সর্বশেষ সংবাদ-
মুন্সিগঞ্জ আ’লীগ নেতার বিরুদ্ধে অসহায় মানুষের নামে মিথ্যা মামলা দেওয়ায় মানববন্ধনসাতক্ষীরায় ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনাসাতক্ষীরায় কৃষকের ছেলে সহকারী সিভিল জজ, আনন্দে ভাসছে পরিবার ও গ্রামঝাউডাঙ্গা কলেজে একাদশ শ্রেণির নবাগত শিক্ষার্থীদের নবীন বরণ৫০তম জাতীয় দাবা ‘বি’ বাছাই না করিয়ে খেলোয়াড় পাঠানোর পায়তারা: সাতক্ষীরায় সংবাদ সম্মেলনসাতক্ষীরায় প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দের সাথে জেলা যুবদলের নবগঠিত কমিটির শুভেচ্ছা বিনিময়৬ লাখ মানুষের জলাবদ্ধতা নিরসনে টিআরএম চান সাতক্ষীরার যুবরাসাতক্ষীরায় এবি পার্টির আহ্বায়ক কমিটি গঠন: আহ্বায়ক শাকিল, সদস্য সচিব শাহীনসাতক্ষীরায় রিইবের সিএসও’র ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিতসাতক্ষীরায় চাঁদা না পেয়ে নির্মাণাধীন বাড়ি ভাংচুর ও মারপিট: গ্রেফতারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

সাজেদা চৌধুরীকে মনোনয়ন না দেওয়ায় ফরিদপুরে বিক্ষোভ

দেশের খবর: ফরিদপুর-২ (নগরকান্দা-সালথা) আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য, আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য, সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীকে মনোনয়ন না দেওয়ায় রোববার বিকেল থেকে মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা।
আওয়ামী লীগের মনোনয়ন মহাজোটের প্রার্থী জাকের পার্টির চেয়ারম্যান পীরজাদা মোস্তফা আমীর ফয়সালকে মনোনয়ন দেওয়ার খবর নগরকান্দা-সালথায় প্রচার হলে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে।
এ সময় কয়েক হাজার বিক্ষুব্ধ নেতা-কর্মী ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের চরযশোরদী ইউনিয়নের জয়বাংলা নামক স্থানে মহাসড়ক অবরোধ করেন। বিকেল ৫টা থেকে হাজার হাজার নেতা-কর্মী মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ মিছিল করতে থাকেন। এতে ছিলেন চরযশোরদী ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান আরিফুর রহমান পথিক, কাইচাইল ইউপি চেয়ারম্যান কবির হোসেন ঠান্ডু, বল্লভদী ইউপি চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম ও তাঁদের সমর্থকরা। এ সময় তাঁরা সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীকে মনোনয়ন দেওয়ার দাবি জানিয়ে নানা স্লোগান দেন।

বিক্ষুব্ধ নেতারা জানান, সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীকে ছাড়া ফরিদপুর-২ আসনে অন্য কাউকে মনোনয়ন দেওয়া হলে তা মেনে নেওয়া হবে না। প্রয়োজন লাগাতার মহাসড়ক অবরোধ ও হরতাল দিয়ে এ অঞ্চল অচল করে দেওয়া হবে। বক্তারা আরো বলেন, আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীকে বাদ দিয়ে জাকের পার্টির চেয়ারম্যানকে এ আসনে মহাজোটের প্রার্থী করা হলে তাঁকে মেনে নেওয়া হবে না।

এদিকে অবরোধের ফলে ঢাকা-গোপালগঞ্জ সড়কের দুই পাশে কয়েক হাজার যানবাহন আটকা পড়ে। রাত ৮টার দিকে সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর ছোট ছেলে শাহদাব আকবর চৌধুরী লাবু ঘটনাস্থলে পৌঁছালে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় আওয়ামী লীগ থেকে সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীকে মনোনয়ন দেওয়ার দাবি জানানো হয়, অন্যথায় বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে বলে হুমকি দেওয়া হয়।
সমাবেশ শেষে অবরোধ তুলে নেওয়া হয়। আজ সকালেও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালনের কথা রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
গোপনে মনোনীতদের চিঠি দেয়া শুরু করেছে বিএনপি

দেশের খবর: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলের মনোনীতদের চিঠি বিতরণ শুরু করেছে বিএনপি। রোববার দিনগত রাতে অনেকটা গোপনীতার মধ্য দিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশান কার্যালয় থেকে এ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আজ সোমবারও চলবে মনোনয়নের চিঠি বিতরণ কার্যক্রম এবং আগামীকাল মঙ্গলবার চূড়ান্ত প্রার্থীদের আংশিক তালিকা প্রকাশ করবে দলটি। বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী এবং সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।
তারা জানান, রোববার রাতে বেশ কয়েকজনের হাতে দলীয় মনোনয়নের চিঠি তুলে দিয়েছে বিএনপি। তাদের মধ্যে ঝালকাঠি-২ আসনের মনোনয়নের চিঠি পেয়েছেন ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো।

গাজীপুর-৪ আসনের বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী শাহ রিয়াজুল হান্নান জানান, দলীয় মনোনয়নের চিঠি নেওয়ার জন্য তাকে বিএনপির গুলশান কার্যালয় থেকে ফোন করা হয়েছে। সোমবার দুপুর ১টার মধ্যে সেখানে থাকতে বলা হয়েছে।

গুলশান কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপির পক্ষ থেকে আসন প্রতি একাধিক প্রার্থীকে দলীয় মনোনয়নের চিঠি দেয়া হবে। একই সাথে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের সইও রাখা হবে। সম্ভাব্য প্রার্থীরা ওই চিঠিসহ মনোনয়নপত্র দাখিল করবেন। পরে দলের পক্ষ থেকে আরেকটি চূড়ান্ত চিঠি দেয়া হবে। দলীয় প্রার্থীর প্রতীক সংক্রান্ত চিঠির একটি কপি ঢাকায় নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে জমা দেয়া হবে। আরেকটি কপি ফ্যাক্সে বা বিশেষ বার্তা বাহকের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীকে পাঠানো হবে। তিনি ওই চিঠি নিয়ে জেলা নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে জমা দেবেন।

তবে বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস উইং সদস্য শামসুদ্দিন দিদার এবং শায়রুল কবীর খান বিষয়টি এড়িয়ে যান। বলেন, ‘চিঠি দেয়া হতে পারে।’

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপির এক নেতা বলেন, প্রার্থী চূড়ান্তের ক্ষেত্রে বিএনপির যে সতর্কতা অবলম্বন করা দরকার সেটাই করা হচ্ছে। আওয়ামী লীগ যাদের প্রার্থী ঘোষণা করছে তাদের নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ হচ্ছে। এবার বিএনপির একই পরিবারের দু’জন মনোনয়ন পাবেন না। এখনই চূড়ান্ত প্রার্থী ঘোষণা হচ্ছে না। প্রত্যেক আসনেই বিকল্প প্রার্থী রাখা হচ্ছে।

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী বলেন, নির্বাচন কমিশনের দেয়া সময় অনুযায়ী প্রার্থী ঘোষণা করা হবে।
দলের যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেন, মঙ্গল অথবা বুধবার প্রার্থীর চূড়ান্ত তালিকা ঘোষণা করা হবে। দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ছাড়া কেউ দুই আসনে এবার মনোনয়ন পাবেন না।
স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র বলেন, প্রার্থীর তালিকা চূড়ান্ত করতে আমরা কাজ করছি। চলতি সপ্তাহের যেকোনো দিন তালিকা চূড়ান্ত করে প্রকাশ করা হবে।

উল্লেখ্য, নির্বাচন কমিশনের পুনঃতফসিল অনুযায়ী আগামী ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২৮ নভেম্বর, মনোনয়ন বাছাই ২ ডিসেম্বর, প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ৯ ডিসেম্বর এবং ১০ ডিসেম্বর প্রতীক বরাদ্দের পর প্রার্থীরা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রচার শুরু করতে পারবেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শরিকদের ৬৫ আসনে ছাড় দিচ্ছে বিএনপি

দেশের খবর: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ও তার জোটের প্রার্থী চূড়ান্ত করে ফেললেও বিএনপি ও তার জোটের এখনো চূড়ান্ত হয়নি। এ নিয়ে গত কয়েকদিন ধরে চলছে দফায় দফায় বৈঠক। চলছে দেন দরবার।
এক যুগেরও বেশি সময় ধরে ক্ষমতার বাইরে থাকা বিএনপির মনোনয়ন ফরম বিক্রি হয়েছে সাড়ে ৪ হাজারের বেশি। এর মধ্যে সাক্ষাতকার দিয়েছে প্রায় ৩ হাজার। এত বিশাল সংখ্যক মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্য থেকে আসন ঠিক করতে জোটের সঙ্গে একপ্রকার বিপাকে পড়েছে দলটি।

বিভিন্ন সময় বিএনপির কাছ থেকে ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ দল গণফোরাম একাই ১০০ আসন দাবি করে। আ স ম আব্দুর রবের জেএসডি দাবি করে ২০, মাহমুদুর রহমান মান্নার নিবন্ধনহীন নাগরিক ঐক্য দাবি করে ৩৫টি আসন। আর কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ ১২টি।

এই সব দাবি দাওয়া নিয়ে গত রোববার কয়েকবার বৈঠক হয় নিজেদের মধ্যে। তবে শেষ পর্যন্ত বিএনপির পক্ষ থেকে দুই জোটের জন্য সর্বোচ্চ ৬৫ আসন ছাড়া হয়েছে বলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক সূত্রে জানা গেছে।

এর মধ্যে নবগঠিত ঐক্যফ্রন্টের জন্য সর্বোচ্চ ২০টি আসন এবং ২০ দলীয় জোটের শরিকদের ৪৫টি আসন দেয়া হবে।

মূলত আসন ভাগাভাগিতে সবচেয়ে ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে জামায়াতকে নিয়ে। জামায়াত প্রথমে ৫৪টি আসন দাবি করে। শেষ পর্যন্ত তারা ৩৫টি আসনে অনড় থাকে। যদিও বিএনপির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে ২৪ আসন ছাড় দেয়া হবে জামায়াতকে। কিন্তু তারা এখনো ৩৫ আসনের আশা নিয়ে বসে আছে।

আর ঐক্যফ্রন্ট এর মধ্যে মান্না, আ স ম আব্দুর রব কে নিয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। তারা যেসব আসন দাবি করছেন তা বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ আসন। প্রথম দিকে ড. কামাল হোসেন এর গণফোরাম নিয়ে বেশ সমস্যা পোহাতে হয়েছে। তবে সেটি অনেকটাই নিষ্পত্তি হয়েছে বলে জানা গেছে। এ নিয়ে গতকাল দুপুরে মতিঝিলের ড. কামাল হোসেন এর চেম্বারে বৈঠকে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত না হওয়ায় পরবর্তীতে রাতে গুলশানে বৈঠক হয়।
এদিকে ২৮ নভেম্বরের মধ্যে প্রার্থীর তালিকা নির্বাচন কমিশনে জমা দিতে হবে। ৯ ডিসেম্বর নির্বাচন কমিশন থেকে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ দিন।

আসন বণ্টন নিয়ে মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, নানা আলোচনা হয়েছে। এটি নিষ্পত্তির ব্যাপার। আমরা ৩৫ আসন চেয়েছিলাম। শেষ পর্যন্ত কত হবে সেটা পরে দেখা যাবে। আশা করি একটি সমাধান হয়ে যাবে।

আসন বণ্টন নিয়ে কথা বলতে গিয়ে এলডিপি সভাপতি ড. কর্নেল (অব:) অলি আহমেদ বলেন: আমরা কোনো অন্যায় আবদার করতে চাই না। আমার দলের যাদেরকে যোগ্য মনে হয়েছে তাদেরকে চেয়েছি। এই বার বিএনপির কাঁধে সওয়ার হয়ে জেতার সুযোগ নেই। নিজের যোগ্যতায় জিতে আসতে হবে। সেক্ষত্রে আমি বলবো সকলের ছাড় দেয়ার মানসিকতা থাকতে হবে। এই নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গণতন্ত্র ও দেশের জন্য অত্যন্ত জরুরি এই নির্বাচনে জিতে আসা। তাই ঐক্যফ্রন্টের সকল দলকে ছাড় দিতে হবে।

এ বিষয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন: সকলের মন খুশি করে তো কোনোদিন নির্বাচন হয় না। জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ত আছে এমন প্রার্থীদের ছাড় দেয়া হবে। আমাদের এই নির্বাচনে অবশ্যই জিততে হবে। তাই অনেক কিছু বিবেচনা করে আসন ছাড় দেয়া হচ্ছে।

এদিকে দলীয় প্রার্থীর তালিকা চূড়ান্ত করেছে বিএনপি। প্রতি আসনে একজন করে বিকল্প রেখে এ তালিকা করা হয়। আজ চূড়ান্তভাবে মনোনীতদের মধ্যে দলীয় মনোনয়ন ফরম বিতরণ করা হতে পারে।
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের স্বাক্ষরে ধানের শীষের মনোনয়ন দেয়া হবে এবার। দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত একটি চিঠি প্রতিটি জেলার রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়েছে।
বিএনপির চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া কারাগারে এবং ভারপ্রাপ্ত তারেক রহমান লন্ডনে অবস্থান করায় এবার দলের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী মহাসচিবকেই প্রার্থী নিশ্চিতকরণের দায়িত্ব পালন করতে হয়েছে বিএনপিকে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নির্বাচনে ঋণ খেলাপিদের ঠেকাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশ

দেশের খবর: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঋণখেলাপিদের অংশগ্রহণ ঠেকাতে ব্যাংকিং খাতের পর এবার ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রার্থীদের তথ্য সংগ্রহের নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
রোববার বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বাজার বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা দেশের সব ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পাঠানো হয়েছে। এর আগে গত বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ থেকে একই নির্দেশনা দেশের সব বাণিজ্যিক ব্যাংকে পাঠানো হয়েছে। ওই নির্দেশনায়ও একইভাবে নির্বাচনে প্রার্থীদের তথ্য সংগ্রহ করতে বলা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের এক চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে ঋণখেলাপির তথ্য সংগ্রহের এ নির্দেশনা দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২ এর ১২ অনুচ্ছেদের বিধান অনুসারে ঋণখেলাপিরা জাতীয় সংসদের সদস্য হওয়ার যোগ্য নন। এমন অবস্থায় নির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিলকারী ব্যক্তিদের ঋণখেলাপ সংক্রান্ত তথ্য সব তফসিলি ব্যাংক থেকে তথ্য সরবরাহ করা আবশ্যক।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, আগামী ২৮ নভেম্বর বিকেল ৫টার পর মনোনয়নপত্র দাখিলকারীদের নাম, পিতা/মাতা/স্বামীর নাম ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য তথ্য সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের স্ব-উদ্যোগে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসারের কাছ থেকে সংগ্রহ করতে হবে। রিটার্নিং অফিসারের কাছ থেকে নেয়া তথ্য প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই শেষে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসারকে ঋণখেলাপ সংক্রান্ত তথ্য সরবরাহ করতে হবে।
নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ঋণখেলাপ সংক্রান্ত তথ্য মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের দিন কিংবা তার আগে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসারকে প্রদান এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের সময় রিটার্নিং অফিসারের দপ্তরে উপস্থিত থাকার জন্যও নির্দেশনা দেয়া হলো।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
৪৬ বছরের দাম্পত্যের অবসান

বিদেশের খবর: কলহ, মনোমালিন্য ও পরস্পরের প্রতি অশ্রদ্ধা, শীতলতা—গত ৪৬ বছর এসব অনুভূতি নিয়েই সংসার করে গেছে ব্রিটেন ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। ভালোবাসাহীন ওই দাম্পত্যের অবসান ঘটল গতকাল রবিবার। ইইউ ও ব্রিটেনের সম্পর্ক ও সম্পর্কের সমাপ্তিকে অনেকটা এভাবেই দেখছেন বিশ্লেষকরা।

প্যারিসের সরবন বিশ্ববিদ্যালয়ের সমকালীন ব্রিটিশ ইতিহাসবিষয়ক অধ্যাপক পলিন স্ন্যাপার বলেন, ১৯৭৩ সাল থেকেই এটি ছিল সুবিধাবাদী সম্পর্ক। বরাবরই এর অর্থনৈতিক মাত্রা যতটা তীব্র ছিল, রাজনৈতিক সম্পর্ক ছিল ততটাই ম্রিয়মাণ। আবেগ সম্পর্কিত সম্পর্ক প্রায় ছিল না বললেই চলে।’

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর যখন ঐক্যবদ্ধ ইউরোপের প্রশ্ন সামনে এসে দাঁড়াল তখন থেকেই ব্রিটেন এর বিরোধী। কিংস কলেজ লন্ডনের ইউরোপীয় রাজনীতিবিষয়ক অধ্যাপক আনন্দ মেনন বলেন, ‘আমরা এতটা ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় ছিলাম না যে যোগ দিতে হবে।’ বরং এর পরিবর্তে ব্রিটেন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তাদের বিশেষ সম্পর্কের ওপর আরো আলো ফেলতে চেয়েছিল। পাশাপাশি নিজেদের সাম্রাজ্যের প্রতিও আরো মনোযোগী হতে চেয়েছিল তারা। লন্ডন কখনোই ইউরোপ মহাদেশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রক্ষা করে চলতে চায়নি। তাদের যুদ্ধকালীন প্রধানমন্ত্রী উইন্সটন চার্চিল ১৯৪৬ সালে জুরিখে দেওয়া এক ভাষণে ‘ইউনাইটেড স্টেটস অব ইউরোপ’ গড়ে তোলার পরামর্শ দেন।

১৯৬০ সালে ব্রিটেনের অবস্থানে পরিবর্তন আসে। অর্থনৈতিকভাবে ফ্রান্স ও জার্মানির চেয়ে পিছিয়ে পড়ে তারা। সে সময় ইউরোপের একক বাজার তাদের জন্য পরিত্রাণের উপায় হিসেবে দরজায় এসে দাঁড়ায়। সে সময় তারা ইউরোপে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেও কাজটি সহজ ছিল না। ফ্রান্স পর পর দুই দফা ইউরোপে তাদের ঢোকার আবেদনে ভেটো দেয়। ১৯৬১ সালে ফ্রান্সের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট শার্ল দ্য গল বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের আস্তাবলের ঘোড়া হচ্ছে ব্রিটেন। তাদের পক্ষে ইউরোপের স্পিরিট বোঝা সম্ভব নয়। ১৯৬৭ সালে আবারও ভেটো দেয় ফ্রান্স।

ইউরোপের অর্থনৈতিক জোন ইউরোপিয়ান ইকোনমিক কমিউনিটিতে (ইইসি) ব্রিটেন প্রবেশ করে ১৯৭৩ সালের ১ জানুয়ারি। এর দুই বছরের মাথায় আয়োজিত এক গণভোটে ব্রিটিশরা ইইসিতে থেকে যাওয়ার পক্ষে মত প্রকাশ করে। ৬৭ শতাংশ ব্রিটিশ এর পক্ষে ভোট দেয়। তবে ১৯৭৯ সালে ইউরোপের একক মুদ্রাব্যবস্থায় প্রবেশে অস্বীকৃতি জানায় ব্রিটেন। সমালোচকদের মতে, ওই সময় ব্রিটেনের অবস্থা ছিল ইইউয়ের ‘এক পা ভেতরে, এক পা বাইরে’র মতো। ১৯৮৫ সালে শেনজেন চুক্তিতেও সই করেনি তারা। ব্রিটেন চূড়ান্তভাবে ইউরোতে যোগ দেয় ১৯৯৩ সালে।

ব্রিটেন শুরু থেকেই অনিচ্ছা নিয়ে ইইউয়ের সঙ্গে জুড়ে ছিল। এর মধ্যে ঘটতে থাকে ইউরো জোন সংকট, ইউরোপ থেকে ব্রিটেনের দিকে অভিবাসনের ক্রমবর্ধমান চাপ, ইউরোপীয় দেশগুলো থেকে আসা সস্তা শ্রমিক, যা ব্রিটিশদের কাজ পাওয়ার ক্ষেত্রে সংকট তৈরি করছিল—সব মিলিয়ে ২০১৬ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন নির্বাচন ডাকতে বাধ্য হন। ব্রেক্সিটপন্থীরা ইইউ ছাড়ার পক্ষে মত দেন। তাঁদের ভাষ্য ছিল, সীমান্ত, আইন আর অর্থনীতির পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ আবারও তাঁদের হাতেই ফেরত যাচ্ছে। সেই নির্বাচনে নেতিবাচক রায়ের হাত ধরেই গতকাল হয়ে গেল চূড়ান্ত বিচ্ছেদ। কার্যকর হওয়ার সময়টিও খুব দূরে নয়, ২৯ মার্চ, ২০১৯। রবার্ট স্কুম্যান ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক পাসকেল জোয়ানিন বলেন, ‘ইউরোপীয় ইউনিয়নের থাকার সময় তারা স্বপ্নের মতো এক পরিস্থিতির মধ্যে বাস করত। এখন বহু কিছুই তাদের ছাড়তে হবে।’ ব্রেক্সিটের এই অংশটি তারা হয়তো আগে ভেবে দেখেনি।
সূত্র : এএফপি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শুভেচ্ছা জানিয়ে অপমান!

বিনোদন সংবাদ: রণবীর সিং আর দীপিকা পাড়ুকোনের বিয়ে হয়ে গেছে। এখন চলছে বলিউডের এই নতুন দম্পতির রিসেপশন অনুষ্ঠান। ২১ নভেম্বর সন্ধ্যায় বেঙ্গালুরুর দ্য লীলা প্যালেসে দীপিকার পরিবারের পক্ষ থেকে রিসেপশন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এরপর রণবীর সিং আর দীপিকা পাড়ুকোনের আরও তিনটি রিসেপশন অনুষ্ঠান হবে। এই তিনটি অনুষ্ঠানই হবে মুম্বাইয়ে। গত শনিবার সন্ধ্যায় রিসেপশন পার্টিতে আমন্ত্রণ জানানো হয় এই দুই তারকার পরিবারের সদস্য আর আত্মীয়স্বজনকে। ২৮ নভেম্বর রিসেপশন অনুষ্ঠানে থাকবেন মিডিয়ার মানুষজন। আর শেষ রিসেপশন পার্টি হবে ১ ডিসেম্বর মুম্বাইয়ে দ্য গ্র্যান্ড হায়াতে। এখানে বলিউডের তারকা আর সহকর্মীদের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন দীপবীর।

বিয়ের পর রণবীর সিং আর দীপিকা পাড়ুকোনকে শুভেচ্ছা জানাতে ভোলেননি বলিউডের সাবেক আরেক তারকা মনীষা কৈরালা। অনেক দিন তিনি ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করেছেন। মাঝেমধ্যে চলচ্চিত্রে অভিনয় করছেন। গত বছর তাঁর অভিনীত ছবি ‘ডিয়ার মায়া’ মুক্তি পায়। এ বছর ‘লস্ট স্টোরিজ’ আর ‘সঞ্জু’ মুক্তি পেয়েছে। এরপর ‘প্রস্থান’ ছবিতে কাজ করছেন। তাঁর লেখা একটি বই বেরিয়েছে, নাম ‘হিলড’। নিজের জীবনে বয়ে যাওয়া ঝড়ের দিনগুলোর কথা আছে এই আত্মজীবনীতে। তবে একটিবারের জন্যও ভেঙে পড়েননি। ২০১৯ সালের জানুয়ারি মাসে প্রকাশিত হবে বইটি। মনীষা কৈরালা বলেছেন, ‘আমি ক্যানসারের প্রতি কৃতজ্ঞ, সে আমাকে জীবনের মূল্য শিখিয়েছে। যুদ্ধ করতে শিখিয়েছে।’

এদিকে টুইটারে রণবীর সিং আর দীপিকা পাড়ুকোনকে শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি দুঃখ প্রকাশ করে মনীষা কৈরালা বলেছেন, তিনি এখন দেশের বাইরে, তাই এই শুভ মুহূর্তে তিনি উপস্থিত থাকতে পারছেন না৷ তবে তাঁর শুভকামনা সব সময়ই দীপিকা আর রণবীরের সঙ্গে থাকবে৷

এরপর অঙ্কিত পারাড়কার নামে এক ব্যক্তি টুইটারে দেওয়া এই পোস্টের কমেন্টে নিজেকে মনীষা কৈরালার ভক্ত বলে দাবি করেছেন তিনি লিখেছেন, ‘মনীষা কৈরালা কীভাবে এই রিসেপশন অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন? তিনি কোনো আমন্ত্রণ পেয়েছেন?’

ব্যাপারটি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছেন মনীষা কৈরালা। তিনি রাগ হয়েছেন, তাতে কোনো সন্দেহ নেই। অঙ্কিত পারাড়কারের এমন আচরণে তিনি অপমানিত হয়েছেন। তবে তাঁর অভিব্যক্তি ছিল খুবই মার্জিত৷ তাঁকে পাঠানো আমন্ত্রণপত্রটি পোস্ট করে মনীষা কৈরালা লিখেছেন, উত্তর-প্রত্যুত্তরে তিনি বিশ্বাসী নন৷

ছয় বছর প্রেম করার পর ১৪ নভেম্বর ইতালির লেক কোমোর ভিল দ্য বালবিয়ানেলে রণবীর সিং আর দীপিকা পাড়ুকোনের বিয়ে হয়েছে কনকানি রীতি মেনে। পরদিন সিন্ধি রীতিতে বিয়ে করেছেন বলিউডের জনপ্রিয় এই তারকা জুটি। এর আগে ১৩ নভেম্বর ছিল দীপবীরের মেহেদি অনুষ্ঠান, রাতে হয় আংটিবদল। এরপর ১৮ নভেম্বর সকালে ইতালির মিলান থেকে মুম্বাই ফিরে আসেন নবদম্পতি রণবীর সিং আর দীপিকা পাড়ুকোন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ট্রাক খাদে, নিহত ২

দেশের খবর: মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলায় একটি ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে ঘটনাস্থলেই চালকসহ দুইজন নিহত হয়েছেন। এ সময় আহত হয়েছেন আরো দুইজন।
সোমবার (২৬ নভেম্বর) সকাল ৬টার দিকে উপজেলার বোলগ্রামের ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন- পিরোজপুরের মো. খোকন (৩৫) ও লক্ষ্মীপুরের মোহাম্মদ আলী (৩৪)।

আহতরা হলেন- ফেনীর দাগনভূঁয়া এলাকার জিয়াউল ইসলাম (৩০) ও স্বরুপকাঠির আব্দুল মালেক। তাদের উদ্ধার করে রাজৈর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
জানা গেছে, পিরোজপুর থেকে গাছের চারা নিয়ে ভাই ভাই পরিবহনের একটি ট্রাক মুন্সিগঞ্জ যাচ্ছিল। পথে আজ সকাল ৬টার দিকে ট্রাকটি রাজৈর উপজেলার বোলগ্রাম এলাকায় এসে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে যায়। এ সময় ঘটনাস্থলেই ট্রাকে থাকা দুই ব্যক্তি মারা যান। নিহতরা ট্রাকের চালক ও হেলপার বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

রাজৈর উপজেলা ফায়ার সার্ভিস স্টোশন অফিসার গোলক চন্দ্র বাড়ৈই জানান, ভোরে ট্রাকটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশের খাদে পড়ে পানিতে তলিয়ে যায়। এ সময় ট্রাকের চালকসহ দুইজনের মৃত্যু হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ঐশ্বরিয়ার ডাক নাম ফাঁস!

বিনোদনের খবর: ইনস্টাগ্রামে ‘আসক মি কোয়শ্চেন’ নামে একটি খেলা আছে। ফলোয়াররা কোন প্রশ্ন করলে, ইনস্টাগ্রাম স্টোরির মাধ্যমে উত্তর দিতে হয়। ঐশ্বরিয়া রাইয়ের ভাই আদিত্য রাইয়ের বউ শ্রীমা রাইকে এক ফলোয়ার জিজ্ঞাসা করেন, ‘‘আপনি সন্তানদের কীভাবে বলেন অ্যাশ এত বিখ্যাত?’’
এর উত্তরে শ্রীমা ওই ফলোয়ারকে জবাব দেন, ‘‘এটা আমাদের পরিবারে তেমন আলোচনার বিষয় নয়। ও (ঐশ্বরিয়া) বাড়িতে শুধুই গুলু মামি।’’
এভাবেই ফাঁস হয় রাই সুন্দরীর ডাক নাম। শ্রীমা রাই পেশায় একজন ফ্যাশন ও লাইফস্টাইল ব্লগার। ২০০৯ সালে মিসেস ইন্ডিয়া হয়েছিলেন শ্রীমা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest