সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় নির্মাণাধীন ভবনের সাব-কন্টাক্টরের কাছে চাঁদা দাবি : থানায় অভিযোগতালায় আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা: সার সংকট, মাটি কাটা ও বালু উত্তোলন বন্ধে গুরুত্বারোপদেবহাটায় শিশুদের প্রারম্ভিক বিকাশে খেলাভিত্তিক সেশন পরিদর্শনসাতক্ষীরায় আবাসিক হোটেল-রেস্তোরাঁ – বেকারি ব্যবস্থাপনা বিষয়ক মতবিনিময়সাতক্ষীরায় মোজাম্মেল মিস্ত্রী হ%ত্যা মামলার দুই প্রধান আসামি সিলেটে গ্রেফতারশ্যামনগরে সুন্দরবনের বনদস্যু নির্মূলে মানববন্ধনএবিপার্টি সাতক্ষীরা সদর উপজেলার আহবায়ক কমিটির অনুমোদনসাতক্ষীরায় শিশু ধর্ষণ ও যৌন সহিংসতার প্রতিবাদে মানববন্ধনএডিসি রিপন বিশ্বাসের অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি দেওয়ার সিদ্ধান্ত সাতক্ষীরা আইনজীবী ফোরামেরপ্রেরণার নির্বাহী পরিচালক শম্পার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা

ফেরাউনও আমলাতন্ত্রের বিকল্প বের করতে পারেনি : পরিকল্পনামন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক : পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেছেন, ফেরাউনও আমলাতন্ত্রের বিকল্প বের করতে পারে নাই। আমিও ছোট-খাটো আমলা ছিলাম, এখন আমি বড় আমলা। ফেরাউনকে নেতিবাচকভাবে তুলে ধরা হয়। ফেরাউন মানে অনেক বড় রাজা। আরবের অনেক দেশে ফেরাউনের নাম রাখা হয়।

মঙ্গলবার (৮ জুন) শেরেবাংলা নগরে একনেক সভায় সাভারে বাংলাদেশ লোক প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র প্রকল্পের অনুমোদনের সময় এ কথা বলেন তিনি।

এম এ মান্নান বলেন, আমলাতন্ত্র মন্দ নয়, আমলাতন্ত্র ভালো, আমলাতন্ত্রের বিকল্পও নাই। সোভিয়েতরা বিকল্প বের করতে পারে নাই, চীনও বের করতে পারে নাই, ফেরাউনও পারে নাই। সেই মহান আমলাতন্ত্র আমাদের মধ্যে আছে। আমলাতন্ত্রের জন্য আমরা সাভারে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র প্রকল্পের অনুমোদন দিলাম।

তিনি বলেন, ফেরাউনকে এখানে নেতিবাচক হিসেবে তুলে ধরছি না। ফেরাউন শক্তিশালী সরকার ছিলো।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ফরাসি প্রেসিডেন্টের গালে প্রকাশ্যে থাপ্পড়

বিদেশের খবর : রাস্তায় বেরিয়ে এক ব্যক্তির হাতে থাপ্পড় খেয়েছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। মঙ্গলবার পূর্বনির্ধারিত সফরে বের হওয়ার পর এমন অপ্রত্যাশিত ঘটনা ঘটে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এরই মধ্যে ভাইরাল হয়েছে এমানুয়েল ম্যাক্রোঁকে থাপ্পড় মারার দৃশ্য। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। খবর বিবিসির।

জানা যায়, ফ্রান্সের দক্ষিণপূর্বাঞ্চলীয় ড্রোম অঞ্চলে সরকারি সফরকালে জনতার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে ব্যারিকেডের কাছে যান ফরাসি প্রেসিডেন্ট। এ সময় ব্যারিকেডের উল্টো দিক থেকে এক যুবক আচমকা প্রেসিডেন্টের গালে থাপ্পড় মেরে বসেন। সঙ্গে সঙ্গেই নিরাপত্তা সদস্যরা ম্যাক্রোঁকে দ্রুত সেখান থেকে সরিয়ে নেন এবং থাপ্পড় মারা যুবককে আটক করেন।

প্রেসিডেন্টকে থাপ্পড় মারার সময় ঘটনাস্থলে ম্যাক্রোঁর বিরুদ্ধে স্লোগান দেওয়া হচ্ছিল বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো। তবে এ ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন ফরাসি রাজনীতিবিদরা।

ঘটনার পরপরই ফরাসি প্রধানমন্ত্রী জ্যঁ ক্যাসেক্স ফ্রান্সের জাতীয় সংসদে বলেছেন, গণতন্ত্রে বিতর্ক ও বৈধ মতপার্থক্য থাকতে পারে। তবে এর অর্থ কোনোভাবেই সহিংসতা, মৌখিক ও শারীরিক আক্রমণ হওয়া উচিত নয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দুর্নীতির চেয়ে তথ্য প্রকাশ নিয়ন্ত্রণে সরকার তৎপর : টিআইবি

অনলাইন ডেস্ক : সরকার দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণের চেয়ে শত গুণ বেশি তৎপর তথ্য প্রকাশ নিয়ন্ত্রণে-এমন অভিযোগ করেছেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান। তিনি বলেন, তৃতীয় পক্ষকে লাভবান করতেই অস্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় করোনার ভ্যাকসিন আমদানি করা হয়েছে।

‘করোনাভাইরাস সংকট মোকাবিলা : কোভিড-১৯ টিকা ব্যবস্থাপনায় সুশাসনের চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ উপলক্ষে আজ মঙ্গলবার এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে এ মন্তব্য করেন ইফতেখারুজ্জামান।

ভারতে উৎপাদিত অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা দিয়ে দেশে করোনার গণটিকাদান কর্মসূচি শুরু হয় গত ফেব্রুয়ারি। তবে সংক্রমণের ব্যাপকতায় মার্চেই টিকা রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা দেয় ভারত। এতে টিকা পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তায় পড়ে দেশ। ফলে বিকল্প উৎস থেকে টিকা পাওয়ার চেষ্টা করছে সরকার। ‘করোনাভাইরাস সংকট মোকাবিলা: কোভিড-১৯ টিকা ব্যবস্থাপনায় সুশাসনের চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক টিআইবির গবেষণা প্রতিবেদন উঠে আসে তৃতীয় পক্ষকে লাভবান করতেই অস্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় টিকা আমদানি করা হয়েছে। সংকট মোকাবিলা ও সুশাসনের চ্যালেঞ্জ থেকে উত্তরণের লক্ষে ১৯ দফা সুপারিশ প্রদান করে টিআইবি।

দেশের আট বিভাগের ৪৩ জেলায় করা জরিপে উঠে আসা তথ্য তুলে ধরে বলা হয়, টিকা কিনতে গিয়ে সরকারি ক্রয়বিধির ব্যত্যয় ঘটানো হয়েছে। এখানে তৃতীয় পক্ষকে অন্তর্ভুক্ত করে ২৩১ কোটি টাকা মুনাফা দেওয়া হয়েছে যা দিয়ে ৬৮ লাখ ডোজ টিকা কেনা যেত। দুর্নীতির চেয়ে নিয়ন্ত্রণের চেয়ে তথ্য নিয়ন্ত্রণে ছিল বেশি তৎপরতা।

৮০ শতাংশ মানুষকে কীভাবে, কোন উৎস থেকে টিকা দেওয়া হবে, তার কোনো কৌশলগত দিকনির্দেশনা নেই মন্তব্য করে বক্তারা বলেন এ নিয়ে কোনো পথরেখা এখনো তুলে ধরেনি সরকার।

টিআইবির আউটরিচ অ্যান্ড কমিউনিকেশন বিভাগের পরিচালক মনজুর-ই-আলমের সঞ্চালনায় সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান, উপদেষ্টাÑনির্বাহী ব্যবস্থাপনা অধ্যাপক ড. সুমাইয়া খায়ের, গবেষণা ও পলিসি বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ রফিকুল হাসান ও সিনিয়র রিসার্চ ফেলো শাহজাদা এম আকরাম। গবেষণা প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করেন গবেষণা ও পলিসি বিভাগের রিসার্চ ফেলো মো. জুলকারনাইন।

টিআইবির গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, করোনাভাইরাস পরীক্ষায় আরটি-পিসিআর পরীক্ষাগার এখনো ৩০টি জেলার মধ্যে সীমিত এবং অধিকাংশ পরীক্ষাগার বেসরকারি। বিদ্যমান আরটি-পিসিআর পরীক্ষায় কিছু নতুন স্ট্রেইন শনাক্তে সক্ষমতার ঘাটতি রয়েছে। নমুনা পরীক্ষার কিটের দাম তিনগুণ হ্রাস পেলেও বেসরকারি পরীক্ষাগারের জন্য নির্ধারিত ফি হ্রাস করা হয়নি। এখনো পরীক্ষার প্রতিবেদন পেতে কোথাও কোথাও চার থেকে পাঁচ দিন অপেক্ষা করতে হয়। পাশাপাশি চিকিৎসা ব্যবস্থা সম্প্রসারণ উদ্যোগে এখনো ঘাটতি বিদ্যমান। সংক্রমণের এক বছর তিনমাস অতিবাহিত হলেও পরিকল্পনা অনুযায়ী আইসিইউ, ভেন্টিলেটর ইত্যাদি চিকিৎসা সুবিধার সম্প্রসারণ করা হয়নি। বাজেট এবং যন্ত্রপাতি থাকা সত্ত্বেও সব জেলায় ১০টি করে আইসিইউ শয্যা প্রস্তুতের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হয়নি। অনেক যন্ত্রপাতি ব্যবহার না করে ফেলে রাখা হয়েছে। সরকারি হাসপাতালের আইসিইউ সংকটের কারণে বেসরকারি হাসপাতালে ব্যয়বহুল চিকিৎসা গ্রহণে বাধ্য হয়েছে সাধারণ জনগণ। ফলে একজন কোভিড-১৯ রোগীর গড় খরচ হচ্ছে পাঁচ লক্ষাধিক টাকা।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, পরিকল্পনা অনুযায়ী ১৩ দশমিক ৮ কোটি মানুষকে (জনসংখ্যার ৮০ শতাংশ) টিকার আওতায় নিয়ে আসা ও সে অনুযায়ী টিকা সংগ্রহের ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনায় ঘাটতি রয়েছে। টিকার বাফার স্টক সংরক্ষণে দূরদর্শিতার ঘাটতির কারণে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ১৩ লাখের বেশি টিকাগ্রহীতার দ্বিতীয় ডোজ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। আবার অনলাইনভিত্তিক নিবন্ধন হওয়ার ফলে ৭৪ দশমিক ৪ শতাংশ টিকাগ্রহীতাকে অন্যের সহায়তায় নিবন্ধন নিতে হয়েছে। এ ছাড়া নিবন্ধনের ক্ষেত্রে ৪২ দশমিক ৬ শতাংশ টিকাগ্রহীতা বিভিন্ন সমস্যার মুখোমুখি হয়েছেন যাদের প্রায় ৭৮ শতাংশকে নিবন্ধন করতে ৫ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত ব্যয় করতে হয়েছে। অগ্রাধিকার তালিকায় থাকা সত্ত্বেও কিছু পেশা/জনগোষ্ঠীর মানুষের বয়স ৪০ বছর না হওয়ার কারণে তারা নিবন্ধন করতে পারেনি। আবার পেশা/জনগোষ্ঠী যাচাইয়ের সুযোগ না থাকায় অগ্রাধিকার তালিকার বাইরে থেকে অনেকে টিকা গ্রহণ করেছে বলে জানা যায়।

গবেষণায় দেখা যায়, যথাযথভাবে এলাকাভিত্তিক টিকার চাহিদা যাচাই না করার ফলে সরবরাহ না থাকায় কোনো এলাকায় আকস্মিক সংকট এবং কোনো এলাকায় টিকা উদ্বৃত্ত থাকা ও ফেরত দেওয়ার ঘটনা লক্ষ করা যায়। যথাযথভাবে চাহিদা যাচাইয়ের মাধ্যমে বিদেশগামী কর্মীদের যথাসময়ে টিকার আওতায় আনা হয়নি এবং টিকা সনদ না থাকায় প্রত্যেকের গড়ে ৬০ থেকে ৭০ হাজার টাকা অতিরিক্ত খরচ বহন করতে হয়। জরিপে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে স্বল্প আয়ের ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্তির হার খুবই কম। টিকায় অন্তর্ভুক্তির ক্ষেত্রে নারীদের হারও কম। প্রচারে ঘাটতি, প্রাতিষ্ঠানিকভাবে নিবন্ধনের ব্যবস্থা না করায় অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের কর্মরত সব কর্মীকে টিকার আওতায় আনা সম্ভব হয়নি। টিকাদান কেন্দ্রেও নানা অব্যবস্থাপনা দেখা গেছে। নির্ধারিত কেন্দ্রে টিকা নিতে গিয়ে জরিপে অন্তর্ভুক্ত ২৭ দশমিক ২ শতাংশ টিকাগ্রহীতা নানাবিধ সমস্যার সম্মুখীন হয়েছেন। ৫০ দশমিক ২ শতাংশ টিকাগ্রহীতাকে উপকারিতা ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সম্পর্কে অবহিত করা হয়নি এবং ৫৬ দশমিক ২ শতাংশ টিকাগ্রহীতাকে টিকা দেওয়ার পর তাৎক্ষণিকভাবে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া পর্যবেক্ষণ ও রেকর্ড করা হয়নি। টিকা কেন্দ্রে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করা হয়নি। ৫৭ দশমিক ৬ শতাংশ টিকা কেন্দ্রে অভিযোগ জানানোর ব্যবস্থাই নেই। টিকাগ্রহীতার ৬৫ দশমিক ৮ শতাংশ কোনো অভিযোগ করতে পারেনি এবং ২২ দশমিক ১ শতাংশ কীভাবে অভিযোগ জানাতে হয় তা জানে না বলে জানিয়েছেন।

গবেষণায় দেখা যায়, টিকা সংগ্রহ এবং ক্রয়ের ক্ষেত্রে পরিকল্পনা, সমন্বয়হীনতা ও ক্রয় চুক্তিতে স্বচ্ছতার ঘাটতি বিদ্যমান। একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের চাপে সুযোগ থাকা সত্ত্বেও একটি উৎস ছাড়া বিকল্প উৎস অনুসন্ধানে উদ্যোগের ঘাটতি ছিল। জাতীয় কমিটি এবং বিএমআরসি একটি চীনা প্রতিষ্ঠানের টিকা ট্রায়ালের অনুমোদন দিলেও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে যথাযথ সাড়া না দেওয়ায় ট্রায়াল প্রচেষ্টা বন্ধ হয়ে যায়। এছাড়া দেশীয় প্রতিষ্ঠানের উদ্ভাবিত টিকা ট্রায়ালের অনুমোদনেও দীর্ঘসূত্রতা লক্ষ করা যায়।

গবেষণায় আরও দেখা যায়, বিভিন্ন হাসপাতালের কোভিড মোকাবিলায় বরাদ্দ ব্যয়ে দুর্নীতি অব্যাহত ছিল। যেমন পাঁচটি হাসপাতালে ক্রয়, শ্রমিক নিয়োগ ও কোয়ারেন্টিন বাবদ ৬২ দশমিক ৩ কোটি টাকা ব্যয়ে ৫ কোটি টাকার দুর্নীতি; ক্রয়বিধি লঙ্ঘন করে এক লাখ কিট ক্রয়; বিধি লঙ্ঘন করে অনভিজ্ঞ প্রতিষ্ঠানকে ক্রয়াদেশ প্রদানের ঘটনা দেখা গেছে। করোনাকালে কারিগরি জনবলের ঘাটতি মেটাতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়োগে জনপ্রতি ১৫-২০ লাখ টাকা ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। উপযোগিতা যাচাই না করে হাসপাতাল নির্মাণ এবং তার যথাযথ ব্যবহার না করে হঠাৎ বন্ধ করে দেওয়ায় ৩১ কোটি টাকার অপচয় হয়েছে। স্বাস্থ্যখাতের ক্রয়ে সংঘটিত দুর্নীতির কারণে বারবার পরিচালক পরিবর্তন, ধীরগতির তদন্ত কার্যক্রমের প্রভাবে ‘কোভিড-১৯ ইমার্জেন্সি রেসপন্স অ্যান্ড প্যানডেমিক প্রিপেয়ার্ডনেস’ প্রকল্প বাস্তবায়নে ধীরগতি লক্ষ করা গেছে। কোভিড-১৯ মোকাবিলা কার্যক্রমে এক বছরে সংঘটিত অনিয়ম-দুর্নীতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণে যেমন শৈথিল্য রয়েছে, তেমনি সংঘটিত অনিয়ম-দুর্নীতির বিরুদ্ধে তদন্ত ও বিচারেও ধীরগতি লক্ষ করা গেছে। দুর্নীতিতে জড়িত কিছু ব্যক্তিমালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিলেও স্বাস্থ্য বিভাগের কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারীকে আইনের আওতায় আনা হয়নি।

গবেষণায় দেখা যায়, কোভিড-১৯ মোকাবিলায় প্রণোদনা প্যাকেজ বাস্তবায়নে এখনো চ্যালেঞ্জ বিদ্যমান। সরকার ঘোষিত মোট ২৩টি প্রণোদনা প্যাকেজে বরাদ্দকৃত ১ লাখ ২৮ হাজার ৩ শত ৩ কোটি টাকার প্রায় ৩৫ শতাংশ বিতরণ করা হয়নি। বৃহৎ ও রপ্তানিমুখী শিল্প প্রণোদনার অধিকাংশ বিতরণ হলেও কৃষি, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প এবং নিম্নআয়ের জনগোষ্ঠীর প্রণোদনা বিতরণে ধীরগতি লক্ষ করা গেছে। এ ছাড়া করোনাকালীন তথ্য প্রকাশের কারণে গণমাধ্যমকর্মীদের হয়রানি, নির্যাতন ও মামলার শিকার হওয়া অব্যাহত ছিল। অতিমারী নিয়ে লেখালেখির কারণে ২০২০ সালে ৮৫ জন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা হয়েছে। সম্প্রতি স্বাস্থ্য খাতের দুর্নীতি নিয়ে ধারাবাহিকভাবে প্রতিবেদন করা সাংবাদিক স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে তথ্য সংগ্রহের সময় নির্যাতনের শিকার ও আটক হন, তার বিরুদ্ধে অযৌক্তিকভাবে অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট ১৯২৩-এ মামলা দায়ের করে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘করোনা সংক্রমণের শুরু থেকে বিগত দেড় বছর যাবৎ স্বাস্থ্যখাতে যে ধরনের অনিয়ম-দুর্নীতি ছিল, তা এখনো অব্যাহত আছে। সরকারি ক্রয়বিধি লঙ্ঘন করা হয়েছে, জনবল নিয়োগে কোটি কোটি টাকার লেনদেনের তথ্য প্রকাশিত হয়েছে, উপযোগিতা নিশ্চিত না করে হাসপাতাল সাময়িকভাবে প্রস্তুত এবং তা বন্ধ করার ফলে সরকারের কোটি কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। অন্যদিকে তথ্য প্রকাশের ক্ষেত্রেও প্রতিবন্ধকতা অব্যাহত ছিল, তথ্য নিয়ন্ত্রণের প্রবণতা আরও ঘণীভূত হয়েছে। সরকার দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণে যতখানি তৎপর তার চেয়ে দুর্নীতির তথ্য প্রকাশ নিয়ন্ত্রণে শতগুণে বেশি তৎপর ছিল। যা আত্মঘাতী বিষয়, এ থেকে সরকারকে সরে আসতে হবে।’

চলমান টিকাদান কার্যক্রমের সমালোচনা করে ড. জামান বলেন, ‘পরিকল্পনা, ব্যবস্থাপনা এবং বাস্তবায়নে সরকারের সমন্বিত ও সুনির্দিষ্ট পথরেখার অভাবে টিকাদান কার্যক্রমেও ব্যপক ঘাটতি বিদ্যমান। টিকা নিবন্ধন ও ব্যবস্থাপনা সুবিধাবঞ্চিত মানুষের প্রতিকূলে হওয়ায় এলাকা, শ্রেণি, লিঙ্গ ও পেশাভিত্তিক বৈষম্য তৈরি হয়েছে; ফলশ্রুতিতে ঝুঁকিপূর্ণ ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মধ্যে অনেকেই টিকার আওতার বাইরে রয়ে গেছে। যা সার্বজনীন টিকাদান কর্মসূচির অঙ্গীকারকে ঝুঁকিপূর্ণ করেছে। তাই অবিলম্বে সমন্বিত টিকাদান পরিকল্পনার মাধ্যমে সম্ভাব্য সমস্ত উৎস থেকে টিকা সংগ্রহ ও তা প্রদানের সুনির্দিষ্ট পথরেখা প্রস্তুত করতে হবে।’

সীমান্তবর্তী এলাকায় নতুন ধরনের করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধির সময় ইউপি নির্বাচন আয়োজন বিষয়ে নির্বাচন কমিশনে উদ্যোগ বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন বিভিন্ন সময় জনগণের উদ্বেগের বিষয়গুলো বিবেচনায় না নিয়ে জনস্বার্থবিরোধী বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করেই যাচ্ছে। এখন নির্বাচনের সময় না। তাই আমরা আশা করব, কমিশন অবিলম্বে এ ধরনের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসবে। তারা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার ক্ষেত্রে সবার আগে মানুষের কল্যাণ বিবেচেনা করবে এবং এই এখতিয়ার কমিশনের আছে।’

গবেষণা প্রতিবেদনে করোনাভাইরাস মোকাবিলায় সুশাসনের ঘাটতি নিরসনে টিকা কার্যক্রম সম্পর্কিত ১১টি এবং অন্যান্য কার্যক্রম সম্পর্কিত ৮টিসহ মোট ১৯ দফা সুপারিশ প্রদান করে টিআইবি। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো: দেশের ৮০ শতাংশ জনসংখ্যাকে কীভাবে, কত সময়ের মধ্যে টিকার আওতায় আনা হবে তার সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা করা; উন্মুক্ত প্রতিযোগিতার মাধ্যমে সক্ষমতাসম্পন্ন কোম্পানিগুলোকে নিজ উদ্যোগে স্থানীয়ভাবে টিকা উৎপাদনের সুযোগ প্রদান করা; সরকারি ক্রয়বিধি অনুসরণ করে সরকারি-বেসরকারি খাতের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সরাসরি আমদানির অনুমতি প্রদান করা; রাষ্ট্রীয় গোপন তথ্য ব্যতীত টিকা ক্রয় চুক্তি সম্পর্কিত সব তথ্য সবার জন্য উন্মুক্ত করা; টিকা কেন্দ্রে অভিযোগ নিরসন ব্যবস্থা প্রবর্তন করা এবং অভিযোগের ভিত্তিতে অনিয়ম-দুর্নীতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা। অন্যান্য কার্যক্রম সম্পর্কিত সুপারিশের মধ্যে কোভিড-১৯ মোকাবিলা কার্যক্রমে সংঘটিত অনিয়ম-দুর্নীতির ক্ষেত্রে দ্রুততার সঙ্গে তদন্ত ও সম্পৃক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা; স্টোরে ফেলে রাখা আইসিইউ, ভেন্টিলেটরসহ অন্যান্য যন্ত্রপাতি অতি দ্রুততার সঙ্গে ব্যবহারযোগ্য করা; সব জেলায় আরটি-পিসিআর পরীক্ষাগার স্থাপন করা; কোভিড-১৯ চিকিৎসার খরচ সর্বসাধারণের আয়ত্তের মধ্যে রাখতে চিকিৎসা ফির সীমা নির্ধারণ করা; এবং স্বল্প আয়ের জনগোষ্ঠীর বিকল্প জীবন-জীবিকার সংস্থান করে সংক্রমণ পরিস্থিতি বিবেচনায় এলাকাভিত্তিক ‘লকডাউন’ দেওয়া এবং সুনির্দিষ্ট ব্যাখ্যাসহ নিষেধাজ্ঞার আওতা নির্ধারণ করা উল্লেখযোগ্য।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটায় মঙ্গলবার পর্যন্ত ১১৭ জন করোনা পজেটিভ !

কে এম রেজাউল করিম দেবহাটা : দেবহাটা উপজেলাব্যাপী ৮ জুন, ২০২১ ইং তারিখ মঙ্গলবার পর্যন্ত ১১৭ জন করোনা পজেটিভ রোগী সনাক্ত হয়েছে। করোনা আক্রান্ত হয়ে ৫ জন মারা গেছেন এবং ১৭ জন রোগী করোনা আক্রান্ত হয়ে হোম আইসোলেশনে আছেন। বর্তমানে করোনার মহামারী আকার থেকে দেশের মানুষকে বাচাতে সরকার বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহন করেছে। জেলা ভিত্তিক লকডাউন ঘোষনা করে সেই আক্রান্ত জেলার মানুষকে সচেতন করতে কাজ করা হচ্ছে। সাতক্ষীরায় গত কয়েকদিনে করোনা সংক্রমন মারাত্মক আকার ধারন করেছে। যার কারনে গত বৃহষ্পতিবার সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসন জনস্বার্থের কথা চিন্তা করে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক ও করোনা প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি এস.এম মোস্তফা কামাল সাতক্ষীরা জেলাব্যাপী শনিবার ৫ জুন, ২০২১ ইং তারিখ থেকে আগামী শুক্রবার পর্যন্ত ৭ দিন প্রথম পর্যায়ে কঠোর লকডাউন ঘোষনা করেন। সেই লকডাউন বাস্তবায়নে তিন স্তরে কাজ করছে দেবহাটা উপজেলা প্রশাসন। করোনাভাইরাসের সংক্রমনের (ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট ডেল্টা) মোকাবেলায় লকডাউনের প্রথম দিন থেকে দেবহাটার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও বিভিন্ন গ্রামে সরকারী নির্দেশনা কার্য্যকর করতে দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাছলিমা আক্তার উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেছেন এবং মানুষকে সচেতনতামূলক প্রচারনা ও মাক্স বিতরন করছেন। এছাড়া দেবহাটা উপজেলাব্যাপী দেবহাটা সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার এস.এম জামিল আহম্মেদ ও দেবহাটা থানার ওসি বিপ্লব কুমার সাহার নেতৃত্বে পুলিশী চেকপোষ্ট বসিয়ে সাধারন মানুষকে সচেতনতার পাশাপাশি তল্লাশী অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে এবং চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাছলিমা আক্তার জানান, করোনা আক্রান্ত রোগীদের তথ্য পাওয়ার সাথে সাথে আক্রান্ত ব্যক্তির বাড়ি উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে লকডাউন করা হচ্ছে এবং সার্বিক তদারকি করা হচ্ছে। এছাড়া সর্বত্র লকডাউন বাস্তবায়ন ও মানুষকে সচেতন করতে কাজ করছে উপজেলা প্রশাসন। দেবহাটা থানার ওসি বিপ্লব কুমার সাহা জানান, করোনার ২য় ধাপের শুরুতে থানার প্রশাসনের পক্ষ থেকে মানুষকে সচেতন করতে কাজ করা হচ্ছে। বিভিন্ন বাজারে পথসভা ও মাইকিং করাসহ নানামুখীভাবে থানা পুলিশ করোনা প্রতিরোধে কাজ করছে। দেবহাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আরএমও ডাঃ বিপ্লব কুমার জানান, ৮ জুন, ২০২১ ইং তারিখ পর্যন্ত ৩৩৭ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। তার মধ্যে পজেটিভ ১১৭ জন, সুস্থ হয়েছে ৯৫ জন, মারা গেছে ৫ জন এবং হোম আইসোলেশনে আছেন ১৭ জন করোনা আক্রান্ত রোগী। বর্তমান অবস্থায় এই করোনা আক্রান্ত রোগী সংখ্যা চিন্তার বিষয় বলে ডাঃ বিপ্লব জানান। তবে তিনি সবাইকে সচেতনতার সাথে সরকারী নির্দেশনা পালন করে এই মহামারী প্রতিরোধ করার আহবান জানান। সড়কে পুলিশ, সীমান্তে বিজিবি, মার্কেটে ভ্রাম্যমান আদালতের মধ্যে দিয়ে তিন স্তরে দেবহাটা উপজেলাব্যাপী চলছে লকডাউন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মারপিটের মামলার আসামীদের বাড়ি চিনিয়ে দেওয়ায় ৪ জনকে পিটিয়ে জখমের

নিজস্ব প্রতিনিধি :  পুলিশকে মারপিটের মামলার আসামীদের বাড়ি চিনিয়ে দেওয়ায় একই পরিবারের ৪ জনকে পিটিয়ে জখমের ঘটনা ঘটেছে। এঘটনায় ভুক্তভোগি পরিবারের পক্ষ থেকে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সাতক্ষীরা সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে, গত ০৪ জুন বিকাল ৫টার দিকে সদর উপজেলার ফিংড়ী ইউনিয়নের মির্জাপুর গ্রামের লোকমান সরদারের পুত্র ইসরাইল, শাহাজান আলী সরদারের পুত্র মেহেদী হাসান, আব্দুর রহমানের পুত্র মৈজদ্দী হোসেন, আব্দুল ওহাবের পুত্র রায়হান গং একটি ছেলেকে একই এলাকার আজিজুল ইসলামের বাড়ির সামনে মারপিট করছিল। এসময় স্থানীয়রা তাদের হাত থেকে ছেলেটিকে উদ্ধার করে। পরে পুলিশ উল্লেখিত হামলাকারীদের খোজে ঘটনাস্থলে এসে আজিজুল ইসলামের কাছে জানতে চান। আজিজুল ইসলাম পুলিশকে বিস্তারিত জানান এবং আসামীদের বাড়ির ঠিকানা প্রদান করেন।
পুলিশে চলে যাওয়ার পর আসামীদের বাড়ির ঠিকানা দেওয়ার অপরাধে উল্লেখিত আসামীরা আজিজুল ইসলামের বাড়িতে প্রবেশ করে তাকে বেধড়ক মারপিট করে গুরুতর আহত করে। এসময় তাকে উদ্ধার করতে পিতা মুক্তার আরী, স্ত্রী সেলিনা খাতুন, বোন পারুল খাতুন ও মাতা রাশিদা খাতুন এগিয়ে আসলে তাদের ও মারপিট করে গুরুতর আহত করে। এবং আজিজুলের স্ত্রীর শ্লীলতাহানি ঘটনায়। এছাড়া তার ঘরের মধ্যে প্রবেশ করে আসবাবপত্র ভাংচুর করে লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি করে। এঘটনায় প্রতিকার চেয়ে ভুক্তভোগী আজিজুল ইসলাম উক্ত হামলাকারীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ পূর্বক দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা পৌর ভূমিহীন সমিতির কমিটি বিলুপ্তি

সাতক্ষীরা পৌর ভূমিহীন সমিতির কমিটি বিলুপ্তি ঘোষণা করা হয়েছে। সাথে সাথে ৩৩ সদস্য বিশিষ্ট নতুন কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
গতকাল সাতক্ষীরা জেলা ভূমিহীন সমিতির সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের নির্দেশে পূর্বের কমিটি বিলুপ্তি ঘোষণা করে আশরাফুল ইসলামকে সভাপতি, খাদিজা খাতুনকে সহ-সভাপতি, রওশনারা খাতুনকে সাধারণ সম্পাদক ও মনিরা খাতুনকে সম্পাদিকা করে ৩৩ সদস্য বিশিষ্ট পৌর ভূমিহীন সমিতির কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরার বিশিষ্ট সার ব্যবসায়ী আব্দুর রহিম আর নেই

বাংলাদেশ ফার্টিলাইজার এসোসিয়েশনের কার্যকরি সদস্য, জেলা ফার্টিলাইজার সমিতির সাবেক সভাপতি, বিশিস্ট সমাজেসবক আলহাজ¦ মো: আব্দুর রহিম(৬৭) আর নেই। তিনি মঙ্গলবার ভোরে খুলনায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন। (ইন্নালিল্লাহি—রাজিউন)।
তিনি সাতক্ষীরা শহরের আমতলা এলাকার মেসার্স আব্দুর রহিম কৃষি বিতানের স্বত্বাধিকারী ছিলেন।
মঙ্গলবার বাদ মাগরিব মরহুমের নামাজে জানাযা শেষে যশোরের নওয়াপাড়া পৌর গোরস্থানে দাফন সম্পন্ন করা হয়েছে।
তার মৃত্যুতে গভীর শোক ও শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করে বিবৃতি দিয়েছেন, সাতক্ষীরা শহর মাংস ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আলহাজ¦ আব্দুল কাদের, সহ-সভাপতি মো: আবুল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শেখ ওলিউর রহমান, যুগ্ম সম্পাদক জামাল মন্ডল, কোষাধ্যক্ষ মনিরুজ্জামান পলাশ, মো: আব্দুল আহাদ, মো: আব্দুস সালাম, মো: জাহাঙ্গীর হোসেন, মো: খলিলুর রহমান, মো: কামরুল ইসলাম রানা প্রমুখ।
উল্লেখ্য: তিনি কাটিয়া টাউন বাজার ব্যবসায়ী সমিতির একাধিকার নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় একদিনে রেকর্ড প্রায় ৬০ শতাংশ শনাক্ত, নতুন আক্রান্ত ১০৮

ডেস্ক রিপোর্ট : সীমান্ত জেলা সাতক্ষীরায় লকডাউনের চতুর্থ দিনেও করোনা সংক্রমণের হার আরও উর্দ্ধগতি হয়েছে। সর্বশেষ ফলাফলে গত ২৪ ঘন্টায় জেলায় ১৮২ জনের নমুনা পরীক্ষায় রেকর্ড ১০৮ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। শনাক্তের হার প্রায় ৬০ শতাংশ।

এর আগে গত সোমবার ১৮৭ জনের শরীরে নমুনা পরীক্ষায় মঙ্গলবার ১০৩ জনের করোনা পজেটিভ সনাক্ত হয়। যা পরীক্ষা বিবেচনায় ৫৫ দশমিক ০৮ শতাংশ। যা ছিল জেলায় একদিনে সর্বোচ্চ হার।

সাতক্ষীরা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, করোনার উপসর্গ নিয়ে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা গেছেন এক নারী ও আপন দুই সহোদরসহ আরো ৫ জন। মৃত ব্যক্তিরা হলেন, কালিগঞ্জ উপজেলার নোয়াপাড়া গ্রামের মনিরা খাতুন, দেবহাটা উপজেলার বদরতলা গ্রামের সুশাংক কুমার, শ্যামনগর উপজেলার পাতাখালী দু’সহোদর তোহা কামাল ও সোয়েব খান এবং সদর উপজেলার হাওয়াখালী গ্রামের আবুল হোসেন। এনিয়ে জেলায় করোনার উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন কমপক্ষে ২৩২ জন ব্যাক্তি। আর করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৪৮ জন।

এমন পরিস্থিতিতে সাতক্ষীরা লকডাউনের ৪র্থ দিনে করোনার লাগাম টানতে প্রশাসনকে কিছুটা কঠোর হতে দেখা গেছে। পুলিশ শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে আরও বেশী সংখ্যক চেকপোস্ট বসিয়ে সাধারনের চলাচল নিয়ন্ত্রন করছে। জেলায় বাড়ানো হয়েছে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান।

গত শনিবার থেকে সোমবার পর্যন্ত তিনদিনে ৪১টি অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে, মামলা দায়ের করা হয়েছে ২১৭ টি এবং এই সময়ে স্বাস্থ্যবিধি না মানা ও লকডাউনের বিধিনিষেধ প্রতিপালন না করায় ১লাখ ২৩হাজার ৫৪৩ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসন।

এখনও জেলায় সব ধরনের গণপরিবহন বন্ধ রয়েছে। কিছুকিছু মটরচালিত যান চলতে দেখা গেছে কিছু এলাকায়। এছাড়া সীমিত সময়ের জন্য সকাল ৮টা থেকে ২টা পর্যন্ত চলছে ভোমরা স্থল বন্দরের আমদানী-রফতানি কার্যক্রম।

সাতক্ষীরায় প্রশাসন কঠোর হলেও নিম্ন আয়ের মানুষকে ঘরে বন্দিকরে রাখা যাচ্ছে না। বিশেষ করে ভ্যান, রিক্সা- ইজিবাইক চালকরা জীবনের ঝুঁকি নিয়েও শহরের যাত্রীবহনের চেষ্টা করে যাচ্ছেন। যদিও পুলিশ অনেক আটক করে ভ্যান উর্দ্ধমুখী করে রাখাসহ বিভিন্ন তাদের নিয়ন্ত্রণে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest