সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় নির্মাণাধীন ভবনের সাব-কন্টাক্টরের কাছে চাঁদা দাবি : থানায় অভিযোগতালায় আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা: সার সংকট, মাটি কাটা ও বালু উত্তোলন বন্ধে গুরুত্বারোপদেবহাটায় শিশুদের প্রারম্ভিক বিকাশে খেলাভিত্তিক সেশন পরিদর্শনসাতক্ষীরায় আবাসিক হোটেল-রেস্তোরাঁ – বেকারি ব্যবস্থাপনা বিষয়ক মতবিনিময়সাতক্ষীরায় মোজাম্মেল মিস্ত্রী হ%ত্যা মামলার দুই প্রধান আসামি সিলেটে গ্রেফতারশ্যামনগরে সুন্দরবনের বনদস্যু নির্মূলে মানববন্ধনএবিপার্টি সাতক্ষীরা সদর উপজেলার আহবায়ক কমিটির অনুমোদনসাতক্ষীরায় শিশু ধর্ষণ ও যৌন সহিংসতার প্রতিবাদে মানববন্ধনএডিসি রিপন বিশ্বাসের অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি দেওয়ার সিদ্ধান্ত সাতক্ষীরা আইনজীবী ফোরামেরপ্রেরণার নির্বাহী পরিচালক শম্পার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা

সমগ্র দেশে ইন্টারনেটের রেট এক হচ্ছে, মাস চলবে ৫০০ টাকায়

অনলাইন ডেস্ক : করোনার (কোভিড-১৯) সময়ে বাংলাদেশে ইন্টারনেটের প্রয়োজনীয়তা বেড়েছে। বিশেষ করে পড়াশোনা, ঘরে বসে অফিসের কাজ করার জন্য ইন্টারনেটের চাহিদা বাড়ছে। বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে ‘এক দেশ, এক রেট’ এই নামে ইন্টারনেট সেবা চালু করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।

এই সেবা চালু হলে রাজধানী ঢাকাসহ পুরোদেশে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের একই দাম হবে। এতে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের জন্য তিনটি প্যাকেজ থাকবে।

রবিবার এক অনুষ্ঠানে এসব প্যাকেজের দামের বিষয়ে জানাবে বিটিআরসি। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

তিন প্যাকেজের দামের বিষয়ে বিশ্বস্ত একটি সূত্র জানায়, মাসে সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা নির্ধারণ করা হতে পারে প্রথম প্যাকেজে। এর গতি হতে পারে ৫ এমবিপিএস। আর দ্বিতীয় প্যাকেজে মাসিক ৮০০ টাকা, গতি ১০ এমবিপিএস থাকতে পারে। তৃতীয় প্যাকেজের দাম মাসে ১ হাজার ২০০ টাকার মধ্যে থাকতে পারে। গতি ২০ এমবিপিএস হতে পারে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় বাড়ছে রোগী, করোনায় মৃত্যু ৪৮ উপসর্গে ২২৭ জন

আসাদুজ্জামান : সাতক্ষীরায় দ্বিতীয় দিনের মতো পালিত হচ্ছে লকডাউন। প্রশাসনের তৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে। মোড়ে মোড়ে চলছে তল্লাশী। শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে পুলিশ চেকপোস্ট বসিয়ে চলাচল নিয়ন্ত্রণ করছে। বন্ধ রয়েছে দুরপাল্লার বাসসহ সকল ধরনের গনপরিবহন। তবে কিছু কিছু এলাকায় ব্যটারীচালিত ভ্যান, ইজিবাইক ও মটরসাইকেল চলাচল করেতে দেখা গেছে। ভোমরা স্থলবন্দরেও সীমিত পরিসরে চলছে আমদানী-রপ্তানী কার্যক্রম। বন্দরে আসা ভারতীয় ট্রাক চালক ও হেলপারদের বন্দরে খোলামেলা চলাফেরায় নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

এদিকে, লকডাউনের মধ্যে দোকানপাট খোলা রাখা, স্বাস্থ্যবিধি না মানাসহ বিভিন্ন অপরাধে জেলার বিভিন্ন স্থানে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গত ২৪ ঘন্টায় সাতক্ষীরার ১০টি মোবাইল কোর্টের অভিযানে ৬৫ টি মামলায় ৪৪ হাজার ৪০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে বলে জানান এনডিসি আজাহার আলী।

সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডা. জয়ন্ত সরকার জানিয়েছেন, শুরু থেকে এ পর্যন্ত সাতক্ষীরায় ১ হাজার ৮৩৬ জনের করোনা পজেটিভ পাওয়া গেছে। জেলায় করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৪৮ জন। তবে করোনা উপসর্গ নিয়ে কেবল সাতক্ষীরা মেডিকেলে আজ পর্যন্ত মারা গেছেন ২২৭জন। সাতক্ষীরায় বিভিন্ন হাসপাতালে মোট ৩৩৯ জন করোনা রোগী চিকিৎসা নিচ্ছেন। এর মধ্যে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ২৭জন ও সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ২৬জন করোনা পজেটিভ রোগী ভর্তি আছেন। বাকীরা বিভিন্ন বেসরকারী হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। এছাড়া করোনা উপসর্গ নিয়ে সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে প্রায় ৪০০ রোগী ভর্তি রয়েছেন।

বর্তমানে সাতক্ষীরায় করোনা সংক্রমনের হার উর্দ্ধগতি। গত সপ্তাহখানেক যাবত সাতক্ষীরায় করোনা সনাক্তের হার ৫০ শতাংশের ওপরে বৃদ্ধি পায়। বুধ ও বৃহস্পতিবার জেলায় করোনা সংক্রমনের হার ছিল ৫৩ দশমিক ১৯ শতাংশ। তা শনিবারে কিছুটা কমে দাড়ায় ৪৭ দশমিক ১৭ শতাংশে। এমন বাস্তবতায় শনিবার থেকে জেলায় সাত দিনের সর্বাতœক লকডাউন ঘোষনা করেছে জেলা প্রশাসন।
এদিকে, সাতক্ষীরা সীমান্ত পথে বৈধ অবৈধ যাতায়াত পুরোপুরি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সীমান্ত জুড়ে কঠোর নজরদারী শুরু করেছে বিজিবি।

গত এক সপ্তাহে বিজিবি সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে এক নারী পাচারকারী ও এক ভারতীয় নাগরিকসহ ৩৬ জনকে গ্রেফতার করেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেশি ফল কোনটিতে কী উপকার জেনে রাখুন

স্বাস্থ্য ও জীবন : বাংলাদেশে গ্রীষ্মকালে নানা ধরনের ফলমূল দেখা যায়। প্রবাদ রয়েছে, জ্যৈষ্ঠমাস মাসে মধু মাস। কারণ, এই মাসে বিভিন্ন ধরনের রসাল, মিষ্টি ও সুগন্ধি ফল উঠতে শুরু করে।

নানা ফলের রয়েছে নানান পুষ্টিগুণ। বয়স, শারীরিক অবস্থা, রোগ ভেদে নিয়মিত ও সঠিক মাত্রায় ফল খেলে তা শারীরিক অনেক রোগব্যাধির ক্ষেত্রেও উপকারী। আবার যাদের কিডনির রোগ রয়েছে, তাদের ফলমূল খাওয়ার ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হয়।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পুষ্টি ও খাদ্য বিজ্ঞান ইন্সটিটিউটের অধ্যাপক ড. খালেদা ইসলাম বলেছেন, ফলের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো, এটি রান্না করতে হয় না। আর সব ফলের মধ্যেই পানির পরিমাণ বেশি থাকে। সে কারণে গরমের সময় শরীরের পানিশূন্যতা পূরণে এটি সহায়তা করে।

তিনি বলেন, ‘ফলের মধ্যে খাদ্যশক্তি থাকে, যা শরীরের ভেতর থেকে ক্ষতিকর চর্বি বের করে দেয়। তাই ফল সবার জন্য উপকারী। পুষ্টিমানের দিক থেকেও সব ফলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা, খনিজ পদার্থ থাকে। বিশেষ করে রঙিন ফলে লাইকোপেট আর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে, তা শরীরের ভেতরের বিষাক্ত জিনিস দূর করে দেয় এবং ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে সহায়তা করে।’

বাংলাদেশে গ্রীষ্মকালে পাওয়া যায়, এমন কয়েকটি মৌসুমি ফলের গুণাগুণ এখানে তুলে ধরা হলো:

আম : স্বাদ, পুষ্টি ও গন্ধে অতুলনীয় জনপ্রিয় একটি ফল আম। বাংলাদেশে এপ্রিল মাস থেকেই কাঁচা আম পাওয়া যায়। তবে পাকা আম আসতে শুরু করে মে মাস থেকে। জুলাই বা আগস্ট পর্যন্ত দেশীয় আম পাওয়া যায়।

কৃষি তথ্য সার্ভিসের বর্ণনা অনুযায়ী, আয়রন ও সোডিয়ামের ঘাটতি পূরণে বেশ কার্যকরী আম। আম রক্তে ক্ষতিকারক কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়। ডায়াবেটিসের সঙ্গে লড়াই করে। ক্যান্সার কোষকে মেরে ফেলতে সাহায্য করে। আমে রয়েছে উচ্চ পরিমাণ প্রোটিন, যা জীবাণু থেকে দেহকে সুরক্ষা দেয়। আমে রয়েছে ভিটামিন এ, যা দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখে। চোখের চারপাশের শুষ্কভাবও দূর করে। পাকা আমে কাঁচা আমের তুলনায় শর্করার পরিমাণ বেশি থাকে। কাঁচা আম দেহের শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। লিভারের সমস্যায় কাঁচা আম খাওয়া উপকারী। এটি বাইল এসিড নিঃসরণ বাড়ায়। অন্ত্রের ব্যাকটেরিয়াকে পরিষ্কার করে। দেহে নতুন রক্ত তৈরিতে সাহায্য করে।

খনিজ পদার্থ আয়রনের ভালো উৎস আম। প্রচুর পরিমাণে আয়রন ও সোডিয়াম বিদ্যমান। এছাড়া খনিজ লবণ, ভিটামিন বি, ই, সেলেনিয়াম, এনজাইম, ম্যালিক এসিড, সাইট্রিক এসিড, টারটারিক অ্যাসিড বিদ্যমান। এজন্যই আমকে বলা হয় ফলের রাজা। এর মধ্যে রয়েছে এমন অনেক পুষ্টিগুণ, যা শরীরকে ভালো রাখে।

খসখসে চামড়া, চুলপড়া, চোখের নানা রোগ, হজমের সমস্যা দূর করতে আম কার্যকরী ভূমিকা রাখে। এ ছাড়া এই ফলটি বলকারক, মুখরোচক ও যকৃতের জন্য উপকারী।

কাঁঠাল : বাংলাদেশের জাতীয় এই ফলের প্রতিটি অংশই খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাংলাদেশের কৃষি তথ্য সার্ভিসের বর্ণনা অনুযায়ী, কাঁঠালে প্রচুর এনার্জি। কাঁঠালে শর্করার পরিমাণ বেশি। কাঁঠাল গ্রীষ্মকালের ফল। পাকা কাঁঠালের ক্যালরি প্রতি ১০০ গ্রামে প্রায় ৯০ কিলোক্যালরি এবং খনিজ লবণের পরিমাণ প্রায় ০.৯ গ্রাম। কাঁচা কাঁঠালের ফাইবারের পরিমাণ পাকা কাঁঠালের বেশ কয়েক গুণ বেশি। তাই ডায়াবেটিক মানুষের জন্য কাঁচা কাঁঠাল উপকারী। রক্তের চিনির মাত্রা স্বাভাবিক রাখার জন্য কাঁচা কাঁঠালের জুড়ি নেই।

এতে আছে থায়ামিন, রিবোফ্লাভিন, ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম, আয়রন, সোডিয়াম, জিঙ্ক এবং নায়াসিনসহ বিভিন্ন প্রকার পুষ্টি উপাদান। কাঁঠালে প্রচুর পরিমাণে আমিষ, শর্করা ও ভিটামিন থাকায় তা মানবদেহের জন্য বিশেষ উপকারী। কাঁঠালের প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ আছে, যা রাতকানা রোগ প্রতিরোধ করে। এ ছাড়া উচ্চ রক্তচাপের উপশম হয়। কাঁঠাল সর্বত্র পাওয়া যায় তবে আশুলিয়ায় বেশি উৎপন্ন হয়।

লিচু : এটি গ্রীষ্মকালীন একটি স্বল্পমেয়াদি ফল। এই ফলটি টিউমার রোধে বেশ ভূমিকা রাখে। রসাল এই ফলটিতে রয়েছে খাদ্য শক্তি, শর্করা, আমিষ, ক্যালসিয়াম, লৌহ ও ভিটামিন-সি।

জাম : অরুচি ভাব ও বমিভাব নিরাময়ে জামের বিশেষ ভূমিকা রয়েছে। অনেকে মনে করেন, জাম দেহে রক্ত তৈরি করে। যদিও সেরকম কোনো বৈজ্ঞানিক তথ্য নেই। তবে জামের ভেতর খাদ্য শক্তি, শর্করা, আমিষ, চর্বি, আঁশ, ক্যালসিয়াম, লৌহ, ভিটামিন-সি ও ক্যারোটিন থাকে।

এটি শরীরের হাড়কে মজবুত করে, ডায়রিয়া ও আলসার নিরাময়ে ভূমিকা রাখে। জাম ত্বক টানটান করতে, স্মৃতিশক্তি বাড়াতে আর ডিটক্সিফায়ার হিসেবেও কাজ করে।

বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, জামের নির্যাস ক্যান্সার সৃষ্টিকারী ফ্রি র‍্যাডিকেলের কাজে এবং বিকিরণে বাধা দেয়।

পেয়ারা : বাংলাদেশে এখন সারা বছর ধরেই পেয়ারা পাওয়া যায়। প্রতি ১০০ গ্রাম পেয়ারায় ৫১ কিলোক্যালরি খাদ্যশক্তি, ১১.২০ গ্রাম শর্করা, ০.৯০ গ্রাম আমিষ, ১০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম, ২১০ মিলিগ্রাম ভিটামিন-সি আর ১০০ মাইক্রোগ্রাম ক্যারোটিন থাকে। কারো কারো জন্য পেয়ারা অম্বলের তৈরি করলেও বেশিরভাগ মানুষের জন্য এই ফলটি উপকারী।

সফেদা : সফেদায় প্রচুর পরিমাণে গ্লুকোজ থাকে, যা দেহে শক্তি যোগায়। এ ছাড়া এই ফলে ক্যালসিয়াম ও লৌহ রয়েছে, যা হাড় ও দাঁত সুস্থ রাখে। সফেদা মানসিক চাপ কমাতে, অনিদ্রা, উদ্বেগ ও বিষণ্ণতা দূর করতে ভূমিকা রাখে বলে মনে করা হয়। বিভিন্ন অ্যান্টি অক্সিডেন্ট উপাদান, ভিটামিন এ, সি ও ই এবং ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, কপার ও আয়রনসহ অপরিহার্য বহু পুষ্টি উপাদান রয়েছে ফলটিতে।

তরমুজ : তরমুজে রয়েছে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা স্ট্রেস কমিয়ে দেয়। এ ছাড়া প্রোস্টেট ক্যান্সার, কোলন ক্যান্সার, ফুসফুসের ক্যান্সার ও স্তন ক্যান্সারে ঝুঁকি কমায়।

তরমুজে প্রচুর পানি থাকে, তাই গরমের সময় শরীরের পানিশূন্যতা দূর করতে তরমুজ ভূমিকা রাখে। শরীরকে সুস্থ ও সতেজ করে তোলে। এতে থাকা ক্যারোটিনয়েড চোখ ভালো রাখতে সহায়তা করে।

আমড়া : প্রতি ১০০ গ্রাম খাদ্য উপযোগী আমড়াতে ৬৬ কিলো ক্যালরি খাদ্যশক্তি, ১৫ গ্রাম শর্করা, ১.১০ গ্রাম আমিষ, ৫৫ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম, ৯২ মিলিগ্রাম ভিটামিন- সি, ৩.৯০ মিলিগ্রাম লৌহ ও ৮০০ মাইক্রোগ্রাম ক্যারোটিন ও ৮৩.২০ গ্রাম জলীয় অংশ রয়েছে। এ ছাড়া পিত্ত ও কফ নিবারক, রুচিবর্ধক হিসেবে আমড়া যথেষ্ট উপকারী। আমড়া কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়।

জামরুল : এই ফলে রয়েছে ক্যারোটিন ও ভিটামিন-বি। যাদের ডায়াবেটিস রয়েছে, তাদের জন্য জামরুল একটি উপকারী ফল।

লটকন : লটকন পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ অম্ল মধুর ফল। এ ফল খেলে বমিভাব দূর হয় ও তৃষ্ণা নিবারণ হয়।

বেল : পেটের নানা অসুখ, আমাশয়, ডায়রিয়া, কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে বেল একটি উপকারী ফল। খাবার হজমে এটি সাহায্য করে। এর মধ্যে ভিটামিন সি, ভিটামিন এ, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, পটাশিয়াম রয়েছে।

যেকোনো ফল কি ইচ্ছামতো খাওয়া উপকারী?

পুষ্টিবিদ অধ্যাপক ড. খালেদা ইসলাম বলেছেন, ফলমূল শরীরের জন্য উপকারী হলেও সব ফল ইচ্ছামতো খাওয়ার সুযোগ নেই। কারণ বয়স, অসুস্থতা ইত্যাদি বিষয় বিবেচনায় নিয়ে পরিমিতভাবে ফল খেতে হবে। যেমন ডায়াবেটিস রোগীদের মিষ্টি ফল হিসেব করে খেতে হবে, তেমনি কিডনি রোগীদের ফলমূল বিশেষজ্ঞের পরামর্শ ছাড়া খাওয়া যাবে না।

ফল খেয়ে পানি খাওয়া ঠিক নয়

ড. ইসলাম বলেছেন, শুধু ফল নয়, সব ধরনের খাবার খাওয়ার পরে সঙ্গে সঙ্গে পানি খেতে না বলা হয়। এর কারণ হলো, পেটের ভেতরের এনজাইম যেন সেটাকে ভেঙ্গে হজমে সহায়তা করে। ফলে এমনিতেই ৭০% পানি থাকে। তখন সঙ্গে সঙ্গে পানি খেলে সেটা হজমে কিছুটা সমস্যা তৈরি করে। তখন এনজাইম ঠিকমতো কাজ করতে পারে না। সেই কারণে ফলমূল খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পানি খেতে না বলা হয়।

রাতের বেলায় ফল না খাওয়া ভালো

পুষ্টিবিদ অধ্যাপক ড. খালেদা ইসলাম বলছেন, আগে যেভাবে বলা হতো, রাতে ফল খাওয়া যাবে না, এখন আর সেভাবে বলা হয় না। তবে কিছু ফল খেয়ে হজম হতে সময় লাগে। ফলে সেসব ফল খেয়ে শুয়ে পড়লে অনেকের অস্বস্তি ভাব হতে পারে, গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা হতে পারে। কিন্তু রাতে যে একেবারে ফল খাওয়া যাবে না, তা নয়। বিশেষ করে যারা অনেক রাত জেগে কাজ করেন, তারা অবশ্যই খেতে পারেন।

আনারস খেয়ে দুধ খাওয়া যাবে না

পুষ্টিবিদ অধ্যাপক ড. খালেদা ইসলাম বলছেন, এটার বৈজ্ঞানিক একটা ব্যাখ্যা রয়েছে। আনারস বা টকজাতীয় কিছু জিনিস খেয়ে দুধ খেলে সেটা পেটে গিয়ে দুধটাকে ভেঙে কঠিন এক ধরনের ছানা তৈরি করে। ফলে সেটা হজম হতে অনেক সময় লাগে। এই কারণে আনারসের সঙ্গে দুধ খেতে না বলা হয়।

ফলের মিষ্টি শরীরের জন্য খারাপ নয়

এটি একটি ভুল ধারণা বলছেন অধ্যাপক খালেদা ইসলাম। তিনি বলেছেন, ফলের মিষ্টি চিনির মতো ক্ষতিকর নয়, কিন্তু এটিও শরীরে মিষ্টির পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়। ফলে ডায়াবেটিস রোগীদের অবশ্যই হিসাব করে মিষ্টি ফল খেতে হবে। সাধারণ মানুষদেরও অতিরিক্ত ফল খাওয়া ঠিক নয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নুসরাতের ফ্ল্যাটেই থাকছেন যশ

বিনোদন ডেস্ক : নিখিল-নুসরাত-যশ, গত ৬ মাস ধরেই এই তিন তারকার জীবনের সুতোগুলো একে অপরের সঙ্গে জড়িয়ে গিয়েছে। প্রেম, বিয়ে, বিচ্ছেদের একাধিক ঘটনা বার বার প্রকাশ্যে চলে এসেছে। কিন্তু এবারে সাংসদ ও অভিনেত্রীর জীবন সব থেকে উল্লেখযোগ্য মোড় নিলো। তিনি মা হতে চলেছেন। নেটমাধ্যমে একটাই প্রশ্ন ঘুরে বেড়াচ্ছে, ‘সন্তানের জন্মদাতা কে’?

প্রেম করে বিয়ে অভিনেত্রী-সাংসদ নুসরাত জাহান এবং ব্যবসায়ী নিখিল জৈনের। ২০১৯ সালে তুরস্কে গিয়ে বিয়ে করছিলেন তারা। যদিও বিয়ের রেজিস্ট্রেশন হয়নি। ক্রমশ নিখিলের ব্যবসার মুখ হয়ে উঠেছিলেন অভিনেত্রী। নিখিলও স্ত্রীকে খুশিতে ভরিয়ে রাখতেন। এই সম্পর্কের জন্য নিখিল তার পরিবারের সঙ্গে লড়াইও করেছিলেন।

বিয়ের কয়েক মাস পরেই আচমকা শোনা যায়, নুসরাতকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গুঞ্জন, নিখিলের সঙ্গে মনোমালিন্য হওয়ায় আত্মহত্যা করার চেষ্টা করেছিলেন অভিনেত্রী। তবে নুসরাত জানিয়েছিলেন, সে সব গুজব। তার শরীর খারাপ হয়েছিলো, তাই হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন।

কিন্তু দাম্পত্যের তাল কাটতে বেশি দিন লাগেনি। তার মাঝেই প্রেমে পড়েন নুসরাত। অভিনেতা যশ দাশগুপ্তের সঙ্গে নাম জুড়লো তার। তার আগে থেকেই পর্দায় দু’জনের সমীকরণ নিয়ে দর্শকদের মধ্যে মাতামাতি ছিলো। পর্দার প্রেম ধীরে ধীরে বাস্তবে পরিণত হলো। একসঙ্গে ছবিতে কাজ করতে গিয়েই যশের প্রেমে পড়েন নুসরাত।

২০১৭ সালে যুগলের প্রথম ছবি— ‘ওয়ান’। তখন থেকে তাদের আলাপ, বন্ধুত্ব। তার পর ২০২০ সালে ‘এসওএস কলকাতা’র শুটিংয়ের সময় থেকে ঘনিষ্ঠতা বাড়ে যশ এবং নুসরাতের মধ্যে।

যশের সঙ্গে অজমের দরগাতে গিয়েছিলেন নুসরাত। এরপর মদন মিত্রের সঙ্গে দক্ষিণেশ্বর মন্দিরেও দেখা যায় ‘যশরত’-কে।

এরপরে দ্রুত বদলে যেতে থাকে নিখিল-নুসরাতের সম্পর্কের সমীকরণ। নুসরাত বালিগঞ্জের ফ্ল্যাটে একা থাকতে শুরু করেন। যশ এখন বেশির ভাগ সময় ওই ফ্ল্যাটেই নুসরাতের সঙ্গে সময় কাটান।

স্বামী নিখিল জৈনের সঙ্গে দাম্পত্যে ফাটল ধরে। এখন প্রায় ৬ মাস একসঙ্গে থাকেন না তারা। নুসরাতের সঙ্গে যশের ঘনিষ্ঠতাকে ‘নোংরামি’ বলেও কটাক্ষ করা হয়েছিলো তখন। সেই আক্রমণের রেশ এখনো কাটেনি। রাজনৈতিক দায়িত্ব বা পোশাক নিয়ে তো বটেই, যশের সঙ্গে নাম জড়িয়ে বার বার কটাক্ষের শিকার হয়েছেন অভিনেত্রী।

কিন্তু তাদের প্রেমের গুঞ্জনে নয়া মোড় এলো বিধানসভা নির্বাচনের সময়ে। তৃণমূল সাংসদ নুসরাত সঙ্গে প্রেম করাকালীন সবাইকে চমকে দিয়ে আচমকাই বিজেপিতে যোগ দেন যশ। বিধানসভা ভোটে লড়াইও করেন। যদিও জিততে পারেননি। কিন্তু তাতে যুগলের সম্পর্কে কোনো আঁচ পড়েনি। নির্বাচনী প্রচারের মাঝে তারা ‘ডেট’-এও গিয়েছেন।

বেশ কয়েক দিন হলো যশ ও নুসরাত নিজেদের প্রেম কাহিনি সামনে আনতে শুরু করেছেন। নেটমাধ্যমে একে অপরের তোলা ছবি দেওয়া থেকে শুরু করে একই ছবি নিজেদের ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে দেওয়া থেকেই বোঝা যায় সময়ের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে লুকোছাপার জড়তা কেটেছে।

শুক্রবার (৪ জুন) নুসরাতের জীবনের সুখবর ছড়িয়ে পড়ে। জানা যায়, তিনি মা হতে চলেছেন। অভিনেত্রীর ঘনিষ্ঠমহলের খবর, এক মাসের অন্তঃসত্ত্বা তিনি। খবর ছড়িয়ে পড়ার পরে নুসরাত ইনস্টাগ্রামে লিখেছেন, ‘তুমি তোমার মতো করে প্রস্ফুটিত হবে’।

অভিনেত্রী এখনো এ বিষয়ে নিজে কিছু বলেননি। তবে তার ঘনিষ্ঠমহল থেকে জানা যাচ্ছে, যশ দাশগুপ্তের সঙ্গে জীবনের এই নতুন অধ্যায় শুরু করতে চলেছেন তিনি।

অন্য দিকে নিখিল জানিয়েছেন, এই সন্তানের জনক তিনি নন। তার কথায়, ‘‘এখন যে নতুন সঙ্গীর সঙ্গে ও আছে, তার সঙ্গেই ভালো থাক। ঈশ্বর ওদের মঙ্গল করুন।’’

মা হওয়ার খবর প্রকাশ পেতেই ফের সমালোচনার মুখে নুসরাত। নেটাগরিকদের একটাই প্রশ্ন, ‘সন্তানের বাবা কে’? নেতিবাচকতার মধ্যেও অসংখ্য শুভেচ্ছাবার্তায় ভরে গিয়েছে নেটমাধ্যম। অনাগত সন্তানের সুস্বাস্থ্য কামনা করছেন অনুরাগীরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আজিমপুর স্টাফ কোয়ার্টারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীর লাশ উদ্ধার

অনলাইন ডেস্ক : রাজধানীর আজিমপুর সরকারি স্টাফ কোয়ার্টারের একটি ভবন থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রীর লাশ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস।

নিহত ওই শিক্ষার্থীর নাম ইসরাত জাহান তৃপ্তি (২২)। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী ছিলেন।

রোববার সকাল ৭টার দিকে ইউনিট ২-এর ১৮ নম্বর ভবনের নিচতলার একটি কক্ষ থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।

ফায়ার সার্ভিসের পলাশী ব্যারাক ফায়ার স্টেশনের স্টেশন অফিসার মো. সাইফুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, আজিমপুর সরকারি স্টাফ কোয়ার্টার ইউনিট ২-এর ১৮ নম্বর ভবনের নিচতলায় একটি বাসায় সাবলেট ভাড়া থাকতেন তৃপ্তি। তার সঙ্গে আরও এক ছাত্রী থাকতেন। সকালে তার রুমমেট ঘুম থেকে উঠে বাথরুমের দরজা ভেতর থেকে লাগানো দেখতে পায়। তবে ভেতরে পানি পড়ছিল। খবর পেয়ে তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

সাইফুল ইসলাম আরও বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, অসুস্থতাজনিত কারণে তিনি বাথরুমের ভেতরে পড়ে মারা যেতে পারেন।

তবে ময়নাতদন্তের পর বিস্তারিত জানা যাবে বলে জানান তিনি।

জানা গেছে, ইসরাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। থাকতেন বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা হলের ৪২২ নম্বর কক্ষে। তবে হল বন্ধ থাকায় তিনি আজিমপুর সরকারি স্টাফ কোয়ার্টারে সাবলেট থাকতেন। তার বাড়ি নেত্রকোনা আটপাড়া উপজেলার। বাবার নাম আলতু মিয়া।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভাল কাজ করার জন্য কারও শয্যাসঙ্গিনী হবেন না পূজা

বিনোদন সংবাদ : গত ৪ জুন ‘হইচই’ প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পেয়েছে ‘পাপ’-এর দ্বিতীয় সিজন। তবে ইতিমধ্যেই কলকাতা ছেড়ে আরব সাগরের তীরে মায়ানগরীতে ফিরে গিয়েছেন অভিনেত্রী পূজা বন্দ্যোপাধ্যায়। গত মার্চে এই ওয়েব সিরিজের শ্যুটিংয়ের জন্য পুত্র কৃশিবকে নিয়ে দীর্ঘদিন পর শহরে ফিরেছিলেন তিনি। মা হওয়ার পর প্রথম কাজ। কেমন ছিল অতিমারিতে শ্যুটিংয়ের অভিজ্ঞতা? টলিউড কতটা বদলেছে তাঁর চোখে? মধ্যাহ্নভোজ সেরে মুম্বই থেকে আনন্দবাজারের সঙ্গে ফোনে আড্ডায় অভিনেত্রী করলেন বিস্ফোরক মন্তব্য।

অভিনেত্রী হিসেবে কাজের জন্য এত অডিশন দিয়েছেন। কাস্টিং কাউচের অভিজ্ঞতা হয়েছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে পূজা বলেন, হ্যাঁ। হয়েছে। একাধিকবার। তবে টলিউডে নয়। বলিউড এবং দক্ষিণী ইন্ডাস্ট্রিতে। কিন্তু আমি কখনওই কোনও অন্যায় আবদারকে প্রশ্রয় দিইনি। ভাল কাজ করার জন্য কারও শয্যাসঙ্গিনী হতে পারব না। এমন অনেককেই চিনি যাঁরা কাজ পাওয়ার আশায় ভুল পথে হেঁটেছেন। কিন্তু শেষমেশ কাজ না পেয়ে ‘মিটু’ অভিযোগ এনেছেন। মেয়েরা মুখ বুজে অন্যায় মেনে নেয় বলেই এই ধরনের শোষণ করার সাহস পায় কিছু মানুষ। প্রতিবাদ করতে শুরু করলেই ছবিটা কিছুটা হলেও বদলাবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তালা উপজেলা কৃষকদলের আহবায়ক কমিটি অনুমোদন

তালা উপজেলা কৃষকদলের আহবায়ক কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ৫ জুন ২০২১ তারিখে বাংলাদেশ কৃষকদল সাতক্ষীরা জেলা শাখার আহবায়ক মো: আহছানুল কাদির (স্বপন) ও সদস্য সচিব মো: শাহিনুর রহমান (শাহিন) স্বাক্ষরিত এক পত্রে জাহাঙ্গীর হোসেনকে আহবায়ক এবং ডা: মামুনর রহমান খাঁনকে সদস্য সচিব করে ৬৫ সদস্য বিশিষ্ট তালা উপজেলা কৃষকদলের আহবায়ক কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তৃণমূলের যুব ইউনিটের সভাপতি হলেন সায়নী ঘোষ

বিনোদন ডেস্ক : ভারতের পশ্চিমবঙ্গের যুব তৃণমূল সভাপতি হলেন চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন অভিনেত্রী সায়নী ঘোষ। অপরদিকে পদোন্নতি হয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তিনি যুব তৃণমূল সভাপতি থেকে সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন।

শনিবার (৫ জুন) পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল ভবনে দলের ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। তৃতীয়বারের মতো পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতায় আসার পর এটিই তৃণমূলের ওয়ার্কিং কমিটির প্রথম বৈঠক। এতে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা ব্যানার্জি।

জানা যায়, এবারের পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে আসানসোল দক্ষিণ কেন্দ্রে তৃণমূলের প্রার্থী ছিলেন সায়নী। কিন্তু বিজেপি প্রার্থী অগ্নিমিত্রা পালের কাছে হেরে যান তিনি। হারলেও তিনি নির্বাচনে ভালোই লড়াই করেছিলেন। তার এই লড়াই নজরে পড়ে তৃণমূল নেতাদের। ফলে তাকে যুব তৃণমূলের সভানেত্রী করা হয়।

এদিকে তৃণমূলের ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকে আরও সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এর মধ্যে দোলা সেনকে সর্বভারতীয় সভানেত্রী করা হয়। রাজ্য সভাপতি হন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়।

এছাড়া পশ্চিমবঙ্গের মহিলা তৃণমূল কংগ্রেসের নেত্রী হয়েছেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার। কৃষক সংগঠনের সভাপতি হয়েছেন পুর্ণেন্দু বসু।

বৈঠকে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা দুর্নীতির বিরুদ্ধে কড়া বার্তা দেন। তিনি দলের নেতাকর্মীদের হুঁশিয়ারি করে বলেন, কোনো অবস্থায় দুর্নীতির সঙ্গে জড়ানো যাবে না। মানুষের কাছাকাছি থাকতে লালবাতিওয়ালা গাড়ির ব্যবহার কমাতে হবে। সরকার ও দলের সমন্বয় বাড়াতে হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest