সর্বশেষ সংবাদ-
মুন্সিগঞ্জ আ’লীগ নেতার বিরুদ্ধে অসহায় মানুষের নামে মিথ্যা মামলা দেওয়ায় মানববন্ধনসাতক্ষীরায় ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনাসাতক্ষীরায় কৃষকের ছেলে সহকারী সিভিল জজ, আনন্দে ভাসছে পরিবার ও গ্রামঝাউডাঙ্গা কলেজে একাদশ শ্রেণির নবাগত শিক্ষার্থীদের নবীন বরণ৫০তম জাতীয় দাবা ‘বি’ বাছাই না করিয়ে খেলোয়াড় পাঠানোর পায়তারা: সাতক্ষীরায় সংবাদ সম্মেলনসাতক্ষীরায় প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দের সাথে জেলা যুবদলের নবগঠিত কমিটির শুভেচ্ছা বিনিময়৬ লাখ মানুষের জলাবদ্ধতা নিরসনে টিআরএম চান সাতক্ষীরার যুবরাসাতক্ষীরায় এবি পার্টির আহ্বায়ক কমিটি গঠন: আহ্বায়ক শাকিল, সদস্য সচিব শাহীনসাতক্ষীরায় রিইবের সিএসও’র ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিতসাতক্ষীরায় চাঁদা না পেয়ে নির্মাণাধীন বাড়ি ভাংচুর ও মারপিট: গ্রেফতারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

গভীর সাগরে এক বিস্ময়কর মাছ!

অনলাইন ডেস্ক: গভীর সমুদ্রে বিচরণকারী সমুদ্রের বিস্ময়কর এক মাছের নাম এংলার ফিশ। পৃথিবীতে এই প্রজাতির মাছ রয়েছে প্রায় দুই শতাধিক। এই মাছের মাথার ওপর থাকে এক ধরনের লম্বা কাঁটা যাকে ইলিসিয়াম বলে। ইলিসিয়ামের শেষপ্রান্ত এসকা নামে পরিচিত যা থেকে আলো উৎপন্ন হয়। এংলার ফিশ সাগরতলের অন্ধকারে বিচরণ ও শিকার করতে এ আলো ব্যবহার করে।

এদের মুখে থাকে সুচালো দাঁত। মুখ অর্ধচন্দ্রাকার। মাথা বেশ বড়। স্ত্রী মাছ পুরুষ মাছের তুলনায় অনেক বড় হয়।

এদের প্রজননক্রিয়াও বেশ অদ্ভুত। মূলত পুরুষ মাছ একটি নির্দিষ্ট সময় পর পরিপাকতন্ত্রের জটিলতায় খাদ্যগ্রহণ করতে পারে না। এ অবস্থা থেকে বাঁচার জন্য স্ত্রী মাছের শরণাপন্ন হয়। ঘ্রাণের মাধ্যমে স্ত্রী মাছকে বেছে নেয় এবং কামড়ে ধরে তার গায়ে আটকে থাকে। আর মুখ থেকে এক ধরনের এনজাইম নিঃসরণ করে। এতে কামড়ের স্থান গলে স্ত্রী মাছের রক্তনালির সঙ্গে পুরুষ মাছের দৈহিক সংযোগ ঘটে এবং স্ত্রী মাছ থেকে পুষ্টি উপাদান গ্রহণ করে।

এভাবে স্ত্রী মাছ যতদিন বাঁচে পুরুষ মাছও ততদিন স্ত্রীর গায়ে লেগে থাকে। এক পর্যায়ে পুরুষ মাছটি প্রজননের জন্য শুক্রাণুও সরবরাহ করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নির্বাচনের আগেই ভর্তি পরীক্ষায় সম্মতি ইসির

দেশের খবর: ভোটের আগেই সারা দেশের সরকারি হাইস্কুলে ভর্তি পরীক্ষা নেয়ার অনুমতি দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। পূর্ব নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী ১ ডিসেম্বর থেকে অনলাইনে আবেদন নেয়া হবে।
১৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত করা যাবে আবেদন। ১৭ ডিসেম্বর শুরু হবে ভর্তি পরীক্ষা। শেষ হবে ২০ ডিসেম্বর। ঢাকা মহানগর এবং দেশের অন্যান্য শহর ও জেলা-উপজেলায় এই সময়ের মধ্যে শেষ করতে হবে ভর্তি পরীক্ষার কার্যক্রম।
শিক্ষার্থী বাছাই শেষ হলে নির্বাচনী কাজে কোনো বিঘ্ন না ঘটিয়ে ২৮ ডিসেম্বরের মধ্যে ভর্তি কাজ শেষ করা যাবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে ইসি এই সময়সূচির ব্যাপারে সম্মতি দিয়েছে বলে জানিয়েছেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের (মাউশি) পরিচালক (মাধ্যমিক) অধ্যাপক ড. আবদুল মান্নান।

এদিকে রোববার এসব স্কুলে ভর্তির নীতিমালা প্রকাশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. সোহরাব হোসাইন স্বাক্ষরিত ওই নীতিমালা অনুযায়ী, এবার স্কুলগুলোতে ১০৯ শতাংশ শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে।

এর মধ্যে ৯ শতাংশ শিক্ষার্থী হবে মুক্তিযোদ্ধা, প্রতিবন্ধী এবং শিক্ষা বিভাগ কোটায়। বাকি ১০০ শতাংশের মধ্যে ৪০ শতাংশ প্রতিষ্ঠান সংলগ্ন এলাকা কোটার এবং অবশিষ্ট ৬০ শতাংশ আসন উন্মুক্ত প্রতিযোগিতায় পূরণ করা হবে।
ভর্তির ক্ষেত্রে সহোদর বা সহোদরা অগ্রাধিকার পাবে। এক্ষেত্রে ভর্তি পরীক্ষার ন্যূনতম শর্ত বা পাস নম্বর পেলেই চলবে। কেবল ষষ্ঠ শ্রেণীর ভর্তির ক্ষেত্রে মোট আসনের ১০ শতাংশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণী উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে।

ইসি এবং মাউশি সূত্র জানিয়েছে, ২৯ ডিসেম্বর অপরাহ্ন থেকে ভোট কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তারা অবস্থান করবেন। এছাড়া ৭-১৫ ডিসেম্বর এবং ১৮-২৩ ডিসেম্বর ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণের পরিকল্পনা আছে। প্রশিক্ষণের জন্যও ভোট কেন্দ্র বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ব্যবহার করা হবে। তাই উল্লিখিত দুই প্রশিক্ষণ সিডিউল এবং ভেন্যু বাদে অন্যত্র ও ভিন্নসময়ে ভর্তি পরীক্ষা নেয়ার ব্যাপারে ইসির যুগ্ম সচিব ফরহাদ আহাম্মদ খান স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে অনুমতি দেয়া হয়।

মাউশি পরিচালক বলেন, ‘আমরা ওই চিঠির আলোকেই এখন পরীক্ষার সময় নির্ধারণ করছি। ১৮-২৩ ডিসেম্বর প্রশিক্ষণের কথা উল্লেখ আছে। তবে মৌখিকভাবে ইসি বলেছে, শুক্র ও শনিবারই সাধারণত প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। এ কারণে ১৭-১৯ ডিসেম্বর পরীক্ষা নিতে কোনো সমস্যা হবে না বলেই মনে হচ্ছে। আর প্রথম শ্রেণীর লটারি স্বল্পপরিসরে হয় বলে তা ২০ ডিসেম্বর নেয়া সম্ভব।’ তিনি বলেন, ‘যেহেতু ভর্তি কার্যক্রমটা ১ জানুয়ারি পাঠ্যপুস্তক উৎসবের সঙ্গে জড়িত। তাই এই সিডিউল অনুযায়ী পরীক্ষা না নিলে উৎসব বিঘ্নিত হয়। ইসি এই বিষয়টি ইতিবাচকভাবে গুরুত্ব দিয়েছে।’

এবার ঢাকার ৪১ হাইস্কুলে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। হাইস্কুলগুলো তিন গ্রুপে ভাগ করে ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। ৪১টি হাইস্কুলের মধ্যে ‘ক’ ও ‘খ’ গ্রুপে ১৪টি করে এবং ‘গ’ গ্রুপে ১৩টি হাইস্কুল আছে। এর মধ্যে ৩৮টি হাইস্কুলে ১২ হাজার ৩৬৬টি আসন আছে। এর মধ্যে ১৭ হাইস্কুলে প্রথম শ্রেণীতে ১ হাজার ৯৬০টি আসন রয়েছে। এছাড়া ২য় শ্রেণীতে ৮৪৯টি, ৩য় শ্রেণীতে ২ হাজার ১২৬টি, ৪র্থ শ্রেণীতে ৮২২টি, ৫ম শ্রেণীতে ৮৪৯টি, ৬ষ্ঠ শ্রেণীতে ৩ হাজার ৫৫৭টি, ৭ম শ্রেণীতে ৭৩৮টি, ৮ম শ্রেণীতে ৯৯৭টি এবং ৯ম শ্রেণীতে ৪৬৮টি আসন রয়েছে।

নতুন প্রতিষ্ঠিত তিনটিতে আলাদা ভর্তি কার্যক্রম চলবে। ওইসব প্রতিষ্ঠানের আসনসংখ্যা এখন পর্যন্ত ঠিক হয়নি। স্কুল তিনটি হচ্ছে, হাজী এমএ গফুর সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, সবুজবাগ সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং শহীদ মনু মিঞা সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়। প্রথম শ্রেণীতে শিক্ষার্থী নেয়া স্কুলগুলোর মধ্যে আছে- আজিমপুর গবর্নমেন্ট গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ধানমণ্ডি গভ. ল্যাবরেটরি উচ্চবিদ্যালয়, ধানমণ্ডি গভ. বয়েজ উচ্চ বিদ্যালয়, ধানমণ্ডি গভ. বয়েজ উচ্চ বিদ্যালয়ের ফিডার শাখা, তেজগাঁও বালক উচ্চবিদ্যালয়, তেজগাঁও বালিকা উচ্চবিদ্যালয়, শেরেবাংলা নগর সরকারি বালক উচ্চবিদ্যালয়, শেরেবাংলা নগর সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়, মতিঝিল বালক উচ্চবিদ্যালয়, খিলগাঁও সরকারি হাইস্কুল, খিলগাঁও সরকারি হাইস্কুলের ফিডার শাখা, নারিন্দা সরকারি উচ্চবিদ্যালয়, বাংলাবাজার সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়, সরকারি বিজ্ঞান কলেজ সংযুক্ত উচ্চবিদ্যালয়, মোহাম্মদপুর সরকারি উচ্চবিদ্যালয় ও গণভবন সরকারি উচ্চবিদ্যালয়।

মাউশি পরিচালক ড. মান্নান বলেন, আবেদন কার্যক্রম পরিচালিত হবে টেলিটকের মাধ্যমে। www.dshe.gov.bd এবং www.teletalk.com সাইটের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। ঢাকা মহানগর এবং ঢাকার বাইরের প্রায় সাড়ে ৩শ’ স্কুলের ভর্তি কার্যক্রম আলাদাভাবে সম্পন্ন হবে। প্রথম শ্রেণীর ভর্তিতে শিক্ষার্থীর বয়স জানুয়ারিতে ছয় বছরের বেশি হতে হবে।

ভর্তি নীতিমালা: সব মহানগরী, বিভাগীয় শহর ও জেলা সদরের সব সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অনলাইনে ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। উপজেলা সদরেও কেন্দ্রীয় অনলাইন পদ্ধতিতে ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করা বাধ্যতামূলক। তবে নিয়ন্ত্রণবহির্ভূত কোনো কারণে অনলাইনে না করা গেলে কেবল উপজেলার ক্ষেত্রে ম্যানুয়ালি করা যাবে। দ্বিতীয়-অষ্টম শ্রেণীর শূন্য আসনে লিখিত পরীক্ষার মাধ্যমে মেধাক্রম অনুসারে ভর্তির জন্য শিক্ষার্থী বাছাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।

নবম শ্রেণীর ক্ষেত্রে জেএসসি/জেডিসি পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট বোর্ডের প্রস্তুত করা মেধাক্রম অনুসারে নিজ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ভর্তির পর অবশিষ্ট শূন্য আসনে অন্য বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ভর্তির জন্য নির্ধারিত ভর্তি কমিটির বাছাই করতে হবে। ভর্তির ফরম বিদ্যালয়ের অফিসে এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতর, ডিসি অফিস, বিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে। দ্বিতীয়-তৃতীয় শ্রেণী পর্যন্ত পূর্ণমান-৫০, এর মধ্যে বাংলা-১৫, ইংরেজি-১৫, গণিত-২০ নম্বর। ভর্তি পরীক্ষার সময় ১ ঘণ্টা। চতুর্থ-অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত পূর্ণমান-১০০। এর মধ্যে বাংলা-৩০, ইংরেজি-৩০, গণিত-৪০ নম্বর থাকবে। ভর্তি পরীক্ষার সময় ২ ঘণ্টা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ইভিএমে ভোটগ্রহণের ৬ আসন চূড়ান্ত হবে আজ

দেশের খবর: কোন কোন আসনে ইভিএমের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ করা হবে তা চূড়ান্ত করতে দৈবচয়ন পদ্ধতি অনুসরণ করবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। গতকাল ইসির যুগ্ম সচিব এস এম আসাদুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগামী ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৬টি সংসদীয় আসনে সম্পূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ করা হবে। সিটি করপোরেশন এবং জেলা সদর সংশ্লিষ্ট ৪৮ আসনের মধ্য হতে দৈবচয়নের মাধ্যমে ওই ৬টি আসন নির্ধারণ করা হবে। সোমবার বিকেল ৫টায় সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সম্মেলন কক্ষে কম্পিউটার প্রোগ্রামের মাধ্যমে দৈবচয়ন অনুষ্ঠিত হবে।

নির্বাচন কমিশনের তালিকায় থাকা আসনগুলো হচ্ছে- ঠাকুরগাঁও-১, দিনাজপুর-৩, নীলফামারী-২, লালমনিরহাট-৩, রংপুর-৩, গাইবান্ধা-২, বগুড়া-৬, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩, নওগাঁ-৫, রাজশাহী-২, পাবনা-৫, কুষ্টিয়া-৩, খুলনা-২, খুলনা-৩, সাতক্ষীরা-২, ভোলা-১, বরিশাল-৫, টাঙ্গাইল-৫, জামালপুর-৫, শেরপুর-১, ময়মনসিংহ-৪, ঢাকা-৪, ঢাকা-৫, ঢাকা-৬, ঢাকা-৭, ঢাকা-৮, ঢাকা-৯, ঢাকা-১০, ঢাকা-১১, ঢাকা-১২, ঢাকা-১৩, ঢাকা-১৪, ঢাকা-১৫, ঢাকা-১৬, ঢাকা-১৭, ঢাকা-১৮, গাজীপুর-২, নরসিংদী-১, নরসিংদী-২, নারায়ণগঞ্জ-৪, নারায়ণগঞ্জ-৫, ফরিদপুর-৩, মাদারীপুর-১, সিলেট-১, কুমিল্লা-৬, ফেনী-২, চট্টগ্রাম-৯, চট্টগ্রাম-১০, চট্টগ্রাম-১১।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ইরাকে বন্যায় ২১ জনের প্রাণহানি, আহত ১৮০

বিদেশের খবর: ইরাকের উত্তরাঞ্চলে প্রবল বন্যায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২১ জনে এবং কমপক্ষে ১৮০ জন আহত হয়েছে। দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সেইফ আল বদর জানান, ২১ জন নিহত হওয়া ছাড়াও এই বন্যায় ১৮০ জনের বেশি মানুষ আহত হয়েছে।
তিনি আরো জানান, প্রায় ২৫ হাজার লোক গৃহহীন হয়ে পড়েছে। তারা বিভিন্ন ক্যাম্পে আশ্রয় নিয়েছে।
স্থানীয় গণমাধ্যমে বলা হয়, এই বন্যায় নিনেভেহ ও কিরকুক প্রদেশের বাসিন্দারা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কয়েক দিনের ভারী বর্ষণের ফলে সৃষ্ট এই বন্যায় বাগদাদের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের আল সিরকাত শহরও ডুবে গেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাওয়া চিকিৎসকরা

রাজনীতির খবর: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন বেশ কয়েকজন চিকিৎসক। রবিবার (২৫ নভেম্বর) বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে তারা মনোনয়নের চিঠি সংগ্রহ করেছেন।

এ পর্যন্ত পাওয়া তালিকায় যাদের নাম রয়েছে তারা হলেন, সাতক্ষীরা-৩ আসনে ডা. আ ফ ম রুহুল হক, চাঁদপুর-৩ আসনে ডা. দীপু মনি, সিরাজগঞ্জ-৩ আসনে ডা. আবদুল আজিজ, নরসিংদী-২ আসনে ডা. আনোয়ারুল আশরাফ খান দিলীপ, গাইবান্ধা-৩ আসনে ডা. ইউনুস আলী সরকার, সিরাজগঞ্জ-২ আসনে ডা. হাবীবে মিল্লাত মুন্না, জামালপুর-৪ আসনে ডা. মুরাদ হাসান, রাজশাহী-৫ আসনে ডা. মনসুর আহমেদ এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ আসনে ডা. শিমুল বিশ্বাস।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আ. লীগের মনোনয়ন পেলেন সিইসির ভাগ্নে!

রাজনীতির ডেস্ক: বিএনপি নেতাদের সমালোচনার মুখে থাকা প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে এম নূরুল হুদার এক ভাগ্নে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হয়ে আসন্ন সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ছাড়পত্র পেয়েছেন।

আগামী ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠেয় একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালী-৩ আসনে (দশমিনা-গলাচিপা) আসনে দলীয় প্রার্থী হিসেবে এস এম শাহজাদাকে প্রত্যয়ন দিয়েছে আওয়ামী লীগ। তিনি সিইসি নূরুল হুদার বোনের ছেলে।

ওই আসনে বর্তমান সংসদ সদস্য, ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক খ ম জাহাঙ্গীর হোসাইনকে বাদ দিয়ে শাহজাদাকে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী করছে ক্ষমতাসীন দল।

নূরুল হুদার সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে শাহজাদা বলেন, “এটা একটা সামাজিক পরিচয়। উনি আমার মামা।”

ছাত্রলীগের সাবেক এই স্থানীয় নেতা বলেন, “আমার মনোনয়ন পাওয়ার খবরে এলাকার মানুষ অনেক উচ্ছ্বসিত। ইনশাল্লাহ আমি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হব।”

পটুয়াখালী-৩ আসনে খ ম জাহাঙ্গীর একাধিকবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। জরুরি অবস্থার সময় তিনি সংস্কারপন্থি হিসেবে চিহ্নিত হলে ২০০৮ সালের নির্বাচনে তাকে মনোনয়ন দেয়নি আওয়ামী লীগ।

ওই নির্বাচনে গোলাম মাওলা রনি মনোনয়ন পেলেও ২০১৪ সালে ফেরত আনা হয় খ ম জাহাঙ্গীরকে।

এবার মনোনয়ন না পাওয়ার প্রতিক্রিয়ায় খ ম জাহাঙ্গীর বলেন, “তৃণমূল আশা করেছে, এলাকার মানুষ আশা করেছে- আমি মনোনয়ন পাব। দল যাকে মনোনয়ন দিয়েছে, আওয়ামী লীগ তাকে মেনে নিয়েছে, মেনে নেবে।”

সিইসির ভাগ্নে পরিচয়টি শাহজাদার মনোনয়ন পাওয়ার ক্ষেত্রে মুখ্য ছিল কি না- জানতে চাইলে তিনি বলেন, “এর বাইরে তার কোনো পরিচয় আছে কি না, আপনারা খবর নেন। এর বাইরে তার কোনো পরিচয় আছে বলে আমার জানা নেই।”

নূরুল হুদা সিইসি নিয়োগ পাওয়ার পর তাকে ১৯৯৬ সালের ‘জনতার মঞ্চের লোক’ হিসেবে তুলে ধরেছিল বিএনপি।

তিনি নিরপেক্ষতা রাখতে পারছেন না অভিযোগ করে তাকে অপসারণের দাবি রোববারই জানিয়েছেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রধান নেতা কামাল হোসেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ইভিএম: সাতক্ষীরা-২ সহ ৪৮ আসন বাছাই; ৬টি নির্ধারণে হবে লটারি

দেশের খবর: একাদশ সংসদ নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহারের জন্য সাতক্ষীরা-২ সহ ৪৮টি আসন প্রাথমিকভাবে বাছাই করেছে নির্বাচন কমিশন।

এর মথ্য থেকে লটারির মাধ্যমে ছয়টি আসন নির্ধারণ করা হবে বলে রোববার নির্বাচন কমিশনের জনসংযোগ পরিচালক যুগ্ম-সচিব এস এম আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন।

বিএনপিসহ অধিকাংশ দলের আপত্তির মধ্যেই এবার সংসদ নির্বাচনে প্রথম যন্ত্রে ভোটগ্রহণ হচ্ছে। শহরাঞ্চলের ছয়টি আসনের সব কেন্দ্রে ইভিএমে ভোটগ্রহণের সিদ্ধান্ত শনিবারই নিয়েছে ইসি।

ইসি কর্মকর্তারা জানান, প্রধান নির্বাচন কমিশনার, নির্বাচন কমিশনার ও ইসি সচিবসহ সংশ্লিষ্টরা শহরাঞ্চলের ৪৮টি আসন ইভিএমের জন্য উপযুক্ত হিসেবে বাছাই করেছে। এর মধ্য থেকে দ্বৈবচয়নের ভিত্তিতে ৬টি আসন চূড়ান্ত করা হবে।

২৮ নভেম্বর এ ছয়টি আসন বাছাইয়ের কথা থাকলেও রোববার সিদ্ধান্ত হয়েছে, ২৬ নভেম্বর অর্থাৎ সোমবার লটারিটি হবে।

আসাদুজ্জামান বলেন, “সোমবার বিকাল ৫টায় ইসির সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে কম্পিউটার প্রোগ্রামের মাধ্যমে দ্বৈবচয়ন অনুষ্ঠিত হবে।”

সিইসি কে এম নূরুল হুদা, নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার, রফিকুল ইসলাম, কবিতা খানম, শাহাদাত হোসেন চৌধুরী ও ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ এ সময় উপস্থিত থাকবে।

‘লটারি’ হবে যে ৪৮ আসনের মধ্যে

ঠাকুরগাঁও-১, দিনাজপুর-৩, নীলফামারী-২, লালমনিরহাট-৩, রংপুর-৩, গাইবান্ধা-২, বগুড়া-৬, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩, নওগাঁ-৫, রাজশাহী-২, পাবনা-৫, কুষ্টিয়া-৩, খুলনা-২ ও ৩, সাতক্ষীরা-২, ভোলা-১, বরিশাল-৫, টাঙ্গাইল-৫, জামালপুর-৫, শেরপুর-১, ময়মনসিংহ-৪, ঢাকা-৪ থেকে ঢাকা-১৩, ঢাকা-১৫ থেকে ঢাকা-১৮, গাজীপুর-২, নরসিংদী-১ ও ২, নারায়ণগঞ্জ ৪ ও ৫, ফরিদপুর-৩, মাদারীপুর-১, সিলেট-১, কুমিল্লা-৬, ফেনী-২, চট্টগ্রাম ৯ থেকে ১১।

ইভিএমে ভোট যেভাবে হয়:

স্থানীয় নির্বাচনে এ ইভিএম ব্যবহার হয়েছে রংপুর, খুলনা, গাজীপুর ও বরিশাল সিটি নির্বাচনে।

আঙ্গুলের ছাপ, ভোটার নম্বর, জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর বা স্মার্ট পরিচয়পত্র ব্যবহার করে ভোটার শনাক্ত করা হয়।

নির্দিষ্ট কেন্দ্রের ভোটকক্ষে একজন করে ভোটার ভেরিফিকেশন করেন পোলিং অফিসার।

ডেটাবেইজে ভোটার বৈধ হিসেবে শনাক্ত হলেই ভেরিফিকেশনের সঙ্গে যুক্ত প্রজেক্টের মাধ্যমে তা পোলিং এজেন্টের কাছে দৃশ্যমান হবে।

মেশিনটিতে কুইক রেসপন্স কোড QR CODE সহ আরও কিছু তথ্য সম্বলিত টোকেন মুদ্রণ করে ভোটারকে দেওয়া হয়।

ভোটার টোকেন নিয়ে সহকারী প্রিজাইডিং কর্মকর্তার কাছে এলে ভোটিং মেশিনের QR CODE স্ক্যানারের মাধ্যমে শনাক্ত করে গোপন কক্ষে থাকা তিনটি পদের জন্য ব্যালট ইউনিটে ব্যালট ইস্যু করা হবে।

ভোটার পছন্দের প্রার্থী ও প্রতীক দেখে বাম দিকে বোতামে চাপ দিয়ে সিলেক্ট করবেন এবং ওই ব্যালট ইউনিটের সবুজ রংয়ের CONFIRM বোতাম চেপে তার ভোট শেষ করবেন।

কখনো ভুলবশত কোনো প্রতীক সিলেক্ট করা হলে, ব্যালট ইউনিটের লাল রংয়ের CANCEL বোতাম চেপে পরবর্তীতে যে কোনো প্রার্থীকে আবার সিলেক্ট করা যাবে।
এভাবে দুই বার CANCEL করা যাবে, তৃতীয়বার যেটি সিলেক্ট করা হবে সেটি বৈধ ভোট হিসেবে গৃহীত হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কোনো ব্যক্তি বা দলকে আঘাত করার ইচ্ছে আমার নেই -মাশরাফি

খেলার খবর: আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম কিনেছিলেন জাতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা। নড়াইল-২ আসন থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়নও পেয়েছেন তিনি।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিজের অংশগ্রহণের ব্যাপারে লিখেছেন মাশরাফি। আজ সোমবার রাত ৯টার দিকে ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড পেজে লেখাটি প্রকাশ করেছেন তিনি। মাশরাফির ‘স্ট্যাটাস’টি পাঠকদের জন্য হুবহু তুলে দেওয়া হলো।

‘২০০১, ক্রিকেটের আঙিনায় পথচলা শুরু। আজ ২০১৮। এই প্রায় দেড় যুগে ক্রিকেট যা খেলেছি, জীবন দিয়ে খেলেছি। কখনও আপোস করিনি। আগামী বিশ্বকাপ পর্যন্ত আপোস করতেও চাই না। বাকিটা মহান আল্লাহর ইচ্ছা।

রাজনীতির তাড়না আমার ভেতরে ছিলই। কারণ, সবসময় বিশ্বাস করেছি, রাজনীতি ছাড়া দেশের উন্নয়ন জোরালোভাবে সম্ভব নয়। ক্রিকেট খেলেছি, আপনাদের ভালোবাসা পেয়েছি। না হলে হয়তো বা ২০১১ সালেই হারিয়ে যেতাম। এই মাশরাফিই হয়তো এত দিনে থাকত না। ২০১১ সালে আপনাদের কাছ থেকে যে ভালোবাসা পেয়েছি, তা আমাকে এই সাত বছর চলতে সহায়তা করেছে। এবার আমার সামনে সুযোগ এসেছে আমার দেশের মানুষের জন্য কিছু করার। বিশ্বকাপের পরের সাড়ে চার বছর আমার জন্য কী অপেক্ষায় আছে, সেটাও জানি না। তাই আমি সময়কে মূল্যায়ন করেছি। সময়ের ডাক শুনেছি। কারণ আমি বিশ্বাস করি, সময়ের কাজ সময়েই করা উচিত।

বঙ্গবন্ধুকে দেখার সৌভাগ্য হয়নি, কিন্তু তার কথা জেনে, উপলব্ধি করেই বেড়ে উঠেছি। পড়াশোনা করে, অনেকের কাছে শুনে যতটুকু জেনেছি, সেসব থেকেই উনাকে হৃদয়ে ধারণ করেছি। আর মুক্তিযুদ্ধের চেতনা পারিবারিকভাবেই আমার অস্থি-মজ্জায়, মননে-মগজে। এখন বঙ্গবন্ধু-কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা যে উন্নয়ন কাজ করছেন, তার সারথি হয়ে আমার এলাকার জন্য কিছু করতে চাই। এটা যদি করতে না পারি, তাহলে আমার কাছে মনে হবে, আমার এলাকার প্রতি আমি মোটেও সুবিচার করছি না। বঞ্চিত করছি। ক্রিকেট খেলতে খেলতে সামাজিক দায়বদ্ধতার জায়গা থেকে যতটুকু সামাজিক কাজ করেছি; আমার মনে হয়েছে, সেটুকুই যথেষ্ট নয়। আরো বড় পরিসরে করার সুযোগ খুঁজেছি সবসময় এবং রাজনীতি আমাকে সেই সুযোগটা করে দিচ্ছে।

কোনো ব্যক্তি বা কোনো দলকে আঘাত করার জন্য আমি রাজনীতিতে আসছি না। যে যার আদর্শ নিয়ে সুন্দর জীবন-যাপন করবে, পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ববোধে সহনশীল ও সহযোগিতাপূর্ণ রাজনৈতিক সংস্কৃতি বিরাজ করবে, সেটিই আমার চাওয়া।

অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, আমাদের মতো মানুষ কেন রাজনীতিতে আসবে! সত্যি বলতে, আমি জানি না, আমি কেমন মানুষ। ভালো মানুষ হিসেবে আমার যে পরিচিতি ছড়িয়েছে, সেটাও আমার ভেতর বারবার প্রশ্ন জাগিয়েছে, কেন আমি ভালো মানুষ? দুটি বল করে, আপনাদের কয়েকটি আনন্দের মুহূর্ত উপহার দিয়ে, দুজনকে জড়িয়ে ধরেই যদি ভালো মানুষ হওয়া যায়, তাহলে স্রেফ এ রকম ভালো মানুষ হওয়ার ইচ্ছা আমার কখনোই ছিল না। সত্যিকার অর্থেই আমি কেমন মানুষ, আমার বিশ্বাস, সেটি বিচার করার সময় সামনে। যদি আমি নির্বাচনে জয়লাভ করতে পারি এবং আমার দল সরকার গঠন করে, তার পর আমার কর্মেই ফুটে উঠবে আমি কতটা ভালো মানুষ।

জানি, বলা যত সহজ, কাজ করে দেখানো তার চেয়ে অনেক বড় চ্যালেঞ্জ। কিন্তু চ্যালেঞ্জটা নিতে আমি পিছপা হইনি। চাইলেই আমি নিজের সহজাত পরিবেশের ভেতর থাকতে পারতাম। কিন্তু আমি স্বপ্ন দেখি, আমার এলাকার মানুষ সমৃদ্ধির পথে আরেক ধাপ এগিয়ে যাক। আলো ছড়িয়ে পড়ুক নড়াইলবাসীর উপর। আমি চাই সমৃদ্ধ নড়াইল। সেই পথে আমার যত কষ্টই হোক, আমি থাকব আমার প্রিয় নড়াইলবাসীর পাশে।

মনোনয়নপত্র কেনার সপ্তাহখানেক আগে আমার মেয়েকে আমি ব্যাংককের সবচেয়ে বড় হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিলাম। সেই সামর্থ্য আল্লাহ আমাকে দিয়েছেন। কিন্তু আমি ভেবেছি, ওই মানুষটির কথা, যে আরো অনেক জটিল রোগে আক্রান্ত হয়েও প্রাপ্য চিকিৎসা পাচ্ছে না। আমি ভেবেছি সেই ছেলেমেয়েদের কথা, যারা প্রতিভাবান হয়েও মফস্বল থেকে উচ্চশিক্ষার দুয়ার পর্যন্ত যেতে পারছে না। ভেবেছি খেটে খাওয়া সেই মানুষদের কথা, যারা দিন-রাত পরিশ্রম করেও প্রাপ্যটুকু অনেক সময় পাচ্ছে না।

আমি বিশ্বাস করি, বাংলাদেশের সব সচেতন, যোগ্য ও ভালো মানুষের রাজনীতিতে আসা উচিত। অনেকেই হয়তো সাহস করে উঠতে পারেননা নানা কারণে, মানসিক সীমাবদ্ধতায়। আমার মনে হয়েছে, মানসিক বাধার সেই দেয়াল ভাঙা জরুরি। তাই ভেতরের তাগিদ পূরণের উদ্যোগটা আমিই নিলাম। ক্রিকেটের মাঠে দেড় যুগ ধরে তিলতিল করে গড়ে ওঠা মাশরাফির অবস্থান হয়তো আজ অনেকের কাছে প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে রাজনীতির মাঠে নামার কারণে। কিন্তু আমি নিজে সত্যিকার অর্থেই রোমাঞ্চিত নতুন কিছুর সম্ভাবনায়। আমি আশা করি এমন কিছু করতে পারব, যা দেখে ভবিষ্যতে হাজারও মাশরাফি এগিয়ে আসবে ইনশা আল্লাহ।

আমি আবারও বলছি, কোনো ব্যক্তি বা দলকে আঘাত করার ইচ্ছে আমার নেই। কেবল সময়ের দাবি মেটানোর চেষ্টা করছি মাত্র। আশা করি, আপনাদের ভালোবাসা আমাকে এই ইনিংসেও সামনে এগিয়ে নিয়ে যাবে। আপনাদের সমর্থন ও দোয়ায় সিক্ত হতে চাই।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest