সর্বশেষ সংবাদ-
নক্ষত্রের অভিবাদন: শ্যামনগরে ১০ গুণী ব্যক্তিকে সংবর্ধনাসাংবাদিক পুত্র কাজী ফাহিমের অতুলনীয় সাফল্য : প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের অভিনন্দনসাতক্ষীরায় জলবায়ু-বাস্তুচ্যুত মানুষের আবাসন, খাদ্য ও পুষ্টি অধিকার নিশ্চিতে ১১ দফা দাবিসাতক্ষীরার সাংবাদিকপুত্র কাজী ফাইম আব্দুল্লাহর এইচএসসিতে গোল্ডেন এ-প্লাস অর্জনসাতক্ষীরায় নির্মাণাধীন ভবনের সাব-কন্টাক্টরের কাছে চাঁদা দাবি : থানায় অভিযোগতালায় আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা: সার সংকট, মাটি কাটা ও বালু উত্তোলন বন্ধে গুরুত্বারোপদেবহাটায় শিশুদের প্রারম্ভিক বিকাশে খেলাভিত্তিক সেশন পরিদর্শনসাতক্ষীরায় আবাসিক হোটেল-রেস্তোরাঁ – বেকারি ব্যবস্থাপনা বিষয়ক মতবিনিময়সাতক্ষীরায় মোজাম্মেল মিস্ত্রী হ%ত্যা মামলার দুই প্রধান আসামি সিলেটে গ্রেফতারশ্যামনগরে সুন্দরবনের বনদস্যু নির্মূলে মানববন্ধন

মৃত মায়ের সঙ্গে শ্মশানে সেলফি ছেলের, সমালোচনার ঝড়

বিদেশের খবর: মৃত মাকে নিয়ে গেছেন সৎকার করাতে শ্মশানে। সেখানে সৎকারের জন্য শোয়ানো মায়ের সঙ্গে সেলফি তুললেন ছেলে। সেটি আবার পোস্ট করেন সোশ্যাল মিডিয়াতে। এমন কাণ্ডে ব্যাপক সমালোচনার ঝড় উঠেছে।

এমন ঘটনা ঘটেছে ভারতের পশ্চিম মেদিনীপুরের দাসপুরে। মৃত মায়ের সঙ্গে সেলফি তোলা ব্যক্তির নাম গনেশ দাস। গণেশ দাস সোনার গয়না তৈরির কারিগর। কাজের জন্য থাকেন অন্য অঞ্চলে। মায়ের মৃত্যু সংবাদ শুনে ছুটে আসেন গ্রামে। কিন্তু ততক্ষণে মায়ের লাশ শ্মশানে নিয়ে তার অন্য দুই ভাই ও বোন। লাশ দাহ করার জন্য তোলা হয় খাটিয়াতে। তড়িঘড়ি করে শ্মশানে পৌঁছেই খাটিয়াতে রাখা মায়ের লাশের সঙ্গে সেলফি তুলেন গনেশ।
এমন সেলফি সোশ্যাল মাধ্যমে পোস্ট করার পর মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায়। একের পর নেতিবাচক মন্তব্য করেন সবাই গণেশের পোস্টে। অনেকে লিখেছেন, কেবল বিকৃত মানসিকতার লোকের পক্ষে এমন কাজ সম্ভব। কেউ লিখেছেন, মানুষ দিন দিন অসামাজিক হয়ে যাচ্ছে।
তবে গণেশের ভাষ্য, মাকে তিনি অনেক ভালোবাসেন। সেই ভালবাসার কারণেই তিনি মার সঙ্গে ওই ছবি তুলেছেন স্মৃতি হিসাবে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সেলফি তুলতে তুলতে অনেকে যে মানসিক রোগী হয়েছে তার অন্যতম উদাহরণ এটি। তথ্য সূত্র: আনন্দবাজার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিক্রমাসিংহেকে প্রধানমন্ত্রীর পদে পুনর্বহালে প্রেসিডেন্টের অসম্মতি

বিদেশের খবর: শ্রীলঙ্কার বরখাস্তকৃত প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমাসিংহেকে স্বপদে পুনর্বহালে অসম্মতি জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মাইথ্রিপালা সিরিসেনা। রবিবার (২৫ নভেম্বর) এক সংবাদ সম্মেলনে এ অসম্মতি জানান তিনি।

সিরিসেনা বলেন, ‘আমি জীবনেও বিক্রমাসিংহেকে প্রধানমন্ত্রী পদে নিয়োগ দেবো না। আমি তাদের বলেছি, যদি তারা সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করতেও পারে তাহলেও যেন তারা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বিক্রমাসিংহের নাম প্রস্তাব না করে। কারণ আমি তাকে প্রধানমন্ত্রী পদে নিয়োগ দেবো না।’

প্রেসিডেন্টের দাবি, দুর্নীতি বৃদ্ধি পাওয়া ও নীতি প্রণয়নগত বিষয়ের বিরোধের জেরে তিনি বিক্রমাসিংহেকে বরখাস্ত করে চীনপন্থি মাহিন্দ্র রাজাপাকসেকে নিয়োগ দিয়েছেন। রনিল বিক্রমাসিংহের আমলে হওয়া দুর্নীতির বিষয়ে তদন্ত করতে একটি কমিশন গঠন করবেন বলেও জানিয়েছেন তিনি। বার্তা সংস্থা রয়টার্স- এর এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, শ্রীলঙ্কার সংবিধান অনুযায়ী সিরিসেনা এমন কাউকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দিতে পারবেন যার সংখ্যাগরিষ্ঠ সংসদ সদস্যের সমর্থন আছে। এটা স্পষ্ট নয় যে ঠিক কোন ক্ষমতা বলে তিনি বিক্রমাসিংহেকে বরখাস্ত করে রেখেছেন।

এদিকে, প্রেসিডেন্টের বক্তব্যের তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় ইউএনপি’র মুখপাত্র হর্ষ ডি সিলভা, কমিশন গঠনের প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়ে সিরিসেনার বিরুদ্ধে হওয়া হত্যা এবং দুর্নীতি মামলার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য, গত ২৬ অক্টোবর রনিল বিক্রমাসিংহেকে বরখাস্ত কোরে সাবেক প্রেসিডেন্ট রাজাপাকসেকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেন মাইথ্রিপালা সিরিসেনা। এরপর থেকেই দেশটির রাজনীতিতে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
রাজধানীতে ৮ জেএমবি গ্রেফতার

দেশের খবর: রাজধানীর বিভিন্ন স্থান থেকে নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন জেএমবির ৮ সক্রিয় কর্মীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশের এলিট ফোর্স র‌্যাব। তারা সবাই নিষিদ্ধ এই জঙ্গি সংগঠনটির র‌্যাডিকেল ইয়ুথ গ্রুপের সদস্য।
রবিবার (২৫ নভেম্বর) দিনগত রাতে র‌্যাব-১ ও র‌্যাব-২ যৌথ অভিযান পরিচালনা করে রাজধানীর কলাবাগান, বসুন্ধরা ও মোহাম্মদপুর এলাকা হতে তাদের গ্রেফতার করে। এ সময় তাদের কাছ থেকে উগ্রবাদী বই ও ল্যাপটপ জব্দ করা হয়।
র‌্যাব সদর দফতরের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের সহকারি পরিচালক এএসপি মিজানুর রহমান জানান, আজ (সোমবার) বেলা ১১টায় কারওয়ান বাজার র‌্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানানো হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মহাজোটের প্রার্থীর তালিকা ঘোষণা বিকালে

দেশের খবর: মহাজোটের প্রার্থী তালিকা আজ সোমবার বিকালে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হবে। বিকাল সাড়ে ৩টায় জোটগত প্রার্থী ঘোষণা করা হবে। জোটের শরিকদের জন্য ৬০ থেকে ৭০টি আসন ছেড়ে দেয়া হয়েছে।
আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমণ্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে রোববার সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান দলের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। এর আগে দলীয় প্রার্থীদের হাতে রোববার মনোনয়নপত্র তুলে দিয়েছে আওয়ামী লীগ।

সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘সোমবার বেলা সাড়ে ৩টায় জোটগত প্রার্থী ঘোষণা করা হবে। জোটের শরিকদের জন্য ৬০ থেকে ৭০টি আসন ছেড়ে দেয়া হয়েছে।’
ঠিক কতটি আসন এবং কোন দলকে কতটি আসন দেয়া হয়েছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমি জানি কতটি আসন, কিন্তু বলব না। কাল (আজ) আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়া হবে। তবে জোটের আসন ৭০টির বেশি হবে না।’

ওবায়দুল কাদের বলেন, যারা চিঠি (মনোনয়নপত্র) নিচ্ছেন, ‘প্রত্যেকের সই করা উইথড্রয়াল লেটার আছে। আজকে যারা চিঠি নিয়ে যাচ্ছেন, প্রয়োজন হলে সেখান থেকেও শরিকদের আসন ছেড়ে দেয়া হবে।’

তিনি বলেন, ‘কোনো কোনো আসনে মনোনয়নের চিঠি দুটিও দেয়া হয়েছে। এটি টেকনিক্যাল কারণে। সময় ও পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রার্থী বদলাতেও হতে পারে। অন্য প্রার্থী বেশি শক্তিশালী হলে দলের প্রার্থী বিবেচনা করা হবে।’

মনোনয়ন না পাওয়া নিয়ে তৃণমূলে নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হবে কিনা এমন প্রশ্নের উত্তরে ওবায়দুল কাদের বলেন, বিক্ষুব্ধ হতেই পারেন। তবে আমাদের কাছে সার্জারিও আছে, মেডিসিনও আছে। হোমিওপ্যাথি আছে অ্যালোপ্যাথিও আছে।

বিএনপির সমালোচনা করে ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করে ঘোলা পানিতে মাছ ধরতে চাইছে বলেই পুলিশ প্রশাসন নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ করে যাচ্ছে। বিএনপির পরাজয়ের শুধু আনুষ্ঠানিক ঘোষণা বাকি। নির্বাচনে হেরে যাবে বলে পুলিশ, প্রশাসন, ইসি সবাইকে টার্গেট করছে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও ছিলেন আওয়ামী লীগ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, উপ-দফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেলেন যারা

দেশের খবর: আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ২৩০ প্রার্থীর তালিকা চূড়ান্ত করেছে আওয়ামী লীগ। রোববার বঙ্গবন্ধু এভিনিউর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে তাদের হাতে দলের মনোনয়ন পাওয়ার চিঠি তুলে দেওয়া হয়।
অবশ্য এই চিঠিকে অনানুষ্ঠানিক জানিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, এই চিঠি চূড়ান্ত কিছু নয়। সোমবার আনুষ্ঠানিকভাবে দলের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করার কথা রয়েছে।

আওয়ামী লীগের মনোনয়নের চিঠি পাওয়া প্রার্থীরা হলেন:
রংপুর বিভাগ: পঞ্চগড়-১ মোজাহারুল হক প্রধান, পঞ্চগড়-২ অ্যাডভোকেট নূরুল ইসলাম সুজন, ঠাকুরগাঁও-১ রমেশ চন্দ্র সেন, ঠাকুরগাঁও-২ দবিরুল ইসলাম, দিনাজপুর-১ মনোরঞ্জন শীল গোপাল, দিনাজপুর-২ খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, দিনাজপুর-৩ ইকবালুর রহিম বাবু, দিনাজপুর-৪ আবুল হাসান মাহমুদ আলী, দিনাজপুর-৫ অ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার, দিনাজপুর-৬ শিবলী সাদিক, নীলফামারী-১ আফতাব উদ্দিন সরকার, নীলফামারী-২ আসাদুজ্জামান নূর, নীলফামারী-৩ অধ্যাপক গোলাম মোস্তফা, লালমনিরহাট-১ মোতাহার হোসেন, লালমনিরহাট-২ নুরুজ্জামান আহমেদ, রংপুর-৪ টিপু মুনশি, রংপুর-৫ এইচ এন আশিকুর রহমান, রংপুর-৬ শেখ হাসিনা, গাইবান্ধা-২ মাহাবুব আরা বেগম গিনি, গাইবান্ধা-৩ ডা. ইউনুস আলী সরকার, গাইবান্ধা-৪ প্রকৌশলী মনোয়ার হোসেন চৌধুরী, গাইবান্ধা-৫ অ্যাডভোকেট ফজলে রাব্বী মিয়া।

রাজশাহী বিভাগ: জয়পুরহাট-১ শামসুল আলম দুদু, জয়পুরহাট-২ আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, বগুড়া-১ আবদুল মান্নান, বগুড়া-৫ হাবিবুর রহমান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ ডা. সামিল উদ্দিন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ জিয়াউর রহমান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আবদুল ওদুদ, নওগাঁ-১ সাধন চন্দ্র মজুমদার, নওগাঁ-২ শহীদুজ্জামান সরকার, নওগাঁ-৩ ছলিম উদ্দীন তরফদার, নওগাঁ-৪ ইমাজ উদ্দিন প্রামাণিক, নওগাঁ-৫ নিজাম উদ্দিন জলিল জন, নওগাঁ-৬ ইসরাফিল আলম, রাজশাহী-১ ওমর ফারুক চৌধুরী, রাজশাহী-৩ আয়েন উদ্দিন, রাজশাহী-৪ প্রকৌশলী এনামুল হক, রাজশাহী-৫ ডা. মনসুর রহমান, রাজশাহী-৬ শাহরিয়ার আলম, নাটোর-১ শহিদুল ইসলাম বকুল, নাটোর-২ শফিকুল ইসলাম শিমুল, নাটোর-৩ অ্যাডভোকেট জুনাইদ আহমেদ পলক, নাটোর-৪ অধ্যাপক আবদুল কুদ্দুস, সিরাজগঞ্জ-১ মোহাম্মদ নাসিম, সিরাজগঞ্জ-২ অধ্যাপক ডা. হাবিবে মিল্লাত মুন্না, সিরাজগঞ্জ-৩ ডা. আবদুর আজিজ, সিরাজগঞ্জ-৪ তানভীর ইমাম, সিরাজগঞ্জ-৫ আবদুল মমিন মণ্ডল, সিরাজগঞ্জ-৬ হাসিবুর রহমান স্বপন, পাবনা-১ অ্যাডভোকেট শামসুল হক টুকু, পাবনা-২ আহমেদ ফিরোজ কবির, পাবনা-৩ মকবুল হোসেন, পাবনা-৪ শামসুর রহমান শরীফ ডিলু, পাবনা-৫ গোলাম ফারুক প্রিন্স।

খুলনা বিভাগ: মেহেরপুর-১ ফরহাদ হোসেন দোদুল, মেহেরপুর-২ সাইদুজ্জামান খোকন, কুষ্টিয়া-১ সারওয়ার জাহান বাদশা, কুষ্টিয়া-৩ মাহবুবউল আলম হানিফ, কুষ্টিয়া-৪ ব্যারিস্টার সেলিম আলতাফ জর্জ, চুয়াডাঙ্গা-১ সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার ছেলুন, চুয়াডাঙ্গা-২ আলী আজগার টগর, ঝিনাইদহ-১ আবদুল হাই, ঝিনাইদহ-২ তাহজীব আলম সিদ্দিকী সমি, ঝিনাইদহ-৩ সফিকুল আজম খান চঞ্চল, ঝিনাইদহ-৪ আনোয়ারুল আজীম আনার, যশোর-১ শেখ আফিল উদ্দিন, যশোর-২ মেজর জেনারেল (অব.) ডা. নাসির উদ্দিন, যশোর-৩ কাজী নাবিল আহমেদ, যশোর-৪ রণজিত কুমার রায়, যশোর-৫ স্বপন ভট্টাচার্য্য, যশোর-৬ ইসমাত আরা সাদেক, মাগুরা-১ অ্যাডভোকেট সাইফুজ্জামান শিখর, মাগুরা-২ বীরেন শিকদার, নড়াইল-২ মাশরাফি বিন মুর্তজা, বাগেরহাট-১ শেখ হেলাল উদ্দিন, বাগেরহাট-২ শেখ ফারহান নাসের তন্ময়, বাগেরহাট-৩ হাবিবুন্নাহার তালুকদার, বাগেরহাট-৪ ডা. মোজাম্মেল হোসেন, খুলনা-১ পঞ্চানন বিশ্বাস, খুলনা-২ শেখ সালাহ উদ্দিন জুয়েল, খুলনা-৩ মন্নুজান সুফিয়ান, খুলনা-৪ আবদুস সালাম মুর্শেদী, খুলনা-৫ নারায়ণ চন্দ্র চন্দ, খুলনা-৬ আখতারুজ্জামান বাবু, সাতক্ষীরা-২ মীর মোস্তাক আহমেদ রবি, সাতক্ষীরা-৩ অধ্যাপক ডা. আ ফ ম রুহুল হক, সাতক্ষীরা-৪ এস এম জগলুল হায়দার।

বরিশাল বিভাগ: বরগুনা-১ অ্যাডভোকেট ধীরেন্দ্র চন্দ্র দেবনাথ শম্ভু/জাহাঙ্গীর কবির, বরগুনা-২ শওকত হাচানুর রহমান রিমন, পটুয়াখালী-১ শাহজাহান মিয়া, পটুয়াখালী-২ আ স ম ফিরোজ/খন্দকার শামসুল হক, পটুয়াখালী-৩ এস এম শাহজাদা সাজু, পটুয়াখালী-৪ মহিব্বর রহমান, ভোলা-১ তোফায়েল আহমেদ, ভোলা-২ আলী আজম মুকুল, ভোলা-৩ নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন, ভোলা-৪ আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব, বরিশাল-১ আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ, বরিশাল-২ অ্যাডভোকেট তালুকদার মোহাম্মদ ইউনুস, বরিশাল-৪ পংকজ দেবনাথ, বরিশাল-৫ কর্নেল (অব.) জাহিদ ফারুক শামীম, ঝালকাঠি-১ বজলুল হক হারুন, ঝালকাঠি-২ আমির হোসেন আমু, পিরোজপুর-১ অ্যাডভোকেট শ ম রেজাউল করিম।

ঢাকা বিভাগ: টাঙ্গাইল-১ ড. আবদুর রাজ্জাক ভোলা, টাঙ্গাইল-২ তানভীর হাসান ছোট মনির, টাঙ্গাইল-৩ আতাউর রমান খান, টাঙ্গাইল-৪ হাসান ইমাম খান সোহেল হাজারী, টাঙ্গাইল-৫ ছানোয়ার হোসেন, টাঙ্গাইল-৬ আহসানুল ইসলাম টিটু, টাঙ্গাইল-৭ একাব্বর হোসেন, টাঙ্গাইল-৮ অ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম জোয়াহের, কিশোরগঞ্জ-১ সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম/মশিউর রহমান হুমায়ুন, কিশোরগঞ্জ-২ নূর মোহাম্মদ, কিশোরগঞ্জ-৪ রেজুওয়ান আহমেদ তৌফিক, কিশোরগঞ্জ-৫ আফজাল হোসেন, কিশোরগঞ্জ-৬ নাজমুল হাসান পাপন, মানিকগঞ্জ-১ এ এম নাঈমুর রহমান দুর্জয়, মানিকগঞ্জ-২ মমতাজ বেগম, মানিকগঞ্জ-৩ জাহিদ মালেক স্বপন, মুন্সীগঞ্জ-২ সাগুফতা ইয়াসমীন এমিলি, মুন্সীগঞ্জ-৩ অ্যাডভোকেট মৃণাল কান্তি দাস, ঢাকা-১ সালমান এফ রহমান, ঢাকা-২ অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, ঢাকা-৩ নসরুল হামিদ বিপু, ঢাকা-৫ হাবিবুর রহমান মোল্লা/কাজী মনিরুল ইসলাম মনু, ঢাকা-৭ হাজি মোহাম্মদ সেলিম/আবুল হাসনাত, ঢাকা-৯ সাবের হোসেন চৌধুরী, ঢাকা-১০ ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস, ঢাকা-১১ এ কে এম রহমতুল্লাহ, ঢাকা-১২ আসাদুজ্জামান খান কামাল, ঢাকা-১৩ সাদেক খান, ঢাকা-১৪ আসলামুল হক আসলাম, ঢাকা-১৫ কামাল আহমেদ মজুমদার, ঢাকা-১৬ ইলিয়াস উদ্দিন মোল্লাহ, ঢাকা-১৭ আকবর হোসেন পাঠান ফারুক, ঢাকা-১৮ অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন, ঢাকা-১৯ ডা. এনামুর রহমান, ঢাকা-২০ বেনজির আহমেদ, গাজীপুর-১ আ ক ম মোজাম্মেল হক, গাজীপুর-২ জাহিদ আহসান রাসেল, গাজীপুর-৩ ইকবাল হোসেন সবুজ, গাজীপুর-৪ সিমিন হোসেন রিমি, গাজীপুর-৫ মেহের আফরোজ চুমকি, নরসিংদী-১ লে. কর্নেল (অব.) নজরুল ইসলাম হিরু বীরপ্রতীক, নরসিংদী-২ ডা. আনোয়ারুল আশরাফ খান দিলীপ, নরসিংদী-৩ জহিরুল হক ভূঁইয়া মোহন, নরসিংদী-৪ অ্যাডভোকেট নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন, নরসিংদী-৫ রাজিউদ্দিন আহমেদ রাজু, নারায়ণগঞ্জ-১ গোলাম দস্তগীর গাজী বীরপ্রতীক, নারায়ণগঞ্জ-২ নজরুল ইসলাম বাবু, নারায়ণগঞ্জ-৪ একেএম শামীম ওসমান, রাজবাড়ী-১ কাজী কেরামত আলী, রাজবাড়ী-২ জিল্লুল হাকিম, ফরিদপুর-১ মঞ্জুর হোসেন বুলবুল, ফরিদপুর-৩ খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ফরিদপুর-৪ কাজী জাফর উল্লাহ, গোপালগঞ্জ-১ লে. কর্নেল (অব.) ফারুক খান, গোপালগঞ্জ-২ শেখ ফজলুল করিম সেলিম, গোপালগঞ্জ-৩ শেখ হাসিনা, মাদারীপুর-১ নূর-ই-আলম চৌধুরী লিটন, মাদারীপুর-২ শাজাহান খান, মাদারীপুর-৩ ড. আবদুস সোবহান গোলাপ, শরীয়তপুর-১ ইকবাল হোসেন অপু, শরীয়তপুর-২ এ কে এম এনামুল হক শামীম, শরীয়তপুর-৩ নাহিম রাজ্জাক।

ময়মনসিংহ বিভাগ: জামালপুর-১ আবুল কালাম আজাদ/নুর মোহাম্মদ, জামালপুর-২ ফরিদুল হক খান দুলাল, জামালপুর-৩ মির্জা আজম, জামালপুর-৪ ডা. মুরাদ হাসান, জামালপুর-৫ রেজাউল করিম হিরা/ইঞ্জিনিয়ার মোজাফফর হোসেন. শেরপুর-১ আতিউর রহমান আতিক, শেরপুর-২ মতিয়া চৌধুরী, শেরপুর-৩ এ কে এম ফজলুল হক চান, ময়মনসিংহ-১ জুয়েল আরেং, ময়মনসিংহ-২ শরীফ আহমেদ, ময়মনসিংহ-৩ নাজিম উদ্দিন আহমেদ, ময়মনসিংহ-৬ অ্যাডভোকেট মোসলেম উদ্দিন, ময়মনসিংহ-৭ রুহুল আমিন মাদানী, ময়মনসিংহ-৯ আনোয়ারুল আবেদীন খান তুহিন, ময়মনসিংহ-১০ ফাহমী গোলন্দাজ বাবেল, ময়মনসিংহ-১১ কাজিম উদ্দিন আহমেদ ধনু, নেত্রকোনা-১ মানু মজুমদার, নেত্রকোনা-২ আশরাফ আলী খান খসরু, নেত্রকোনা-৩ অসীম কুমার উকিল, নেত্রকোনা-৪ রেবেকা মমিন, নেত্রকোনা-৫ ওয়ারেসাত হোসেন বেলাল।

সিলেট বিভাগ: সুনামগঞ্জ-১ ইঞ্জিনিয়ার মোয়াজ্জেম হোসেন রতন, সুনামগঞ্জ-২ জয়া সেনগুপ্তা, সুনামগঞ্জ-৩ এম এ মান্নান, সুনামগঞ্জ-৫ মুহিবুর রহমান মানিক, সিলেট-১ এ কে আবদুল মোমেন, সিলেট-৩ মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী কয়েস, সিলেট-৪ ইমরান আহমদ, সিলেট-৫ হাফিজ আহমেদ মজুমদার, সিলেট-৬ নুরুল ইসলাম নাহিদ, মৌলভীবাজার-১ শাহাব উদ্দিন, মৌলভীবাজার-৩ নেসার আহমেদ, মৌলভীবাজার-৪ উপাধ্যক্ষ আব্দুস শহীদ, হবিগঞ্জ-২ অ্যাডভোকেট আব্দুল মজিদ খান, হবিগঞ্জ-৩ অ্যাডভোকেট আবু জাহির, হবিগঞ্জ-৪ অ্যাডভোকেট মাহবুব আলী।

চট্টগ্রাম বিভাগ: ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ বদরুদ্দোজা মোহাম্মদ ফরহাদ হোসেন সম্রাট, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ অ্যাডভোকেট আনিসুল হক, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ এবাদুল করিম বুলবুল, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ ক্যাপ্টেন (অব.) এ বি তাজুল ইসলাম, কুমিল্লা-১ মেজর জেনারেল (অব.) সুবিদ আলী ভূঁইয়া, কুমিল্লা-২ সেলিমা আহমেদ মেরি, কুমিল্লা-৩ ইউসুফ আবদুল্লাহ হারুন, কুমিল্লা-৪ রাজী মোহাম্মদ ফখরুল মুন্সী, কুমিল্লা-৫ অ্যাডভোকেট আব্দুল মতিন খসরু, কুমিল্লা-৬ আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহার, কুমিল্লা-৭ অধ্যাপক আলী আশরাফ, কুমিল্লা-৯ তাজুল ইসলাম, কুমিল্লা-১০ আ হ ম মুস্তফা কামাল লোটাস, কুমিল্লা-১১ মুজিবুল হক, চাঁদপুর-১ ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর/গোলাম হোসেন, চাঁদপুর-২ মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীরবিক্রম, চাঁদপুর-৩ ডা. দীপু মনি, চাঁদপুর-৪ ড. শামসুল হক ভূঁইয়া, চাঁদপুর-৫ মেজর (অব.) রফিকুল ইসলাম বীরউত্তম, ফেনী-২ নিজাম উদ্দিন হাজারী, নোয়াখালী-১ এইচ এম ইব্রাহিম, নোয়াখালী-২ মোরশেদ আলম, নোয়াখালী-৩ মামুনুর রশীদ কিরণ, নোয়াখালী-৪ একরামুল করিম চৌধুরী, নোয়াখালী-৫ ওবায়দুল কাদের, নোয়াখালী-৬ আয়েশা ফেরদাউস, লক্ষ্মীপুর-৩ এ কে এম শাহজাহান কামাল/গোলাম ফারুক, চট্টগ্রাম-১ ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, চট্টগ্রাম-৩ মাহফুজুর রহমান মিতা, চট্টগ্রাম-৪ দিদারুল আলম, চট্টগ্রাম-৬ এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরী, চট্টগ্রাম-৭ ড. হাছান মাহমুদ, চট্টগ্রাম-৯ ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, চট্টগ্রাম-১০ ডা. আফছারুল আমিন, চট্টগ্রাম-১২ সামসুল হক চৌধুরী, চট্টগ্রাম-১৩ সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ, চট্টগ্রাম-১৪ নজরুল ইসলাম চৌধুরী, চট্টগ্রাম-১৫ অধ্যাপক ড. আবু রেজা মুহাম্মদ নেজাম উদ্দিন নদভী, চট্টগ্রাম-১৬ মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী, কক্সবাজার-১ জাফর আলম, কক্সবাজার-২ আশেক উল্লাহ রফিক, কক্সবাজার-৪ শাহীন আক্তার চৌধুরী, খাগড়াছড়ি কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা, রাঙামাটি দীপংকর তালুকদার এবং বান্দরবান আসনে বীর বাহাদুর উশৈ সিং।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাজেদা চৌধুরীকে মনোনয়ন না দেওয়ায় ফরিদপুরে বিক্ষোভ

দেশের খবর: ফরিদপুর-২ (নগরকান্দা-সালথা) আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য, আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য, সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীকে মনোনয়ন না দেওয়ায় রোববার বিকেল থেকে মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা।
আওয়ামী লীগের মনোনয়ন মহাজোটের প্রার্থী জাকের পার্টির চেয়ারম্যান পীরজাদা মোস্তফা আমীর ফয়সালকে মনোনয়ন দেওয়ার খবর নগরকান্দা-সালথায় প্রচার হলে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে।
এ সময় কয়েক হাজার বিক্ষুব্ধ নেতা-কর্মী ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের চরযশোরদী ইউনিয়নের জয়বাংলা নামক স্থানে মহাসড়ক অবরোধ করেন। বিকেল ৫টা থেকে হাজার হাজার নেতা-কর্মী মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ মিছিল করতে থাকেন। এতে ছিলেন চরযশোরদী ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান আরিফুর রহমান পথিক, কাইচাইল ইউপি চেয়ারম্যান কবির হোসেন ঠান্ডু, বল্লভদী ইউপি চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম ও তাঁদের সমর্থকরা। এ সময় তাঁরা সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীকে মনোনয়ন দেওয়ার দাবি জানিয়ে নানা স্লোগান দেন।

বিক্ষুব্ধ নেতারা জানান, সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীকে ছাড়া ফরিদপুর-২ আসনে অন্য কাউকে মনোনয়ন দেওয়া হলে তা মেনে নেওয়া হবে না। প্রয়োজন লাগাতার মহাসড়ক অবরোধ ও হরতাল দিয়ে এ অঞ্চল অচল করে দেওয়া হবে। বক্তারা আরো বলেন, আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীকে বাদ দিয়ে জাকের পার্টির চেয়ারম্যানকে এ আসনে মহাজোটের প্রার্থী করা হলে তাঁকে মেনে নেওয়া হবে না।

এদিকে অবরোধের ফলে ঢাকা-গোপালগঞ্জ সড়কের দুই পাশে কয়েক হাজার যানবাহন আটকা পড়ে। রাত ৮টার দিকে সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর ছোট ছেলে শাহদাব আকবর চৌধুরী লাবু ঘটনাস্থলে পৌঁছালে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় আওয়ামী লীগ থেকে সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীকে মনোনয়ন দেওয়ার দাবি জানানো হয়, অন্যথায় বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে বলে হুমকি দেওয়া হয়।
সমাবেশ শেষে অবরোধ তুলে নেওয়া হয়। আজ সকালেও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালনের কথা রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
গোপনে মনোনীতদের চিঠি দেয়া শুরু করেছে বিএনপি

দেশের খবর: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলের মনোনীতদের চিঠি বিতরণ শুরু করেছে বিএনপি। রোববার দিনগত রাতে অনেকটা গোপনীতার মধ্য দিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশান কার্যালয় থেকে এ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আজ সোমবারও চলবে মনোনয়নের চিঠি বিতরণ কার্যক্রম এবং আগামীকাল মঙ্গলবার চূড়ান্ত প্রার্থীদের আংশিক তালিকা প্রকাশ করবে দলটি। বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী এবং সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।
তারা জানান, রোববার রাতে বেশ কয়েকজনের হাতে দলীয় মনোনয়নের চিঠি তুলে দিয়েছে বিএনপি। তাদের মধ্যে ঝালকাঠি-২ আসনের মনোনয়নের চিঠি পেয়েছেন ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো।

গাজীপুর-৪ আসনের বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী শাহ রিয়াজুল হান্নান জানান, দলীয় মনোনয়নের চিঠি নেওয়ার জন্য তাকে বিএনপির গুলশান কার্যালয় থেকে ফোন করা হয়েছে। সোমবার দুপুর ১টার মধ্যে সেখানে থাকতে বলা হয়েছে।

গুলশান কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপির পক্ষ থেকে আসন প্রতি একাধিক প্রার্থীকে দলীয় মনোনয়নের চিঠি দেয়া হবে। একই সাথে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের সইও রাখা হবে। সম্ভাব্য প্রার্থীরা ওই চিঠিসহ মনোনয়নপত্র দাখিল করবেন। পরে দলের পক্ষ থেকে আরেকটি চূড়ান্ত চিঠি দেয়া হবে। দলীয় প্রার্থীর প্রতীক সংক্রান্ত চিঠির একটি কপি ঢাকায় নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে জমা দেয়া হবে। আরেকটি কপি ফ্যাক্সে বা বিশেষ বার্তা বাহকের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীকে পাঠানো হবে। তিনি ওই চিঠি নিয়ে জেলা নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে জমা দেবেন।

তবে বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস উইং সদস্য শামসুদ্দিন দিদার এবং শায়রুল কবীর খান বিষয়টি এড়িয়ে যান। বলেন, ‘চিঠি দেয়া হতে পারে।’

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপির এক নেতা বলেন, প্রার্থী চূড়ান্তের ক্ষেত্রে বিএনপির যে সতর্কতা অবলম্বন করা দরকার সেটাই করা হচ্ছে। আওয়ামী লীগ যাদের প্রার্থী ঘোষণা করছে তাদের নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ হচ্ছে। এবার বিএনপির একই পরিবারের দু’জন মনোনয়ন পাবেন না। এখনই চূড়ান্ত প্রার্থী ঘোষণা হচ্ছে না। প্রত্যেক আসনেই বিকল্প প্রার্থী রাখা হচ্ছে।

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী বলেন, নির্বাচন কমিশনের দেয়া সময় অনুযায়ী প্রার্থী ঘোষণা করা হবে।
দলের যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেন, মঙ্গল অথবা বুধবার প্রার্থীর চূড়ান্ত তালিকা ঘোষণা করা হবে। দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ছাড়া কেউ দুই আসনে এবার মনোনয়ন পাবেন না।
স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র বলেন, প্রার্থীর তালিকা চূড়ান্ত করতে আমরা কাজ করছি। চলতি সপ্তাহের যেকোনো দিন তালিকা চূড়ান্ত করে প্রকাশ করা হবে।

উল্লেখ্য, নির্বাচন কমিশনের পুনঃতফসিল অনুযায়ী আগামী ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২৮ নভেম্বর, মনোনয়ন বাছাই ২ ডিসেম্বর, প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ৯ ডিসেম্বর এবং ১০ ডিসেম্বর প্রতীক বরাদ্দের পর প্রার্থীরা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রচার শুরু করতে পারবেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শরিকদের ৬৫ আসনে ছাড় দিচ্ছে বিএনপি

দেশের খবর: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ও তার জোটের প্রার্থী চূড়ান্ত করে ফেললেও বিএনপি ও তার জোটের এখনো চূড়ান্ত হয়নি। এ নিয়ে গত কয়েকদিন ধরে চলছে দফায় দফায় বৈঠক। চলছে দেন দরবার।
এক যুগেরও বেশি সময় ধরে ক্ষমতার বাইরে থাকা বিএনপির মনোনয়ন ফরম বিক্রি হয়েছে সাড়ে ৪ হাজারের বেশি। এর মধ্যে সাক্ষাতকার দিয়েছে প্রায় ৩ হাজার। এত বিশাল সংখ্যক মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্য থেকে আসন ঠিক করতে জোটের সঙ্গে একপ্রকার বিপাকে পড়েছে দলটি।

বিভিন্ন সময় বিএনপির কাছ থেকে ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ দল গণফোরাম একাই ১০০ আসন দাবি করে। আ স ম আব্দুর রবের জেএসডি দাবি করে ২০, মাহমুদুর রহমান মান্নার নিবন্ধনহীন নাগরিক ঐক্য দাবি করে ৩৫টি আসন। আর কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ ১২টি।

এই সব দাবি দাওয়া নিয়ে গত রোববার কয়েকবার বৈঠক হয় নিজেদের মধ্যে। তবে শেষ পর্যন্ত বিএনপির পক্ষ থেকে দুই জোটের জন্য সর্বোচ্চ ৬৫ আসন ছাড়া হয়েছে বলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক সূত্রে জানা গেছে।

এর মধ্যে নবগঠিত ঐক্যফ্রন্টের জন্য সর্বোচ্চ ২০টি আসন এবং ২০ দলীয় জোটের শরিকদের ৪৫টি আসন দেয়া হবে।

মূলত আসন ভাগাভাগিতে সবচেয়ে ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে জামায়াতকে নিয়ে। জামায়াত প্রথমে ৫৪টি আসন দাবি করে। শেষ পর্যন্ত তারা ৩৫টি আসনে অনড় থাকে। যদিও বিএনপির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে ২৪ আসন ছাড় দেয়া হবে জামায়াতকে। কিন্তু তারা এখনো ৩৫ আসনের আশা নিয়ে বসে আছে।

আর ঐক্যফ্রন্ট এর মধ্যে মান্না, আ স ম আব্দুর রব কে নিয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। তারা যেসব আসন দাবি করছেন তা বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ আসন। প্রথম দিকে ড. কামাল হোসেন এর গণফোরাম নিয়ে বেশ সমস্যা পোহাতে হয়েছে। তবে সেটি অনেকটাই নিষ্পত্তি হয়েছে বলে জানা গেছে। এ নিয়ে গতকাল দুপুরে মতিঝিলের ড. কামাল হোসেন এর চেম্বারে বৈঠকে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত না হওয়ায় পরবর্তীতে রাতে গুলশানে বৈঠক হয়।
এদিকে ২৮ নভেম্বরের মধ্যে প্রার্থীর তালিকা নির্বাচন কমিশনে জমা দিতে হবে। ৯ ডিসেম্বর নির্বাচন কমিশন থেকে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ দিন।

আসন বণ্টন নিয়ে মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, নানা আলোচনা হয়েছে। এটি নিষ্পত্তির ব্যাপার। আমরা ৩৫ আসন চেয়েছিলাম। শেষ পর্যন্ত কত হবে সেটা পরে দেখা যাবে। আশা করি একটি সমাধান হয়ে যাবে।

আসন বণ্টন নিয়ে কথা বলতে গিয়ে এলডিপি সভাপতি ড. কর্নেল (অব:) অলি আহমেদ বলেন: আমরা কোনো অন্যায় আবদার করতে চাই না। আমার দলের যাদেরকে যোগ্য মনে হয়েছে তাদেরকে চেয়েছি। এই বার বিএনপির কাঁধে সওয়ার হয়ে জেতার সুযোগ নেই। নিজের যোগ্যতায় জিতে আসতে হবে। সেক্ষত্রে আমি বলবো সকলের ছাড় দেয়ার মানসিকতা থাকতে হবে। এই নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গণতন্ত্র ও দেশের জন্য অত্যন্ত জরুরি এই নির্বাচনে জিতে আসা। তাই ঐক্যফ্রন্টের সকল দলকে ছাড় দিতে হবে।

এ বিষয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন: সকলের মন খুশি করে তো কোনোদিন নির্বাচন হয় না। জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ত আছে এমন প্রার্থীদের ছাড় দেয়া হবে। আমাদের এই নির্বাচনে অবশ্যই জিততে হবে। তাই অনেক কিছু বিবেচনা করে আসন ছাড় দেয়া হচ্ছে।

এদিকে দলীয় প্রার্থীর তালিকা চূড়ান্ত করেছে বিএনপি। প্রতি আসনে একজন করে বিকল্প রেখে এ তালিকা করা হয়। আজ চূড়ান্তভাবে মনোনীতদের মধ্যে দলীয় মনোনয়ন ফরম বিতরণ করা হতে পারে।
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের স্বাক্ষরে ধানের শীষের মনোনয়ন দেয়া হবে এবার। দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত একটি চিঠি প্রতিটি জেলার রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়েছে।
বিএনপির চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া কারাগারে এবং ভারপ্রাপ্ত তারেক রহমান লন্ডনে অবস্থান করায় এবার দলের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী মহাসচিবকেই প্রার্থী নিশ্চিতকরণের দায়িত্ব পালন করতে হয়েছে বিএনপিকে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest