সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় পূর্ব শত্রুতার জেরে মুদি ও চায়ের দোকানে অগ্নিসংযোগের অভিযোগডিবিসি নিউজের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ: ডিবি হেফাজতে ইকবাল সোবহানভিডিও কন্টেন তৈরীর আড়ালে চাঁদাবাজী -ব্লাকমেইল-আলোচিত মামুন গ্রেফতারশ্যামনগরে অনলাইন জুয়া চক্রের মূল হোতা আটক: ‌দুটি মোবাইল জব্দসাতক্ষীরায় ছাত্রশিবিরের ২০২৭ সালের ইংরেজি নববর্ষ প্রকাশনার উদ্বোধন১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারে এবার দাম বাড়ল ২২৩ টাকাসাতক্ষীরায় নির্মানাধীন ভবনের কাজ নিয়ে দুপক্ষের বিরোধের মীমাংসাবীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর জানাজা ও দাফনে বাধা: সাতক্ষীরায় মানববন্ধনশ্যামনগরে বাস-ইজিবাইক মুখোমুখি সংঘর্ষে ইজিবাইক চালক নিহততালায় উপজেলার শ্রেষ্ঠ সংগঠক নির্বাচিত তরুণ সমাজকর্মী এস. এম. নাহিদ

সাতক্ষীরায় গোপালভোগ ও গোবিন্দভোগ দিয়ে আম ভাঙা শুরু

আসাদুজ্জামান : সাতক্ষীরায় আজ রোববার থেকে আম ভাঙা শুরু হয়েছে। প্রথমেই ভাঙা হচ্ছে গোপালভোগ ও গোবিন্দভোগ আম। পর্যায়ক্রমে ভাঙা হবে আ¤্রপালি ও ল্যাংড়া আম।

উৎপাদন মোটামুটি ভাল হলেও দামে খুশী নন চাষিরা। তবে আমের মান বজায় রাখতে তৎপর প্রশাসনিক কর্মকর্তারা।

কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, জেলায় এবার ৫ হাজারেরও বেশি বাগানে আম চাষ হয়েছে। ১৩ হাজার ১শ’ জন চাষি এই আম চাষ করেছেন। এবার উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৪০ হাজার মেট্রিকটন। আর ৫শ’ হেক্টর জমিতে গোপালভোগ ও গোবিন্দভোগ আম চাষ করা হয়েছে। আম উৎপাদনের টার্গেট পূরণ হবে বলে আশা করছেন কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা।

আবহাওয়া ও মাটির গুনে অন্যান্য স্থানের তুলনায় সাতক্ষীরার আম আগে পাকে। দাম পাওয়ার আশায় অনেকেই তাই কাঁচা আম পাড়েন। প্রশাসনিক কর্মকর্তারা আগে থেকেই আম ভাঙার তারিখ নির্ধারণ করে দিয়েছিলেন। নির্ধারণ করে দেয়া তারিখ অনুযায়ী রোববার থেকে গোপালভোগ ও গোবিন্দভোগ আম ভাঙা হচ্ছে।
তবে প্রথম দিনে আমের দামে সন্তুষ্ট নন চাষিরা। সুলতানপুর বড়বাজারে গোপালভোগ ও গোবিন্দভোগ আমের দাম গড়পড়তায় মণপ্রতি ১ হাজার ৮ শ’ থেকে ২ হাজার ২শ’ টাকায় বিক্রি হয়েছে। তবে, চাষীরা বলছেন ন্যুনতম মলপ্রতি দাম ২ হাজার ৮ শ’ টাকা বিক্রি না হলে তাদের লোকসান হবে।

সদর উপজেলার শাল্যে গ্রামের আম চাসী ওমর আলী জানান,তার ৫বিঘা জমিতে আম চাষ হয়েছে। প্রতি বিঘা জমিতে ১৬/১৭ টি গোবিন্দভোগ ও গোপালভোগ আম গাছ রয়েছে। আশা করছি প্রতি বিঘা জমিতে ১শ’ মণ আম পাবো।

বড়বাজারের আম ব্যবসায়ী লিয়াকত হোসেন জানান, আজকে যেহেতু প্রথম আম আনুষ্ঠানিকভাবে বিক্রি হচ্ছে,তাই বাজার দর একটু কম। কয়েকদিনের মধ্যে বাজার চড়া হবে বলে জানান তিনি। সুলতানপুর বড়বাজারে গোপালভোগ ও গোবিন্দভোগ আমের দাম গড়পড়তায় মণপ্রতি ১ হাজার ৮ শ’ থেকে ২ হাজার ২শ’ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

সুণতানপুর বড়বাজার কাঁচা-পাকা মাল ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহিম বাবু জানান, সরকারি বিধি প্রতিপালনের কিছুটা দায়িত্ব আমাদের রয়েছে। আমরা ঘোষণা দিয়েছি,গোপালভোগ ও গোবিন্দভোগ আম ছাড়া অন্যকোন আম যদি কেউ বড়বাজারে নিয়ে আসে,তবে আমরা সে আম নষ্ট করে দেব।

এছাড়া কেমিক্যাল দিয়ে আম পাকানোর বিষয়েও সতর্ক রয়েছি আমরা। সাতক্ষীরা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ নূরুল ইসলাম বলেন,বাইরে থেকে যারা আম কিনতে আসবেন,তাদেরকে কমপক্ষে তিন দিন কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে। এছাড়া আম চাষিদের সুবিধার্থে ২১ মে
হিমসাগর, ৪ জুন আ¤্রপালি ভাঙার তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। তিনি আরো জানান, এবছর এখনো সাতক্ষীরায় ঝড়-বর্ষা হয়নি। তাপদাহে আম কিছুদিন আগে থেকে পরিপক্ক হয়েছে। তাই ভাঙার তারিখও এগিয়ে আনা হয়েছে।

এ ব্যাপারে সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক এস এম মোস্তফা কামাল জানান, সুলতানপুর বড়বাজারসহ বিভিন্ন আমের মোকামে প্রশাসনিক নজরদারি রাখা হয়েছে।

রাসায়নিক দ্রব্য দিয়ে আম পাঁকালে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। এছাড়া আম সিন্ডিকেট যাতে গড়ে উঠতে না পারে,সে বিষয়েও নজরদারি রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

দেশের খবর : দেশে মহামারি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরো ৬৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ পর্যন্ত করোনায় দেশে মোট মৃত্যু হয়েছে ১১ হাজার ৫৭৯ জনের।

এছাড়া এ সময় নতুন করে করোনা আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন ১ হাজার ৩৫৯ জন। এতে মোট শনাক্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৭ লাখ ৬১ হাজার ৯৪৩ জনে।

রোববার (২ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তার থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনামুক্ত হয়েছেন ২ হাজার ৬৫৭ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ৬ লাখ ৮৭ হাজার ৩২৮ জন।

২৪ ঘণ্টায় ১৪ হাজার ৪২ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। পরীক্ষা করা হয়েছে ১৪ হাজার ১৫৮টি। নমুনা পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার ৯ দশমিক ৬০ শতাংশ। দেশে এ পর্যন্ত মোট নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৫৪ লাখ ৯৮ হাজার ৯৭৯টি। মোট পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৮৬ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ৬৯ জনের মধ্যে ঢাকা বিভাগেরই ৩৮ জন। এছাড়া চট্টগ্রামে ১৪, রাজশাহীতে ১, খুলনায় ৫, বরিশালে ৭, সিলেটে ১, রংপুরে ২ এবং ময়মনসিংহে ১ জন মারা গেছেন।

২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়াদের মধ্যে ৪৪ জন পুরুষ এবং ২৫ জন নারী। এদের মধ্যে বাসায় মারা গেছেন ২ জন। বাকিরা হাসপাতালে মারা গেছেন। এ পর্যন্ত ভাইরাসটিতে মোট মারা যাওয়া ১১ হাজার ৫৭৯ জনের মধ্যে পুরুষ ৮ হাজার ৪৩৪ জন এবং নারী ৩ হাজার ১৪৫ জন।

বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়াদের মধ্যে ৪৪ জনেরই বয়স ৬০ বছরের বেশি। এছাড়া ৫১ থেকে ৬০ বছরের ১১, ৪১ থেকে ৫০ বছরের ৭, ৩১ থেকে ৪০ বছরের ৩ এবং ২১ থেকে ৩০ বছরের ২, ১১ থেকে ২০ বছরের ১ জন এবং ১০ বছরের নিচে ১ জন রয়েছেন।

গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম ৩ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ দেশে এ ভাইরাসে আক্রান্ত প্রথম একজনের মৃত্যু হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা জেলা আইনজীবী সমিতিতে উত্তেজনা চরমে, মামলার পর মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরা জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি অ্যাড. শাহ আলমের বিরুদ্ধে আজ রোববার দ্রুত বিচার আইনে আরও তিনটি মামলা করেছেন তিনজন সিনিয়র আইনজীবী। এর আগে তার বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে একটি মামলা করেন সাতক্ষীরার পিপি অ্যাড. আবদুল লতিফ।

এ নিয়ে তার ও তার অনুসারী আইনজীবীদের বিরুদ্ধে মোট চারটি মামলা দায়ের হয়েছে। অপরদিকে অ্যাড. শাহ আলম সিনিয়র আইনজীবী অ্যাড. এসএম হায়দর, অ্যাড.সম সালাহউদ্দিন এবং অ্যাড. আবদুল মজিদের বিরুদ্ধে কয়েকদিন আগে দ্রুত বিচার আইনে একটি মামলা করেন।

সাতক্ষীরার পিপি অ্যাড. আবদুল লতিফ জানান, অ্যাড. শাহ আলমের বিরুদ্ধে আজ রোববার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. রেজয়ানুজ্জামানের আদালতে তিনটি মামলা হয়েছে।

এসব মামলায় অভিযোগ করা হয় যে সম্প্রতি অ্যাড. শাহ আলমের নেতৃত্বে তার অনুসারীরা সাবেক পিপি এসএম হায়দর, সাবেক সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য সম সালাহউদ্দিন ও সাবেক সভাপতি আব্দুল মজিদের ল. চেম্বারের নাম ফলক ভেঙ্গে পদদলিত করে তাদের অফিস কক্ষ ভাংচুর ও তছনছ করেন। এই তিন মামলার বাদি হয়েছেন অ্যাড. সেলিনা আক্তার শেলী, অ্যাড. নুরুল আমীন ও অ্যাড. শাহিনুজ্জামান শাহিন। প্রতি মামলায় এ্যাড. শাহ আলমকে প্রথম বিবাদীভূক্ত করে প্রথমটিতে ২০ জন, দ্বিতীয়টিতে ২০ জন এবং তৃতীয়টিতে ১৮ জনকে বিবাদীভূক্ত করা হয়েছে এবং বিচারক মামলা তিনটি তদন্ত করে ১৫ দিনের মধ্যে আদালতে পেশ করার নির্দেশ দিয়েছেন পিবিআইকে।

উল্লেখ্য, গত ২৬ এপ্রিল জেলা জজ আদালতে একটি ধর্ষণ মামলার ভার্চুয়াল শুনানী চলাকালে পিপি অ্যাড. আবদুল লতিফকে উদ্দেশ্য করে অশোভন ভাষায় কটূক্তি করেন বিবাদী পক্ষের আইনজীবী অ্যাড. শাহ আলম। এ নিয়ে হট্টগোলের এক পর্যায়ে কয়েকজন সিনিয়র আইনজীবী বিষয়টি সম্পর্কে জানতে তার ল’ চেম্বারে গেলে অ্যাড. শাহ আলম ক্ষিপ্ত হয়ে তাদের ওপর চড়াও হন এবং চেয়ার উচিয়ে তেড়ে আসেন। এ সময় তার সাথে ধস্তাধস্তি ও কিলচড় ঘুষোঘুষির মতো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে যায়।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে কয়েকজন সিনিয়র আইনজীবী কম বেশি আহত হন। অপরদিকে শাহ আলম লাঞ্ছিত হন।

অ্যাড.শাহ আলম এ ঘটনায় ১০ জন সিনিয়র আইনজীবীর নাম উল্লেখ করে দ্রুত বিচার আইনে একটি মামলা করেন। তার আগে অ্যাড. আবদুল লতিফ অ্যাড. শাহ আলমের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে একটি মামলা করেন।

এরই মধ্যে ২৭ এপ্রিল সিনিয়র আইনজীবীদের নাম ফলক ভাংচুর এবং তাদের কক্ষ তছনছ করা হয়। উত্তেজনাকর এমন পরিস্থিতিতে আজ রোববার অ্যাড. শাহ আলম ও তার অনুসারীদের বিরুদ্ধে নতুন করে তিনটি মামলা হয়েছে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে। এসব ঘটনায় জেলা আইনজীবি সমিতির বিভক্ত দুই গ্রুপের মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। এক গ্রুপ আরেক গ্রুপের বিরুদ্ধে কর্মসূচী দিচ্ছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নন্দীগ্রামে হারলেও মুখ্যমন্ত্রী হতে বাধা নেই মমতার

বিদেশের খবর : পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ আসন নন্দীগ্রাম। এই আসনে ফল নিয়ে চরম নাটকীয়তা চলছে। একবার খবর আসছে তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা ব্যানার্জি জয়ী হয়েছেন, আরেকবার জানা যাচ্ছে বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী জিতেছেন। তবে যেই জিতুক এখন প্রশ্ন, নন্দীগ্রামে হেরে গেলে মমতা কি পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হতে পারবেন?

সর্বশেষ খবর অনুযায়ী, নন্দীগ্রামে ১ হাজার ৬২২ ভোটে জিতে গেছেন বলে দাবি করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। যদিও পোস্টাল ব্যালট ছাড়া মমতার সঙ্গে শুভেন্দুর জয়ের ব্যবধান ৯ হাজার ৭৮৭ ভোটের। তারপরও সংবাদ সম্মেলনে নন্দীগ্রামে হেরে গেছেন জানিয়ে মমতা বলেছেন, ‘নন্দীগ্রাম যা রায় দেবে, মাথা পেতে নেব।’

আনন্দবাজার পত্রিকার হিসাবে, ক্ষমতাসীন তৃণমূল বর্তমানে ২০৯ আসনে এগিয়ে রয়েছে। আর বিজেপি এগিয়ে আছে মাত্র ৮০ আসনে। তবে বিজেপির জন্য একমাত্র স্বস্তির খবর, নন্দীগ্রামে জিতেছেন শুভেন্দু। যদিও এই ফল নিয়ে বিভ্রান্তি রয়েছে। কারণ, এ নিয়ে এখন পর্যন্ত কোনো বিবৃতি প্রকাশ করেনি নির্বাচন কমিশন।

ভারতের সংবিধানের ১৬৩ ও ১৬৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, দেশটিতে কাউকে মুখ্যমন্ত্রী বা রাজ্যের মন্ত্রিপরিষদের সদস্য হতে হলে বিধানসভার সদস্য হতে হবে। মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচন করবেন রাজ্যের বিধানসভার সংখ্যাগরিষ্ঠ আইনপ্রণেতারাই।

এতে আরও বলা রয়েছে, টানা ছয় মাস মন্ত্রী কিংবা মুখ্যমন্ত্রী থাকতে হলে তাকে রাজ্যের কোনো একটি আসন থেকে নির্বাচিত হয়ে আসতে হবে। তা না হলে ১৮০ দিন পর তার পদ বাতিল হয়ে যাবে।

সংবিধানের এসব ধারা অনুযায়ী, তৃণমূল কংগ্রেসকে ক্ষমতা ধরে রেখে মমতা যদি নন্দীগ্রামে শুভেন্দুর কাছে হেরে যান, তাহলে অন্য কোনো একটি আসন থেকে নির্বাচিত হয়ে আসতে ৬ মাস সময় পাবেন তিনি। সেক্ষেত্রে দলের কোনো এক সদস্যকে পদত্যাগ করে তার আসনটি শূন্য করে দিতে হবে। আর সেখান থেকেই নির্বাচন করে রাজ্যের ২৯৪ আসনের বিধানসভার আইনপ্রণেতা নির্বাচিত হবেন মমতা।

এদিকে নন্দীগ্রামে ফলাফল নিয়ে সৃষ্ট বিভ্রান্তির বিরুদ্ধে আদালতে যাবেন বলে জানিয়েছেন মমতা। তিনি অভিযোগ করে বলেছেন, ‘আমার কাছে অভিযোগ রয়েছে, রায় ঘোষণার পর কারচুপি হয়েছে।’

এর আগে সংবাদ সংস্থা এএনআই জানিয়েছিল, ১ হাজার ২০২ ভোটে নন্দীগ্রামে মমতা জয়ী হয়েছেন। সার্ভারের ত্রুটির কারণে দুপুরে এমনিতেই ৪০ মিনিট ভোট গণনা বন্ধ ছিল। তারপর মমতার জয়ের খবর সামনে আসার পরও কোন তথ্য প্রকাশ করতে পারেনি কমিশন। এর পরই জানা যায়, বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু জয়ী হয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নন্দীগ্রামের ফলাফল নিয়ে বিভ্রান্তি : মমতা না শুভেন্দু কে জয়ী?

বিদেশের খবর : পশ্চিমবঙ্গের নন্দীগ্রাম আসনে কে জিতেছেন, তা নিয়ে বিভ্রান্তি দেখা দিয়েছে। শুরুতে এই আসনে তৃণমূল নেত্রী ও বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জয়ের খবর আসে। পরে জানা যায়, মমতা নয়, জিতেছেন বিজেপির নেতা ও এক সময়ের মমতার সহযোগী শুভেন্দু অধিকারী।

এর আগে এনডিটিভি, টাইমস অব ইন্ডিয়া ও আনন্দবাজার পত্রিকাসহ ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো নন্দীগ্রামে মমতার জয়ের কথা জানিয়েছিল।

পশ্চিমবঙ্গের সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজারের খবরে বলা হয়, ১৭ রাউন্ড ভোট গণনার পর তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেখানে জয়ী হয়েছেন বলে খবর আসে। কিন্তু সন্ধ্যা গড়াতে মমতার জয় নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। বলা হয়, সার্ভারে সমস্যার জেরে সঠিক ভাবে কিছু জানা যাচ্ছে না। তার পরেই ১৬২২ ভোটে শুভেন্দু অধিকারীর জয়ের খবর আসে।

এর আগে সংবাদ সংস্থা এএনআই জানিয়েছিল, ১২০২ ভোটে নন্দীগ্রামে জয়ী হয়েছেন মমতা। সার্ভারের ত্রুটির জেরে দুপুরে এমনিতেই চল্লিশ মিনিট ভোট গণনা বন্ধ ছিল সেখানে। তার পর মমতার জয়ের খবর সামনে আসার পরও কোনো তথ্য প্রকাশ করতে পারেনি কমিশন। তার পরেই জানা যায়, শুভেন্দু জয়ী হয়েছেন। তবে কমিশনের তরফে এখনো পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো বিবৃতি প্রকাশ করা হয়নি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
১২০১ ভোটে নন্দীগ্রামে জয় মমতার

অনলাইন ডেস্ক : পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনে আলোচিত কেন্দ্র নন্দীগ্রামে জয়ী হয়েছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এক হাজার ২০১ ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বী বিজেপির প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারীকে পরাজিত করেন তিনি। এএনআইর বরাত দিয়ে একথা জানিয়েছে আনন্দবাজার পত্রিকা।

রোববার ভারতীয় সময় সকাল ৮টায় শুরু হয়েছে ভোটগণনা। সকাল থেকে ভোটের খবরে বড় আকর্ষণ ছিল নন্দীগ্রাম। সেখানে দীর্ঘ সময় পিছিয়ে ছিলেন মমতা। তবে বেলা ২টার পর থেকে পরিস্থিতি পাল্টাতে থাকে। ১৫ রাউন্ড গণনার শেষে মমতা প্রতিদ্বন্দ্বী শুভেন্দু অধিকারীর চেয়ে এগিয়ে যান।

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার মোট আসন ২৯৪টি হলেও নির্বাচনের মধ্যে দুই প্রার্থীর মৃত্যু হওয়ায় দুটি আসনের ভোট স্থগিত হয়। ফলে সকালে ২৯২টি আসনের ভোট গণনা শুরু হয় কড়া নিরাপত্তার মধ্যেই।

গত ২৭ মার্চ পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের ভোট শুরু হয়। শেষ হয় গত বৃহস্পতিবার। আট দফায় ভোট পড়ার গড় হার ৮১ দশমিক ৬ শতাংশ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা অক্সিজেন ফাউন্ডেশনের উদ্বোধন

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরায় বৈশি^ক মহামারি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত অসহায় রোগীদের বিনামূল্যে অক্সিজেন সেবা দিতে “সাতক্ষীরা অক্সিজেন ফাউন্ডেশনের” উদ্বোধন করা হয়েছে।
খুলনা ব্লাড ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় ও সাতক্ষীরা ব্লাড ব্যাংকের তত্ত্বাবধায়নে বরবিবার বেলা সাড়ে ১১টায় সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন অফিসের সম্মেলন কক্ষে সাতক্ষীরা অক্সিজেন ফাউন্ডেশনের উদ্বোধন করেন সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের সিভিল সার্জন ডা: মো: হুসাইন সাফায়াত। পরে সাতক্ষীরা ব্লাড ব্যাংকের পক্ষ থেকে একজন অসহায় প্রতিবন্ধী শিশুকে হুইল চেয়ার প্রদান করা হয়।
এসময় প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, এটি একটি মহাৎ উদ্যোগ। বর্তমান পরিস্থিতিতে মানুষ যে কত অসহায় তা কল্পনার বাইরে, তবে সাময়িক এই পরিস্থিতি মোকাবেলায় সকলকে এক সাথে কাজ করতে হবে। বৈশ^ক মহামারিতে সাতক্ষীরা ব্লাড ব্যাংকের এমন উদ্যোগকে তিনি সাধুবাদ জানান এবং সাতক্ষীর সদর হাসপাতালের পক্ষ থেকে সকল প্রকার সহযোগিতার আশ^াস দেন। পাশাপাশি তিনি খুলনা ব্লাড ফাউন্ডেশনকে সাতক্ষীরার অসহায় মানুষের অক্সিজেন সংকট মোকাবেলায় সহযোগিতা করার জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।
সাতক্ষীরা ব্লাড ব্যাংকের সিনিয়র উপদেষ্টা ও সরকারী কলেজের সহযোগি অধ্যাপক মুস্তাসিম বিল্লাহ’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার জয়ন্ত কুমার, খুলনা বিএল কলেজের সহকারি অধ্যাপক আবু তালেব, খুলনা ব্লাড ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সালেহ উদ্দীন সবুজ, সাংগঠনিক সম্পাদক কমলেশ বাছাড়, নিউ মটর সাইকেল মার্ট’র স্বাত্বাধিকারী জিয়াউল আলম জিয়া, সাতক্ষীরা ব্লাড ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মঈনুল আমিন মিঠু, সাধারণ সম্পাদক খালিদ হাসান প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় গ্রাম ডাক্তারদের মধ্যে মাস্ক বিতরণ

নিজস্ব প্রতিনিধি : করোনায় দ্বিতীয় ধাপ মোকাবেলায় সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান বাবুর পক্ষ থেকে সাতক্ষীরায় গ্রাম ডাক্তারদের মধ্যে মাস্ক বিতরণ করা হয়েছে। রোববার বেলা ১১টায় সাতক্ষীরা সদর উপজেলা কনফারেন্সে রুমে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে সাতক্ষীরা গ্রাম ডাক্তার কল্যাণ সমিতির নেতৃবৃন্দের সাথে এ মাস্ক তুলেন দেন সাতক্ষীরা সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান বাবু।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান কোহিনুর ইসলাম। সাতক্ষীরা গ্রাম ডাক্তার কল্যাণ সমিতির সভাপতি মাহবুুবুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল গফফার, সদর উপজেলার সভাপতি – সাধারণ সম্পাদক ও পৌরসভার সভাপতি সাধারণ সম্পাদকসহ গ্রাম ডাক্তারবৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest