সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় জলবায়ু-বাস্তুচ্যুত মানুষের আবাসন, খাদ্য ও পুষ্টি অধিকার নিশ্চিতে ১১ দফা দাবিসাতক্ষীরার সাংবাদিকপুত্র কাজী ফাইম আব্দুল্লাহর এইচএসসিতে গোল্ডেন এ-প্লাস অর্জনসাতক্ষীরায় নির্মাণাধীন ভবনের সাব-কন্টাক্টরের কাছে চাঁদা দাবি : থানায় অভিযোগতালায় আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা: সার সংকট, মাটি কাটা ও বালু উত্তোলন বন্ধে গুরুত্বারোপদেবহাটায় শিশুদের প্রারম্ভিক বিকাশে খেলাভিত্তিক সেশন পরিদর্শনসাতক্ষীরায় আবাসিক হোটেল-রেস্তোরাঁ – বেকারি ব্যবস্থাপনা বিষয়ক মতবিনিময়সাতক্ষীরায় মোজাম্মেল মিস্ত্রী হ%ত্যা মামলার দুই প্রধান আসামি সিলেটে গ্রেফতারশ্যামনগরে সুন্দরবনের বনদস্যু নির্মূলে মানববন্ধনএবিপার্টি সাতক্ষীরা সদর উপজেলার আহবায়ক কমিটির অনুমোদনসাতক্ষীরায় শিশু ধর্ষণ ও যৌন সহিংসতার প্রতিবাদে মানববন্ধন

করোনায় ভারতে একদিনে আরও ৩৮৪৭ জনের মৃত্যু

বিদেশের খবর : কোভিড-১৯ এর দ্বিতীয় ঢেউয়ে বিপর্যস্ত ভারত। এখনও পর্যন্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসার কোনো লক্ষণ নেই। গত ২৪ ঘণ্টায় ৩৮৪৭ জনের মৃত্যু হয়েছে মহামারিতে। এ নিয়ে দেশটিতে প্রাণহানি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ১৫ হাজারে।

বৃহস্পতিবার ভারতের কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে এই তথ্য দিয়েছে দেশটের নির্ভরযোগ্য গণমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া ও এনডিটিভি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দৈনিক মৃত্যু ৪ হাজারের কম হলেও ২ লাখের ওপরেই রয়েছে করোনা সংক্রমণ।

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ২ লক্ষ ১১ হাজার ২৯৮ জন। এ নিয়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা হল ২ কোটি ৭৩ লাখ ৬৯ হাজার ৯৩ জন।

দেশটিতে এখন যত মানুষ রোজ নতুন করে আক্রান্ত হচ্ছেন, তার থেকে বেশি রোজ সুস্থ হয়ে উঠছেন।

এর ফলে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা কময়ে। গত ২৪ ঘণ্টায় সক্রিয় রোগী কমেছে ৭৫ হাজার ৬৮৪ জন।

এই মুহূর্তে গোটা ভারতে সক্রিয় রোগী রয়েছেন ২৪ লাখ ১৯ হাজার ৯০৭ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা পরীক্ষা হয়েছে সাড়ে ২১ লাখের বেশি।

সংক্রমণের হারও রয়েছে ১০ শতাংশের নিচে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বৃষ্টির মধ্যেই স্থানীয়রা সাতক্ষীরায় বাঁধ সংস্কারের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন

অনলাইন ডেস্ক : ঘূর্ণিঝড় ‘ইয়াস’-এর প্রভাবে লণ্ডভণ্ড হয়ে যাওয়া বেড়িবাঁধ কিছু কিছু এলাকায় গতকাল রাতেই সংস্কার করেছে এলাকাবাসী। আজ বৃহস্পতিবার সকালেও লোকজন বাঁধ রক্ষায় কাজ করে যাচ্ছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) লোকজন ও স্বেচ্ছাসেবীরা এই কাজে সহায়তা করছেন।

এদিকে আজ বৃহস্পতিবারও সকাল থেকে সাতক্ষীরায় থেমে থেমে বৃষ্টি ও মৃদু ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাচ্ছে। এর মধ্যে এলাকাবাসী নিজেদের উদ্যোগে বাঁধ মেরামতের কাজ করে যাচ্ছে।

‘ইয়াস’ ও পূর্ণিমার প্রভাবে নিম্নাঞ্চলের গ্রামে জোয়ারের পানি ঢুকলেও তা ভাটায় নেমে গেছে। গ্রামবাসী তাদের ঘরবাড়ি সংস্কারেরও কাজ করছেন।

‘ইয়াস’-এর প্রভাবে উপকূলীয় উপজেলা শ্যামনগর, আশাশুনি, দেবহাটা ও কালিগঞ্জের একাংশের শত শত চিংড়ি ঘের পানিতে সয়লাব হয়ে গেছে। ফলে কয়েক কোটি টাকার চিংড়ি মাছ ভেসে গেছে।

জেলা প্রশাসক এস এম মোস্তফা কামাল জানিয়েছেন, এখন পর্যন্ত ক্ষয়ক্ষতি নিরুপণ করা যায়নি। তবে এ ব্যাপারে কাজ চলছে।

জোয়ারের পানিতে কিছু এলাকার সড়ক দেবে যাওয়ায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আইসিসি ওয়ানডের বোলিং র‌্যাংকিংয়ের দুইয়ে মিরাজ

অনলাইন ডেস্ক : দুর্দান্ত সময় পার করছেন মেহেদী হাসান মিরাজ। আইসিসি ওয়ানডে বোলিং র‌্যাকিংয়ে শীর্ষ দুইয়ে জায়গা করে নিয়েছেন তিনি। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে চলমান বিশ্বকাপ সুপার লিগের তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে প্রথম দুটিতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের সুবাদে এই পুরস্কার পেলেন ডানহাতি স্পিনার।

নতুন এই র‌্যাংকিংয়ে মিরাজ তিন ধাপ এগিয়েছেন। যেখানে প্রথম ম্যাচে ৩০ রানে ৪ উইকেট ও দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ২৮ রানে ৩টি উইকেট নেন। এর আগে ২০০৯ সালে টাইগার স্পিনার সাকিব আল হাসান শীর্ষ ও ২০১০ সালে আব্দুর রাজ্জাক শীর্ষ দুই নাম্বার বোলার হয়েছিলেন।
বাংলাদেশি বোলারদের মধ্যে পেসার মুস্তাফিজুর রহমানেরও বেশ উন্নতি হয়েছে। দুই ম্যাচে ৬ উইকেট নিয়ে ৮ ধাপ এগিয়ে র‌্যাংকিংয়ে ৯ নাম্বারে উঠে এসেছেন। ২০১৮ সালে পঞ্চম অবস্থানটি ছিল তার সেরা।

ওয়ানডে বোলিং র‌্যাংকিংয়ে যথাক্রমে শীর্ষেই রয়েছেন নিউজিল্যান্ডের পেসার ট্রেন্ট বোল্ট। তার রেটিং পয়েন্ট ৭৩৭। আর মিরাজে রেটিং পয়েন্ট ৭২৫। একধাপ করে পেছনে চলে যাওয়া আফগানিস্তানের স্পিনার মুজিব উর রহমান, কিউই পেসার ম্যাট হেনরি ও ভারতের পেসার জসপ্রিত বুমরাজ যথাক্রমে তিন, চার ও পাঁচে রয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ইয়াস উপকূল অতিক্রম করেছে, জলোচ্ছ্বাসে ক্ষতিগ্রস্ত শ্যামনগর-আশাশুনি

অনলাইন ডেস্ক : উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘ইয়াস’ আরও উত্তর-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে আজ (২৬ মে) বেলা ৩টা নাগাদ ডামরার উত্তর এবং বালাশোরের দক্ষিণ দিক দিয়ে ভারতের উত্তর উড়িষ্যা-পশ্চিমবঙ্গ উপকূল অতিক্রম সম্পন্ন করেছে। এটি আরও উত্তর-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর ও দুর্বল হয়ে প্রবল ঘূর্ণিঝড় আকারে উপকূলীয় উত্তর উড়িষ্যা ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। উত্তর বঙ্গোপসাগর ও বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় বায়ুচাপ পার্থক্যের আধিক্য বিরাজ করছে।

বুধবার (২৬ মে) বিকেলে ইয়াস সম্পর্কিত ১৯ নম্বর বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর। তারা আরও জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড় ইয়াস সম্পর্কে এই সিরিজের আর কোনো বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে না।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান বলেছেন, ঘূর্ণিঝড় ‘ইয়াস’ আজ সকাল থেকে ভারতের উপকূল অতিক্রম শুরু করে। এর প্রভাব থেকে বাংলাদেশ এখন সম্পূর্ণ মুক্ত। তবে ইয়াসের প্রভাবে অতি জোয়ার বা জলোচ্ছ্বাসে উপকূলীয় নয়টি জেলার ২৭ উপজেলার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী বুধবার দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সার্বিক ঘূর্ণিঝড় পরিস্থিতি বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন।

ডা. মো. এনামুর রহমান জানান, আজ সকাল থেকে ঘূর্ণিঝড় ‘ইয়াস’ ভারতের উড়িষ্যা উপকূল অতিক্রম শুরু করে। বিকেল ৪টা নাগাদ এটি উড়িষ্যা অতিক্রম করে। আমাদের এখানে ঘূর্ণিঝড়ের তেমন কোনো প্রভাব পড়েনি।

প্রতিমন্ত্রী জানান, অতি জোয়ার বা জলোচ্ছ্বাসে সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, পিরোজপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুর জেলার ২৭টি উপজেলা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত উপজেলাগুলোর মধ্যে রয়েছে- শ্যামনগর, আশাশুনি, কয়রা, দাকোপ, পাইকগাছা, শরণখোলা, মোংলা, মোড়েলগঞ্জ, মঠবাড়ীয়া, বরগুনা সদর, পাথরঘাটা, আমতলী, পটুয়াখালী সদর, গলাচিপা, রাঙ্গাবালী, দশমিনা, মির্জাগঞ্জ, কলাপাড়া, চরফ্যাশন, মনপুরা, তজুমদ্দিন, দৌলতখান, বোরহানউদ্দিন, ভোলা সদর, হাতিয়া, রামগতি ও কমলনগর। যে কোনো দুর্যোগ মোকাবিলায় মানবিক সহায়তা প্রদানের জন্য জেলা প্রশাসকদের অনকূলে পর্যাপ্ত খাদ্য সামগ্রী ও অর্থ বরাদ্দ দেওয়া আছে। এ ছাড়াও আজ ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে জোয়ারের পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় উপকূলীয় নয়টি জেলার ২৭টি উপজেলায় ক্ষতিগ্রস্তদের মানবিক সহায়তা দিতে ১৬ হাজার ৫০০ শুকনা ও অন্যান্য খাবারের প্যাকেট সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকদের বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

ডা. এনামুর রহমান জানান, উপকূলীয় জেলা, উপজেলাগুলোতে ঘূর্ণিঝড়ের তথ্য আদান-প্রদানে নিয়ন্ত্রণ কক্ষ খোলা হয়েছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের এনডিআরসিসি (জাতীয় দুর্যোগ সাড়াদান সমন্বয় কেন্দ্র) ঘূর্ণিঝড়ের তথ্য সংগ্রহ ও আদান-প্রদানে সার্বক্ষণিক কাজ করেছে। উপকূলীয় এলাকায় ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচির (সিপিপি) ৭৬ হাজার স্বেচ্ছাসেবক ছাড়াও স্কাউট, রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, আনসার ভিডিপির স্বেচ্ছাসেবকেরা কাজ করছে। ঝড় আঘাত হানলে মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রে আনার জন্য আশ্রয়কেন্দ্রগুলো প্রস্তুত ছিল। মানবিক সহায়তার যথেষ্ট সংস্থান আগে থেকেই করা ছিল। এ ছাড়া স্বাস্থ্যবিধি মেনে আশ্রয়কেন্দ্র ব্যবস্থাপনার জন্য যথেষ্ট মাস্ক এবং স্বাস্থ্য উপকরণ নিশ্চিত করা হয়েছিল।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ সচিব মো. মোহসীন বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে কিছু ক্ষয়ক্ষতির হিসাব প্রস্তুত করা হয়েছে। আরেকটা সভা করে স্বয়ংসম্পূর্ণ প্রতিবেদন করা হবে। মাঠের কাজ শেষ হলে অল্প সময়ের মধ্যে আমরা সেটা করব।’

সর্বশেষ জেলা প্রশাসন থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী ঘূর্ণিঝড় ‘ইয়াস’ এর প্রভাবে উপকূলীয় ১৪টি জেলার অবস্থাও তুলে ধরেন প্রতিমন্ত্রী।

সাতক্ষীরা : বর্তমানে আবহাওয়া স্বাভাবিক। জোয়ারের পানি স্বাভাবিকের চেয়ে তিন থেকে ছয় ফুট বেশি রয়েছে। কোনো কোনো জায়গায় বেড়িবাঁধ উপচে জোয়ারের পানি প্রবেশ করছে। জেলায় এক হাজার ২৯২টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছিল। গত রাতে শ্যামনগর উপজেলার বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে ২৮০ জন লোক আশ্রয় গ্রহণ করেছিল। বর্তমানে তারা নিজ নিজ বাড়িতে চলে গেছে।

 

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

শিক্ষা ডেস্ক : বেসরকারি কলেজ পর্যায়ে অনার্স-মাস্টার্স বন্ধ করে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। বৃত্তিমূলক শিক্ষা বাড়ানোর পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

বুধবার দুপুরে করোনার কারণে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটি ও শিক্ষা সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বেসরকারি কলেজ পর্যায়ে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, পর্যায়ক্রমে এই অনার্স-মাস্টার্স বন্ধ করে দিয়ে সেখানে ডিগ্রি স্তরে শিক্ষার্থীরা পড়াশুনা করবেন। ডিগ্রি পরীক্ষা দেবেন। নানা ধরনের শর্ট কোর্স, ডিপ্লোমা কোর্সগুলো করানো হবে সেখানে। যেগুলো অনেক বেশি কর্মমুখী, আত্মকর্মসংস্থানে ও উদ্যোক্তা তৈরিতে উপযুক্ত হবে।

জনসংখ্যাকে দক্ষ জনসম্পদে রূপান্তরিত করতেই সরকার এ পরিকল্পনা নিচ্ছে জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সব কলেজে অনার্স-মাস্টার্সের তেমন কোনো প্রয়োজন হয়ত নেই। অনেক ক্ষেত্রে শিক্ষিত বেকার তৈরি হচ্ছে। আমরা সেটা চাই না। আমরা জনসংখ্যাকে দক্ষ জনসম্পদে রূপ দিতে চাই।

তিনি বলেন, বেসরকারি কলেজ পর্যায়ে অনার্স-মাস্টার্স বন্ধ করার বিষয়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে আমরা কাজ শুরু করেছি। ইতোমধ্যে কমিটি করে দেওয়া হয়েছে। তারা পুরো বিষয়টি দেখছেন। আর বিশেষজ্ঞদের সঙ্গেও কথা বলা হবে। নানা ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে এই সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

তবে এখনই কলেজগুলোতে অনার্স-মাস্টার্স বন্ধ করা হচ্ছে না জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এই কাজটি একদিনে হঠাৎ করে বন্ধ করে দিয়ে করা যাবে না। যারা এখন অনার্স-মাস্টার্সে ভর্তি হচ্ছেন, তাদের শিক্ষাজীবন শেষ না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করা হবে। যখন থেকে আমরা মনে করব- পুরোপুরি বন্ধ করে দিতে পারব, তখন থেকেই আমরা বন্ধ করে দেব।

আবার সব কলেজেই অনার্স-মাস্টার্স বন্ধ হবে না বলেও জানান দীপু মনি। বলেন, শতবর্ষী ১৩টি কলেজে আছে, বেশ কিছু ভালো কলেজ আছে, যেখানে সব ধরনের উপযুক্ত ব্যবস্থা আছে, সেগুলোতে অনার্স-মাস্টার্স চালানো হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় নদীর বাঁধে ভাঙন, বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত

নিজস্ব প্রতিবেদক : ঘুর্ণিঝড় ইয়াশের প্রভাবে সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার উপকুলীয় অঞ্চলের নদীগুলোর প্রবল জোয়ারে বুধবার দুপুরে গাবুরা ইউনিয়নের জেলেখালি ও নাপিতখালিতে পানি উন্নয়ন বোর্ডের বাঁধ ভেঙে বিস্তীর্ণ অঞ্চল প্লারিত হয়েছে। একই সময়ে বুড়িগোয়ালিনি ইউনিয়নের দাতিনাখালি গ্রামের চেয়ারম্যান মোড়ের বেড়িবাঁধ ভেঙে গেছে। ভেটখালির শেখপাড়া জামে মসজিদের পাশে ও নূরনগরের কুলতলী এলাকার বেড়িবাঁধ ভেঙে বিস্তীর্ণ অঞ্চল পানিতে তলিয়ে গেছে।

এ ছাড়া ও কালীগঞ্জ উপজেলার কাকশিয়ালী নদীর পূর্ব নারায়ণপুরের জব্বারের ঘের নামক স্থানে বেড়ি বাঁধ ভেঙে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, বাস টার্মিনালসহ বিস্তীর্ণ অঞ্চণ জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। ভাঙনের ফলে কপোতাক্ষের পানিতে আশাশুনি উপজেলার কুড়িকাহনিয়া লঞ্চঘাট, হরিশখালি, রুইয়ার বিল, সুভদ্রকাটিসহ কয়েকটি গ্রাম ছয়লাব হয়ে গেছে।

আশাশুনি সদরের দয়ারঘাট ও বলাবাড়িয়ায় বেড়িবাঁধ উপচে পানি বিস্তীর্ণ অঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এতে কয়েক হাজার বিঘার ফসলের খেত ও চিংড়ি ঘের ভেসে গেছে। এ ছাড়া সুন্দরবন সংলগ্ন শ্যামনগর ও আশাশুনির উপকুলীয় বাঁধ উপচে পানি লোকালয়ে প্রবেশ করেছে। কয়েকটি স্থানে বেড়িবাঁধের অংশ বিশেষ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় গ্রামবাসি মাটি ও বালির বস্তা ফেলে বাঁধ রক্ষার চেষ্টা করছেন। জোয়ারের পানি উঠলেও ভাটায় তা নামছে না। এখন পর্যন্ত বেড়িবাঁধের ৪০টি পয়েন্ট ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। নদীর পানি কয়েক ফুট বৃদ্ধি পেয়েছে। দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত ভারী বৃষ্টি হয়েছে।

এদিকে মঙ্গলবার রাত থেকে বুধবার পর্যন্ত থেকে থেমে থেমে বৃষ্টি ও সেইসাথে ঝড়ো হাওয়া বয়ে গেছে। জেলার ১৪৫টি আশ্রয় কেন্দ্র ও দেড় হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান উপদ্রুত মানুষের জন্য খুলে রাখা হয়েছে। তাদের উদ্ধার, খাদ্য, পানি, ঔষধ ও চিকিৎসার জন্য সব ধরণের ব্যবস্থা রেখেছে জেলা প্রশাসন।
এদিকে ইয়াসের প্রভাবে তালার টিআরএম ভেঙে বিস্তির্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। বেশ কিছু ঘরবাড়ি ও মাছের ঘের প্লাবিত হয়েছে।

সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক এস এম মোস্তফা কামাল বলেন, ঘূণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে সাতক্ষীরার নদী গুলোতে পানি বেড়ে গাবুরা, বুড়িগোয়ালিনি,কৈখালী, পদ্মপুকুরসহ কয়েকটি ইউনিয়নের বেড়ীবাধ ভেঙে প্লাবিত হয়েছে। এছাড়া নদীর পানি বেড়ে ভেড়ী ছাপিয়েও পানি প্রবেশ করেছে। কিছু মানুষ জলাবদ্ধতার কবলে পড়েছে। তাদের আশ্রয় কেন্দ্রে নিয়ে আসা হচ্ছে। এছাড়া রাতে আবারো জোয়ারে পানি লোকালয়ে প্রবেশ করতে পারে। সেকারণে আমরা দ্রুত যতসম্ভব মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ে নিয়ে আসার চেষ্টা করছি। এদিকে পানি উন্নয়ন বোর্ড ও চেয়ারম্যানগণ সক্রিয় রয়েছেন ভাটা নেমে যাওয়ার সাথে সাথে পানি বের করতে কাজ করবেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় একদিনে শনাক্তের হার ৪৬%, আজ ৫৯ জনকে পরীক্ষা করে ২৭ জন শনাক্ত

ডেস্ক রিপোর্ট : সাতক্ষীরায় করোনা শনাক্তের হার উদ্বেগজনক হারে বেড়ে চলেছে। আজ বুধবার টানা তৃতীয় দিনের মত একদিনের পরীক্ষায় ৪০ শতাংশের বেশি করোনা আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছে।

আজ ৫৯ জনের নমুনা পরীক্ষায় ২৭ জনের করোনা পজিটিভ হয়েছে। অর্থাৎ শনাক্তের হার প্রায় ৪৬ শতাংশ।

এর আগে মঙ্গলবার ২৫ জনের করোনা শনাক্ত হয় ৬০ জনের নমুনা পরীক্ষায়। অর্থাৎ প্রায় ৪২ শতাংশ আক্রান্ত শনাক্ত হয়।

গত সোমবার ৬৮ জনের করোনা পরীক্ষা করে ২৮ জন অর্থাৎ ৪১ শতাংশের বেশি করোনা আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছিল।

সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের আরটিপিসিআর ল্যাবে আজ বুধবার ২৬ মে সর্বমোট ৫৯ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ২৭ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে।

সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন অফিস থেকে এ তথ্য পওয়া গেছে।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশের ভারতীয় সীমান্তবর্তী সাতক্ষীরা জেলায় হঠাৎ করে করোনা সংক্রমণের হার আশংকাজনকভাবে বেড়ে গেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
১২ জুন পর্যন্ত বাড়ল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি

অনলাইন ডেস্ক : চলমান করোনা সংক্রমণের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি আরেক দফা বাড়ল। এই ছুটি আগামী ১২ জুন পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটি ও শিক্ষা সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে জানাতে বুধবার (২৬ মে) দুপুরে আয়োজিত এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এ কথা জানান।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি আগামী ১২ জুন পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে। এরপর মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া হবে। আমাদের সকল প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। আমরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে ক্লাস নিতে পারবো।’

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন, শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন, কারিগরি ও মাদরাসা বিভাগের সচিব মো. আমিনুল ইসলাম, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. জি এম হাসিবুল আলম, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান কাজী শহীদুল্লাহ, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক গোলাম ফারুক চৌধুরী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest