সর্বশেষ সংবাদ-
শ্যামনগরে অনলাইন জুয়া চক্রের মূল হোতা আটক: ‌দুটি মোবাইল জব্দসাতক্ষীরায় ছাত্রশিবিরের ২০২৭ সালের ইংরেজি নববর্ষ প্রকাশনার উদ্বোধন১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারে এবার দাম বাড়ল ২২৩ টাকাসাতক্ষীরায় নির্মানাধীন ভবনের কাজ নিয়ে দুপক্ষের বিরোধের মীমাংসাবীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর জানাজা ও দাফনে বাধা: সাতক্ষীরায় মানববন্ধনশ্যামনগরে বাস-ইজিবাইক মুখোমুখি সংঘর্ষে ইজিবাইক চালক নিহততালায় উপজেলার শ্রেষ্ঠ সংগঠক নির্বাচিত তরুণ সমাজকর্মী এস. এম. নাহিদকলারোয়ায় প্রবাসীর অর্ধকোটি টাকার ইটভাটা জবরদখলের অভিযোগ- বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলননক্ষত্রের অভিবাদন: শ্যামনগরে ১০ গুণী ব্যক্তিকে সংবর্ধনাসাংবাদিক পুত্র কাজী ফাহিমের অতুলনীয় সাফল্য : প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের অভিনন্দন

দুই দিন ধরে মৃত মায়ের পাশে শিশু, করোনায় কাছে আসেনি কেউ

বিদেশের খবর : করোনার আতঙ্কে মৃত মায়ের পাশেই দিন দুয়েক ধরে অভুক্ত হয়ে পড়ে রইল ১৮ মাসের শিশু। তার মা করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন এমন সন্দেহে সংক্রমিত হওয়ার ভয়েই শিশুটির সাহায্যে আশপাশের কেউ এগিয়ে আসেনি।

মর্মান্তিক এ ঘটনা ঘটেছে ভারতের মহারাষ্ট্রের পুনেতে। পুলিশের বরাত দিয়ে ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম আনন্দবাজার পত্রিকা জানায়, মৃত নারী পুনের পিমরি চিঞ্চবাড় এলাকার বাসিন্দা ছিলেন।

সোমবার (২৬ এপ্রিল) তার ঘর থেকে দুর্গন্ধ আসতে শুরু করে। প্রতিবেশীরা পুলিশে খবর দিলে পুলিশ এসে দরজা ভেঙে ওই নারীর মৃতদেহ উদ্ধার করে। মারা যাওয়ার আগে ওই নারী তার শিশুসন্তানকে নিয়ে একাই ঘরে ছিলেন। তার স্বামী উত্তরপ্রদেশে কাজের খোঁজে গিয়েছিলেন।

পুলিশের অনুমান, গত শনিবার (২৪ এপ্রিল) ওই মহিলার মৃত্যু হয়েছে। তবে ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর সঠিক সময় জানা যাবে বলে জানিয়েছেন তদন্তকারীরা। পাশাপাশি, ওই নারী আসলেই করোনা পজিটিভ ছিলেন কি না, তা-ও বোঝা যাবে।

করোনায় সংক্রমণের ভয়ে প্রতিবেশীদের কেউ ওই শিশুটিকে কোলে নিতে চায়নি। শিশুটিকে কোলে তুলে নিয়েছেন মহিলা কনস্টেবল সুশীলা গোভলে এবং রেখা ওয়াজে। তিনি বলেন, ‘আমারও তো দু’টি সন্তান রয়েছে। একজন ৮ আর অন্যজন ৬ বছরের। বাচ্চাটাকে দেখে মনে হলো যেন আমার নিজের। বাচ্চাটার এত খিদে পেয়েছিল যে চটপট দুধ খেয়ে নিয়েছে।’

সুশীলার সহকর্মী রেখা জানিয়েছেন, মহিলার করোনায় মৃত্যুর সন্দেহ করা হলেও আশ্চর্যজনকভাবে তার বাচ্চাটি প্রায় সুস্থই রয়েছে। তবে সামান্য জ্বর থাকায় সরকারি হাসপাতালে বাচ্চাটির কোভিড টেস্ট করানো হয়েছে।

রেখা বলেন, ‘বাচ্চাটিকে ডাক্তার দেখানোর সময় ওর একটু জ্বর ছিল। ডাক্তার ওকে ভালো করে খাওয়াতে বলেছেন। আমরা জল আর বিস্কুট খাওয়ানোর পর বাচ্চাটি ভালোই রয়েছে। সরকারি হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে কোভিড টেস্টও করিয়েছি।’

পুণে পুলিশের অপরাধ দমন শাখার ইনস্পেক্টর প্রকাশ যাদব জানিয়েছেন, বাচ্চাটির রিপোর্টে করোনা ধরা পড়েনি। আপাতত তাকে সরকারিভাবে দেখভাল করা হচ্ছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তেঁতুল : স্বাদে টক গুণে অনন্য!

কে এম রেজাউল করিম, দেবহাটা : তেঁতুলের নাম শুনলেই জিভে জল আসে না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া যাবে না। টক তেঁতুল মুখে দিলে আমাদের যে ভিন্ন এক অনুভূতি হয় তা নিশ্চয়ই বলতে হবে না। তেঁতুল পছন্দ করে না এমন মানুষ পাওয়া খুব কঠিন। বিশেষ করে তরূণীদের খাবারের তালিকায় উপরের দিকেই পাওয়া যায় এর নাম। তবে অনেকেরই ধারণা তেঁতুল খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর এবং তেঁতুল খেলে রক্ত পানি হয়। এ ধারণা সম্পূর্ণ ভুল। বরং তেঁতুলে রয়েছে প্রচুর পুষ্টি ও ভেষজ গুণ। তেঁতুল দেহে উচ্চরক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে এবং হৃদরোগীদের জন্য খুব উপকারী।

দেবহাটা উপজেলার কাজীমহল্লা নামক গ্রামে দেখা পাওয়া গিয়েছে লোভনীয় একটি তেতুঁল গাছ। প্রতিটি ডাল হতে শিরা-উপশিরায় যেন তেতুঁলের সমারোহ।

তেঁতুলের ইতিহাসটি ঘেঁটে দেখা যায়, খ্রিস্ট জন্মের ৪শ’ বছর আগে মিসর ও গ্রিক সভ্যতার অধিবাসীরা একে ফল হিসেবে গ্রহণ করেন। এর আদি নিবাস আফ্রিকার সাভানা অঞ্চল ও দক্ষিণ এশিয়া। প্রাচীনকাল থেকে ভারতবর্ষ ও সুদানের জঙ্গলে তেঁতুল হয়ে আসছে। ধারণা করা হয়, সুদান থেকেই এটি বাংলাদেশে আসে। সারাদেশেই দেখা যায় তেঁতুল গাছ। অনেকেই জানেন না, এ গাছ বহু দিন বাঁচে। এমনকি তিন শ’ বছর পর্যন্ত! বীজের গাছ থেকে ফল ধরতে প্রয়োজন হয় ১০ থেকে ১২ বছর। শীতের কালে তেঁতুল গাছের দিকে তাকালেই চোখে পড়বে থোকা থোকা ফল।

সাতক্ষীরা জেলার দেবহাটা উপজেলার গ্রামে গিয়ে দেখা যায়,ঘন পাতার আড়ালে থোকা থোকা তেঁতুল ধরে আছে। যেন কিছুটা লুকিয়ে আছে। তেতুঁল গাছ বাঁকানো এই ফল ১৫ থেকে ২০ সেন্টিমিটার লম্বা হয়। বহিরাংশ প্রথমে সবুজ,ধীরে ধীরে বাদামি রং ধারণ করে। পাকা অবস্থায় খোসা মচমচে ধরণের হয়। এর ভেতরে থাকে পুরুষ শাঁস। পাকা ফলের শাঁস শুকিয়ে খাওয়া যায়। প্রতিটি ফলের ভেতরে ৫ থেকে ১২টি বীজ থাকে। বীজের রং উজ্জ্বল খয়েরি। দেশী জাতের তেঁতুলের মধ্যে কোনটির ফল সরু ও লম্বা, কোনটি মোটা ও গোলগাল।

পুষ্টি বিজ্ঞানীদের পরীক্ষা-নিরীক্ষা বলছে, তেঁতুলের রয়েছে প্রচুর ভেষজ ও পুষ্টিগুণ। তেঁতুল হৃদরোগসহ বিভিন্ন রোগে খুব উপকারী। দেহে উচ্চরক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। হৃদরোগীদের জন্য বিশেষ উপকারী। রক্তে কোলস্টেরল কমায়। শরীরের মেদ কমাতেও কাজ করে তেঁতুল। এতে টারটারিক এ্যাসিড থাকায় খাবার হজমে সহায়তা করে। শরবত করেও খাওয়া যেতে পারে তেঁতুল। পেটের বায়ু, হাত-পা জ্বালায় এ শরবত কার্যকর পথ্য। তাই তিন-চার দানা পুরনো তেঁতুলের এক কাপ রসের সঙ্গে চিনি বা লবণ মিশিয়ে খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন ভেষজ চিকিৎসকরা। তেঁতুল গাছের বাকলেও উপকার আছে। শুকনো বাকলের প্রলেপ ক্ষতস্থানে লাগালে ক্ষত সারে। ছাল চূর্ণ করে তৈরি রস হাঁপানি ও দাঁত ব্যথায় কাজ দেয়। আয়ুর্বেদীয়, হোমিও, এ্যালোপ্যাথিক ওষুধ তৈরিতেও ব্যবহার করা হয় তেঁতুল। তেঁতুল পাতারও আলাদা গুণ। এর রস কৃমিনাশক ও চোখ ওঠা রোগে কাজে আসে। মুখে ঘা বা ক্ষত হলে পাকা তেঁতুল জলে কুলকুচি করলে উপকার পাওয়া যায়। বুক ধড়ফড় করা, মাথা ঘোরানো ও রক্তের প্রকোপে তেঁতুল উপকারী। কাঁচা তেঁতুল গরম করে আঘাত পাওয়া স্থানে প্রলেপ দিলে ব্যথা সারে। পুরনো তেঁতুল খেলে আমাশয়, কোষ্ঠবদ্ধতা ও পেট গরমে উপকার পাওয়া যায়। পুরনো তেঁতুল খেলে কাশি সারে। পাকা তেঁতুলে খনিজ পদার্থ সব ফলের চেয়ে অনেক বেশি। তেঁতুলে খাদ্যশক্তির পরিমাণ নারিকেল ও খেজুর ছাড়া সব ফলের চেয়ে বেশি।

ক্যালসিয়ামের পরিমাণ সব ফলের চেয়ে ৫ থেকে ১৭ গুণ বেশি। আয়রনের পরিমাণ নারিকেল ছাড়া সব ফলের চেয়ে ৫ থেকে ২০ গুণ বেশি। অন্যান্য পুষ্টি উপাদান স্বাভাবিক পরিমাণে আছে। প্রতি ১০০ গ্রাম পাকা তেঁতুলে মোট খনিজ পদার্থ ২.৯ গ্রাম, খাদ্যশক্তি ২৮৩ কিলোক্যালরি, আমিষ ৩.১ গ্রাম, চর্বি ০.১ গ্রাম, শর্করা ৬৬.৪ গ্রাম, ক্যালসিয়াম ১৭০ মিলিগ্রাম, আয়রন ১০.৯ মিলিগ্রাম, ক্যারোটিন ৬০ মাইক্রোগ্রাম ও ভিটামিন সি ৩ মিলিগ্রাম। এতসব গুণাগুণ প্রমাণ করে, তেঁতুল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরার আরেক শাহেদ মহা প্রতারক বাদশা মিয়া গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতিনিধি : চোরা ছবির প্রতারক এস এম বাদসা মিয়াকে আটক করেছে পুলিশ। ১মে শনিবার ভোর রাতে সাতক্ষীরা শহরের বাইপাস সড়ক এলাকা থেকে আটক করা হয়।
আটক বাদসা মিয়া রিজেন্টের মহাপ্রতারক সাহেদের মতোই জেলায় ব্যক্তি বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের হুমকি দিয়ে অবৈধ সুবিধা আদায়ের চেষ্টা করে যাচ্ছে। সংক্রান্ত বিষয়ে গত ২৯ এপ্রিল সাতক্ষীরা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান সতর্ক থাকতে সাতক্ষীরা ডিস্ট্রিক্ট পুলিশের ফেসবুক পেইজে এক স্টাটাসের মাধ্যমে আহ্বান জানান।
জানা গেছে, কথিত ডাঃ বাদশা মিয়ার পিতা সাতক্ষীরার পলাশপোল এলাকার নূর ইসলাম ছিলেন হাতুড়ে ডাক্তার এবং আপন ছোট ভাই মামুন হোসেন সাতক্ষীরা জেলার বড় মাদক(ইয়াবা) এর হোলসেলার। তার পিতা কবিরাজি ওষুধ দিয়ে পাইলসের ভুয়া চিকিৎসা করতেন। প্রতারক বাদশার কোন পেশা বা ইনকাম নেই। প্রতারণা করে অর্থ আদায় করাই তার মূল ব্যবসা। তার বিরুদ্ধে অনুসন্ধান করতে গিয়ে ভয়ঙ্কর আরেক শাহেদের সন্ধান পাওয়া যায়। সে নিজেকে ডাক্তার দাবি করে যদিও তার ডাক্তারি সার্টিফিকেট নেই এবং তিনি ক্ষমতাসীন দলের বিভিন্ন অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান, কেন্দ্রীয় সভাপতি ও প্রধান উপদেষ্টা ইত্যাদি ইত্যাদি হিসাবে নিজেকে প্রতীয়মান করে, বিভিন্ন মানুষকে টাকার বিনিময়ে চাকরিতে পদন্নতি, চাকুরী পাইয়ে দেওয়া এমন কি যে কোন মামলার সুরাহা করে দিতে পারবেন মর্মে প্রতিশ্রুতি দিয়ে কোটি টাকা হাতিয়েছে। এছাড়া তিনি নিজেকে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের ডিরেক্টর পরিচয় দিতেন।
সম্প্রতি সাতক্ষীরা জেলার কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কে ভূয়া সাংবাদিক মোবাইল থেকে কালীগঞ্জ থানার সরকারি নাম্বার কল দিয়ে নিজেকে দৈনিক মানবাধিকার প্রতিদিন পত্রিকার সম্পাদক ও ভুঁইফোড় সংগঠন বঙ্গবন্ধু স্মৃতি পাঠাগার কেন্দ্রীয় সংসদের প্রচার-প্রকাশনা সম্পাদক পরিচয় দিয়ে বলেন উক্ত সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান এবং প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের ডিরেক্টর ডাঃ বাদশা মিয়া স্যার কথা বলবেন। বাদশা মিয়া ওসি দেলোয়ার হোসেন কে নছু বিবিসহ তার মেয়েদের মিথ্যা মামলায় অভিযোগ থেকে মুক্তি দিয়ে ফাইনাল রিপোর্ট দেওয়ার হুকুম দেয়। ওসি দেলোয়ার হোসেন বলেন মামলা তদন্ত চলমান রয়েছে, আপনি প্রয়োজন হলে এসপি মহোদয়ের সাথে কথা বলেন। কিন্তু তিনি(বাদশা) কোর্ট খুল্লে ওসির বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন কোর্টে মিথ্যা মামলা করবেন বলে ভয়-ভীতি দেখান এবং তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ সম্বলিত খুলনা-০২ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য এর প্যাডে লিখিত অভিযোগ খুব শ্রীর্ঘই আইজিপি বরাবর পাঠানোর কথা বলে হুমকি-ধমকি দিয়ে তার বাহাদুরি দেখানোর চেষ্টা করেন। এক পর্যায়ে ওসি দেলোয়ার হোসেন নিশ্চুপ হয়ে বাদশার কথা শুনতে থাকেন এবং এসপি মহোদয় সাথে কথা বলার কথা বলে ফোন কেটে দেয়।
গত এপ্রিল দুপুরে পুলিশ সুপার ফেসবুক পেইজে কথিত ডাঃ বাদশা মিয়াকে নিয়ে সতর্কতামূলক স্টাটাস দেন। পরবর্তীতে এর গোপন তথ্যের ভিত্তিতে রাতেই শহরস্থ লেকভিউ মোড়ে জৈনক শহিদুল ইসলামের মুদি দোকানে রাতে অভিযান চালিয়ে দু’টি নকল সীল, প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব লেখা একটি নকল নোট প্যাড, খুলনা-০২ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য এর নকল ডিও লেটার/প্যাডে ওসি দেলোয়ার হোসেনের নামে লিখিত মিথ্যা অভিযোগ সহ ভিভিন্ন প্রকার নিয়োগ পত্র এবং জমাজমি সংক্রান্ত কাগজ-পত্র, ওসি দেলোয়ার হোসেন বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলনের লিখিত কপি উদ্ধার করা হয়। এদিকে তার বিরুদ্ধে পুলিশের তৎপরতার খবর পেয়ে আত্মগোপনে চলে যায় কথিত ভুঁইফোড় সংগঠনের পরিচয়দাতা ডাঃ বাদশা মিয়া। যদি শেষ রক্ষা হয়নি শনিবার ভোরে বাইপাস সড়ক এলাকা থেকে তাকে আটক করে সাতক্ষীরা পুলিশ।
সাতক্ষীরা সদর থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত)বুরহান উদ্দীন তাকে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান আজ শনিবার বেলা ১১টায় প্রেস বিফ্রিংয়ের মাধ্যমে বিস্তারিত জানানো হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

বিশেষ ডেস্ক : আজ মহান মে দিবস। বিশ্বের শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ের দিন। ১৮৮৬ সালের ১লা মে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো শহরের হে মার্কেটের শ্রমিকরা ৮ ঘণ্টা কাজের দাবিতে জীবন উৎসর্গ করেছিলেন।

ওইদিন তাদের আত্মদানের মধ্যদিয়ে শ্রমিক শ্রেণীর অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ের জন্য শ্রমিকদের আত্মত্যাগের এই দিনকে তখন থেকেই সারা বিশ্বে ‘মে দিবস’ হিসেবে পালন করা হচ্ছে।

এবারের মে দিবসের প্রতিপাদ্য বিষয় ‘মালিক-শ্রমিক নির্বিশেষ মুজিববর্ষে গড়বো দেশ’। মহান মে দিবস উপলক্ষে পৃথক পৃথক বাণী দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রেসিডেন্ট তার বাণীতে বলেন, শ্রমজীবী মানুষের স্বার্থ সংরক্ষণ ও সার্বিক জীবনমান উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগ অত্যন্ত জরুরি। মে দিবসের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে পারস্পরিক সুসম্পর্ক বজায় রেখে শ্রমিক ও মালিকের উৎপাদন বৃদ্ধিতে নিবেদিত হতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী তার বাণীতে বলেন, মুজিববর্ষে মহান মে দিবসের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে করোনা মহামারির মধ্যে স্বাস্থ্যবিধি মেনে দেশের অগ্রযাত্রায় নিজ নিজ অবস্থান থেকে সকলে ভূমিকা রাখি- মহান মে দিবসে এই হোক আমাদের অঙ্গীকার। আমরা শ্রমজীবী মানুষের কল্যাণ ও দেশের সার্বিক উন্নয়নের মধ্য দিয়ে জাতির পিতার স্বপ্নের সুখী, সমৃদ্ধ ও উন্নত বাংলাদেশ গড়ে তুলবো, ইনশাআল্লাহ।

দিবসটি উপলক্ষে বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের পক্ষ থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে শ্রমিক সমাবেশ, শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা, সেমিনার ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। মহান মে দিবস উদযাপন উপলক্ষে জাতীয় পত্রিকাসমূহ বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করেছে।

বাংলাদেশ টেলিভিশন, বাংলাদেশ বেতার ও বেসরকারি টিভি চ্যানেলগুলো দিনটি উপলক্ষে বিশেষ অনুষ্ঠান ও টকশো সম্প্রচার করছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্রমিকদের বেতনে ৮ হাজার ৬শ’ কোটি টাকা দিয়েছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী

অর্থনীতির খবর : সরকার সংকট মোকাবিলায় শ্রমিকদের বেতনের জন্য ৮ হাজার ৬শ’ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মহান মে দিবস উপলক্ষে শুক্রবার (৩০ এপ্রিল) এক বাণীতে তিনি এ কথা জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সরকার দেশের শ্রমজীবী মানুষের জীবন-মান উন্নয়ন ও কল্যণে বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে। বিশ্বব্যাপী করোনা ভাইরাস সংক্রমণের ভয়াল পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার শ্রমজীবী মানুষের পাশে থেকে ত্রাণ বিতরণসহ সর্বাত্মক কার্যক্রম পরিচালনা করছে। সরকার সংকট মোকাবিলায় শ্রমিকদের বেতনের জন্য ৮ হাজার ৬শ’ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে।’

প্রধানমন্ত্রী তার বাণীতেে আরো বলেন, ‘‘রফতানিমুখী তৈরি পোশাক, চামড়াজাত পণ্য ও পাদুকা শিল্পে কর্মহীন হয়ে পড়া ও দুস্থ শ্রমিকদের জন্য ‘সামাজিক সুরক্ষা কার্যক্রম বাস্তবায়ন নীতিমালা-২০২০’ বাস্তবায়নের জন্য শ্রম অধিদফতরের অনুকূলে সরকার ৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ প্রদান করেছে। করোনা পরিস্থিতিতে দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে কল-কারখানা চালু রাখার নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে। সেক্ষেত্রে অবশ্যই শ্রমিকদের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তার বিষয়টি সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিশ্চিত করতে হবে।’’

এই ঐতিহাসিক দিনে বাংলাদেশসহ পৃথিবীর অন্যান্য দেশের সকল মেহনতি মানুষকে শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মহান মে দিবস বিশ্বব্যাপী শ্রমজীবী মানুষের ঐক্য ও সংহতির প্রতীক।’ ১৮৮৬ সালে আমেরিকার শিকাগো শহরে রক্তাক্ত আন্দোলনে শ্রমিকের ন্যায্য দাবি আদায়ের লক্ষ্যে আত্মাহুতি দেওয়া বীর শ্রমিকদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন প্রধানমন্ত্রী।

বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার দেশের শ্রমজীবী মানুষের জীবন-মান উন্নয়ন ও কল্যণে বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘মালিক-শ্রমিকের মধ্যে সৌহার্দ্য ও সুসম্পর্ক বজায় রাখার মাধ্যমে নিরাপদ কর্মপরিবেশ, সামাজিক নিরাপত্তা ও শ্রমিক কল্যাণ নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ শ্রম আইন যুগোপযোগী ও আধুনিকায়ন করে বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) আইন, ২০১৮ প্রণয়ন করা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘‘দেশের বিভিন্ন খাতে কর্মরত শ্রমিকদের কল্যাণ নিশ্চিত করতে ‘বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন তহবিল’ গঠন করা হয়েছে। এই তহবিল থেকে প্রাতিষ্ঠানিক-অপ্রাতিষ্ঠানিক যেকোনও খাতে নিয়োজিত কোনও শ্রমিক কর্মরত অবস্থায় দুর্ঘটনাজনিত কারণে স্থায়ীভাবে অক্ষম হলে অথবা মৃত্যুবরণ করলে, জরুরি চিকিৎসা ব্যয় নির্বাহ ও দুরারোগ্য ব্যাধির চিকিৎসার জন্য এবং শ্রমিকদের সন্তানের উচ্চশিক্ষার জন্যেও আর্থিক সহায়তা পাচ্ছেন।’’

‘আমরা রফতানিমুখী গার্মেন্টস শিল্পে কর্মরত শ্রমিক-কর্মচারীদের সার্বিক কল্যাণে আর্থিক সহায়তা প্রদানে একটি কেন্দ্রীয় তহবিল গঠন করেছি এবং সহযোগিতা অব্যাহত রেখেছি’, বলেন তিনি।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘`শ্রমকল্যাণ নিশ্চিতকরণে ‘জাতীয় শ্রমনীতি, ২০১২’ ও ‘বাংলাদেশ শ্রম বিধিমালা, ২০১৫’ প্রণয়ন করা হয়েছে। আমরা ‘জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেফটি নীতিমালা, ২০১৩’ এবং ‘জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন নীতি, ২০১১’ প্রণয়ন করেছি। পাশাপাশি, মানবসম্পদ উন্নয়নে ‘জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কাউন্সিল’ গঠন করা হয়েছে। শিল্প-কারখানায় কমপ্লায়েন্স নিশ্চিত করতে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন পরিদফতরকে অধিদফতরে উন্নীত করা হয়েছে। শ্রমিক ও তাদের পরিবারের কল্যাণে বিভিন্ন সেবার সম্প্রসারণ ও জোরদারকরণে আমরা শ্রম পরিদফতরকে সম্প্রতি অধিদফতরে রূপান্তরিত করেছি।’’

তিনি বলেন, ‘আমাদের সরকার সারা দেশে ১০০টি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করছে। এতে এক কোটির বেশি লোকের কর্মসংস্থান হবে। দেশি-বিদেশি সকল বিনিয়োগকারী যত্রতত্র শিল্প স্থাপন না করে এই অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগ করার সুযোগ পাচ্ছে। দেশের বিভিন্ন স্থানে নারী শ্রমিককের জন্য শ্রমজীবী মহিলা হোস্টেল নির্মাণ করা হচ্ছে।’

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আজীবন শোষিত, বঞ্চিত ও মেহনতি মানুষের অধিকার আদায়ের জন্য সংগ্রাম করেছেন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন,‘শোষণহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে তিনি ১৯৭২ সালে শ্রমনীতি প্রণয়ন করেন। তিনি পরিত্যক্ত কল-কারখানা জাতীয়করণ করে দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী এবং শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করেছিলেন।’

তিনি বলেন, ‘মুজিববর্ষে মহান মে দিবসের আদর্শে অনুপ্রণিত হয়ে করোনা মহামারির মধ্যে স্বাস্থ্যবিধি মেনে দেশের অগ্রযাত্রায় নিজ নিজ অবস্থান থেকে সবাই ভূমিকা রাখি, মহান মে দিবসে এই হোক আমাদের অঙ্গীকার। আমরা শ্রমজীবী মানুষের কল্যাণ ও দেশের সার্বিক উন্নয়নের মধ্য নিয়ে জাতির পিতার স্বপ্নের সুখী, সমৃদ্ধ ও উন্নত বাংলাদেশ গড়ে তুলবো, ইনশাআল্লহ।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্যামনগরে রহমতের বৃষ্টি কামনায় নামায

আসাদুজ্জামান : গ্রীষ্মের খরতাপ ও অনাবৃষ্টিতে পুড়ছে সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপকূলীয় অঞ্চল। চারদিকে যেন পানির জন্য হা-হা-কার পড়েছে। ঠিক এমনই পরিস্থিতিতে বৃষ্টির জন্য মহান আল্লাহ তায়ালার রহমত কামনা করে শ্যামনগরে নফল নামায আদায় করেছেন স্থানীয় মুসল্লিরা।
শুক্রবার বিকাল ৩টার দিকে শ্যামনগরের নকিপুর মোল্লা বাড়ি জামে মসজিদের দক্ষিণ পাশে অনুষ্ঠিত এই নামাযে শতাধিক মুসুল্লী অংশগ্রহণ করেন।
হাফেজ মাওলানা কামাল হোসেনের পরিচালনায় নামাজ শেষে মুসল্লিরা মোনাজাতে অংশ নেন এবং নিজেদের পাপের কথা স্মরণ করে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চেয়ে রহমতের বৃষ্টির জন্য প্রার্থনা করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় যুবলীগের উদ্যোগে বৃদ্ধাশ্রমে ইফতার

সাতক্ষীরা জেলা যুবলীগের উদ্যোগে প্রবীন আবাসন কেন্দ্রের বাসিন্দাদের নিয়ে ইফতার করেছেন যুবলীগের নেতৃবৃন্দ। ১৭ ই রমজান শুক্রবার সাতক্ষীরা জেলা যুবলীগের সিনিয়র সদস্য মীর মাহিতুল আলম মহির নেতৃত্বে সাতক্ষীরায় প্রবীণ আবাসন কেন্দ্রের বাসিন্দাদের নিয়ে ইফতার করেন এবং তাদের সার্বিক খোজ খবর নেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা যুবলীগের সদস্য জিয়াউর বিন সেলিম যাদু, এ্যাডিশনার পিপি যুব নেতা তামিম আহমেদ সোহাগ, যুব নেতা আনোয়ার হোসেন রাজু, পৌর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক তাইজুল ইসলাম, সহ-সভাপতি মো: হারুন, মো: পাপন সহ বিভিন্ন ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনিতে এক কৃষকের জমির ধান কেটে দিলেন কৃষকলীগ নেতৃবৃন্দ

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : কৃষকলীগের ধানকাটা উৎসব ২০২১ উপলক্ষ্যে আশাশুনি উপজেলায় এক কৃষকের জমির ধান কেটে দিলেন কেন্দ্রীয়, জেলা ও উপজেলা কৃষকলীগের নেতৃবৃন্দ। এ উপলক্ষ্যে বৃহস্পতিবার সকাল ১০ জেলা কৃষকলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রাশেদ সরোয়ার শেলির সভাপতিত্বে প্রভাষক আলমগীর মাসুদের ১০ শতাংশ জমির কাটা হয়।
ধান কাটা উৎসবে প্রধান অতিথি ছিলেন, কেন্দ্রীয় কৃষকলীগের কার্যনির্বাহী সদস্য মাহফুজা সুলতানা রূবি। বিশেষ অতিথি ছিলেন, জেলা কৃষকলীগের সাধারণ সম্পাদক মো: মনজুর হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক শেখ হেদায়েতুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক মো: আতিয়ার রহমান। এছাড়া উক্ত ধান কাটা উৎসবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা কৃষকলীগের সদস্য ফজল মাহমুদ তুহিন, জবেদ আলী সরদার, উপজেলা কৃষকলীগের সাধারণ সম্পাদক মতি লাল সরকার, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার মো: জীবন ইসলাম, উপ-সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষন অফিসার মো: আব্দুল গণি, উপ সহকারী কৃষি অফিসার আসাদুল ইসলাম। কৃষকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, মো: মঈনুল ইসলাম, আসাদুল ইসলাম, মো: ফিরোজ, ভাস্কর মজুমদার, মধু সুধন মন্ডল, প্রশান্ত মন্ডল, পলাশ, রহিমা খাতুন, নাজনীন বেগম, নজিরা খাতুন, জাহেরা খাতুন, রুমা খাতুন প্রমুখ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest