সর্বশেষ সংবাদ-
মুন্সিগঞ্জ আ’লীগ নেতার বিরুদ্ধে অসহায় মানুষের নামে মিথ্যা মামলা দেওয়ায় মানববন্ধনসাতক্ষীরায় ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনাসাতক্ষীরায় কৃষকের ছেলে সহকারী সিভিল জজ, আনন্দে ভাসছে পরিবার ও গ্রামঝাউডাঙ্গা কলেজে একাদশ শ্রেণির নবাগত শিক্ষার্থীদের নবীন বরণ৫০তম জাতীয় দাবা ‘বি’ বাছাই না করিয়ে খেলোয়াড় পাঠানোর পায়তারা: সাতক্ষীরায় সংবাদ সম্মেলনসাতক্ষীরায় প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দের সাথে জেলা যুবদলের নবগঠিত কমিটির শুভেচ্ছা বিনিময়৬ লাখ মানুষের জলাবদ্ধতা নিরসনে টিআরএম চান সাতক্ষীরার যুবরাসাতক্ষীরায় এবি পার্টির আহ্বায়ক কমিটি গঠন: আহ্বায়ক শাকিল, সদস্য সচিব শাহীনসাতক্ষীরায় রিইবের সিএসও’র ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিতসাতক্ষীরায় চাঁদা না পেয়ে নির্মাণাধীন বাড়ি ভাংচুর ও মারপিট: গ্রেফতারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

পাইকগাছায় রাস উৎসব পালিত

পাইকগাছা ব্যুরো: পাইকগাছায় পূজা অর্চনা, পূণ্য¯œান, প্রসাদ বিতরণ, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে বিভিন্ন স্থানে রাস উৎসব উদযাপিত হয়েছে। পৌরসভার ৬টি মন্দিরের উদ্যোগে শুক্রবার সকালে শিববাটীতে রাস মেলা উদযাপন কমিটির সভাপতি ও হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের পৌরসভা সভাপতি সন্তোষ কুমার সরদারের সভাপতিত্বে রাস উৎসব অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পৌর মেয়র সেলিম জাহাঙ্গীর। বিশেষ অতিথি ছিলেন হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের জেলা সহ-সভাপতি এড. অজিত কুমার মন্ডল, উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি সমীরণ সাধু, প্যানেল মেয়র এস এম ইমদাদুল হক, আসমা আহম্মেদ, কাউন্সিলর এস এম তৈয়বুর রহমান, ঐক্য পরিষদের উপজেলা সম্পাদক তৃপ্তি রঞ্জন সেন, পাইকগাছা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এম মোসলেম উদ্দীন আহম্মেদ, উপজেলা কেন্দ্রীয় পূজা মন্দির কমিটির সভাপতি দেবব্রত রায় দেবু। রাস মেলা উদযাপন কমিটির সম্পাদক হিরেন্দ্র নাথ সানার পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন, জগদীশ রায়, মৃনাল কান্তি সানা, সুজন কুমার সানা, বিভুতি সানা, প্রশান্ত কুমার মন্ডল, উদয় কুমার সানা, জয়ন্ত কুমার মন্ডল, সমর মন্ডল, অমর মন্ডল, বিরাজ মন্ডল, দিপক সরদার, দুলাল শীল, দিপংকর মন্ডল, রঞ্জন মন্ডল, উত্তম সানা, সুকৃতি সরদার, বিকাশ সরদার, লিটন সানা, সুভাষ মন্ডল, বিপ্লব সানা, মিঠুন সানাসহ বিভিন্ন মন্দির কমিটির সভাপতি, সম্পাদকবৃন্দ। অনুষ্ঠানে পৌর মেয়র সেলিম জাহাঙ্গীর রাস উৎসব উদযাপনের অবকাঠামো উন্নয়নে দেড় লাখ টাকার অনুদান ঘোষণা করেন। এর আগে রাসমেলা উপলক্ষে শিববাটি সার্বজনীন পূজা মন্দির ও শ্রীশ্রী রামকৃষ্ণ সেবাশ্রমে ৮ম প্রহরব্যাপী মহানাম যজ্ঞানুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অপরদিকে উপজেলার লতার কাঠামারিসহ বিভিন্ন ইউনিয়নে অনুরুপ অনুষ্ঠান পালিত হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
উত্তেজনার ম্যাচ জিতে আবাহনী হ্যাটট্রিক চ্যাম্পিয়ন

খেলার খবর: বসুন্ধরা কিংসকে নাটকীয়ভাবে হারিয়ে ফেডারেশন কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ঢাকা আবাহনী লিমিটেড। সানডে সিজোবার জোড়া গোলে ৩-১ গোলে জিতেছে তারা। এই জয়ে আসরে হ্যাটট্রিক চ্যাম্পিয়ন হয়েছে নীল-আকাশি শিবির।

ম্যাচের ২১ মিনিটে বসুন্ধরা প্রথমে এগিয়ে যায়। প্রথম শটটি গোলরক্ষক ঠেকিয়ে দিলেও পরে ডি বক্সের ভেতরে বাঁ-পায়ের প্লেসিং শটে দুর্দান্তভাবে বল আবাহনীর জালে জড়িয়েছেন কোস্টারিকার বিশ্বকাপ তারকা ড্যানিয়েল কলিনড্রেস সোলেরা। ফলে ১-০ গোলে এগিয়ে যায় বসুন্ধরা। ব্যক্তিগত পঞ্চম গোল পেয়েছেন তিনি। ৩২ মিনিটে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ পেয়েছিল বসুন্ধরা। কিন্তু তা কাজে লাগাতে পারেনি। প্রথমার্ধে আর কোনো গোল হয়নি।

বিরতির পর ৫০ মিনিটে আবাহনী সমতায় ফিরে। দলকে সমতায় ফেরান নাইজেরীয় স্ট্রাইকার সানডে সিজোবা। ডি বক্সের পাশ থেকে থ্রো থেকে পা ছুঁইয়ে আবাহনীকে ম্যাচে ফেরান তিনি।

৭৯ মিনিটে এগিয়ে যায় আবাহনী। সোহেল রানার চমৎকার পাস থেকে দুর্দান্ত গোলে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন সানডে। আসরে এটি তাঁর ষষ্ঠ গোল।

ঠিক তিন মিনিট পর ওয়ালী ফয়সালের কর্নারে মাথা ছুঁইয়ে গোল ব্যবধান বড় করেন হাইতির ফরোয়ার্ড কারভেনস বেলফোর্ট। ফলে ব্যবধান বেড়ে ৩-১ গোলে দাঁড়ায়। এতেই ম্যাচের ফলাফল নিশ্চিত হয়ে যায় আবাহনীর। নির্ধারিত সময়ের শেষ দিকে আক্রমণে উঠেছিল বসুন্ধরা। তবে শেষ রক্ষা হয়নি। জয় নিয়েই মাঠে ছাড়ে আবাহনী।

অবশ্য ম্যাচের শেষ দিকে দুই দলের খেলোয়াড়রা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এমনকি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য মাঠে পুলিশও নামাতে হয়েছে কর্তৃপক্ষকে। দুই দলের চারজনকে সরাসরি লাল কার্ড দেখিয়ে মাঠ থেকে বের করে দেন রেফারি।

এরআগে ২০১৬ সালে আরামবাগ ক্রীড়া সংঘ এবং ২০১৭ সালে চট্টগ্রাম আবাহনীকে হারিয়ে সর্বশেষ দুটি শিরোপা জিতেছিল আবাহনী। এনিয়ে টানা তৃতীয়বার এই শিরোপা জিতেছে তারা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিবিসির সম্পাদক হচ্ছেন অ্যাঞ্জেলিনা জোলি

বিদেশের খবর: বিবিসি রেডিওর সম্পাদক হতে যাচ্ছেন হলিউডের নামকরা অভিনেত্রী অ্যাঞ্জেলিনা জোলি। বড়দিনকে সামনে রেখে বিবিসি রেডিও ফোর-এর ‘টুডে’ অনুষ্ঠানটির জন্য অতিথি সম্পাদক হিসেবে কাজ করবেন তিনি।

এ বছর অতিথি সম্পাদক হিসেবে আরও থাকবেন ইতিহাসবিদ অ্যান্ড্রু রবার্ট, ঔপন্যাসিক কামিলা সামসি, নারীবাদী ব্লগার ছিদেরা এগুরে প্রমুখ।

অস্কারজয়ী অভিনেত্রী অ্যাঞ্জেলিনা জোলি জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক বিশেষ দূত। বিভিন্ন মানবিক কাজের জন্য সুপরিচিত তিনি। জোলির এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, ইতিমধ্যে অনুষ্ঠানটির জন্য বিবিসি রেডিওর সাংবাদিকদের সঙ্গে প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছেন তিনি।

জোলি বলেন, ২৮ ডিসেম্বর বিবিসির অতিথি সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করবেন তিনি। এই অনুষ্ঠানে যুদ্ধক্ষেত্রে নারীর প্রতি সহিংসতা এবং বৈশ্বিক শরণার্থী সংকট নিয়ে আলোচনা করতে কয়েকজন শরণার্থী আর যুদ্ধফেরত মানুষকে আমন্ত্রণ জানাবেন তিনি।

বিশেষ দিনগুলোতে অতিথি সম্পাদক হিসেবে বিভিন্ন অঙ্গনের তারকা ও জনপ্রতিনিধিদের আমন্ত্রণ জানায় বিবিসির রেডিও ফোর। তাদের আমন্ত্রণে থাকে শিল্প, ব্যবসা এবং রাজনীতির নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিরাও। খবর: দ্যা গার্ডিয়ান

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নির্বাচন পরিস্থিতি বিশ্লেষণে ঢাকায় আসছেন ইইউ’র দুই বিশেষজ্ঞ

দেশের খবর: ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় নির্বাচন পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করতে আগামী মঙ্গলবার (২৭ নভেম্বর) ঢাকায় আসছেন ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের দুজন নির্বাচন বিশেষজ্ঞ। এসময় তারা প্রধান নির্বাচন কমিশনার কেএম নূরুল হুদা এবং প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন এর সাথে সাক্ষাৎ করবেন।

এছাড়া, পুলিশ মহাপরিদর্শক মোহাম্মাদ জাভেদ পাটোয়ারী, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা এবং জ্যেষ্ঠ রাজনীতিকদের সঙ্গে তারা বৈঠক করবেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

সরকারের একজন কর্মকর্তা বলেন, এবারের নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করতে ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন থেকে কোনও পর্যবেক্ষক আসছে না। বরং এই দুই বিশেষজ্ঞই ব্রাসেলসে ইইউ’র সদর দফতরে তাদের রিপোর্ট জমা দেবেন।’

তিনি বলেন, ‘তাদের এই সফরটি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, তাদের দেওয়া রিপোর্ট বাংলাদেশের সঙ্গে ইইউ’র ভবিষ্যৎ সম্পর্কের ওপরে কিছুটা হলেও প্রভাব রাখবে।’

সরকারের এই কর্মকর্তা আরও জানান, এই বিশেষজ্ঞরা জাতীয় নির্বাচনে কোনও নাক গলাবেন না এবং তারা জনসমক্ষে কোনও মন্তব্য করা থেকেও বিরত থাকবেন বলে আমাদের জানানো হয়েছে। ইইউ দলটি আগামী জানুয়ারি পর্যন্ত বাংলাদেশে থাকবে।

এদিকে, নির্বাচন উপলক্ষে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা তাদের পর্যবেক্ষক পাঠানোর বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এছাড়া, কয়েকটি দেশের দূতাবাস পর্যবেক্ষক হিসেবে তাদেরকে নিবন্ধনের জন্য নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে।

সম্প্রতি পররাষ্ট্রমন্ত্রী এইচ মাহমুদ আলী ঢাকার কূটনীতিকদের পর্যবেক্ষক নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পর্কে অবহিত করেন।

এপর্যন্ত কমনওয়েলথ, সার্ক এবং পশ্চিমা কয়েকটি দেশ নির্বাচন পর্যবেক্ষণের বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

ইসির আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক নীতিমালায় বলা হয়েছে, তারা কমিশনে ই-মেইল বা ফ্যাক্সের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবে। এছাড়া, ঢাকার দূতাবাসগুলো ইমেইল, ফ্যাক্স বা সরাসরি যোগাযোগ করতে পারবে। পর্যবেক্ষকদেরকে তিন সপ্তাহ থেকে দুই মাসের জন্য টুরিস্ট ভিসা প্রদান করা হবে।

উল্লেখ্য, ২০০৮ সালের নির্বাচনে ৫৯৩ জন বিদেশি পর্যবেক্ষক অংশগ্রহণ করেছিলেন। তবে ২০১৪ সালের নির্বাচনে এসংখ্যা ছিল খুবই কম।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলারোয়া মুক্তদিবস পালন উপলক্ষে আলোচনা অনুষ্ঠান

কলারোয়া প্রতিনিধি: ২৩ শে (নভেম্বর) শুক্রবার বিকাল ৪ ঘটিকায় কাজিরহাট মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের অস্থায়ী কার্যালয়ে মুক্তিযোদ্ধা সংসদও মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের যৌথ উদ্দগে ৬ ই ডিসেম্বর কলারোয়া মুক্তদিবস পালন উপলক্ষে আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।আলোচনা অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন কলারোয়া উপজেলার যুদ্ধকালিন কমান্ডার বীরমুক্তিযোদ্ধা আব্দুল গফ্ফার কমান্ডার,বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য দেন কলারোয়া মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার গোলাম মোস্তফা তিনি ৬ই ডিসেম্বর কলারোয়া কি ভাবে পাকহানাদার বাহিনীর কবল থেকে মুক্তি পাই সে সম্পকে আলোচনা করেন। আর ও উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা আকছেদ আলী, ফজলুর রহমান, আইয়ূব আলী,ওমর আলী, শওকত আলী সৈয়দ আলী,আনছার আলী,সাকার হোসেন জাহাঙ্গীর আলম সহ অনেকে মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন সহ-সভাপতি হাসানুরজ্জামান.,ফারুক হোসেন, মিলন হোসেন, কামাল হোসেন, লাল্টু হোসেন,শিক্ষক ফজলুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম লিটন,আশরাফুল আলম,সহ অনেক উক্ত অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন কলারোয়া উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের সভাপতি এ্যাডভকেট আশরাফুল আলম বাবু, অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের সাধারন সম্পাদক মফিজুল ইসলাম লাভলু।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় ভবণ নির্মাণের নামে পুকুর ভরাট, নাগরিক প্রতিবাদ

নিজস্ব প্রতিবেদক: সাতক্ষীরা সদর উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্র ও সিভিল সার্জনের বাসভনের সামনের পুকুরটি ভরাট করে নতুন ভবন নির্মানের পরিকল্পনা করেছে সাতক্ষীর সিভিল সার্জন। কিন্তু সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী পৌরসভার ভিতরে জনস্বার্থে ব্যবহৃত বা ব্যক্তি মালিকানাধীন পুকুর ভরাট করা যাবে না। এই মর্মে প্রজ্ঞাপন জারি করা থাকলেও সরকারের আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে সদর উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রের কর্মকর্তারা পুকুরটি ভরাট করার জন্য ইতিমধ্যে মাটি ফেলে পুকুর ভরাটের কাজ শুরু করেছে। শুক্রবার সকালে নাগরিক আন্দোলন মঞ্চের নেতৃবৃন্দ সরেজমিনে গিয়ে পুকুর ভরাট না করার জন্য ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানকে অনুরোধ জানালেও তারা অনুরোধ উপেক্ষা করে পুকুরটিতে মাটি ফেলছে। এব্যাপারে সাতক্ষীরা নাগরিক আন্দোলন মঞ্চ অবিলম্বে পুকুরের মাটি অপসারণ করে পুকুরটিকে জনস্বার্থে ব্যবহারের জন্য কর্তৃপক্ষের নিকট জোর দাবি জানিয়ে বিবৃতি প্রদান করেন, সাতক্ষীরা জেলা নাগরিক আন্দোলন মঞ্চের আহবায়ক এড. ফাহিমুল হক কিসলু, সদস্য সচিব আলীনুর খান বাবুল, যুগ্ম আহবায়ক সুধাংশু শেখর সরকার, স্বপন কুমার শীল, ওবায়েদুস সুলতান বাবলু, আনোয়ার জাহিদ তপন, কল্যাণ ব্যানার্জী, হাফিজুর রহমান মাসুম, নিত্যনন্দ সরকার, রওনক বাসার প্রমুখ।

বক্তারা জনস্বার্থে ব্যবহৃত ওই পুকুরটি ভরাট বন্ধ করা না হলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা ও তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলার ঘোষণা দেন তারা

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নুরনগরে ব্যাটারি ভ্যান দুর্ঘটনায় শিশুর মৃত্যু

পলাশ দেবনাথ, নুরনগর থেকে: শ্যামনগর উপজেলার নুরনগরের রামজীবনপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে ব্যাটারী চালিত ভ্যান খালে পড়ে গিয়ে শিশু মিম (৫) নিহত হয়েছে। সে রামজীবনপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেনীর ছাত্রী। স্থানীয় সূত্রে জানাযায় গতকাল বিকাল ৪টার দিকে এই দূর্ঘটনা ঘটে। রামজীবনপুর মল্লিক পাড়া গ্রামের মুজিবর মল্লিকের শিশু কন্যা মিম সহ পরিবারের কয়েক জন দাওয়াত বাড়ী থেকে ফিরে আসার সময় উক্ত স্থানে ব্যাটারী চালিত ভ্যান উল্টে খালে পড়ে যায় এসময় ভ্যানের ছাউনির একটি অংশ শিশু মিমের মাথায় ঢুকে যায় এবং ঘটনা স্থলে তার মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছে স্থানীয়রা। দূর্ঘটনার কারন খুঁজতে গিয়ে দেখা গেছে শিশু মিমের চাচাতো ভাই জাহিদুর সে ৫ম শ্রেনীতে পড়ে বয়স ১২বছর সে উক্ত ভ্যান চালাচ্ছিল। এছাড়া শিশুটির মা সহ কয়েক জন কম বেশি আহত হয়েছে বলে জানা গেছে। দূর্ঘটনার পর শ্যামনগর থানা পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনা স্থলে আসে এবং শিশু মিমের লাশ থানায় নিয়ে গেছে বলে জানায় তার পরিবারের সদস্যরা। নুরনগর-শ্যামনগর সড়কে ব্যাটারী চালিত ভ্যান দূর্ঘনায় একাধিক মানুষের প্রান গেলেও প্রসাশনিক কোন প্রকার বাধা না থাকায় অপ্রাপ্ত বয়সের ছেলেদের ব্যাটারী চালিত ভ্যান চালাতে দেখা যায়। এবিষয়ে প্রসাশনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে এলাকাবাসী। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত শিশু মিমের মরদেহ শ্যামনগর থানা পুলিশের হেফাজতে ছিল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিএনপির কথামতো প্রশাসনে রদবদল নয়, ইসিকে ১৪ দল

দেশের খবর: বিএনপির পক্ষ থেকে ৯২ জন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগকে কাল্পনিক ও বাস্তবতা বিবর্জিত বলে দাবি করেছে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪ দল। ক্ষমতাসীন এ জোটের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, বিএনপির এমন কর্মকাণ্ড প্রশাসনকে মানসিকভাবে কোণঠাসা করে নিজেদের সুপ্ত এজেন্ডা বাস্তবায়নের অপকৌশল মাত্র। বিএনপির দাবি অনুযায়ী রদবদল হলে শক্তিশালী প্রশাসনিক কাঠামো দুর্বল হয়ে পড়বে। যার মধ্য দিয়ে বিএনপি ও ঐক্যফ্রন্ট নিজেদের ষড়যন্ত্র বাস্তবায়নের সুযোগ গ্রহণ করতে পারে। বিএনপির কথামতো কোনো পদক্ষেপ গ্রহণের প্রয়োজন আছে বলে ১৪ দল মনে করে না।

শুক্রবার বিকালে সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক শিল্পমন্ত্রী দিলীপ বড়ুয়ার নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) কাছে লিখিতভাবে এ দাবি জানায়। প্রতিনিধি দলে আরো ছিলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, জাতীয় পার্টি-জেপি মহাসচিব শেখ শহীদুল ইসলাম, জাসদ নেতা নাদের চৌধুরী প্রমুখ। ১৪ দলের নেতারা নির্বাচন কমিশনার মো. রফিকুল ইসলাম ও ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদের সঙ্গে সাক্ষাত করেন।

পরে সাংবাদিকদের দিলীপ বড়ুয়া বলেন, এক ঢিলে দুই পাখি শিকারের চেষ্টা করছে বিএনপির নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। তারা একদিকে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। আবার প্রতিদিন নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনের বিরুদ্ধে মনগড়া ও বানোয়াট অভিযোগ করে সংশ্লিষ্টদের মনোবল ভেঙ্গে দেওয়ার অপচেষ্টা করছে, যাতে তারা নিরপেক্ষভাবে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আয়োজন করতে না পারে।

তিনি বলেন, বিএনপি প্রতিনিয়ত নির্বাচনী আইন ও আচরণবিধি লঙ্ঘন করে বক্তব্য রাখছে, অথচ ঐক্যফ্রন্টের প্রধান ড. কামাল হোসেন একজন আইনজ্ঞ হয়েও এ বিষয়ে কিছুই বলছেন না। তার এমন আচরণ দ্বিচারিতা। বিএনপি নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে চায়। অন্যদিকে তাদের গোপন এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে চায়। বিএনপির হিডেন এজেন্ডা কি- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ইসি ও প্রশাসনকে অস্থিতিশীল করতে চায়। একই সঙ্গে নির্বাচনী পরিবেশও অস্থিতিশীল করছে।এরা নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে আবার নির্বাচন বানচালেরও ষড়যন্ত্র করছে।

প্রশাসনে রদবদল সম্পর্কে দিলীপ বড়ুয়া বলেন, সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছাড়া যেন কাউকে বদলি না করা হয় সেজন্য ইসিকে বলা হয়েছে। নির্বাচনকে নিজেদের পক্ষে নেওয়ার জন্য মিডিয়ার মাধ্যমে বিএনপি যুদ্ধ চালাচ্ছে বলে সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেন ১৪ দলের নেতারা।

সিইসি বরাবর লিখিত অভিযোগে বলা হয়, নির্বাচন কমিশনের সচিবসহ প্রশাসনের কয়েকজন পদস্থ কর্মকর্তার শাস্তির দাবিসহ গোটা প্রশাসনে রদবদলের দাবি ষড়যন্ত্র ছাড়া কিছুই না। আসন্ন নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ ও বানচালের ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে রাজনৈতিক ফায়দা গ্রহণের জন্য বিএনপির পক্ষ থেকে এধরণের বাস্তবতা বিবর্জিত দাবি উত্থাপন করা হচ্ছে।

বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাতকার গ্রহণ সংক্রান্ত ১৪ দলের অভিযোগে বলা হয়, সংবিধান অনুযায়ী দণ্ডপ্রাপ্ত কোনো আসামি দেশের সর্বোচ্চ আইন প্রণয়নকারী প্রতিষ্ঠান মহান জাতীয় সংসদের সদস্য পদ প্রার্থীদের বাছাই করতে পারেন না। যা সংবিধানের প্রতি চরম অবমাননা ও জাতীয় সংসদ নির্বাচন সংক্রান্ত রাষ্ট্রীয় বিধি বিধান পরিপন্থী। বিএনপির এই কর্মকাণ্ডকে বেআইনি দাবি করে দলটির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি করা হয় ক্ষমতাসীন জোটের পক্ষ থেকে।

অপর এক অভিযোগে বলা হয়, বিএনপি ও ঐক্যফ্রন্ট নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার অভিপ্রায়ে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টির অভিপ্রায়ে গণমাধ্যমে লাগাতার মিথ্যাচার ও হুমকি-ধমকি দিয়ে যাচ্ছেন। জাতীয় ঐকফ্রন্টের ভোটকেন্দ্র পাহারা দেওয়ার আহ্বান মূলত অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন ব্যাহত করে সংঘাতপূর্ণ পরিস্থিতি সৃষ্টির ষড়যন্ত্র। এধরণের বক্তব্যদাতাদের সতর্ক করার জন্য ইসির প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ১৪ দল।

ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে সুপ্রিম কোর্টে আচরণবিধি লঙ্ঘন করে ঐক্যফ্রন্ট নির্বাচনী প্রচার চালিয়েছে বলেও সিইসির কাছে লিখিত অভিযোগ করে প্রতিনিধি দল। ওই সভায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমান এবং বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিও উচ্চ আদালতের রায়ের লঙ্ঘন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

১৪ দলের অভিযোগে আরও বলা হয়, স্বাধীনতাবিরোধী জামায়াতের নির্বাচনে অংশগ্রহণের খবর দেশবাসীর মধ্যে আতঙ্ক ও চরম ভীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করে। এ ব্যাপারে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ইসির প্রতি আহ্বান জানান ১৪ দল নেতারা। লিখিত অভিযোগে সংখ্যালঘুদের নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ নিশ্চিতের জন্য ইসির দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়।

এছাড়া নির্বাচন পর্যবেক্ষণের নামে দেশে-বিদেশি প্রতিষ্ঠানের পর্যবেক্ষকরা যাতে পক্ষাবলম্বন করতে না পারে সে ব্যাপারে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে রিটার্নিং অফিসাররা সভা করেছেন বলে বিএনপি যে অভিযোগ করা হয়েছে তা অস্বীকার করা হয়েছে ১৪ দলের পক্ষ থেকে। বিএনপির এ অভিযোগ বিভ্রান্তি ছড়ানোর উদ্দেশ্যে এবং ষড়যন্ত্রমূলক বলে ক্ষমতাসীনদের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest