সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় নির্মাণাধীন ভবনের সাব-কন্টাক্টরের কাছে চাঁদা দাবি : থানায় অভিযোগতালায় আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা: সার সংকট, মাটি কাটা ও বালু উত্তোলন বন্ধে গুরুত্বারোপদেবহাটায় শিশুদের প্রারম্ভিক বিকাশে খেলাভিত্তিক সেশন পরিদর্শনসাতক্ষীরায় আবাসিক হোটেল-রেস্তোরাঁ – বেকারি ব্যবস্থাপনা বিষয়ক মতবিনিময়সাতক্ষীরায় মোজাম্মেল মিস্ত্রী হ%ত্যা মামলার দুই প্রধান আসামি সিলেটে গ্রেফতারশ্যামনগরে সুন্দরবনের বনদস্যু নির্মূলে মানববন্ধনএবিপার্টি সাতক্ষীরা সদর উপজেলার আহবায়ক কমিটির অনুমোদনসাতক্ষীরায় শিশু ধর্ষণ ও যৌন সহিংসতার প্রতিবাদে মানববন্ধনএডিসি রিপন বিশ্বাসের অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি দেওয়ার সিদ্ধান্ত সাতক্ষীরা আইনজীবী ফোরামেরপ্রেরণার নির্বাহী পরিচালক শম্পার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা

ভারতের স্যানিটাইজার কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১৮

বিদেশের খবর : মহারাষ্ট্রের পুনেতে একটি রাসায়নিক কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ১৮ জনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় বেশ কয়েকজন নিখোঁজ রয়েছেন বলে সোমবার জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম এনডিটিভি। কারাখানাটিতে স্যানিটাইজার তৈরির কাজ করা হতো।
সম্পর্কিত খবর

এ ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।

কারখানার আগুন নেভাতে ফায়ার সার্ভিসের ৬টি ইউনিট কাজ করছে। ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্যাকেজিং করার প্লাস্টিকের কোনো বস্তু থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলে জানিয়েছে উদ্ধারকর্মীরা। পাশাপাশি নিখোঁজ শ্রমিকদের সন্ধান চলছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় কমছে না করোনা শনাক্তের হার, র‍্যাপিড টেস্ট চালুর দাবি

অনলাইন ডেস্ক : সাতক্ষীরা শহরের ইটেগাছা এলাকার বাসিন্দা ভ্যানচালক মফিউদ্দিন (৬২)। তাঁর চুল–দাড়ি সাদা হয়ে গেছে। দুপুরে একজন যাত্রী নিয়ে দাঁড়ালেন বাজার মোড়ে। বড় বড় নিশ্বাস ফেলছেন। ভালোমন্দ জিজ্ঞাসা করতেই মফিউদ্দিন বললেন, ‘ভালো থাকি কেমন করে? স্বামী-স্ত্রী নিয়ে পাঁচজনের সংসার। ভ্যানের ওপর সব। ভ্যান চালাতে পারলে দিন যায়, না চালাতে পারলে অর্ধাহারে থাকতে হয়।’ করোনার শুরু থেকে ভালো যাচ্ছে না তাঁদের সংসার। তারপর নতুন করে লকডাউনে প্রচণ্ড কষ্টে আছেন। পুলিশ ভ্যান চালাতে দিচ্ছে না। রাস্তায় রাস্তায় ব্যারিকেড দিয়ে রেখেছে।

সাতক্ষীরায় গরিব মানুষের জীবিকা ও দিনাতিপাতের এই যখন চিত্র, উল্টা দিকে জেলায় করোনা পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে না। গত রোববার সকাল ৮টা থেকে সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত শেষ ২৪ ঘণ্টায় ৯৪ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৫০ জনের করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়েছে। শনাক্তের হার ৫৩ দশমিক ১৯ শতাংশ। এর আগের ১৮৮ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৮৯ জনের করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়। শনাক্তের হার ছিল ৪৭ দশমিক ৩৪ শতাংশ। তার আগের ২৪ ঘণ্টায়ও ৯৪টি নমুনা পরীক্ষা করে ৫০ জনের করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়। সেদিনও শনাক্তের হার ছিল ৫৩ দশমিক ১৯ শতাংশ। জেলায় করোনা সংক্রমিত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করার জন্য নাগরিক সমাজ র‍্যাপিড টেস্ট পদ্ধতিতে বেশি সংখ্যায় করোনা পরীক্ষার জোর দাবি জানিয়েছে।

সাতক্ষীরা সিভিল সার্জনের কার্যালয় সূত্র জানায়, সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১২০ শয্যার করোনা ইউনিট রয়েছে; পাশাপাশি রয়েছে আট শয্যার নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (​আইসিইউ) এবং আট শয্যার হাই ডিপেনডেন্সি ইউনিটে (​এইচডিইউ), কেন্দ্রীয় অক্সিজেন ব্যবস্থা, প্রয়োজনীয় হাই ফ্লো নাজাল ক্যানুলা (এইচএফএনসি)। একইভাবে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে রয়েছে ৪০ শয্যার করোনা ইউনিট। কেন্দ্রীয় অক্সিজেন ব্যবস্থা চালুর কাজ চলছে। বড় ২৮টি ও ছোট ৭৪টি সিলিন্ডার রয়েছে। অক্সিজেন সরবরাহ করা হচ্ছে রোগীদের পাইপ সিস্টেমের মাধ্যমে। তবে কোনো হাই ফ্লো নাজাল ক্যানুলা নেই। নেই ভেন্টিলেশন ব্যবস্থা।

সরেজমিনে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের দ্বিতীয় তলার করোনা ইউনিটে দেখা যায়, নার্স ও চিকিৎসকেরা রোগীদের চিকিৎসা দিচ্ছেন। করোনা ইউনিটের পুরুষ ওয়ার্ডে বসে বসে কান্নাকাটি করছেন কলারোয়া উপজেলার রায়টা গ্রামের পারভিন খাতুন। তাঁর স্বামী কামাল হোসেন (৩৫) করোনায় আক্রান্ত হয়ে গত বৃহস্পতিবার হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। পারভিন খাতুন বলেন, চিকিৎসক ও নার্স তাঁদের দেখে যাচ্ছেন। চিকিৎসক জানিয়েছেন, তাঁর স্বামীর অক্সিজেন কমে যাচ্ছে। তাঁকে আইসিইউতে নিতে হবে। কিন্তু সেখানে শয্যা খালি নেই।

একই ওয়ার্ডে একই উপজেলার গোপীনাথপুর এলাকার শামছুর রহমান (৪২) ভর্তি রয়েছেন। তিনি বৃহস্পতিবার ভর্তি হয়েছেন এখানে। তাঁর স্ত্রী পম্পা খাতুন বলেন, তাঁর স্বামীর অবস্থা আগের চেয়ে অনেকটা ভালো। চিকিৎসক ও নার্স সবাই আন্তরিকতার সঙ্গে চিকিৎসা দিচ্ছেন।

অপর দিকে, সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দুপুরে সরেজমিনে কথা হয় এক রোগীর বাবা আলাউদ্দিন মোড়লের সঙ্গে। তাঁর ছেলে ইমরান মোড়ল হাসপাতালে ভর্তি আছেন সাত দিন। আগের চেয়ে ছেলের অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়েছে জানিয়ে আলাউদ্দিন মোড়ল বলেন, চিকিৎসক ও নার্সরা তাঁদের সঙ্গে ভালো ব্যবহারের পাশাপাশি চিকিৎসাও দিচ্ছেন আন্তরিকতার সঙ্গে।

সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক কুদরত-ই-খোদা বলেন, পরিস্থিতি একই রকম রয়েছে। এই হাসপাতালে গতকাল রোগী ছিলেন ৯৭ জন। আজ রোগী রয়েছেন ৯৮ জন। ২৪ ঘণ্টায় নতুন রোগী ভর্তি হয়েছেন ৩৬ জন এবং সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৩৫ জন।

সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ফয়সাল আহমেদ পরিস্থিতি উন্নতির দিকে উল্লেখ করে বলেন, শনিবার ও গতকাল রোগী ছিলেন ৪৬ জন, সুস্থ হয়ে বাড়ি গেছেন ৮ জন। নতুন রোগী কেউ ভর্তি না হওয়ায় এখন রোগী রয়েছেন ৩৮ জন।

সাতক্ষীরা নাগরিক আন্দোলন মঞ্চের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সুভাষ সরকার বলেন, করোনা পরীক্ষা বেশি বেশি না করলে সাতক্ষীরার অবস্থা আরও ভয়াবহ হতে পারে। তিনি বলেন, দ্রুত রোগী শনাক্ত করে কোয়ারেন্টিন-আইসোলেশন করতে হবে। প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে র‍্যাপিড টেস্টের ওপর জোর দেওয়া উচিত। একই কথা বলেন সাতক্ষীরা-১ আসনের সাংসদ মুস্তফা লুৎফুল্লাহ। তিনি বলেন, র‌্যাপিড টেস্ট করলে ৩০ মিনিটের মধ্যে ফল পাওয়া যায়। মানুষ সচেতন হতে পারে। গতকাল কলারোয়া উপজেলায় র‌্যাপিড টেস্ট কার্যক্রম উদ্বোধন করেছেন।

সাতক্ষীরার সিভিল সার্জন হুসাইন সাফায়াত বলেন, পরিস্থিতি অনেকটা স্থিতিশীল। মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে আজ সকালে রোগীর সংখ্যা ছিল ১৩৬। গতকাল সকালে এ সংখ্যা ছিল ১৪৩।

র‌্যাপিড টেস্টের ব্যাপারে সিভিল সার্জন বলেন, আগেই শ্যামনগর উপজেলায় র‍্যাপিড টেস্ট চালু করা হয়েছে। গতকাল কলারোয়ায় করা হয়েছে। দু–এক দিনের মধ্যে দেবহাটা ও কালীগঞ্জে র‍্যাপিড পরীক্ষা চালু করা হবে। ভারতের সঙ্গে সীমানা রয়েছ

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভেঙে গেল বিভেদের দেয়াল, সূচিত হলো সৌহার্দ্যের সংযোগ- ইয়াসমিন নাহার

২০০৭ সালে বিচার বিভাগ পৃথক হলে সকল জেলায় পৃথক চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ভবন নির্মাণের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। তারই ধারাবাহিকতায় সাতক্ষীরায় নতুন সুবিশাল নয়নাভিরাম দশতলা ভবন নির্মিত হয়, যার উদ্বোধন হয় ২০১৮ সালের ২৫ জানুয়ারি। কিন্তু সর্বস্তরের মানুষের আশা আকাঙ্ক্ষা নিমিষেই দূর্ভোগে পরিণত হয় নব নির্মিত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ভবন ও জেলা জজ আদালত ভবনের মধ্যে সরাসরি যাতায়াত রাস্তার অভাবে। দুই আলাদত ভবনের মাঝে জেলা প্রশাসনের ভবন আর তাদের নিজস্ব প্রাচীর, যে প্রাচীর চীনের প্রাচীর হয়ে দুই আদালত ভবনের মাঝে বিভেদ, বিচ্ছিন্নতার প্রতীক হয়ে আদালত পাড়ার বিচারক, আইনজীবী, আইনজীবী সহকারী, আদালতের কর্মচারী, পুলিশ সর্বোপরি সাধারণ বিচারপ্রার্থী জনগণের বিতৃষ্ণার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। জার্মান প্রাচীর ভেঙে দুই জার্মানী এক হলেও কোন এক অজানা রেজুলেশনের আজব ক্ষমতা বলে দুই আদালতের এই প্রাচীর ভাঙার কোনই লক্ষণ পাওয়া যাচ্ছিল না। ইতোমধ্যে ব্যস্ততম মূল সড়ক দিয়ে এক আদালত হতে আরেক আদালতে গমনকালে সড়ক দূর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন একজন বিজ্ঞ আইনজীবী, অনেকেই হয়েছেন আহত। তবুও কোন উপায় না দেখে প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে দুই আদালতে যাতায়াত করতে বাধ্য হয়েছেন সবাই।

সাতক্ষীরার বর্তমান সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ জনাব শেখ মফিজুর রহমান মহোদয় সাতক্ষীরা জেলায় ২০১৯ সালের এপ্রিল মাসের ৩ তারিখে যোগদান করার পরপরই সকল আইনজীবী ও কর্মচারীদের গণ দাবী ছিল এই প্রাচীর ভেঙে দুই আদালতের মাঝে পথ বের করে দেয়ার। তিনি আশ্বস্ত করেছিলেন যেভাবেই হোক এই দাবী পূরণে তিনি আপ্রাণ চেষ্টা করবেন। মাননীয় জেলা জজ মহোদয় এই সাতক্ষীরার মাটিতে পা রেখেই বলেছিলেন, “আমি সম্পর্কের সেতু গড়তে এসেছি”। তাঁর এই অঙ্গীকারের সূত্র ধরে জেলার বিচার বিভাগ, জেলা প্রশাসন ও জেলা পুলিশের সাথে চমৎকার সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে উঠে। তিনি সবাইকে সাথে নিয়ে অফিসিয়ালি এই রাস্তার জন্য একযোগে কাজ করেন। ফলশ্রুতিতে আইন মন্ত্রণালয়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ও গণপূর্ত এই তিন বিভাগের তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটি গঠিত হয়, কমিটির সদস্য সরেজমিনে সাতক্ষীরা এসে প্রাচীর ভেঙে পথচলার সম্ভব্যতা বিবেচনা করেন। পলে পলে অনেক সময় চলে যায় কিন্তু কি এক অজানা কারণে থেমে যায় এই প্রাচীর ভেঙে রাস্তার কাজ। কিন্তু মাননীয় সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মহোদয় মনে প্রাণে ইতিবাচক চেতনার অধিকারী। তিনি সরবে নীরবে তাঁর প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছিলেন। যার ফলশ্রুতিতে অবশেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব থেকে পাওয়া গেল দীর্ঘদিনের কাঙ্ক্ষিত অনুমোদন। আর আজ সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক এস এম মোস্তফা কামাল মহোদয় ও পুলিশ সুপার মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান মহোদয়কে সাথে নিয়ে পিডব্লিঊডি এর সহযোগীতায় মাননীয় সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ জনাব শেখ মফিজুর রহমান মহোদয় ভেঙে ফেললেন দুই আদালতের মাঝে বিভেদের প্রতীক হয়ে দাঁড়ানো সীমানা প্রাচীর। প্রাচীর ভাঙার কাজ শুরু হওয়ার পরে মাননীয় সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মহোদয় উপস্থিত সকলকে উদ্দেশ্য করে বললেন, “সম্পর্কের দেয়াল নয়, সম্পর্কের সেতু রচিত হলো”। অতঃপর তিনি ভাঙা প্রাচীর পার হয়ে পুলিশ সুপার মহোদয়কে সাথে নিয়ে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত প্রাঙ্গণে পদার্পণ করেন।

আজ সাতক্ষীরা জেলাবাসীর দীর্ঘদিনের প্রাণের দাবী বাস্তবায়িত হলো।

লেখক : সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
১০ বছরে ৯ লাখ কোটি টাকা পাচার হয়ে গেছে- সংসদে রুমিন ফারহানা

রাজনীতির খবর : দেশের টাকা পাচার হচ্ছে অভিযোগ করে বিএনপির সংরক্ষিত মহিলা আসনের সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেছেন, বছরে বিদেশে এক লাখ কোটি টাকার বেশি চলে যাচ্ছে। সেই হিসেবে এক দশকে আট থেকে নয় লাখ কোটি টাকা বিদেশে পাচার হয়ে গেছে। এর বাইরে হুন্ডির পরিমাণ ধরলে আল্লাহ মাবুদ জানেন কত টাকা বিদেশে গেছে!

আজ সোমবার জাতীয় সংসদে সম্পূরক বাজেটের ওপর আলোচনায় রুমিন ফারহানা এ কথা বলেন।

রুমিন ফারহানা বলেন, গ্লোবাল ফাইন্যান্স ইন্টেগরিটির তথ্যানুযায়ী প্রতি বছর বাংলাদেশ থেকে গড়ে প্রায় এক লাখ কোটি বিদেশে চলে যাচ্ছে। গত ১০ বছরে প্রায় সাড়ে আট থেকে নয় লাখ কোটি টাকা বিদেশে চলে গেছে।

রুমিন ফারহানা বলেন, ২০১৯ সালে সরকারি হিসাব মতে, মন্দ ঋণের পরিমাণ ছিল এক লাখ ৫৫ হাজার কোটি টাকা। ২০২০ সালে সেটা কমে দাঁড়ায় এক লাখ ১০ হাজার কোটি টাকা। ২০২১ সালে এসে শুনলাম ৮৮ হাজার কোটি টাকা মাত্র। আসলে ব্যাংকে মন্দ ঋণের পরিমাণ কত?

রুমিন ফারহানা বলেন, যখনই আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসে তখনই শেয়ারবাজার শুয়ে পড়ে। এটা যে কি একটা অদ্ভূত সম্পর্ক এটা এখনও বুঝতে পারিনি।

বিএনপির এই সংসদ সদস্য বলেন, সাবেক অর্থমন্ত্রী (আবুল মাল আবদুল মুহিত) স্পষ্ট কথা বলতেন, দলের বিরুদ্ধে গেলেও বলতেন। তিনি বলেছিলেন, ব্যাংক দেওয়া হয় রাজনৈতিক বিবেচনায়। একটা দেশে যখন রাজনৈতিক বিবেচনায় ব্যাংক দেওয়া হয়, তখন সেই দেশের অর্থনীতির কাজ সম্পর্কে বলতে নিশ্চয়ই চিন্তা করতে হয়। যারা ব্যাংকের টাকা লুট করে তাদের সুবিধা দেওয়ার জন্য একটার পর একটা নতুন আইন হয়। ব্যাংক কোম্পানিতে আইন পরিবর্তন করে এক একটা ব্যাংক এক একটা পরিবারের হাতে তুলে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এখন এক পরিবার থেকে তিনজন সদস্য থাকতে পারবেন ব্যাংকের পরিচালক পদে, একাধিকক্রমে তিন মেয়াদে থাকতে পারবেন তারা। এই পরিবর্তনগুলোর কারণে এক একটা পরিবার একটা ব্যাংকের মালিক হয়ে যাচ্ছে। জনগণের টাকার হরিলুট হচ্ছে।

রুমিন ফারহানা বলেন, একবার সংসদে ঋণ খেলাপির তালিকা প্রকাশ করা হলো। তাদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে সেটা এখনও জানতে পারলাম না। ব্যাংকে যে টাকা থাকে সেটা আমাদের মতো আমজনতার টাকা। সেই টাকা এক ব্যাংকের পরিচালকের সঙ্গে আরেক ব্যাংকের পরিচালকদের ভালো সম্পর্ক থাকার কারণে এক ব্যাংক থেকে আরেক ব্যাংকে ঋণ নেয়। ঋণ নেওয়ার সময় তারা জানে এই ঋণ তারা আর পরিশোধ করবে না। এই টাকা চলে যায় বিদেশে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নুসরাতের বিরুদ্ধে মামলা করলেন নিখিল

বিনোদন ডেস্ক : নিখিলের সঙ্গে আইনগতভাবে বিচ্ছেদ হয়নি পশ্চিমবঙ্গের জনপ্রিয় অভিনেত্রী নুসরাত জাহানের। এরই মধ্যে অভিনেতা যশের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে যান নুসরাত। এমনকি তিনি যশকে বিয়ে করেছেন বলেও কানাঘুষা শোনা যায়। এবার এই অভিনেত্রীর মা হওয়ার খবরে তোলপাড় টলিপাড়া। তবে এ ব্যাপারে স্পষ্ট কোনো মন্তব্য না করলেও ইনস্টাগ্রামের স্টোরিতে ইঙ্গিতে মনের ভাব তুলে ধরেছেন নুসরাত। এদিকে নুসরাতের মা হওয়ার খবর চাউর হওয়ার পর তার বিরুদ্ধে দেওয়ানি মামলা করেছেন স্বামী নিখিল জৈন।

নিখিলের এক কাছের বন্ধুর বরাত দিয়ে ভারতের এক সংবাদমাধ্যম এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, কয়েকমাস আগে কয়েকজন বন্ধুর সঙ্গে গোয়ায় বেড়াতে গিয়েছিলেন নুসরাত। নিখিলই ফ্লাইটের টিকিট ও রিসোর্ট বুক করে দিয়েছিলেন। রিসোর্টের মালিক নিখিলের বন্ধু হওয়ায় নিখিল জানতে পারেন যশের সঙ্গেই ছিলেন নুসরাত। সেই থেকেই নুসরাত-নিখিলের সমস্যার সূত্রপাত। এরপর দক্ষিণেশ্বরের মন্দিরে দাঁড়িয়ে মদন মিত্রের সঙ্গে যশ ও নুসরাতের ছবি ভাইরাল হয় সোশ্যাল মিডিয়ায়। সোশ্যাল মিডিয়ায় গুঞ্জন শুরু হয় সেদিন নাকি নুসরাতের পরনে ছিল রঙ্গোলির শাড়ি, এবং সেদিনই যশকে বিয়ে করেছিলেন নুসরাত!

বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ থেকেও কী করে বিয়ে করলেন নুসরাত, এ প্রশ্ন উঠছিল। নুসরাতের ঘনিষ্ঠ সূত্রের বরাতে জানা গেছে, তুরস্কে নিখিল-নুসরাতের সোশ্যাল ম্যারেজ জাঁকজমকভাবে হলেও বিয়ে রেজিস্ট্রেশন হয়নি তাদের। তাই সমঝোতা করেই দুজনে আলাদা হতে চান বলে জানিয়েছেন নিখিল। এজন্য দেওয়ানি মামলাও করেছেন তিনি।

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, নুসরাত এখনো যে ফোর্ড গাড়ি চালান সেটা নিখিলের গাড়ি। নুসরাত ইডেনে যে ফ্ল্যাটে থাকেন তার মধ্যে ৬০ লাখ টাকা নিখিলের দেওয়া। এমনকি নুসরাতের বোনের পড়াশুনার দায়িত্বও নিয়েছিলেন নিখিল।

নিখিলের ঘনিষ্ঠ বন্ধুর মতে নুসরাতের রাজনৈতিক ক্যারিয়ারেও নিখিলের অবদান অনেক। নুসরাতকে সব বিষয়েই প্রাধান্য দিয়ে এসেছেন তিনি। এমনকি আলাদা থাকার সময়ও নুসরাত নিখিলকে জানান তিনি ফিরে আসবেন। একটু সময় চান। ধীরে ধীরে চারিদিকে নুসরাতের যশের সঙ্গে সম্পর্কের খবর ছড়িয়ে পড়ায় নিখিল তা মেনে নিতে পারেননি। নিখিলের পরিবার সূত্রে জানা যায়, এ খবর পাওয়ার পর তিনি ডিপ্রেশনে চলে গিয়েছিলেন। যশ ও নুসরাতকে একসঙ্গে দেখেও ফেলেন নিখিল। তবে এসব ব্যাপারে একদম মুখ খোলেননি নুসরাত। যশের তরফ থেকেও পাওয়া যায়নি কোনো মন্তব্য।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
১২১১৬ জনের নামসহ মুক্তিযোদ্ধা তালিকার ৩য় পর্ব

অনলাইন ডেস্ক : বীর মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকার তৃতীয় পর্ব প্রকাশ করেছে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়। তৃতীয় পর্বে ৮ বিভাগের ৩৮৮ উপজেলার ১২ হাজার ১১৬ জন বীর মুক্তিযোদ্ধার নাম ঠাঁই পেয়েছে।

তালিকায় স্থান পেয়েছে ঢাকা বিভাগের ৩ হাজার ৪৫৯ জন, চট্টগ্রাম বিভাগের ২ হাজার ৩৭৪ জন, বরিশাল বিভাগের ১ হাজার ১৮০ জন, খুলনা বিভাগের ২ হাজার ২৯০ জন, ময়মনসিংহ বিভাগের ৩৩৩ জন, রাজশাহী বিভাগের ১ হাজার ৪৩৭ জন, রংপুর বিভাগের ৭৬৮ জন এবং সিলেট বিভাগের ২৭৫ জন বীর মুক্তিযোদ্ধার নাম।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে (www.molwa.gov.bd) এ তালিকা পাওয়া যাবে।

এর আগে চলতি বছরের ২৫ মার্চ প্রথম ধাপে ১ লাখ ৪৭ হাজার ৫৩৭ জন বীর মুক্তিযোদ্ধার নামের সমন্বিত তালিকা প্রকাশ করে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়। এরপর দ্বিতীয় ধাপে গত ৯ মে ৬ হাজার ৯৮৮ জন বীর মুক্তিযোদ্ধার তালিকা প্রকাশ করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

দেশের খবর : স্বাস্থ্যখাতের নানা অনিয়ম, দুর্নীতি এবং প্রথম আলোর জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক রোজিনা ইসলামকে হেনস্তার ঘটনায় সংসদে তোপের মুখে পড়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। তবে এ নিয়ে তিনি কোনো কথা বলেননি। এসব প্রসঙ্গ এড়িয়ে করোনা মোকাবেলায় বাংলাদেশ সফলতা দেখিয়েছে দাবি করে মন্ত্রী বলেন, দেশের মানুষের জীবনযাত্রা স্বাভাবিক রয়েছে।

সোমবার জাতীয় সংসদে ২০২০-২১ অর্থবছরের সম্পূরক বাজেটের ওপর আলোচনায় ও ছাঁটাই প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন সংসদ সদস্যরা। এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উপস্থিত ছিলেন।

জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান ও সংসদে বিরোধীদলীয় উপনেতা জিএম কাদের বলেন, ‘যারা পুকুর চুরি করছেন, তারা বেরিয়ে যাচ্ছেন। যারা এসব প্রকাশ করছেন, তারা নানা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা জবাবদিহি নিশ্চিতে কাজ করে। সাংবাদিকদের এটুকু সুযোগ দেওয়া সমাজের দায়িত্ব।’

তিনি আরও বলেন, ‘প্রস্তাবিত বাজেটে স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দ জিডিপির শূন্য দশমিক ৮৩ শতাংশ। এটা ৪ থেকে ৫ শতাংশ দেওয়া উচিত ছিল। করোনা মহামারির কারণে বাড়ানো উচিত ছিল। কমপক্ষে জিডিপির ২ শতাংশ উচিত। করোনা নিয়ন্ত্রণে এলে অর্থনীতি চাঙ্গা হবে। তাই স্বাস্থ্যের দিকে খেয়াল করতে হবে। এটাকে অবহেলা করা উচিত নয়। কিন্তু অবহেলা করা হচ্ছে।’

আলোচনায় অংশ নিয়ে বিএনপির সংসদ সদস্য হারুন অর রশীদ বলেন, ‘স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে ঢেলে সাজাতে হবে। এটা সংস্কার করত হবে। বাংলাদেশের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় দুর্নীতির ডিপো। এই দুর্নীতি কীভাবে সংস্কার করবেন, এ ব্যাপারে আমাদের সুস্পষ্টভাবে জানাবেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।’

তিনি বলেন, ‘স্বাস্থ্য বিভাগ সত্যিকারভাবে আজ ভারতনির্ভর হয়ে গেছে। এতে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার ভারতে চলে যাচ্ছে। যদি আমরা সত্যিকার অর্থে স্বাস্থ্য বিভাগকে ঢেলে সাজাতে পারি, সংস্কার করতে পারি তাহলে বিদেশে স্বাস্থ্যখাতে যে ব্যাপক টাকা চলে যায়, তা যাবে না।’

হারুন আরও বলেন, ‘মানসম্মতভাবে সরকারের নিয়ন্ত্রণে যদি টিকা উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়, তাহলে আমরা আগামী এক বছরের মধ্যে ৮০ শতাংশ লোককে টিকার আওতায় আনতে পারব। আমি মনে করি সরকারের পাশাপাশি এখানে বেসরকারি ব্যবস্থাকে উন্মুক্ত করতে হবে। সেখানে দুর্নীতি থাকা চলবে না। স্বাস্থ্যখাতে কেনাকাটায় সবকিছু সুনির্দিষ্টভাবে জানতে চাই।’

বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেন, ‘করোনাকাল হওয়া সত্ত্বেও এ বছর আমরা স্বাস্থ্য ও শিক্ষার মতো বেসিক জিনিসগুলোর ওপর যদি নজর না দেই, ভৌত অবকাঠামোর দিকে যদি আমরা সারাদিন তাকিয়ে থাকি, তাহলে করোনা বলেন আর যাই বলেন দেশের সাধারণ মানুষের কোনো উপকার হবে না। ১০ হাজার মানুষের মাথাপিছু ডাক্তার আছে মাত্র পাঁচজন। আর নার্স আছে মাত্র তিনজন। এই অপ্রতুল জনগণ নিয়ে কীভাবে হাসপাতালগুলো চলবে? কীভাবে আমরা স্বাস্থ্যখাতকে ঢেলে সাজাবো? কীভাবে আমরা সাধারণ মানুষকে সেবা দেবো?’

জাতীয় পার্টির রওশন আরা মান্নান বলেন, ‘স্বাস্থ্যখাতে নজর দিলে দেখা যাবে, এখানে অস্বাস্থ্যকর কাজকর্মই বেশি। স্বাস্থ্যখাতের আফজালরা নতুন রূপকথার মতো গল্প ও অনিয়ম করছে। যদিও বর্তমানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে কিছুটা কমে আসছে। কিন্তু তারপরও থামানো যাচ্ছে না। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের লোকজন বলছেন স্বাস্থ্যখাতে আফজাল-মালেকরা ছাড়াও সেখানে অনেক মালেক ও আফজাল আছে। এগুলো শক্ত হাতে দমন করতে হবে। একজন নারী উপসচিবের কানাডা ও বিশ্বের অন্যান্য দেশে তিন-চারটা বাড়ি আছে।’

সাংবাদিক রোজিনা ইসলামকে হেনস্তার প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, ‘একজন নারী সাংবাদিক যদি অন্যায় করে থাকেন, তাহলে তাকে পুলিশে দিলো না কেন? তাকে ৬ ঘণ্টা নির্যাতন করে কেন পুলিশে দেওয়া হলো? আইন কেন নিজ হাতে তুলে নিল? দেশবাসী এটা নিয়ে অনেক বেশি সমালোচনা করছে।’

একই দলের কাজী ফিরোজ রশীদ বলেন, ‘আমাদের অক্সিজেন নেই, অক্সিজেন প্ল্যান্ট জেনারেট করতে হবে। সাংবাদিক রোজিনার নাম না নিয়ে তিনি বলেন, সে যদি চুরি-ডাকাতি করে, সাংবাদিককে গ্রেফতার করতে পারেন, তাকে পুলিশে দেবেন—এটাই নিয়ম। আইন নিজের হাতে কেন তুলে নেবেন? আপনিতো সচিবালয়ের বড় কর্মকর্তা। আপনি কেন নিজের হাতে আইন তুলে নিলেন? আপনি সাংবাদিককে নাস্তানাবুদ করলেন কেন? ছয় ঘণ্টা তাকে টয়লেটে যেতে দেননি। একজন অসুস্থ মানুষ। তাও নারী। তাকে এভাবে হেনস্তা করলেন! এ নিয়ে জাতিসংঘ কথা বলল। সারাবিশ্ব কথা বলল। আমাদের মুখটা কোথায় রইল? নিজেদের দুর্বলতা নিজেদের ঢাকতে হয়। ওখানে যদি তার কাছ থেকে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দিতেন, যে আপনি আর জীবনে কখনো সচিবালয় ঢুকতে পারবেন না, এটা পৃথিবীর আর কেউ জানত না। এটা না করে আপনারা এমনভাবে জাহির করলেন, এখন আপনাদের যত যা আছে দুর্বলতা প্রতিদিন প্রকাশ পাচ্ছে। সামনে আমরা মহাবিপদ দেখছি। এভাবে বিপদ থেকে কীভাবে রক্ষা পাব, এখন থেকে আমাদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে।’

তবে সংসদ সদস্যদের এসব প্রশ্নের কোনো জবাব দেননি স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। তিনি এ প্রসঙ্গ এড়িয়ে বলেন, ‘স্বাস্থ্যসেবা একটি ব্যাপক কর্মযজ্ঞ। দেড় বছর ধরে করোনা চলছে। তারা সেবা দিয়ে যাচ্ছেন।’ করোনা মোকাবেলায় সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ওষুধের কোনো ঘাটতি হয়নি। অক্সিজেনের অভাব কখনোই হয়নি। আমেরিকায় যে চিকিৎসা এখানেও একই চিকিৎসা হয়েছে। ভ্যাকসিন কার্যক্রম চলমান আছে। এসব কারণে মৃত্যুর হার দেড় শতাংশ। বিশ্বে এই হার আড়াই শতাংশ।’

মন্ত্রী আরও বলেন, ‘ভারতে করোনা বেড়ে যাওয়ায় সেরাম ইনস্টিটিউট টিকা সরবরাহ করতে পারছে না। চীন, রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র থেকে ব্যবস্থা করা হয়েছে। ইতোমধ্যে টিকা নিয়ে চুক্তিও হয়েছে। আরও অনেক ভ্যাকসিন কিনতে হবে। প্রতিটা ব্যক্তির ক্ষেত্রে টিকার জন্য প্রায় তিন হাজার টাকা করে লাগবে। করোনার সময়ও প্রতিটি ব্যক্তির জন্য সাধারণ শয্যায় চিকিৎসা নিতে ১৫ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছে। এটা সরকার বহন করেছে। যারা আইসিইউতে ছিলেন তাদের জন্য ৫০ হাজার টাকা করে খরচ করেছে। করোনা মোকাবেলায় বাংলাদেশ খুবই সফলতা দেখিয়েছে। এ কারণে দেশের মানুষের জীবনযাত্রা প্রায় স্বাভাবিক।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
লুকিয়ে যশকে বিয়ে করেছেন নুসরাত! মা হবেন সেপ্টেম্বরে

বিনোদন ডেস্ক : টালিউড অভিনেত্রী নুসরাত জাহানের মা হওয়ার গুঞ্জন এখন সর্বত্র। নেটিজেনদের দাবি—আনাগত সন্তানের বাবা অভিনেতা যশ দাশগুপ্ত। এদিকে নুসরাত-যশ দীর্ঘদিন ধরে প্রেম করলেও তারা বিয়ে করেননি। এ নিয়ে তৈরি হয়েছে জটিলতা। অন‌্যদিকে বিয়ে-সন্তানের বিষয়ে পুরোপুরি স্পিকটি নট এই যুগল।

এবার ভারতের সংবাদমাধ‌্যম জি-নিউজ২৪ দাবি করেছে—আগামী ১০ সেপ্টেম্বর নুসরাত জাহানের সন্তান পৃথিবীর আলো দেখার সম্ভাব‌্য ডেট জানিয়েছেন চিকিৎসক। আর যশ-নুসরাত বেশ আগেই বিয়ে করেছেন।

যশ-নুসরাতের প্রেমের সম্পর্ক অনেক দিনের। কিন্তু কবে বিয়ে করেছেন তার সঠিক দিন-তারিখ জানা যায়নি। কলকাতার দক্ষিণেশ্বরের মন্দিরে যশ-নুসরাতের একটি ভিডিও চলতি বছরে সোশ‌্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। তাদের সঙ্গে ছিলেন তৃণমূল নেতা ও রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী মদন মিত্র। শোনা যায়, সেখানেই যশকে বিয়ে করেন নুসরাত।

বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ থেকেও লুকিয়ে কীভাবে বিয়ে করলেন নুসরাত-যশ? এ প্রশ্নেরও উত্তর জানিয়েছেন নিখিলের ঘনিষ্ঠজন। তার ভাষায়- তুরস্কে নিখিল-নুসরাতের সোশ্যাল ম্যারেজ জাঁকজমকভাবে হলেও রেজিস্ট্রেশন হয় নি। সুতরাং বিয়েবিচ্ছেদের আইনি কোনো জটিলতা নেই।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest