সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় নির্মাণাধীন ভবনের সাব-কন্টাক্টরের কাছে চাঁদা দাবি : থানায় অভিযোগতালায় আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা: সার সংকট, মাটি কাটা ও বালু উত্তোলন বন্ধে গুরুত্বারোপদেবহাটায় শিশুদের প্রারম্ভিক বিকাশে খেলাভিত্তিক সেশন পরিদর্শনসাতক্ষীরায় আবাসিক হোটেল-রেস্তোরাঁ – বেকারি ব্যবস্থাপনা বিষয়ক মতবিনিময়সাতক্ষীরায় মোজাম্মেল মিস্ত্রী হ%ত্যা মামলার দুই প্রধান আসামি সিলেটে গ্রেফতারশ্যামনগরে সুন্দরবনের বনদস্যু নির্মূলে মানববন্ধনএবিপার্টি সাতক্ষীরা সদর উপজেলার আহবায়ক কমিটির অনুমোদনসাতক্ষীরায় শিশু ধর্ষণ ও যৌন সহিংসতার প্রতিবাদে মানববন্ধনএডিসি রিপন বিশ্বাসের অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি দেওয়ার সিদ্ধান্ত সাতক্ষীরা আইনজীবী ফোরামেরপ্রেরণার নির্বাহী পরিচালক শম্পার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা

সাতক্ষীরায় জেলা জজের প্রচেষ্টায় দুই আদালতে যাতায়াতের প্রতিবন্ধকতা দূর হলো

সাতক্ষীরা সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ শেখ মফিজুর রহমান এর প্রচেষ্টায় জজ কোর্ট ও চিফ জুডিশিয়াল কোর্টের মধ্যকার কালেক্টরেট চত্বরের আংশিক প্রাচীর অপসারিত করে রাস্তা নির্মাণের উদ্বোধন করা হয়েছে।
সোমবার দুপুর ১২ টায় সাতক্ষীরা জেলা ও দায়রা জজ শেখ মফিজুর রহমান, জেলা প্রশাসক এসএম মোস্তফা কামাল ও পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান এবং স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের সাতক্ষীরা সদরের নির্বাহী প্রকৌশলী শফিউল আযমসহ আইনজীবী সমিতির সাবেক ও বর্তমান কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে এ প্রাচীর অপসারন করা হয়।

জানা গেছে, বিচারপ্রার্থী, আইনজীবী ও আইনজীবী সহকারিদের দুর্ভোগের কথা মাথায় রেখে সমস্যা সমাধানে যথেষ্ট আন্তরিক হন জেলা ও দায়রা জজ শেখ মফিজুর রহমান।
তিনি করিডোর নির্মাণ পূর্বক সমস্যা সমাধানের লক্ষে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে বিভিন্ন সময়ে যোগাযোগ করা, সব সময় খোজ খবর নেওয়াসহ তদারকি করেন। একপর্যায়ে সিনিয়র জেলা ও দায়রা জাজ‘র আন্তরিক প্রচেষ্টায় সাতক্ষীরাবাসীর বহুদিনের স্বপ্ন সফল হয়। এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার দুপুর ১২টায় কালেক্টরেট চত্বরের অংশ বিশেষ অপসারন করে করিডর নির্মাণের কাজ প্রশস্ত হয়।

সাতক্ষীরা জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি অ্যাড. এম শাহ আলম জানান, জুডিশিয়াল কোর্টে বিচার শুরু হওয়ার পর কালেক্টরেট চত্বরের জজ কোর্ট থেকে জুডিশিয়াল কোর্টে আসার জন্য প্রধান সড়কের উপর দিয়ে যাতায়াত করতে হতো আইনজীবী, আইনজীবী সহকারি, বিচারপ্রার্থী ও বিচার ব্যবস্থার সঙ্গে জড়িত সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারিদের। এতে অনেকে দুর্ঘটনার শিকার হন। ফলে কালেক্টরেট চত্বরের ডবল প্রাচীরের অংশ বিশেষ অপসারন করে যাতায়াতের জন্য সেখানে করিডোর নির্মাণ করা সময়ের দাবি হয়ে দাঁড়ায়। সাতক্ষীরা সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ সাহেবের প্রচেষ্টায় এটির সুষ্ঠ সমাধান হয়েছে।

কালেক্টরেট চত্বরের প্রাচীরের অংশ বিশেষ ভাঙার কাজ শুরু হওয়ার পর সাতক্ষীরার জেলা ও দায়রা জজ শেখ মফিজুর রহমান বলেন, বিচারপ্রার্থী, আইনজীবী ও আইনজীবী সহকারিদের সমস্যার কথা মাথায় রেখে তিনি কয়েক মাস আগে আইনমন্ত্রণালয়, গণপুর্ত মন্ত্রণালয় ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে চিঠি লেখেন। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন সাপেক্ষে মন্ত্রীপরিষদের পৌঁছায়। মন্ত্রী পরিষদের অনুমোদন সাপেক্ষে কালেক্টরেট চত্বরের প্রাচীরের অংশ বিশেষ অপসারন সংক্রান্ত একটি চিঠি গত ৫ জুন তিনি হাতে পান। ওই চিঠিতে থাকা নির্দেশনা অনুযায়ি তিনি সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক এসএম মোস্তফা কামাল, জেলা পুলিশ সুপার মোঃ মোস্তাফিজুর রহমানকে সাথে নিয়ে প্রাচীর অপসারনের কাজ শুরু করেন।
জেলা ও দায়রা জজ আরো বলেন, করিডোর স্থাপনের ফলে জজ কোর্ট ও জুডিশিয়াল কোর্টের মধ্যকার দূরত্ব কমে যাবে। তাতে যাতায়াতে সুবিধা হবে আইনজীবী ও বিচারপ্রার্থীদের। যাহা ন্যয় বিচার প্রতিষ্ঠায় অনন্য ভূমিকা রাখবে।#

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ব্রিফিংয়ে টিকার দাম বলে ফেলা অতিরিক্ত সচিব ওএসডি

অনলাইন ডেস্ক : মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব শাহিদা আকতারকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করা হয়েছে।

চীন থেকে দেড় কোটি ডোজ টিকা কেনার প্রস্তাব গত গত ২৭ মে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটিতে অনুমোদনের পর ওইদিনই এক ব্রিফিংয়ে শাহিদা আকতার প্রতি ডোজ টিকার দাম কত হচ্ছে, সেটিও জানিয়েছিলেন। এই দাম জানানোর পর টিকা নিয়ে কিছু জটিলতা হচ্ছে বলে গণমাধ্যমে খবর বেরিয়েছে।

ওই ব্রিফিংয়ে শাহিদা আকতার জানান, দেড় কোটি ডোজ টিকার মোট দাম পড়বে ১৫ কোটি ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ হয় এক হাজার ২৬৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা। প্রতি ডোজের দাম পড়বে ১০ ডলার।

এ নিয়ে আলোচনার মধ্যেই ১ জুন শাহিদা আকতারকে ওএসডি করে প্রজ্ঞাপন জারি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। এতে অন্য আদেশের মতো জনস্বার্থে এ আদেশ জারি করা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।

তবে সরকারি সূত্রগুলো বলছে, মূলত টিকার দাম জানিয়ে দেওয়ায় উদ্ভূত পরিস্থিতির কারণেই তাকে ওএসডি করা হয়েছে।

চায়না ন্যাশনাল ফার্মাসিউটিক্যালস গ্রুপ বা সিনোফার্ম থেকে বাংলাদেশ করোনাভাইরাসের দেড় কোটি টিকা কিনতে যাচ্ছে। বাণিজ্যিক চুক্তির আওতায় প্রথম চালানে সিনোফার্মের ৫০ লাখ টিকা জুনে দেশে আসার কথা। তিন মাসে সিনোফার্মের কাছ থেকে দেড় কোটি টিকা কিনতে দুই পক্ষের মধ্যে তিনটি চুক্তি সইয়ের বিষয়টি চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ঢাকায় সাততলা বস্তিতে ভয়াবহ আগুনে পুড়ে শতাধিক ঘর ছাই

অনলাইন ডেস্ক : রাজধানীর মহাখালীর সাততলা বস্তিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। ফায়ার সার্ভিসের ১৮টি ইউনিটের প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। আজ সোমবার ভোর ৪টার দিকে এই আগুন লাগে।

ভয়াবহ আগুনে বস্তির শতাধিক ঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। কাঠ ও টিনশেডের তৈরি মহাখালীর এই বস্তিতে প্রায় দুই হাজার ঘর রয়েছে বলে জানা গেছে। অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় এখনও কোনো হতাহতের তথ্য পাওয়া যায়নি।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. সাজ্জাদ হোসাইন বলেন, অবৈধ গ্যাস সংযোগ থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনা তদন্তে চার সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণকক্ষের দায়িত্বরত কর্মকর্তা কামরুল হোসেন বলেন, সোমবার ভোর ৪টায় লাগা আগুন ৬টা ৩৫ মিনিটে নিয়ন্ত্রণে এসেছে। আগুনের খবর পেয়ে পর্যায়ক্রমে ফায়ার সার্ভিসের ১৮টি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়। ফায়ার সার্ভিসকর্মীদের সঙ্গে বস্তির বাসিন্দারাও আগুন নেভাতে চেষ্টা করেছেন।

আড়াই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও সকাল ৮টা নাগাদ নির্বাপনের কাজ অব্যহত রয়েছে বলে জানান ফায়ার সার্ভিসের এই কর্মকর্তা।

কামরুল হোসেন জানান, ফায়ার সার্ভিসের তেজগাঁও, বারিধারা, কুর্মিটোলা, হেড কোয়ার্টার, খিলগাঁও, উত্তরা ও পূর্বাচল এই সাতটি স্টেশনের ১৮টি ইউনিট ঘটনাস্থলে রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আজ ঐতিহাসিক ৬ দফা দিবস

ইতিহাস ও ঐতিহ্য : আজ ৭ জুন, ঐতিহাসিক ছয় দফা দিবস। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঘোষিত ছয় দফা আন্দোলনের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের শুরুটা হয়েছিল ১৯৬৬ সালের এই দিনে। বাংলাদেশের স্বাধীনতাসংগ্রামের ইতিহাসে দিনটি অবিস্মরণীয় ও তাৎপর্যপূর্ণ।

পশ্চিম পাকিস্তানের শাসকগোষ্ঠীর শোষণ ও বৈষম্যের নীতির বিরুদ্ধে ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি লাহোরে তৎকালীন পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের সব বিরোধী রাজনৈতিক দলের ডাকা জাতীয় সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু ছয় দফা দাবি উত্থাপন করেন। এরপর ১১ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় ফিরে এসব দাবির পক্ষে দেশব্যাপী প্রচারাভিযান শুরু করেন তিনি।

বাংলার আনাচে-কানাচে প্রত্যন্ত অঞ্চলে গিয়ে জনগণের সামনে ছয় দফার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন বঙ্গবন্ধু। বাংলার জনগণ এসব দাবির প্রতি স্বতঃস্ফূর্ত সমর্থন জানায়। ছয় দফা হয়ে ওঠে পূর্ব বাংলার শোষিত-বঞ্চিত মানুষের মুক্তির সনদ। এমন পরিস্থিতিতে আইয়ুব খানের স্বৈরাচারী সরকার ১৯৬৬ সালের ৮ মে বঙ্গবন্ধুকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠায়। এর প্রতিবাদে বিক্ষুব্ধ মানুষ রাজপথে নেমে আসে। জনগণের বিক্ষোভ ৭ জুন নতুন মাত্রা পায়। আওয়ামী লীগের ডাকা হরতাল কর্মসূচি পালনকালে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জে পুলিশ ও ইপিআর (ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলস) মানুষের ওপর গুলি চালায়। এতে শহীদ হন মনু মিয়া, শফিক, শামসুল হকসহ ১১ জন। এ ঘটনায় আন্দোলন দাবানলের মতো সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ে। এই আন্দোলনের পথ ধরেই ১৯৬৯ সালের গণ-অভ্যুত্থান ও ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পথে এগিয়ে যায় বাংলাদেশ।

ঐতিহাসিক ছয় দফা দিবস উপলক্ষে গতকাল রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। রাষ্ট্রপতি তাঁর বাণীতে বলেছেন, ছয় দফা কেবল বাঙালি জাতির মুক্তিসনদ নয়, সারা বিশ্বের নিপীড়িত-নির্যাতিত মানুষের মুক্তি আন্দোলনের অনুপ্রেরণার উত্স। তরুণ প্রজন্ম বঙ্গবন্ধুর ছয় দফার দাবি থেকে শিক্ষা নিয়ে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হবে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর বাণীতে বলেছেন, ছয় দফাসহ সব গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও সংগ্রামের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার অক্ষুণ্ন রাখতে আওয়ামী লীগ সরকার বদ্ধপরিকর। তিনি ঐতিহাসিক ৭ জুনসহ স্বাধীনতাসংগ্রামের সব শহীদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান।

ই-পোস্টার প্রকাশ : ঐতিহাসিক ছয় দফা দিবস উদযাপন উপলক্ষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির পক্ষ থেকে বিশেষ আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন এবং ই-পোস্টার প্রকাশ করা হয়েছে। কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বাঙালি জাতিরাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠাতা ও স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের অংশ হিসেবে আয়োজিত আলোচনা অনুষ্ঠানে বিশেষ বক্তব্য দেবেন প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা। অনুষ্ঠানটি আজ ৭ জুন বাংলাদেশ টেলিভিশনসহ বেসরকারি টেলিভিশন, অনলাইন ও সোশ্যাল মিডিয়ায় সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত ১০টার মধ্যে প্রচারিত হবে।

এ ছাড়া দিবসটি উপলক্ষে জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির পক্ষ থেকে প্রকাশিত ই-পোস্টারের শিরোনাম করা হয়েছে ‘৭ই জুন বাঙালির মুক্তির সনদ ঐতিহাসিক ৬ দফা দিবস : জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা’।

আওয়ামী লীগের কর্মসূচি : আওয়ামী লীগ প্রতিবছর যথাযথ মর্যাদায় ছয় দফা দিবস পালন করে আসছে। কিন্তু এ বছর বৈশ্বিক মহামারি করোনা সংকটের কারণে জনসমাগম এড়িয়ে স্বাস্থ্য সুরক্ষা বিধি মেনে সীমিত পরিসরে দিবসটি পালন করবে ক্ষমতাসীন দলটি। সূর্যোদয়ের ক্ষণে ধানমণ্ডিতে বঙ্গবন্ধু ভবন, বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় ও সারা দেশের শাখা কার্যালয়গুলোতে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে। সকাল ৯টায় বঙ্গবন্ধু ভবন প্রাঙ্গণে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় টানা কয়েক ঘণ্টার বজ্রপাত, ২ জনের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক : একনাগাড়ে রবিবার বিকের ৪:৩০টা থেকে রাত প্রায় ৯টা পর্যন্ত অসংখ্যবার বজ্রপাত হয়েছে সাতক্ষীরায়।

এসময় ২ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

তারা হলেন সাতক্ষীরার ভোমরা ইউনিয়নের চৌবাড়িয়া গ্রামের মো: বজলুর রহমানের কন্যা রাবেয়া খাতুন (২০) এবং তালার নগরঘাটা ইউনিয়নের হরিণখোলা গ্রামের আশুতোষ মন্ডলের ছেলে কিশোর মন্ডল (৩৭)।

প্রবীণদের অনেকেই বলছেন তারা এর আগে কখনও সাতক্ষীরায় ধারাবাহিকভাবে এত বেশি বজ্রপাত হতে দেখেননি। বজ্রপাতের তীব্রতা ও ধারাবাহিকতায় সাধারণ মানুষ আতঙ্কিত হয়ে পড়ে।

বজ্রপাতের সাথে সাথে সাতক্ষীরার বিভিন্ন এলাকায় তুমুল বৃষ্টিপাতও হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
করোনা পরিস্থিতিতে ভোটের বিপক্ষে জেলা প্রশাসন, অনড় ইসি

বিশেষ ডেস্ক : করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতি উদ্বেগজনক হারে বেড়ে যাওয়ায় এই মুহূর্তে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন অনুষ্ঠানে সায় নেই স্থানীয় প্রশাসনের। বিশেষ করে লকডাউন ঘোষিত এলাকায় মোটেও ভোট করার পক্ষে নয় তারা। সার্বিক পরিস্থিতি তুলে ধরে ইতোমধ্যে কমিশনকে অবহিতও করেছে জেলা প্রশাসন। তবে ভোট নিতে অনড় নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ভোট অনুষ্ঠানের আদেশ দিয়ে রবিবার (৬ জুন) সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকসহ ইসি মাঠ প্রশাসনকে চিঠি দিয়েছে। নির্বাচন কমিশনসহ মাঠ প্রশাসনের সঙ্গে আলাপ করে এসব তথ্য জানা গেছে।

নির্বাচন কমিশন গত ২ জুন কমিশন সভা করে স্থগিত লক্ষ্মীপুর -২ আসনের উপনির্বাচন এবং ষষ্ঠ ধাপের দেশের এগারটি পৌরসভা এবং প্রথম ধাপের ৩৭১টি ইউনিয়ন পরিষদে ২১ জুন ভোটগ্রহণের তারিখ নির্ধারণ করে। ওইদিন কমিশন সভা শেষে নির্বাচন কমিশন সচিব খন্দকার আনোয়ারুল কবীর সাংবাদিকদের এ সিদ্ধান্তের কথা জানান। স্থগিত এসব ভোট অনুষ্ঠানের তারিখ জানিয়ে ওইদিনই আদেশ জারি করার কথা জানান তিনি।

কমিশন সূত্রে জানা গেছে, লক্ষ্মীপুর-২ এবং ১১টি পৌরসভা নির্বাচনের বিষয়ে আদেশ জারি হলেও স্থগিত ৩৭১টি ইউনিয়ন পরিষদের ভোটের আদেশ রবিবার বিকালে মাঠ প্রশাসনে পৌঁছেছে। যদিও চিঠিটি ৩ জুনের তারিখে পাঠানো হয়েছে। জানা গেছে, ই-মেইল ও ইসির নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় অনলাইনে চিঠি পাঠানো হয়ে। এক্ষেত্রে পাঠানোর সঙ্গে সঙ্গেই তা পৌঁছে যায়।

মাঠ প্রশাসন ছাড়াও মন্ত্রিপরিষদ, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব, জনপ্রশাসন সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের তার অনুলিপি দেওয়া হয়েছে।

কমিশনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলাপকালে জানা গেছে, করোনা সংক্রমণের কারণে সরকারি বিধি নিষেধের পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে থেকে লকডাউন ঘোষণার কারণে পরিস্থিতি কিছুটা পর্যবেক্ষণ করে চারদিনের মাথায় চিঠি দেওয়া হয়েছে। অবশ্য চিঠি পাঠানো হলেও মাঠ প্রশাসন থেকে নির্বাচনের পরিবেশ বিষয়ে যেসব লিখিত বা মৌখিক চিঠি এসেছে তা ফাইল আকারে কমিশনে তোলা হয়েছে। এর প্রেক্ষিতে কমিশন থেকে যে সিদ্ধান্ত আসে তা-ই বাস্তবায়ন হবে।

নির্বাচন কমিশনের মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন- ভোট নিয়ে তাদের মধ্যেও উদ্বেগ উৎকণ্ঠা কাজ করছে। তারা বলেন, নির্বাচন হলে প্রার্থীদের প্রচারণার সুযোগ দিতে হবে। এক্ষেত্রে করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। লকডাউন এলাকায় কীভাবে প্রচারণা চলতে সেটাও প্রশ্ন রয়ে গেছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দক্ষিণাঞ্চলের একজন জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা বলেন, তার জেলার অনেকগুলো উপজেলাতে ভোট হবে। ভোট করতে হলেও প্রিজাইডিং অফিসারসহ সব ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণসহ নানা প্রস্তুতি গ্রহণ করতে হবে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে এটা কতটা সম্ভব হবে সেটা নিয়ে শঙ্কা রয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, করোনা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় স্থানীয় প্রশাসনের পাশাপাশি জনপ্রতিনিধিরাও ভোটের বিপক্ষে মত দিয়েছে। সাতক্ষীরা জেলার একাধিক সংসদ সদস্য পরিস্থিতি তুলে ধরে নির্বাচন কমিশনকে চিঠি লেখার জন্য জেলা প্রশাসককে আগেই অনুরোধ জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক এসএম মোস্তফা কামাল বলেন, আমাদের জেলার যেসব ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠানের কথা রয়েছে, তার সবগুলো নির্বাচনের পরিবেশ অনুকূল নয়। বিশেষ করে কলারোয়া উপজেলার করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতি ভালো নয়। সেখানে পরিবেশ অনুকূল নয় মর্মে আমি প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে বিষয়টি জানিয়েছি। তিনি জানিয়েছেন, ২১ জুন তারা ভোট করবেন। প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সিদ্ধান্ত জানার পর আমাদের তো কথা থাকতে পারে না।

বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আজিজুর রহমান বলেন, ইউপি নির্বাচনের বিষয়ে কমিশন থেকে আমাদের সঙ্গে কোনও যোগাযোগ করা হয়নি। কিন্তু জেলার অনেকগুলো এলাকার নির্বাচনের পরিবেশ অনুকূল না হওয়ায় আমি ব্যক্তিগতভাবে আজই (রবিবার) নির্বাচন কমিশনের অতিরিক্ত সচিব মহোদয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। আমি সার্বিক পরিস্থিতি তার কাছে তুলে ধরেছি। তিনি আমাকে এ বিষয়ে একটি লিখিত চিঠি দিতে বলেছিলেন। কিন্তু চিঠি প্রস্তুত করার মধ্যেই ২১ জুন ভোট অনুষ্ঠানের নির্দেশনার আদেশ হাতে পেয়েছি। এখন সার্বিক পরিস্থিতি তুলে ধরে কমিশনকে অবহিত করবো। তারপরও যদি তারা অবিচল থাকে তাহলে তো আমাদের ভোট করতেই হবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে নির্বাচন কমিশনের অতিরিক্ত সচিব অশোক মাধব রায় বলেন, এখন পর্যন্ত কমিশনের সিদ্ধান্ত নির্বাচন অনুষ্ঠানের পক্ষে। যার কারণে এ সংক্রান্ত আদেশ মাঠ প্রশাসনে পৌঁছে গেছে। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে নতুন কোনও সিদ্ধান্ত হলে জানতে পারবেন।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কয়েকটি জেলা প্রশাসন থেকে আমাদের কাছে তথ্য এসেছে। বর্ডার এলাকার পরিস্থিতি কিছুটা উদ্বেগজনক বলে তারা জানিয়েছে। আমরা জেলা প্রশাসকদের চিঠি ফাইল আকারে তুলেছি। কমিশন এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন।

মাঠপ্রশাসন থেকে প্রাপ্ত তথ্য তুলে ধরে অতিরিক্ত সচিব বলেন, খুলনা জেলা প্রশাসক জানিয়েছেন তার জেলার যেসব জায়গায় ভোট হবে সেখানকার সংক্রমণ পরিস্থিতি ৩/৪ শতাংশের মধ্যে। এই মুহূর্তে সেখানে ভোট করা সম্ভব বলে জানিয়েছেন। তবে, সাতক্ষীরা কলারোয়া ও বাগেরহাটের মোংলায় সমস্যার কথা জানিয়েছে। পরিস্থিতি এমন হলে বেশি সংক্রমণ এলাকার ভোট স্থগিত রেখে অন্যগুলো হয়তো হতে পারে। অবশ্য এই বিষয়ে কমিশনই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন।

উল্লেখ্য, করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতিতে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের বিষয়ে কমিশন আগে থেকেই দ্বিধা বিভক্ত ছিল। যার কারণে পরপর তিনটি বৈঠক করে সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে। সর্বশেষে ২ জুনের বৈঠকে ইউপি নির্বাচনে ভোটগ্রহণের সিদ্ধান্ত হয়। জানা গেছে পাঁচজন কমিশনার এর মধ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও কবিতা কবিতা খানম ভোট অনুষ্ঠানের পক্ষে মত দেন। অপরদিকে কমিশনার রফিকুল ইসলাম ও শাহাদাত হোসেন চৌধুরী করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতি বেড়ে যাওয়ায় ভোট গ্রহণ না করার পক্ষে অবস্থান নেন।

কমিশনার মাহবুব তালুকদার সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রশ্নে প্রথমে নিরপেক্ষ থাকলেও শেষ সময় সিইসির মতের পক্ষে অবস্থান নেন। ফলে ৩/২ ভোটে ভোট গ্রহণের সিদ্ধান্ত হয়।

প্রসঙ্গত, দেশের ১৯টি জেলার ৬৪টি উপজেলার ৩৭১টি ইউনিয়ন পরিষদে আগামী ২১ জুন ভোট হবে। যেসব জেলা-উপজেলায় ভোট হবে তার অনেকগুলোই সীমান্তবর্তী। এর কয়েকটিতে ইতোমধ্যে স্থানীয় প্রশাসনের লকডাউনের আওতায় রয়েছে। এসব লকডাউন আরও দুই/এক সপ্তাহ বাড়বে বলে জানা গেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

অনলাইন ডেস্ক : করোনার সংক্রমণ প্রতিরোধে চলমান বিধিনিষেধ আগামী ১৬ জুন পর্যন্ত চলবে। রবিবার (৬ জুন) এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উপসচিব রেজাউল ইসলাম স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, করোনার সংক্রমণের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় বিধি-নিষেধ আরোপের সময়সীমা ৬ জুন মধ্যরাত থেকে ১৬ জুন মধ্যরাত পর্যন্ত বর্ধিত করা হলো।

এসময় সকল পর্যটনস্থল, রিসোর্ট, কমিউনিটি সেন্টার ও বিনোদন কেন্দ্র বন্ধ থাকবে। জনসমাবেশ হয় এ ধরণের সামাজিক অনুষ্ঠান (বিবাহোত্তর অনুষ্ঠান, জন্মদিন, পিকনিক পার্টি ইত্যাদি), রাজনৈতিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠান বন্ধ থাকবে।

খাবারের দোকান ও হোটেল-রেস্তোরাঁ সকাল ৬টা থেকে রাত ১০ টা পর্যন্ত বিক্রি ও সরবরাহ করতে পারবে এবং আসন সংখ্যার অর্ধেক সেবাগ্রহীতাকে সেবা প্রদান করতে পারবে।

উচ্চঝুঁকিতে থাকা জেলাগুলোর জেলা প্রশাসকরা সংশ্লিষ্ট কারিগরি কমিটির সঙ্গে আলোচনা করে স্ব-স্ব এলাকার সংক্রমণ প্রতিরোধে বিধি মোতাবেক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন। আন্তঃজেলাসহ সব ধরনের গণপরিবহন আসন সংখ্যার অর্ধেক যাত্রী নিয়ে চলাচল করতে পারবে। তবে অবশ্যই যাত্রীসহ সকলকে মাস্ক পরিধানসহ স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত ৪ খুনির মুক্তিযুদ্ধের খেতাব বাতিল

অনলাইন ডেস্ক : জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স্বপরিবারে হত্যায় জড়িত এবং আদালতের রায়ে মৃত্যুদণ্ড পাওয়া চার আত্মস্বীকৃত খুনির বীর মুক্তিযোদ্ধা খেতাব বাতিল করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

রোববার (৬ জুন) বিকেলে মন্ত্রণালয়ের উপসচিব রথীন্দ্র নাথ দত্তের সই করা প্রজ্ঞাপনে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে।

খেতাব হারানো এই চার জন হলেন: লে. কর্নেল শরিফুল হক ডালিম (বীর উত্তম গেজেট নং- ২৫), লে. কর্নেল এস এইচ এম এইচ এম বি নুর চৌধুরী (বীর বিক্রম গেজেট নং-৯০), লে. এ এম রাশেদ চৌধুরী (বীর প্রতীক গেজেট নং-২৬৭) ও নায়েক সুবেদার মোসলেম উদ্দিন খান (বীর প্রতীক গেজেট নং-৩২৯)।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘এ বিষয়ে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেছেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুসহ অন্যান্য শহিদদের হত্যা মামলায় আত্মস্বীকৃত ও আদালত কর্তৃক মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ঘৃণ্য এই চার খুনির মুক্তিযুদ্ধের বীরত্বসূচক খেতাব থাকা জাতির জন্য লজ্জাজনক। সেজন্য এ গেজেট বাতিল করা হয়েছে।’

চলতি বছরের ৯ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের (জামুকা) ৭২তম সভায় এই চার খুনির খেতাব বাতিলের সুপারিশ করা হয়।

খেতাব বাতিল হওয়ায় তারা এবং তাদের পরিবারের সদস্যরা মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য আর কোনো রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা পাবেন না।

এর আগে বুধবার মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর চার খুনির রাষ্ট্রীয় খেতাব ও পদক বাতিলের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়েছে। এ বিষয়ে গেজেট প্রকাশ করলে আপনারা পাবেন। এর আগে কোনো মন্তব্য করতে চাই না।’

এর আগে গত ৯ ফেব্রুয়ারি জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের (জামুকা) ৭২তম সভায় বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আত্মস্বীকৃত চার খুনির রাষ্ট্রীয় খেতাব বাতিলের সুপারিশ করা হয়।

মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য স্বাধীনতার পর জিয়াউর রহমানকে রাষ্ট্রীয়ভাবে ‘বীর উত্তম’ খেতাব দেওয়া হয়। এছাড়া শরিফুল হক ডালিম ‘বীর উত্তম’, নূর চৌধুরী ‘বীর বিক্রম’, রাশেদ চৌধুরী ‘বীর প্রতীক’ ও মোসলেহ উদ্দিন ‘বীর প্রতীক’ খেতাব পান। আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে, এই খুনের নেপথ্যে রয়েছেন জিয়াউর রহমান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest