সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরার সাংবাদিকপুত্র কাজী ফাইম আব্দুল্লাহর এইচএসসিতে গোল্ডেন এ-প্লাস অর্জনসাতক্ষীরায় নির্মাণাধীন ভবনের সাব-কন্টাক্টরের কাছে চাঁদা দাবি : থানায় অভিযোগতালায় আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা: সার সংকট, মাটি কাটা ও বালু উত্তোলন বন্ধে গুরুত্বারোপদেবহাটায় শিশুদের প্রারম্ভিক বিকাশে খেলাভিত্তিক সেশন পরিদর্শনসাতক্ষীরায় আবাসিক হোটেল-রেস্তোরাঁ – বেকারি ব্যবস্থাপনা বিষয়ক মতবিনিময়সাতক্ষীরায় মোজাম্মেল মিস্ত্রী হ%ত্যা মামলার দুই প্রধান আসামি সিলেটে গ্রেফতারশ্যামনগরে সুন্দরবনের বনদস্যু নির্মূলে মানববন্ধনএবিপার্টি সাতক্ষীরা সদর উপজেলার আহবায়ক কমিটির অনুমোদনসাতক্ষীরায় শিশু ধর্ষণ ও যৌন সহিংসতার প্রতিবাদে মানববন্ধনএডিসি রিপন বিশ্বাসের অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি দেওয়ার সিদ্ধান্ত সাতক্ষীরা আইনজীবী ফোরামের

ডেস্ক রিপোর্ট : স্থগিত থাকা প্রথম ধাপের ৩৭১টি ইউনিয়ন পরিষদ, ১১টি পৌরসভায় নির্বাচন ও লক্ষ্মীপুর-২ আসনে উপনির্বাচনের ভোটগ্রহণ করা হবে আগামী ২১ জুন।

বুধবার (২ জুন) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে ভোটের তারিখ ঘোষণা করেন নির্বাচন কমিশন সচিব মো. হুমায়ুন কবীর খোন্দকার।

সাতক্ষীরার যে ২১ টি ইউনিয়ন পরিষদে ২১ জুন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে সেগুলো হলো- তালা উপজেলার ধানদিয়া, তেঁতুলিয়া, তালা, ইসলামকাটী, মাগুরা, খেসরা, জালালপুর, খলিলনগর, নগরঘাটা, সরুলিয়া ও খলিষখালী এবং কলারোয়া উপজেলার কয়লা, হেলাতলা, জয়নগর, জালালাবাদ, লাঙ্গলঝাড়া, কেঁড়াগাছি, সোনাবাড়ীয়া, চন্দনপুর, দেয়াড়া ও যুগিখালী।

এর আগে ১১ এপ্রিল এসব নির্বাচনের ভোটগ্রহণের তারিখ নির্ধারণ ছিল। করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধির কারণে গত ১ এপ্রিল থেকে সব ধরনের নির্বাচন স্থগিত করে কমিশন।

গত ৩ মার্চ দেশের ১১টি পৌরসভা ও ৩৭১টি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে ইসি। একইসঙ্গে ফৌজদারি অপরাধে দণ্ডপ্রাপ্ত হয়ে সংসদ সদস্য পদ হারানো শহীদ ইসলাম পাপুলের লক্ষ্মীপুর-২ আসনের উপনির্বাচনের তফসিলও ঘোষণা করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
৪র্থ বারের মত কন্যা শিশুর জন্ম : সাতক্ষীরায় নবজাতককে হত্যার অভিযোগে মায়ের বিরুদ্ধে

নিজস্ব প্রতিনিধি :
৪র্থ বারের মত কন্যা শিশুর জন্ম হওয়ায় নিজের ৮ দিনের নবজাতক কন্যাকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে মায়ের বিরুদ্ধে। সাতক্ষীরার তালা উপজেলার খলিলনগর ইউনিয়নের রায়পুর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। এঘটনায় পুলিশ কন্যা নবজাতককে হত্যার সাথে জড়িত সন্দেহ মা শ্যামলী ঘোষকে (৩৫) আটক করে থানায় নিয়ে আসে।

মঙ্গলবার (১জুন )রাত সাড়ে ১০টার দিকে বাড়ির পার্শ্ববর্তী পুকুরে নবজাতকের লাশটি ভাসতে দেখে এলাকাবাসি পুলিশকে খবর দেয়। পরে তালা থানা পুলিশ গিয়ে পুকুর থেকে ওই নবজাতকের লাশ উদ্ধার করে। উদ্ধার করা নবজাতকের লাশটি ময়নাতদন্তের জন্যমর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।

স্থানীয় এলাকাবাসী জানায়, তালা উপজেলার খলিলনগর ইউনিয়নের রায়পুর গ্রামের মৃত বিষ্টু পদ ঘোষের ছেলে মানিক ঘোষের স্ত্রী শ্যামলী ঘোষ গত ২৫ মে (মঙ্গলবার) রাত আনু: ৯টার দিকে একটি কন্যা শিশু প্রসব করে। পরের দিন (২৬ মে) বুধবার থেকে তার স্বামী মানিক ঘোষ বাড়ির কাউকে কিছু না বলে নিরুদ্দেশ হয়। এরপর ৩১ মে সোমবার রাতে নিজ বাড়িতে ঘুমন্ত অবস্থায় মায়ের কাছ থেকে নবজাতক শিশুটিও হারিয়ে যায়।

পরের দিন মঙ্গলবার (১ জুন) সকালে বিষয়টি প্রচার হলে টনক নড়ে এলাকাবাসীর। পরিবারসহ গ্রামের লোকজন সম্ভাব্য সব জায়গায় শিশুটিকে ব্যাপক খোঁজা-খুঁজি শুরু করে এবং বিষয়টি প্রশাসনকেও অবগত করেন । এরপর রাত আনুমানিক সাড়ে ১০ টার দিকে বাড়ির পুকুরে শিশুটির লাশ ভাসতে দেখে থানা পুলিশে খবর দিলে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে।

শ্যামলীর পারিবারিক সূত্র জানায়,মানিক-শ্যামলী দম্পতির এর আগেও তিনটি কন্যা সন্তান রয়েছে। এবার তাদের কন্যা সন্তান হয়েছে। যেকারনে হত্যা করা হতে পারে নবজাতকটি।

তবে এলাকাবাসী ভিন্ন কথা। তাদের দাবী, ৪র্থ বারের মত মেয়ে শিশুর জন্ম হওয়ায় খুশী হতে পারেননি তিনি। তাই বাড়ী ছাড়া হয়েছিলেন। এখন মৃত্যুর সংবাদে বাড়ী ফেরা। তবে সর্বশেষ শ্যামলীকে জিজ্ঞাসাবাদে বেরিয়ে আসতে পারে গুরুত্বপূর্ণ অনেক তথ্য। ধারণা করা হচ্ছে সংসার টেকাতে তারা পরিকল্পিতভাবে শিশুটিকে হত্যা করে থাকতে পারে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য বিকাশ মন্ডল জানান, বিষয়টি দুঃখজনক। শিশুটি হারিয়ে যাওয়ারর খবরে তারা দিনব্যাপী ব্যাপক খোঁজাখুজি করেছিলেন। সর্বশেষ রাত সাড়ে ১০ টার দিকে বাড়ির পুকুরে তার লাশ ভাসতে দেখে পুলিশে খবর দিলে তারা লাশ উদ্ধার ও তার মাকে হত্যার সন্দেহে আটক করেছে ।

তালা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মেহেদী রাসেল বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মাকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। এরবাইরে এখন কিছু বলা যাবে না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে গৃহবধূকে ধর্ষণ : আজ হাইকোর্টের রায়

দেশের খবর : সিলেটের এমসি কলেজের ছাত্রাবাসে নববধূ ধর্ষণের ঘটনায় হাইকোর্টের জারি করা রুলের বিষয়ে রায়ের জন্য বুধবার দিন ধার্য রয়েছে। সে হিসেবে আজ রায় ঘোষণা করা হতে পারে বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার নওরোজ মো. রাসেল।

তিনি জানান, হাইকোর্টের বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মো. কামরুল হোসেন মোল্লার সমন্বয়ে গঠিত ভার্চুয়াল বেঞ্চে বুধবার (২ জুন) এ বিষয়ে রায় ঘোষণা করা হতে পারে।

মঙ্গলবার (১ জুন) সংশ্লিষ্ট বেঞ্চের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার নওরোজ মো. রাসেল বলেন, হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট বেঞ্চ থেকে জারি করা রুল ও তদন্ত প্রতিবেদনের ওপর গত মার্চে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। এরপর রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখেন হাইকোর্ট। তারই ধারাবাহিকতায় বিষয়টি রায়ের জন্য আসে। আমরা এখনও আদালতের কার্যতালিকা দেখিনি, তাই আগামীকালের (আজ) কার্যতালিকায় (কজলিস্টে) মামলাটি উঠলে এ বিষয়ে রায় ঘোষণা করা হতে পারে।

২০২০ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর কলেজ কর্তৃপক্ষের উদাসীনতার কারণে তাদের বিরুদ্ধে কেন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন আদালত। একইসঙ্গে ধর্ষণের ঘটনা অনুসন্ধানে সিলেটের নারী ও শিশুনির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক, মুখ্য মহানগর হাকিম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের সমন্বয়ে একটি যৌথ তদন্ত কমিটি গঠন করেন হাইকোর্ট।

চার সদস্যের অনুসন্ধান কমিটিতে সিলেটের জেলা ও দায়রা জজ মো. বজলুর রহমান, অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মমিনুন নেসা, চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. আবুল কাশেম ও সিলেটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) শারমিন সুলতানা ছিলেন। পরে এই অনুসন্ধান কমিটি হাইকোর্টে প্রতিবেদনও দাখিল করেন।

চার সদস্যের কমিটিতে ছিলেন সিলেটের জেলা ও দায়রা জজ মো. বজলুর রহমান, অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মমিনুন নেসা, চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. আবুল কাশেম ও সিলেটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) শারমিন সুলতানা।

প্রতিবেদনে বলা হয়, সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে গণধর্ষণের পেছনে মূলত হোস্টেল সুপার ও প্রহরীদের দায়িত্বে অবহেলা ছিল। প্রতিষ্ঠানের প্রধান হিসেবে ওই কলেজের অধ্যক্ষও কোনোভাবে ওই ঘটনার দায় এড়াতে পারেন না।

চলতি বছরের ২৫ জানুয়ারি হাইকোর্ট থেকে প্রকাশ পাওয়া আলোচিত এমসি কলেজে তরুণী ধর্ষণের ঘটনায় কলেজ কর্তৃপক্ষসহ সংশ্লিষ্টদের অবহেলা ও দায় অনুসন্ধানে গঠিত কমিটির প্রতিবেদনের সুপারিশ অংশে মতামতে এসব কথা বলা হয়।

গত বছরের ২৫ সেপ্টেম্বর রাতে এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে গণধর্ষণের শিকার হন স্বামীর সঙ্গে ঘুরতে যাওয়া এক গৃহবধূ। এরপর পুলিশ ধর্ষণের শিকার ওই নারীকে উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।

সেখানে ওসিসিতে তিনদিন চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরে যান তিনি। ওই রাতেই ধর্ষণের শিকার গৃহবধূর স্বামী বাদী হয়ে মহানগরের শাহপরান থানায় ছয় ছাত্রলীগকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা করেন।

এ ঘটনার পর সিলেটসহ সারাদেশে তোলপাড় শুরু হলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আসামিদের ধরতে বিভিন্ন স্থানে অভিযানে চালায়। র‌্যাব-৯ ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা থাকায় চারজনকে গ্রেফতার করে। এছাড়া সিলেট জেলা পুলিশ দুজনকে, সুনামগগঞ্জ ও হবিগঞ্জ পুলিশ দুজনকে গ্রেফতার করে।

গ্রেফতারের পর আট আসামিকে পর্যায়ক্রমে পাঁচদিন করে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ। রিমান্ড শেষে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন তারা। জবানবন্দিতে প্রধান আসামি সাইফুর, তারেক, রনি ও অর্জুন ধর্ষণের কথা স্বীকার করেন।

রবিউল ও মাহফুজুর ধর্ষণে সহায়তা করার কথা স্বীকার করেন। সন্দেহভাজন আসামি মিসবাউর রাজন ও আইনুলও জবানবন্দি দেন। এছাড়া গত বছরের ২৯ নভেম্বর আসামিদের ডিএনএ প্রতিবেদন হাতে পান তদন্ত কর্মকর্তা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
১১ দেশ থেকে বাংলাদেশে যাত্রী প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আরোপ

অনলাইন ডেস্ক : মালয়েশিয়া, বাহরাইন, নেপালসহ বেশ কয়েকটি দেশে নতুন করে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ-বেবিচক। এর সঙ্গে আগে থেকেই নিষেধাজ্ঞা রয়েছে এমন কয়েকটি বাদ দিয়ে নতুন কয়েকটি দেশ যুক্ত করে মোট ১১টি দেশের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার নতুন তালিকা প্রকাশ করেছে বেবিচক। বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) মঙ্গলবার এ বিষয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে।

নিষেধাজ্ঞার অন্তর্ভুক্ত দেশগুলোর সঙ্গে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বন্ধ থাকবে, যা কার্যকর হবে ৪ জুন থেকে। এমনকি কোনো ট্রানজিট যাত্রীও আসা-যাওয়া করতে পারবে না। তবে এসব দেশে কোনো বাংলাদেশি প্রবাসী নাগরিক বা ভ্রমণকারী ১৫ দিনের মধ্যে গিয়ে থাকলে, বিশেষ অনুমতি সাপেক্ষে দেশে ফিরতে পারবেন।

এ ছাড়া ইরান, ওমানসহ আগের তালিকায় নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়েছে কয়েকটি দেশের ওপর থেকে।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণরোধে যে ১১ দেশ থেকে বাংলাদেশে যাত্রী প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে সেসব দেশ হচ্ছে—আর্জেন্টিনা, বাহরাইন, বলিভিয়া, ব্রাজিল, ভারত, মালয়েশিয়া, মালদ্বীপ, নেপাল, প্যারাগুয়ে, ত্রিনিদাদ অ্যান্ড টোবাগো ও উরুগুয়ে।

বেবিচকের ফ্লাইট স্ট্যান্ডার্ড অ্যান্ড রেগুলেশন্স বিভাগের সদস্য গ্রুপ ক্যাপ্টেন চৌধুরী এম জিয়া উল কবির স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে নিষেধাজ্ঞাভুক্ত ১১ দেশ ‘গ্রুপ-এ’ ক্যাটাগরির অন্তর্ভুক্ত উল্লেখ করে বলা হয়েছে, এসব দেশ থেকে কোনো যাত্রী বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারবে না। এমনকি বাংলাদেশ থেকে এসব দেশে কেউ যেতেও পারবে না। তবে দেশগুলোতে অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশি বা সফরকারীরা সংশ্লিষ্ট দেশের যথাযথ কর্তৃপক্ষের বিশেষ অনুমতি নিয়ে আসতে পারবে। সে ক্ষেত্রে তাদের বাংলাদেশে এসে ১৪ দিনের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনের জন্য নিজ খরচে সরকার নির্ধারিত হোটেল বুকিং করতে হবে।

এ ছাড়া প্রজ্ঞাপনে আরও আটটি দেশকে ‘গ্রুপ-বি’ ক্যাটাগরিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এই ক্যাটাগরির দেশগুলো থেকে বাংলাদেশে আসা যাত্রীদের জন্য কিছু বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। দেশগুলো হচ্ছে—বেলজিয়াম, চিলি, কলম্বিয়া, কোস্টারিকা, ডেনমার্ক, গ্রিস, কুয়েত ও ওমান।

এ ছাড়া বেবিচক জানিয়েছে, কুয়েত ও ওমান থেকে আসা প্রবাসীদের দেশে ফিরে সরকারি প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিন সেন্টারে তিন দিন থাকতে হবে। তিন দিন পর তাদের করোনা পরীক্ষা করানো হবে। পরীক্ষার ফল নেগেটিভ এলেও তাদের ১১ দিনের হোম কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে।

আর, ‘গ্রুপ-বি’ ক্যাটাগরির বাকি ছয় দেশ থেকে এলে যাত্রীদের ১৪ দিনের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনের জন্য নিজ খরচে সরকার নির্ধারিত হোটেল বুকিং করতে হবে। তবে বাংলাদেশ থেকে যারা এই আটটি দেশে যাবে, তাদের জন্য কোনো বিধিনিষেধ দেয়নি বেবিচক।

এ ছাড়া ‘গ্রুপ-এ’ ও ‘গ্রুপ-বি’-এর অন্তর্ভুক্ত ১৯ দেশ ছাড়া অন্যান্য দেশ থেকে আসা যাত্রীদের ১৪ দিনের হোম কোয়ারেন্টিনে থাকার নির্দেশনা দিয়েছে বেবিচক।

এ ছাড়া বাংলাদেশে আসতে ইচ্ছুক সবাইকে যাত্রা শুরুর ৭২ ঘণ্টা আগে করোনা পরীক্ষা করিয়ে নেগেটিভ রিপোর্ট নিয়ে দেশে ফিরতে হবে। তবে, ১০ বছরের নিচের শিশুদের কোভিড সনদ দেখাতে হবে না।

এর আগে নভেল করোনাভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে দেশে চলমান বিধিনিষেধের সঙ্গে সমন্বয় করে আন্তর্জাতিক রুটের নিয়মিত ফ্লাইট ৫ মে পর্যন্ত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল বেবিচক। এরই মধ্যে গত ১ মে থেকে ৩৮ দেশের সঙ্গে ফ্লাইট চলাচল সীমিত রেখে অন্যান্য দেশের সঙ্গে ফ্লাইট চলাচল স্বাভাবিক রাখা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা জেলা হিন্দু ছাত্র মহাজোটের কমিটি ঘোষণা
প্রেস বিজ্ঞপ্তি: বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু ছাত্রমহাজোট সাতক্ষীরা জেলা শাখার কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। ৩১ মে সোমবার কেন্দ্রীয় কমিটির সাভাপতি সাজেন কৃষ্ণ বল, প্রধান   সমন্য়য়কারী ধ্রুব বারুরী ও সাধারণ সম্পাদক সজীব কুন্ডূ তপু স্বাক্ষরিত মিলন কুমার বিশ্বাস কে সভাপতি এবং অভিজিৎ অধিকারীকে সাধারণ সম্পাদক করে ২ বছর এর জন্য ১০৩ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি ঘোষণা দেন। এছাড়া নির্বাহী সভাপতি পবিত্র মিত্র, সিনিয়র সহ-সভাপতি মিলন সরকার,সিনিয়র যুগ্ন সম্পাদক মোহন বিশ্বাস, সাংগঠনিক সম্পাদক জয়দেব রায়,অর্থ সম্পাদক সুমন বিশ্বাস, , দপ্তর সম্পাদক রামকৃষ্ণ বিশ্বাস,প্রচার সম্পাদক দিলিপ বর্মণ, মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা মৌ ঘোষ নির্বাচিত হন।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
৫০০ নারীকে ভারতে পাচার করেছে ‘বস’ রাফি ও ‘ম্যাডাম’ সাহিদা

দেশের খবর : প্রতারণার ফাঁদে ফেলে ভারতে নারী পাচার চক্রের ‘মূল হোতা’ ঝিনাইদহের আশরাফুল ইসলাম ওরফে বস রাফিসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)। ঝিনাইদহ ও যশোরের অভয়নগর ও বেনাপোল এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। অন্য তিনজন হলেন, যশোরের সাহিদা বেগম ওরফে ম্যাডাম সাহিদা, ইসমাইল সরদার ও আবদুর রহমান শেখ।

মঙ্গলবার (১ জুন) রাজধানীর কারওয়ানবাজারে র‍্যাবের মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ভারতে নারী পাচার চক্রের মূল হোতা আশরাফুল ইসলাম আট বছর ধরে ভারতে যাতায়াত করতেন। আর পাঁচ বছর ধরে ভারতে নারী পাচার করে আসছিলেন। জিজ্ঞাসাবাদে আশরাফুল ইসলাম স্বীকার করেন, তিনি গত পাঁচ বছরে পাঁচ শতাধিক নারীকে বিভিন্নভাবে ভারতে পাচার করেছেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা এ ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। প্রতারণার ফাঁদ পেতে তরুণীদের পাশের দেশ ভারতে পাচার করত এই চক্র। দেশি-বিদেশি ৫০ জন সংঘবদ্ধভাবে এই চক্রের সঙ্গে জড়িত।

খন্দকার আল মঈন বলেন, বেশ কয়েকটি ধাপে নারী পাচারের কাজ করতো চক্রটি। ভিকটিমদের বৈধ বা অবৈধ উভয় পথেই সীমান্ত অতিক্রম করানো হতো। তারা কয়েকটি ধাপে পাচার করতো। প্রথমত, ভিকটিমদের তারা দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে সীমান্তবর্তী জেলা, যেমন- যশোর, সাতক্ষীরা, ঝিনাইদহ নিয়ে আসতো। এরপর ভিকটিমকে সীমান্তবর্তী বিভিন্ন সেফ হাউজে নিয়ে রাখা হতো। সেখান থেকে সুবিধাজনক সময়ে লাইনম্যানের মাধ্যমে অরক্ষিত এলাকা দিয়ে সীমান্ত অতিক্রম করানো হতো। পার্শ্ববর্তী দেশের এজেন্টরা তাদের সীমান্ত নিকটবর্তী সেফ হাউজে রাখতো। সুবিধাজনক সময়ে কলকাতার সেফ হাউজে প্রেরণ করা হতো। কলকাতা থেকে দক্ষিণাঞ্চলের বেঙ্গালুরু পাঠানো হতো তাদের। বেঙ্গালুরু পৌঁছানোর পর গ্রেফতারকৃত বস রাফি তাদের বিভিন্ন সেফ হাউজে রাখতো। এরপর ব্ল্যাকমেইল ও মাদকাসক্তে অভ্যস্ত ও অমানবিক নির্যাতনের মাধ্যমে যৌন ব্যবসায় বাধ্য করা হতো। সেফ হাউজগুলো থেকে তাদের ১০/১৫ দিনের জন্য বিভিন্ন খদ্দেরের কাছে পাঠানো হতো। এক্ষেত্রে পরিবহন ও খদ্দেরের নির্ধারিত স্থানে অবস্থানের জন্য বিশেষ নিরাপত্তা নেওয়া হতো।

কমান্ডার খন্দকার আল মঈন জানান, গ্রেপ্তারকৃত রাফি একসময় এ ধরনের পরিবহনের কাজে নিয়োজিত ছিল। রাফি তামিল ভাষা রপ্ত করেছিল। ফলে এ ক্ষেত্রে ভাষাগত দক্ষতা ব্যাপক ভূমিকা রাখে। একপর্যায়ে সে লিডার হয়ে যায়। পার্শ্ববর্তী দেশের এজেন্ট তাকে খদ্দেরপ্রতি ১০-১৫ হাজার টাকা কমিশন দিতো।

বস রাফির শিক্ষাগত যোগ্যতা অষ্টম শ্রেণি। ৮ বছর আগে থেকে ভারতের দক্ষিণাঞ্চলে তার যাতায়াত শুরু হয়। সে সেখানে ট্যাক্সি ড্রাইভার, রিসোর্ট কর্মচারী হিসেবে ও কাপড়ের ব্যবসা করতো। ৫ বছর ধরে সে নারী পাচারে জড়িত। দুই বছর আগে টিকটক হৃদয়ের সঙ্গে তার পরিচয়। টিকটক হৃদয়ের মাধ্যমে অর্ধশতাধিক তরুণীকে পার্শ্ববর্তী দেশে পাচার করেছে বস রাফি। টিকটক হৃদয় ছাড়াও তার অন্যান্য এজেন্ট রয়েছে।

সম্প্রতি ভারতে এক তরুণীকে যৌন নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল হয়। ওই তরুণীকে ভারতে পাচার করে টিকটক হৃদয়। বস রাফি তাকে গত বছরের অক্টোবরে বেঙ্গালুরে নিয়ে সবুজের বাড়ির সেফ হাউজে রাখে। সেখানেই ভিডিওটি ধারণ করা হয় বলে জানা যায়। বেঙ্গালুরে বস রাফির বেশ কয়েকটি সেফ হাউজ রয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে তার সেফ হাউজ রয়েছে। এরমধ্যে ম্যাডাম সাহিদার সেফ হাউজ অন্যতম।

বস রাফির অন্যতম নারী সহযোগী ম্যাডাম সাহিদা। তার তিনবার বিয়ে হয়েছিল। সে এবং তার দুই মেয়ে সোনিয়া ও তানিয়া বর্ণিত পাচার চক্রের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও সক্রিয়ভাবে জড়িত। সোনিয়া ও তানিয়া বর্তমানে বেঙ্গালুরে অবস্থান করছে বলে গ্রেফতারকৃত সাহিদা জানায়। ভাইরালকৃত ভিডিওতে তানিয়াকে সহযোগী হিসেবে দেখা গিয়েছে। সাহিদা বাংলাদেশ এলাকায় একটি সেফ হাউজ পরিচালনা করছে। সে এই ব্যবসায় ১০ বছর ধরে জড়িত। এছাড়া গ্রেফতারকৃত ইসমাইল ও আব্দুর রহমান শেখ বস রাফির বিশেষ সহযোগী হিসেবে পাচার তদারকি করে থাকে। তারাও নারী পাচারের সঙ্গে জড়িত।

সাম্প্রতিক সময়ে ভারতের কর্ণাটক রাজ্যের রাজধানী বেঙ্গালুরুতে বাংলাদেশের এক তরুণীকে বিবস্ত্র করে পৈশাচিক কায়দায় নির্যাতনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ওই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ভারতের বেঙ্গালুরু পুলিশ রিফাজুল ইসলাম বাবু ওরফে টিকটক বাবু ওরফে হৃদয় বাবু, সাগর, মোহাম্মদ বাবা শেখ ও দুই নারীসহ মোট ৬ জনকে গ্রেপ্তার করে। ইতোমধ্যে ভুক্তভোগী তরুণীর বাবা ২৭ মে রাতে রাজধানীর হাতিরঝিল থানায় মানবপাচার আইন ও পর্নোগ্রাফি অ্যাক্টে একটি মামলা করেন। ওই মামলায় টিকটিক বাবুসহ অজ্ঞাত আরও ৪ জনকে আসামি করা হয়। উক্ত ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে আরও কয়েকটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে র‌্যাব উক্ত ঘটনা ছায়াতদন্ত শুরু এবং জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

অনলাইন ডেস্ক : একাদশ জাতীয় সংসদের ত্রয়োদশ (বাজেট) অধিবেশন আগামিকাল আজ বুধবার বিকাল ৫টায় শুরু হচ্ছে।
রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ সংবিধানে প্রদত্ত ক্ষমতা অনুযায়ী এ অধিবেশন আহ্বান করেছেন।

ত্রয়োদশ অধিবেশনের দ্বিতীয় কার্য দিবসে আগামীকাল বৃহস্পতিবার সংসদে ২০২১-২০২২ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাব পেশ করা হবে। ওই দিন বিকেল ৩টায় অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তাফা কামাল তাঁর দায়িত্বকালের তৃতীয় বাজেট, আওয়ামী লীগ সরকারের ২১তম এবং বাংলাদেশের ৫০তম বাজেট উপস্থাপন করবেন। আর, এটি হবে বৈশ্বিক মহামারি করোনাকালীন দ্বিতীয় বাজেট অধিবেশন।

এর আগে গত বছর ১০ জুন করোনা মহামারির মধ্যে চলতি অর্থবছরের বাজেট অধিবেশন শুরু হয়। এরপর ১১ জুন ২০২০-২০২১ অর্থ বছরের বাজেট পেশ করা হয়।

এদিকে সংসদ সচিবালয় থেকে বাজট অধিবেশনের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। করোনা মহামারির এই সময়ে এবারও বাজেট অধিবেশনের মেয়াদ স্বল্প সময়ের হওয়ার কথা রয়েছে। আজ থেকে শুরু হয়ে মুলতবি দিয়ে দিয়ে ৩ জুলাই অধিবেশন শেষ হতে পারে। আর, সংক্ষিপ্ত আলোচনার পর বাজেট নিয়ম অনুযায়ী ৩০ জুনের মধ্যে পাস করা হবে। এবার বাজেটের আকার হতে পারে ছয় লাখ কোটি টাকার বেশি।

চলতি (২০২০-২০২১) অর্থ বছরের বাজেট ছিল পাঁচ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার। আর স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম বাজেট অর্থাৎ ১৯৭২-৭৩ সালে বাজেটের আকার ছিল ৭৮৬ কোটি টাকা। দেশের প্রথম বাজেট উত্থাপন করেছিলেন তাজউদ্দীন আহমেদ।

এদিকে চলতি অর্থবছরে পাঁচ লাখ ৬৮ হাজার বাজেট ঘোষণা হয়েছিল গত বছরের ১১ জুন। এর পর মাত্র ৯ দিনের বাজেট আলোচনা শেষে তা পাস করা হয়। এটি ছিল বাংলাদেশের ইতিহাসে সংক্ষিপ্ততম বাজেট অধিবেশন। এবারও করোনা পরিস্থিতির কারণে অল্প দিনে আলোচনা শেষ করে বাজেট পাস হবে।

করোনা মহামারির মধ্যে এবারও কঠোর স্বাস্থ্য বিধি বিধান মেনে বাজেট অধিবেশন চালানো হবে। সংক্ষিপ্ত সময়ে শেষ হবে বাজেট অধিবেশন। বিরতি দিয়ে এ অধিবেশন ১০ থেকে ১৩ কার্য দিবস চলতে পারে।

এদিকে চলতি সংসদের দ্বাদশ অধিবেশনের শেষ কার্যদিবস, ৪ এপ্রিল, মারা যান ঢাকা-১৪ আসনের সংসদ সদস্য আসলামুল হক। ফলে আজ ত্রয়োদশ অধিবেশনের প্রথম দিন প্রয়াত সংসদ সদস্যের ওপর আনা শোক প্রস্তাবের আলোচনা শেষে অধিবেশনের মুলতবি ঘোষণা করার কথা রয়েছে।

এ ছাড়া বাজেট পেশের পর ৪ ও ৫ জুন সাপ্তাহিক ছুটি শেষে ৬ জুন রোববারের কার্য দিবসে সংসদে ২০২০-২০২১ অর্থ বছরের সম্পূরক বাজেটের ওপর আলোচনা শুরু হবে। সম্পূরক বাজেটের ওপর আলোচনা শেষে ৭ জুন সম্পূরক বাজেট পাস করার কথা রয়েছে। এরপর বিরতি দিয়ে প্রস্তাবিত ২০২১-২০২২ অর্থ বছরের ওপর আলোচনা শুরু করা হবে। আর তা ৩০ জুন বুধবার পাস হতে পারে।

করোনা পরিস্থিতির কারণে সংসদ সদস্য, মন্ত্রী, সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের এবারও কোভিড টেস্টের নেগেটিভ সনদ নিয়ে সংসদ সচিবালয়ে প্রবেশ করতে হবে। প্রতি ৭২ ঘণ্টা পর পুনরায় নেগেটিভ সনদ মিললেই সংসদ সদস্যেরা কেবল অধিবেশনে যোগদান করতে পারবেন। যাঁরা ভ্যাকসিন নিয়েছেন, তাঁদেরও কোভিড নেগেটিভ সনদ লাগবে।

সংসদ সচিবালয় থেকে জানা গেছে প্রতিদিন ১১০ থেকে ১২০ জন সংসদ সদস্যকে অধিবেশনে অংশ নেওয়ার আমন্ত্রণ জানানো হবে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে নিরাপদ দূরত্বে বসে সংসদ অধিবেশন চলবে।

এবারও গণমাধ্যমকর্মীদের সংসদ বাংলাদেশ টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচার থেকে সংসদ অধিবেশন কাভার করতে হবে। তবে বাজেট পেশের দিন এবং অধিবেশন শেষ হওয়ার দিন সংসদে সাংবাদিক লাউঞ্জে প্রবেশের সুযোগ থাকতে পারে। তবে, সে ক্ষেত্রে করোনা নেগেটিভ সনদ লাগবে। এজন্য গতকাল মঙ্গলবার থেকে সংসদ মেডিকেল সেন্টারের পরিচালনায় কোভিড টেস্ট শুরু হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আশিক আসলে কে!

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগের নবগঠিত কমিটির সভাপতি এস এম আশিকুর রহমান তৃণমূল থেকে ওঠে আসা একজন বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক। যিনি কখনও ধূমপানও করেননি। দেশের প্রথম শ্রেণির একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিবিএ সম্পন্ন করার পর দেশসেরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আইবিএ থেকে শর্ট কোর্স করেছেন তিনি। বর্তমানে তিনি একটি কলেজে আইনে পড়ছেন। সাতক্ষীরার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র শান্ত-শিষ্ট স্বভাবের আশিক ২০০৭ সালে ওয়ার্ড ছাত্রলীগে যোগদানের মাধ্যমে রাজনৈতিক পথচলা শুরু করেন।
সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ভোমরা ইউনিয়নের পদ্মশাখরা গ্রামের একটি সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে তার জন্ম।
দাদা মরহুম আলহাজ¦ আমজাদ হোসেন ছিলেন উপজেলা শিক্ষা অফিসার। পিতা মিজানুর রহমান বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত আছেন।
তার ছোট মামা মাহমুদুল আলম(লাভলু বিশ^াস) দেবহাটা উপজেলার নওয়াপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
বাল্যকাল থেকেই মেধাবী ও নেতৃত্বগুণ সম্পন্ন ছিলেন আশিক। সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে কৃতিত্বের সাথে এস এস সি পাশ করেন। পরে সাতক্ষীরা সিটি কলেজ থেকে এইচ এস সি পাশ করেন এবং আই ইউ বি থেকে বিবিএ পাশ করেন। বর্তমানে সাতক্ষীরা ল কলেজে লেখাপড়া করছেন।

২০০৭ সালে সাতক্ষীরা পৌর ২নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের রাজনীতিতে যোগদানের মাধ্যমে ছাত্ররাজনীতিতে প্রবেশ করেন আশিক। এরপর সাতক্ষীরা পৌর ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং সুজন-অয়ন কমিটির নেতৃত্বে সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি হিসেবে সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন।

২০১৮ সাল ছিল সাতক্ষীরায় ছাত্রলীগের রাজনীতিতে একটি কলংকিত অধ্যায়। ছাত্রলীগের তৎকালীন সাধারণ সম্পাদকসহ কয়েকজন নেতাকর্মীর কারণে ছাত্রলীগের সুনাম নষ্ট হলেও এদীর্ঘ ছাত্ররাজনৈতিক জীবনে আশিকের চরিত্রে কোন ধরনের দাগ লাগেনি। জেলা ছাত্রলীগের গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকেও সব সময় অত্যন্ত শান্ত-শিষ্ট ও ভদ্র স্বভাবের একেবারে তৃণমূল থেকে উঠে আসা ছাত্রনেতা তিনি।
বিগত ২০১৩ সালে অত্যন্ত খারাপ সময় অতিবাহিত করেছে সাতক্ষীরা। এসময় জামায়াত-বিএনপির নেতাকর্মীরা নাশকতা মূলক কর্মকান্ড পরিচালনা করে জেলাকে বিচ্ছিন্ন করার চেষ্টা করেছিল। তাদের সকল প্রকার নাশকতা মূলক কর্মকান্ড প্রতিহত করতে রাজ পথে থেকেছেন। সকল বাধা বিপত্তি উপেক্ষা করে কাজ করেছেন নিরবে নিভৃতে।

এছাড়া ২০২০ সালের করোনা মহামারিতে সারা বিশ্ব আতংকিত ও দিশেহারা হয়ে় পড়ে। এই মহামারিতেও ভয়কে জয় করে বিনামূল্যে মাস্ক বিতরণ, হ্যান্ড স্যানিটাইজার, খাদ্য বিতরণসহ মানুষের পাশে থেকেছেন। নেতাকর্মীদের অসুস্থ্যতায় ছুটে চলেছেন অবিরত।
ছাত্রলীগের একাধিক নেতাকর্মীরা বলছেন, সাতক্ষীরা জেলার নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য যে কয়জন পদ প্রত্যাশী ছিলেন তাদের মধ্যে আশিকই সবচেয়ে যোগ্য নেতৃত্বগুণ সম্পন্ন নেতা। এ জেলায় আশিকের নেতৃত্বে ছাত্রলীগের কমিটি দিয়ে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ অত্যন্ত বিচক্ষণতার পরিচয় দিয়েছেন বলে অনেকেই মন্তব্য করেছেন।
সাতক্ষীরা ছাত্রলীগের পুরাতন গৌরব ফিরিয়ে় আনতে আশিকের নেতৃত্বাধীন ছাত্রলীগ কর্মীরা কাজ করবেন এমনটায় প্রত্যাশা সকলের।

কারো সাথে উচ্চস্বরে কথা বলেছেন এমনটির প্রমাণও নেই। দলীয় পদে আসীন হওয়ায় একটি মহল তাকে নিয়ে গভীর চক্রান্তে লিপ্ত রয়েছেন। মিথ্যা দিয়ে সত্যকে আড়াল করা যায় না। ভূয়া বিয়ের কাগজপত্র সৃষ্টি করে আশিককে বিবাহিত দেখানোর চক্রান্ত করছে একটি স্বার্থানেষ্বী মহল। সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতৃবৃন্দের ধারণা এই মহলটি স্বাধীনতাবিরোধী চক্র ও তাদের দোসর যুদ্ধাপরাধীদের কাছ আর্থিক সুবিধা নিয়ে আশিকের মত নীতি ও আদর্শগতভাবে দৃঢ় নৈতিক চরিত্রের ছাত্র নেতার বিরুদ্ধে কুৎসা রটনা করছে। এভাবে কখনোই একজন পরিচ্ছন্ন ব্যক্তির চরিত্র হনন করা যায় না। অচিরেই ষড়যন্ত্রকারীদের মুখোশ উন্মোচিত হবে এবং সাতক্ষীরায় ছাত্রলীগের সুনাম ফিরিয়ে আনার সংগ্রামে আশিক অগ্রণী ভূমিকা রাখবে। আশিকের নেতৃত্বাধীন কমিটির সাথে সকলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে় বঙ্গবন্ধুর আদর্শের ঐতিহ্যবাহী সংগঠনের গৌরব ফিরিয়ে় আনবে বলে মনে করেন সাবেক ছাত্রনেতারা।

০১.০৬.২০২১

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest