সর্বশেষ সংবাদ-
মুন্সিগঞ্জ আ’লীগ নেতার বিরুদ্ধে অসহায় মানুষের নামে মিথ্যা মামলা দেওয়ায় মানববন্ধনসাতক্ষীরায় ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনাসাতক্ষীরায় কৃষকের ছেলে সহকারী সিভিল জজ, আনন্দে ভাসছে পরিবার ও গ্রামঝাউডাঙ্গা কলেজে একাদশ শ্রেণির নবাগত শিক্ষার্থীদের নবীন বরণ৫০তম জাতীয় দাবা ‘বি’ বাছাই না করিয়ে খেলোয়াড় পাঠানোর পায়তারা: সাতক্ষীরায় সংবাদ সম্মেলনসাতক্ষীরায় প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দের সাথে জেলা যুবদলের নবগঠিত কমিটির শুভেচ্ছা বিনিময়৬ লাখ মানুষের জলাবদ্ধতা নিরসনে টিআরএম চান সাতক্ষীরার যুবরাসাতক্ষীরায় এবি পার্টির আহ্বায়ক কমিটি গঠন: আহ্বায়ক শাকিল, সদস্য সচিব শাহীনসাতক্ষীরায় রিইবের সিএসও’র ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিতসাতক্ষীরায় চাঁদা না পেয়ে নির্মাণাধীন বাড়ি ভাংচুর ও মারপিট: গ্রেফতারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

প্রধান বিচারপতির দায়িত্বে মোহাম্মদ ইমান আলী

দেশের খবর: প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের অনুপস্থিতিতে ২৪ থেকে ২৭ নভেম্বর পর্যন্ত তার কার্যভার পালন করবেন আপিল বিভাগের বিচারপতি মোহাম্মদ ইমান আলী।

শনিবার আইন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, ‘রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ সংবিধানের ৯৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের অনুপস্থিতিতে ২৪ থেকে ২৭ নভেম্বর পর্যন্ত অথবা প্রধান বিচারপতির বিদেশ যাত্রার তারিখ থেকে পুনরায় সক্রিয় কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত বাংলাদেশ সুপ্রিমকোর্ট, আপিল বিভাগের কর্মে প্রবীণতম বিচারক বিচারপতি মোহাম্মদ ইমান আলীকে প্রধান বিচারপতির কার্যভার পালনের দায়িত্ব প্রদান করেছেন।’

শনিবার সুপ্রিমকোর্টের ওয়েবসাইটে ২৫ নভেম্বরের জন্য প্রকাশিত মামলার কার্যতালিকায় দেখা যায় বিচারপতি মোহাম্মদ ইমান আলীর নেতৃত্বে গঠিত বেঞ্চে আপিল বিভাগের বিচারিক কার্যক্রম চলবে।
সুপ্রিম কোর্টের হাই কোর্ট বিভাগের বিশেষ কর্মকর্তা সাইফুর রহমান বলেন, ‘‘প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের ২৫ নভেম্বর ভারতে যাচ্ছেন। সেখানে তিনি ভারতের সংবিধান দিবসের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করবেন।’’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘আ.লীগের ইশতেহারে তরুণদের প্রাধান্য’

দেশের খবর: একাদশ জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে দেশের তরুণ সমাজকে প্রাধান্য দিয়ে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ দলীয় ইশতেহার প্রস্তুত করছে বলে জানিয়েছেন দলটির সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও ইশতেহার প্রণয়ন কমিটির আহ্বায়ক ড. আবদুর রাজ্জাক। ইশতেহারে তরুণদের নিয়ে বিশেষ পরিকল্পনা থাকছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

ড. রাজ্জাক বলেন, ‘আমরা তরুণ সমাজকে উন্নয়নের মহাসড়কে সম্পৃক্ত করতে চাই। দেশে বিপুল সংখ্যক শিক্ষিত তরুণ রয়েছে। তাদের জীবিকার উন্নয়নে আমরা আরও কিভাবে সম্পৃক্ত হবো সেটা ইশতেহার তুলে ধরা হবে।’

শনিবার ( ২৪ নভেম্বর) বিকেলে ধানমন্ডিস্থ আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলটির ইশতেহার কমিটির বৈঠকের শুরুতে তিনি এসব কথা জানান ।
আবদুর রাজ্জাক বলেন, ‘১ কোটি ২০ লাখ নতুন ভোটার সঙ্গে প্রায় ৪ কোটিরও বেশি তরুণ জনশক্তিকে সম্পৃক্ত করে দেশকে এগিয়ে নেয়ার পরিকল্পনা তুলে ধরে একাদশ জাতীয় নির্বাচনে ইশতেহার সাজানো হচ্ছে। আমরা এরই মধ্যে একটি খসড়া চূড়ান্ত করেছি।’

তিনি বলেন, ‘দফায় দফায় মিটিংয়ে চূড়ান্ত এ খসড়াপত্র এখন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার টেবিলে যাওয়ার অপেক্ষায়। উনার গ্রিন সিগন্যাল পাওয়ার পরই জাতির সামনে চূড়ান্ত ইশতেহারপত্র পেশ করা হবে। দলের সভাপতি সেটি আনুষ্ঠানিকভাবে জানাবেন।’

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর এই সদস্য আরও বলেন, ‘২০১৬ সালে আওয়ামী লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সেই সম্মেলনে আওয়ামী লীগ একটি ঘোষণাপত্র পাঠ করে। ওই ঘোষণাপত্রে বর্তমান সরকারের সাফল্যগুলো তুলে ধরা হয়েছিল। সঙ্গে সামনের দিনে আমরা কী করবো সেগুলো আমরা সেখানে তুলে ধরেছিলাম। আজ আমরা যে ইশতেহার করছি সেটা ২০১৬ সালের ঘোষণাপত্রের ভিত্তিতে। এখানে ওই সম্মেলনে অংশ নেয়া কাউন্সিলরদের মতামতকে গুরুত্ব দেয়া হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ ১০ বছর ধরে ক্ষমতায় রয়েছে। এবারের নির্বাচনী ইশতেহার আমাদের কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আমরা দাবি করে থাকি সামাজিক অর্থনৈতিক সাংস্কৃতিক সকল ক্ষেত্রে আমাদের সরকারের সময় উন্নতি হয়েছে। আমাদের এই উন্নয়ন সারা পৃথিবীতে নন্দিত হয়েছে, প্রশংসিত হয়েছে। সারা বিশ্বের সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা বলেছেন- আওয়ামী লীগ সরকারের গত ১০ বছরের উন্নয়ন সারা বিশ্বের কাছে বিস্ময়।’

ড. রাজ্জাক বলেন, ‘আমি এটুকু বলতে চাই, আমরা গত ১০ বছরে উন্নয়নের যে ভিত্তি রচনা করেছি সেই ভিত্তির উপর দাঁড়িয়ে বাংলাদেশ আগামীর পথে কিভাবে এগিয়ে যাবে তা আমাদের এবারের ইশতেহারে তুলে ধরা হবে।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের সময়ে বাংলাদেশ সুনির্দিষ্ট প্রবৃদ্ধিসহ বহু বিষয়ে যথেষ্ট যোগ্যতা অর্জন করেছে। আমাদের নির্বাচনী ইশতেহারে, উন্নয়নের যে মহাসড়কে আমরা অবস্থান করছি সেটাকে আরও বেগবান করার বিস্তারিত পরিকল্পনা থাকবে।’

ইশতেহারে অন্তর্ভুক্ত বিষ তুলে ধরে রাজ্জাক বলেন, ‘ইতিমধ্যে আমরা ৭.৮ ভাগ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছি। এই প্রবৃদ্ধিকে আরও বাড়াতে চাই। আমরা এমডিজির সকল লক্ষ্য পূরণ করেছি। আমরা দারিদ্র্য কমিয়ে আনতে চাই, অতি-দারিদ্র্যকে নির্মূল করতে চাই। আমাদের চ্যালেঞ্জ হবে পুষ্টি ও মানসম্মত খাদ্য জনগণের কাছে পৌঁছে দেয়া।’

এ প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের ইশতেহারে পুলিশ বাহিনী কী হবে, দুর্নীতি কিভাবে কমে আসবে সেটা বলার চেষ্টা করবো। জনহিতৈষী একটি পুলিশ বাহিনী আমরা গড়তে চাই। সামষ্টিক অর্থনীতি, জিডিপি প্রবৃদ্ধি, ব্যাংক ব্যবস্থা কী হবে, বিনিয়োগ কিভাবে বাড়ানো, কৃষিতে কর্মসংস্থান কমে যাওয়ায় আমাদের চেয়ে যুব সমাজের কাজের ব্যবস্থা কী হবে- সবই থাকবে ইশতেহারে।’

এবারের ইশতেহারে শিল্পায়নকে বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে বলেও জানান ইশতেহার কমিটির এই আহ্বায়ক।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরার রাজারবাগান আল-মদীনা জামে মসজিদের কমিটি গঠন

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরার রাজারবাগান আল-মদীনা জামে মসজিদ পরিচালনা পরিষদের নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। শুক্রবার জুম্মার নামাজ শেষে উপস্থিত মুসল্লীদের সর্ব সম্মতিক্রমে ৩৭ সদস্য বিশিষ্ট্য ত্রিবার্ষিক এ কমিটি গঠন করা হয়।
নবগঠিত এ কমিটি গঠন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি, সাবেক জেলা পরিষদ প্রশাসক ও সাবেক সংসদ সদস্য মুনসুর আহমেদ। মসজিদটির পরিচালনা পরিষদের সাবেক সহ-সভাপতি মুক্তার আলীর সভাপতিত্বে সেখানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, পুরাতন সাতক্ষীরা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এস.আই মনিরুজ্জামান।
নবগঠিত এ কমিটির সভাপতি হয়েছেন, আলহাজ্ব আতাউর রহমান, সহ-সভাপতি যথাক্রমে, মাও. আনারুল হক, আব্দুস সেলিম সরদার, ফারুক হোসেন ও সিরাজুল ইসলাম, সাধারান সম্পাদক আব্দুল মালেক হাওলাদার, যুগ্ন সাধারন সম্পাদক আইলুস বাহার বুলবুল, সাংগঠনিক সম্পাদক সাহাবুদ্দীন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক শামিম আহমেদ, প্রচার সম্পাদক রজব আলী, সহ-প্রচার সম্পাদক মমিনুল ইসলাম ছোট্টা, দপ্তর সম্পাদক আব্দুল আলিম, কোষাধ্যক্ষ মাও. আব্দুল খালেকসহ ৩৭ সদস্য বিশিষ্ট্য মসজিদ পরিচালনা পরিষদের নতুন কমিটি গঠন করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তৃতীয়বারের মতো বিয়ের পিঁড়িতে ফারজানা

বিনোদনের খবর: জনপ্রিয় উপস্থাপিকা ও সংগঠক ফারজানা ব্রাউনিয়া তৃতীয়বারের মতো বিয়ের পিঁড়িতে বসলেন। পাত্র লে. জেনারেল (অব.) চৌধুরী হাসান সারওয়ার্দী। দুজনই জানান, উভয়ের পরিবারের সম্মতিতেই এ বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হয়েছে।

শনিবার (২৪ নভেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি কনভেনশন সেন্টারে তাদের গায়ে হলুদের অনুষ্ঠান হবে। আগামী সোমবার (২৬ নভেম্বর) সেনাকুঞ্জে বিয়ের মূল অনুষ্ঠান হবে।
ব্রাউনিয়া বলেন, আমাদের মধ্যে পরিচয় কাজের সূত্রে। ২০১৫ সালে মিরপুরে ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজে (এনডিসি) দুই সপ্তাহব্যাপী ক্যাপস্টোন কোর্স করার সময় সারওয়ার্দীর সাথে পরিচয়। এরপর কাজ করতে গিয়ে সম্পর্ক তৈরি হয়। পরে দুই পরিবারের মত নিয়ে গত ৬ নভেম্বর আকদ আর ১৬ নভেম্বর বিয়ে নিবন্ধন করা হয়।

আগামী ২৬ নভেম্বর বিবাহোত্তর সংবর্ধনা হবে বলে জানান তিনি। এর মধ্যে গত ২০ নভেম্বর তারা সাভার গলফ ক্লাবে যান বিয়ের ফটোসেশনে অংশ নিতে।
প্রসঙ্গত, ফারজানা ব্রাউনিয়া এর আগে আরো দুইবার বিয়ে করেছিলেন। পূর্বের দুই সংসারে তাঁর দুই ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে।

চৌধুরী হাসান সারওয়ার্দী বলেন, আশা করছি আমরা দুজনের পাশাপাশি দুই পরিবারও সুখী হবে।
তিনি জানান, আগের স্ত্রীর সাথে বিচ্ছেদ হয়ে গেছে। দীর্ঘ সময় তারা আলাদা থাকছিলেন। তার এক ছেলে ও এক মেয়ে মায়ের সাথে বিদেশে থাকেন।

রানা প্লাজা ধসের পর নবম পদাতিক ডিভিশনের জিওসি হিসেবে উদ্ধার কাজের নেতৃত্ব দিয়ে আলোচনায় আসেন চৌধুরী হাসান সারওয়ার্দী। ২৬ মার্চ ‘লাখো কণ্ঠে সোনার বাংলা’ আয়োজনের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন তিনি। এরপর তিনি আর্টডকের জিওসি ও ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজের কমান্ড্যান্ট হন। সেখান থেকে এ বছরের ১ জুন অবসরে যান। এর আগে তিনি আনসার ও ভিডিপি এবং এসএসএফের মহাপরিচালক এবং সেনা গোয়েন্দা বিভাগের পরিচালকসহ গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন। এখন দুটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের পরামর্শক হিসেবে কাজ করছেন।

২০০০ সালে বাংলাদেশ টেলিভিশনে সংবাদ পাঠিকা হিসেবে ব্রাউনিয়ার শোবিজ যাত্রা শুরু হয়। তখন তিনি ইংরেজি সংবাদ পড়তেন। তবে ফারজানা ব্রাউনিয়া নামটি দেশজুড়ে আলোচনায় আসে ২০০৪ সালে দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত ‘লাক্স চ্যানেল আই সুপারস্টার’ প্রতিযোগিতায় ভিন্নধর্মী উপস্থাপনার পর। এ ছাড়াও তাঁর উপস্থানায় জনপ্রিয় অনুষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে গেম শো লেটস মুভ, রাজনীতিভিক্তিক শো হাঁড়ি কড়াই রান্নার লড়াই, চ্যানেল আই সেরা কণ্ঠ অন্যতম।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান ও সাংবাদিক কার্যালয় লুটের প্রতিবাদে মানববন্ধন

প্রেস বিজ্ঞপ্তি :
সাতক্ষীরায় সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান ‘প্রাণকেন্দ্র’ ও দেশ টিভি- বিডি নিউজের সাতক্ষীরা প্রতিনিধি’র সাংবাদিক কার্যালয় লুটের প্রতিবাদে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টায় সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘প্রাণকেন্দ্র’ এ মানববন্ধন সমাবেশের আয়োজন করে। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি অধ্যক্ষ আবু আহমেদ, সাবেক সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বারী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মমতাজ আহমেদ বাপী, সাংবাদিক আবুল কাশেম, সেলিম রেজা মুকুল, আশরাফুল ইসলাম খোকন, নাট্যকর্মী হাসানুর রহমান, পল্লব মজুমদার, মোহসিনা মুক্তা প্রমুখ।
মানববন্ধন সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন বিডি নিউজ ও দেশ টিভি’র সাতক্ষীরা প্রতিনিধি শরীফুল্লাহ কায়সার সুমন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন মকবুল হোসেন।
উল্লেখ্য মঙ্গলবার সাতক্ষীরার বনানী মার্কেটে অবস্থিত সাতক্ষীরায় সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান ‘প্রাণকেন্দ্র’ ও দেশ টিভি- বিডি নিউজের সাতক্ষীরা প্রতিনিধি শরীফুল্লাহ কায়সার সুমনের কার্যালয়টি তালাবদ্ধ থাকা অবস্থায় ভেঙে লুট করে নিয়ে যায় স্থানীয় সন্ত্রাসী কামরুজ্জামান বুলু ও তার সন্ত্রাসীরা। মার্কেট মালিক আব্দুল জলিল ও বুলু’র মধ্যে বিরোধ থাকলেও এর সাথে প্রাণকেন্দ্রের কোন বিরোধ ছিল না। বিনা কারণে এধরনের ঘটনা ঘটার প্রতিবাদে সাতক্ষীরার সাংবাদিকরা ও সাংস্কৃতিক সংগঠকরা এর প্রতিবাদে নেমে পড়ে।
সমাবেশে অধ্যক্ষ আবু আহমেদ বলেন, সাধারণ মানুষের বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ থাকলে তাকে হেনস্থা করতে কয়েক মিনিট লাগে। আর একজন চোরাকারবারী জঙ্গিবাদের মোড়ল তাকে রক্ষা করে চলেছে কোন সুবিধার কারণে। তিনি অবিলম্বে ক্ষতিগ্রস্থ প্রাণকেন্দ্র কতৃপক্ষকে ক্ষতিপুরণ দেয়ার জন্য ও সন্ত্রাসীদের শাস্তি দেয়ার জন্য দাবি জানান। সাবেক সভাপতি আবুল কালাম আজাদ বলেন, জমি’র দন্দ্ব থাকলে জমি’র মালিকরা বুঝবে কিন্তু ভাড়াটিয়ার সম্পদ লুট করা এটা কোন ধরনের বেআইনী কার্যকলাপ। উচ্চ আদালতে যে মামলা চলমান তা নিয়ে এ ধরনের সিদ্ধান্ত উদ্দেশ্য পণোদিত। তিনি অবিলম্মে লুটকারীদের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি নিশ্চিত করার জন্য আহবান জানান। সভাপতির বক্তব্যে শরীফুল্লাহ কায়সার সুমন বলেন, তিন দিনের মধ্যে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে এবং দোষীদের কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ নিতে হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ডায়াবেটিস রোধে কাঁচা ফল

স্বাস্থ্য কণিকা: ডায়াবেটিস রোগীদের ফল খাওয়া না খাওয়া নিয়ে দ্বিধা-দ্বন্দ্ব থাকে। কাঁচা ফল-মূল আস্ত খাবেন নাকি ফলের রস খাবেন এ নিয়েও নানা প্রশ্ন জেগে। তবে ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে আস্ত ফল-মূল খাওয়া ফলের রস পানের চেয়ে অনেকটাই ভালো।

প্রতিদিন ১ থেকে ৩টি কাঁচা ফল খাওয়া ভালো। কারণ ফলে প্রচুর আঁশ, খনিজ পদার্থ এন্টি অক্সিডেন্ট থাকে, যা একইসঙ্গে শক্তিদায়ক, প্রদাহনাশক, উচ্চরক্তচাপ নিরধক, রক্তের কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ সহায়ক, রক্তের বৃদ্ধি বা হ্রাসকরণের সহায়ক এবং রক্তনালিতে ব্লক তৈরিতে বাধা প্রদান করতে পারে।

আবার কাঁচা ফল-মূলের উপাদানগুলো খাদ্যনালিতে বা অন্ত্রে অবস্থিত মাইক্রোবায়োবাগুলোকে প্রভাবিত করে; যা ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমায় এবং হৃদ রোগ ও রক্তনালিতে সংগঠিত রোগগুলোর বিস্তার কমাতে সহায়ক হয়।

কাঁচা ফল-মূল বা ফলের রস প্রায় সব মানুষের জন্যই ভালো। সে ফল যত রঙিন হয় ততই ভালো, বিশেষ করে সবুজ হলে। ডায়াবেটিসের রোগীর ক্ষেত্রেও কিছুদিন আগ পর্যন্ত এরকম ভাবা হতো; বেশিরভাগ ফলের রসই ডায়াবেটিস রোগীর রক্তের গ্লুকোজ বৃদ্ধির কারণ। সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে, কিছু ফলের রস দীর্ঘদিন নিয়মিত পান করলে টাইপ ২ ডায়াবেটিস হওয়ার আশংকা বেড়ে যায়।

যারা প্রতিদিন ১০০ গ্রাম করে তাজা ফল নিয়মিত খেয়ে যাচ্ছেন, তাদের ডায়াবেটিস সংক্রান্ত মারাত্মক জটিলতাগুলো যেমন- কিডনি রোগ, হৃদ রোগ, স্ট্রোক ও ডায়াবেটিসসংক্রান্ত যে কোনো রোগ হওয়ার ঝুঁকি হ্রাস পায়।

অতএব, সবাই নিয়মিত তাজা ফল-মূল, বিশেষ করে টক বা কম মিষ্টি ফল খাওয়ার অভ্যাস করা উচিত।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মাছশূন্য হবে সুন্দরবন!

মো. আবদুস সালিম: বিশ্ব ঐতিহ্যের মধ্যে অন্যতম সুন্দরবন। তবে নানা প্রতিকূলতার কারণে দিন দিন বনের জৌলুস হারিয়ে যাচ্ছে। পশুপাখি, গাছপালা, মাছ… ইত্যাদি প্রাকৃতিক সম্পদও কমে যাচ্ছে। সার্বিক কারণ হল সেখানকার পরিবেশ ক্রমশ খারাপ হয়ে যাওয়া।

সম্প্রতি পরিবেশবাদীরা জানিয়েছেন, মারাত্মক ঝুঁকিতে রয়েছে সুন্দরবনের প্রায় ২৭ প্রজাতির মাছ। এর অন্যতম কারণ ওই এলাকার পানি ও মাটিতে লবণাক্ততা বৃদ্ধি। আর লবণাক্ততা প্রতি বছরই বেড়ে চলেছে। তারা সম্প্রতি জানিয়েছেন, সুন্দরবন এলাকায় প্রতি বছর লবণাক্ততা বাড়ছে প্রায় ২ পিপিটি বা পার্টস পার ট্রিলিয়ন হারে। সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা দুই বছরের বেশি সময় ধরে ৮০ প্রজাতিরও বেশি মাছের তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করে তা নিয়ে ব্যাপক গবেষণা করেছেন।

তারা জানতে পেরেছেন, প্রায় ২৭ প্রজাতির মাছ লবণাক্ততা খুবই কম সহ্য করতে পারে। মাছগুলো হল- শিং, মাগুর, টাকি, কাতল, কই, কাকিলা ও শোল মাছ। এ তালিকায় আরও আছে- কাটারি, বোয়াল, জাতপুঁটি, তিতপুঁটি, কানি পাবদা, গাচুয়া ও পাবদা মাছ। আর দ্রুত বিলুপ্ত হয়ে যেতে পারে তার তালিকাও তৈরি করেছেন তারা। এগুলো হল- মেনি মাছ, লোয়াচ, টেংরা, বাজারি টেংরা, বাটা, ফলি, কালিবাউস ও কেওড়া মাছ।

লবণাক্ততা বাড়ার কারণে বিরূপ প্রভাব পড়ছে মিঠা পানির মাছের ওপর। এর মধ্যে রয়েছে প্রায় সোয়া ছয় হাজার বর্গকিলোমিটার এলাকা। শূন্য থেকে পাঁচ পিপিটি পর্যন্ত লবণাক্ততা সহ্য করতে পারে এ ২৭ প্রজাতির মাছ। এরা তার বেশি লবণাক্ততা সহ্য করতে পারে না।

মাত্রাতিরিক্ত লবণাক্ততার কারণে এসব মাছ থাকতে পারছে না সুন্দরবন এলাকায়। চলে যেতে বাধ্য হচ্ছে অন্য জায়গায়। অর্থাৎ মাছের পরিমাণ দ্রুত কমে আসছে সুন্দরবনে। এরই মধ্যে কমে গেছে খুলনার পাইকগাছা এলাকায় মিষ্টি বা স্বাদু পানিতে থাকা বিভিন্ন প্রজাতির প্রায় ৫৯ শতাংশ মাছ।

আর প্রায় ২১ শতাংশ মাছ হ্রাস পেয়েছে বাগেরহাটের রামপালে। এসব এলাকায় লবণাক্ততা বেড়ে পাঁচ পিপিটিতে পৌঁছালে আর দেখাই যাবে না এসব মাছ। যেসব স্থানের পানিতে লবণাক্ততার পরিমাণ বেশি, ওইসব এলাকা থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে এসংক্রান্ত তথ্য-উপাত্ত।

যেমন তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে সাতক্ষীরা জেলার কয়েকটি স্থান থেকেও। শিবসা, পশুর নদসহ আরও কয়েকটি নদ-নদী থেকেও লবণাক্ততার মাত্রা পরিমাপ করা হয়েছে। ২০৫০ সালের মধ্যে সুন্দরবন এলাকায় পানির লবণাক্ততা কোন পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে তা নিয়েও গবেষণা করা হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, লবণাক্ততার পরিমাণ বর্তমানের তুলনায় কয়েকগুণ বেশি হতে পারে। তখন শুধু মিঠা পানির মাছই নয়, বরং অন্যান্য প্রাণীর ওপরও পড়বে এর চরম নেতিবাচক প্রভাব।

এখন প্রশ্ন হল কেন লবণাক্ততা বৃদ্ধি পাচ্ছে? উত্তরে বলা যেতে পারে আমাদের নদ-নদীগুলোর প্রবাহ দিন দিন কমে যাচ্ছে, ভরাট হচ্ছে। যার কারণে সাগর থেকে লবণাক্ততা ওপর দিকে উঠে আসছে। এছাড়া বৈরী জলবায়ুর কারণে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি পেয়ে ওপরের দিকে লবণাক্ততা উঠে আসছে।

আর পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যে বড় ধরনের পরিবর্তন আসছে সুন্দরবনে লবণাক্ততা বেড়ে যাওয়ায়। এখন প্রশ্ন হল, তবে কি সুন্দরবন এলাকায় মাছ ঢুকবে না কিংবা সেখানে ঢুকলেও আবার চলে যাবে? এর উত্তর হল, কিছু সময়ের জন্য সুন্দরবনে মাছ এলেও এদের স্থায়িত্বকাল বেশি দিন হবে না।

এক দল গবেষক জানিয়েছেন, স্থানভেদে সুন্দরবন এলাকায় প্রতি বছর লবণাক্ততা বাড়ছে গড়ে ১ থেকে ১.৫ পার্টস পার মিলিয়ন (পিপিএম)। আবার সময় ও স্থানভেদে এর পরিমাণ ২ থেকে ২৮ পিপিএম। আর শীতের সময়ে তা হয় প্রায় ৩০ পিপিএম।

পানির লবণাক্ততা বেড়ে যাওয়ার মানে পাশাপাশি মাটির লবণাক্ততা বা স্যালাইনিটিও বেড়ে যাওয়া। এ কারণে মাটির লবণাক্ততা সমস্যা সমাধানকল্পে আগে প্রয়োজন পানির লবণাক্ততা নিয়ন্ত্রণ করা। সুন্দরবন এলাকার পানির লবণাক্ততা নিয়ন্ত্রণ করা মোটেই সহজ কাজ নয়।

কেননা লবণাক্ততার বিষয়টি জড়িত রয়েছে সাগরের লবণাক্ততার সঙ্গে। দেশের দক্ষিণাঞ্চলের অনেক জমিতে লবণাক্ত পানি আটকে চিংড়ি চাষ করা হয়। এ কারণেও মাটির লবণাক্ততা বাড়ছে। কী কী কারণে লবণাক্ততা বাড়ছে সেই কারণগুলো চিহ্নিত করতে হবে। এরপর সমাধানে যথাযথ পদক্ষেপ নিতে হবে। তাহলে লবণাক্ত এলাকায় থাকা পশুপাখির জন্য সুবার্তা বয়ে আনবে।

বর্ষাকালে লবণাক্ততার মাত্রা অপেক্ষাকৃত কম থাকলেও এর হার অনেক বেশি থাকে ডিসেম্বর থেকে মে মাস পর্যন্ত। গবেষণার ফলাফল থেকে জানা গেছে, ১৪ প্রজাতির মাছের লবণাক্ততা সহ্য করার ক্ষমতা রয়েছে শূন্য থেকে ১০ পিপিটি পর্যন্ত।

২২ প্রজাতির মাছের রয়েছে প্রায় ২০ পিপিটি পর্যন্ত সহনীয় ক্ষমতা। আট প্রজাতির মাছের রয়েছে প্রায় ৩০ পিপিটি পর্যন্ত লবণ সহনীয় সক্ষমতা। প্রায় ৩৫ পিপিটি পর্যন্ত লবণাক্ততা সহ্য করতে পারে প্রায় চার প্রজাতির মাছ। মাছগুলো হল- হগনি, হরিণা চিংড়ি, কড্ডি চিংড়ি এবং বাগদা চিংড়ি।
এমন এক খারাপ সময় হয়তো আসবে যখন মাত্রাতিরিক্ত লবণাক্ততার কারণে এদেরও পাওয়া যাবে না। সর্বোচ্চ লবণাক্ততা সহ্য করতে সক্ষম ইলিশ মাছ। পোয়া মাছও প্রায় একই ধরনের লবণাক্ততা সহিষ্ণু।
সুন্দরবন বাঁচলে বাংলাদেশ বাঁচবে। বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবনকে কেন্দ্র করে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে নির্ভর করছে প্রায় ১০ লাখ মানুষের জীবন-জীবিকা। মধু, মোম, ফল, কাঠ, মাছ, গোলপাতা, জ্বালানি ইত্যাদি সম্পদের বিশাল ভাণ্ডার হল সুন্দরবন। বনটি অক্সিজেনেরও বিশাল ভাণ্ডার।
আমাদের জন্য সুন্দরবনের প্রয়োজনীয়তা বা গুরুত্ব যে কত বেশি তা বোঝা যেতে পারে আরও কয়েক দশক পড়ে; যদি এর পরিবেশকে স্বাভাবিক পর্যায়ের দিকে ফিরিয়ে আনা না যায়।

লেখক : সদস্য, বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা)

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
৬ আসনে ইভিএম ব্যবহার করা হবে: ইসি

দেশের খবর: আগামী ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিতব্য একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৬টি পূর্ণ আসনের সবগুলো কেন্দ্রে ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহার করা হবে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
ইসি সচিবালয়ের সভাকক্ষে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়েছে। শনিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর আগারগাঁও নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে বৈঠক শেষে ইভিএম সংক্রান্ত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমেদ একথা জানান।
ইসি সচিব বলেন, আসন্ন নির্বাচনে ৬টি আসনের সবকটি কেন্দ্রে ইভিএম ব্যবহার করা হবে। কেন্দ্রগুলো বাছাই করা হবে দৈবচয়নের মাধ্যমে। ইভিএম নিয়ে বিস্তারিত আগামী ২৮ নভেম্বর জানানো হবে।
এর আগে আজ শনিবার (২৪ নভেম্বর) বিকেল সাড়ে ৩টায় আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদার সভাপতিত্বে এক বৈঠকের আয়োজন করা হয়।
সভায় নির্বাচনের প্রস্তুতির অগ্রগতি নিয়েও আলোচনা হয়। এতে সিইসি, চার নির্বাচন কমিশনার ও ইসি সচিব উপস্থিত ছিলেন।
আসন্ন নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহারের বিষয়ে বিএনপিসহ নতুন রাজনৈতিক জোট জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের বাধার মুখে নির্বাচন কমিশন এ সিদ্ধান্ত নিল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest