সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরার সাংবাদিকপুত্র কাজী ফাইম আব্দুল্লাহর এইচএসসিতে গোল্ডেন এ-প্লাস অর্জনসাতক্ষীরায় নির্মাণাধীন ভবনের সাব-কন্টাক্টরের কাছে চাঁদা দাবি : থানায় অভিযোগতালায় আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা: সার সংকট, মাটি কাটা ও বালু উত্তোলন বন্ধে গুরুত্বারোপদেবহাটায় শিশুদের প্রারম্ভিক বিকাশে খেলাভিত্তিক সেশন পরিদর্শনসাতক্ষীরায় আবাসিক হোটেল-রেস্তোরাঁ – বেকারি ব্যবস্থাপনা বিষয়ক মতবিনিময়সাতক্ষীরায় মোজাম্মেল মিস্ত্রী হ%ত্যা মামলার দুই প্রধান আসামি সিলেটে গ্রেফতারশ্যামনগরে সুন্দরবনের বনদস্যু নির্মূলে মানববন্ধনএবিপার্টি সাতক্ষীরা সদর উপজেলার আহবায়ক কমিটির অনুমোদনসাতক্ষীরায় শিশু ধর্ষণ ও যৌন সহিংসতার প্রতিবাদে মানববন্ধনএডিসি রিপন বিশ্বাসের অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি দেওয়ার সিদ্ধান্ত সাতক্ষীরা আইনজীবী ফোরামের

দেশে ভারতীয় ভ্যারিয়েন্টসহ ১৪০টি ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত

দেশের খবর : দেশে করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ চলছে। গত কয়েক মাস ধরে করোনার নমুনা পরীক্ষা অনুযায়ী শনাক্তের হার ১০ দশমিক ১১ শতাংশের ওপরে থাকছে। আর শনাক্তের সংখ্যা দৈনিক হাজারের ওপরে। এমতাবস্থায় করোনাভাইরাসের ভ্যারিয়েন্ট (ধরন) নিয়ে নতুন তথ্য দিয়েছে সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর)।

রোববার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে আইইডিসিআর- এর পরিচালক অধ্যাপক ডা. তাহমিনা শিরীন গণমাধ্যমকে বলেন, দেশে নতুন নতুন করোনাভাইরাসের ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হচ্ছে। দেশে এ যাবৎ ২৬৩টি সিকোয়েন্স করা হয়েছে। তার মধ্যে এখন পর্যন্ত ২৭টি ইউকে ভ্যারিয়েন্ট, ৮৫টি সাউথ আফ্রিকান ভ্যারিয়েন্ট, পাঁচটি নাইজেরিয়ান ভ্যারিয়েন্ট এবং ২৩টি ইন্ডিয়ার ভ্যারিয়েন্ট মিলেছে।

তবে এই ভ্যারিয়েন্ট নতুন কোনো বিষয় না মন্তব্য করে তিনি বলেন, যত রোগী শনাক্ত হবে, সংক্রমণ হবে, নতুন নতুন ভ্যারিয়েন্ট পাওয়া যাবে। সুতরাং ভ্যারিয়েন্ট যা-ই হোক না কেন, আমাদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। যার যখন সময় আসবে, তাকে টিকা নিতে হবে। এভাবে আমরা সংক্রমণ কমাতে পারব। করোনা মহামারি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারব।

তিনি আরও বলেন, এটা আমের মৌসুম। আম পচনশীলও। অনেক পরিবার আমের বাণিজ্যের ওপর নির্ভরশীল। তাই এই মৌসুমে আম কেনা-বেচা করতে হবে। সেক্ষেত্রে পরামর্শ থাকবে, স্বাস্থ্যবিধি মেনে বাগান থেকে আম কেনা-বেচা নিশ্চিত করতে হবে। বাজারজাত করার ক্ষেত্রে স্বল্প পরিসরে খোলা জায়গায় বিক্রি করতে হবে। অনলাইন শপিংয়ে মাধ্যমে আম কেনা-বেচা নিশ্চিত করতে হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ডাকযোগে বাংলাদেশে আসে এলএসডি, নজরদারিতে ৩ সিন্ডিকেট

অনলাইন ডেস্ক : হ্যালুসিনেশন সৃষ্টিকারী মাদক লাইসার্জিক অ্যাসিড ডাইথ্যালামাইড বা এলএসডি। গত প্রায় চার বছর ধরে মাদকটি ডাকযোগে নেদারল্যান্ডস থেকে বাংলাদেশে এনে বিক্রি হচ্ছে।

নকশা করা কাগজে বা ব্লটিং পেপারে মিশিয়ে সেগুলো বই বা ম্যাগাজিনের ভিতরে রেখে সেগুলো বহন করত মাদক পাচারকারী সিন্ডিকেট। সেগুলো দেখলে ডাক বিভাগের স্টাম্প অথবা নকশা করা কাগজ বলে মনে হয়।

বাংলাদেশে এলএসডি বিক্রির সঙ্গে জড়িত এমন অন্তত তিনটি সিন্ডিকেট রয়েছে। পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের কর্মকর্তারা এসব তথ্য জানান। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হাফিজুর রহমানের মৃত্যুর তদন্ত করতে গিয়ে তারা এসব তথ্য পেয়েছেন।

হাফিজুরের এক বন্ধু জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশকে বলেন, গত ১৫ মে হাফিজুর এলএসডি নেওয়ার পর দা দিয়ে নিজেই নিজের গলা কেটে ফেলে।

গত বুধবার রাতে রাঝধানীর ধানমন্ডি ও লালমাটিয়া এলাকা থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা এলএসডির ২০০ ব্লটিং পেপার এবং বিক্রয় চক্রের তিন সদস্যকে আটক করেছে। আটক তিন শিক্ষার্থী হলেন, সাদমান সাকিব রুপল, অসহাব ওয়াদুদ তূর্য ও আদিব আশরাফ। তারা তিন জনই এখন কারাগারে আছেন।

পুলিশ জানিয়েছে, চক্রটি উইরোপের দেশ থেকে এলএসডি আনত। তারা এই সিন্ডিকেটের চতুর্থ সদস্য, যে ‘টিম’ নামে পরিচিত তাকে খুঁজছে। সে-ই সর্বপ্রথম নেদারল্যান্ডসে যোগাযোগ করে।

গোয়েন্দা কর্মকর্তারা জানানা, এই চক্রটি প্রতিটি ব্লটিং পেপার ৮০০ থেকে এক হাজার টাকায় কিনে সেগুলো বাংলাদেশে তিন থেকে পাঁচ হাজার টাকায় বিক্রি করত।

ডিবি রমনা বিভাগের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার মিশু বিশ্বাস বলেন, ‘এই সিন্ডিকেটটির বিষয়ে আমাদের কাছে কিছু তথ্য আছে, এখন সেগুলো যাচাই-বাছাই করে দেখা হচ্ছে।’

এছাড়া নাম প্রকাশ না করার শর্তে ডিবির আরেক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, বাংলাদেশে এলএসডি বিক্রির সঙ্গে জড়িত আরও দুটি সিন্ডিকেটের ব্যাপারেও তাদের কাছে তথ্য আছে। ওই সিন্ডিকেটের সদস্যদের নজদারিতে রাখা হয়েছে। সম্পৃক্ততার প্রমাণ পেলে তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।

সিন্ডিকেট তিনিটির মধ্যে কোনো যোগাযোগ আছে কি না জানতে চাইলে ওই কর্মকর্তা জানান, ‘আমরা জানতে পেরেছি, ‘টিম’ নামের একজন দুটি সিন্ডিকেটের কাছে এলএসডি ব্লটিং পেপার বিক্রি করত।’

সিন্ডিকেটগুলো অনলাইনে আর্থিক লেনদেনের আন্তর্জাতিক মাধ্যম পেপ্যালের মাধ্যমে অর্থ পরিশোধ করত।

‘তবে, এখন পর্যন্ত তিনটি সিন্ডিকেটের মধ্যে সম্পর্ক খুঁজে পাইনি’—জানান ওই কর্মকর্তা।

হোম ডেলিভারি সেবা :

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অথবা মেসেজিং অ্যাপের মাধ্যমে এলএসডির অর্ডার পাওয়ার পর বিক্রেতারা সেগুলো ক্রেতার ঠিকানায় পাঠিয়ে দিত। এরপর ক্রেতা সেগুলো হাতে পাওয়ার পর টাকা পরিশোধ করত।

ডিবির ওই কর্মকর্তা জানান, এখন পর্যন্ত ডিবি প্রায় ৬৫০ জন এলএসডি গ্রাহকের একটি তালিকা পেয়েছে।

তিনি জানান, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিতে তারা এলএসডি ব্লটিং পেপারগুলো বই অথবা ম্যাগাজিনের ভেতরে লুকিয়ে বহন করত।

চার সদস্যের এই মাদক বিক্রেতা চক্রটি ফেসবুক ও মেসেজিং অ্যাপের মাধ্যমে গ্রাহকদের কাছ থেকে এলএসডির অর্ডার নিত।

তাদের বিরুদ্ধে কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে, জানতে চাইলে পুলিশ কর্মকর্তা মিশু বিশ্বাস জানান, এখন পর্যন্ত কোনো নিয়মিত এলএসডি গ্রহণকারীকে চিহ্নিত করা সম্ভব হয়নি।

অনেকে একসময় এলএসডি নিত, তবে এখন আর তারা নিচ্ছে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা তাদের কর্মকাণ্ড পর্যবেক্ষণ করছি। পর্যবেক্ষণ শেষ হলে এসব ব্যবহারকারী সম্পর্কে পরিষ্কারভাবে বলতে পারব।’

গত বুধবার ২০০টি এলএসডি ব্লটিং পেপার আটকের ঘটনা বাংলাদেশে প্রথম না। এর আগেও ২০১৯ সালের ১৫ জুলাই রাজধানীর কাফরুল এলাকা থেকে ৪৬টি ব্লটিং পেপার আটক করে মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।

এ বিষয়ে কাফরুল থানায় একটি মামলাও দায়ের করা হয়। ২০২০ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সেই মামলায় চার্জশিট দেয়।

মামলাটি এখনো বিচারাধীন রয়েছে বলে জানান মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আসাদুজ্জামান: সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার ভাদিয়ালী সীমান্ত থেকে একটি ইউএসএ পিস্তল ও ৯ রাউন্ড গুলি সহ দুটি খালি ম্যাগাজিন উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
রোববার সকালে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে বিজিবির ৩৩ ব্যাটালিয়নের মেজর রেজার নেতৃত্বে একটি টহল দল ভারতীয় সীমান্ত থেকে মাত্র ২০০ গজ বাংলাদেশ অভ্যন্তরে দক্ষিন ভাদিয়ালীর একটি কবরস্থানের পাশ থেকে উক্ত অস্ত্র উদ্ধার করে।
বিজিবির ৩৩ ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক লে. কর্নেল আল মাহমুদ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এই অস্ত্রটি পরিত্যক্ত অবস্থায় ছিল। গোপনসূত্রে খবর পেয়ে তা উদ্ধার করা হয়েছে। এ ব্যাপারে কলারোয়া থানায় একটি মামলা হয়েছে।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
গোয়ালপোতায় শিক্ষক কর্তৃক গৃহবধুকে উত্ত্যাক্ত : থানায় অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা সদরের গোয়ালপোতায় শিক্ষক কর্তৃক গৃহবধুকে উত্ত্যাক্তের প্রতিবাদ করায় গৃহবধুর পরিবারকে খুন জখমের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
গোয়ালপোতা গ্রামের মৃত.লক্ষণ শীলের পুত্র গোবিন্দ শীল জানান, আমার মেয়ে মল্লিকা শীলকে আশাশুনি কালীবাড়ী এলাকায় বিয়ে হয়েছে। কিন্তু গোয়ালপোতা গ্রামের ফটিক সরদারের পুত্র গোয়ালপোতা জিজিকেএইচ কানাইলাল উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক দিলীপ সরকার গোপনে আমার কন্যার মোবাইল নাম্বার সংগ্রহ করে ০১৭৩৯ ২৩১৪০২ ও ০১৮৭৩ ৬৫৬৩৫৬ নাম্বার দিয়ে বিভিন্ন সময়ে উক্ত্যাক্ত করে। বিভিন্ন সময়ে উল্টোপাল্টা ম্যাসেজ পাঠিয়ে বিরক্ত করতে থাকে।
এছাড়া কন্যার সংসার নষ্টসহ নানাভাবে হয়রানির হুমকি দিচ্ছে। আমার কন্যা বিষয়টি আমাকে জানালে আমি বখাটে দিলিপের পরিবারকে অবগতি করালে দিলিপ ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে এবং আমাদের খুন জখমসহ বিভিন্ন হুমকি ধামকি প্রদর্শন করে। একপর্যায়ে গত ২২মে ২০২১ তারিখে আমার বাড়ির সামনে গিয়ে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজসহ বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখায়। এমনকি আমার কন্যার সংসার ভেঙে দেওয়াসহ ভবিষ্যত নষ্টের হুমকি প্রদর্শন করে। উল্লেখিত দিলীপ এলাকার চিহ্নিত বখাটে এবং লম্পট প্রকৃতির ব্যক্তি। বিভিন্নভাবে মেয়েদেরকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে সংসার নষ্টসহ নানানভাবে হয়রানি করে। আমি আশংকা করছি দিলীপ যে কোন সময় আমার কন্যার পরিবারসহ আমাদেরকে জান মালের ক্ষয়ক্ষতি করতে পারে। এব্যাপারে ভূক্তভোগী পরিবার সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছে।
তিনি ওই বখাটে উক্ত্যাক্তকারী দিলীপের হাত থেকে নিজের কন্যাকে রক্ষা এবং জীবনের নিরাপত্তার দাবিতে প্রশাসনের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এদিকে বিষয়টি নিয়ে একটি প্রভাবশালী দালালচক্র মামলা না করে স্থানীয় ভাবে মিমাংসা করার জন্য গোবিন্দ শীল ও তার মেয়ের পরিবারকে চাপ প্রয়োগ করে চলেছে। প্রভাবশালীদের হাত থেকে রক্ষা পেতে গোবিন্দশীল বাদি হয়ে সাতক্ষীরা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন।
গোবিন্দ শীল ও তার মেয়ের দাবী তারা মিমাংসা চাইনা এধরনের ন্যাক্কার জনক ঘটনার বিচার চাই। এব্যাপারে ভূক্তভোগী পরিবার সাতক্ষীরা জেলা পুলিশ সুপারের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরার কুখ্যাত ডাকাত বাহার আলী তরফদার গ্রেফতার

আসাদুজ্জামান ঃ হত্যা, অস্ত্র, ডাকাতি ও বিস্ফোরকসহ একাধিক মামলার আসামী কুখ্যাত ডাকাত বাহার আলী তরফদারকে গ্রেফতার করেছে কালিগঞ্জ থানা পুলিশ। শনিবার রাতে কালিগঞ্জ উপজেলার শংকরপুর গ্রামে তার নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত ডাকাত বাহার আলী তরফদার ওই গ্রামের জব্বার তরফদারের ছেলে।
কালিগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মাদ গোলাম মোস্তফা জানান, গেপান সংবাদের ভিত্তিতে কালীগঞ্জ থানার এসআই শেখ তারিকুল ইসলাম ও মিলন বিশ্বাসের নেতৃত্বে পুলিশের একটি চৌকস দল উপজেলার শংকরপুর গ্রামে অভিযান চালায়। এসময় হত্যা, অস্ত্র, ডাকাতি, বিস্ফোরকসহ একাধিক মামলার আসামী ডাকাত বাহার আলী তরফদারকে তার নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি আরো জানান, গ্রেফতারকৃত কুখ্যাত ডাকাত বাহার আলীকে কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জিয়াউর রহমানের শাহাদাৎ বার্ষিকীতে সাতক্ষীরায় বিএনপির খাদ্য বিতরণ ও দোয়া

নিজস্ব প্রতিনিধি :  বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪০ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে সাতক্ষীরায় দুঃস্থদের মাঝে খাদ্য বিতরণ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেলা বিএনপির আয়োজনে রোববার দুপুরে শহরে ইটাগাছা হাটের মোড়ে উক্ত খাদ্য বিতরণ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
জেলা বিএনপির আহবায়ক এড. সৈয়দ ইফতেখার আলীর সভাপতিত্বে ও জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আব্দুল আলিম চেয়ারম্যান এর সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম (বাবু) জেলা বিএনপির সদস্য পৌর মেয়র তাসকিন আহম্মেদ (চিশতি), জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি আব্দুস সামাদ, জেলা যুবদলের সভাপতি আবু জাহিদ (ডাবলু), জেলা সেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি সোহেল আহম্মেদ মানিক, জেলা কৃষক দলের আহবায়ক আহসানুল কাদির স্বপন, জেলা মৎস্যজীবী যুগ্ম আহবায়ক মাহামুদুল হক, সাইফুল ইসলাম বাবু, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক আনারুল ইসলাম এছাড়া উপস্থিত ছিলেন শাহিনুর রহমান শাহিন, যুবনেতা ফরিদুজ্জামান ফরিদ, নাসির উদ্দীন, এমএ রাজ্জাক, ইসমাইল হোসেন বাবু, আশরাফুজ্জামান হাবলু, মনিরুজ্জামান প্রিন্স, মাসুম রানা সবুজ, নেসার উদ্দীন, জিয়ারুল ইসলাম জিয়া, ছাত্রনেতা রাকিবুল ইসলাম রাকিব, সোহেল রানা, মোঃ আয়ুব আলী, শাহীন ইসলাম, মহিউদ্দীন আল কুরাইশী এছাড়াও বিএনপির সকল অঙ্গও সহযোগী নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। দোয়া পরিচালনা করেন হাফেজ মোঃ মাহাবুব আলম।

৩০.০৫.২০২১

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

প্রেস বিজ্ঞপ্তি ঃ সাতক্ষীরার বুধহাটায় মৌখিকভাবে দুই বোনের সম্পত্তি ইজারা নিয়ে হারির টাকা না দিয়ে অবৈধভাবে তা দখলের চেষ্টা ও বিক্রয়ে বাধ্য করতে চাপপ্রয়োগের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন আশাশুনি উপজেলার বেউলা গ্রামের মৃত ঈমান আলীর দুই মেয়ে ভুক্তভোগী খায়রুন্নেছা ও ফরিদা খাতুন। লিখিত বক্তব্যে এ সময় তাদের দুই বোনের মধ্যে ফরিদা খাতুন বলেন, আশাশুনি উপজেলার বেউলা মৌজায় বি.আর.এস ৮৬৯ নং খতিয়ানে ৪৭ শতক সম্পত্তি আমরা দুই বোন ওয়ারেশ সূত্রে প্রাপ্ত হই। উক্ত ৪৭ শতক সম্পত্তির মধ্যে ৩৬ শতক সম্পত্তি মৌখিভাবে বেউলা গ্রামের কেরামত আলী সরদারের ছেলে বর্তমানে সদর উপজেলার আলিপুর দিঘির পাড় এলাকার বাসিন্দা ও আলিপুর আদর্শ বালিকা বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সেলিম রেজা ওরফে রেজাউল ইসলাম ইজারা গ্রহণ করেন। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে উক্ত সেলিম রেজা ওরফে রেজাউল ইসলাম আমাদের সম্পত্তির কোন হারির টাকা না দিয়ে তালবাহানা করতে থাকেন। হারির টাকা চাইলে সেখানে আমাদের কোন সম্পত্তি নেই মর্মে হাকিয়ে দেন। এরপর আমরা উক্ত সম্পত্তি বেউলা গ্রামের বাবুল আক্তার বাবলুকে গত ২৩/০৬/২০২০ হতে ২২/০৬/২০২২ সাল পর্যন্ত ২ বছর মেয়াদে লিখিতভাবে লিজ দেই। কিন্তু উল্লেখিত পর সম্পদ লোভী সেলিম রেজা ওরফে রেজাউল ইসলাম উক্ত সম্পত্তিতে বাবলুকে যেতে বাধা প্রদান করেন এবং বিভিন্ন হুমকি ধামকি প্রদর্শন করেন। তার ভাড়াটিয়া বাহিনী দিয়ে আমাদের দুই বোন এবং বাবলুকে উক্ত সম্পত্তিতে গেলে খুন জখমসহ বিভিন্নভাবে হয়রানির হুমকি প্রদর্শন করতে থাকেন। এবিষয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দায়ের করা হলেও কোন সমাধান হয়নি। তিনি বলেন, উক্ত সেলিম রেজা ওরফে রেজাউল ইসলাম আমাদের পৈত্রিক সম্পত্তি জোরপূর্বক দখলের উদ্দেশ্যে বেউলা গ্রামের আকর শেখ ও ইমদাদুল শেখসহ কতিপয় ভাড়াটিয়া বাহিনী দিয়ে দখল করে রেখেছেন। তার বাহিনীর কারনে সেখানে আমরা বা আমাদের ইজারাদার যেতে সাহস পান না। উক্ত সম্পত্তি নিয়ে তারা প্রকাশ্যে গালিগালাজ করে এবং খুন জখমমের হুমকির ঘটনায় সেলিম রেজা ওরফে রেজাউল ইসলামের বিরুদ্ধে আদালতে একটি নন জিআর মামলা দায়ের করা হয়। যার মামলা নং- ৫৩/২০। তিনি আরো বলেন, বেউলা মৌজায় উক্ত ৩৬ শতক সম্পত্তি আমরা দুই বোন কখনো কারো কাছে বিক্রয় বা হস্তান্তর করি নাই। সেলিম রেজা ওরফে রেজাউল ইসলামের সেখানে কোন সম্পত্তি না থাকলেও সম্পূর্ণ গায়ের জোরে এবং ভাড়াটিয়া বাহিনীর সহযোগিতায় আমাদের পৈত্রিক সম্পত্তি দখল করে রেখেছেন। আমরা দুই বোন অত্যান্ত নিরিহ ও অসহায় প্রকৃতির হওয়ায় উল্লেখিত পর সম্পদ লোভী সেলিম রেজা ওরফে রেজাউল ইসলামের পক্ষে আমাদের সম্পত্তি অবৈধ দখলে রেখেছেন। উক্ত সম্পত্তির সকল বৈধ কাগজপত্র আমাদের পক্ষে রয়েছে। আমরা নিয়মিত খাজনা দাখিলও প্রদান করে থাকি। পক্ষান্তের সেলিম রেজা ওরফে রেজাউল ইসলামের কিছুই না থাকার পরও আমাদের সম্পত্তি ফেরত না দিয়ে জবর দখল করে রেখেছেন এবং তার কাছে কম মূল্যে বিক্রয়ের জন্য বিভিন্নভাবে চাপপ্রয়োগ করে যাচ্ছেন। সংবাদ সম্মেলন থেকে এ সময় তারা দুই বোন (ফরিদা ও খায়রুন্নেছা) তাদের পৈত্রিক সম্পত্তি উল্লেখিত সেলিম রেজা ওরফে রেজাউল ইসলাম ও তার ভাড়াটিয়া বাহিনীর কবল থেকে উদ্ধারের জন্য সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় বোন ও ক্যাডেট ভাগ্নে আরিফ সহ দুই ভাইয়ের কাছ থেকে পৈত্রিক সম্পত্তি উদ্ধারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

প্রেস বিজ্ঞপ্তি :  সাতক্ষীরায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে বরিশাল ক্যাডেট কলেজের ছাত্র ক্যাডেট আরিফ এর বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে তার মামাকে মারপিট করার অভিযোগ উঠেছে। রবিবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার মাগুরা গ্রামের মৃত খন্দকার অবুল খায়েরের ছেলে খন্দকার আব্দুল করিম এই অভিযোগ করেন।
রিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, পৈত্রিক সম্পত্তি নিয়ে আমার ভাই খন্দাকর রফিকুল আলম সেলিম, খন্দকার হারুন উর রশিদ চান্দু এবং বোন সদর উপজেলা উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা আরুফা সুলতানার সাথে বিরোধ চলে আসছিল। উল্লেখিত দুই ভাই ও বোন আমার পৈত্রিক সম্পত্তির ভাগ না দিয়ে মিথ্যে মামলায় ফাঁসিয়ে আমাকে হয়রানি শুরু করে। একপর্যায় ২০১৯ সালে আমার শিশু মেয়ে ফাতেমা তুজ জোহরা ও ছেলে বায়জিদকে বাড়িতে রেখে হজ্বব্রত পালনে স্বস্ত্রীক সৌদি আরব যাই। আমরা না থাকার সুযোগে তারা আমার ছেলে ও মেয়েকে মারপিট করেও খুন জখমের হুমকি দেয়। এঘটনায় সদর থানায় জিডি করা হয়। এরপর থেকে আমার ভাই-বোন আমাকে সম্পত্তির ভাগ দিবে না মর্মে হাকিয়ে দেয় এবং অবৈধভাবে জবরদখল করতে থাকে। এনিয়ে বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দিয়েও কোন সমাধান হয়নি। তারা প্রশাসনকে ম্যানেজ করে ভাড়াটিয়া বাহিনী দিয়ে আমার পৈত্রিক সম্পত্তিতে থাকা একটি রাইচ মিলও দখল করে রেখেছে।
খন্দকার আব্দুল করিম অভিযোগ করে বলেন, গত ২৫ জানুয়ারি আমার দুই ভাই ও বোন আমাদের রাইচ মিলে ঢুকে আমাকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। এঘটনায় আমার স্ত্রী বাদি হয়ে থানায় মামলা করলে পুলিশ তাদেরকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে প্রেরণ করে। তারা জামিনে বেরিয়ে এসে মামলা তুলে নিতে আমাকে হুমকি ধামকি দিতে থাকে। তাদের কথা না শোনায় গত ১৫ ফেব্রুয়ারি আমার ভাগ্নে বরিশাল ক্যাডেট কলেজের ছাত্র ক্যাডেট আরিফ হোসেন সাদ, ছোট ভাই সালেহ হোসেন শাওন এবং তাদের মা আরুফা সুলতানা প্রকাশ্যে রাস্তর উপর ফেলে আমাকে বেধড়ক মারপিট করকে থাকে। এসময় টহলরত র‌্যাবের গোয়েন্দা শাখার সদস্য আসলাম হোসেন আমাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। এঘটনায় উল্টে তারা আমার বিরুদ্ধে মিথ্যে সংবাদ প্রকাশ করিয়েছে। এছাড়া আমাকে মিথ্যে মামলায় ফাঁসানোর জন্য আমার সু চতুর বোন আরুফা হাসপতালে ভর্তি হয়। অথচ সে নিয়মিত অফিস করেছে। শুধুমাত্র সম্পত্তির লোভে আমার বোন অন্ধ হয়ে এধরনের চক্রান্ত চালিয়ে যাচ্ছে। এমনকি নিজের ছেলে ও স্বামীকে উস্কানি দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে আমাকে মারপিট করায়।
তিনি আরো বলেন, আমার বোনের ছেলে উজ্জল ভবিষ্যতের কথঅ ভেবে আমি এতদিন নিরব থাকলেও বর্তমানে তাদের অত্যাচারে আমি অতিষ্ট হয়ে উঠেছি। একই সাথে দুই ভাইয়ের অত্যাচারের ও স্বীকার। আমার স্ত্রী সাবিনা খানম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক। তার ক্ষতি করার জন্য মিথ্যে মামলা দিয়ে তাকে হয়রানির চেষ্টা করে।
তিনি অর্থলোভি বোন এবং ভাগ্নে ক্যাডেট আরিফ হোসেনসহ উল্লেখিত দুই ভাইয়ের কবল থেকে পৈত্রিক সম্পত্তি উদ্ধার এবং জীবনের নিরাপত্তার দাবিতে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest