সর্বশেষ সংবাদ-
তালায় উপজেলার শ্রেষ্ঠ সংগঠক নির্বাচিত তরুণ সমাজকর্মী এস. এম. নাহিদকলারোয়ায় প্রবাসীর অর্ধকোটি টাকার ইটভাটা জবরদখলের অভিযোগ- বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলননক্ষত্রের অভিবাদন: শ্যামনগরে ১০ গুণী ব্যক্তিকে সংবর্ধনাসাংবাদিক পুত্র কাজী ফাহিমের অতুলনীয় সাফল্য : প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের অভিনন্দনসাতক্ষীরায় জলবায়ু-বাস্তুচ্যুত মানুষের আবাসন, খাদ্য ও পুষ্টি অধিকার নিশ্চিতে ১১ দফা দাবিসাতক্ষীরার সাংবাদিকপুত্র কাজী ফাইম আব্দুল্লাহর এইচএসসিতে গোল্ডেন এ-প্লাস অর্জনসাতক্ষীরায় নির্মাণাধীন ভবনের সাব-কন্টাক্টরের কাছে চাঁদা দাবি : থানায় অভিযোগতালায় আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা: সার সংকট, মাটি কাটা ও বালু উত্তোলন বন্ধে গুরুত্বারোপদেবহাটায় শিশুদের প্রারম্ভিক বিকাশে খেলাভিত্তিক সেশন পরিদর্শনসাতক্ষীরায় আবাসিক হোটেল-রেস্তোরাঁ – বেকারি ব্যবস্থাপনা বিষয়ক মতবিনিময়

প্রথম জেনেটিক শিশুর জন্ম চীনে

বিদেশের খবর: চীনের এক বিজ্ঞানী বিশ্বের প্রথম জেনেটিক্যালি-সংশোধিত যমজ শিশু জন্মের দাবি করেছেন। এ শিশুর জিন এডিটিং করে সারানো হয়েছে রোগ। লুলু এবং নানা নামে প্রথমবার ‘রোগাক্রান্ত জিন শুধরানো শিশু’ জন্ম নিল, দাবি চীনের বিজ্ঞানীদের। আর এ শিশু দুটি জীবনে এইডস রোগে আক্রান্ত হবে না।

দক্ষিণ চীনের শেনঝেন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জিয়াংকুই নামের এক বিজ্ঞানীর এ দাবির কথা প্রথম জানা যায় ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক ইন্সটিটিউট অব টেকনোলজি রিভিউর একটি ভিডিওতে।

বিজ্ঞানী জিয়াংকুই দাবি করেন, জিন থেকে এইডস রোগের সবরকম সম্ভাবনা মুছে দিয়ে সুস্থ শিশুর জন্ম দিতে সাহায্য করেছেন তারা। যদিও শিশুকন্যা দুটির ছবি মেলেনি। তাদের বাবা-মায়ের পরিচয়ও জানা যায়নি। ভিডিওতে তিনি জানিয়েছেন, সাতজন এইচআইভি আক্রান্ত যুগলের ভ্রূণ নিয়ে চলে এ গবেষণা। একটি ক্ষেত্রে মিলেছে ইতিবাচক ফল। ওই গবেষক বলেছেন, ভবিষ্যতে এই শিশু দুটির ক্ষেত্রে কোনো দিনও এইডসের সম্ভাবনা থাকবে না।

এখন পর্যন্ত কোনো গবেষণাপত্রও প্রকাশিত হয়নি এ নিয়ে। তাই এ গবেষণা নিয়ে সংশয়ও প্রকাশ করেছেন অনেকেই। শুধু ভিডিওতে চীনা বিজ্ঞানী দাবি করছেন। বাবা-মায়ের থেকে শুক্রাণু ও ডিম্বাণু নিয়ে তৈরি করা হয়েছে ভ্রূণ। এরপর আইভিএফ পদ্ধতিতে জন্ম নিয়েছে শিশু। সিসিআর৫ জিন সম্পাদনা করেই এই অসাধ্য সাধন করা হয়েছে, এমনটাও দাবি করেছেন বিজ্ঞানী। সূত্র : এএফপি, বিবিসি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মাঠে নামছেন দেড় হাজারের বেশি ম্যাজিস্ট্রেট

দেশের খবর: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাঠে দুই দফায় দায়িত্ব পালন করবেন এক হাজার ৬৩৯ জন নির্বাহী ও বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট। নির্বাচনের আগে অনিয়ম তদারকির জন্য ভোটগ্রহণ শেষ না হওয়া পর্যন্ত তারা মাঠে থাকবেন। ৩০০ সংসদীয় আসনের জন্য দুই দফায় আলাদা করে তারা দায়িত্ব পালন করবেন। বিধিভঙ্গের কারণে সর্বনিম্ন ছয় মাস থেকে সর্বোচ্চ সাত বছর পর্যন্ত সাজা দিতে পারবেন তারা।

ভোটগ্রহণের আগে-পরে চারদিনের জন্য মাঠে নামতে যাওয়াদের মধ্যে ৬৪ জন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, ৬৯১জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, ৮৮৫জন বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট। ইতোমধ্যে তাদের দায়িত্ব প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করতে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোয় চিঠি দিয়েছে ইসি। শিগগিরই আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে নির্বাচনের মাঠে দেখা যাবে এই ম্যাজিস্ট্রেটদের। নির্বাচন কমিশন (ইসি) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ বলেন, নির্বাচন-পূর্ব অনিয়ম লঙ্ঘনকারীদের সংক্ষিপ্ত বিচারের মাধ্যমে সাজা দেবেন বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেটরা। আর নির্বাচনী প্রচারণার সময় প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী, তাদের কর্মী-সমর্থকরা আচরণবিধি লঙ্ঘন করলে ভ্রাম্যমাণ আদালতে মাধ্যমে তাদের তাৎক্ষণিক সাজাসহ অর্থিক জরিমানা করতে পারবেন তারা। একইভাবে, ভোটের আগে-পরে দায়িত্বপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেটরা ভোটের দিন কেন্দ্র দখল, জোরপূর্বক ক্ষমতার অপপ্রয়োগ করার চেষ্টাকারীদের জরিমানাসহ সাজা দিতে পারবেন।

তিনি বলেন, নির্বাচনে সব দল ও প্রার্থীর জন্য সমান সুযোগ তৈরি এবং অশুভ তৎপরতা রোধে ম্যাজিস্ট্রেটরা দায়িত্ব পালন করবেন। ইতোমধ্যে কমিশন থেকে নির্বাচনের বিধি-বিধান এবং দায়িত্ব স্মরণ করিয়ে ম্যাজিস্ট্রেটদের প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে।

সূত্র জানায়, প্রতিটি উপজেলায় একজন করে, সিটি কর্পোরেশন এলাকায় ভৌগোলিকভাবে পাশাপাশি অবস্থিত প্রতি তিন-চারটি ওয়ার্ডের জন্য একজন করে, সিটির বাইরে জেলা সদরে প্রতি পৌর এলাকায় এক থেকে দুইজন করে এবং পার্বত্য এলাকায় ভৌগোলিকভাবে পাশাপাশি অবস্থিত তিন থেকে চারটি উপজেলার জন্য একজন করে ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবেন। নির্বাচনী এলাকায় মোবাইল টিমের সদস্য হিসেবে ঘুরে ঘুরে অপরাধ পর্যবেক্ষণ করবেন তারা। বিধি-ভঙ্গ নজরে এলে তাৎক্ষণিক সাজা দেবেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা।

নির্বাচন-পূর্ব অনিয়ম প্রতিরোধ, প্রার্থীদের আচরণবিধি ভঙ্গের তদারকি এবং ক্ষমতার অপ্রব্যবহার নিয়ন্ত্রণে দুটি নির্বাচনী তদন্ত কমিটি (ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি কমিটি) গঠন করা হয়েছে। এ ছাড়া ৩০০ সংসদীয় আসনের জন্য ১২২টি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রতি কমিটিতে দু’জন করে বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট রয়েছেন।

গত ২৫ নভেম্বর এই ম্যাজিস্ট্রেটদের দায়িত্ব দেয়ার কথা উল্লেখ করে প্রজ্ঞাপন জারি করে নির্বাচন কমিশন।

ইসি সূত্রে জানা গেছে, আগামী ১০ ডিসেম্বর ৩০০ সংসদীয় আসনের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেবে ইসি। একইসঙ্গে ওইদিন থেকে প্রার্থীদের প্রচারণা শুরু হয়ে যাবে। ভোটের ৩৬ ঘণ্টা আগে এ প্রচারণা বন্ধ করতে হবে। এ সময় পর্যন্ত রাজনৈতিক দল সমর্থিত ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা বিরামহীন প্রচারণা চালাবেন।

উল্লেখ্য, আগামী ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন ২৮ নভেম্বর। মনোনয়নপত্র বাছাই ২ ডিসেম্বর। প্রার্থিতা প্রত্যাহার ৯ ডিসেম্বর। আর প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হবে ১০ ডিসেম্বর।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রাজনীতি ও খেলা নিয়ে যা বললেন মাশরাফি

অনলাইন ডেস্ক: বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের ওয়ানডে অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা রাজনীতিতে নাম লেখানোয় দেশজুড়ে শুরু হয়েছে আলোচনা। কেউ কেউ অবশ্য সমালোচনাও করছেন। প্রশ্ন তুলেছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজে তাঁর খেলা নিয়েও। আর ২০১৯ সালের বিশ্বকাপে খেলবেন না কি রাজনীতি করবেন সে হিসাবও অগ্রিম কষছেস অনেকেই। তবে সব প্রশ্নেরেউত্তর দিলেন মাশরাফি নিজেই। রবিবার (২৫ নভেম্বর) রাত ৯ টায় মাশরাফি তাঁর ব্যক্তিগত ফেসবুক একাউন্টে সুবিশাল স্টাটাস দিয়ে ব্যাখ্যা করেছেন নিজের রাজনৈতিক ও ক্রিড়া পরিকল্পনা।

মাশরাফির দেয়া ফেসবুক স্ট্যাটাসটি পাঠকদের জন্য হুবহু তুলে ধরা হলো-

‘২০০১, ক্রিকেটের আঙিনায় পথচলা শুরু। আজ ২০১৮। এই প্রায় দেড় যুগে ক্রিকেট যা খেলেছি, জীবন দিয়ে খেলেছি। কখনও আপোস করিনি। আগামী বিশ্বকাপ পর্যন্ত আপোস করতেও চাই না। বাকিটা মহান আল্লাহর ইচ্ছা।

রাজনীতির তাড়না আমার ভেতরে ছিলই। কারণ, সবসময় বিশ্বাস করেছি, রাজনীতি ছাড়া দেশের উন্নয়ন জোরালোভাবে সম্ভব নয়। ক্রিকেট খেলেছি, আপনাদের ভালোবাসা পেয়েছি। নাহলে হয়তোবা ২০১১ সালেই হারিয়ে যেতাম। এই মাশরাফিই হয়তো এতদিনে থাকতো না। ২০১১ সালে আপনাদের কাছ থেকে যে ভালোবাসা পেয়েছি, তা আমাকে এই সাত বছর চলতে সহায়তা করেছে। এবার আমার সামনে সুযোগ এসেছে আমার দেশের মানুষের জন্য কিছু করার। বিশ্বকাপের পরের সাড়ে চার বছর আমার জন্য কী অপেক্ষায় আছে, সেটাও জানি না। তাই আমি সময়কে মূল্যায়ন করেছি। সময়ের ডাক শুনেছি। কারণ আমি বিশ্বাস করি, সময়ের কাজ সময়েই করা উচিত।

বঙ্গবন্ধুকে দেখার সৌভাগ্য হয়নি, কিন্তু তার কথা জেনে, উপলব্ধি করেই বেড়ে উঠেছি। পড়াশোনা করে, অনেকের কাছে শুনে যতটুকু জেনেছি, সেসব থেকেই উনাকে হৃদয়ে ধারণ করেছি। অার মুক্তিযুদ্ধের চেতনা পারিবারিকভাবেই অামার অস্থি-মজ্জায়, মননে-মগজে।
এখন বঙ্গবন্ধু-কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা যে উন্নয়ন কাজ করছেন, তার সারথি হয়ে আমার এলাকার জন্য কিছু করতে চাই। এটা যদি করতে না পারি, তাহলে আমার কাছে মনে হবে, আমার এলাকার প্রতি আমি মোটেও সুবিচার করছি না। বঞ্চিত করছি। ক্রিকেট খেলতে খেলতে সামাজিক দায়বদ্ধতার জায়গা থেকে যতটুকু সামাজিক কাজ করেছি; আমার মনে হয়েছে, সেটুকুই যথেষ্ট নয়। আরও বড় পরিসরে করার সুযোগ খুঁজেছি সবসময় এবং রাজনীতি আমাকে সেই সুযোগটা করে দিচ্ছে।

কোনো ব্যক্তি বা কোনো দলকে আঘাত করার জন্য আমি রাজনীতিতে আসছি না। যে যার আদর্শ নিয়ে সুন্দর জীবন-যাপন করবে, পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ববোধে সহনশীল ও সহযোগিতাপূর্ণ রাজনৈতিক সংস্কৃতি বিরাজ করবে, সেটিই আমার চাওয়া।

অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, আমাদের মতো মানুষ কেন রাজনীতিতে আসবে! সত্যি বলতে, আমি জানি না, আমি কেমন মানুষ। ভালো মানুষ হিসেবে আমার যে পরিচিতি ছড়িয়েছে, সেটাও আমার ভেতর বারবার প্রশ্ন জাগিয়েছে, কেন আমি ভালো মানুষ? দুটি বল করে, আপনাদের কয়েকটি আনন্দের মূহুর্ত উপহার দিয়ে, দু’জনকে জড়িয়ে ধরেই যদি ভালো মানুষ হওয়া যায়, তাহলে স্রেফ এরকম ভালো মানুষ হওয়ার ইচ্ছা আমার কখনোই ছিল না। সত্যিকার অর্থেই আমি কেমন মানুষ, আমার বিশ্বাস, সেটি বিচার করার সময় সামনে। যদি আমি নির্বাচনে জয়লাভ করতে পারি এবং আমার দল সরকার গঠন করে, তার পর আমার কর্মেই ফুটে উঠবে আমি কতটা ভালো মানুষ।

জানি, বলা যত সহজ, কাজ করে দেখানো তার চেয়ে অনেক বড় চ্যালেঞ্জ। কিন্তু চ্যালেঞ্জটা নিতে আমি পিছপা হইনি। চাইলেই আমি নিজের সহজাত পরিবেশের ভেতর থাকতে পারতাম। কিন্তু আমি স্বপ্ন দেখি, আমার এলাকার মানুষ সমৃদ্ধির পথে অারেক ধাপ এগিয়ে যাক। অালো ছড়িয়ে পড়ুক নড়াইলবাসীর উপর। অামি চাই সমৃদ্ধ নড়াইল। সেই পথে আমার যত কষ্টই হোক, অামি থাকবো অামার প্রিয় নড়াইলবাসীর পাশে।

মনোনয়নপত্র কেনার সপ্তাহখানেক আগে আমার মেয়েকে আমি ব্যাংককের সবচেয়ে বড় হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিলাম। সেই সামর্থ্য আল্লাহ আমাকে দিয়েছেন। কিন্তু আমি ভেবেছি, ওই মানুষটির কথা, যে আরও অনেক জটিল রোগে আক্রান্ত হয়েও প্রাপ্য চিকিৎসা পাচ্ছে না। আমি ভেবেছি সেই ছেলে-মেয়েদের কথা, যারা প্রতিভাবান হয়েও মফস্বল থেকে উচ্চশিক্ষার দুয়ার পর্যন্ত যেতে পারছে না। ভেবেছি খেটে খাওয়া সেই মানুষদের কথা, যারা দিন-রাত পরিশ্রম করেও প্রাপ্যটুকু অনেক সময় পাচ্ছে না।

আমি বিশ্বাস করি, বাংলাদেশের সব সচেতন, যোগ্য ও ভালো মানুষের রাজনীতিতে আসা উচিত। অনেকেই হয়তো সাহস করে উঠতে পারেননা নানা কারণে, মানসিক সীমাবদ্ধতায়। আমার মনে হয়েছে, মানসিক বাধার সেই দেয়াল ভাঙা জরুরি। তাই ভেতরের তাগিদ পূরণের উদ্যোগটা আমিই নিলাম। ক্রিকেটের মাঠে দেড় যুগ ধরে তিলতিল করে গড়ে ওঠা মাশরাফির অবস্থান হয়তো আজ অনেকের কাছে প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে রাজনীতির মাঠে নামার কারণে। কিন্তু আমি নিজে সত্যিকার অর্থেই রোমাঞ্চিত নতুন কিছুর সম্ভাবনায়। আমি আশা করি এমন কিছু করতে পারব, যা দেখে ভবিষ্যতে হাজারও মাশরাফি এগিয়ে আসবে ইনশাল্লাহ।
২০০১, ক্রিকেটের আঙিনায় পথচলা শুরু। আজ ২০১৮। এই প্রায় দেড় যুগে ক্রিকেট যা খেলেছি, জীবন দিয়ে খেলেছি। কখনও আপোস করিনি। আগামী বিশ্বকাপ পর্যন্ত আপোস করতেও চাই না। বাকিটা মহান আল্লাহর ইচ্ছা।

রাজনীতির তাড়না আমার ভেতরে ছিলই। কারণ, সবসময় বিশ্বাস করেছি, রাজনীতি ছাড়া দেশের উন্নয়ন জোরালোভাবে সম্ভব নয়। ক্রিকেট খেলেছি, আপনাদের ভালোবাসা পেয়েছি। নাহলে হয়তোবা ২০১১ সালেই হারিয়ে যেতাম। এই মাশরাফিই হয়তো এতদিনে থাকতো না। ২০১১ সালে আপনাদের কাছ থেকে যে ভালোবাসা পেয়েছি, তা আমাকে এই সাত বছর চলতে সহায়তা করেছে। এবার আমার সামনে সুযোগ এসেছে আমার দেশের মানুষের জন্য কিছু করার। বিশ্বকাপের পরের সাড়ে চার বছর আমার জন্য কী অপেক্ষায় আছে, সেটাও জানি না। তাই আমি সময়কে মূল্যায়ন করেছি। সময়ের ডাক শুনেছি। কারণ আমি বিশ্বাস করি, সময়ের কাজ সময়েই করা উচিত।

বঙ্গবন্ধুকে দেখার সৌভাগ্য হয়নি, কিন্তু তার কথা জেনে, উপলব্ধি করেই বেড়ে উঠেছি। পড়াশোনা করে, অনেকের কাছে শুনে যতটুকু জেনেছি, সেসব থেকেই উনাকে হৃদয়ে ধারণ করেছি। অার মুক্তিযুদ্ধের চেতনা পারিবারিকভাবেই অামার অস্থি-মজ্জায়, মননে-মগজে।
এখন বঙ্গবন্ধু-কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা যে উন্নয়ন কাজ করছেন, তার সারথি হয়ে আমার এলাকার জন্য কিছু করতে চাই। এটা যদি করতে না পারি, তাহলে আমার কাছে মনে হবে, আমার এলাকার প্রতি আমি মোটেও সুবিচার করছি না। বঞ্চিত করছি। ক্রিকেট খেলতে খেলতে সামাজিক দায়বদ্ধতার জায়গা থেকে যতটুকু সামাজিক কাজ করেছি; আমার মনে হয়েছে, সেটুকুই যথেষ্ট নয়। আরও বড় পরিসরে করার সুযোগ খুঁজেছি সবসময় এবং রাজনীতি আমাকে সেই সুযোগটা করে দিচ্ছে।

কোনো ব্যক্তি বা কোনো দলকে আঘাত করার জন্য আমি রাজনীতিতে আসছি না। যে যার আদর্শ নিয়ে সুন্দর জীবন-যাপন করবে, পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ববোধে সহনশীল ও সহযোগিতাপূর্ণ রাজনৈতিক সংস্কৃতি বিরাজ করবে, সেটিই আমার চাওয়া।

অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, আমাদের মতো মানুষ কেন রাজনীতিতে আসবে! সত্যি বলতে, আমি জানি না, আমি কেমন মানুষ। ভালো মানুষ হিসেবে আমার যে পরিচিতি ছড়িয়েছে, সেটাও আমার ভেতর বারবার প্রশ্ন জাগিয়েছে, কেন আমি ভালো মানুষ? দুটি বল করে, আপনাদের কয়েকটি আনন্দের মূহুর্ত উপহার দিয়ে, দু’জনকে জড়িয়ে ধরেই যদি ভালো মানুষ হওয়া যায়, তাহলে স্রেফ এরকম ভালো মানুষ হওয়ার ইচ্ছা আমার কখনোই ছিল না। সত্যিকার অর্থেই আমি কেমন মানুষ, আমার বিশ্বাস, সেটি বিচার করার সময় সামনে। যদি আমি নির্বাচনে জয়লাভ করতে পারি এবং আমার দল সরকার গঠন করে, তার পর আমার কর্মেই ফুটে উঠবে আমি কতটা ভালো মানুষ।

জানি, বলা যত সহজ, কাজ করে দেখানো তার চেয়ে অনেক বড় চ্যালেঞ্জ। কিন্তু চ্যালেঞ্জটা নিতে আমি পিছপা হইনি। চাইলেই আমি নিজের সহজাত পরিবেশের ভেতর থাকতে পারতাম। কিন্তু আমি স্বপ্ন দেখি, আমার এলাকার মানুষ সমৃদ্ধির পথে অারেক ধাপ এগিয়ে যাক। অালো ছড়িয়ে পড়ুক নড়াইলবাসীর উপর। অামি চাই সমৃদ্ধ নড়াইল। সেই পথে আমার যত কষ্টই হোক, অামি থাকবো অামার প্রিয় নড়াইলবাসীর পাশে।

মনোনয়নপত্র কেনার সপ্তাহখানেক আগে আমার মেয়েকে আমি ব্যাংককের সবচেয়ে বড় হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিলাম। সেই সামর্থ্য আল্লাহ আমাকে দিয়েছেন। কিন্তু আমি ভেবেছি, ওই মানুষটির কথা, যে আরও অনেক জটিল রোগে আক্রান্ত হয়েও প্রাপ্য চিকিৎসা পাচ্ছে না। আমি ভেবেছি সেই ছেলে-মেয়েদের কথা, যারা প্রতিভাবান হয়েও মফস্বল থেকে উচ্চশিক্ষার দুয়ার পর্যন্ত যেতে পারছে না। ভেবেছি খেটে খাওয়া সেই মানুষদের কথা, যারা দিন-রাত পরিশ্রম করেও প্রাপ্যটুকু অনেক সময় পাচ্ছে না।

আমি বিশ্বাস করি, বাংলাদেশের সব সচেতন, যোগ্য ও ভালো মানুষের রাজনীতিতে আসা উচিত। অনেকেই হয়তো সাহস করে উঠতে পারেননা নানা কারণে, মানসিক সীমাবদ্ধতায়। আমার মনে হয়েছে, মানসিক বাধার সেই দেয়াল ভাঙা জরুরি। তাই ভেতরের তাগিদ পূরণের উদ্যোগটা আমিই নিলাম। ক্রিকেটের মাঠে দেড় যুগ ধরে তিলতিল করে গড়ে ওঠা মাশরাফির অবস্থান হয়তো আজ অনেকের কাছে প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে রাজনীতির মাঠে নামার কারণে। কিন্তু আমি নিজে সত্যিকার অর্থেই রোমাঞ্চিত নতুন কিছুর সম্ভাবনায়। আমি আশা করি এমন কিছু করতে পারব, যা দেখে ভবিষ্যতে হাজারও মাশরাফি এগিয়ে আসবে ইনশাল্লাহ।

আমি আবারও বলছি, কোনো ব্যক্তি বা দলকে আঘাত করার ইচ্ছে আমার নেই। কেবল সময়ের দাবি মেটানোর চেষ্টা করছি মাত্র। আশা করি, আপনাদের ভালোবাসা আমাকে এই ইনিংসেও সামনে এগিয়ে নিয়ে যাবে। আপনাদের সমর্থন ও দোয়ায় সিক্ত হতে চাই।
আমি আবারও বলছি, কোনো ব্যক্তি বা দলকে আঘাত করার ইচ্ছে আমার নেই। কেবল সময়ের দাবি মেটানোর চেষ্টা করছি মাত্র। আশা করি, আপনাদের ভালোবাসা আমাকে এই ইনিংসেও সামনে এগিয়ে নিয়ে যাবে। আপনাদের সমর্থন ও দোয়ায় সিক্ত হতে চাই।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আজ আসছেন ইইউ নির্বাচন বিশেষজ্ঞ

দেশের খবর: নির্বাচনের পূর্বের ও পরের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) প্রতিনিধি হয়ে আজ মঙ্গলবার ঢাকা আসছেন দুই নির্বাচন বিশেষজ্ঞ। বিষয়টি নিশ্চিত করে সোমবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন সিনিয়র কর্মকর্তা বলেন ‘হ্যাঁ, তারা আসছেন। আগামী ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত তারা এখানে থাকবেন।’
ডেভিড নয়েল ওয়ার্ড এবং ইরিনি-মারিয়া গোওনারী সমন্বয়ের এই প্রতিনিধি দ্বয় পরিস্থিতির ওপর এবং প্রয়োজনীয়তা অনুযায়ী দীর্ঘদিন এখানে থাকতে পারেন।

ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘আমি তাদের প্রতিদিনকার কাজকর্মের সূচির ব্যাপারে বলতে পারবো না। কিন্তু আমি এটুকু বলতে পারি তারা রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে নির্বাচনের বিষয়গুলো নিয়ে বিস্তর আলোচনা করবেন।’
ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিদ্বয় প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নুরুল হুদা, গণমাধ্যমকর্মী, প্রার্থী ও ভোটারদের সাথে কথা বলবেন। পরবর্তীতে তারা এখানকার পরিস্থিতির পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী ইইউ সদরদপ্তরে রিপোর্ট পাঠাবেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভারত সফরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রতিনিধি দল

দেশের খবর: বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতার উদ্দেশ্যে ভারত সফরে গেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি প্রতিনিধি দল। সোমবার (২৬ নভেম্বর) ভারতীয় বিমান বাহিনীর দুটি এয়ারক্রাফটে প্রতিনিধি দলের সদস্যরা ঢাকা থেকে দিল্লি যান।
সেনাবাহিনীর তরুণ ২৫ কর্মকর্তার এ সফরে সঙ্গী হয়েছেন তাদের স্ত্রীরা। সোমবার ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশন থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এ সফর শেষ হবে আগামী সোমবার। বাংলাদেশ ও ভারতের জনগণের সঙ্গে যোগাযোগ বৃদ্ধি ও সাংস্কৃতিক বিনিময় এই সফরের অন্যতম উদ্দেশ্য।
ভারতীয় হাইকমিশন জানিয়েছে, বাংলাদেশ ও ভারতের সামরিক বাহিনীর মধ্যে চলমান সহযোগিতা বিস্তৃত করতেই এই সফরের আয়োজন করা হয়েছে।

বাংলাদেশের সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ ভারতের সেনাপ্রধান জেনারেল বিপিন রাওয়াতের সঙ্গে এক বৈঠকে এই সফরের বিষয়ে প্রস্তাব দিয়েছিলেন। সে অনুযায়ী ভারতের সেনাপ্রধান এই সফর বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেন।
প্রতিনিধি দলের সদস্যরা দিল্লি, আগ্রা, কলকাতার বিভিন্ন স্থানের পাশাপাশি বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্মস্থান চুরুলিয়া পরিদর্শন করবেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সিরাজগঞ্জে স্বাস্থ্যমন্ত্রী নাসিম বনাম সংগীত শিল্পী কনকচাঁপা

রাজনীতির খবর: সিরাজগঞ্জ-১ (কাজীপুর) আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী ও ১৪ দলের মুখ্যপাত্র মোহাম্মদ নাসিমের বিরুদ্ধে ধানের শীষের পক্ষে লড়বেন কণ্ঠশিল্পী রুমানা মোর্শেদ কনকচাঁপা।

রবিবার (২৫ নভেম্বর) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে দলীয় প্রার্থীদের চিঠি দেওয়া হয়। দলের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের কাছ থেকে সিরাজগঞ্জ-১ আসনে লড়তে মনোনয়নের চিঠি সংগ্রহ করেন মোহাম্মদ নাসিম।

এদিকে আওয়ামী লীগের এই বর্ষীয়ান নেতার সঙ্গে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে লড়তে কণ্ঠশিল্পী কনকচাঁপা সোমবার (২৬ নভেম্বর) রাতে গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের কার্যালয় থেকে মনোনয়নের চিঠি গ্রহণ করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সিএমএইচে এরশাদ, যেতে পারেন সিঙ্গাপুরও!

রাজনীতির খবর: সাবেক রাষ্ট্রপতি ও আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোটের শরিক জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ চিকিৎসার জন্য ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) আছেন।

সোমবার (২৬ নভেম্বর) রাতে এরশাদের ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি খন্দকার দেলওয়ার জালালী এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

দেলওয়ার জালালী বলেন, ‘দলের চেয়ারম্যান এরশাদ সোমবার দুপুরের দিকে শারীরিক অসুস্থতার কারণে নিয়মিত চেকআপের অংশ হিসেবে সিএমএইচে যান। তিনি এখন সেখানেই আছেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘নিয়মিত চেকআপের জন্য এই মাসে সিঙ্গাপুর যাওয়ার কথা আগে থেকেই রয়েছে। তবে আজ নাকি কয়েকদিন পর সেটা এখনও নিশ্চিত না। তিনি ছোটখাটো কিছু হলেই চিকিৎসকের স্মরণাপন্ন হন। সে অবস্থান থেকে তার সিঙ্গাপুর যাওয়ার সিডিউল রয়েছে এই মাসেই। আরও আগেই তার যাওয়ার কথা ছিল কিন্তু নির্বাচনের ঝামেলার কারণে তিনি যাননি।’

এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত এরশাদ সিএমএইচে আছেন। শারীরিক চেকআপ ও চিকিৎসার জন্য গত কয়েক মাসে বেশ কয়েকবার সিএমএইচে যান তিনি।

প্রসঙ্গত, এর আগে ২৫ সেপ্টেম্বর তিনি চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর গিয়েছিলেন এরশাদ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা-২সহ জাতীয় পার্টিকে ৪৫ আসন ছাড়ল আ. লীগ!

অনলাইন ডেস্ক: আওয়ামী লীগ মহাজোটের প্রধান শরিক জাতীয় পার্টিকে সাতক্ষীরা-০২ সহ ৪৫টি আসন ছেড়ে দিয়েছে বলে খবর প্রকাশিত হয়েছে। দেশের একটি শীর্ষস্থানীয় দৈনিকে এই ৪৫টি আসন সমঝোতায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের জাতীয় পার্টির সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান বেগম রওশন এরশাদ ও মহাসচিব এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার রবিবার সই করেছেন বলে বলা হয়েছে।
গতকাল মহাজোট যৌথভাবে ৩০০ আসনে আনুষ্ঠানিক প্রার্থী ঘোষণা করার কথা থাকলেও কৌশলগত কারণে করা হয়নি বলে প্রেস ব্রিফিংয়ে জানান ওবায়দুল কাদের। এদিকে বনানীর কার্যালয়ে পৃথক সংবাদ সম্মেলনে জাপা মহাসচিব এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার বলেছেন, আমরা মহাজোটগতভাবে নির্বাচন করব এবং ৪৫টি আসন পেয়েছি। আরও কিছু আসন নিয়ে আলোচনা করছি। তিনি বলেন, তবে কৌশলগত কারণে প্রত্যাহারপত্র নিয়ে আমরা আরও ১৫০ আসনে মনোনয়ন দাখিল করব। তিনি বলেন, জোটগতভাবে আমরা শিগগিরই প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করব। তিনি বলেন, জাতীয় পার্টি মহাজোটের অংশ হিসেবেই একাদশ জাতীয় নির্বাচনে অংশ নেবে। মহাজোটের সঙ্গে আলাপ আলোচনার ভিত্তিতেই প্রায় ২০০ আসনেই মনোনয়নপত্র দাখিল করবে জাতীয় পার্টি। তবে, প্রার্থিতা বাছাই প্রক্রিয়া শেষে, মহাজোটের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে। তিনি আরও বলেন, আলোচনার মাধ্যমে মহাজোটের রূপরেখা চূড়ান্ত করা হয়েছে। মহাজোটে কোনো মতপার্থক্য নেই। রুহুল আমিন হাওলাদার বলেন, জাতীয় পার্টি চায় সব সময় গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় দেশ পরিচালিত হোক। গত ২৭ বছর জাতীয় পার্টি নানা প্রতিকূলতার মাঝেও নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে। পল্লীবন্ধু এরশাদ কারাগারে থেকেও দুবার পাঁচটি করে আসনে বিজয়ী হয়েছেন। সব দলের অংশ গ্রহণে একটা অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের প্রত্যাশা আমাদের। জাতীয় পার্টির আমলেই দেশে উন্নয়ন শুরু হয়েছে। আমরা চাই উন্নয়নের ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকুক। এ সময় জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী ফিরোজ রশীদ, সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা, ফখরুল ইমাম, সাইদুর রহমান টেপা, এসএম ফয়সল চিশতী, নাসরিন জাহান রত্না, নুরুল ইসলাম ওমর, মেজর (অব.) খালেদ আখতার, শফিকুল ইসলাম সেন্টু, এম এ কাশেম, অধ্যাপক দেলোয়ার হোসেন, কাজী মামুনসহ বিভিন্ন স্তরের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। জাপার যে ৪৫ জন মনোনয়ন পেলেন তারা হলেন—রংপুর-৩ হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ, ঢাকা-১৭ হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ, ময়মনসিংহ-৪ বেগম রওশন এরশাদ, ময়মনসিংহ-৭ বেগম রওশন এরশাদ, পটুয়াখালী-১ এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার, চট্টগ্রাম-৫ ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, ঢাকা-৬ কাজী ফিরোজ রশীদ, কক্সবাজার-৩ জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু, রংপুর-১ মশিউর রহমান রাঙ্গা, কিশোরগঞ্জ-৩ মজিবুল হক চুন্নু, বরিশাল-৬ নাসরিন জাহান রত্না, নীলফামারী-৪ আলহাজ শওকত চৌধুরী/আদেলুর আদেল, কুড়িগ্রাম-৩ ড. আক্কাস আলী সরকার, গাইবান্ধা-১ ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী, বগুড়া-২ শরিফুল ইসলাম জিন্নাহ, বগুড়া-৩ নুরুল ইসলাম তালুকদার, বগুড়া-৬ নুরুল ইসলাম ওমর, বগুড়া-৭ অ্যাডভোকেট আলতাফ আলী, পিরোজপুর-৩ রুস্তম আলী ফরাজী, ময়মনসিংহ-৫ সালাউদ্দিন আহমেদ মুক্তি, ময়মনসিংহ-৮ ফখরুল ইমাম, ঢাকা-৪ সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা, নারায়ণগঞ্জ-৩ লিয়াকত হোসেন খোকা, নারায়ণগঞ্জ-৫ সেলিম ওসমান, সুনামগঞ্জ-৪ পীর ফজলুর রহমান মিসবাহ, সিলেট-২ ইয়াহিয়া চৌধুরী, সিলেট-৫ সেলিম উদ্দিন, কুমিল্লা-২ আমির হোসেন ভূইয়া, কুমিল্লা-৮ নুরুল ইসলাম মিলন, লক্ষ্মীপুর-২ মো. নোমান, লালমনিরহাট-৩ গোলাম মোহাম্মদ কাদের, খুলনা-১ সুনীল শুভ রায়, ফেনী-৩ লে. জে. (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী, বরিশাল-২ মাসুদ পারভেজ (সোহেল রানা), হবিগঞ্জ-১ আলহাজ আতিকুর রহমান, গাইবান্ধা-৩ ব্যারিস্টার দিলারা খন্দকার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ রেজাউল ইসলাম ভূইয়া, কুড়িগ্রাম-২ পনির উদ্দিন আহমেদ, গাইবান্ধা-৫ এইচ এম গোলাম শহীদ রঞ্জু, রাজশাহী-৫ আবুল হোসেন, সাতক্ষীরা-২ আজাহার হোসেন, নীলফামারী-৩ মেজর (অব.) রানা মোহাম্মদ সোহেল/ফারুক কাদের, কুষ্টিয়া-১ শাহরিয়ার জামিল, নাটোর-১ মো. আবু তালহা, দিনাজপুর-৬ দেলোয়ার হোসেন। এ ছাড়া বরগুনা-২ আসনে বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আলহাজ মিজানুর রহমান, কুড়িগ্রাম-৪ আশরাফ-উদদৌলাসহ আরও ৫টি আসন জোটগতভাবে পাওয়ার আশা করছে জাতীয় পার্টি।
সূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন, ২৭ নভেম্বর ২০১৮

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest