সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় নির্মাণাধীন ভবনের সাব-কন্টাক্টরের কাছে চাঁদা দাবি : থানায় অভিযোগতালায় আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা: সার সংকট, মাটি কাটা ও বালু উত্তোলন বন্ধে গুরুত্বারোপদেবহাটায় শিশুদের প্রারম্ভিক বিকাশে খেলাভিত্তিক সেশন পরিদর্শনসাতক্ষীরায় আবাসিক হোটেল-রেস্তোরাঁ – বেকারি ব্যবস্থাপনা বিষয়ক মতবিনিময়সাতক্ষীরায় মোজাম্মেল মিস্ত্রী হ%ত্যা মামলার দুই প্রধান আসামি সিলেটে গ্রেফতারশ্যামনগরে সুন্দরবনের বনদস্যু নির্মূলে মানববন্ধনএবিপার্টি সাতক্ষীরা সদর উপজেলার আহবায়ক কমিটির অনুমোদনসাতক্ষীরায় শিশু ধর্ষণ ও যৌন সহিংসতার প্রতিবাদে মানববন্ধনএডিসি রিপন বিশ্বাসের অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি দেওয়ার সিদ্ধান্ত সাতক্ষীরা আইনজীবী ফোরামেরপ্রেরণার নির্বাহী পরিচালক শম্পার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা

‘যোগদান করিনি, বিজেপির সঙ্গে লিভ-ইনে ছিলাম’, নুসরাতকে শ্রীলেখার ‘খোঁচা’

বিনোদন ডেস্ক : অভিনেত্রী শ্রীলেখা এবার মিত্র মুকুল রায় ও শুভ্রাংশু রায়কে উদ্দেশ্য করে করা এক মন্তব্যে নুসরাত আর নিখিলের সম্পর্ক নিয়ে খোঁচা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘বিজেপিতে আমি এতদিন যোগদান করিনি। বিজেপির সঙ্গে লিভ-ইনে ছিলাম। তাই বিজেপি ছাড়ার কোনো প্রশ্ন ওঠে না।’

অবশ্য পোস্টটি সংগৃহীত বলেই জানিয়েছেন শ্রীলেখা। যেখানে পোস্টের নিচে আবার লেখা ‘ইতি, মুকুল রায়’। আবারও ঘাসফুলের পথে মানে তৃণমূলে পা বাড়াবেন মুকুল রায় ও তার ছেলে শুভ্রাংশু রায়। এমনই কানাঘুষো শোনা যাচ্ছিল বেশ কয়েকদিন ধরে। জল্পনা আরও বাড়ে গত সপ্তাহে যখন অভিষেক ব্যানার্জি মুকুল রায়ের অসুস্থ স্ত্রীকে হাসপাতালে দেখতে যান।
ভারতীয় গণমাধ্যম সূত্রের বরাতে জানিয়েছে, আজই হয়তো বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগদান মুকুল-শুভ্রাংশুর। আর সেই সূত্রেই ফেসবুকে পোস্টটি করেছেন শ্রীলেখা মিত্র। যেখানে তিনি পরোক্ষভাবে নুসরাত জাহান এবং নিখিল জৈনের সম্পর্কে টানাপোড়েন নিয়েও বিদ্রুপ করেছেন।

যশ দাশগুপ্তের সঙ্গে নুসরাতের প্রেম ও অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার ঘটনায় যখন তোলপাড়, তখন নিখিলের মামলা আদালতে গড়িয়েছে। দেওয়ানি আদালতে নুসরাতের থেকে আলাদা থাকতে চেয়ে মামলা করেছেন নিখিল। এমন পরিস্থিতিতেই বিবৃতি জারি করে নুসরাত জানিয়েছিলেন, তুরস্কে ধুমধাম করে নিখিল জৈনের সঙ্গে যে ডেস্টিনেশন ওয়েডিং তিনি করেছিলেন, তা ভারতীয় আইনে বৈধ হয়।

নুসরাত দাবি করেন, নিখিলের সঙ্গে তার ম্যারেজ রেজিস্ট্রেশন হয়নি। তাই বিয়ে নয় নিখিলের সঙ্গে লিভ-ইন রিলেশনশিপে থাকতেন এবং বিচ্ছেদের কোনও প্রয়োজন নেই বলেই দাবি তার। লিভ-ইনের সেই প্রসঙ্গ তুলে এনেই আবার মুকুল-শুভ্রাংশুর তৃণমূলে ফেরা নিয়ে ব্যঙ্গ করলেন অভিনেত্রী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মেজাজ হারিয়ে লাথি দিয়ে স্টাম্প ভাঙলেন ক্ষমাও চাইলেন সাকিব

খেলার খবর : আম্পায়ারের সিদ্ধান্তে প্রায়ই নাখোশ হতে দেখা যায় ক্রিকেটারদের। তবে সাকিব আল হাসান নাখোশ হয়ে যে প্রতিক্রিয়া দেখালেন, ক্রিকেট মাঠে তা একদমই নজিরবিহীন। জোরালো আবেদনে সাড়া না দেওয়ায় স্টাম্পেই লাথি মেরে বসেছেন মোহামেডান অধিনায়ক। এক ওভার পর স্টাম্প হাতে তুলে আছাড়ও মারেন তিনি।

এই সময়ে আম্পায়ারকে শাসাতেও দেখা গেছে তাকে। এমন আচরণের জন্য শৃঙ্খলাভঙ্গের শাস্তির মুখে পড়তে হতে পারে বাংলাদেশের সফলতম এই ক্রিকেটারকে।
শুক্রবার মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব ও আবাহনী লিমিটেডের মধ্যে ঘটে এই ঘটনা। আগে ব্যাটিং করে ১৪৫ রান করে মোহামেডান। সাদামাটা লক্ষ্য নিয়ে বোলিংয়ের শুরুটা ছিল দারুণ। ৩টি উইকেট তুলে নিয়েছিল। বৃষ্টির আগে আরেকটি উইকেট পেলে ডি এল পদ্ধতিতে নিশ্চিত থাকতে পারতো তারা।

আরেকটি উইকেটের জন্য মরিয়া হয়েই খেলছিল মোহামেডান। আকাশে তখন ঘন কালো মেঘ। দ্রুতই বলগুলো করছিলেন সাকিব। একটি উইকেট পেলেই হয়তো পাঁচ বছর চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীদের বিপক্ষে জয়টা পেতে পারে তারা। কিন্তু সাকিবের জোরালো আবেদনে আম্পায়ার সাড়া না দেওয়াতেও যতো গণ্ডগোল।

পঞ্চম ওভারের শেষ বলটি অবশ্য দারুণ করেছিলেন সাকিব। ওই প্রান্তে ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহিম ঠিকভাবে লাগাতে পারেননি। এলবিডাব্লিউর জোরালো আবেদন করে পুরো দলই। কিন্তু আম্পায়ার সাড়া না দিলে এক মুহূর্ত অপেক্ষা না করে ক্ষেপে লাথি মেরে উইকেটই ভেঙে ফেলেন সাকিব।

এরপর আম্পায়ার ইমরান পারভেজের সঙ্গে তর্ক জুড়ে দেন সাকিব। পরে সতীর্থরা তাকে শান্ত করে নিয়ে যান। তখন আবাহনীর সংগ্রহ ছিল ৩ উইকেটে ২১ রান। আর বৃষ্টির কথা মাথায় রেখেই পরের ওভারে শুভাগতর উপর আগ্রাসী হন নাজমুল হোসেন শান্ত। দুটি বাউন্ডারিতে পরের পাঁচ বলে তুলে নেন ১০ রান। এরপর নামে বৃষ্টি।

এদিকে, এ ঘটনা নিয়ে সরগরম দেশের ক্রিকেটাঙ্গন। অবশেষে অনুতপ্ত হয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ক্ষমা চেয়েছেন সাকিব।

শুক্রবার পৌনে ছয়টার দিকে ফেসবুক পেজে ক্ষমা চেয়ে একটি স্ট্যাটাস দেন সাকিব।

স্ট্যাটাসে সাকিব লেখেন, ‘প্রিয় ভক্ত ও অনুসারীরা, মেজাজ হারিয়ে সবার-বিশেষ করে যারা বাসায় বসে খেলা দেখছেন তাদের ম্যাচটা নষ্ট করে দেয়ায় আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত। আমার মতো একজন অভিজ্ঞ খেলোয়াড় এভাবে প্রতিক্রিয়া দেখানো ঠিক হয়নি। কিন্তু মাঝেমধ্যে কিছু কিছু মতবিরোধে দুর্ভাগ্যজনকভাবে এটা ঘটে যায়। আমি আমার দল, ম্যানেজম্যান্ট, টুর্নামেন্ট অফিসিয়াল এবং আয়োজক কমিটির কাছে এই মানবীয় ভুলের জন্য ক্ষমা চাইছি। আশা করছি, ভবিষ্যতে এটার পুনরাবৃত্তি হবে না। ধন্যবাদ এবং সবার জন্য ভালোবাসা।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মুসলিমদের মুছে ফেলতে চাইছে চীন : অ্যামনেস্টি ১৬০ পৃষ্ঠার রিপোর্ট

বিদেশের খবর : চীনের উইঘুর মুসলিমদের নিয়ে নতুন ১৬০ পৃষ্ঠার রিপোর্ট প্রকাশ করেছে মানবাধিকার বিষয়ক আন্তর্জাতিক বেসরকারি সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। ‘আমরা যেন যুদ্ধে শত্রুপক্ষ’ শিরোনামে বৃহস্পতিবার (১০ জুন) রিপোর্টটি প্রকাশ করে সংস্থাটি।

জার্মান সংবাদমাধ্যম ডয়চে ভেলে জানিয়েছে, ২০১৯ সালের অক্টোবর থেকে ২০২১ সালের মে মাস পর্যন্ত গবেষণা করেছে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। এই সময়ের মধ্যে তারা ১২৮ জনের সাক্ষাৎকার নিয়েছে।

এর মধ্যে ৫৫ জন চীনের উইঘুর শিবিরে ছিলেন। আর ৬৮ জন সেই সব পরিবারের সদস্য, যে পরিবার থেকে কেউ হারিয়ে গেছেন বা তাদেরকে আটক করা হয়েছে বলে ধরে নেওয়া হচ্ছে।

রিপোর্ট বলছে, জিনজিয়াংয়ে ১০ লাখের বেশি মানুষকে বন্দিশিবিরে পাঠানো হয়েছে। মুসলিমদের ভয় দেখানোর জন্য চীন তাদের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক সাইটগুলো বন্ধ করে দিয়েছে। প্রচুর সাক্ষী অ্যামনেস্টিকে বলেছেন, চীন মুসলিমদের মুছে ফেলতে চায়।

অনেকে বলেছেন, মসজিদ ভেঙে ফেলা হয়েছে। এমনকি মসজিদে ও মুসলিমদের বাড়িতে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের ছবি লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে। যাদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়েছে, তাদের অনেকেই বলেছেন, তারা চীনে নিজেদের ধর্মীয় কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে ভয় পাচ্ছেন। তারা জানেন যে, রাষ্ট্র তাদের ওপর নজর রাখছে।

উইঘুর শিবিরের কথা :

রিপোর্টে বলা হয়েছে, কোনো রকম সতর্কতা ছাড়াই মাঝরাতে বাড়ি থেকে তুলে উইঘুরদের শিবিরে নিয়ে যাওয়া হয়। তাদের তথাকথিত শিক্ষা-শিবিরে নিয়ে যাওয়া হয় এবং জোর করে নিজেদের অপরাধের কথা স্বীকার করানো হয়। তারপর তাদের মধ্যে কিছু মানুষকে শিবিরে রাখা হয়। কারণ হিসেবে বলা হয়- তারা সন্ত্রাসবাদী এবং বিশ্বাসযোগ্য নয়।

যাদের শিবিরে আটকে রাখা হয়েছিল, তাদের কয়েকজন অ্যামনেস্টিকে বলেছেন, শিবিরের অবস্থা চীনের কারাগারের থেকেও খারাপ। তাদের সংশোধন-ক্লাসে যেতে হয়। তার আগে সারাদিন তাদের বসিয়ে রাখা হয়। শিবিরের ক্লাসে তাদের ইসলামের ‘খারাপ’ দিকগুলো বাধ্যতামূলকভাবে শিখতে হয়।

অ্যামনেস্টির সুপারিশ :

এই মানবাধিকার সংগঠনের দাবি, অপরাধের অকাট্য প্রমাণ না থাকলে শিবির থেকে সব উইঘুর মুসলিমকে মুক্তি দিতে হবে চীনকে। একইসঙ্গে এই শিবির বন্ধ করতে হবে। উইঘুরদের বিরুদ্ধে যাবতীয় অত্যাচার ও তাদের হেনস্থা করা বন্ধ করতে হবে। জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদ জিনজিয়াংয়ে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ ও অপরাধের তদন্ত করতে আন্তর্জাতিক দল পাঠাবে।

অ্যামনেস্টির সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাগনেস ক্যালামার্ড বলেছেন, ‘চীন মানবতার বিরুদ্ধে যে অপরাধ করেছে, তা তথ্য-সহ এই রিপোর্টে তুলে ধরা হয়েছে। অন্য দেশগুলোকে সাহসী ভূমিকা নিতে হবে এবং চীনকে এই কাজ বন্ধ করতে বাধ্য করতে হবে।’

অ্যাগনেস আরো বলেছেন, ‘আমাদের দেওয়া তথ্যপ্রমাণগুলো জানার পরও দেশগুলোর পক্ষে চুপ করে বসে থাকা মুশকিল।’

যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যেই উইঘুরদের প্রতি চীনের নীতিকে গণহত্যা বলে অভিহিত করেছে। চীন অবশ্য উইঘুরদের বিরুদ্ধে কোনোরকম অত্যাচারের কথা বরাবরই অস্বীকার করে আছে। দেশটির দাবি, চীনের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে বাইরের দেশগুলো হস্তক্ষেপ করার চেষ্টা করছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পাটকেলঘাটায় অবিবাহিত কিশোরীর গর্ভধারণ, নবজাতককে হত্যার চেষ্টা

এসএম বাচ্চু,তালা : কুমারী অবস্থায় অন্তসত্ত্বা হয়ে পড়লে শুরু হয় নানা গুঞ্জন। এমনকি গর্ভের সন্তানের পিতৃ পরিচয় নিয়েও শুরু হয় রশি টানাটানি। শেষ-মেশ কিশোরীর স্বজনদের সিদ্ধান্ত ও স্থানীয় জনৈকা মহিলা মেম্বর মমতাজ বেগমের নেতৃত্বে ধাত্রী হিসেবেও তার তত্ত্বাবধায়নে গর্ভপাত ঘটানো হয় কিশোরীর।

সিদ্ধান্ত হয়, রাতেই নবজাতকটিকে হত্যার পর মাটি চাপা দেওয়া হবে। তবে শেষ রক্ষা হয়নি। হত্যার আগেই পাটকেলঘাটা থানার এস আই সবুজ সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থল থেকে নবজাতকটিকে উদ্ধার করে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।

ঘটনাটি ঘটেছে, সাতক্ষীরার তালা উপজেলার পাটকেলঘাটা থানার তৈলকুপির গ্রামে। বর্তমানে নবজাতকটি তার নানীর তত্ত্বাবধায়নে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতলেই চিকিৎসাধীন রয়েছে।

তবে নবজাতকটির পিতৃ পরিচয় নিয়ে উদ্ধারকারী পুলিশ কর্মকর্তা সাংবাদিকদের বলেন, ভিকটিম কুমারী মায়ের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী নবজাতকটির পিতা একই এলাকার শাহাবুদ্দীন বিশ্বাসের ছেলে হযরত আলী বিশ্বাস(২২)।

এ ব্যাপারে স্থানীয়দের প্রশ্ন ঘটনার বিষয়ে পুলিশে কেন অভিযোগ করা হয়নি? শিশুটির পিতৃ পরিচয় নিশ্চিত হলে কোথাও কোন মামলা বা অভিযোগ না করে কেনই বা তার অবৈধ গর্ভপাত ও হত্যা শেষে মাটি চাপা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হল? তবে জড়িতদের সাথে কোন চুক্তি হয়েছিল কি? নাকি অন্তরালে রয়েছে অন্যকিছু? এমন অনেক বলা না বলা প্রশ্নবানের মধ্যে একটি প্রশ্ন বারবার ঘুর পাক খাচ্ছে। আর তা হল, আসলেই কি প্রতিবেশী হযরত ঘটনার জন্য দায়ী? নাকি মূল অপরাধীকে বাঁচাতে এটা কোন নয়া কৌশল?
এ বিষয়ে অভিযুক্ত হযরত আলীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন,তাকে ফাঁসানোর অপচেষ্টা করা হচ্ছে। তিনি কোনভাবেই নবজাতকের পিতা নন। সর্বশেষ নবজাতকের পিতৃ পরিচয় নিশ্চিত করতে শিশুটির ডিএনএ পরীক্ষারও দাবি জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস উপলক্ষ্যে সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগের দোয়া

প্রেস বিজ্ঞপ্তি :
আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস ১১ জুন। দীর্ঘ প্রায় ১১ মাস কারাভোগের পর ২০০৮ সালের ১১ জুন সংসদ ভবন চত্বরে স্থাপিত বিশেষ কারাগার থেকে তিনি মুক্তি পান।

শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস উপলক্ষ্যে এবং প্রধানমন্ত্রীর শারিরীক সুস্থতা কামনা করে সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগের উদ্যোগে শুক্রবার (১১ জুন ২০২১) বাদ জুম্মা দোয়া অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগের নবগঠিত কমিটির সভাপতি এস.এম আশিকুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক মো. সুমন হোসেন এর সার্বিক ব্যবস্থাপনায় সাতক্ষীরা শহরস্থ শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্ক জামে মসজিদে বাজ জুম্মা সকল মুসল্লী, সাতক্ষীরা জেলা, সদর উপজেলা, পৌরসভা ও সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সকল পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

দেশের খবর : করোনাভাইরাসে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরও ৪৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে দেশে করোনায় মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ১৩ হাজার ০৩২ জনে। এ সময় নতুন করে করোনা আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন ২ হাজার ৪৫৪ জন।এ নিয়ে মোট আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা আট লাখ ২২ হাজার ৮৪৯ জন।এর আগে বৃহস্পতিবার করোনাভাইরাসে ৪০ জনের মৃত্যু ও শনাক্ত হয়েছেন ২ হাজার ৫৭৬ জন।

শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, একই সময়ে সরকারি ও বেসরকারি ৫১০টি ল্যাবরেটরিতে ১৮ হাজার ৭৭৭টি নমুনা সংগ্রহ ও ১৮ হাজার ৫৩৫টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এ নিয়ে মোট নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা দাঁড়ালো ৬১ লাখ ৪৪ হাজার ৭৭৩টি।

আরও বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনামুক্ত হয়েছেন ২ হাজার ২৮৬ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ৭ লাখ ৬১ হাজার ৯১৬ জন।

গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম ৩ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ দেশে এ ভাইরাসে আক্রান্ত প্রথম একজনের মৃত্যু হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভারত থেকে অবৈধভাবে প্রবেশ : সাতক্ষীরা সীমান্তে আটক ৩

আসাদুজ্জামান : করোনার উর্দ্ধগতি ঠেকাতে সাতক্ষীরায় বিশেষ লকডাউন চলাকালে ভারত থেকে অবৈধপথে দেশে প্রবেশের সময় সাতক্ষীরা ভোমরা সীমান্ত থেকে একই পরিবারের তিন বাংলাদেশী নাগরিককে আটক করেছে বিজিবি।

বৃহষ্পতিবার রাতে সদর উপজেলার ভোমরা সীমান্ত থেকে তাদের আটক করা হয়। এনিয়ে, জেলার বিভিন্ন সীমান্ত থেকে এ পর্যন্ত তিন মানবপাচারকারীসহ ৫১ জনকে আটক করেছে বিজিবি। এদিকে, বিজিবির কঠোর নজরদারীর মধ্যেও ভারত থেকে অবৈধ পথে মানুষ দেশে প্রবেশ করায় ভারতীয় ভেরিয়েন্ট সংক্রমনের আতংক বাড়ছে জেলা বাসীর মাঝে।

আটককৃতরা হলেন, খুলনা জেলার কয়রা উপজেলার পাটনাখালি গ্রামের মহাদেব মন্ডলের ছেলে ক্ষীতিশ মন্ডল (৩৫), তার স্ত্রী মুক্তা মন্ডল (২৬) ও শিশু কন্যা প্রেমা মন্ডল (১০)।

বিজিবি সাতক্ষীরাস্থ ৩৩ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল মোহাম্মদ আল মাহমুদ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আটককৃতদের জেলা প্রশাসনের তত্বাবধানে সদর উপজেলার পদ্মশঁখরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। সেখানে ১৪ দিন কোয়ারেন্টাইন শেষে তাদের সদর থানায় সোপর্দ করা হবে। তিনি আরো জানান, করোনার ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট সংক্রমন ঠেকাতে সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির কঠোর নজরদারী জারী করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় কমছেনা সংক্রমণ, চিকিৎসক ও জনবল সংকট, ব্যাপকহারে র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্টের দাবি

আসাদুজ্জামান : সাতক্ষীরায় কিছুতেই কমছেনা করোনা সংক্রমণ। এরই মধ্যে চিকিৎসক ও নার্স সংকটে আরো প্রকট হয়ে উঠেছে হাসপাতালগুলো। ভাইরাসটির পরীক্ষার জন্য বেশী বেশী র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্টের দাবি তুলেছেন সচেতন মহল।

অন্যদিকে, সাতক্ষীরায় অধিকাংশ ক্ষেত্রেই করোনা চিকিৎসায় সরকার ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ঘোষিত প্রটোকল মানা হচ্ছে না। স্বাস্থ্য সুরক্ষা উপকরণের অপ্রতুলতার পাশাপশি এসব ব্যবহারে চিকিৎসা সংশ্লিষ্টদের অনীহা দেখা যাচ্ছে। বেসরকারি হাসপাতাল ও চিকিৎসকদের ব্যক্তিগত চেম্বারে পিপিইর ব্যবহার নেই বললেই চলে। সংক্রমণ বৃদ্ধিতে এসবরে ভূমিকাও কম নয় বলে মনে করছে সচেতন মহল। আক্রান্ত রোগীর বাড়ি লকডউন ও আইসোলেশনের উদ্যোগও খুবই কম।

গত এক সপ্তাহ যাবত সাতক্ষীরায় করোনা সংক্রমনের হার ৫০ থেকে সর্বোচ্চ ৫৯ শতাংশ উঠানামা করছে। গত ২৪ ঘন্টায় ২১১ জনের নমুনা পরীক্ষা শেষে ১১১ জনের করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়েছে। যা সংক্রমনের হার ৫২.৬০ শতাংশ। এনিয়ে, জেলায় আজ পর্যন্ত ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়েছেন মোট ২ হাজার ২৫৬ জন। এছাড়া গত ২৪ ঘন্টায় দুই জন করোনায় আক্রান্ত হয়ে ও ৫ জন উপসর্গে মারা গেছেন। করোনায় এ পর্যন্ত মারা গেছেন মোট ৫০ জন। আর উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন আরো অন্ততঃ ২৪৪ জন। জেলায় বর্তমানে করোনা আক্রান্ত রুগী রয়েছেন ৬৪৭ জন। এর মধ্যে ৫৭ জন দুটি সরকারি হাসপাতালে ও ৫৯০ জন বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতাল ও উপজেলায় চিকিৎসা নিচ্ছেন।

করোনা সংক্রমনের বৃদ্ধির মধ্যেও সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও সদর হাসপাতালে জনবল সংকট প্রকট আকার ধারন করেছে। সীমিত সংখ্যক জনবলে চিকিৎসা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন চিকিৎসক ও সেবিকারা।

এ ব্যাপারে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নার্সিং সুপারভাইজার অপর্ণা রাণী পাল জানান, জেলায় অস্বাভাবিকহারে করোনা রোগী বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে সীমিত জনবলে তাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। তিনি জানান, তাদের ওখানে ১৬৫ জন নার্স থাকার কথা থাকলেও আছে মাত্র ১৫০ জন। বর্তমানে ডিউটি করছেন ৯৫ জন। এর মধ্যে ৯ জন আবার করোনা পজিটিভ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। অচিরেই নার্স নিয়োগ না দিলে স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া আরও কঠিন হয়ে পড়বে বলে মনে করেন তিনি।

নাগরিক আনোদলন মঞ্চ সাতক্ষীরার সাধারন সম্পাদক হাফিজুর রহমান মাসুম জানান, জেলায় যেভাবে করোনা ভাইরাসের সংক্রমন ছড়িয়ে পড়েছে এতে করে ভাইরাসটির পরীক্ষার জন্য জেলায় ব্যাপক হারে র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্টের প্রয়োজন। তিনি আরো জানান, একই চিকিৎসক, নার্স ও কর্মচরী একদিকে যেমন করোনা রুগীদের চিকিৎসা দিচ্ছেন। অপরদিকে তারাই আবার সাধারণ রুগীদেরও চিকিৎসা দিচ্ছেন বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারী হাসপাতাল ও চিকিৎসকদের ব্যক্তিগত চেম্বারে। এর ফলে একদিনে যেমন করোনা মোকাবেলায় এসব সম্মুখযোদ্ধা চিকিৎসক ও নার্স-কর্মচারীরা নিজেরা ঝুঁকিতে পড়ছেন আবার অন্যান্য সাধারণ রোগী ও তাদের আত্মীয়স্বজনদের সংক্রমণের ঝুঁকি আরোও বৃদ্ধি পাচ্ছে।

সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডা. কুদরত-ই-খুদা জানান, মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৫৮ জন চিকিৎসক থাকার কথা থাকলেও রয়েছেন মাত্র ৩১ জন। এ মধ্যে অনেকেই আছেন অসুস্থ্য। অচিরেই চিকিৎসক নিয়োগ না দিলে স্বাস্থ্যসেবা দিতে হিমশিম খেতে হবে বলে তিনি আরো জানান। এদিকে, করোনা রুগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় হাসপাতালটিতে ভাইরাসটিতে আক্রান্ত রুগীদের জন্য বেডের সংখ্যা ৮৭ থেকে বাড়াতে বাড়াতে ১৩৫ টি করলেও এতে সংকুলান হচ্ছেনা। ফলে আগামিকাল শনিবার আরো ১৫টি বেড বাড়ানো হবে বলে জানিয়েছেন হাসপাতালের এই তত্ত্বাবধায়ক।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest