সর্বশেষ সংবাদ-
মুন্সিগঞ্জ আ’লীগ নেতার বিরুদ্ধে অসহায় মানুষের নামে মিথ্যা মামলা দেওয়ায় মানববন্ধনসাতক্ষীরায় ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনাসাতক্ষীরায় কৃষকের ছেলে সহকারী সিভিল জজ, আনন্দে ভাসছে পরিবার ও গ্রামঝাউডাঙ্গা কলেজে একাদশ শ্রেণির নবাগত শিক্ষার্থীদের নবীন বরণ৫০তম জাতীয় দাবা ‘বি’ বাছাই না করিয়ে খেলোয়াড় পাঠানোর পায়তারা: সাতক্ষীরায় সংবাদ সম্মেলনসাতক্ষীরায় প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দের সাথে জেলা যুবদলের নবগঠিত কমিটির শুভেচ্ছা বিনিময়৬ লাখ মানুষের জলাবদ্ধতা নিরসনে টিআরএম চান সাতক্ষীরার যুবরাসাতক্ষীরায় এবি পার্টির আহ্বায়ক কমিটি গঠন: আহ্বায়ক শাকিল, সদস্য সচিব শাহীনসাতক্ষীরায় রিইবের সিএসও’র ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিতসাতক্ষীরায় চাঁদা না পেয়ে নির্মাণাধীন বাড়ি ভাংচুর ও মারপিট: গ্রেফতারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

বার্সাকে রুখে দিলো আতলেতিকো

খেলার খবর: শনিবার রাতের আতলেতিকো মাদ্রিদ ও বার্সেলোনার মধ্যকার ম্যাচটি ১-১ গোলে ড্র হয়েছে।
বার্সা ম্যাচের অধিকাংশ সময় বল দখলে রেখেও আতলেতিকোর বিপক্ষে সুবিধা করতে পারছিল না । উল্টো গোল খেয়ে হারের শঙ্কায় পড়েছিল। শেষ দিকে উসমান দেম্বেলের গোলে স্বস্তির ড্রয়ে মাঠ ছাড়ে এরনেস্তো ভালভেরদের শিষ্যরা।

খেলার ৭৭তম মিনিটে এগিয়ে যায় আতলেতিকো। ডান দিক থেকে গ্রিজমানের কর্নারে বল দূরের পোস্টে পেয়ে হেডে জালে পাঠান কস্তা।

বার্সেলোনা কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পায় ৯০তম মিনিটে। ডি-বক্সে মেসির পাস পেয়ে গোলরক্ষকের দুই পায়ের ফাঁক দিয়ে শট নেন দেম্বেলে। বল গোলমুখে ফরাসি ডিফেন্ডার লুকা এরনদেঁজের পায়ে লেগে জালে জড়ায়।
আর কোনো গোল না হওয়ায় সমতায় শেষ হয় ম্যাচটি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনিতে গৃহবধুকে পিটিয়ে জখম

নিজস্ব প্রতিবেদক : পুকুরে কাঁপড় কাঁচতে নিষেধ করায় এক গৃহবধুকে পিটিয়ে জখম করেছে প্রতিবেশিরা। আহত গৃহবধু মারাত্মক আহত অবস্থায় সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে। বৃহস্পতিবার সকালে আশাশুনি উপজেলার কাদাকাটি ইউনিয়নের যদুরডাঙ্গি গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে।
আহত গৃহবধু বিশ্বাসী সরকার যদুরডাঙ্গি গ্রামের নৃপ্রেন্দ নাথ সরকারের স্ত্রী।
সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহত গৃহবধু বিশ্বাসী সরকার জানান, তাদের পুকুরে কাঁপড় কাঁচতে আসে একই এলাকার প্রশাদ সরকারের স্ত্রী উর্মিলা সরকার। বিশ্বাসী সরকার উর্মিলাকে কাপড় কাঁচতে নিষেধ করলে দুইজনের মধ্যে কথাকাটি হয়। এরপর উর্মিলা সরকারের ছেলে বিপ্লব সরকার তার স্ত্রী রতœা সরকার তাকে বেধম মারপিট করে আহত করে। মারাত্মক আহত অবস্থায় গৃহবধুকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। তার মুখে,হাতে ও পায়ে মারাত্মক জখমের চিহৃ রয়েছে।
স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান দীপঙ্গর কুমার দীপ জানান, মারামারির ঘটনা শুনেছি। স্থানীয় পর্যায়ে মীমাংসার চেষ্টা চলছে।
আশাশুনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিপ্লব কুমার নাথ জানান, থানায় কেউ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আলীপুরে ভাইপোর অত্যাচারে অতীষ্ঠ চাচা ॥ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক :
সাতক্ষীরা সদরের আলিপুরে ওয়ারেশ সূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তির দখল না দিয়ে জোর পূর্বক দখল বজায় রাখতে আপোন চাচা ও চাচাতো ভাইদের বিভিন্নভাবে হয়রানি অভিযোগ উঠেছে ভাইপোর সাইদুজ্জামানের (বাবুল) বিরুদ্ধে।
বিভিন্ন দপ্তরের অভিযোগের সূত্রে জানা যায়, সম্পত্তি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে ২০১৫ সালে স্থানীয় মানবাধিকার কমিশন হতে পরিকল্পিত রিপোর্ট সংগ্রহ করে মার্চ/২০১৭ বহিরাগতদের দিয়ে প্রাচীর নির্মাণ করে। সে সম্পত্তি প্রাপ্য ভিটা-বাড়িতে ১৫.০৩ শতক, দখল ২৬.৯৮ শতক এবং বিলান জমি প্রাপ্য ৫৩.৪৯ শতক, দখল ৬৯.৪৬ শতক। অবৈধ দখল বজয় রাখতে অক্টোবর/১৭ আদালতে মিথ্যা অভিযোগে সার্বিক দায়িত্ব পালনকারী মোঃ হাবিবুল্লাহ বাহারকে প্রধান আসামী করে পরিবারের আরো তিন জনের নামে মিথ্যা মামলা করে। চোরাকারবারী সাইদুজ্জামানের স্বাক্ষী ভগ্নিপতি খাইরুল ইসলাম বাদে, অন্য স্বাক্ষীগন সহ ১৮৫ জন প্রতিবেশী মামলার বিরুদ্ধে গণস্বাক্ষর করেন।
উক্ত সাঈদুজ্জামান ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে মামলাগুলো হলো- এসটিসি ১৭১/১৩(পাটকেলাঘাটা), জি,আর ৬৩২/১৭(সদর থানা), ১২৮৪। এছাড়াও ডিজিডি নং- ১৯১৩, ৩৮৬, ১৪৬৬, ৭৩৭।
মামলার তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে জানা যায়, ঘটনা স্থলে আসামীরা তার বাড়িতে অবৈধভাবে প্রবেশ করে বাদীসহ তার মাকে মারপিট, সোনার দুল, টাকা চুরি, শ্লীলতাহানী, হত্যার টেষ্টা, খুন জখম করার হুমকি প্রদান করেছে এই মর্মে মামলা দায়ের করেছে। তদন্তকারী কর্মকর্তা উল্লেখ করেন জমি- জায়গা নিয়ে বিরোধ থাকায় তাদের বিরুদ্ধে এ মামলা দায়ের করেছে এবং পিসি আইনের ৪৪৭/৪৪৮/৩২৩/৩০৭/৩৫৪/৩৮০/৩৭৯/৫০৬ (খ)/১৪৪ ধারার অপরাধ ও আরজিতে কোন সত্যতা পাওয়া যায়নি। পরবর্তীতে জুন/১৮ মামলাটি খারিজ হয়। চোরাকারবারী সাইদুজ্জামানের বিরুদ্ধে থানায় একাধিক মামলা চলমান রয়েছে। ইতিমধ্যে কয়েকজন পুলিশ কর্মকর্তা তার তদন্ত করেছে এবং গত ১৬ নভেম্বর বসে উক্ত বিষয় সমাধান না হওয়ায় আগামী ২৩ নভেম্বর থানায় শালিসী বৈঠক নির্ধারণ করে। এরই মধ্যে ওই চোরাকারবারী আরো একটি জমি দখল করে নেয়। কোনো আইনই মানছেন না চোরাকারবারী সাইদুজ্জামান। উক্ত সম্পত্তি অবৈধভাবে গ্রাস করতে কোটি টাকা খরচেরও ঘোষণা দেন সাইদুজ্জামান। এ আইন অমান্যকারী চোরাকারবারী সহ সহযোগীদের হাত থেকে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক ও জেলা পুলিশ সুপার সহ সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন ভুক্তভোগী পরিবার ও এলাকাবাসী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পাকিস্তানে ক্রিকেট খেলা নিয়ে সংঘর্ষে নিহত ৭

বিদেশের খবর: পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশে ক্রিকেট খেলায় দ্বন্দ্বের জের ধরে গোলাগুলিতে সাতজন নিহত হয়েছেন। শুক্রবার রাতে প্রদেশের অ্যাবোটাবাদ জেলায় এ ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে উভয়পক্ষে দু’জন করে চারজন পরস্পরের ভাই। খবর পাক সংবাদমাধ্যম ডন নিউজের।

ডন জানায়, বাচ্চাদের ক্রিকেট ম্যাচ নিয়ে মাঠের ভেতর বাদানুবাদ হয়। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে দুই পক্ষের মধ্যে গোলাগুলিতে পুলিশের সামনেই সাতজনের মৃত্যু হয়।

অ্যাবোটাবাদ পুলিশের ডেপুটি সুপারিন্টেডেন্ট ইজাজ খান জানিয়েছেন, বাচ্চাদের ক্রিকেট ম্যাচ চলছিল। সেখানে দুই পক্ষ সামান্য ঝামেলা শুরু করে। তারপর তারা অভিযোগ দায়ের করার জন্য থানায় আসে। এসময় পুলিশ দুই পক্ষকেই বোঝানোর চেষ্টা করতে থাকে। কিন্তু হঠাৎ এক পক্ষ গুলি করতে শুরু করে। তারপর অন্য পক্ষও গুলি ছোঁড়ে। ফলে থানা চত্বরেই সাতজন মারা যায়। আর আহত হয় একজন।

স্থানীয়রা বলছেন, পুলিশের সামনেই দুই পক্ষ উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় করছিল। তারপর একজন হঠাৎ বন্দুক বের করে গুলি চালাতে শুরু করে। দুই পক্ষই আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে বচসার জন্য তৈরি হয়েই এসেছিল। দুই পক্ষই প্রবল গোলাগুলি শুরু করে। যে পক্ষ প্রথম গুলি চালিয়েছিল সেই দলের তিনজন মারা গেছে। আর অন্য পক্ষের চারজনের মৃত্যু হয় ঘটনাস্থলেই। আরও একজন গুরুতর আহত হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জয়সুরিয়ার বিরুদ্ধে পঁচা সুপারি পাচারের অভিযোগ!

অনলাইন ডেস্ক: শ্রীলঙ্কান ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক সনৎ জয়সুরিয়াসহ তিন ক্রিকেটারের নামে ভারতে পচা সুপারি পাচারের অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে ভারতের মুম্বাইতে ডাকা হয়েছে। আটক হওয়া সুপারির মূল্য কয়েক কোটি রুপি বলে জানিয়েছেন রাজস্ব কর্মকর্তারা। খবর হিন্দুস্তান টাইমসের।

হিন্দুস্তান টাইমস জানায়, ভারতের নাগপুরের রাজস্ব দফতরের কর্মকর্তারা সম্প্রতি কয়েক লাখ টাকার সুপারি আটক করেন। এই ঘটনায় আটক ব্যক্তিদের জেরা করার পরে জয়সুরিয়ার নাম উঠে এসেছে। তারপরই সাবেক এই তারকা ক্রিকেটারকে জেরা করার জন্য ডাকা হয়েছে মুম্বাইতে। আরও তদন্তের জন্য শ্রীলঙ্কা সরকারের কাছে সহায়তা চেয়ে চিঠিও পাঠানো হয়েছে।

নাগপুর রাজস্ব দফতরের ডেপুটি ডিরেক্টর দিলীপ সিভারে বলেন, ইন্দোনেশিয়া থেকে শ্রীলঙ্কায় সুপারি আনা হয়। সেখান থেকেই কর ফাঁকি দিয়ে ঘুরপথে ঢোকানো হয় ভারতে। দক্ষিণ এশিয়ার মুক্ত বাণিজ্য এলাকার (সাউথ এশিয়া ফ্রি ট্রেড এরিয়া) সুবিধা নিতে শ্রীলঙ্কায় বেশ কিছু ভুয়া কোম্পানি তৈরি করা হয়। এতে কোন শুল্ক ছাড়াই প্রতিবেশী দেশে পাচার করা যায় সংশ্লিষ্ট জিনিস।

জয়সুরিয়ার বিরুদ্ধে শ্রীলঙ্কার সরকারের কাছ থেকে ভুয়া ট্রেড লাইসেন্স অনুমোদন করানোর অভিযোগ উঠেছে। ভারতে পাচার করার জন্য ভুয়া নথিও তৈরি করেছে জয়সুরিয়ার নকল কোম্পানি। যেখানে বলা হয়েছে, সুপারি উৎপাদিত হয় শ্রীলঙ্কাতেই।

নিয়ম অনুযায়ী ইন্দোনেশিয়া থেকে সরাসরি ভারতে সুপারি রফতানি করলে ১০৮ শতাংশ কর দিতে হত। তবে শ্রীলঙ্কা থেকে ভারতের বাজারে সুপারি নিয়ে এলে মুক্ত বাণিজ্য এলাকার নিয়ম মেনে কোনো শুল্ক ছাড়াই তা প্রবেশ করানো সম্ভব। নাগপুরের সেই সুপারি ব্যবসায়ী এই ভাবে বিপুল পরিমাণে উপার্জন করেছেন বলে জানা গেছে। তার বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ধারায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নিবন্ধিত হয়েও নিয়োগ নেই; বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে এনটিআরসিএ-র টালবাহানা

দেশের খবর: বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন সনদধারীদের চাকরিতে নিয়োগে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যায়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) বিরুদ্ধে নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে অহেতুক সময় ক্ষেপণের অভিযোগ উঠেছে। আর নিয়োগে দীর্ঘসুত্রিতার কারণে জীবন-জীবিকা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে লাখো বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন সনদধারীর। ২০১৬ সাল থেকে এই নিয়োগ বন্ধ থাকায় শিক্ষক নিবন্ধন সনদধারীরা আজ বেকারত্বের অভিশাপে জর্জরিত।
৩ টি কারণে নিয়োগ শুরু হচ্ছে না বলে নিবন্ধন সনদধারীদের অভিযোগ। ১. এনটিআরসি এ তথা সরকার পক্ষের নিয়োগ দেওয়ার সদিচ্ছার অভাব। ২. শিক্ষা প্রতষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটি ও প্রতিষ্ঠান প্রধানদের শিক্ষক নিয়োগে ক্ষমতা ফিরে পাওয়ার লোভ। এবং খণ্ডকালীন শিক্ষক নিয়োগ দিয়ে সুবিধা আদায় করা। ৩. নিয়োগ নিয়ে বাণিজ্য করার জন্য মামলা ও রিট করে নিয়োগ ঠেকিয়ে রাখা।

বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যায়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের অধীনে একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান। এ প্রতিষ্ঠানের কাজ হলো বাংলাদেশের প্রায় ৩৩০০০ (তেত্রিশ হাজার) বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সমূহে যোগ্য শিক্ষক নিয়োগ নিশ্চিৎ করা।

২০০৫ সালে একটি বিশেষ আইনের মাধ্যমে ‘এনটিআরসিএ’ গঠন করা হয়। ২০০৫ সালের নভেম্বর মাস থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত এই সংস্থার অধীনে একটি বিশেষ নিবন্ধনসহ মোট ১৪ টি নিবন্ধন পরীক্ষা হয়। ১৪ তম নিবন্ধন পরীক্ষার চূড়ান্ত রেজাল্ট এখনও প্রকাশ হয়নি। ১-১৩ তম নিবন্ধন পরীক্ষায় সনদপ্রাপ্তদের মোট সংখ্যা ৬ লাখ ৪ হাজার ৬৮৫ জন।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটির হাতে সরাসরি নিয়োগের ক্ষমতা থাকায়, দুর্নীতির মাধ্যমে ঘুষ নিয়ে অযোগ্য শিক্ষকদের নিয়োগ দেওয়া হচ্ছিলো। বিষয়টি সরকারের নজরে এলে ২০১৫ সালে একটি বিশেষ আইনের মাধ্যমে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটির ক্ষমতা খর্ব করে শূন্যপদে এনটিআরসিএ-র মাধ্যমে কেন্দ্রীয়ভাবে শিক্ষক নিয়োগের সিদ্বান্ত নেওয়া হয়।

২০১৬ সালের ৬ জুন এনটিআরসিএ প্রথমবারের মত কেন্দ্রীয়ভাবে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। এ সময় ১-১২ তম শিক্ষক নিবন্ধনকারীদের থেকে নিয়োগের আবেদন নেওয়া হয়। এ
লক্ষ্যে টেলিটকের মাধ্যমে ই রিকুইজিশনের মাধ্যমে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে শূন্যপদের চাহিদা সংগ্রহ করে এনটিআরসিএ। জানা যায় এ শূন্যপদের চাহিদার সংখ্যা ছিলো প্রায় ১৫০০০ টি।
এনটিআরসিএ পৃথক পৃথক প্রতিষ্ঠানের প্রতিটি পদের বিপরীতে নিয়োগের আবেদনে টেলিটকের মাধ্যমে ১৮০ টাকা করে জমা নেয়। এ সময় ৯২ হাজার শিক্ষক নিবন্ধন সনদধারী প্রায় ১৪ লাখ আবেদন করেছিলো। এবং প্রকৃত পক্ষে নিয়োগ পেয়েছিলো ১৩০০০ জনের মত শিক্ষক নিবন্ধন সনদধারী।

অনেক নিবন্ধন সনদধারী এ সময় ম্যানেজিং কমিটির বিরোধিতা এবং নারী কোটার কারণে নিয়োগ পাননি। তাছাড়া অনেক প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটির সৃষ্ট পদে এনটিআরসিএ-র সুপারিশকৃতদেরকে জোরপূর্বক নিয়োগ দেওয়ায় অনেক সুপারিশকৃত নিবন্ধন সনদধারী নিয়োগ পেয়েও এখনও এমপিও পায়নি।

২০১৬ সালের নিয়োগে থানা কোটা, জেলা কোটা, বিভাগীয় কোটা ও জাতীয় মেধাকোটা প্রয়োগ হওয়ায় অনেক বেশি নাম্বারপ্রাপ্ত নিবন্ধন সনদধারী নিজ থানায় পদ খালি না থাকায় নিয়োগ পাননি।

বেশি নাম্বার পেয়ে সনদপ্রাপ্ত মেধাবীরা নিয়োগ থেকে বঞ্চিত হওয়ায়, নিয়োগ বঞ্চিতরা শাহবাগ ও প্রেসক্লাবসহ বাংলাদেশের প্রত্যেক জেলায় বেশ কয়েকটি মানববন্ধন,সংবাদসম্মেলন ও আন্দোলন করেছে। পরে ১-১২তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় পাশ করে সনদপ্রাপ্ত হয়েও নিয়োগ বঞ্চিতদের একাংশ আদালতে রিট দায়ের করে। পৃথকভাবে প্রায় ২০৫টির মত রিট হয়। দীর্ঘ শুনানি শেষে বিচারপতি রেজাউল ইসলাম ও বিচারপতি মুহাম্মদউল্লাহ এর সমন্বয়ে গঠিত ডিভিশন বেঞ্চ ১৬৬টি মামলা ফিক্সড করে ৭ টি পয়েন্ট সম্বলিত একটি ঐতিহাসিক রায় প্রদান করেন।

রায়ের ৭ টি পয়েন্ট নিম্নরূপ:
১) নিয়োগ পাওয়া পর্যন্ত শিক্ষক নিবন্ধন সনদের মেয়াদ থাকবে। সনদের নিদির্ষ্ট কোনো মেয়াদ থাকবে না।

২) রায়ের কপি পাওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে এনটিআরসিএ-কে শিক্ষক নিবন্ধন সনদধারীদের নিয়ে একটি সম্মিলিত জাতীয় মেধাতালিকা নিজস্ব ওয়েবসাইটে প্রকাশ করতে হবে।

৩) নিয়োগে কোনো থানা বা জেলাকোটা থাকবে না। সম্মিলিত জাতীয় মেধাতালিকার মাধ্যমে শিক্ষক নিবন্ধন সনদধারীদের নিয়োগের সুপারিশ করতে হবে।

৪) প্রতিবছর নতুনদের নিয়ে এনটিআরসিএ সম্মিলিত জাতীয় মেধাতালিকা আপডেট করবে।

৫) এনটিআরসিএ সম্মিলিত জাতীয় মেধাতালিকা অনুসারে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রিটকারী ও অন্যান্য প্রত্যাশিত আবেদনকারীদের নাম নিয়োগের উদ্দেশ্যে প্রস্তাব ও সুপারিশ করবে।

৬) নিয়োগের সুপারিশকৃত নিবন্ধনধারীদেরকে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটি ৬০ দিনের মধ্যে নিয়োগ প্রদানে ব্যর্থ হলে উক্ত ম্যানেজিং কমিটির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

৭) বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়োগের ক্ষেত্রে কোনো বয়সসীমা নির্ধারণ নেই। সরকারের উচিৎ অতি দ্রুত বয়স নির্ধারণ করা।

১৪ই ডিসেম্বর, ২০১৭ সালে হাইকোর্ট ডিভিশন এই রায় দিলেও রায়ের কপি বের হতে সময় লাগে ৩ মাস ২০ দিন। এরপর এনটিআরসিএ তালবাহানা করতে করতে ১০জুলাই, ২০১৮ তারিখে তাদের ওয়েবসাইটে ১-১৩তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় সনদপ্রাপ্তদের নিয়ে একটি সম্মিলিত জাতীয় মেধাতালিকা প্রকাশ করে।

এ সম্মিলিত জাতীয় মেধাতালিকা অসুসারে নিয়োগ দেওয়ার জন্য গত ২৬ শে জুলাই, ২০১৮-তে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে দুই দফা সময় বৃদ্ধি করে ৩০শে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ই-রিকুইজিশনে মাধ্যমে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে শূন্যপদের চাহিদা নেয়া হয়। জানা যায় এর মাধ্যমে এনটিআরসিএ ৪০ হাজারের বেশি শূন্যপদের চাহিদা পেয়েছে।

কিন্তু অভিযোগ উঠেছে, অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে এনটিআরসিএ-র ওয়েবসাইটে শূন্যপদের চাহিদা প্রকাশ ও গণ নিয়োগবিজ্ঞপ্তি দেওয়ার কথা থাকলেও তারা তালবাহানা ও সময়ক্ষেপণ করছে। কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ করলে বলে, এই মাসের শেষে, সামনের মাসের শুরুতে বা মাঝামাঝিতে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি দিবে। নির্বাচনের সাথে নিয়োগের কোনো সম্পর্ক নেই ইত্যাদি ইত্যাদি।

ওদিকে, শিক্ষক নিবন্ধন সনদধারীরা নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির আশায় চাতক পাখির মতো অপেক্ষায় আছে। তাদের কাছে প্রতিটি দিন যেন এক একটি বছরের সমান মনে হচ্ছে। নিয়োগ প্রত্যাশী শিক্ষক নিবন্ধনধারীদের হতাশা ও আবেগের কোনো মূল্য এনটিআরসিএ ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কাছে নেই বলে অভিযোগ উঠেছে।

প্রায় ২ মাস এনটিআরসিএ-র চেয়ারম্যান বদল নিয়েও জনপ্রশাসন মন্ত্রনালয় নাটক করেছে। ১৮ ই সেপ্টেম্বর এনটিআরসিএ-র চেয়ারম্যান আজাহার হোসেনকে ওএসডি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রনালয়। তার স্থলে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব প্রদান করা হয় ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র খান মুহাম্মদ বেলালকে। কিন্তু খান মুহাম্মদ বেলাল দায়িত্ব নিতে অপরাগতা প্রকাশ করায় ৪ অক্টোবর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব প্রদান করা হয় সেকায়েপের সাবেক পরিচালক মো. মাহমুদুল হককে।

এরপর ১৬ ই অক্টোবর জনপ্রশাসন মন্ত্রনালয় জাতীয় রাজস্ববোর্ডের সদস্য এস এম আশফাক হোসেনকে এনটিআরসিএ-র চেয়ারম্যানের দায়িত্ব প্রদান করে। তবে তিনি তখন লন্ডনে ট্রেনিংয়ে ছিলেন। ফলে দায়িত্ব বুঝে নেননি। ভারপ্রাপ্ত চেয়াম্যান মো. মাহমুদুল হকও বিদেশ গমন করেন। ফলে ৩ থেকে ১৩ তারিখ পর্যন্ত ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দেওয়া হয় এনটিআরসিএ-র সদস্য নাসির আহমদকে। ১২ই নভেম্বর এসএম আশফাক হোসেন এনটিআরসিএ-র চেয়ারম্যানের দায়িত্ব বুঝে নেন।

এসএম আশফাক হোসেন বলেন, ‘নিয়োগ নিয়ে কিছু প্রার্থীর পক্ষ নিয়োগ পাওয়ার জন্য নানা ধরনের মামলার কারণেই আসলে নিয়োগ দিতে দেরি হচ্ছিলো। আদালত স্থগিতাদেশ দিলে তো আর আমাদের কিছু করার থাকে না। তবে মামলাগুলোর রায় হয়ে গেছে। আর রায়গুলো আমাদের অনুকুলেই রয়েছে। আর আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহেই আমরা ১৫তম নিবন্ধর পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি দিবো। এবং এরপর নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হবে।’ তিনি জানান প্রায় ৪২ হাজারের বেশি শূন্যপদ নিয়োগের অপেক্ষায় রয়েছে।

শিক্ষক নিবন্ধন সনদধারীদের একটি অংশ মেধাতালিকায় যাদের অবস্থান অনেক পিছনে তারা নিয়োগ পাবেনা জানে বলেই অন্য শিক্ষক নিবন্ধন সনদধারীদের নিয়ে রিট ব্যবস্যা করছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এই চক্র নিয়োগের স্বপ্নে বিভোর হতাশাগ্রস্থ শিক্ষক নিবন্ধন সনদধারীদের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। এবং তাদেরকে মামলার মাধ্যমে নিয়োগ পাওয়ার ভুয়া স্বপ্ন দেখাচ্ছে।

প্রার্থীদের আরো অভিযোগ প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানের প্রতি পদের আবেদনে ১৮০ টাকা করে জমা দেওয়াটাও তাদের পক্ষে সম্ভব না। বিষয়টি নিয়ে এনটিআরসিএ-কে তাদের অনুরোধ, ‘আমরা বেকার। বেকারদের কাছ থেকে এতো টাকা আবেদন ফি হিসেবে না নিয়ে যেন চয়েজ সিস্টেমে আবেদন নেয়া হয়।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিএনপিকে হুঁশিয়ারি ইসি সচিবের

দেশের খবর: ‘মিথ্যা-বানোয়াট অভিযোগ’ করায় বিএনপিকে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ। তিনি এ ধরনের কর্মকাণ্ডের ব্যাপারে দলটিকে ভবিষ্যতে সতর্কও হতে বলেছেন।
বিএনপির পক্ষ থেকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নূরুল হুদার কাছে বেশ কয়েকবার লিখিত আকারে হেলালুদ্দীন আহমদের বিরুদ্ধে নির্বাচনী আইনভঙ্গের অভিযোগ করা হয়েছে।

বিএনপি ও ঐক্যফ্রন্টের অভিযোগ, হেলালুদ্দীন আহমদের উপস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সচিব চট্টগ্রামের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও পুলিশ সুপারদের ডেকে গত ১৬ নভেম্বর বৈঠক করেছেন। পরবর্তীতে ২০ নভেম্বর চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ কমিশনার তার এলাকার দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মকর্তাদের ডেকে কিছু সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দিয়েছেন। এসব ঘটনায় নির্বাচনী আইনের লঙ্ঘন হয়েছে।

জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ও বিএনপি এসব ঘটনায় ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদকে ‘অতি দলবাজ’ বলে অভিহিত করে তার শাস্তি এবং প্রত্যাহারও চেয়েছে সিইসির কাছে।

শনিবার নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রহুল কবির রিজভী আহমেদ বলেন, গত ২০ নভেম্বর রাতে ঢাকা অফিসার্স ক্লাবের চার তলার পেছনের কনফারেন্স রুমে এক গোপন মিটিং অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালউদ্দীন আহমদ। এরপরই ইসি সচিবের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ এনে কমিশনের কাছে লিখিত দিয়েছে বিএনপি।

এসব বিষয় হেলালুদ্দীন আহমদের কাছে তুলে ধরা হলে তিনি নির্বাচন কমিশনে সাংবাদিকদের বলেন, ‘বিএনপির অভিযোগ-সম্পূর্ণ মিথ্যা। আমার সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের যুগ্ম-সচিব (জনসংযোগ) এসএম আসাদুজ্জামান ছিলেন। আমরা চট্টগ্রামের বিমানবন্দর থেকে সরাসরি হোটেল গিয়েছি। সেখান থেকে পরদিন সকালে প্রোগ্রামে গেছি।’

বিএনপির সংবাদ সম্মেলনের বিষয়ে হেলালুদ্দীন আহমদ বলেন, ‘তাদের অভিযোগ পুরোপুরি মিথ্যা। আপনারা জানেন, আপনারা এখানে থাকেন। আমি এখানে (ইসি ভবন) ৮-৯টা পর্যন্ত থাকি। সংবাদ সম্মেলনে যে কথা বলা হয়েছে, পুরোপুরি মিথ্যা একটা অভিযোগ আনা হয়েছে। নির্বাচন কমিশন সচিব প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা। নির্বাচন কমিশন একটি ইন্ডিপেনডেন্ট বডি। নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের বাইরে ইসি সচিবে কোনো সত্তা নেই।’

‘সেই জন্য বলছি বিএনপির বক্তব্য পুরোপুরি মিথ্যা। আমি তীব্র নিন্দা জানাই। এ ধরনে মিথ্যা অপপ্রচার যেন আর না করা হয়, এ ব্যাপারে সতর্ক থাকতে বলবো। বিতর্কিত করতে এবং অহেতুক চাপ সৃষ্টির জন্য হেয় করার জন্য এসব করা হচ্ছে।’

বিএনপিকে সতর্ক করতে কোনো ব্যবস্থা নেবেন কি-না, এমন প্রশ্নের জবাবে হেলালুদ্দীন আহমদ বলেন, আমি আগামীকাল বিষয়টি কমিশন বৈঠকে তুলবো, সেখানে সিদ্ধান্ত হবে।

সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীর পোস্টারে কারাবন্দি বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ছবি ব্যবহার করা যাবে কি-না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটা দল সিদ্ধান্ত নেবে। আদালতের আদেশের পরিপ্রক্ষিতে বিএনপি চেয়ারপারসনের ফটো পোস্টারে ব্যবহার করা নিয়ে নির্বাচন কমিশন কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রধান বিচারপতির দায়িত্বে মোহাম্মদ ইমান আলী

দেশের খবর: প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের অনুপস্থিতিতে ২৪ থেকে ২৭ নভেম্বর পর্যন্ত তার কার্যভার পালন করবেন আপিল বিভাগের বিচারপতি মোহাম্মদ ইমান আলী।

শনিবার আইন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, ‘রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ সংবিধানের ৯৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের অনুপস্থিতিতে ২৪ থেকে ২৭ নভেম্বর পর্যন্ত অথবা প্রধান বিচারপতির বিদেশ যাত্রার তারিখ থেকে পুনরায় সক্রিয় কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত বাংলাদেশ সুপ্রিমকোর্ট, আপিল বিভাগের কর্মে প্রবীণতম বিচারক বিচারপতি মোহাম্মদ ইমান আলীকে প্রধান বিচারপতির কার্যভার পালনের দায়িত্ব প্রদান করেছেন।’

শনিবার সুপ্রিমকোর্টের ওয়েবসাইটে ২৫ নভেম্বরের জন্য প্রকাশিত মামলার কার্যতালিকায় দেখা যায় বিচারপতি মোহাম্মদ ইমান আলীর নেতৃত্বে গঠিত বেঞ্চে আপিল বিভাগের বিচারিক কার্যক্রম চলবে।
সুপ্রিম কোর্টের হাই কোর্ট বিভাগের বিশেষ কর্মকর্তা সাইফুর রহমান বলেন, ‘‘প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের ২৫ নভেম্বর ভারতে যাচ্ছেন। সেখানে তিনি ভারতের সংবিধান দিবসের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করবেন।’’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest