বিদেশের খবর : মহারাষ্ট্রের পুনেতে একটি রাসায়নিক কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ১৮ জনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় বেশ কয়েকজন নিখোঁজ রয়েছেন বলে সোমবার জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম এনডিটিভি। কারাখানাটিতে স্যানিটাইজার তৈরির কাজ করা হতো।
সম্পর্কিত খবর
এ ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।
কারখানার আগুন নেভাতে ফায়ার সার্ভিসের ৬টি ইউনিট কাজ করছে। ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্যাকেজিং করার প্লাস্টিকের কোনো বস্তু থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলে জানিয়েছে উদ্ধারকর্মীরা। পাশাপাশি নিখোঁজ শ্রমিকদের সন্ধান চলছে।

সাতক্ষীরার বর্তমান সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ জনাব শেখ মফিজুর রহমান মহোদয় সাতক্ষীরা জেলায় ২০১৯ সালের এপ্রিল মাসের ৩ তারিখে যোগদান করার পরপরই সকল আইনজীবী ও কর্মচারীদের গণ দাবী ছিল এই প্রাচীর ভেঙে দুই আদালতের মাঝে পথ বের করে দেয়ার। তিনি আশ্বস্ত করেছিলেন যেভাবেই হোক এই দাবী পূরণে তিনি আপ্রাণ চেষ্টা করবেন। মাননীয় জেলা জজ মহোদয় এই সাতক্ষীরার মাটিতে পা রেখেই বলেছিলেন, “আমি সম্পর্কের সেতু গড়তে এসেছি”। তাঁর এই অঙ্গীকারের সূত্র ধরে জেলার বিচার বিভাগ, জেলা প্রশাসন ও জেলা পুলিশের সাথে চমৎকার সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে উঠে। তিনি সবাইকে সাথে নিয়ে অফিসিয়ালি এই রাস্তার জন্য একযোগে কাজ করেন। ফলশ্রুতিতে আইন মন্ত্রণালয়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ও গণপূর্ত এই তিন বিভাগের তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটি গঠিত হয়, কমিটির সদস্য সরেজমিনে সাতক্ষীরা এসে প্রাচীর ভেঙে পথচলার সম্ভব্যতা বিবেচনা করেন। পলে পলে অনেক সময় চলে যায় কিন্তু কি এক অজানা কারণে থেমে যায় এই প্রাচীর ভেঙে রাস্তার কাজ। কিন্তু মাননীয় সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মহোদয় মনে প্রাণে ইতিবাচক চেতনার অধিকারী। তিনি সরবে নীরবে তাঁর প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছিলেন। যার ফলশ্রুতিতে অবশেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব থেকে পাওয়া গেল দীর্ঘদিনের কাঙ্ক্ষিত অনুমোদন। আর আজ সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক এস এম মোস্তফা কামাল মহোদয় ও পুলিশ সুপার মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান মহোদয়কে সাথে নিয়ে পিডব্লিঊডি এর সহযোগীতায় মাননীয় সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ জনাব শেখ মফিজুর রহমান মহোদয় ভেঙে ফেললেন দুই আদালতের মাঝে বিভেদের প্রতীক হয়ে দাঁড়ানো সীমানা প্রাচীর। প্রাচীর ভাঙার কাজ শুরু হওয়ার পরে মাননীয় সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মহোদয় উপস্থিত সকলকে উদ্দেশ্য করে বললেন, “সম্পর্কের দেয়াল নয়, সম্পর্কের সেতু রচিত হলো”। অতঃপর তিনি ভাঙা প্রাচীর পার হয়ে পুলিশ সুপার মহোদয়কে সাথে নিয়ে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত প্রাঙ্গণে পদার্পণ করেন।
আজ সাতক্ষীরা জেলাবাসীর দীর্ঘদিনের প্রাণের দাবী বাস্তবায়িত হলো।
