সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় নির্মাণাধীন ভবনের সাব-কন্টাক্টরের কাছে চাঁদা দাবি : থানায় অভিযোগতালায় আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা: সার সংকট, মাটি কাটা ও বালু উত্তোলন বন্ধে গুরুত্বারোপদেবহাটায় শিশুদের প্রারম্ভিক বিকাশে খেলাভিত্তিক সেশন পরিদর্শনসাতক্ষীরায় আবাসিক হোটেল-রেস্তোরাঁ – বেকারি ব্যবস্থাপনা বিষয়ক মতবিনিময়সাতক্ষীরায় মোজাম্মেল মিস্ত্রী হ%ত্যা মামলার দুই প্রধান আসামি সিলেটে গ্রেফতারশ্যামনগরে সুন্দরবনের বনদস্যু নির্মূলে মানববন্ধনএবিপার্টি সাতক্ষীরা সদর উপজেলার আহবায়ক কমিটির অনুমোদনসাতক্ষীরায় শিশু ধর্ষণ ও যৌন সহিংসতার প্রতিবাদে মানববন্ধনএডিসি রিপন বিশ্বাসের অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি দেওয়ার সিদ্ধান্ত সাতক্ষীরা আইনজীবী ফোরামেরপ্রেরণার নির্বাহী পরিচালক শম্পার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা

শেখ হাসিনার সিদ্ধান্তের দিকে তাকিয়ে শরিকরা

রাজনীতির খবর: আসন্ন একাদশ সংসদ নির্বাচনে দলের প্রার্থী মনোনয়ন চূড়ান্ত করে ফেলেছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। তবে ১৪ দলের শরিক এবং মহাজোটের নতুন মিত্র জাতীয় পার্টি (জাপা) ও যুক্তফ্রন্টসহ অন্যদের সঙ্গে আসন সমঝোতার জট খুলতে গতকাল শনিবার পৃথকভাবে প্রায় দিনভর বৈঠক করেছেন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। পরে শরিকদের চূড়ান্ত আসন-চাহিদার বিষয়ে বিস্তারিত যুক্তি ও ব্যাখ্যার নোট নিয়ে তিনি রাতেই গণভবনে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে একান্তে বৈঠক করেন। সেখান থেকে বেরিয়ে রাতেই ওবায়দুল কাদের ফের যোগাযোগ করেন শরিকদের সঙ্গে। শরিকদের সঙ্গে এভাবে গভীর রাত পর্যন্ত চলে শেষ মুহূর্তের দর-কষাকষি। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ১৪ দল ও মহাজোটের শরিকসহ আওয়ামী লীগের নতুন মিত্রদের সবাই এখন তাকিয়ে আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর সিদ্ধান্তের দিকে।

আওয়ামী লীগ, ১৪ দল, জাপা ও যুক্তফ্রন্ট নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তে শরিকরা সবাই সম্মত হলে আজ রবিবার দুপুর বা বিকাল নাগাদ সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তিনশ আসনে আওয়ামী লীগসহ ১৪ দল ও মহাজোটের চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হতে পারে। আর সমঝোতা না হলে তালিকা প্রকাশে কিছুটা বিলম্ব হবে, সেক্ষেত্রে আজ সন্ধ্যায় বা আগামীকাল সোমবার সকালে তালিকা প্রকাশ করবে আওয়ামী লীগ।

গতকাল সকালে বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ওবায়দুল কাদের প্রথমে বৈঠক করেন ওয়ার্কার্স পার্টি, জাসদসহ কয়েকটি শরিক দলের সঙ্গে। এরপর তিনি দীর্ঘ বৈঠক করেন জাপা নেতাদের সঙ্গে। বিকালে তিনি বৈঠক করেন যুক্তফ্রন্ট নেতা ও বিকল্পধারার প্রেসিডিয়াম সদস্য মাহী বি. চৌধুরীর সঙ্গে। এসব বৈঠকে শরিক দলগুলোর যুক্তি ও ব্যাখার বিষয়ে তিনি নোট নেন। সেই নোট নিয়েই রাতে বৈঠক করেন শেখ হাসিনার সঙ্গে।

শরিকদের সঙ্গে বৈঠক শেষে ওবায়দুল কাদের সংবাদ ব্রিফিংয়ে বলেছেন, ‘এখন আসন ভাগাভাগির বিষয়টি আলাপ-আলোচনার পর্যায়ে আছে। কাল-পরশুর মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হবে। আমরা ইন্টারনাল আলোচনা করছি।’ এরশাদের জাতীয় পার্টিকে কয়টি আসন দেওয়া হচ্ছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এখনও পরিষ্কার নয়।’ তিনি জানান, সব মিলিয়ে শরীকদের ৬৫ থেকে ৭০টির বেশি আসন দেওয়া হচ্ছে না।

ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে প্রায় চার ঘণ্টা বৈঠকের পর জাপা মহাসচিব এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার সাংবাদিকদের বলেন, ‘আসন ভাগাভাগিকে গুরুত্ব কম দিয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য জাপা নির্ভুলভাবে আওয়ামী লীগের সঙ্গে পথ চলতে চায়। আমাদেরকে লক্ষ্যে পৌঁছাতে নির্ভুল পথ চলতে হবে, এখানে আবেগের সুযোগ নেই।’ জাপা কতটি আসন পাচ্ছে- সাংবাদিকরা প্রশ্ন করলে হাওলাদার বলেন, ‘আমরা আশাবাদী ভালো কিছু পাব।’ বৈঠকে হাওলাদার ছাড়াও জাপার প্রেসিডিয়াম সদস্য ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, কাজী ফিরোজ রশীদ, জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু, মশিউর রহমান রাঙ্গা, মুজিবুল হক চুন্নু ও সুনীল শুভরায় প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে নিজেদের বৈঠক প্রসঙ্গে জানতে চাইলে গতকাল রাতে জাসদ সভাপতি ও তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু ইত্তেফাককে বলেন, ‘আমি আমাদের দলের পক্ষে আমাদের আসনের চাহিদার কথা বলেছি। কোন আসন কেন চাই সেটির পক্ষে আমাদের যুক্তি ও ব্যাখ্যা তুলে ধরেছি। ওবায়দুল কাদের সাহেব সেগুলো লিপিবদ্ধ করেছেন। তিনি (ওবায়দুল কাদের) আমাদের জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী ওনাকে আমাদের সঙ্গে কথা বলে বক্তব্য জানার দায়িত্ব দিয়েছেন, ওনাকে সিদ্ধান্ত দিতে বলেননি। আমাদের সঙ্গে বৈঠকের পর কাদের সাহেব প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ওয়ান টু ওয়ান বৈঠক করবেন বলেছেন। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবেন প্রধানমন্ত্রী।’

জাপার সঙ্গে ঝামেলা কয়েকটি আসন নিয়ে

গতকাল ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে বৈঠকে উপস্থিত থাকা জাপার প্রেসিডিয়াম সদস্য ও প্রতিমন্ত্রী মুজিবুল হক চুন্নু ইত্তেফাককে জানান, সুনির্দিষ্ট কিছু আসন নিয়ে একটু জটলা দেখা দিয়েছে। বৈঠকে মূলত এটা নিয়েই কথা হয়েছে। জাপা ৬০টির মতো আসন চায়। আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, জয়ী হওয়ার মতো প্রার্থী থাকলে ৪০-৫০টি আসনে ছাড় দিতে তাদের আপত্তি থাকবে না। এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী চুন্নু বলেন, মোটামুটি একটা সিদ্ধান্ত আছে যে, বড় ধরনের কোনো কারণ ছাড়া জাপার বর্তমান সংসদ সদস্যদের কাউকে মনোনয়ন-বঞ্চিত করা হবে না।

সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, জাপা চেয়ারম্যান এইচএম এরশাদ ঢাকা-১৭ (গুলশান-ক্যান্টনমেন্ট) ছাড়াও রংপুর-৩ ও নারায়ণগঞ্জ-১ (রূপগঞ্জ) আসনে নির্বাচন করতে চান। আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে তাকে আগেই বলা হয়েছিল, রংপুর-৩ আসনে তাকে ছাড় দেওয়া হবে। আর ঢাকা-১৭ ও ও নারায়ণগঞ্জ-১ আসনের যেকোনো একটি বেছে নিতে বলা হয়েছে। জানা গেছে, শেষ পর্যন্ত নারায়ণগঞ্জ-১ ছেড়ে দিয়ে এরশাদ রংপুর-৩ ও ঢাকা-১৭ আসনে নির্বাচন করতে রাজি হয়েছেন। নারায়ণগঞ্জ-১ আসন এরশাদ ছেড়ে দেওয়ায় নারায়ণগঞ্জ-৫ (সদর) আসনে জাপার সেলিম ওসমান ও নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁ) আসনে লিয়াকত হোসেন খোকার বিষয়ে এবারও ছাড় দিতে রাজি আওয়ামী লীগ।

এরশাদের সহোদর ও জাপার কো-চেয়ারম্যান জিএম কাদের ঢাকা-১৮ (উত্তরা-খিলক্ষেত) ও লালমনিরহাট-৩ আসন থেকে নির্বাচন করার আগ্রহ প্রকাশ করেন। গেল সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করার পর তিনি শুধু লালমনিরহাট-৩ আসনে নির্বাচন করতে সম্মত হয়েছেন। জিএম কাদের জানান, প্রধানমন্ত্রী তাকে বলেছেন ঢাকা-১৮ আসনের আওয়ামী লীগ দলীয় বর্তমান সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুনের দলের প্রতি যে ত্যাগ ও আনুগত্য শেষ বয়সে এসে তিনি তাকে মনোনয়ন-বঞ্চিত করতে চান না। এছাড়া কাজী ফিরোজ রশীদের জন্য ঢাকা-৬ (সূত্রাপুর) ও সৈয়দ আবু হোসেন বাবলার জন্য ঢাকা-৪ (শ্যামপুর-কদমতলী) আসনে এবারও ছাড় দেওয়ার বিষয়ে সম্মত হয়েছে আওয়ামী লীগ।

ঢাকা-১ (দোহার-নবাবগঞ্জ) আসন নিয়ে বড় ঝামেলা দেখা দিয়েছে আওয়ামী লীগের সঙ্গে জাপার। এই আসনের বর্তমান এমপি জাপার সালমা ইসলাম। কিন্তু শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী সালমান এফ রহমানকে এই আসনে দলীয় মনোনয়ন দিতে চাচ্ছে আওয়ামী লীগ। জানা গেছে, এই আসনটি নিয়ে গতকাল পর্যন্ত দর-কষাকষি চলছিল। খুলনা-১ আসনটি দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য সুনীল শুভরায়ের জন্য চেয়েছিল জাপা। তবে এই আসনের বর্তমান এমপি আওয়ামী লীগের পঞ্চানন বিশ্বাস, তিনি কয়েকবার নির্বাচিত। এই কারণে আওয়ামী লীগ এই আসনে ছাড় দিতে রাজি হয়নি।

কুমিল্লা-২ আসন নিয়েও জট আছে। এই আসনের বর্তমান এমপি জাপার আমির হোসেন। তবে এই আসনে এবার ব্যবসায়ী আবদুল মাতলুব আহমেদের স্ত্রী সেলিমা আহমেদকে দলীয় মনোনয়ন দিতে চায় আওয়ামী লীগ। যার কারণে এই আসনটি এবার জাপার হাতছাড়া হতে পারে। চট্টগ্রাম-৯ আসন নিয়েও সমস্যা দেখা দিয়েছে। এখানকার বর্তমান এমপি জাপার জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু। এবার এখানে তার শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মুহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল।

এছাড়া গতকাল রাত পর্যন্ত জাপার যাদের মনোনয়ন মোটামুটি চূড়ান্ত হয়েছে তারা হলেনঃ রংপুর-১ আসনে মসিউর রহমান রাঙা, কুড়িগ্রাম-১ আসনে এ কে এম মোস্তাফিজুর রহমান, কুড়িগ্রাম-৩ আসনে আক্কাস আলী, গাইবান্ধা-১ আসনে ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী, গাইবান্ধা-৩ আসনে ব্যারিস্টার দিলারা খন্দকার, বগুড়া-৬ আসনে নুরুল ইসলাম ওমর, বগুড়া-৭ আসনে আলতাফ আলী, পটুয়াখালী-১ আসনে এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার, বরিশাল-৬ আসনে নাসরিন জাহান রত্না, ময়মনসিংহ-৪ আসনে রওশন এরশাদ, ময়মনসিংহ-৫ আসনে সালাউদ্দীন আহম্মেদ মুক্তি, ময়মনসিংহ-৮ আসনে ফখরুল ইমাম, কিশোরগঞ্জ-৩ আসনে মুজিবুল হক চুন্নু, সিলেট-২ আসনে ইয়াহ্ইয়া চৌধুরী, সিলেট-৫ আসনে সেলিম উদ্দিন, হবিগঞ্জ-১ আসনে আবদুল মুনিম চৌধুরী বাবু, কুমিল্লা-৮ আসনে নুরুল ইসলাম মিলন, ফেনী-৩ আসনে লে. জে (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী, চট্টগ্রাম-৫ আসনে ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, লালমনিরহাট-১ আসনে মেজর (অব.) খালেদ আখতার, নীলফামারী-৪ আসনে শওকত চৌধুরী, সুনামগঞ্জ-৪ আসনে পীর ফজলুর রমান মিজবাহ, পিরোজপুর-৩ আসনে ডা. রুস্তম আলী ফরাজী ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে অ্যাডভোকেট রেজাউল ইসলাম ভূইয়া প্রমুখ।

বিকল্পধারা ও যুক্তফ্রন্টের সম্ভাব্য প্রার্থী যারা

বিকল্পধারা প্রেসিডেন্ট ও যুক্তফ্রন্ট চেয়ারম্যান অধ্যাপক একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী ইতোমধ্যেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করে ২২ জনের একটি তালিকা দেন। এই তালিকা নিয়ে গতকালসহ এর আগে একাধিক দফায় ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে বৈঠক করেছেন মাহী বি. চৌধুরী। সর্বশেষ খবর অনুযায়ী আটটি আসনে আওয়ামী লীগের কাছ থেকে মোটামুটি সংকেত পেয়েছে যুক্তফ্রন্ট। তাদের মধ্যে রয়েছেন লক্ষ্মীপুর-৪ আসনে বিকল্পধারার মহাসচিব মেজর (অব.) আবদুল মান্নান, মুন্সীগঞ্জ-১ আসনে মাহী বি. চৌধুরী, সিলেট-৬ (গোলাপগঞ্জ-বিয়ানিবাজার) আসনে সমশের মবিন চৌধুরী, মানকিগঞ্জ-২ (সিঙ্গাইর-হরিরামপুর-দক্ষিণ মানিকগঞ্জ) আসনে গোলাম সারোয়ার মিলন, সাতক্ষীরা-৪ (শ্যামনগর) আসনে এইচএম গোলাম রেজা (তবে এখানে জাপা চেয়ারম্যান এরশাদের প্রবল আপত্তি আছে বলে জানা গেছে), মৌলভীবাজার-২ (কুলাউড়া) আসনে এমএম শাহীন ও নীলফামারি-১ আসনে যুক্তফ্রন্ট শরিক বাংলাদেশ ন্যাপ চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গাণি। এছাড়া নওগাঁ-২ আসনে আবদুর রউফ মান্নান, চট্টগ্রাম-২ আসনে মজহারুল হক শাহ চৌধুরী, বগুড়া-৫ (ধুনট) আসনে মাহবুব আলী, নোয়াখালী-১ (চাটখিল) আসনে ব্যারিস্টার ওমর ফারুক, সুনামগঞ্জ-১ (ধর্মপাশা-তাহিরপুর) আসনে অধ্যাপক ডা. রফিক চৌধুরীর জন্য চেষ্টা চালাচ্ছে বিকল্পধারা।

১৪ দল

বর্তমান দশম সংসদে ১৪ দলের শরিক ওয়ার্কার্স পার্টি, জাসদ, তরীকত ফেডারেশন ও জাতীয় পার্টি-জেপি ১৫টি আসনে জয়ী হয়েছিল। এবার কোনো কোনো আসনে জটিলতা দেখা দিয়েছে। নড়াইল-২ আসনে ক্রিকেটার মাশরাফি বিন মোর্তজা মনোনয়ন পাচ্ছেন এটা নিশ্চিত করেছে আওয়ামী লীগ। ফলে এখানকার বর্তমান এমপি ওয়ার্কার্স পার্টির হাফিজুর রহমান বাদ পড়ছেন। আরেক শরিক জাসদ দুই ভাগে বিভক্ত। বাংলাদেশ জাসদের সভাপতি শরীফ নুরুল আম্বিয়া নড়াইল-১ আসনটি দাবি করেছেন।

অন্যান্য মিত্র

লক্ষ্মীপুর-১ আসনে বর্তমান এমপি হলেন ১৪ দলের শরিক তরীকত ফেডারেশনের সাবেক মহাসচিব এম এ আউয়াল। তিনি এখন ইসলামিক ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স নামে একটি জোটের কো-চেয়ারম্যান। এবার আউয়ালের সাবেক দল তরীকত ফেডারেশন এই আসনে আনোয়ার খান মডার্ন হাসপাতালের মালিক আনোয়ার খানকে মনোনয়ন দিতে চাচ্ছে। যদিও আনোয়ার খান রামগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি। সূত্র: ইত্তেফাক

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
গণফোরামে যোগ দিচ্ছেন আ.লীগের সাবেক মন্ত্রী এ কে খন্দকার

দেশের খবর: রোববার আনুষ্ঠানিকভাবে ড. কামাল হোসেন এর গণফোরাম এ যোগদান করতে যাচ্ছেন আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক পরিকল্পনামন্ত্রী এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) এ কে খন্দকার।
দুপুর ১টার পর জাতীয় প্রেসক্লাবে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের অন্যতম শরিক গণফোরামে যোগ দেবেন তিনি।

একইসঙ্গে একুশে টেলিভিশনের সাবেক চেয়ারম্যান আবদুস সালামসহ আরো বেশ কয়েকজন গণফেরামে যোগদান করবেন বলে নিশ্চিত করেছেন গণফোরামের গণমাধ্যম সহযোগি রফিকুল ইসলাম প্রতীক।
এসময় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেন সহ গণফোম নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থাকবেন বলে জানিয়েছেন প্রতীক।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
৩ থেকে ৪ দিনের জন্য নৌকার মনোনয়ন পাচ্ছেন প্রায় ৭০ জন

রাজনীতির খবর: নভেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে (৯ নভেম্বর) উৎসবমুখর পরিবেশে শুরু হওয়া আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম বিক্রি ও জমা প্রক্রিয়ার শেষ কয়েকদিন দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে ছড়িয়ে পড়েছে চাপা উত্তেজনা।

কে মনোনয়ন পাচ্ছেন আর কে পাচ্ছেন না এটা নিয়ে দ্বিধা বিভক্ত নির্বাচনী এলাকাগুলোর সাধারণ ভোটার থেকে শুরু করে তৃণমূলের নেতাকর্মীরাও।

প্রায় প্রতিটি নির্বাচনী এলাকাতেই আওয়ামী লীগের একাধিক হেভিওয়েট প্রার্থী রয়েছেন। শেষ সপ্তাহ জুড়ে এক পক্ষ যদি কেন্দ্রের গ্রিন সিগন্যাল পাওয়ার কথা বলে মিষ্টি বিতরণ করে, পরক্ষণেই মনোনয়ন নিশ্চিতে বিজয় মিছিল করেছে অন্য পক্ষ।

নিজ দলে এমন পাল্টাপাল্টি সামাল দিতে আজই (রোববার) আওয়ামী লীগ ৩০০ সংসদীয় আসনে মনোনয়নপ্রাপ্তদের নাম ঘোষণা করবে। যদিও দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের শনিবার বলছিলেন, রোববারই মনোনয়ন ইস্যুতে সব পরিষ্কার হয়ে যাবে। অবশ্য পরক্ষণে কিছুটা আকর্ষণ ধরে রাখেন তিনি। বলেন: কাল (রোববার) সন্ধ্যা না হলেও পরশু (সোমবার) সকালে মনোনয়নের চূড়ান্ত ঘোষণা দেওয়া হবে।

তবে আওয়ামী লীগের নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে, আগামীকাল নয় আজই শেষ হচ্ছে অপেক্ষার প্রহর। ঘোষণা করা হবে ৩০০ আসনে নৌকার মনোনীত প্রার্থীর নাম।

৩০০ কেন? আওয়ামী লীগ তো একাদশ জাতীয় নির্বাচনে ১৪ দল, জাতীয় পার্টি (জাপা), যুক্তফ্রন্টসহ আরও কিছু ইসলামী দল ও পৃথক জোটকে সঙ্গে নিয়ে এবার নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে। তাহলে শরিকদের জন্য আসন ছাড়ছে না ক্ষমতাসীনরা?

এর ব্যাখায় আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে: আমরা দশম সংসদীয় আসনের ধারাবাহিকতায় ৩০০ আসনেই মনোনয়ন ঘোষণা করা হবে। পরবর্তীকালে জোট ও নির্বাচনী শরিকদের জন্য যে আসনগুলো ছেড়ে দেওয়া হবে সেগুলো থেকে মনোনয়ন চিঠি প্রত্যাহার করে নেওয়া হবে।

কীভাবে সম্পন্ন হবে এ প্রক্রিয়া? এ বিষয়ে দলটির দপ্তর থেকে বলা হচ্ছে: মনোনয়ন চিঠি দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ৩০০ আসনে মনোনয়নপ্রাপ্তদের কাছ থেকেই প্রত্যাহারপত্র নিয়ে রাখা হবে। শরিকদের ছেড়ে দেওয়া আসন গুলোতে ওই প্রত্যাহারপত্র গ্রহণ করে নেওয়া হবে।

সেই হিসেবে খুব অল্প সময়ের জন্য উপমহাদেশের অন্যতম প্রাচীনতম দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাচ্ছেন ৬৫ থেকে ৭০ জন। আওয়ামী লীগ চাইছে ২৭ নভেম্বরের মধ্যে শরিকদের আসন বণ্টনসহ মনোনয়ন চূড়ান্ত করতে। সেটা সম্ভব না হলে কোনভাবেই ২৯ নভেম্বর পার করতে চাইছেন না ক্ষমতাসীনরা।

তাই শরিকদের জন্য প্রতিশ্রুত ৬৫ থেকে ৭০টি আসনে যারা মনোনয়ন পাচ্ছে তারা সর্বোচ্চ ৭২ থেকে ৯৬ ঘণ্টা নৌকার প্রার্থী পরিচয় পাবেন। তবে শেষ সময়ে ৭০-এ শরিকদের শান্ত রাখার অ্যাসাইনমন্টে কাদের কতটুকু সফল হবেন সেটা দেখার অপেক্ষায়। যদিও তিনি বারবার বলছেন, দর কষাকষি আছে, তবে সেটা আওয়ামী লীগের সাধ্যের মধ্যে।

এখন পর্যন্ত পাওয়া তথ্য বলছে, জাতীয় পার্টি’র (জাপা) জন্য ৩৬ আসনে ছাড় দেবে আওয়ামী লীগ। এরপর রয়েছে ১৪ দল, যুক্তফ্রন্ট, নজমুল হুদা নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ জাতীয় জোট (বিএনএ)সহ ইসলামী কয়েকটি দল। সকলের প্রত্যাশা পূরণে ৩৪ আসন কতটুকু পুঁজি আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদকের জন্য সেটা এখন দেখার বিষয়। সব ঠিক থাকলে নিবন্ধিত-অনিবন্ধিত সব মিলিয়ে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী জোটে দেখা যেতে পারে ১২৯টির মতো রাজনৈতিক দল।

দলীয় সভাপতি ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী প্রদত্ত শরিকদের জন্য ৬৫-৭০ আসনে ‘রফা’ অ্যাসাইনমেন্টে ব্যর্থ হলে শেষ সময়ে শরিকদের জন্য আরও ১০টির মতো আসন ছাড়তে হতে পারে আওয়ামী লীগের। সেক্ষেত্রে পেয়েও না পাওয়ার বেদনায় পুড়তে হবে আরও জন-দশেককে।

একে বাঁকা দৃষ্টিতে দেখতে নারাজ আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতৃত্ব। তারা বলছেন: দশম জাতীয় নির্বাচনেও এ প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছিল। শরিকদের জন্য আমাদের যেহেতু ছাড়তেই হচ্ছে, তার আগে দলের পক্ষ থেকে যাকে মনোনীত করা হচ্ছে ওই প্রার্থীর জন্য আওয়ামী লীগে স্বীকৃতি থাকবে। এটা মন ভাঙা নয় বরং ভবিষ্যতে এ সমস্ত স্বল্প সময়ে মনোনয়ন পাওয়াদের রাজনীতির মাঠে চাঙ্গা করবে বলে বিশ্বাস দলটির নীতি-নির্ধারকদের।

৭টি সংসদীয় আসন বাদে বাকি ২৯৩টি আসনেই ক্ষমতাসীনদের রয়েছে একাধিক প্রার্থী। ক্ষেত্রবিশেষে তা অর্ধ-শতাধিকের বেশি। শুধু বরগুনা-১ আসনে নৌকা প্রতীক চেয়ে ফরম সংগ্রহ করেছেন ৫১ জন।
পাল্টা-পাল্টি মিছিল, মিষ্টি খাওয়া ও বিতরণ, এক আসনে রেকর্ড সংখ্যক মনোনয়ন ফরম বিক্রির মতো বিষয়গুলোকে গণতন্ত্র চর্চার অংশ হিসেবে দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বর্ণনা করলেও সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এটা গত ১০ বছরে সঠিক নেতৃত্ব সৃষ্টিতে আওয়ামী লীগের ব্যর্থতা হিসেবে দেখছেন। একই সঙ্গে সংসদ সদস্যদের তৃণমূলের সঙ্গে সমন্বয়হীনতাকেও সামনে নিয়ে এসেছেন।

৯ নভেম্বর মনোনয়ন ফরম বিক্রি ও জমা নেওয়া শুরু করে ১২ নভেম্বর পর্যন্ত চলে। এই চারদিন দেশের বিভিন্ন নির্বাচনী এলাকা থেকে বাসে ভরে বাদ্যযন্ত্র সহযোগে ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির কার্যালয়ে হাজির ছিল বিপুল সংখ্যক আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মী।

এবারের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সর্বোচ্চ সংখ্যক ৪ হাজার ২৩টি মনোনয়ন ফরম বিক্রি করে। যা দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিক্রি হওয়া পরিসংখ্যানে প্রায় ১৪০০’র মতো বেশি।

উৎসব শেষে হয়েছে আগেই, শেষ কয়েকটা দিন ছিল প্রতীক্ষার। অঘটন না ঘটলে আজ শেষ হচ্ছে তারও। তারপরও আওয়ামী লীগের শরিকদের সঙ্গে নিয়ে চূড়ান্ত অপেক্ষায় থাকতে হবে অনেককেই।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
চালকের ঘুমে বাস খাদে, প্রাণ গেল ২ যাত্রীর

অনলাইন ডেস্ক: কুষ্টিয়ার খোকসায় চরমোনার ওরশ কাফেলার বাস খাদে পড়ে দুই যাত্রী নিহত হয়েছেন। এ সময় আহত হয়েছেন আরও ২৫ জন। রোববার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার মিজাপুর এলাকায় কুষ্টিয়া-রাজবাড়ী মহাসড়কে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

পুলিশ জানায়, ভোরে মিজপুর গ্রামের পাশে যাত্রীবাহি বাসটি (ঢাকা মেট্রো ব- ১৪-০৯০৬) নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের খাদে পড়ে যায়। এ সময় আশপাশের লোকজন এবং ফায়ার সার্ভিসের কুষ্টিয়া ও খোকসার দুটি ইউনিট আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নিয়ে যায়। এ সময় কর্তব্যরত চিকিৎসক মাহাতাব (৫০) নামে এক যাত্রীকে মৃত ঘোষণা করেন। তার বাড়ি নওগাঁ জেলার মুকন্দপুরে। পরে সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আব্দুল কাদের (৬৫) নামে আরেকজনের মৃত্যু হয়। তিনি একই জেলার দোগাছি গ্রামের বাসিন্দা।

পুলিশ আরও জানায়, গুরুতর আহতাবস্থায় একজনকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। কাফেলার আমির আমিরুজ্জামানসহ অন্যদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
দুর্ঘটনা কবলিত বাসের চালকের সহকারী জামিরুল ইসলাম জানান, ভোরে খোকসা বাস স্ট্যান্ড পার হওয়ার পর ড্রাইভার তরিকুল ইসলাম ঘুমিয়ে পরেন। এ সময় তিনি গাড়ির নিয়ন্ত্রণ হারালে বাসটি রাস্তার পাশের খাদে পড়ে যায়।
কুষ্টিয়া ফায়ার ব্রিগেডের উপ-পরিচালক ফিরোজ কুতুবী জানান, তারা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। কমপক্ষে ২০জন যাত্রীকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেছেন। সকাল ৮টায় তারা অভিযান শেষ করেছেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. দেলোয়ার হোসাইন জানান, এখন যারা হাসপাতালে ভর্তি আছেন তাদের মধ্যে দু’জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
খোকসা থানার এসআই দেলোয়ার হোসেন জানান, দুর্ঘটনার পরপরই তারা ঘটনাস্থলে আসেন। তবে দুর্ঘটনা কবলিত বাসের চালককে তারা আটক করতে পারেননি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মার্কিন জোটের বিমান হামলায় সিরিয়ায় নিহত ৩০

বিদেশের খবর: সিরিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় দেইর আয জোর প্রদেশের আবাসিক এলাকায় মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোটের বিমান হামলায় অন্তত ৩০ জন নিহত হয়েছেন। সিরিয়ার সরকারি বার্তা সংস্থা সানা জানিয়েছে, শনিবার (২৪ নভেম্বর) প্রদেশের হাজিন শহরের উপকণ্ঠের আল বুকান গ্রামে হামলার এ ঘটনা ঘটে।

মার্কিন জোটের মুখপাত্র কর্নেল শন রায়ান ইউফ্রেতিস নদীর পূর্ব তীরের হাজিনের বুকান অঞ্চলে হামলার কথা স্বীকার করলেও সাধারণ মানুষের হতাহতের বিষয়টি নাকচ করে দিয়েছেন।

এর আগে গত শুক্রবার মার্কিন জোটের জঙ্গিবিমান দেইর আয জোর প্রদেশের আল শাফা গ্রামে কয়েক দফা বোমা হামলা চালায়। সেই হামলার ঘটনায় তিনজন নারী এবং পাঁচ শিশুসহ ১৪ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হন। আহত হন আরো বেশ কিছু মানুষ।

এদিকে, সিরিয়ায় জঙ্গিগোষ্ঠী আইএস নির্মূলে অভিযান চালিয়ে আসছে মার্কিন নেতৃত্বাধীন কুর্দি-আরব বাহিনীসহ দেশটির সরকারি বাহিনী। সম্প্রতি দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের জঙ্গিগোষ্ঠী আইএসের দখলে থাকা সবশেষ এলাকাও পুনরুদ্ধার করেছে দেশটির সরকারি বাহিনী।

পর্যবেক্ষকদের বরাতে বার্তাসংস্থা এএফপি জানিয়েছে, দামেস্ক ও সুয়েদা প্রদেশের মধ্যবর্তী অঞ্চল থেকে আইএস সদস্যদের হটিয়ে পুনরায় সেখানকার নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে সিরীয় বাহিনী। সরকারি বাহিনীর অভিযানের মুখে আইএস সদস্যরা ওই এলাকা ছেড়ে পূর্বাঞ্চলীয় বাদিয়া মরুভূমির দিকে সরে যেতে বাধ্য হয়। এরমধ্য দিয়ে আইএসের দখলে থাকা সর্বশেষ ওই অঞ্চলটি আসাদ বাহিনী পুনরুদ্ধার করলো বলে জানিয়েছেন পর্যবেক্ষকরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পুলিশ অফিসার হচ্ছেন সোনম!

বিনোদনের খবর: বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী সোনম কাপুর। ‘সঞ্জু’, ‘প্যাডম্যান’ ও ‘ভীরে দি ওয়েডিং’ সিনেমার পর এই অভিনেত্রী বেশ কিছু নতুন সিনেমায় অভিনয় করছেন। এরমধ্যে একটি হচ্ছে ‘এক লাড়কি কো দেখা তো অ্যাইসা লাগা’।

সম্প্রতি এই অভিনেত্রীর নতুন আরেকটি সিনেমার খবর জানা গেল। নিখিল আদভানি পরিচালিত ক্রাইম থ্রিলার ঘরনার একটি সিনেমায় অভিনয় করতে যাচ্ছেন এই তারকা। আর এতে সোনমকে পাওয়া যাবে পুলিশ অফিসারের চরিত্রে। সিনেমাটি অভিনয়ের জন্য সোনমকে নিশ্চিত করা হয়েছে। খুব শিগগিরই নাম ঠিক না হওয়া সিনেমাটির শুটিং শুরু হবে। তবে এতে তার বিপরীতে কে অভিনয় করবেন তা এখনো ঠিক হয়নি।

এদিকে, সম্প্রতি ফ্যাশন ডিজাইনার অনিতা শ্রফ আদাজানিয়ার ‘চ্যাট শো’তে হাজির হয়েছিলেন অভিনেত্রী সোনম। প্রশ্ন করা হয়েছিল, বলিউডে ‘ট্রাবলমেকার’ কাকে মনে হয়? উত্তরে কাপুরকন্যা মুখে নিলেন কঙ্গনা রানাওয়াতের নাম! বলেন, ঝামেলা পাকাতে ওর জুড়ি নেই।

নতুন করে কঙ্গনাকে ‘ট্রাবলমেকার’ বললেও পরক্ষণেই কারণটাও ব্যাখ্যা করলেন, ও আমার মতোই স্পষ্টবাদী। ‘কফি উইথ করণ’-এ গিয়ে করণকে বলেছিল ‘স্বজনপ্রীতির ধারক ও বাহক’, এ নিয়ে কম পানি ঘোলা হয়নি। ‘আপ কি আদালত’-এ গিয়ে হৃতিক রোশান ও আদিত্য পাঞ্চোলির সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে নিঃসংকোচে খোলামেলা কথা বলেছিল, এসব নিয়েও ওকে কম ভুগতে হয়নি। ও সব সময় প্রথাবিরোধী কিছু করতে চায়, ও যা-ই বলুক একটা না একটা ঝামেলা হবেই! এটা আমার বেশ ভালো লাগে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ফের বিশ্বরেকর্ড গড়লেন মেরি কম

অনলাইন ডেস্ক: ভারতের সেলিব্রেটি বক্সার মেরি কম ফের বিশ্ব মানচিত্রে দেশটির নাম উজ্জ্বল করলেন। বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে প্রথম মহিলা বক্সার হিসেবে ষষ্ঠ সোনা জিতে ইতিহাস গড়লেন এই মণিপুরী কন্যা।

শনিবার ভারতের নয়াদিল্লির ইন্দিরা গান্ধী স্টেডিয়াম কমপ্লেক্সে মহিলা বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে ৪৮ কেজি বিভাগে ইউক্রেনের প্রতিদ্বন্দ্বী হ্যানা অকহোতাকে হারিয়ে সোনা জেতেন ভারতীয় বক্সার। সেই সঙ্গে আয়ারল্যান্ডের কেটি টেলরকে টপকে বিশ্বের প্রথম মহিলা বক্সার হিসেবে ষষ্ঠবার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হন ‘আয়রন লেডি’। তবে আয়রন লেডি এখন হয়ে উঠেছেন ‘গোল্ডেন লেডি’।

এর আগে ২০০২, ২০০৫, ২০০৬, ২০০৮ এবং ২০১০ বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়েছিলেন ম্যাগনিফিসিয়েন্ট মেরি। আট বছর পর বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে ফের সোনা জিতলেন মণিপুরী বক্সার। বিশ্বচ্যাম্পিয়নশিপে ছ’টি সোনা ও একটি রুপো জিতলেন মেরি। ২০০১ রুপা দিয়ে শুরু করার পর ছ’টি সোনা এসেছে মেরির ঝুলিতে। প্রথম মহিলা হিসেবে ষষ্ঠ সোনার জয়ের সঙ্গে সঙ্গে পুরুষ ও মহিলাদের মধ্যেও যুগ্মভাবে সবচেয়ে বেশিবার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হলেন মেরি। কিউবার কিংবদন্তি বক্সার ফেলিক্স স্যাভনের (পুরুষ বক্সার) সঙ্গে যুগ্মভাবে শীর্ষে রইলেন ভারতীয় এই মহিলা বক্সার।

বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়ে মেরি বলেন, ‘প্রথমত ফ্যানেদের আমি ধন্যবাদ জানায়। তোমাদের দেয়ার মতো আমার কিছু নেই। কিন্তু দেশকে সোনা দিতে পেরে আমি অত্যন্ত খুশি। আমি আজ একটু আবেগতাড়িত ছিলাম কারণ গত কয়েক বছর ধরে আমি ৪৮ কেজি বিভাগে লড়তে পারিনি। কিন্তু আজ এই বিভাগে লড়াই করে চ্যাম্পিয়ন হতে পেয়ে দারুণ খুশি।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘মি টু’ আন্দোলন নিয়ে মুখ খুললেন কারিনা

বিনোদনের খবর: হ্যাশ ট্যাগ ব্যবহার করে সম্প্রতি ‘মি টু’ আন্দোলন চলছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে। হলিউড বলিউড থেকে শুরু করে রাজনৈতিক সামাজিক ক্ষেত্রেও এই হ্যাশ ট্যাগ ব্যবহার করে ভুক্তভোগীরা যৌন হেনস্তার কথা তুলে ধরছেন। বলিউডে এই হইচই আরো বেশি করে দেখা দিয়েছে।

জাতীয় পুরস্কার প্রাপ্ত অভিনেতা নানা পাটেকারের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্তার অভিযোগ নিয়ে সোচ্চার হন অভিনেত্রী তনুশ্রী দত্ত। এরপর থেকে একযোগে সব ভুক্তভোগী অভিনেত্রীই এই আন্দোলনে সামিল হয়েছেন। জানিয়েছেন বলিউডে পা রাখার পর তাদের যৌন হেনস্তার মতো তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা। তাদের শাস্তিও দাবি করেছেন অনেকে। এবার বিষয়টি নিয়ে মুখ খুললেন কারিনা কাপুর

অপরাধীদের শাস্তির দাবি জানিয়ে মন্তব্য করেছেন তিনি বলেছেন, ‘যৌন হেনস্তা নিয়ে যারা মুখ খুলেছেন তাদের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। কারণ এতদিন ধরে যে বিষয়টি অনেকেই বলতে পারেননি তারাও সাহস করছেন বলার। অভিযুক্ত সবাইকে শাস্তি দিতে হবে। ছোট বা বড় সব তারকাকে আইনের আওতায় আনতে হবে। তারকা মেপে শাস্তি দেওয়া যাবে না। ইন্ডাস্ট্রিতে একজন পুরুষের মতো নারীর অবদানও কম নয়।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest