার মেয়েকে নিয়ে আসলেও তার শ্যালক ইস্রাফিলকে সাথে আনেনি। এসময় মেয়ের স্বামী সাদ্দাম এবং শ^শুর আবু জাফর পুনরায় রোকেয়াকে গ্রহণ করে শান্তিতে সংসার করার জন্য বলেন। মফিজুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, এঘটনার পর গত ১০ জুন ইস্রাফিলের পিতা শহীদুল বিশ্বাস ও তার জামাই এরশাদ আমার মেয়ের শশুর বাড়িতে গিয়ে শুধু মাত্র রোকেয়াকে দোষারোপ করে এবং তার স্বামী সাদ্দাম, শ^শুর জাফর, শ^াশুড়ি এবং মেয়েকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। এছাড়া বিভিন্ন হুমকি ধামকি প্রদর্শন করে। অথচ লম্পট ইস্রাফিলকে কেউ দোষারোপ করেনি। পরে একই এলাকার সাইফুল ইসলাম, এরশাদ ও শহীদুল ইসলামের ইন্ধনে ফতোয়া দেয়া হয় যে, রোকেয়া তিন দিন পর বাড়ি ফিরেছে তাকে তাওবা পড়তে হবে এবং ৫১ বেত্রাঘাত করে পবিত্র করে তারপর ঘরে তুলতে হবে। তা না হলে আমরা ওই নষ্টা মেয়েকে এলাকাছাড়া করবো বলে তার স্বামী এবং শ^শুরকে বিভিন্নভাবে হুমকি ধামকি প্রদর্শন করে তারা। একপর্যায়ে ওই ফতোয়াবাজদের চাপে পড়ে আমার মেয়েকে ৫১ বার বেত্রাঘাত করতে এবং তাওবা পড়তে রাজি হয় তার শ^শুর বাড়ির লোকজন। সে অনুযায়ী মাও: আবুল খায়ের তাকে তাওবা পড়ান। কিন্তু সাইফুল ইসলাম বেত্রাঘাত করতে উদ্যাত হলে তার থেকে বেত কেড়ে নিয়ে এরশাদ আলী আমার মেয়েকে ৫১টি বেত্রাঘাত করে। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ১০ জুন রাতে বেত্রাঘাতের পরে এরশাদ, এরশাদের শ^শুর শহীদুল বিশ^াস ও মামা শ^াশুরের চাপে পড়ে ক্ষোভে অপমানে ১১ জুন সকালে নিজ ঘরের আড়ার সাথে গলায় দড়ি দিয়ে আমার মেয়ে রোকেয়া আত্মহত্যা করে। ফতোয়া দিয়ে উল্লেখিতরা আমার মেয়েকে আত্মহননে বাধ্য করেছে। তিনি আত্মহননে বাধ্যকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
৩০ জুন পর্যন্ত বাড়ল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি

শিক্ষা ডেস্ক : দেশের মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠনের চলমান ছুটি আরেক দফায় বাড়ানো হয়েছে। এ ছুটি আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

শনিবার (১২ জুন) শিক্ষামন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা এম এ খায়ের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে করোনা পরিস্থিতি আরও অবনতি হওয়ায় এবং দেশের কোন কোন অঞ্চলে আংশিকভাবে কঠোর লকডাউন কার্যকর থাকায়, শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মচারী ও অভিভাবকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও সার্বিক নিরাপত্তার বিবেচনায় এবং কোভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় পরামর্শক কমিটির সাথে পরামর্শক্রমে দেশের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং এবতেদায়ী ও কওমি মাদরাসাসমূহে চলমান ছুটি আগামী ৩০ জুন ২০২১ তারিখ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, করোনা পরিস্থিতির উন্নতি সাপেক্ষে ১৩ জুন দেশের সকল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার কথা জানিয়েছিল শিক্ষা মন্ত্রণালয়। করোনাভাইরাসের কারণে প্রায় ১৫ মাস ধরে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest