সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরার সাংবাদিকপুত্র কাজী ফাইম আব্দুল্লাহর এইচএসসিতে গোল্ডেন এ-প্লাস অর্জনসাতক্ষীরায় নির্মাণাধীন ভবনের সাব-কন্টাক্টরের কাছে চাঁদা দাবি : থানায় অভিযোগতালায় আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা: সার সংকট, মাটি কাটা ও বালু উত্তোলন বন্ধে গুরুত্বারোপদেবহাটায় শিশুদের প্রারম্ভিক বিকাশে খেলাভিত্তিক সেশন পরিদর্শনসাতক্ষীরায় আবাসিক হোটেল-রেস্তোরাঁ – বেকারি ব্যবস্থাপনা বিষয়ক মতবিনিময়সাতক্ষীরায় মোজাম্মেল মিস্ত্রী হ%ত্যা মামলার দুই প্রধান আসামি সিলেটে গ্রেফতারশ্যামনগরে সুন্দরবনের বনদস্যু নির্মূলে মানববন্ধনএবিপার্টি সাতক্ষীরা সদর উপজেলার আহবায়ক কমিটির অনুমোদনসাতক্ষীরায় শিশু ধর্ষণ ও যৌন সহিংসতার প্রতিবাদে মানববন্ধনএডিসি রিপন বিশ্বাসের অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি দেওয়ার সিদ্ধান্ত সাতক্ষীরা আইনজীবী ফোরামের

আবারও ভূমিকম্পে ফের কেঁপে উঠল সিলেট

অনলাইন ডেস্ক : সিলেটে ফের মৃদু মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে।

রোববার ভোর ৪টা ৩৫ মিনিটে এ ভূমিকম্প অনুভূত হয়। তবে ভূমিকম্পটির মাত্রা কত ছিল তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

এর আগে শনিবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত সাড়ে ৪ ঘণ্টায় পর পর পাঁচবার মৃদু ভূ-কম্পন হয় সিলেটে। এ ভূ-কম্পনে সিলেটজুড়ে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।

সর্বশেষ শনিবার দুপুর ১টা ৫৮ মিনিটে পঞ্চম বার ভূমিকম্প অনুভূত হয়। এর আগে সকাল ১০টা ৩৭ মিনিটে প্রথম, ১০টা ৫১ মিনিটে দ্বিতীয়, বেলা ১১টা ২৯ মিনিটে তৃতীয় এবং ১১টা ৪০ মিনিটে চতুর্থ বার ভূমিকম্প অনুভূত হয়।

বাংলাদেশ ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ ও গবেষণা কেন্দ্র বলছে, তারা চার দফা ভূ-কম্পন রেকর্ড পেয়েছে। মাত্রা কম থাকায় দু-একটি পর্যবেক্ষণে আসেনি।

তবে এসব ভূ-কম্পনের মধ্যে একটির মাত্রা রিখটার স্কেলে সর্বোচ্চ ৪.১ এবং এর কেন্দ্রস্থল ঢাকা থেকে ১৯২ থেকে ২৩৫ কিলোমিটার উত্তর-পূর্ব অর্থাৎ সিলেট অঞ্চলে।

সিলেট আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা যায়, সিলেটে ছয় বার ভূমিকম্প অনুভূত হলেও চার বারের ভূমিকম্প ধরা পড়েছে। এর মধ্যে সর্বশেষ দুপুর ১টা ৫৮মিনিটে অনুভূত হওয়া ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৪।

এর আগে ১০টা ৫১ মিনিটে দ্বিতীয় ভূমিকম্পের মাত্রা রিখটার স্কেলে ৪ দশমিক ১ মাত্রার ছিল। ১০টা ৩৭ মিনিটে যে ভূমিকম্প হয়েছিল সেটা রিখটার স্কেলে ছিল ৩ ও ১১টা ২৯ মিনিটে যেটা হয়েছিল সেটা ২ দশমিক ৮ মাত্রার ভূমিকম্প ছিল।

তবে রোববার ভোর ৪টা ৩৫ মিনিটে অনুভূত হওয়া ভূমিকম্পের মাত্রা জানা যায়নি।

ঢাকায় কেন্দ্রটির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মমিনুল ইসলাম জানান, সাধারণত তিনটি সেন্টারে ভূ-কম্পনের ওয়েভ ধরা পড়ার পরই ভূমিকম্প হিসাবে ধরে নেওয়া হয়।

কিন্তু শনিবার সিলেটে যে ভূ-কম্পন হয়েছে তার সবগুলোই সিলেট সেন্টারে ধরা পড়েছে, অন্য কোথাও পড়েনি।

তিনি বলেন, ভূমিকম্পগুলো ছোট হলেও সিলেটের উপরে ভারতের মেঘালয়ে ডাউকি ফল্ট, সিলেটের পাশের ইন্ডিয়ান ও ইউরেশিয়ান প্লেট বাউন্ডারি। এসব কারণে বড় ঝুঁকিতে সিলেট।

তবে এমন ছোট ছোট কম্পন দুটি কারণে হতে পারে, একটি ভূ-কম্পন পরবর্তী ইফেক্ট অথবা পূর্ববর্তী ইফেক্ট হতে পারে। তাই সচেতন থাকতে হবে আগামী ৭২ ঘণ্টা।

একই কথা বলেন, সিলেট শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ ও পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক জহির বিন আলম।

তিনি বলেন, এত কম সময়ের মধ্যে কয়েকদফা ভূ-কম্পন সহজভাবে নেওয়ার কিছু নেই। তাই পরবর্তী ৭২ ঘণ্টা নগরবাসীকে সচেতন থাকার আহ্বান জানান তিনি।

তিনি বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে নেপালে ও মিয়ানমারে বড় ভূমিকম্প হয়েছে। এসব ভূমিকম্পের পরবর্তী ইফেক্ট হতে পারে। তবে ভূমিকম্প নিয়ে আগাম কিছু বলা সম্ভব না। তাই এমন ছোট ভূমিকম্প আগামী কয়েকদিনের মধ্যে বড় ভূমিকম্পের পূর্বাভাসও হতে পারে। আগামী এক সপ্তাহ নগরবাসীকে একটু সচেতন থাকার পরামর্শ এই বিশেষজ্ঞের।

এদিকে ঘন ঘন ভূমিকম্পের কারণে সিলেট নগরের পাঠানটুলা দর্জিপাড়া এলাকার দুটি ছয় তলা ভবন হেলে পড়েছে বলে জানা গেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কাফনের কাপড় পরে টেকসই বেড়িবাঁধের দাবি করা সেই তরুণ কর্মীদের মারধর করলেন ইউপি চেয়ারম্যান!

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা উপকূলের জানমালের সুরক্ষায় টেকসই বেড়িবাঁধের দাবিতে কাফনের কাপড় পরে অবস্থান কর্মসূচি পালন করা সেই তরুণ জলবায়ু কর্মীদের মারধর করেছে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও পাউবো কর্মর্কতা।

শুক্রবার (২৮ মে) সাতক্ষীরার শ্যামনগরের পাতাখালীতে ভাঙনকবলিত বেড়িবাঁধের উপর কাফনের কাপড় পরে অবস্থান কর্মসূচি পালনের খবর বাংলাদেশের গণমাধ্যমসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হলে রাতে ফোন করে হুমকি দেওয়ার পর শনিবার (২৯ মে) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঝাঁপার ভাঙন কবলিত বেড়িবাঁধের উপর শত শত মানুষের সামনে তাদের মারধর করেন পদ্মপুকুর ইউপি চেয়ারম্যান অ্যাড. আতাউর রহমান ও পাউবোর সেকশন অফিসার আলমগীর হোসেন।

এসময় বাঁধ নিয়ে পরবর্তীতে কোন ধরনের কর্মসূচি পালন করলে ‘ভয়ংকর পরিণতি’ ভোগ করতে হবে বলেও তাদের হুমকি দেয়া হয়।

সূত্র মতে, উপকূলের লক্ষ লক্ষ জনগোষ্ঠীকে রক্ষার জন্য কাফনের কাপড় পড়ে টেকসই বাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়ে শুক্রবার সকালে অবস্থান কর্মসূচি পালন করে স্থানীয়রা। ম্যানগ্রোভ স্টুডেন্ট সোসাইটির আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই অবস্থান কর্মসূচিতে ঘূর্ণিঝড় ইয়াসে ক্ষতিগ্রস্ত উপকূলীয় জনপদের বিভিন্ন প্রান্তের শিক্ষার্থীসহ কয়েকশ সাধারণ মানুষ অংশ নেন।

এই খবর বাংলাদেশের গণমাধ্যমে গুরুত্ব সহকারে প্রচার হয়।তে ভাঙন কবলিত ঝাঁপা অংশের উপকূল রক্ষা বাঁধের সংস্কার কাজ শুরু করে। এসময় কাজে নিয়োজিত গ্রামবাসীদের উৎসাহিত করতে স্বেচ্ছাসেবী ঐ সংগঠনের কয়েকজন কর্মী অনলাইন নিউজ পোর্টাল দ্য এডিটরস-এ লাইভ টেলিকাস্ট করতে শুরু করে। এক পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট বাঁধের দায়িত্বে থাকা পাউবোর এসও আলমগীর হোসেন দ্রুত সেখানে উপস্থিত হয়ে জলবায়ু কর্মী ও গণমাধ্যম কর্মী শাহিনসহ তার সহকর্মীদের লাইভ টেলিকাস্ট বন্ধ করতে বলেন এবং শাহিনের হাত চেপে ধরেন। এসময় স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আতাউর রহমান শাহিনকে শত শত গ্রামবাসীর সামনে মারতে শুরু করেন। তাৎক্ষণিক গ্রামবাসীরা এগিয়ে এসে শাহিনসহ তার সহকর্মীদের নিরাপদে সরিয়ে নিয়ে যান।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী হাবিবুল্লাহ গাজী ও মুজিবর রহমান জানান, আগের দিন বাঁধ এর দাবিতে কর্মসূচি পালন করায় চেয়ারম্যান সবার সামনে শাহিনকে মেরেছে। শাহিনকে মেরে পরবর্তীতে উপকূল নিয়ে কোন কর্মসুচি পালন করলে দেখে নেয়ারও হুমকি দিয়েছে।

আজগর আলী ও সোহরাব হোসেন নামের স্থানীয় দুই শ্রমিক জানান, সকাল থেকে আমরা প্রায় তিন হাজার গ্রামবাসী বাঁধ মেরামত করছিলাম। শাহিন তা ভিডিও করে প্রচারের সময় চেয়ারম্যান লোকজন নিয়ে সেখানে হাজির হয়ে তাকে মারধর করে। পরে অন্যরা এগিয়ে এসে তাকে নিরাপদে সরিয়ে নিয়ে যায়। এসময় এসও সাহেব তাকে জেলে ভরতে চায়।

এ প্রসঙ্গে পাউবোর সেকশন অফিসার আলমগীর হোসেন জানান, আমার সাথে শাহিন বিল্লাহ এর কোন সমস্যা হয়নি। তবে চেয়ারম্যানের ভাতিজা হওয়ায় তিনি শাহিন বিল্লাহর সাথে কিছুটা খারাপ আচরণ করেছেন।

মারধরের বিষয়ে জানার জন্য পদ্মপুকুরের ইউপি চেয়ারম্যান অ্যাড. আতাউর রহমানের মুঠোফোনে বার বার (০১৭১১৪৭৯২৯৮) কল দেয়া হলে তিনি সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। এসময় তার মুঠোফোনে ক্ষুদেবার্তা পাঠিয়েও কোনভাবে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

এদিকে, তরুণ জলবায়ু কর্মীদের মারধরের ঘটনায় সাতক্ষীরা জেলা জুড়ে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে রীতিমত নিন্দার ঝড় বইছে। #

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
টেকসই বেড়িবাঁধ ও জলবায়ু প্রকল্পের ন্যায্য দাবিতে সাতক্ষীরায় ওয়ার্কার্স পার্টির মানববন্ধন

নিজস্ব প্রতিনিধি : উপকূলীয় টেকসই বেড়িবাঁধ ও জলবায়ু প্রকল্পের ন্যায্য দাবিতে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি সাতক্ষীরা জেলা শাখার আয়োজনে শনিবার বেলা ১১টায় সাতক্ষীরা শহরের মিনিমার্কেটস্থ শহিদ নাজমুল সরণীতে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন, জেলা ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি অধ্যাপক মহিবুল্লাহ মোড়ল।

মানুষ বাঁচাও, পরিবেশ বাঁচাও, সম্পদ বাঁচাও শ্লোগানের অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, সাতক্ষীরা জেলা ওয়ার্কার্স পার্টির সম্পাদক সাধারণ সম্পাদক ফাহিমুল হক কিসলু, মন্ডলীর অন্যতম সদস্য প্রকৌশলী আবেদুর রহমান, আব্দুর রউফ, নারী নেত্রী নাছরিন খান লিপি, সরদার রফিকুল ইসলাম প্রমুখ।

সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন, সাতক্ষীরা জেলা ওয়ার্কার্স পার্টির সম্পাদক মন্ডলীর অন্যতম সদস্য স্বপন কুমার শীল।

বক্তারা বলেন,  অবহেলিত সাতক্ষীরার দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলীয় অঞ্চল। এ অঞ্চলে প্রতিবছর ঝড়,জলোচ্ছ্বাস, বন্যায় ভেঙে পড়ে উপকূলীয় বাঁধ। পানিতে তলিয়ে যায় হাজার হাজার হেক্টর জমি, ঘরবাড়ি ভেঙে পড়ে, হাজার হাজার মৎস্যঘের ভেসে যায়, ফসল নষ্ট হয় অবর্ণনীয় দুর্ভোগের শিকার হতে হয়। সিডর, আইলা, বুলবুল, আম্ফান’র ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে না উঠতেই গত ২৮ মে ২১ খ্রিঃ ইয়াসের ঝড়ে, জোয়ারে শ্যামনগর,আশাশুনি, দেবহাটা,কালিগন্ঞ্জ উপজেলার খোলপেটুয়া, ইছামতী, কালিন্দী, কাকশিয়ালী’র ২৪ টি স্থানে বেড়িবাঁধ ভেঙেছে এবং ৫৫ টি স্থানে বেড়িবাঁধ ওভার ফ্লো হয়ে ২৭ টি ইউনিয়ন র ১২০ টি গ্রাম পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে। ১০০০০( দশ হাজার)র মতো ঘরবাড়ি ক্ষতগ্রস্ত হয়েছে, ৩৫০০০ (পয়ত্রিশ হাজার) পরিবারের ১,৫০,০০০ (একলক্ষ পঞ্চাশ হাজার) মানুষ এখনো পানিবন্দি রয়েছে। সরকারি তথ্যমতে ৪টি উপজেলায় ৬৭৩৮ হেক্টর জমিতে ৭৫৬০টি চিংড়ীঘের ভেসে গিয়ে কোটি কোটি টাকার অর্থনৈতিকভাবে মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
সাতক্ষীরা জেলা প্রতিবছর মৎস্য খাত, সুন্দরবন, ভোমরা স্থলবন্দর, বৈদেশিক রেমিটেন্স সহ বিভিন্ন খাত থেকে সরকারকে হাজার হাজার কোটি টাকা রাজস্ব প্রদান করে থাকে।
কিন্তু সরকার দক্ষিণ পশ্চিম উপকূলীয় অঞ্চলের দুর্যোগ -কবলিত অসহায় মানুষের দীর্ঘদিনের টেকসই বেড়িবাঁধের দাবি পুরণ হয়না। চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার উপকূলে “মেরিন প্রকল্পের” আওতায় টেকসই বেড়ীবাঁধ নির্মান কার্যক্রম গ্রহন করলেও উপকূল অঞ্চল হিসেবে সাতক্ষীরা বার বার প্রাকৃতিক দূর্যোগে (ঘূর্ণিঝড় ও টর্ণেডো) প্লাবিত হলেও টেকসই বেড়ীবাঁধ করা হচ্ছে না।
বৈষয়ীক উষ্ণতার কারনে “জলবায়ু প্রকল্প” এর নামে ১৯ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প সরকার গ্রহন করেছে। যার বরাদ্দ বন্টন হয় রাজনৈতিক বিবেচনায়, ক্ষতি গ্রস্থ অঞ্চল বিবেচনায় নয়।
সে কারনে মানববন্ধনে বাজেটে জলবায়ু প্রকল্পের ন্যায্য বরাদ্দ, টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মান, কর্মসংস্থানে জন্য অর্থনৈতিক জোন, ট্রেনলাইন, সুন্দরবনকে আন্তর্জাতিক পর্যটন কেন্দ্র ও অবকাঠামো উন্নয়নে বাজেটে অন্তর্ভুক্তির দাবি তোলা হয়। সাতক্ষীরা দক্ষিণ পশ্চিম উপকূলীয় অঞ্চলকে দূর্যোগ ও ঝুকিপূর্ণ এলাকার চিহ্নিত করে কাজ করার আহ্বান জানান এবং এ অঞ্চরে পর্যাপ্ত সাইক্লোন সেন্টার ও দূর্যোগ কবলিত মানুষের জনগণের নিরাপত্তা দিতে হবে। উপকূলীয় মানুষের সুপেয় পানির ব্যবস্থা করতে হবে, জানমাল রক্ষায় কার্যকর অবকাঠামো গড়ে তুলতে হবে, সুন্দরবন রক্ষায় কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় মসজিদের নাম পরিবর্তনকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘের্ষে নারী-শিশুসহ আহত ২০

কে এম রেজাউল করিম, দেবহাটা  ব্যুরো :  সাতক্ষীরার দেহাটায় চররহিমপুর (২৮ শে মে) মসজিদের নাম পরিবর্তনকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সদর ইউনিয়নের চর রহিমপুর গ্রামের মসজিদটিতে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়া দুই গ্রামের মুসল্লিদের পাশাপাশি স্থানীয় নারী ও শিশুসহ কমপক্ষে ২০ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। আহতদের বেশিরভাগ বর্তমানে সখিপুরস্থ দেবহাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন এবং বাকিরা বিভিন্ন গ্রাম্য ডাক্তারের কাছ থেকে চিকিৎসা নিয়েছেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন আহতরা হলেন, চরশ্রীপুরের শহিদুল ইসলামের ছেলে শাহিন কাদের বাপ্পী (৩০), চর রহিমপুরের শহিদুল সরদারের ছেলে শাহিন সরদার (৩৩), চরশ্রীপুরর মৃত ছফেদ আলী বিশ্বাসের ছেলে আবুল হাসান (৪৫), ইমাদুল গাজীর ছেলে ইদ্রিস আলী (২৬), মৃত আকিল উদ্দীন গাজীর ছেলে মুনসুর আলী (৫৫), চর রহিমপুরের আব্দুস সবুর সরদারের ছেলে আতাউর (১৪), সাবুর আলী সরদারের ছেলে আশিকুর (৩৫), আব্দুস সবুরের স্ত্রী মহসিনা খাতুন (৩৭), শওকত আলীর ছেলে জাহাঙ্গীর আলম (২৮), মাজেদ সরদারের ছেলে শুকুর আলী (২৬), ছইল উদ্দীন সরদারের ছেলে হোসেন আলী (৩৫), শওকত আলীর ছেলে আহছান হাবীব (২৮), ওয়াহেদ আলী সরদারের ছেলে ফারুক হোসেন (৩৭)।
প্রত্যক্ষদর্শী ও আহতের স্বজনরা জানিয়েছেন, চর রহিমপুর গ্রামের ১৯৬৯ সালে প্রতিষ্ঠিত একটি জামে মসজিদ রয়েছে তাদের। মসজিদটি পূর্ব থেকেই চর রহিমপুর জামে মসজিদ নামে প্রতিষ্ঠিত ছিল। মসজিদটিতে পাশ্ববর্তী গ্রাম চরশ্রীপুরের বাসিন্দারাও নিয়মিত নামাজ আদায় করেন। ফলে দুই গ্রাম থেকে মসজিদটির সভাপতি ও সম্পাদক পদে দুজনকে মনোনীনত করেন মুসল্লীরা। মসজিদের বর্তমান সভাপতি রয়েছেন চরশ্রীপুর গ্রামের মৃত আবুল কাশেমের ছেলে আবুল হাসান গাইন এবং সাধারণ সম্পাদক রয়েছেন চর রহিমপুর গ্রামের তোফাজ্জলের ছেলে রুহুল কুদ্দুস। মসজিদটির নাম কেবলমাত্র চর রহিমপুরের নামে নামকরণ থাকায় দীর্ঘদিন ধরে চরশ্রীপুর গ্রামের মুসল্লিরাও তাদের গ্রামের নামটি মসজিদের নামে সম্পৃক্ত করার দাবী করে আসছিলেন। বিগত কয়েকমাস ধরে এ নিয়ে মসজিদের দুই গ্রামের মুসল্লিদের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। মুলত মসজিদের বর্তমান সভাপতি আবুল হাসান গাইন চর শ্রীপুর গ্রামের বাসিন্দা হওয়ায় তার নেতৃত্বাধীন ওই গ্রামের মুসল্লিরা তাদের গ্রামের নামটি চর রহিমপুরের আগে দেয়ার জন্য মসজিদ কমিটিকে তাগিদ দিয়ে আসছিল।
সম্প্রতি মসজিদটির উন্নয়ন কাজ শুরু হলে দুই গ্রামের নাম মিলিয়ে ‘চর রহিমপুর, চরশ্রীপুর জামে মসজিদ’ হিসেবে মসজিদের নামকরণ টাইলস খোচিত করা হয়। এতেই বাঁধে মুল গন্ডগোল। নামকরণ টাইলসে কেন আগে চরশ্রীপুর না লিখে চর রহিমপুর লেখা হলো তা নিয়ে ক্ষুদ্ধ হন কমিটির সভাপতি আবুল হাসান গাইনের নেতৃত্বাধীন মুসল্লিরা। ঘূর্নিঝড় ইয়াস’র রাতে মসজিদে লাগানো ওই নামফলকটির আংশিক ভেঙে ফেলা হলে বৃহষ্পতিবার মসজিদটির জমিদাতা হিসেবে চর রহিমপুর গ্রামের মৃত সহিদুল ইসলামের ছেলে ইউনুছ আলী বাদী হয়ে মসজিদের সভাপতি আবুল হাসানসহ বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে দেবহাটা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এতে আরোও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে সভাপতি আবুল হাসানের নেতৃত্বাধীন চর শ্রীপুরের মুসল্লি ও চর রহিমপুর গ্রামের মুসল্লিদের মধ্যে। শুক্রবার জুম্মার নামাজ শেষে দুই গ্রামের বাসিন্দারা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়লে মারপিট পাল্টা মারপিটে দুই উভয় গ্রুপের কমপক্ষে ২০ জন গুরুতর আহত হন।
দেবহাটা থানার ওসি বিপ্লব কুমার সাহা বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহতদের খোঁজখবর নিয়েছে। ঘটনাটি তদন্তাধীন। তদন্ত শেষে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান ওসি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মেদহীন হতে জিমে ঘাম ঝরাচ্ছেন মিম

বিনোদন সংবাদ : ‘শুভ সকাল, জেগে উঠুন, ব্যায়াম করুন এবং খুশি থাকুন’—অন্তর্জালে গতকাল নিজের শরীরচর্চার কয়েকটি ছবি আপলোড দিয়ে ক্যাপশনে এমন পরামর্শ দিয়েছেন ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা বিদ্যা সিনহা মিম। প্রায়ই নিজের শরীরচর্চার ছবি অন্তর্জালে আপলোড করে থাকেন মিম। সেসব ছবি আর পরামর্শ দেখেই নায়িকার কাছে জানাতে চাওয়া তাঁর শরীরচর্চা প্রসঙ্গে।

বিদ্যা সিনহা মিম জানালেন, ‘জিমের টার্গেট হচ্ছে… মাঝখানে একটু মোটা হয়ে গিয়েছিলাম তো, এখন একটু ফিট থাকা মেইনলি। ফিট থাকার জন্য একটা টার্গেট করছি একটা লিন বডি (মেদহীন) বানাব, যেটা আগে হয়নি। সকালবেলা ৫০-৬০ মিনিট কার্ডিও করি… ওয়েট ট্রেলিং করি এভাবে প্রায় ২ ঘণ্টার মত লাগে।’

নিজের কাজের প্রসঙ্গে মিম বলেছেন, ‘বেশ কিছু সিনেমার কাজ বাকি আছে। কিন্তু, করোনার কারণে সেটা করা সম্ভাব হচ্ছে না। কারণ এখন তো পরিস্থিতি স্বাভাবিক নয়। তবে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের কাজ শুরু করব পাঁচ-ছয় দিন পর থেকে।’

সবশেষ বিদ্যা সিনহা মিম অভিনীত মুক্তি পাওয়া সিনেমা ‘সাপলুডু’। মুক্তির অপেক্ষায় আছে ‘পরাণ’ শিরোনামের একটি সিনেমা। এ ছাড়া ‘ইত্তেফাক’ ও ‘দামাল’ সিনেমার শুটিং চলছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনির প্লাবিত এলাকার মানুষের পাশে জেলা তাঁতীলীগ

ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে প্লাবিত হওয়া সাতক্ষীরার আশাশুনির বিভিন্ন এলাকায় সাতক্ষীরা জেলা তাঁতীলীগের উদ্যোগে বিশুদ্ধ পানি, খাবার স্যালাইন, ঔষধ ও মাক্স বিতরণ করা হয়েছে। গতকাল সাতক্ষীরা জেলা তাঁতীলীগের সভাপতি কাজী মারুফের নেতৃত্বে বানভাসি অসহায় মানুষের মধ্যে এসব সামগ্রি বিতরণ করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন, সাতক্ষীরা জেলা তাঁতীলীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ আলমগীর হোসেন, উপ-দপ্তর সম্পাদক শেখ তরিকুল ইসলাম, আশাশুনি উপজেলা তাঁতীলীগের সহ-সভাপতি আবু তাহের, সদস্য মো: কায়ুম হোসেন ডালিম হোসেন প্রমুখ। প্রায় শতাধিক মানুষের মধ্যে এসব সামগ্রি বিতরণ করা হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

২৮.০৫.২০২১

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পরিস্থিতির অবনতি হলে সাতক্ষীরাসহ ৩ জেলায় লকডাউন দেয়ার পরিকল্পনা

ডেস্ক রিপোর্ট : করোনা শনাক্তের হার উদ্বেগজনকভাবে বেড়ে যাওয়ার প্রেক্ষিতে পরিস্থিতির অবনতি হলে সাতক্ষীরাসহ ৩ জেলায় লকডাউন দেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে বলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে জানা গেছে।

উল্লেখ্য, সাতক্ষীরায় গত কয়েকদিন ধরে করোনা শনাক্তের হার ৪০ শতাংশের উপরে।

ঈদ পরবর্তী সংক্রমণ বাড়ার যে শঙ্কা ছিল, সেটিই এখন সত্যি হতে যাচ্ছে। ঈদের পর আবার সংক্রমণ বাড়তে শুরু করেছে। পবিত্র ঈদুল ফিতরকে ঘিরে সরকারের বিধিনিষেধ না মেনে শপিং ও গ্রামের বাড়ি যাওয়ার ঘটনায় ঈদের পর আবারও সংক্রমণ ও মৃত্যু বাড়ছে। বিশেষ করে এই সংক্রমণ বাড়ছে দেশের সীমান্তবর্তী এলাকায়। কারণ ভারত থেকে আসা বাংলাদেশি যাত্রী। তাদের অনেকে করোনা পজিটিভ হয়েছেন, শরীরে ভারতীয় ভ্যারিয়েন্টও পাওয়া গেছে।

শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সূত্র জানায়, সংক্রমণ ঠেকাতে সীমান্তবর্তী জেলা চাঁপাইনবাবগঞ্জে লকডাউন দেওয়া হয়েছে। এই পরিস্থিতির অবনতি হলে সাতক্ষীরা, রাজশাহী ও খুলনা- এই তিন জেলায় লকডাউন দেওয়া হতে পারে।ইতোমধ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় লকডাউন ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া আরও তিনটি জেলা পর্যবেক্ষণে রয়েছে। সংক্রমণ বাড়লেই সেগুলোতে লকডাউন দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

সূত্র আরও জানায়, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় লকডাউন ঘোষণা করার সময় সেখানে সংক্রমণের হার ছিল ৪০ শতাংশের ওপরে। আর অন্য জেলাগুলোতে এখনো সংক্রমণ অনেক নিচে। এখন যদি সংক্রমণের হার বাড়তে থাকে তাহলে এলাকাভিত্তিক লকডাউন দেওয়া হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ইসরাইলের বিপক্ষে অপরাধ তদন্ত করবে জাতিসংঘ

অনলাইন ডেস্ক : গাজায় ইসরাইল ও ফিলিস্তিন প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের মধ্যে চলা ১১ দিনের সংঘাতে অপরাধের অভিযোগ আন্তর্জাতিকভাবে তদন্ত করতে রাজি হয়েছে জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদ।

বৃহস্পতিবার মানবাধিকার পরিষদের বিশেষ অধিবেশনে এ সিদ্ধান্ত হয়েছে। ইসলামিক সহযোগিতা পরিষদ ও ফিলিস্তিন এ প্রস্তাব আনে। অধিবেশনে আনিত প্রস্তাবে ভোটাভুটিতে তদন্তের পক্ষ সমর্থন করে বেশির ভাগ সদস্য।

জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদের ফোরামে ঘটনার তদন্ত প্রস্তাব গৃহীত হলেও ইসরাইল তা প্রত্যাখ্যান করেছে। তারা তদন্তে সহযোগিতা করবে না বলে জানিয়েছে।

রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, ৪৭ সদস্যের মানবাধিকার পরিষদের ২৪টি দেশ প্রস্তাবের পক্ষে এবং নয়টি দেশ বিপক্ষে ভোট দেয়। আর ১৪টি দেশ ভোটদানে বিরত থাকে।

প্রস্তাবে ইসরাইল–হামাস সংঘাত তদন্তে একটি স্থায়ী তদন্ত কমিশন গঠনের দাবি জানানো হয়েছে। যার কাজ হবে লড়াই চলার ওই সময়ে ইসরাইল, গাজা, অধিকৃত পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুজালেমেও মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা খতিয়ে দেখে প্রতিবেদন দেওয়া।

বৃহস্পতিবার জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদের বিশেষ এক অধিবেশনে ভাষণদানকালে মিশেল ব্যাচেলে বলেছিলেন, গাজায় যে প্রাণঘাতি বোমা হামলা ইসরাইল চালিয়েছে তাতে ১৫৩ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, তা যুদ্ধাপরাধ গঠন হতে পারে যদি, তা অনুপাতহীন হয়।

ইসরাইলের দাবি, তাদের হামলায় ধ্বংস হওয়া বেশির ভাগ ভবনেই সশস্ত্র ফিলিস্তিনি দল আশ্রয় নিয়ে ছিল এবং সামরিক তৎপরতা চালিয়ে আসছিল, কিন্তু এর কোনো প্রমাণ আমাদের চোখে পড়েনি।

এদিকে ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু জাতিসংঘের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেও ফিলিস্তিনের হামাসের পক্ষ থেকে স্বাগত জানানো হয়েছে। পাশাপাশি ইসরাইলকে দ্রুত শাস্তিরও দাবি জানিয়েছে হামাস।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest