সর্বশেষ সংবাদ-
তালায় উপজেলার শ্রেষ্ঠ সংগঠক নির্বাচিত তরুণ সমাজকর্মী এস. এম. নাহিদকলারোয়ায় প্রবাসীর অর্ধকোটি টাকার ইটভাটা জবরদখলের অভিযোগ- বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলননক্ষত্রের অভিবাদন: শ্যামনগরে ১০ গুণী ব্যক্তিকে সংবর্ধনাসাংবাদিক পুত্র কাজী ফাহিমের অতুলনীয় সাফল্য : প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের অভিনন্দনসাতক্ষীরায় জলবায়ু-বাস্তুচ্যুত মানুষের আবাসন, খাদ্য ও পুষ্টি অধিকার নিশ্চিতে ১১ দফা দাবিসাতক্ষীরার সাংবাদিকপুত্র কাজী ফাইম আব্দুল্লাহর এইচএসসিতে গোল্ডেন এ-প্লাস অর্জনসাতক্ষীরায় নির্মাণাধীন ভবনের সাব-কন্টাক্টরের কাছে চাঁদা দাবি : থানায় অভিযোগতালায় আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা: সার সংকট, মাটি কাটা ও বালু উত্তোলন বন্ধে গুরুত্বারোপদেবহাটায় শিশুদের প্রারম্ভিক বিকাশে খেলাভিত্তিক সেশন পরিদর্শনসাতক্ষীরায় আবাসিক হোটেল-রেস্তোরাঁ – বেকারি ব্যবস্থাপনা বিষয়ক মতবিনিময়

এক রাতে ৬০ লাখ!

এক রাতে ৬০ লাখ!

কর্তৃক Daily Satkhira

বিনোদন ডেস্ক: বর্তমান সময়ের জনপ্রিয় ভারতীয় অভিনেত্রী ইলিয়েনা ডিক্রুজকে চেনেন না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া দায়। তবে এবার উচ্চ পারিশ্রমিক নিয়ে আলোচনার শিরোনামে ডিক্রুজ।

২০০৬ সালে তেলেগু ভাষার ‘দেবাদাসু’ সিনেমার মাধ্যমে রুপালি জগতে পা রাখেন এই সুন্দরী অভিনেত্রী। একই বছর তামিল ভাষার ‘কেডি’সহ আরো তিনটি সিনেমায় অভিনয় করেন।

এরপর কন্নড়, তামিল ভাষার একাধিক সিনেমাতেও দেখা যায় এই নায়িকাকে। ২০১২ সালে ‘বারফি’ সিনেমার মাধ্যমে বলিউডে অভিষেক ঘটে ইলিয়েনার। এরপর টানা বলিউডের সাতটি সিনেমায় অভিনয় করেন তিনি। উপহার দেন ‘রুস্তম’, ‘মুবারাকা’, ‘রেইড’-এর মতো চলচ্চিত্র।

২০১০ সালে কন্নড় ভাষার একটি সিনেমায় প্রথম আইটেম গানে নাচতে দেখা যায় ইলিয়েনাকে। দীর্ঘ বিরতির পর তেলেগু ভাষার ‘বিনয়া বিধেয়া রামা’ সিনেমার আইটেম গানে পারফর্ম করতে দেখা যাবে তাকে।

এতে পারফর্মের জন্য মাত্র একটি রাত শুটিং করতে হবে। আর সেই এরাতের জন্য ইলিয়েনা ৬০ লাখ রুপি পারিশ্রমিক চেয়েছেন। মোটা অঙ্কের এ পারিশ্রমিক দিতে সিনেমাটির পরিচালক বোয়াপতি শ্রীনু সম্মতিও দিয়েছেন বলে ভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যম খবর প্রকাশ করেছে।

‘বিনয়া বিধেয়া রামা’ সিনেমায় অভিনয় করছেন দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেতা রাম চরণ। ডিভিভি এন্টারটেইনমেন্টের ব্যানারে নির্মাণাধীন এ সিনেমায় আরো অভিনয় করছেন-কিয়ারা আদভানি, বিবেক ওবেরয় প্রমুখ। আগামী বছর ১৫ জানুয়ারি সিনেমাটি মুক্তির কথা রয়েছে।

উল্লেখ্য, ইলিয়েনা অভিনীত সর্বশেষ মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমা ‘অমর আকবর অ্যান্থনি’। তেলেগু ভাষার এ সিনেমায় রবি তেজার সঙ্গে জুটি বেঁধে অভিনয় করেন তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সারার স্বপ্নের পুরুষ!

বিনোদন সংবাদ: সাইফ আলী কন্যা সারা আলী খান। ২৫ বছর বয়সী এই নতুন মুখ বলিউডে ইতিমধ্যে নজর কেড়েছেন। ক্যারিয়ারের শুরুতে তার হাতে থাকা দু’টো ছবি মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে। এরই মধ্যে তৃতীয় ছবির জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন সারা। শুধু তাই নয়, এর মধ্য দিয়ে আবারও সারা তার স্বপ্নের পুরুষের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পাচ্ছেন বলে কথা উঠেছে।
জি-নিউজ জানায়, তৃতীয় ছবিতে সারার বিপরীতে যিনি থাকছেন, তিনি হলেন কার্তিক আরিয়ান। তাকে সারার ভীষণ পছন্দ। কার্তিকের সঙ্গে ডেটে যাওয়ার স্বপ্ন দেখেন বলে জানিয়েছেন সারা।
ভক্তরা বলছেন, নতুন ছবির মধ্য দিয়ে সারা তার স্বপ্নের পুরুষের কাছাকাছি আসতে চলেছেন।
সম্প্রতি বলিউডে নবাগত অভিনেতা কার্তিক আরিয়ানকে পছন্দের কথা ক’দিন আগেই জানিয়েছেন সাইফকন্যা।
ইমতিয়াজ আলির ওই ছবিতে সারা-কার্তিকের রসায়ন জমে উঠবে বলেই ধারণা করা হচ্ছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আবারও নিজের সম্পদের হিসাব দিলেন অর্থমন্ত্রী মুহিত

দেশের খবর: এ দফায় মন্ত্রী হওয়ার পর থেকে গত ১০ বছরের সম্পদের হিসাব দিলেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত; তাতে দেখা গেছে, এই সময়ে তার সম্পদ আগের দ্বিগুণ হয়েছে।

সোমবার সচিবালয়ে বসে অনলাইনে আয়কর বিবরণী দাখিলের পর সাংবাদিকদের কাছে নিজের সম্পদের হিসাব তুলে ধরেন মন্ত্রী হিসেবে বিদায় নিতে যাওয়া মুহিত।

এইচ এম এরশাদের সামরিক সরকারে অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনকারী মুহিত ২০০৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের টিকিটে জয়ী হয়ে শেখ হাসিনার সরকারে অর্থমন্ত্রী হন।

দুই মেয়াদে একটানা ১০ বছর অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনের পর এবার অবসরে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন মুহিত। সিলেট-১ আসন ভাইকে ছেড়ে দিয়েছেন তিনি, মন্ত্রীও আর হবেন না বলে জানিয়েছেন তিনি।

সম্পদের হিসাব দিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, “অ্যাসেটটা বলি, ১০ বছরের হিসাবটা করে দিয়েছে। ১০ বছর আগে আমি যখন মন্ত্রী হই, তখন আমার অ্যাসেট ছিল এক কোটি ১৪ লাখ ৮৩ হাজার ৩৬ টাকা, আর আজকে মানে ৩০ জুন এটা হয়েছে ২ কোটি ২৮ লাখ ১৫ হাজার ৪৯৭ টাকা। এক কোটি ১৩ লাখ টাকা, যত ছিল ঠিক ততটাই বেড়ে গেছে এ ১০ বছরে।”

গত ১০ বছরের আয়ের হিসাব তুলে ধরে তিনি বলেন, “১০ বছরের টোটাল ইনকাম ২০০৮ থেকে ২০১৮ পর্যন্ত ৩ কোটি ৬৮ লাখ ২৯ হাজার ৬৫০, আর এতে অ্যাসেট ইনক্রিজ হয়েছে এক কোটি ১৩ লাখ ৩২ হাজার ৪৬১ টাকা। এক্সপেনডেচার আছে।”

গত ১০ বছর ধরে আয়কর বিবরণী প্রকাশ্যে জমা দেওয়ার কথা জানিয়ে এবারের করের হিসাব দিয়ে মুহিত বলেন, “টোটাল ১৭ লাখ ৯৭ হাজার ৩৪৮ ট্যাক্সেবল ইনকাম। নন ট্যাক্সেবল ১৬ লাখ ৩০ হাজার ৯৯৩ টাকা। টোটাল ইনকাম ৩৪ লাখ ২৮ হাজার ৩৪১।

“এখন দিচ্ছি টোটাল ট্যাক্স দুই লাখ ২৭ হাজার ৯২১ টাকা, এর মধ্যে এক লাখ ৫৪ হাজার ৪০০ টাকা দেওয়া হয়ে গেছে, আজকের চেকটা হচ্ছে ৬২ হাজার ৪৭৮ টাকার।”

কর কম হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, “আমার ট্যাক্স রিটার্ন খুব কম, তার কারণ হল আমার ইনভেস্টমেন্ট আছে। সেখান থেকে যথেষ্ট লেস ট্যাক্স দিই।”

গত ১০ বছরে আয়কর নিয়ে জনসচেতনতা বাড়ায় নিজের সন্তুষ্টির কথা জানান মুহিত।

“এ বিষয়ে সাইকোলজিক্যাল চেইঞ্জ হয়েছে। ২০০৭ বা ২০০৮ সালে ট্যাক্স অফিসারকে পছন্দ করত না। এ ধারণার ড্রামাটিক চেইঞ্জ হয়েছে। এখন তারা মনে করেন একটি সেবা দিচ্ছে এবং খুশি হয়ে দেশের জন্য কিছু দিচ্ছে। আমার খুব ভাল লাগে ট্যাক্স মেলাগুলো। তিন বছর আগে ১৫ লাখ ট্যাক্স দিত, এখন ৩৮ লাখ দেয়। আশা করি এক কোটি হতে বেশি দেরি হবে না।”

অন্যান্য মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যরা প্রকাশ্যে আয়কর বিবরণী দিলে সেটা ভাল হত কি না- সাংবাদিকদের প্রশ্নে অর্থমন্ত্রী বলেন, “মন্ত্রীরা তাদের হিসাব প্রধানমন্ত্রীকে দেয়, সুতরাং তাদের অ্যাকাউনটিটবিলি আছে, আমার ধারণা কেউ যদি জানতে চান তাহলে ইজিলি জানতে পারবেন। প্রধানমন্ত্রীর কাছে রিটার্ন জানতে পারবেন। সাধারণ মানুষ রাইট টু ইনফরমেশনে দাবি করবে।

“তবে ট্যাক্স রিটার্ন খুব প্রাইভেট। নিয়ম হচ্ছে, আমারটা কেউ জানবে না, এটা ইনডিভিজুয়াল ইচ্ছা।”

আসন্ন নির্বাচন নিয়ে ভাবনার বিষয়ে মুহিত বলেন, “নির্বাচন তো আমি করছি না। আমার একটা রিলাক্স পিরিয়ড যাচ্ছে। কদিন পর আমার বয়স ৮৫ হবে, দিস ইজ গুড টাইম টু রিটায়ার।

‘কয়জন আছে আমার বয়স পর্যন্ত চাকরি করে’- প্রশ্ন করে নিজেই উত্তর দেন, “হ্যাঁ, মাহাথির সাহেব আছে।”

আওয়ামী লীগ আবার সরকার গঠন করলে অর্থমন্ত্রী কে হতে পারেন- সাংবাদিকদের প্রশ্নে মুহিত বলেন, “এটা প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত।”

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কাঁদলেন নানক, মুগ্ধ সাদেকের স্যালুট

রাজনীতির খবর: দ্বন্দ্ব-সংঘাত ভুলে নৌকার পক্ষে কাজ করতে ঐক্যবদ্ধ হলেন ঢাকা-১৩ আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক এবং ওই আসনে নৌকা থেকে এবার মনোনীত পাওয়া সাদেক খান।

ঐক্যবদ্ধভাবে নৌকাকে বিজয়ী করার জন্য নানকের আবেগঘন বক্তব্যে মুগ্ধ হয়ে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী সাদেক খান বলেন, ‘আমার বড় ভাই যে বক্তব্য সবার সামনে দিয়েছেন, আমাকে বুকে তুলে নিয়েছেন এ জন্য আমি উনাকে স্যালুট জানাই।’

সোমবার সন্ধ্যায় রাজধানীর মোহাম্মদপুরের সূচনা কমিউনিটি সেন্টারে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় সাদেক খানকে সমর্থন জানান নানক।

নানকের পক্ষ থেকে আয়োজিত মতবিনিময় সভার শুরুতে দশ বছরে মোহাম্মদপুর, আদাবর ও শেরেবাংলা নগরের উন্নয়নের প্রামাণ্যচিত্র তুলে ধরা হয়। সভা শুরুর আগে থেকেই সূচনা কমিউনিটি সেন্টার এলাকায় নানকের নামে বিভিন্ন স্লোগান নিয়ে আসে ১৫ আসনের নেতাকর্মীরা। নানকের পক্ষে নেতাকর্মীরা বলেন, ‘দুর্দিনের নানক ভাই আমরা তোমায় ভুলি নাই, নানক ভাই হারে নাই হেরে গেছে সততা।’

আসন্ন একাদশ জাতীয় নির্বাচনে ঢাকা-১৩ আসনে কে হবেন নৌকার মাঝি তা নিয়ে বেশ ক’দিন ধরেই নানক ও সাদেক খানের মধ্যে শীতল লড়াই চলছিল। সে শীতল লড়াই পরে সংঘাতে রূপ নেয়। চলতি মাসে আওয়ামী লীগের মনোনয়নপত্র বিতরণের শুরুর দিন যা প্রকাশ্য আসে। ওই দিন মনোনয়নপত্র তোলাকে কেন্দ্র করে সংঘাতে লিপ্ত হয় নানক ও সাদেক খানের কর্মীরা। দুই পক্ষের সংঘাতে দু’জন নিহত হন।

মনোনয়ন চূড়ান্ত হওয়ার পর তাদের দু’জনের এমন এক হয়ে যাওয়ায় ঢাকা-১৩ আসনের নির্বাচনী রাজনীতি নতুন মাত্রা পেল।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন বর্তমান সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক। তখন সেখানে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। অনেকেই সেখানে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন।

কান্নাজড়িত কণ্ঠে নানক বলেন, ‘আমি যেদিন থেকে এ এলাকার সংসদ সদস্য হয়েছি, সেদিন থেকে নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করে গিয়েছি। আমাদের নেত্রী শেখ হাসিনা এবার নৌকা তুলে দিয়েছেন সাদেক খানের হাতে। তাই সব ভেদাভেদ ভুলে আমাদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। এ দেশকে রক্ষার স্বার্থে, নৌকার স্বার্থে আমাদের এক হতে হবে। কারণ নৌকার বিজয় ছাড়া আমাদের সামনে আর কোনো পথ খোলা নেই।’

‘সাদেক খান এ এলাকার মাটি ও মানুষের নেতা, আমার ভাই। তিনি দীর্ঘদিন এ এলাকায় আমাদের দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। আমাদের নেত্রী শেখ হাসিনা এবার নৌকা প্রতীক সাদেক খানের হাতে তুলে দিয়েছেন। এ জন্য আমি তার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই,’ বলেন নানক।

সাদেক খানের উদ্দেশে নানক বলেন, ‘ব্যক্তির সঙ্গে ব্যক্তির, নেতার সঙ্গে নেতার প্রতিযোগিতা হতেই পারে। কিন্তু সবাইকে আপনার বুকে তুলে নিতে হবে।’

ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাদেক খান তার বক্তব্যে বলেন, ‘আমার বড় ভাই জাহাঙ্গীর কবির নানক। কেউ বলতে পারবে না আমি তার সঙ্গে কোনোদিন বেয়াদবি করেছি। আমার বড় ভাই যে বক্তব্য আজকে রেখেছেন, আমি উনাকে (নানক) সবার সম্মুখে স্যালুট জানাই।’

নৌকা থেকে মনোনীত সাদেক খান বলেন, ‘আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে সব ভেদাভেদ ভুলে নৌকার স্বার্থে কাজ করতে হবে। যদি কোনো ভুল করে থাকি তবে আমিও ক্ষমা চাই, সংশোধন করে নেব।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিএনপির সর্বশেষ মনোনয়ন পেলেন যারা

রাজনীতির খবর: আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থীদের আনুষ্ঠানিক মনোনয়নের চিঠি দেয়া শুরু করেছে বিএনপি।

সোমবার বিকাল থেকে প্রার্থীদের দলীয় মনোনয়নের চিঠি দেওয়া শুরু হয়। যদিও আগে থেকেই চূড়ান্ত করা ছিল বিএনপির প্রার্থী তালিকা।

মনোনয়ন দেওয়া অনেক আসনে একাধিক প্রার্থী রাখা হয়েছে। তবে দলের প্রয়োজনে শেষ পর্যন্ত একজন প্রার্থী চূড়ান্ত করা হবে। অবশ্য মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের ফরমেও প্রার্থীদের স্বাক্ষর রাখা হচ্ছে।

বিএনপির মনোনয়ন ফরমে সই করেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

কারাবন্দি খালেদা জিয়ার জন্য তিনটি আসনের মনোনয়নের চিঠি তার প্রতিনিধিদের হাতে হস্তান্তরের মধ্যে দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন মির্জা ফখরুল।

বগুড়া-৬, ৭ ও ফেনী-১ আসন থেকে মনোনয়ন নেন খালেদা জিয়া। এরপর ধারাবাহিকভাবে শুরু হয় বিএনপির মনোনয়ন বিতরণ।

মনোনীতদের তালিকা-

রংপুর-১ মোকাররম হোসেন সুজন

রংপুর-২ আসনে ওয়াহেদুজ্জামান মামুন ও মোহাম্মদ আলী

রংপুর-৩ আসনে মোজাফফর আহমদ ও রিতা রহমান

রংপুর-৪ আসনে এমদাদুল হক ভরসা

রংপুর-৫ আসনে সোলাইমান আলম ও ডা. মমতাজ

রংপুর-৬ আসনে সাইফুল ইসলাম

কুড়িগ্রাম-১ আসনে রানা ও শামীম

কুড়িগ্রাম-২ আসনে সোহেল ও আবু বকর

কুড়িগ্রাম-৩ আসনে তাজবীর ও আব্দুল খালেক

কুড়িগ্রাম-৪ আসনে মকলেস ও আজীজ

দিনাজপুর-১ আসনে মনজুরুল ইসলাম/মামুনুর রশিদ

দিনাজপুর-২ আসনে সাদেক রিয়াজ/মামুনুর রশিদ

দিনাজপুর-৩ সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম ও মোফাজ্জল হোসেন দুলাল

দিনাজপুর-৪ আসনে হাফিজ/ আখতারুজ্জাম্না মিয়া

দিনাজপুর-৫ আসনে রেজানুল হক/বাচ্চু

দিনাজপুর-৬ লুতফুর রহমান/ শাহিন

গাইবান্ধা-১ আসনে খন্দকার জিয়াউল ইসলাম ও মোজাহারুল ইসলাম

গাইবান্ধা-২ আসনে টুটুল ও আহাদ আহমেদ

গাইবান্ধা-৩ আসনে ডা. সাদিক

গাইবান্ধা-৪ আসনে ওবায়দুল হক ও ফারুক আলম

গাইবান্ধা-৫ আসনে হাসান ও ফারুক কবীর

নওগাঁ-১ আসনে মোস্তাফিজুর রহমান ও ড. মোহাম্মদ

নওগাঁ-২ আসনে শামসুজ্জোহা ও খাজা নাজিবুল্লাহ

নওগাঁ-৩ আসনে আরেফিন সিদ্দিকী ও রবিউল আলম

নওগাঁ-৪ আসনে শামুসুল আলম প্রামাণিক ও ইকরামুল বারি টিপু

নওগাঁ-৫ আসনে জাহিদুল ভুলু ও নজরুল হক

নওগাঁ-১ আসনে রেজাউল ইসলাম ও আলমগীর কবির

রাজশাহী-১ ব্যারিস্টার আমিনুল হক

রাজশাহী-২ মিজানুর রহমান মিনু

রাজশাহী-৩ শফিকুল হক মিলন

রাজশাহী-৪ আবু হেনা

রাজশাহী-৫ নাদিম মোস্তফা

রাজশাহী-৬ আবু সাঈদ চান

চাঁপাইনবাবগঞ্জ- ১ আসনে শাহজাহান মিয়া ও বেলালি বাকি

চাঁপাইনবাবগঞ্জ- ২ আসনে আনওয়ারুল ইসলাম

চাঁপাইনবাবগঞ্জ- ৩ আসনে আবদুল ওহেদ ও হারুন অর রশিদ

নাটোর-১ তাইফুল ইসলাম টিপু নাটোর-২ রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু

জয়পুরহাট-১ আসনে ফয়সাল আলিম ও ফজলুর রহমান

জয়পুরহাট-২ আসনে খলিলুর রহমান ও গোলাম মোস্তফা

ঠাকুরগাঁও-১ আসনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

পাবনা-৫ আসনে শিমুল বিশ্বাস

বরিশাল-১ আসনে জহির উদ্দিন স্বপন/আবদুল সোবহান

বরিশাল-২ সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল/সরফুদ্দিন আলম সান্টু/শহিদুল হক জামান

বরিশাল-৩ জয়নাল আবেদীন/সেলিমা রহমান

বরিশাল-৪ মেসবাহ উদ্দিন ফরহাদ

বরিশাল-৫ মুজিবুর রহমান সরোয়ার/এবায়দুল হক চাঁন

বরিশাল- ৬ আবুল হোসেন খান/অধ্যাপক রশিদ খান

বরিশাল-৭ রাজিব আহসান/মেজবাহ উদ্দীন ফরহাদ

ভোলা-২ আসনে হাফিজ ইব্রাহিম ও রফিকুল ইসলাম মনি

ভোলা-৩ মেজর (অব:) হাফিজ উদ্দিন

ভোলা-৪ নাজিম উদ্দিন আলম

পটুয়াখালী-১ আসনে এয়ারভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী

পটুয়াখালী-২ শহিদুল আলম তালুকদার/সালমা আলম/সুরাইয়া আক্তার

পটুয়াখালী-৩ হাসান মামুন/মো. শাজাহান

পটুয়াখালী-৪ এবিএম মোশারফ হোসেন/মনিরুজ্জামান মনির

লক্ষ্মীপুর-১, (এলডিপি) শাহদাত হোসেন সেলিম

লক্ষ্মীপুর-২ আবুল খায়ের ভুইয়া

লক্ষ্মীপুর-৩ শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী

লক্ষ্মীপুর-৪ আশরাফ উদ্দিন নিজান

ঝালকাঠি-১ আসনে শাহজাহান ওমর

ঝালকাঠি-২ আসনে রফিকুল হক জাহান/জেবা রহমান/ ইশরাত জাহান এলিন ভূট্টো

পিরোজপুর-৩ আসনে রুহুল আমিন/শাহজাহান মিয়া

নোয়াখালী-১ ব্যারিস্টার মাহবুবউদ্দিন খোকন

নোয়াখালী-২ জয়নুল আবদীন ফারুক

নোয়াখালী-৩ মোহাম্মদ শাহজাহান

নোয়াখালী-৫ ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ

নোয়াখালী-৬ ফজলুল আজিম

প্রার্থীজটের কারণে জটিলতা তৈরি হওয়া আসনগুলোর ব্যাপারে আগামী ৮ ডিসেম্বর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের আগেই চূড়ান্ত করা হবে।

সকাল থেকেই মনোনয়নপত্র নিতে গুলশান কার্যালয়ে এসে ভিড় করেন বিএনপি নেতাকর্মীরা।

এ সময় গুলশান কার্যালয়ের সামনে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অর্থ প্রতারণায় অভিযুক্ত সোনাক্ষী সিনহা

বিনোদন সংবাদ: আইনি সমস্যার সম্মুখীন হলেন বলিউড অভিনেত্রী সোনাক্ষী সিনহা। টাকা নিয়ে অনুষ্ঠানে না আসার অভিযোগ উঠেছে সোনাক্ষীর বিরুদ্ধে। ৩৭ লাখ টাকার প্রতারণায় অভিযুক্ত সোনাক্ষীসহ সাত জন। ভারতের মুরাদাবাদের বাসিন্দা প্রমোদ শর্মা অভিযোগ করেছেন, তার অনুষ্ঠানে আসার প্রতিশ্রুতি দিয়েও হাজির হননি নায়িকা।

সূত্রের খবর, এই বছর ৩০ সেপ্টেম্বর একটি ফ্যাশনের সংক্রান্ত অনুষ্ঠান অরগানাইজ করেছিলেন প্রমোদ শর্মা। সেখানে বিশেষ অথিতি হিসেবে সোনাক্ষী সিনহাকে নিমন্ত্রন জানিয়েছিলেন। একটি এন্টারটেনমেন্ট কোম্পানির মাধ্যমে অভিনেত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন প্রমোদ।

সোনাক্ষীর পারিশ্রমিক ৩৭ লক্ষ টাকা আগেই দিয়ে দিয়েছিলেন তিনি। এবং সোনাক্ষী অনুষ্ঠানে উপস্থিত না হওয়ায় অভিযোগ জানাতে বাধ্য হন। জানা গেছে, দিল্লি পুলিশ বিষটির তদন্ত করছেন। এই বিষয় সোনাক্ষী এখনও পর্যন্ত কোনও মন্তব করেননি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী আ. লীগ নেতা উপজেলা চেয়ারম্যান

রাজনীতির খবর: পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আশরাফুর রহমান পদত্যাগ করে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনায়ন সংগ্রহ করেছেন। তিনি ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক।

পিরোজপুর-৩ মঠবাড়িয়া আসনে আ.লীগের দলীয় মনোনায়ন না পেয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা আ.লীগের সদস্য আশরাফুর রহমান স্বতন্ত্র প্রার্থী হচ্ছেন। সোমবার স্বতন্ত্র এ প্রার্থী রিটার্নিং অফিসার ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জি.এম. সরফরাজের কাছ থেকে আশরাফুর রহমানের পক্ষে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের সাবেক কমান্ডার বাচ্চু মিয়া আকনের নেতৃত্বে এক দল মুক্তিযোদ্ধা মনোনায়ন পত্র সংগ্রহ করেন।

জেলা প্রশাসক আবু আলী মো. সাজ্জাদ হোসেন আশরাফুর রহমানের উপজেলা চেয়ারম্যান পদ থেকে অব্যাহতি পত্র জমা দেয়ার সত্যতা নিশ্চত করেন।

পিরোজপুর-৩ মঠবাড়িয়া আসনে সোমবার আরও মনোনয়ন সংগ্রহ করেছেন মহাজোট প্রার্থী ও জাপার কেন্দ্রীয় নেতা ডা. রুস্তম আলী ফরাজী এমপি, জেলা আ.লীগ সহ-সভাপতি ও কেন্দ্রীয় স্বাচিপ নেতা ডা. এম নজরুল ইসলাম, বাম গণতান্ত্রিক জোটের পক্ষে জেলা সিপিবি সভাপতি দিলীপ কুমার পাইক, স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আবু তারেক মৃধা, ইসলামী আন্দোলনের মো. ছগির হোসেন, ওয়াকার্স পার্টির মো. ফিরোজ আলম ও বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মো. আবদুল লতিফ সিরাজী।

উল্লেখ্য, এ আসনে এক সময়ের বিএনপি নেতা বর্তমান এমপি ডা. রুস্তুম আলী ফরাজিকে মহাজোট থেকে প্রার্থী করা হয়েছে। তিনি জাতীয় পার্টির (এরশাদ) সদ্য যোগদানকারী কেন্দ্রীয় নেতা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নারী ম্যাজিস্ট্রেটকে ‌’কু-প্রস্তাব’ দেয়া ডিসি ওএসডি

দেশের খবর: যৌন হয়রানির অভিযোগ ওঠার পর নাটোরের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ গোলামুর রহমানকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ওএসডি (বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) করা হয়েছে। তাঁর স্থলে নতুন ডিসি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগের উপসচিব মো.শাহরিয়াজকে।

আজ সোমবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে পৃথক দুটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিদ্ধান্তক্রমে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

গোলামুর রহমানের বিরুদ্ধে এক নারী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে যৌন হয়রানির অভিযোগ ওঠে। যদিও গোলামুর রহমান অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন।
জেলা প্রশাসনের সূত্রমতে, গত ৯ সেপ্টেম্বর নাটোরের ডিসি হিসেবে কাজে যোগ দেন গোলামুর রহমান। সম্প্রতি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় বরাবর এক নারী নির্বাহী হাকিমের পাঠানো চিঠি ও ফেসবুক মেসেঞ্জারের স্ক্রিনশট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। চিঠিতে অভিযোগ করা হয়েছে, গোলামুর রহমান তাঁর ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে ওই নারী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে ফেসবুক মেসেঞ্জারে ‘আপত্তিকর প্রস্তাব’ দিয়েছেন। এমনকি তাঁকে মোবাইলেও আপত্তিকর প্রস্তাব দিয়েছেন ডিসি। এতে সাড়া না পেয়ে ডিসি ওই নারীকে বিভিন্নভাবে যৌন হয়রানি করেছেন বলে চিঠিতে অভিযোগ করা হয়। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে অভিযোগ দেওয়ার পর ওই নারীকে অন্য জায়গায় বদলি করা হয়েছে। এই অভিযোগ নিয়ে গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশের পরই ওই ডিসিকে ওএসডির সিদ্ধান্ত এল।
চলতি বছরের ৯ সেপ্টেম্বর নাটোরের জেলা প্রশাসক হিসেবে যোগদান করেন গোলামুর রহমান। বিসিএসের ২০তম ব্যাচের এই কর্মকর্তা সর্বশেষ কর্মরত ছিলেন শিপিং করপোরেশনের ম্যানেজার হিসেবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest