সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় নির্মাণাধীন ভবনের সাব-কন্টাক্টরের কাছে চাঁদা দাবি : থানায় অভিযোগতালায় আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা: সার সংকট, মাটি কাটা ও বালু উত্তোলন বন্ধে গুরুত্বারোপদেবহাটায় শিশুদের প্রারম্ভিক বিকাশে খেলাভিত্তিক সেশন পরিদর্শনসাতক্ষীরায় আবাসিক হোটেল-রেস্তোরাঁ – বেকারি ব্যবস্থাপনা বিষয়ক মতবিনিময়সাতক্ষীরায় মোজাম্মেল মিস্ত্রী হ%ত্যা মামলার দুই প্রধান আসামি সিলেটে গ্রেফতারশ্যামনগরে সুন্দরবনের বনদস্যু নির্মূলে মানববন্ধনএবিপার্টি সাতক্ষীরা সদর উপজেলার আহবায়ক কমিটির অনুমোদনসাতক্ষীরায় শিশু ধর্ষণ ও যৌন সহিংসতার প্রতিবাদে মানববন্ধনএডিসি রিপন বিশ্বাসের অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি দেওয়ার সিদ্ধান্ত সাতক্ষীরা আইনজীবী ফোরামেরপ্রেরণার নির্বাহী পরিচালক শম্পার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা

সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগের নবগঠিত কমিটির পক্ষ থেকে কেন্দ্রীয় সভাপতি-সম্পাদকের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময়

বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় এবং সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য এর সাথে সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগের নবগঠিত কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন।
গতকাল সাতক্ষীরা ছাত্রলীগের নবগঠিত কমিটির সভাপতি এস এম আশিকুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক সুমন হোসেন কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সম্পাদকের সাথে পৃথকভাবে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ইউএনওর গ্যারেজে পচে নষ্ট গরিবের ত্রাণ, শোকজ

দেশের খবর : গ্যারেজে গরিবের ত্রাণ পচে নষ্ট হওয়ার ঘটনায় সিংগাইর উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে (ইউএনও) কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছেন জেলা প্রশাসক। শনিবার (১২ জুন) এই নোটিশ দেওয়া হয়। নোটিশে রবিবারের (১৩ জুন) মধ্যে কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবর প্রকাশের পর প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

চলমান করোনা মহামারির সময়ে সরকার যখন দুস্থ-অসহায় মানুষের খাদ্য নিরাপত্তায় নানামুখী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে, ঠিক সেই সময়ে মানিকগঞ্জের সিংগাইরে ইউএনও’র গ্যারেজে পচে ত্রাণ নষ্ট হওয়ার অভিযোগ উঠে। খোদ সরকারের একটি গোয়েন্দা সংস্থার অনুসন্ধানে এমন তথ্য পাওয়া যায়।

এ ঘটনায় কারণ দর্শানোর বিষয়ে জেলা প্রশাসক এসএম ফেরদৌস বলেন, তার (ইউএনও) কাছে রবিবারে মধ্যে প্রতিবেদন চাওয়া হয়েছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে জানান তিনি।

সূত্র জানায়, মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার জন্য ০৩-০৫-২০২১ তারিখে ১২১ নম্বর স্মারকমূলে জরুরি ত্রাণ সহায়তা হিসেবে এক লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। ওই টাকায় ১০০ প্যাকেট ত্রাণসামগ্রী কিনে ইউএনও’র গ্যারেজের একটি কক্ষে গুদামজাত করে রাখা হয়। যার প্রতি প্যাকেটে ছিল ১০ কেজি চাল, দুই কেজি ডাল, পাঁচ কেজি আলু, দুই কেজি পেঁয়াজ, এক কেজি লবণ, এক কেজি চিনি ও দুই প্যাকেট সেমাই। ১০০ প্যাকেটের মধ্যে ঈদের আগে মাত্র ১০ প্যাকেট বিতরণ করা হয়। গোয়েন্দা সংস্থার তথ্যমতে, ইউএনও’র গ্যারেজে রাখা ১০০ প্যাকেট ত্রাণসামগ্রীর মধ্যে ৯০ প্যাকেটই পচে নষ্ট হয়েছে। প্যাকেটে থাকা আলু-পেঁয়াজ পচে গেছে। চাল, ডাল ও নষ্ট হওয়ার পথে। এছাড়া অভিযোগ রয়েছে ভুক্তভোগী একাধিক ব্যক্তি ৩৩৩ নম্বরে ফোন করেও খাদ্য সহায়তা পায়নি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় একদিনে শনাক্তের হার রেকর্ড ৬৪ শতাংশ

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরায় দ্বিতীয় দফায় লকডাউন চলছে। আজ রোববার সকাল থেকে ব্যারিকেড বসিয়ে জনসমাগম ও যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণে সার্বক্ষণিক চেষ্টা করছে পুলিশ। এছাড়া খুলনা ও যশোর থেকে সাতক্ষীরায় প্রবেশের পথ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

এদিকে পুলিশের ব্যাপক তৎপরতা সত্ত্বেও লকডাউনে খানিকটা ঢিলেঢালাভাব দেখা গেছে। পুলিশের নজর এড়িয়ে মোড়ে মোড়ে চায়ের দোকানে, হাটে-বাজারে সন্ধ্যার পরও মানুষজনকে আড্ডা দিতে দেখা যাচ্ছে। যদিও সকাল ৮ থেকে ১১ টা পর্যন্ত শুধুমাত্র জরুরি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান খোলা রাখার সুযোগ আছে।

এদিকে, সাতক্ষীরায় করোনা সংক্রমণের হার আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। গতকাল শনিবার ২৪ ঘণ্টায় সাতক্ষীরায় ৮১ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৫২ জনের করোনা পজিটিভ এসেছে। শনাক্তের হার ৬৪ দশমিক ২০ শতাংশ।

তবে এ সংক্রমণের এই পরিসংখ্যানে জেলার প্রকৃত চিত্র উঠে আসছে না। ইতিমধ্যে জেলার কয়েকটি উপজেলায় র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্টের মাধ্যমে দ্রুত করোনা শনাক্তের কাজ শুরু হয়েছে। জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের দেয়া পরিসংখ্যানে এখনও এই শনাক্ত হওয়া রোগীর সংখ্যা যুক্ত করা হয়নি। নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে কলারোয়া উপজেলায় এই পরীক্ষায় বিপুল সংখ্যক রোগী শনাক্ত হচ্ছে।

সাতক্ষীরায় পর্যাপ্ত চিকিৎসক ও শয্যা সংকটে করোনা রোগীদের চিকিৎসা দিতে হিমশিম খাচ্ছে স্বাস্থ্য বিভাগ। বর্তমানে জেলায় ৬৮৩ জন কোভিড রোগী রয়েছে। তাদের মধ্যে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১৫০ জন ও সদর হাসপাতালে ৩৫ জন চিকিৎসাধীন। অন্য রোগীরা প্রাতিষ্ঠানিক ও পারিবারিক কোয়ারেন্টিনে রয়েছে।

সাতক্ষীরার সিভিল সার্জন ডা. হুসাইন শাফায়েত জানান, মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কোভিড রোগীদের জন্য আটটি আইসোলেশন ও ১৩৫টি শয্যা ছাড়াও আট শয্যার নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ) রয়েছে। এ ছাড়া সদর হাসপাতালের করোনা ইউনিটে শয্যা রয়েছে মাত্র ৩৫টি। আরও শয্যা ও জনবল না থাকায় চিকিৎসা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন চিকিৎসকেরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তুলার বিচির নির্যাসে ঘি তৈরি করে নামি-দামি ব্র্যান্ডের কৌটায় বিক্রি!

দেশের খবর : পুরান ঢাকার লালবাগের বেগমবাজারের একটি ছোট্ট গলি। কয়েকটি ভবন পার হওয়ার পরই চারতলা বিশিষ্ট একটি জরাজীর্ণ ভবনের দেখা মেলে। ভবনটির সিঁড়ি বেয়ে চারতলায় উঠতেই দেখা যায়, একটি কক্ষে ৪ থেকে ৫ জন ব্যস্ত সময় পার করছেন। তাদের কেউ চুলায় তাপ দিচ্ছেন আবার কেউ চুলা থেকে গরম তেল নামিয়ে ঠান্ডা করছেন। কেউ আবার তেলে নানা নকল উপকরণ মিশিয়ে ঘি তৈরি করছেন।

পাশের অন্য একটি কক্ষে প্রাণ ও আড়ংয়ের ঘি’র মতো নামি-দামি ব্র্যান্ডের কৌটায় কেজি কেজি ঘি সাজানো রয়েছে। এসব ঘি তারাই তৈরি করেছেন। এই দৃশ্য দেখে যে কেউ ভাববে প্রাণ কিংবা আড়ংয়ের ঘি-এর ছোট কারখানা এটি। তাঁদের এমন ব্যস্ত সময়ের মাঝে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) উপস্থিতিতে হতবাক হয়ে পড়েন ঘি তৈরির কর্মচারি ও কারিগররা। অন্যদিকে ডিবি’র উপস্থিতি টের পেয়ে ভেজাল ঘি তৈরির মূলহোতা ও ভবনটির মালিক আব্দুস সামাদ পালাতে চেয়েছিলেন।

এর পরই বেরিয়ে আসে ঘি তৈরির আসল রহস্য। গোয়েন্দা পুলিশের কাছে তারা স্বীকার করেন, নামি-দামি ব্র্যান্ডের কৌটায় ভর্তি যে ঘি তারা বানিয়েছেন- তাতে ঘি’র কোনো কিছু নেই। মূলত তারা ডালডা ও সয়াবিন তেলে শিমুল তুলার বিচির নির্যাস দিয়ে এবং রঙ মিশ্রিত পানি মিশিয়ে রাতারাতি বানিয়ে ফেলে কেজি কেজি ঘি!

আর এসব ঘি দেদারছে বিক্রি হচ্ছে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে। তাদের কাছ থেকে এসব ঘি কিনে নিয়ে যায় কিছু অসাধু ব্যবসায়ী। নামমাত্র মূল্যে এসব ঘি কিনে বাজারে ক্রেতাদের কাছে নামি-দামি ব্র্যান্ডের দামে বিক্রি করা হয়। যদিও গোয়েন্দা পুলিশের অভিযান প্রায় ৫ মণ নকল ঘি জব্দ করা হয়েছে। এসব ঘি বাজারে নেওয়ার প্রস্তুতি চলছিলো।

এই সময় ঢাকা মহানগর ডিবি পুলিশের লালবাগ টিম নকল ঘি তৈরির সংগে জড়িত থাকার অপরাধে মালিক আব্দুস সামাদ, কারিগর রবিউল ইসলাম ও দুই কর্মচারিসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করে।

গ্রেপ্তারের পর কারখানাটির মালিক আব্দুস সামাদ জানান, গত ১০ বছরের বেশি সময় ধরে তিনি এই কাজ করছেন। তবে বছর দু’য়েক আগে পুলিশের হাতে একই অপরাধে গ্রেফতার হয়ে বছরখানেক জেলও খেটেছেন। এরপর জামিনে বেরিয়ে কিছুদিন যেতে না যেতেই ফের একই কাণ্ডে জড়িয়ে পড়েন তিনি। তার দাবি- পেটের দায়ে তিনি এসব নকল ঘি তৈরি করছেন।

তবে কর্মচারিরা জানিয়েছেন, পেটের দায়ে নয়- বরং অল্প পুঁজিতে বেশি লাভ তাই এমনটা করছে কারখানার মালিক।

কর্মচারি রিপন জানান, তিনি মাস তিনেক ধরে এখানে কাজ করেন। এই সময় তিনি দেখেছেন, ওই কারখানা মালিক বিভিন্ন জনের কাছ থেকে প্রাণ, আড়ং ও বাঘা ঘি’র ব্যবহারের পর ফেলে দেওয়া কৌটা সংগ্রহ করেন। বিশেষ করে এসব কৌটা বিভিন্ন ফেরিওয়ালা এবং বিভিন্ন কমিউনিটি সেন্টার থেকে সংগ্রহ করতো আব্দুস সামাদ। সংগৃহীত এসব কৌটা প্রতি পিচ দশ টাকা দিয়ে কিনতো সে। এরপর তাতে নকল ঘি ভরে নতুনভাবে বাজারে বিক্রি করতো।

ডিবি’র লালবাগ বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মো. রাজীব আল মাসুদ বলেন, গোপন সূত্রে তথ্য পাওয়ার পর আমরা অভিযান চালিয়েছি নকল ঘি তৈরির কারখানায়। এই ঘটনায় জড়িত কারখানার মালিকসহ ৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

তিনি বলেন, তারা বিভিন্ন ব্র্যান্ড কোম্পানির পুরনো কৌটা সংগ্রহ করে তাতে এসব নকল ঘি ভরে বিক্রি করতো। তারা এসব নকল ঘি-তে সয়াবিন ও ডালডা তেল মিশিয়ে তাতে শিমুল তুলার বিচির নির্যাস দিতো। এতে করে খাঁটি ঘি’য়ের মতো দেখা যেতো।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
১০ বছরে দেশে বজ্রপােতে ২ হাজার ২৭৬ জনের মৃত্যু

দেশের খবর : বজ্রপাতে দেশে প্রাণহানি ক্রমেই বাড়ছে। বজ্রপাতে গত সাড়ে ১০ বছরে মারা গেছে দুই হাজার ২৭৬ জন। চলতি বছরের ৭ জুন পর্যন্ত বজ্রপাতে মারা গেছে ১০৭ জন। আবহাওয়াবিদরা বলছেন, বছরের মে থেকে জুলাই পর্যন্ত সময়ে সবচেয়ে বেশি বজ্রপাতের ঘটনা ঘটে। আর জলবায়ুর বিরূপ পরিবর্তনের প্রভাবে বাড়ছে বজ্রপাতের ঘটনা।

গ্রিন হাউজ গ্যাস নিঃসরণ বেড়ে যাওয়ায় পৃথিবীর তাপমাত্রা বাড়ছে। ফলে বাড়তি আর্দ্রতা প্রভাব ফেলছে বর্ষা ঋতুর বৈচিত্রে। বাড়ছে বজ্রপাত, ঘটছে প্রাণহানি। চলতি বছরই দেশের বিভিন্ন স্থানে বজ্রপাতে প্রাণহানির ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে মানুষের মাঝে। মৃত্যুর সংখ্যাও ক্রমশ বেড়েছে। বেশি মারা যায় মাঠে কাজ করা কৃষক।

এক হিসেবে দেখা গেছে, ২০১৯–২০ সালের মধ্যে দেশে বজ্রপাত হয়েছে ৩১ লাখ ৩৩ হাজারের বেশি। তবে বজ্রপাতের ২৬ শতাংশের বেশি তৈরি হয় মে মাসে।

দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, ২০১১ সাল থেকে ২০২১ সালের মধ্যে বজ্রপাতে মারা গেছে দুই হাজার ১৭০ জন। আর চলতি বছরের ৭ জুন পর্যন্ত কেবল বজ্রপাতে মৃত্যু হয়েছে ১০৭ জনের। আবহাওয়াবিদরা বলছেন, জলবায়ুর বিরূপ পরিবর্তনে বাড়ছে বিপর্যয়।

বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ শাহীনুল ইসলাম বলেন, ‘পূবালী ও পশ্চিমা বায়ুর যেখানে সংমিশ্রণ ঘটে, সেখানে প্রচুর ক্লাউড সেল ডেভলপ হয়। এবং প্রচুর বজ্রপাত হয় ওই এলাকায়। মনসুন সিজনে অর্থাৎ মার্চ, এপ্রিল, মে ও জুনের প্রথম দিকে যে বজ্রপাতটা হয় এর তীব্রতা বেশি থাকে। ফলে এই সময় মানুষ যদি নিরাপদে অবস্থান না করে তাহলে বজ্রপাত শরীরে পরতেও পারে।’

বজ্রপাতের জন্য দায়ী কে- এমন প্রশ্নের জবাবে এই আবহাওয়াবিদ বলেন, ‘এর জন্য আমরা নিজেরাই দায়ী। গাছপালা কমে যাচ্ছে, বহুতল ভবন বাড়ছে পাশাপাশি যে গ্যাস নির্গমণ হয় তার পরিমাণ বাড়ছে।’

মোট বজ্রপাতের প্রায় ৭০ শতাংশ হয় এপ্রিল থেকে জুন মাসের মধ্যে তাই এ সময়টাতে সবাইকে সতর্কতার সঙ্গে চলাচলের পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শত স্বামীর স্ত্রী হও, শত শত সংসারে আগুন লাগাও!

বিনোদন সংবাদ : কলকাতার জনপ্রিয় অভিনেত্রী শ্রাবন্তীর বিয়ে ও বিচ্ছেদ নিয়ে এখনও সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোচনা ও সমালোচনা লেগেই থাকে।

এ বার সমালোচনার আগুনে আরেকটু ঘি ঢালল অভিনেত্রীর নতুন একটি ছবি।

শুক্রবার শ্রাবন্তী ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে নিজের একটি ছবি পোস্ট করেন। ছবিতে তাকে নববধূ রূপে দেখা যাচ্ছে। লাল রঙের শাড়ির সঙ্গে মিলিয়ে দুই হাতে আলতার কারুকার্য করা। সিঁথিতে সিঁদুর ও মাথায় মুকুট।

ছবিটি পোস্ট করার সঙ্গে সঙ্গেই নায়িকাকে নিয়ে কটাক্ষ করতে থাকেন নেটিজেনরা।

শ্রাবন্তীকে অনেকেই প্রশ্ন করেন, তিনি আবার বিয়ের পিঁড়িতে বসেছেন কিনা?

অনুপম ঘোষ নামের একজন লিখেছেন, ‘দিদি চতুর্থ বিয়েটা করে নিন, অনেক দিন নেমন্তন্ন পাইনি’।

আমিনুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তি লিখেছেন, ‘শত স্বামীর স্ত্রী হও, শত শত সংসারে আগুন লাগাও’।

আবার কেউ মন্তব্য করেছেন, ‘নুসরাত দিদি বিয়ে ভাঙতে ব্যস্ত আর উনি তিন বার বউ সাজার পরও আবার শখ করে সেজেছেন’।

শ্রাবন্তীর বয়স নিয়েও কটাক্ষ করেছেন অনেক নেটিজেন।

জানা গেছে, এক জনপ্রিয় ডিজাইনারের জন্যই শ্রাবন্তী নতুন এই ফটোশ্যুট করেছেন। প্রতিটি ছবিতেই তিনি ধরা দিয়েছেন নববধূ বেশে।

প্রসঙ্গত, টালিউড সেনসেশন শ্রাবন্তীর সঙ্গে তৃতীয় স্বামী রোশানের সম্পর্ক ভালো যাচ্ছে না। দুজন দীর্ঘদিন ধরে আলাদা থাকছেন। বিচ্ছেদের প্রস্তুতিও নিচ্ছিলেন।

সম্প্রতি শ্রাবন্তীকে ফিরে পেতে আদালতের দারস্থ হয়েছেন রোশান সিং। রোশনের আবেদনের ভিত্তিতে শ্রাবন্তীকে তলব করেছে আদালত। আগামী জুলাই মাসে অভিনেত্রীকে আদালতে হাজির হতে হবে।

এর আগে ২০০৩ সালে পরিচালক রাজীব বিশ্বাসের সঙ্গে শ্রাবন্তীর বিয়ে হয়। রাজীব-শ্রাবন্তীর ছেলেও রয়েছে, তার নাম ঝিনুক। মায়ের সঙ্গেই থাকে সে।

রাজীবের সঙ্গে বিচ্ছেদের পরে শ্রাবন্তীর সম্পর্ক হয় মডেল কৃষণ ব্রজের সঙ্গে। মহাসমারোহে বিয়েও করেন তারা। এরপর কৃষণের সঙ্গে বিচ্ছেদ চূড়ান্ত হয় শ্রাবন্তীর। এরপরই রোশনকে জীবনসঙ্গী করেন নায়িকা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পরিণীতির ফিট থাকার রহস্য

বিনোদন ডেস্ক : তারকাদের ডায়েট নিয়ে আমজনতার কৌতুহলের শেষ নেই। আর সেই তারকা যদি পরিণীতি চোপড়া হন তাহলে তো কথাই নেই। ক্যারিয়ারের শুরুর পরিণীতির সঙ্গে এখনকার ‘স্যান্ডি’র বহুত ফারাক। ৬ মাসে প্রায় ১০-১২ কেজি ওজন ঝরিয়েছিলেন তিনি। নতুন চেহারার ‘ফিট’ পরিণীতিকে তাই প্রায়ই সম্মুখীন হতে হয় ওজন সংক্রান্ত নানা প্রশ্নের।

বর্তমানে তুরস্কে ছুটি কাটাচ্ছেন এই বলিউড অভিনেত্রী। সেখানে বসেই ইনস্টাগ্রামে ‘আস্ক মি এনিথিং’ নামে এক সেশনের ঘোষণা করেছিলেন অভিনেত্রী। আর সেখানেই অভিনেত্রীর এক ফ্যান তার কাছে জানতে চান ওজন কমিয়ে ফেলার রহস্য। তখন পরিণীতি জানান, আজকাল তার ডায়েটে সবার প্রথমে রয়েছে একটি বিশেষ গ্রিন জুস। যা তৈরি করা হয় পালংশাক, বিট, কমলা লেবু আর পুদিনা পাতা দিয়ে। কখনও প্রয়োজনে তাতে লেবুও ব্যবহার করেন বলে জানিয়েছেন পরিণীতি। এটিকে ডিটক্স জুস হিসেবেই প্রতিদিন পান করেন তিনি।

চলুন জেনে নেওয়া যাক আপনিও যদি আপনার ডায়েটে এই জুস রাখেন তাহলে উপকার পাবেন।

পালংশাকে রয়েছে প্রচুর পরিমানে ফাইবার ও আয়রন। তাই এটা খেলে পেট ভরা থাকবে। যারা রক্তাল্পতার সমস্যায় ভুগছেন তাদের জন্য পালংশাক বিশেষ করে উপকারী। কমলালেবু ও লেবু থাকা ভিটামিন সি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। শরীরে জড়ো হওয়া টক্সিন বের করে দিতে সাহায্য করে। বিটও শরীরের জন্য বেশ উপকারী।

তবে ওজন কমিয়ে ফিট থাকতে শুধু ডায়েটে বদল আনলে চলবে না বলে জানিয়েছে পরিণীতি। সাথে করতে হবে এক্সারসাইজও। কারণ, ৭০-৮০ শতাংশ ওজন কমে শরীরচর্চায়। আর ৩০ শতাংশ খাওয়া-দাওয়ায়।তবে আজ থেকেই লেগে পড়ুন। হিট ও ফিট থাকার রহস্য তো এখন আপনার হাতের মুঠোয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কোয়ার্টারে নারীর মরদেহ, পুলিশ পরিচয় দেওয়া স্বামী পলাতক

দেশের খবর : রাজধানীর আগারগাঁয়ে সংসদ সচিবালয় কোয়ার্টার থেকে নুসরাত জাহান (২৮) নামে এক নারীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার বিকেলে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে প্রতিবেশীদের ফোন পাওয়ার পর বাসার দরজা ভেঙে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার পর থেকে নিহত নুসরাতের স্বামী মামুন মিল্লাত পলাতক রয়েছেন; যিনি পুলিশ কর্মকর্তা পরিচয়ে বি-২ নম্বর কোয়ার্টারে সাবলেটে নুসরাতকে নিয়ে বসবাস করে আসছিলেন।

পুলিশ জানিয়েছে, আদিবাসী নারী নুসরাত পলাতক মামুন মিল্লাতকে বিয়ের পর ধর্মান্তরিত হয়ে মুসলিম হন। তার বাড়ি খাগড়াছড়ি জেলায়। সেখানে তিনি জেলা ছাত্রলীগের নেত্রী ছিলেন।

প্রতিবেশীদের উদ্ধৃত করে পুলিশ জানায়, বেলা ১১টা পর্যন্ত মামুন মিল্লাত বাসায় ছিলেন। এরপর তিনি বাইরে চলে যান। এর ঘণ্টাদেড়েক পর প্রতিবেশীরা ডাকাডাকি করে নুসরাতের আর সাড়া পাননি। সন্দেহ হলে এক প্রতিবেশী ৯৯৯ নম্বরে ফোন করলে আগারগাঁও থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। বাসার দরজা ভেঙে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় ওড়না প্যাঁচানো অবস্থায় নুসরাতকে পাওয়া যায়। সিলিং ফ্যান থেকে মরদেহ নামিয়ে বিকেলে তা ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়।

স্বজনরা পুলিশকে জানিয়েছেন, আদিবাসী নুসরাত ২০১৯ সালে মামুন মিল্লাত নামে ওই যুবককে বিয়ে করেন। ওই সময় তিনি নিজেকে ৩৮তম বিসিএসের পুলিশ কর্মকর্তা পরিচয় দিয়েছিলেন। নুসরাত বিয়ের পর জানতে পারেন, মামুন পুলিশ কর্মকর্তা নন। এ নিয়ে তাদের মধ্যে প্রায় প্রতিদিনই কলহ লেগে থাকত।

প্রতিবেশীরা বলছেন, শনিবার সকালেও তারা নুসরাত ও তার স্বামীর ঝগড়া শুনেছেন। তারা প্রায় দিনই তা করতেন। গত তিন মাস ধরে ওই দুইজন সাবলেট ভাড়া নিয়ে থাকছিলেন।

শেরেবাংলা নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানে আলম মুন্সী বলেন, কিছু কাগজপত্র যাচাই করে ওই নারীর পরিচয় মিলেছে। খাগড়াছড়িতে তার বাবাসহ স্বজনদের খবর দেওয়া হয়েছে। তারা ঢাকায় এলে বিস্তারিত তথ্য মিলবে। এরপর ওই ঘটনায় মামলা হবে। নুসরাতের মরদেহ শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ মর্গে রয়েছে।

পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের উপ-কমিশনার মো. শহীদুল্লাহ বলেন, পলাতক মামুন মিল্লাত পুলিশের কেউ নন। ধারণা করা হচ্ছে, তিনি প্রতারক। প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে, মামুন মিল্লাতের প্ররোচনায় ওই নারী আত্মহত্যা করতে পারেন। তবে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন ও তদন্তের পর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যাবে। পলাতক ওই যুবককে গ্রেপ্তারেও অভিযান চলছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest